
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
ইরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ হঠাৎ করেই সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের বদলে নির্বিচারে সরকারি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানায় বিক্ষোভকারীরা। এ ছাড়াও দেশটির অন্তত অর্ধশতাধিক মসজিদে আগুন দিয়েছে তারা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) তেহরানে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে মোট ৫৩টি মসজিদ ও ১৮০টি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দেওয়া হয়েছে। তার মতে, কোনো ইরানি কখনো মসজিদে হামলা চালাতে পারে না।
গত সপ্তাহে তেহরানের আবুজার মসজিদের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুখে মাস্ক পরা প্রায় এক ডজন ব্যক্তি মসজিদটি তছনছ করছে, বইপত্র মেঝেতে ছুড়ে ফেলছে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, গত ৯ জানুয়ারি মসজিদটিতে আগুন দেওয়া হয়।
এদিকে সোমবার সরকারের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছেন লাখ লাখ ইরানি। দেশটির প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা যেমন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, তেমনি ‘মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের’ বিরুদ্ধেও স্লোগান দিয়েছেন।
ইরানের বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই দেশটির সরকারকে উদ্দেশ্য করে একের পর এক ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে ‘বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে’ তিনি সেখানে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকিও দিয়েছেন। জবাবে ইরানও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে।
তবে এই বাগযুদ্ধের মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সোমবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের (স্টিভ উইটকফ) মধ্যে যোগাযোগের চ্যানেল খোলা রয়েছে। প্রয়োজন হলে বার্তা আদান-প্রদানও করা হচ্ছে।’
ইরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ হঠাৎ করেই সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের বদলে নির্বিচারে সরকারি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানায় বিক্ষোভকারীরা। এ ছাড়াও দেশটির অন্তত অর্ধশতাধিক মসজিদে আগুন দিয়েছে তারা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) তেহরানে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে মোট ৫৩টি মসজিদ ও ১৮০টি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দেওয়া হয়েছে। তার মতে, কোনো ইরানি কখনো মসজিদে হামলা চালাতে পারে না।
গত সপ্তাহে তেহরানের আবুজার মসজিদের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুখে মাস্ক পরা প্রায় এক ডজন ব্যক্তি মসজিদটি তছনছ করছে, বইপত্র মেঝেতে ছুড়ে ফেলছে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, গত ৯ জানুয়ারি মসজিদটিতে আগুন দেওয়া হয়।
এদিকে সোমবার সরকারের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছেন লাখ লাখ ইরানি। দেশটির প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা যেমন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, তেমনি ‘মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের’ বিরুদ্ধেও স্লোগান দিয়েছেন।
ইরানের বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই দেশটির সরকারকে উদ্দেশ্য করে একের পর এক ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে ‘বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে’ তিনি সেখানে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকিও দিয়েছেন। জবাবে ইরানও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে।
তবে এই বাগযুদ্ধের মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সোমবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের (স্টিভ উইটকফ) মধ্যে যোগাযোগের চ্যানেল খোলা রয়েছে। প্রয়োজন হলে বার্তা আদান-প্রদানও করা হচ্ছে।’

০৩ মার্চ, ২০২৬ ২৩:৪৭
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এর মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ইরানের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘ইরান যদি অনুরোধ করে তাহলে আমরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করব। তাদের ধ্বংস করার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট।’
এরই মধ্যে তার এ মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা রাতে তেহরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্রের দাবি, অভিযান শুরুর পর থেকে ইরানের ১ হাজার ২৫০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
এদিকে ইরানে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সংঘর্ষের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উভয় পক্ষের বক্তব্যে উত্তেজনা প্রশমনের কোনো ইঙ্গিত মেলেনি।
রিয়াদের অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান। হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস জানিয়েছে, তারা দুবায়ের একটি এলাকায় হামলা চালিয়েছে, যেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছিল। প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাস্থলে মার্কিন নৌবাহিনীর সদস্যসহ বহু সেনা উপস্থিত ছিলেন। তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ এ দাবির সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি।
বরিশাল টাইমস
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এর মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ইরানের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘ইরান যদি অনুরোধ করে তাহলে আমরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করব। তাদের ধ্বংস করার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট।’
এরই মধ্যে তার এ মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা রাতে তেহরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্রের দাবি, অভিযান শুরুর পর থেকে ইরানের ১ হাজার ২৫০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
এদিকে ইরানে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সংঘর্ষের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উভয় পক্ষের বক্তব্যে উত্তেজনা প্রশমনের কোনো ইঙ্গিত মেলেনি।
রিয়াদের অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান। হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস জানিয়েছে, তারা দুবায়ের একটি এলাকায় হামলা চালিয়েছে, যেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছিল। প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাস্থলে মার্কিন নৌবাহিনীর সদস্যসহ বহু সেনা উপস্থিত ছিলেন। তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ এ দাবির সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি।
বরিশাল টাইমস

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০০
ওমান উপসাগরে ইরানের নৌবাহিনীর ১১টি জাহাজ টহল দিচ্ছিল। সবগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)।
আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা সেই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দু’দিন আগেও ওমান উপসাগরে ইরানের ১১টি যুদ্ধজাহাজ টহল দিয়ে বেড়াচ্ছিল। গতকাল সোমবার সবগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে। ওমান উপসাগরে এখন ইরানের কোনো যুদ্ধজাহাজ নেই।”
আরও বলা হয়েছে, “গত কয়েক দশক ধরে ওমান উপসাগরে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোতে হামলা এবং হয়রানি করে আসছিল ইরান। সেসব দিন শেষ হয়ে গেছে। আর ফিরবে না।”
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
ওমান উপসাগরে ইরানের নৌবাহিনীর ১১টি জাহাজ টহল দিচ্ছিল। সবগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)।
আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা সেই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দু’দিন আগেও ওমান উপসাগরে ইরানের ১১টি যুদ্ধজাহাজ টহল দিয়ে বেড়াচ্ছিল। গতকাল সোমবার সবগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে। ওমান উপসাগরে এখন ইরানের কোনো যুদ্ধজাহাজ নেই।”
আরও বলা হয়েছে, “গত কয়েক দশক ধরে ওমান উপসাগরে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোতে হামলা এবং হয়রানি করে আসছিল ইরান। সেসব দিন শেষ হয়ে গেছে। আর ফিরবে না।”
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

০২ মার্চ, ২০২৬ ১৮:০১
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। নেতানিয়াহুর কার্যালয় ছাড়াও ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রধানের সদরদপ্তরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরান।
সোমবার (২ মার্চ) আইআরজিসির এক বিবৃতির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আইআরজিসি বলেছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এবং ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রধানের সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ড বলেছে, ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং তাদের বিমানবাহিনীর কমান্ডারের সদরদপ্তরে হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে আইআরজিসি।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। নেতানিয়াহুর কার্যালয় ছাড়াও ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রধানের সদরদপ্তরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরান।
সোমবার (২ মার্চ) আইআরজিসির এক বিবৃতির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আইআরজিসি বলেছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এবং ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রধানের সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ড বলেছে, ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং তাদের বিমানবাহিনীর কমান্ডারের সদরদপ্তরে হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে আইআরজিসি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৯
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২৮
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৬
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫