
২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০৮
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় বালুভর্তি বাল্কহেড ডুবে নিখোঁজ দুই শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছেন ডুবুরি দলের সদস্যরা। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে বাল্কহেডের ডেকের ভেতরে আটকে থাকা দুজনের লাশ উদ্বার করেন। একই দিন ভোরে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে একটি বেসরকারি ডগ ইয়ার্ডের ঘাটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এর আগে নৌপুলিশের পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন-১৬ যাত্রীবাহী লঞ্চ বুড়িগঙ্গা নদীর ফতুল্লা ধর্মগঞ্জ এলাকায় এসে একটি বেসরকারি ঘাটের পাশে নোঙর করে রাখা বালুভর্তি বাল্কহেডকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে বাল্কহেডটির অর্ধেক অংশ পানির নিচে তলিয়ে যায়।
তিনি জানান, নোঙর করে রাখা বাল্কহেডের ডেকের কেবিনের ভেতরে পাঁচজন শ্রমিক ঘুমিয়েছিলেন। তারা নদীতে ঝাঁপ দেন। তাদের মধ্য থেকে ৩ শ্রমিক তীরে উঠলেও দুজনের কোনো সন্ধান মিলছিল না।
নিহতরা হলেন- পটুয়াখালী বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম শাকিল (২৫), ঝালকাঠি রাজাপুরের মোহাম্মদ হাসান (২০)।
এদিকে বিকাল ৩টার পর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ড এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিদের সঙ্গে এসে যোগ দেন স্থানীয় বেসরকারি তিন ডুবুরি দলের সদস্য। তারা ডুবে যাওয়া বাল্কহেডের ভেতরে ঢুকে একে একে জহিরুল ও হাসানের লাশ উদ্ধার করেন।
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম ফয়েজ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, দুর্ঘটনায় নিখোঁজ দুজনের লাশ বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উদ্ধারের পর নৌপুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার জন্য দায়ী লঞ্চটি আটক করা হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় বালুভর্তি বাল্কহেড ডুবে নিখোঁজ দুই শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছেন ডুবুরি দলের সদস্যরা। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে বাল্কহেডের ডেকের ভেতরে আটকে থাকা দুজনের লাশ উদ্বার করেন। একই দিন ভোরে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে একটি বেসরকারি ডগ ইয়ার্ডের ঘাটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এর আগে নৌপুলিশের পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন-১৬ যাত্রীবাহী লঞ্চ বুড়িগঙ্গা নদীর ফতুল্লা ধর্মগঞ্জ এলাকায় এসে একটি বেসরকারি ঘাটের পাশে নোঙর করে রাখা বালুভর্তি বাল্কহেডকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে বাল্কহেডটির অর্ধেক অংশ পানির নিচে তলিয়ে যায়।
তিনি জানান, নোঙর করে রাখা বাল্কহেডের ডেকের কেবিনের ভেতরে পাঁচজন শ্রমিক ঘুমিয়েছিলেন। তারা নদীতে ঝাঁপ দেন। তাদের মধ্য থেকে ৩ শ্রমিক তীরে উঠলেও দুজনের কোনো সন্ধান মিলছিল না।
নিহতরা হলেন- পটুয়াখালী বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম শাকিল (২৫), ঝালকাঠি রাজাপুরের মোহাম্মদ হাসান (২০)।
এদিকে বিকাল ৩টার পর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ড এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিদের সঙ্গে এসে যোগ দেন স্থানীয় বেসরকারি তিন ডুবুরি দলের সদস্য। তারা ডুবে যাওয়া বাল্কহেডের ভেতরে ঢুকে একে একে জহিরুল ও হাসানের লাশ উদ্ধার করেন।
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম ফয়েজ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, দুর্ঘটনায় নিখোঁজ দুজনের লাশ বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উদ্ধারের পর নৌপুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার জন্য দায়ী লঞ্চটি আটক করা হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৮
মৌলভীবাজারের জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল অবৈধ মজুত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় পেট্রোলের সঙ্গে সিঁদুর মিশিয়ে নকল অকটেন তৈরির চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। দুটি অভিযানে সব মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার ১২৫ লিটার তেল জব্দ করা হয়।
বুধবার মধ্যরাতে জুড়ী উপজেলার সমাই বাজারের ‘মেসার্স ইউনিক ট্রেডার্স’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবরিনা আক্তার।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের শুরুতে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তেল মজুতের বিষয়টি অস্বীকার করলেও তল্লাশিতে ৬০০ লিটার ডিজেল ও ৭৫০ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়। এ সময় সেখান থেকে ৫০ গ্রাম সিঁদুর জব্দ করা হয়, যা পেট্রোলের রঙ পরিবর্তন করে নকল অকটেন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো। অবৈধ মজুত ও জালিয়াতির দায়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জুড়ী থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
একই সময়ে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর বাজারের ‘নাফিজ ভ্যারাইটিজ স্টোর’-এ অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে দোকানটি থেকে ৭২৫ লিটার অবৈধ মজুত ডিজেল জব্দ করা হয়।
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী দোকান মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ তেল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী বলেন, অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রির সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছি। জনস্বার্থে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে আমাদের এই নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।
জুড়ীর ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) সাবরিনা আক্তার জানান, অবৈধভাবে তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মৌলভীবাজারের জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল অবৈধ মজুত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় পেট্রোলের সঙ্গে সিঁদুর মিশিয়ে নকল অকটেন তৈরির চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। দুটি অভিযানে সব মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার ১২৫ লিটার তেল জব্দ করা হয়।
বুধবার মধ্যরাতে জুড়ী উপজেলার সমাই বাজারের ‘মেসার্স ইউনিক ট্রেডার্স’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবরিনা আক্তার।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের শুরুতে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তেল মজুতের বিষয়টি অস্বীকার করলেও তল্লাশিতে ৬০০ লিটার ডিজেল ও ৭৫০ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়। এ সময় সেখান থেকে ৫০ গ্রাম সিঁদুর জব্দ করা হয়, যা পেট্রোলের রঙ পরিবর্তন করে নকল অকটেন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো। অবৈধ মজুত ও জালিয়াতির দায়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জুড়ী থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
একই সময়ে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর বাজারের ‘নাফিজ ভ্যারাইটিজ স্টোর’-এ অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে দোকানটি থেকে ৭২৫ লিটার অবৈধ মজুত ডিজেল জব্দ করা হয়।
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী দোকান মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ তেল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী বলেন, অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রির সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছি। জনস্বার্থে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে আমাদের এই নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।
জুড়ীর ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) সাবরিনা আক্তার জানান, অবৈধভাবে তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬
বন্ধুর সঙ্গে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক কলেজছাত্রী। বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে পতেঙ্গা থেকে ফেরার পথে চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আগ্রাবাদ অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সায়মা জাহান তানিশা (২৩) নগরীর হাজেরা-তাজু ডিগ্রি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও গাড়ির চালক তার বন্ধু সামি জানান, পতেঙ্গা থেকে ফেরার সময় আগ্রাবাদ এলাকায় পৌঁছালে প্রাইভেট কারটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে তানিশা গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক নুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তানিশাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গাড়িচালক ও তার বন্ধু সামিকে আটক করা হয়েছে।
বন্ধুর সঙ্গে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক কলেজছাত্রী। বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে পতেঙ্গা থেকে ফেরার পথে চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আগ্রাবাদ অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সায়মা জাহান তানিশা (২৩) নগরীর হাজেরা-তাজু ডিগ্রি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও গাড়ির চালক তার বন্ধু সামি জানান, পতেঙ্গা থেকে ফেরার সময় আগ্রাবাদ এলাকায় পৌঁছালে প্রাইভেট কারটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে তানিশা গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক নুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তানিশাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গাড়িচালক ও তার বন্ধু সামিকে আটক করা হয়েছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০১
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অনলাইন গেম খেলার জন্য টাকা না পেয়ে বটকি হাতে নিজের মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের চুন্নাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মো. জাবেদ (১৮) ওই এলাকার কালা গাজীর বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত মো. ইয়াকুবের ছেলে। পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে তার নিরাপত্তা প্রহরী বাবা মারা যান। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি পরিবারের একমাত্র ছেলে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরের ভেতরে হাতে বটকি নিয়ে জাবেদ তার মায়ের কাছে টাকা দাবি করছেন। একপর্যায়ে তিনি বটকি দিয়ে ভয় দেখাতে দেখাতে মাকে মারধর শুরু করেন। আত্মরক্ষার চেষ্টা করলেও ভুক্তভোগী নারীকে থামতে দেখা যায়নি। ভিডিওতে তাকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, ‘তোরে আমি টাকা দেবো, তোর মাথা ছুঁয়ে বলছি।’
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, মারধরের সময় মা বারবার ছেলেকে থামার অনুরোধ জানান এবং টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ সময় আশপাশের লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি অভিযুক্তের বোন মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর মন্তব্যের ঘরে অনেকেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। অনেকে মাদক ও গেম আসক্তিকে যুব সমাজের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
জাবেদের চাচা মো. খোকন বলেন, বাবার মৃত্যু আর অভাবের কারণে মা ও ছেলে অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এছাড়া জাবেদ মোবাইলে ভিডিও গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। তাই ইন্টারনেটের টাকার জন্য মাকে মারধর করে। তবে ছেলেটা বাহিরের কারো সাথে খারাপ আচরণ করে না।
এদিকে খবর পেয়ে বুধবার রাতেই আনোয়ারা থানা-পুলিশ ভুক্তভোগীর বাড়িতে যায়। পুলিশ জানায়, ফ্রি ফায়ার ও পাবজির মতো অনলাইন গেমে আসক্তির কারণে অভিযুক্ত প্রায়ই পরিবারের কাছে টাকা চাইতেন। সর্বশেষ টাকা না পেয়ে তিনি মাকে মারধর করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে গেমে আসক্তির কারণেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অনলাইন গেম খেলার জন্য টাকা না পেয়ে বটকি হাতে নিজের মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের চুন্নাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মো. জাবেদ (১৮) ওই এলাকার কালা গাজীর বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত মো. ইয়াকুবের ছেলে। পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে তার নিরাপত্তা প্রহরী বাবা মারা যান। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি পরিবারের একমাত্র ছেলে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরের ভেতরে হাতে বটকি নিয়ে জাবেদ তার মায়ের কাছে টাকা দাবি করছেন। একপর্যায়ে তিনি বটকি দিয়ে ভয় দেখাতে দেখাতে মাকে মারধর শুরু করেন। আত্মরক্ষার চেষ্টা করলেও ভুক্তভোগী নারীকে থামতে দেখা যায়নি। ভিডিওতে তাকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, ‘তোরে আমি টাকা দেবো, তোর মাথা ছুঁয়ে বলছি।’
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, মারধরের সময় মা বারবার ছেলেকে থামার অনুরোধ জানান এবং টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ সময় আশপাশের লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি অভিযুক্তের বোন মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর মন্তব্যের ঘরে অনেকেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। অনেকে মাদক ও গেম আসক্তিকে যুব সমাজের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
জাবেদের চাচা মো. খোকন বলেন, বাবার মৃত্যু আর অভাবের কারণে মা ও ছেলে অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এছাড়া জাবেদ মোবাইলে ভিডিও গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। তাই ইন্টারনেটের টাকার জন্য মাকে মারধর করে। তবে ছেলেটা বাহিরের কারো সাথে খারাপ আচরণ করে না।
এদিকে খবর পেয়ে বুধবার রাতেই আনোয়ারা থানা-পুলিশ ভুক্তভোগীর বাড়িতে যায়। পুলিশ জানায়, ফ্রি ফায়ার ও পাবজির মতো অনলাইন গেমে আসক্তির কারণে অভিযুক্ত প্রায়ই পরিবারের কাছে টাকা চাইতেন। সর্বশেষ টাকা না পেয়ে তিনি মাকে মারধর করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে গেমে আসক্তির কারণেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.