
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যা মামলার প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সে।
মিলনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তার মিলন মল্লিকের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী লিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন লিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।
পরবর্তী সময়ে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে বাসায় একা পেয়ে মিলন লিলিকে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হয়ে লিলি তাকে জানায়, রেস্তোরাঁ মালিকের মেয়ে হয়ে সে কর্মচারীর সঙ্গে যাবে না। সেই সঙ্গে লিলি মিলনকে ‘বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াতে’ নিষেধ করে। নিজের এমন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারণেই মিলন এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তর তদন্তে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে মিলনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায় র্যাব। বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় র্যাব-৩ ও র্যাব-৬-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে।
নিহতের বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে বাসায় আসা নিয়ে লিলি তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় এসেছিল। তবে তার আচরণ একটু অন্যরকম মনে হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে জিমের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হই। যাওয়ার সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলি। তখন ওই কর্মচারী মিলনও বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু সে রাস্তা পার হয়ে চলে গিয়েছিল কি না, তা আমি দেখিনি। পরে বাসায় ফিরে দেখি দরজা খোলা। ভেতরে সব কিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি তার গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যা মামলার প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সে।
মিলনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তার মিলন মল্লিকের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী লিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন লিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।
পরবর্তী সময়ে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে বাসায় একা পেয়ে মিলন লিলিকে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হয়ে লিলি তাকে জানায়, রেস্তোরাঁ মালিকের মেয়ে হয়ে সে কর্মচারীর সঙ্গে যাবে না। সেই সঙ্গে লিলি মিলনকে ‘বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াতে’ নিষেধ করে। নিজের এমন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারণেই মিলন এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তর তদন্তে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে মিলনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায় র্যাব। বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় র্যাব-৩ ও র্যাব-৬-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে।
নিহতের বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে বাসায় আসা নিয়ে লিলি তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় এসেছিল। তবে তার আচরণ একটু অন্যরকম মনে হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে জিমের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হই। যাওয়ার সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলি। তখন ওই কর্মচারী মিলনও বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু সে রাস্তা পার হয়ে চলে গিয়েছিল কি না, তা আমি দেখিনি। পরে বাসায় ফিরে দেখি দরজা খোলা। ভেতরে সব কিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি তার গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’

০৮ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর ঘিরে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহে ঢল নেমেছে। চলতি মাসের (মার্চ) প্রথম সাত দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৬ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩ হাজার ৪১ কোটি ৮০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে)। এর মধ্যে গত ৩ দিনেই (৫ থেকে ৭ মার্চ) এসেছে ৩ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা।
রোববার (৮ মার্চ) বিকালে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রেমিট্যান্স প্রবাহে চাঙাভাব থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে উল্লেখ করেছেন ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকে তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মার্চ মাসের প্রথম সাত দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ৭৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সে হিসাবে চলতি বছরের মার্চের সাত দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৯০ শতাংশ।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৩৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের এই সময়ে ১ হাজার ৯২৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।
বরিশাল টাইমস
পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর ঘিরে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহে ঢল নেমেছে। চলতি মাসের (মার্চ) প্রথম সাত দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৬ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩ হাজার ৪১ কোটি ৮০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে)। এর মধ্যে গত ৩ দিনেই (৫ থেকে ৭ মার্চ) এসেছে ৩ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা।
রোববার (৮ মার্চ) বিকালে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রেমিট্যান্স প্রবাহে চাঙাভাব থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে উল্লেখ করেছেন ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকে তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মার্চ মাসের প্রথম সাত দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ৭৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সে হিসাবে চলতি বছরের মার্চের সাত দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৯০ শতাংশ।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৩৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের এই সময়ে ১ হাজার ৯২৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।
বরিশাল টাইমস

০৮ মার্চ, ২০২৬ ২১:০২
প্রতিবছর ঈদের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণ নতুন কাগজের নোট গ্রাহকদের মাঝে সরবরাহ করে। এসব নোট ঈদের সময় পরিবার-পরিজন বা শিশুদের ঈদ সালামি হিসেবে দেওয়া হয়। এটি বহুদিন ধরে প্রচলিত একটি সামাজিক অভ্যাস বলে বিবেচিত।
তবে বরাবরের মতো এ বছর আর নতুন টাকা পাওয়া যাবে না বলে জানা গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছর বাজারে ছাড়া হবে না নতুন টাকা।
রোববার (৮ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এবারের ঈদ উপলক্ষে বাজারে নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে না।
বরিশাল টাইমস
প্রতিবছর ঈদের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণ নতুন কাগজের নোট গ্রাহকদের মাঝে সরবরাহ করে। এসব নোট ঈদের সময় পরিবার-পরিজন বা শিশুদের ঈদ সালামি হিসেবে দেওয়া হয়। এটি বহুদিন ধরে প্রচলিত একটি সামাজিক অভ্যাস বলে বিবেচিত।
তবে বরাবরের মতো এ বছর আর নতুন টাকা পাওয়া যাবে না বলে জানা গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছর বাজারে ছাড়া হবে না নতুন টাকা।
রোববার (৮ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এবারের ঈদ উপলক্ষে বাজারে নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে না।
বরিশাল টাইমস

০৮ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৫
ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ১৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে ভারতের আদালত। রোববার (৮ মার্চ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের আটকের বিষয়টি ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং রিমান্ডে নিয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে বলে জানা গেছে।
এসটিএফ জানায়, গোপন সূত্রে তারা জানতে পারে বাংলাদেশে একটি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে দুই ব্যক্তি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে এবং পরে আবার বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করছে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (৭ মার্চ) গভীর রাতে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালায় এসটিএফ। অভিযানে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। পরে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হলে জানা যায়, তারা ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, ফয়সাল করিম মাসুদ যিনি রাহুল নামেও পরিচিত এবং আলমগীর হোসেন ওসমান হাদিকে হত্যার পর পালিয়ে যান। তারা প্রথমে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতের ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করার পর বাংলাদেশে ফিরে আসার পরিকল্পনায় পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও এলাকায় যান।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজধানীর পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়া হলে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস
ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ১৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে ভারতের আদালত। রোববার (৮ মার্চ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের আটকের বিষয়টি ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং রিমান্ডে নিয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে বলে জানা গেছে।
এসটিএফ জানায়, গোপন সূত্রে তারা জানতে পারে বাংলাদেশে একটি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে দুই ব্যক্তি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে এবং পরে আবার বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করছে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (৭ মার্চ) গভীর রাতে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালায় এসটিএফ। অভিযানে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। পরে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হলে জানা যায়, তারা ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, ফয়সাল করিম মাসুদ যিনি রাহুল নামেও পরিচিত এবং আলমগীর হোসেন ওসমান হাদিকে হত্যার পর পালিয়ে যান। তারা প্রথমে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতের ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করার পর বাংলাদেশে ফিরে আসার পরিকল্পনায় পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও এলাকায় যান।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজধানীর পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়া হলে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.