
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যা মামলার প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সে।
মিলনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তার মিলন মল্লিকের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী লিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন লিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।
পরবর্তী সময়ে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে বাসায় একা পেয়ে মিলন লিলিকে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হয়ে লিলি তাকে জানায়, রেস্তোরাঁ মালিকের মেয়ে হয়ে সে কর্মচারীর সঙ্গে যাবে না। সেই সঙ্গে লিলি মিলনকে ‘বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াতে’ নিষেধ করে। নিজের এমন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারণেই মিলন এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তর তদন্তে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে মিলনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায় র্যাব। বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় র্যাব-৩ ও র্যাব-৬-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে।
নিহতের বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে বাসায় আসা নিয়ে লিলি তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় এসেছিল। তবে তার আচরণ একটু অন্যরকম মনে হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে জিমের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হই। যাওয়ার সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলি। তখন ওই কর্মচারী মিলনও বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু সে রাস্তা পার হয়ে চলে গিয়েছিল কি না, তা আমি দেখিনি। পরে বাসায় ফিরে দেখি দরজা খোলা। ভেতরে সব কিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি তার গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যা মামলার প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সে।
মিলনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তার মিলন মল্লিকের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী লিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন লিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।
পরবর্তী সময়ে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে বাসায় একা পেয়ে মিলন লিলিকে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হয়ে লিলি তাকে জানায়, রেস্তোরাঁ মালিকের মেয়ে হয়ে সে কর্মচারীর সঙ্গে যাবে না। সেই সঙ্গে লিলি মিলনকে ‘বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াতে’ নিষেধ করে। নিজের এমন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারণেই মিলন এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তর তদন্তে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে মিলনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায় র্যাব। বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় র্যাব-৩ ও র্যাব-৬-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে।
নিহতের বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে বাসায় আসা নিয়ে লিলি তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় এসেছিল। তবে তার আচরণ একটু অন্যরকম মনে হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে জিমের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হই। যাওয়ার সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলি। তখন ওই কর্মচারী মিলনও বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু সে রাস্তা পার হয়ে চলে গিয়েছিল কি না, তা আমি দেখিনি। পরে বাসায় ফিরে দেখি দরজা খোলা। ভেতরে সব কিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি তার গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৭
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় মোটরসাইকেলে ট্রাকের ধাক্কায় মো. নয়ন আহমেদ (২৭) নামের এক ছাত্রদল নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভালুকার সীমান্ত ফুলবাড়িয়ার উপজেলার জোরার ব্রিজ এলাকায় ভরাডোবা-সাগরদীঘি সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. নয়ন আহমেদ ভালুকা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাঠাঁলী এলাকার আরফান শেখের ছেলে। তিনি ভালুকা পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে শাহাদাত শাকিল নামের একজনকে সঙ্গে নিয়ে ফুলবাড়িয়া এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে করে ভালুকায় যাচ্ছিলেন নয়ন আহমেদ।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভালুকা-ফুলবাড়িয়া সীমান্তে জোরার ব্রিজ এলাকা পর্যন্ত আসতেই ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কায় মোটরসাইকেলটি দুর্ঘটনা কবলিত হয়।
এতে নয়ন আহমেদ ঘটনাস্থলেই নিহত ও তার সহযাত্রী শাকিল আহত হন। আহত শাকিলকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
এ বিষয়ে ফুলবাড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নয়ন আহমেদ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিক ট্রাকের চালক ট্রাক নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় মোটরসাইকেলে ট্রাকের ধাক্কায় মো. নয়ন আহমেদ (২৭) নামের এক ছাত্রদল নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভালুকার সীমান্ত ফুলবাড়িয়ার উপজেলার জোরার ব্রিজ এলাকায় ভরাডোবা-সাগরদীঘি সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. নয়ন আহমেদ ভালুকা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাঠাঁলী এলাকার আরফান শেখের ছেলে। তিনি ভালুকা পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে শাহাদাত শাকিল নামের একজনকে সঙ্গে নিয়ে ফুলবাড়িয়া এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে করে ভালুকায় যাচ্ছিলেন নয়ন আহমেদ।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভালুকা-ফুলবাড়িয়া সীমান্তে জোরার ব্রিজ এলাকা পর্যন্ত আসতেই ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কায় মোটরসাইকেলটি দুর্ঘটনা কবলিত হয়।
এতে নয়ন আহমেদ ঘটনাস্থলেই নিহত ও তার সহযাত্রী শাকিল আহত হন। আহত শাকিলকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
এ বিষয়ে ফুলবাড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নয়ন আহমেদ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিক ট্রাকের চালক ট্রাক নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৯
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আমি সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসে এসে আশাহত হয়েছি। কারণ সকাল ৯টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও সেটা হয়নি।
দেখলাম একজন কর্মকর্তা পৌনে দশটা এবং আরেকজন দশটার পড়ে এসেছেন। এ ব্যাপারে আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিবো।
আমাদের সরকার জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার অর্থাৎ জনগণের সরকার। আমরা চেয়ারে বসা মাত্রই অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করার কথা বলেছি।
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে ভূমি অফিস পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশের প্রতিটি ভূমি অফিস প্রশ্নবিদ্ধ। মানুষের অভাব, অভিযোগসহ অনেক কিছুই রয়েছে। বিশেষ করে দুর্নীতির অভিযোগ এক নম্বরে রয়েছে।
তাই প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বিষয়গুলো তদন্ত করার চেষ্টা করছি। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এখানে এসে দেখতে পেয়েছি যে ভূমি অফিসের সেবাদানকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেবা গ্রহীতাদের ব্যাপক গ্যাপ কাজ করছে।
এখানকার কর্মকর্তারা সেবা গ্রহীতাদের সঠিকভাবে জানাচ্ছে না যে কোন কাজটায় কতটা সময় লাগতে পারে অর্থাৎ তাদের মধ্যে গ্যাপ অনেক। এককথায় বলাচলে আমলাতান্ত্রিক যে মনোভাব এটা এখনো বিরাজমান।
মূলত প্রজাতন্ত্রে কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে জনগণের সঙ্গে যে সম্পৃক্ততা থাকার কথা সেটা হয়ে উঠছে না। সেইসব বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখবো।
আজ পরিদর্শনে এসে যে সমস্যাগুলো চোখে পড়েছে সেগুলো বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিবো। আমাদের এই পরিদর্শনের কার্যক্রম সারাদেশে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
এর আগে সকাল ৯টার আগ মুহূর্তে আকস্মিক কাউকে না জানিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
পরিদর্শনে গিয়ে তিনি দেখতে পান যে সরকারি নির্ধারিত সময়ে কার্যালয়ে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী এসে পৌঁছাননি এবং অফিসও তালাবদ্ধ ছিল। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর কেউ একজন এসে কার্যালয়ের তালা খুলে দিলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আমি সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসে এসে আশাহত হয়েছি। কারণ সকাল ৯টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও সেটা হয়নি।
দেখলাম একজন কর্মকর্তা পৌনে দশটা এবং আরেকজন দশটার পড়ে এসেছেন। এ ব্যাপারে আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিবো।
আমাদের সরকার জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার অর্থাৎ জনগণের সরকার। আমরা চেয়ারে বসা মাত্রই অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করার কথা বলেছি।
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে ভূমি অফিস পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশের প্রতিটি ভূমি অফিস প্রশ্নবিদ্ধ। মানুষের অভাব, অভিযোগসহ অনেক কিছুই রয়েছে। বিশেষ করে দুর্নীতির অভিযোগ এক নম্বরে রয়েছে।
তাই প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বিষয়গুলো তদন্ত করার চেষ্টা করছি। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এখানে এসে দেখতে পেয়েছি যে ভূমি অফিসের সেবাদানকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেবা গ্রহীতাদের ব্যাপক গ্যাপ কাজ করছে।
এখানকার কর্মকর্তারা সেবা গ্রহীতাদের সঠিকভাবে জানাচ্ছে না যে কোন কাজটায় কতটা সময় লাগতে পারে অর্থাৎ তাদের মধ্যে গ্যাপ অনেক। এককথায় বলাচলে আমলাতান্ত্রিক যে মনোভাব এটা এখনো বিরাজমান।
মূলত প্রজাতন্ত্রে কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে জনগণের সঙ্গে যে সম্পৃক্ততা থাকার কথা সেটা হয়ে উঠছে না। সেইসব বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখবো।
আজ পরিদর্শনে এসে যে সমস্যাগুলো চোখে পড়েছে সেগুলো বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিবো। আমাদের এই পরিদর্শনের কার্যক্রম সারাদেশে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
এর আগে সকাল ৯টার আগ মুহূর্তে আকস্মিক কাউকে না জানিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
পরিদর্শনে গিয়ে তিনি দেখতে পান যে সরকারি নির্ধারিত সময়ে কার্যালয়ে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী এসে পৌঁছাননি এবং অফিসও তালাবদ্ধ ছিল। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর কেউ একজন এসে কার্যালয়ের তালা খুলে দিলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন।

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৮
ঝিনাইদহে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকায় নিজের ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন এক বাবা। গত সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হলফনামার মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন মো. আবু জাফর।
হলফনামা সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটী ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আবু জাফর তার ছেলে মো. নাহিদ হাসান সবুজকে ত্যাজ্যপুত্র হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
অভিযুক্ত নাহিদ হাসান সবুজ ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
হলফনামায় মো. আবু জাফর উল্লেখ করেন, তার পুত্র দীর্ঘদিন ধরে তার অবাধ্য এবং অবান্তর জীবনযাপন করে আসছিলেন। তিনি বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন না এবং নিজের খেয়ালখুশিমতো আলাদা থাকেন।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও নাহিদ হাসান এই সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে লিপ্ত ছিলেন।
বিশেষ করে গত ২১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়ায় সবুজের সক্রিয় অংশগ্রহণের সংবাদ পাওয়ার পর তাকে নিজ বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেন আবু জাফর।
হলফনামায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, আজ থেকে নাহিদ হাসান সবুজের কোনো প্রকার আয়-রোজগার, দায়-দেনা বা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পিতা বা তার পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের সম্পর্ক থাকবে না। তার কোনো অপকর্মের দায়ভার পরিবার বহন করবে না। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে পরিবারের সকল প্রকার রক্ত সম্পর্কীয় ও আইনি বিচ্ছেদ বজায় থাকবে।
আবু জাফর বলেন, ‘দেশের আইন ও নীতিমালার পরিপন্থী কোনো কাজ আমার সন্তান করুক তা আমি চাই না। বারবার সতর্ক করার পরও সে শোধরায়নি, তাই বাধ্য হয়ে আমি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
ঝিনাইদহে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকায় নিজের ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন এক বাবা। গত সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হলফনামার মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন মো. আবু জাফর।
হলফনামা সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটী ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আবু জাফর তার ছেলে মো. নাহিদ হাসান সবুজকে ত্যাজ্যপুত্র হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
অভিযুক্ত নাহিদ হাসান সবুজ ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
হলফনামায় মো. আবু জাফর উল্লেখ করেন, তার পুত্র দীর্ঘদিন ধরে তার অবাধ্য এবং অবান্তর জীবনযাপন করে আসছিলেন। তিনি বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন না এবং নিজের খেয়ালখুশিমতো আলাদা থাকেন।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও নাহিদ হাসান এই সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে লিপ্ত ছিলেন।
বিশেষ করে গত ২১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়ায় সবুজের সক্রিয় অংশগ্রহণের সংবাদ পাওয়ার পর তাকে নিজ বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেন আবু জাফর।
হলফনামায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, আজ থেকে নাহিদ হাসান সবুজের কোনো প্রকার আয়-রোজগার, দায়-দেনা বা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পিতা বা তার পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের সম্পর্ক থাকবে না। তার কোনো অপকর্মের দায়ভার পরিবার বহন করবে না। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে পরিবারের সকল প্রকার রক্ত সম্পর্কীয় ও আইনি বিচ্ছেদ বজায় থাকবে।
আবু জাফর বলেন, ‘দেশের আইন ও নীতিমালার পরিপন্থী কোনো কাজ আমার সন্তান করুক তা আমি চাই না। বারবার সতর্ক করার পরও সে শোধরায়নি, তাই বাধ্য হয়ে আমি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২০
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৭
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৯
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২৮