
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যা মামলার প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সে।
মিলনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তার মিলন মল্লিকের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী লিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন লিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।
পরবর্তী সময়ে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে বাসায় একা পেয়ে মিলন লিলিকে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হয়ে লিলি তাকে জানায়, রেস্তোরাঁ মালিকের মেয়ে হয়ে সে কর্মচারীর সঙ্গে যাবে না। সেই সঙ্গে লিলি মিলনকে ‘বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াতে’ নিষেধ করে। নিজের এমন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারণেই মিলন এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তর তদন্তে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে মিলনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায় র্যাব। বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় র্যাব-৩ ও র্যাব-৬-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে।
নিহতের বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে বাসায় আসা নিয়ে লিলি তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় এসেছিল। তবে তার আচরণ একটু অন্যরকম মনে হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে জিমের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হই। যাওয়ার সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলি। তখন ওই কর্মচারী মিলনও বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু সে রাস্তা পার হয়ে চলে গিয়েছিল কি না, তা আমি দেখিনি। পরে বাসায় ফিরে দেখি দরজা খোলা। ভেতরে সব কিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি তার গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যা মামলার প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সে।
মিলনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তার মিলন মল্লিকের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী লিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন লিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।
পরবর্তী সময়ে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে বাসায় একা পেয়ে মিলন লিলিকে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হয়ে লিলি তাকে জানায়, রেস্তোরাঁ মালিকের মেয়ে হয়ে সে কর্মচারীর সঙ্গে যাবে না। সেই সঙ্গে লিলি মিলনকে ‘বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াতে’ নিষেধ করে। নিজের এমন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারণেই মিলন এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তর তদন্তে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে মিলনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায় র্যাব। বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় র্যাব-৩ ও র্যাব-৬-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে।
নিহতের বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে বাসায় আসা নিয়ে লিলি তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় এসেছিল। তবে তার আচরণ একটু অন্যরকম মনে হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে জিমের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হই। যাওয়ার সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলি। তখন ওই কর্মচারী মিলনও বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু সে রাস্তা পার হয়ে চলে গিয়েছিল কি না, তা আমি দেখিনি। পরে বাসায় ফিরে দেখি দরজা খোলা। ভেতরে সব কিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি তার গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫৬
ময়মনসিংহের ত্রিশালে জমির বিরোধে মো. আল আমিন নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহ বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন। তারা হলেন- মোক্ষপুর ইউনিয়নের সেনেরচকপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিন (৪৯) ও তার স্ত্রী হুরেনা খাতুন (৪৫), ছেলে রিয়াদ (২৪) আবদুর রশিদ (৪১) ও তার স্ত্রী জুনাকি আক্তার (৩৭)।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেনেরচকপাড়া গ্রামের মো. আল আমিনকে ২০২৩ সালের ১৯ জুন জমির বিরোধে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তার চাচা মো. হাফিজুল ইসলাম বাদি হয়ে ২০ জুন প্রতিপক্ষ ৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে আদালত ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে। মামলার সকল আসামি ও বাদীর উপস্থিতিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. মাহবুব আলম মামুন বলেন, আসামি ও বাদি পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এর বিরোধে মো. আল আমিনকে হত্যা করে আসামিরা। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে ৫ আসামিকে আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
ময়মনসিংহ আদালত পরিদর্শক পি এস এম মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ত্রিশালের একটি হত্যা মামলায় একই পরিবারের ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩০

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫৫
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ময়মনসিংহের ত্রিশালে জমির বিরোধে মো. আল আমিন নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহ বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন। তারা হলেন- মোক্ষপুর ইউনিয়নের সেনেরচকপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিন (৪৯) ও তার স্ত্রী হুরেনা খাতুন (৪৫), ছেলে রিয়াদ (২৪) আবদুর রশিদ (৪১) ও তার স্ত্রী জুনাকি আক্তার (৩৭)।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেনেরচকপাড়া গ্রামের মো. আল আমিনকে ২০২৩ সালের ১৯ জুন জমির বিরোধে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তার চাচা মো. হাফিজুল ইসলাম বাদি হয়ে ২০ জুন প্রতিপক্ষ ৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে আদালত ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে। মামলার সকল আসামি ও বাদীর উপস্থিতিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. মাহবুব আলম মামুন বলেন, আসামি ও বাদি পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এর বিরোধে মো. আল আমিনকে হত্যা করে আসামিরা। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে ৫ আসামিকে আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
ময়মনসিংহ আদালত পরিদর্শক পি এস এম মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ত্রিশালের একটি হত্যা মামলায় একই পরিবারের ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সৃষ্টি হয়েছে চরম অস্থিরতা। মোটরসাইকেল প্রতি মাত্র ১০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির প্রশাসনিক নির্দেশ ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বাইকাররা। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মুখে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদলে ২০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির অনুমতি দিতে বাধ্য হয় প্রশাসন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার একমাত্র সাগর ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান সরেজমিনে পাম্প পরিদর্শন করে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সাময়িকভাবে ১০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির মৌখিক নির্দেশ দেন।
সকাল থেকেই নতুন নির্দেশনা কার্যকর করতে গেলে বিপত্তি বাধে। ১০০ টাকার বেশি পেট্রোল দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত বাইকার। অনেকে তেল না নিয়েই প্রতিবাদ শুরু করেন। একপর্যায়ে পাম্প এলাকা পরিণত হয় বিক্ষোভস্থলে, শুরু হয় হট্টগোল ও তর্ক-বিতর্ক।
পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানান, বরাদ্দ কমে যাওয়ায় চাহিদা মেটানো অসম্ভব হয়ে উঠেছে। শুধু চিলমারী নয়, আশপাশের উলিপুর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলচালকও এই পাম্পের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সীমিত সরবরাহে চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ।
সরেজমিনে দেখা যায়, আগের রাত থেকেই তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। ভোরের আলো ফুটতেই লাইনে দাঁড়ানো মানুষের সংখ্যা আরও বাড়ে। তবে ১০০ টাকার সীমা কার্যকর হওয়ায় ক্ষোভ চরমে পৌঁছে।
বাইকারদের অভিযোগ, বর্তমান বাজারদরে ১০০ টাকার পেট্রোলে এক লিটার তেলও পাওয়া যায় না। দূর-দূরান্ত থেকে আসা চালকদের জন্য এটি সম্পূর্ণ অপ্রতুল।
রহিম নামে এক বাইক চালক জানান, চিলমারীর পাম্পে প্রতিদিন তেল দেওয়ায় উলিপুর থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছে। এখন যদি ১০০ টাকার তেল দেওয়া হয় তাহলে উলিপুর যেতেই শেষ হবে।
মেহেদি নামে আরেক চালক বলেন, গতকাল সন্ধ্যা থেকে দীর্ঘ লাইন হয়ে পড়ে, বিশেষ করে অন্য উপজেলার বাইকের সংখ্যা বেশি হওয়ার স্থানীয়রাও এখন তেল পাচ্ছে না।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পাম্প কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা দ্রুত আলোচনায় বসেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা উত্তেজনার পর বাইকারদের দাবির মুখে ১০০ টাকার সীমা তুলে দিয়ে সর্বোচ্চ ২০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তেল বিক্রি শুরু হয়। এ বিষয়ে ইউএনও মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘সংকটের কারণে প্রথমে ১০০ টাকার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় তা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হয়েছে।’
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সৃষ্টি হয়েছে চরম অস্থিরতা। মোটরসাইকেল প্রতি মাত্র ১০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির প্রশাসনিক নির্দেশ ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বাইকাররা। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মুখে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদলে ২০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির অনুমতি দিতে বাধ্য হয় প্রশাসন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার একমাত্র সাগর ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান সরেজমিনে পাম্প পরিদর্শন করে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সাময়িকভাবে ১০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির মৌখিক নির্দেশ দেন।
সকাল থেকেই নতুন নির্দেশনা কার্যকর করতে গেলে বিপত্তি বাধে। ১০০ টাকার বেশি পেট্রোল দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত বাইকার। অনেকে তেল না নিয়েই প্রতিবাদ শুরু করেন। একপর্যায়ে পাম্প এলাকা পরিণত হয় বিক্ষোভস্থলে, শুরু হয় হট্টগোল ও তর্ক-বিতর্ক।
পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানান, বরাদ্দ কমে যাওয়ায় চাহিদা মেটানো অসম্ভব হয়ে উঠেছে। শুধু চিলমারী নয়, আশপাশের উলিপুর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলচালকও এই পাম্পের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সীমিত সরবরাহে চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ।
সরেজমিনে দেখা যায়, আগের রাত থেকেই তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। ভোরের আলো ফুটতেই লাইনে দাঁড়ানো মানুষের সংখ্যা আরও বাড়ে। তবে ১০০ টাকার সীমা কার্যকর হওয়ায় ক্ষোভ চরমে পৌঁছে।
বাইকারদের অভিযোগ, বর্তমান বাজারদরে ১০০ টাকার পেট্রোলে এক লিটার তেলও পাওয়া যায় না। দূর-দূরান্ত থেকে আসা চালকদের জন্য এটি সম্পূর্ণ অপ্রতুল।
রহিম নামে এক বাইক চালক জানান, চিলমারীর পাম্পে প্রতিদিন তেল দেওয়ায় উলিপুর থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছে। এখন যদি ১০০ টাকার তেল দেওয়া হয় তাহলে উলিপুর যেতেই শেষ হবে।
মেহেদি নামে আরেক চালক বলেন, গতকাল সন্ধ্যা থেকে দীর্ঘ লাইন হয়ে পড়ে, বিশেষ করে অন্য উপজেলার বাইকের সংখ্যা বেশি হওয়ার স্থানীয়রাও এখন তেল পাচ্ছে না।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পাম্প কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা দ্রুত আলোচনায় বসেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা উত্তেজনার পর বাইকারদের দাবির মুখে ১০০ টাকার সীমা তুলে দিয়ে সর্বোচ্চ ২০০ টাকার পেট্রোল বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তেল বিক্রি শুরু হয়। এ বিষয়ে ইউএনও মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘সংকটের কারণে প্রথমে ১০০ টাকার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় তা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হয়েছে।’
ময়মনসিংহের ফুলপুর থানায় ওসির চেয়ারে বসা স্থানীয় সংসদ সদস্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে চেয়ারে বসা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন এমপি ও ওসি।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহর তার চেয়ারে বসার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহও ওসির চেয়ারে বসার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল সকালে ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে একটি প্যারেডে অংশ নিতে থানার বাইরে ছিলেন। এ সময় সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ করেই থানায় উপস্থিত হন ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ।
ৎ
থানায় প্রবেশ করে ওসির কক্ষে গিয়ে তিনি ওসির ব্যবহৃত চেয়ারে বসেন, যদিও পাশে অন্যান্য চেয়ার খালি ছিল। কিছু সময় সেখানে অবস্থান করে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পরে চলে যান।
ঘটনার ভিডিওটি সেদিন প্রকাশ না পেলেও কয়েকদিন পর হঠাৎ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, এমপি ওসির চেয়ারে বসে আছেন এবং সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিচ্ছেন। পাশে বসে আছেন থানার অন্য কর্মকর্তারাও।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। একটি রাজনৈতিক দলের আঞ্চলিক ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি পোস্ট করে প্রশ্ন তোলা হয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে। সেখানে বলা হয়, একজন এমপি যদি থানায় গিয়ে ওসির চেয়ারে বসেন আর ওসি অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে প্রশাসনের অবস্থান কোথায়- এ নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।
এ বিষয়ে ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ বলেন, ‘সেদিন আমার পূর্বনির্ধারিত মাস্টার প্যারেড ছিল, তাই সকালেই থানার বাইরে চলে যাই। এমপি সাহেবের থানায় আসার বিষয়ে আগে থেকে কোনো তথ্য ছিল না। তিনি থানায় আসার পর জানতে পারেন আমি নেই, তারপরও তিনি কক্ষে প্রবেশ করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে তিনি আমার চেয়ারে বসতে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন। তবে সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে বসতে অনুরোধ করেন। পরে তিনি কিছুক্ষণ বসে কথা বলে চলে যান। তবে নিয়ম অনুযায়ী ওসির চেয়ার অন্য কারও ব্যবহারের বিষয় নয়।’
অন্যদিকে সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ এ বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমি থানায় পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি ওসি নেই। তখন চলে আসতে চাইলেও সেখানে থাকা কর্মকর্তারা আমাকে জোর করে বসান। আমি কিছুক্ষণ বসে তাদের সঙ্গে কথা বলে চলে আসি। এতে কোনো অপরাধ হয়েছে বলে আমি মনে করি না।’
ঘটনাটি সামনে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে প্রোটোকল ভঙ্গ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন এটি পরিস্থিতির স্বাভাবিক ফল। তবে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি এখন ফুলপুরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
ময়মনসিংহের ফুলপুর থানায় ওসির চেয়ারে বসা স্থানীয় সংসদ সদস্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে চেয়ারে বসা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন এমপি ও ওসি।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহর তার চেয়ারে বসার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহও ওসির চেয়ারে বসার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল সকালে ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে একটি প্যারেডে অংশ নিতে থানার বাইরে ছিলেন। এ সময় সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ করেই থানায় উপস্থিত হন ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ।
ৎ
থানায় প্রবেশ করে ওসির কক্ষে গিয়ে তিনি ওসির ব্যবহৃত চেয়ারে বসেন, যদিও পাশে অন্যান্য চেয়ার খালি ছিল। কিছু সময় সেখানে অবস্থান করে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পরে চলে যান।
ঘটনার ভিডিওটি সেদিন প্রকাশ না পেলেও কয়েকদিন পর হঠাৎ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, এমপি ওসির চেয়ারে বসে আছেন এবং সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিচ্ছেন। পাশে বসে আছেন থানার অন্য কর্মকর্তারাও।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। একটি রাজনৈতিক দলের আঞ্চলিক ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি পোস্ট করে প্রশ্ন তোলা হয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে। সেখানে বলা হয়, একজন এমপি যদি থানায় গিয়ে ওসির চেয়ারে বসেন আর ওসি অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে প্রশাসনের অবস্থান কোথায়- এ নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।
এ বিষয়ে ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ বলেন, ‘সেদিন আমার পূর্বনির্ধারিত মাস্টার প্যারেড ছিল, তাই সকালেই থানার বাইরে চলে যাই। এমপি সাহেবের থানায় আসার বিষয়ে আগে থেকে কোনো তথ্য ছিল না। তিনি থানায় আসার পর জানতে পারেন আমি নেই, তারপরও তিনি কক্ষে প্রবেশ করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে তিনি আমার চেয়ারে বসতে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন। তবে সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে বসতে অনুরোধ করেন। পরে তিনি কিছুক্ষণ বসে কথা বলে চলে যান। তবে নিয়ম অনুযায়ী ওসির চেয়ার অন্য কারও ব্যবহারের বিষয় নয়।’
অন্যদিকে সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ এ বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমি থানায় পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি ওসি নেই। তখন চলে আসতে চাইলেও সেখানে থাকা কর্মকর্তারা আমাকে জোর করে বসান। আমি কিছুক্ষণ বসে তাদের সঙ্গে কথা বলে চলে আসি। এতে কোনো অপরাধ হয়েছে বলে আমি মনে করি না।’
ঘটনাটি সামনে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে প্রোটোকল ভঙ্গ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন এটি পরিস্থিতির স্বাভাবিক ফল। তবে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি এখন ফুলপুরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।