
১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ০০:২৩
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত কারণে দলের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়। এ প্রেক্ষিতে বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে শূন্য পদে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে তিনি দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসারে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে গুলশানে স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠকে শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞাপন
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পর তারেক রহমানকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করা হয়। এরপর থেকেই কার্যত তার নেতৃত্বেই দল পরিচালিত হয়ে আসছে।করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০২০ সালের ২৫ মার্চ শর্তসাপেক্ষে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়। শর্ত অনুযায়ী তিনি রাজনীতি করতে পারবেন না এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না। ফলে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশে খালেদা জিয়া মুক্তি পেলেও তিনি আর রাজনীতিতে ফিরে আসেননি। চলতি বছরের ৩০ ডিসেম্বর তিনি ইন্তেকাল করেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত কারণে দলের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়। এ প্রেক্ষিতে বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে শূন্য পদে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে তিনি দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসারে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে গুলশানে স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠকে শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞাপন
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পর তারেক রহমানকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করা হয়। এরপর থেকেই কার্যত তার নেতৃত্বেই দল পরিচালিত হয়ে আসছে।করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০২০ সালের ২৫ মার্চ শর্তসাপেক্ষে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়। শর্ত অনুযায়ী তিনি রাজনীতি করতে পারবেন না এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না। ফলে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশে খালেদা জিয়া মুক্তি পেলেও তিনি আর রাজনীতিতে ফিরে আসেননি। চলতি বছরের ৩০ ডিসেম্বর তিনি ইন্তেকাল করেন।

০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১২
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তৃতীয় দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আরও ১৩১টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। ফলে তিন দিনে আপিলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯৫টি।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) ইসির আপিল আবেদনসংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
তৃতীয় দিনে ইসিতে ১৩১ জন প্রার্থীর আপিল আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে তিনটি আপিল করা হয়েছে মনোনয়ন গ্রহণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। এদিন সবচেয়ে বেশি আপিল এসেছে ঢাকা বিভাগ থেকে ৩১টি, আর ফরিদপুর বিভাগ থেকে এসেছে সাতটি।
নির্বাচন কমিশন জানায়, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের দ্বিতীয় দিনে ইসিতে ১২২টি আবেদন জমা পড়ে। ফলে প্রথম দুদিনে মোট আপিলের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬৪টি।
প্রথম দিন (সোমবার) মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলসংক্রান্ত বিষয়ে ৪২ জন প্রার্থী ইসিতে আপিল করেন। এর মধ্যে একটি আবেদন বৈধ প্রার্থীর মনোনয়নের বিরুদ্ধে এবং বাকি ৪১টি আবেদন প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার জন্য করা হয়।
তফসিল অনুযায়ী, গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা সেগুলো বাছাই করেছেন। ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে আপিল আবেদন। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
বরিশাল টাইমস
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তৃতীয় দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আরও ১৩১টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। ফলে তিন দিনে আপিলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯৫টি।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) ইসির আপিল আবেদনসংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
তৃতীয় দিনে ইসিতে ১৩১ জন প্রার্থীর আপিল আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে তিনটি আপিল করা হয়েছে মনোনয়ন গ্রহণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। এদিন সবচেয়ে বেশি আপিল এসেছে ঢাকা বিভাগ থেকে ৩১টি, আর ফরিদপুর বিভাগ থেকে এসেছে সাতটি।
নির্বাচন কমিশন জানায়, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের দ্বিতীয় দিনে ইসিতে ১২২টি আবেদন জমা পড়ে। ফলে প্রথম দুদিনে মোট আপিলের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬৪টি।
প্রথম দিন (সোমবার) মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলসংক্রান্ত বিষয়ে ৪২ জন প্রার্থী ইসিতে আপিল করেন। এর মধ্যে একটি আবেদন বৈধ প্রার্থীর মনোনয়নের বিরুদ্ধে এবং বাকি ৪১টি আবেদন প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার জন্য করা হয়।
তফসিল অনুযায়ী, গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা সেগুলো বাছাই করেছেন। ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে আপিল আবেদন। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
বরিশাল টাইমস

০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৩
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারসহ ৪ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শাহবাগ থেকে শুরু হয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর শাহবাগ থেকে এ যাত্রা শুরু করেছে।
‘মার্চ ফর ইনসাফ’ পথযাত্রাটি শাহবাগ থেকে শুরু করে সায়েন্সল্যাব-সিটি কলেজ, মোহাম্মদপুর-তিন রাস্তার মোড়, রায়েরবাজার-বধ্যভূমি, মিরপুর ১০, উত্তরা, বাড্ডা, রামপুরা, যাত্রাবাড়ী হয়ে সন্ধ্যায় শাহবাগ হাদি চত্বরে এসে শেষ হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের দাবিগুলো হলো, আগামী ২৪ দিনের মধ্যে শহীদ ওসমান হাদির খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনিচক্রের বিচারকার্য সম্পন্ন করা।
বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে। ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিদের ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
পথযাত্রায় ১০টি পিক-আপে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন। এ সময় তাদের হাতে ‘Justice For Hadi’, ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ প্ল্যাকার্ডসহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। স্লোগানের মধ্যে রয়েছে, ‘হাদির ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না’, ‘রক্ত বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘লাল সবুজের পতাকা, ইনকিলাবের পতাকা, হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’।
এদিকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার অগ্রগতি জানাবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে ব্রিফিং করা হবে।
ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম কথা বলবেন। আজ ওসমান হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট দেওয়ার বিষয়ে জানানো হতে পারে বলে জানা গেছে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারসহ ৪ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শাহবাগ থেকে শুরু হয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর শাহবাগ থেকে এ যাত্রা শুরু করেছে।
‘মার্চ ফর ইনসাফ’ পথযাত্রাটি শাহবাগ থেকে শুরু করে সায়েন্সল্যাব-সিটি কলেজ, মোহাম্মদপুর-তিন রাস্তার মোড়, রায়েরবাজার-বধ্যভূমি, মিরপুর ১০, উত্তরা, বাড্ডা, রামপুরা, যাত্রাবাড়ী হয়ে সন্ধ্যায় শাহবাগ হাদি চত্বরে এসে শেষ হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের দাবিগুলো হলো, আগামী ২৪ দিনের মধ্যে শহীদ ওসমান হাদির খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনিচক্রের বিচারকার্য সম্পন্ন করা।
বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে। ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিদের ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
পথযাত্রায় ১০টি পিক-আপে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন। এ সময় তাদের হাতে ‘Justice For Hadi’, ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ প্ল্যাকার্ডসহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। স্লোগানের মধ্যে রয়েছে, ‘হাদির ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না’, ‘রক্ত বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘লাল সবুজের পতাকা, ইনকিলাবের পতাকা, হাদি তোমায় দেখা যায়’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’।
এদিকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার অগ্রগতি জানাবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে ব্রিফিং করা হবে।
ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম কথা বলবেন। আজ ওসমান হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট দেওয়ার বিষয়ে জানানো হতে পারে বলে জানা গেছে।

০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৪
বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনের প্রার্থী আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের নির্বাচনি তহবিলে ২৫ ঘণ্টায় প্রায় ২২ লাখ টাকা জমা পড়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে তিনি নিজের ফেসবুক পেজের লাইভে গিয়ে এই তথ্য জানান।
ফেসবুক লাইভে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, দুটি বিকাশ অ্যাকাউন্টে তিনি পেয়েছেন ১১ লাখ ২০ হাজার ৯৬৯ টাকা এবং একটি নগদ অ্যাকাউন্টে পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৬০৯ টাকা। এছাড়া তার ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে ৯ লাখ ৪৫ হাজার ৪৬৭ টাকা। অফলাইনে তার কার্যালয়ে গিয়ে একজন সাংবাদিক নির্বাচনি তহবিলের জন্য ২ হাজার টাকা দিয়েছেন। সব মিলিয়ে রোববার (৪ জানুয়ারি) রাত থেকে সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত পর্যন্ত ২৫ ঘণ্টায় তার নির্বাচনি তহবিলে জমা হয়েছে ২১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
নির্বাচনি তহবিলে সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি ভোটার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সতর্ক করে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, আর্থিক সহায়তার জন্য আমি যে ভিডিওটি পোস্ট করেছি, সেটি অনেকে কপি করে অন্য পেজে পোস্ট করছেন। আমার নামে ফেক পেজ খুলে ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে এবং সেখানে বিকাশ ও নগদ নম্বর পরিবর্তন করে প্রতারণা করা হচ্ছে। যারা সহযোগিতা করতে চান, তারা যেন অবশ্যই আমার নিজের ফেসবুক পেজ ও আইডিতে দেওয়া নম্বরে টাকা পাঠান।
এবি পার্টির এ নেতা জানান, নগদ, বিকাশ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রাপ্ত অর্থের পূর্ণ হিসাব এবং কোন খাতে কীভাবে ব্যয় করা হচ্ছে, তা নিয়মিতভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।
এর আগে গত রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নির্বাচনি খরচ মেটাতে ভোটার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ। ওই সময় ফেসবুকে নিজের বিকাশ নম্বর ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য প্রকাশ করেন তিনি।
বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনের প্রার্থী আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের নির্বাচনি তহবিলে ২৫ ঘণ্টায় প্রায় ২২ লাখ টাকা জমা পড়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে তিনি নিজের ফেসবুক পেজের লাইভে গিয়ে এই তথ্য জানান।
ফেসবুক লাইভে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, দুটি বিকাশ অ্যাকাউন্টে তিনি পেয়েছেন ১১ লাখ ২০ হাজার ৯৬৯ টাকা এবং একটি নগদ অ্যাকাউন্টে পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৬০৯ টাকা। এছাড়া তার ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে ৯ লাখ ৪৫ হাজার ৪৬৭ টাকা। অফলাইনে তার কার্যালয়ে গিয়ে একজন সাংবাদিক নির্বাচনি তহবিলের জন্য ২ হাজার টাকা দিয়েছেন। সব মিলিয়ে রোববার (৪ জানুয়ারি) রাত থেকে সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত পর্যন্ত ২৫ ঘণ্টায় তার নির্বাচনি তহবিলে জমা হয়েছে ২১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
নির্বাচনি তহবিলে সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি ভোটার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সতর্ক করে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, আর্থিক সহায়তার জন্য আমি যে ভিডিওটি পোস্ট করেছি, সেটি অনেকে কপি করে অন্য পেজে পোস্ট করছেন। আমার নামে ফেক পেজ খুলে ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে এবং সেখানে বিকাশ ও নগদ নম্বর পরিবর্তন করে প্রতারণা করা হচ্ছে। যারা সহযোগিতা করতে চান, তারা যেন অবশ্যই আমার নিজের ফেসবুক পেজ ও আইডিতে দেওয়া নম্বরে টাকা পাঠান।
এবি পার্টির এ নেতা জানান, নগদ, বিকাশ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রাপ্ত অর্থের পূর্ণ হিসাব এবং কোন খাতে কীভাবে ব্যয় করা হচ্ছে, তা নিয়মিতভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।
এর আগে গত রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নির্বাচনি খরচ মেটাতে ভোটার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ। ওই সময় ফেসবুকে নিজের বিকাশ নম্বর ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য প্রকাশ করেন তিনি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৯