Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১০:২৯
একটানা ৯ দিন হাসপাতালে থাকার পরও মৃত্যুর কাছে হার মানলেন কলেজপড়ুয়া মেধাবী শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান। গত ২২ নভেম্বর বন্ধুর সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কলাপাড়া এবং পরে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) বিকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মেহেদী।
নিহত মেহেদী হাসান কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউপির চারিপাড়া গ্রামের আবদুল হক হাওলাদারের ছেলে। সে সরকারি মোজহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
লালুয়া ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রবিউল ইসলাম জানান, গত ২২ নভেম্বর বন্ধু অলির মোটরসাইকেলযোগে লালুয়া মুক্তিযোদ্ধা বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিল মেহেদী। পথিমধ্যে মঞ্জুপাড়া জহির ডাক্তার বাড়ির সামনে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। এ সময় মোটরসাইকেলের পেছন থেকে ছিটকে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির ওপর আছড়ে পড়ে মেহেদী আর অলি ছিটকে একটি কুয়ায় পড়ে যায়। তবে মেহেদীর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগার পর থেকেই সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ছিল। সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও বলেন, মেহেদী দারুণ এক মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে এলাকার মানুষের মন জয় করেছিলেন। তার অকালমৃত্যুতে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে। তবে আহত অলি আগের চেয়ে সুস্থ আছেন বলেও জানান এই ইউপি সদস্য।
এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ওসি জুয়েল ইসলাম বলেন, এই দুর্ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত নয়। তবে এখন আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি।
একটানা ৯ দিন হাসপাতালে থাকার পরও মৃত্যুর কাছে হার মানলেন কলেজপড়ুয়া মেধাবী শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান। গত ২২ নভেম্বর বন্ধুর সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কলাপাড়া এবং পরে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) বিকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মেহেদী।
নিহত মেহেদী হাসান কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউপির চারিপাড়া গ্রামের আবদুল হক হাওলাদারের ছেলে। সে সরকারি মোজহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
লালুয়া ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রবিউল ইসলাম জানান, গত ২২ নভেম্বর বন্ধু অলির মোটরসাইকেলযোগে লালুয়া মুক্তিযোদ্ধা বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিল মেহেদী। পথিমধ্যে মঞ্জুপাড়া জহির ডাক্তার বাড়ির সামনে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। এ সময় মোটরসাইকেলের পেছন থেকে ছিটকে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির ওপর আছড়ে পড়ে মেহেদী আর অলি ছিটকে একটি কুয়ায় পড়ে যায়। তবে মেহেদীর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগার পর থেকেই সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ছিল। সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও বলেন, মেহেদী দারুণ এক মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে এলাকার মানুষের মন জয় করেছিলেন। তার অকালমৃত্যুতে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে। তবে আহত অলি আগের চেয়ে সুস্থ আছেন বলেও জানান এই ইউপি সদস্য।
এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ওসি জুয়েল ইসলাম বলেন, এই দুর্ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত নয়। তবে এখন আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
পটুয়াখালীর বাউফলে বাসে হামলা ও চালককে মারধরের মামলায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতা আবদুল মালেক শরীফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাউফল উপজেলার বগা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে (৮ এপ্রিল) বুধবার রাত ১০টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার এজাহারের জানা যায়, ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘কিংস পরিবহন’ এর যাত্রীবাহী বাস দুমকি-বাউফল সড়কের বোর্ড অফিস ব্রিজ অতিক্রমের সময় একটি প্রাইভেটকারকে ওভারটেকিং করে দ্রুত বেগে চরগরবদি ফেরিতে ওঠে।
পরে প্রাইভেটকারটি পেছনে পেছনে ফেরিতে উঠে চালকের সঙ্গে তর্কে জড়ান। ফেরিটি বগা প্রান্তের পন্টুনে ভিড়লে মালেক শরীফসহ ছয় যুবক প্রাইভেটকারের পক্ষ নিয়ে পরিবহন চালক সোহেলকে লোহার (জিআই) পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা আহত বাস চালককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এঘটনায় ওইদিন রাতে আহত চালক সোহেল মোল্লার মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মালেক শরীফের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ছয় জনকে আসামি করে দুমকি থানায় মামলা দায়ের করেন। দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন জানান, গ্রেফতার আসামিকে (০৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত দেড় টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিলবিলাস গ্রামের সুন্দর আলী খান বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।
অগ্নি কান্ডে আব্দুস সালাম খান, জালাল খান ও খলিল খানের বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। প্রাথমিক ভাবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার।
প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, রাত দেড় টার দিকে জালাল খানের ঘরে আগুনের সূত্র পাত হলে স্থানীয়রা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলেযায়।
এ সময় পাশা পাশি তিনটি বসত ঘর পুড়ে যায়। খবর পেয়ে বাউফল ফায়ার সার্ভিসের একটি দল রাত দুই টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে আশ পাশের অন্য ঘর বাড়ি রক্ষা পায়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বাউফল ষ্টেশনের ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর মো.সাব্বির হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে জালাল খানের ঘরে একটি পুরনো সিলিং ফ্যান শর্ট সার্কিট হয়ে আগুনের সূত্র পাত হয়েছে। সময় মতো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০২
পটুয়াখালীর পায়রা সেতু টোলপ্লাজায় ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড ট্রাক ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে টোল কালেক্টর মো. নুরুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে যশোর–ট–১১–৩১৩৬ নম্বরের একটি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই টাকা নেওয়ার পর অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি আটক করে ওজন স্কেলে তুললে দেখা যায়, ২২ টন ধারণক্ষমতার ট্রাকটিতে অতিরিক্ত ২২ টন ৭০০ কেজি পণ্য বহন করা হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
পরে টোলপ্লাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
রাত নয়টার দিকে টোলপ্লাজার ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স বেস্ট ইস্টার্ন’-এর অপারেশন ডিরেক্টর সজল বিশ্বাসের সই করা চিঠিতে মো. নুরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে চালকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড যানবাহন ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ছিল।
পটুয়াখালীর বাউফলে বাসে হামলা ও চালককে মারধরের মামলায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতা আবদুল মালেক শরীফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাউফল উপজেলার বগা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে (৮ এপ্রিল) বুধবার রাত ১০টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার এজাহারের জানা যায়, ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘কিংস পরিবহন’ এর যাত্রীবাহী বাস দুমকি-বাউফল সড়কের বোর্ড অফিস ব্রিজ অতিক্রমের সময় একটি প্রাইভেটকারকে ওভারটেকিং করে দ্রুত বেগে চরগরবদি ফেরিতে ওঠে।
পরে প্রাইভেটকারটি পেছনে পেছনে ফেরিতে উঠে চালকের সঙ্গে তর্কে জড়ান। ফেরিটি বগা প্রান্তের পন্টুনে ভিড়লে মালেক শরীফসহ ছয় যুবক প্রাইভেটকারের পক্ষ নিয়ে পরিবহন চালক সোহেলকে লোহার (জিআই) পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা আহত বাস চালককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এঘটনায় ওইদিন রাতে আহত চালক সোহেল মোল্লার মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মালেক শরীফের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ছয় জনকে আসামি করে দুমকি থানায় মামলা দায়ের করেন। দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন জানান, গ্রেফতার আসামিকে (০৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত দেড় টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিলবিলাস গ্রামের সুন্দর আলী খান বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।
অগ্নি কান্ডে আব্দুস সালাম খান, জালাল খান ও খলিল খানের বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। প্রাথমিক ভাবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার।
প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, রাত দেড় টার দিকে জালাল খানের ঘরে আগুনের সূত্র পাত হলে স্থানীয়রা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলেযায়।
এ সময় পাশা পাশি তিনটি বসত ঘর পুড়ে যায়। খবর পেয়ে বাউফল ফায়ার সার্ভিসের একটি দল রাত দুই টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে আশ পাশের অন্য ঘর বাড়ি রক্ষা পায়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বাউফল ষ্টেশনের ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর মো.সাব্বির হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে জালাল খানের ঘরে একটি পুরনো সিলিং ফ্যান শর্ট সার্কিট হয়ে আগুনের সূত্র পাত হয়েছে। সময় মতো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
পটুয়াখালীর পায়রা সেতু টোলপ্লাজায় ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড ট্রাক ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে টোল কালেক্টর মো. নুরুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে যশোর–ট–১১–৩১৩৬ নম্বরের একটি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই টাকা নেওয়ার পর অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি আটক করে ওজন স্কেলে তুললে দেখা যায়, ২২ টন ধারণক্ষমতার ট্রাকটিতে অতিরিক্ত ২২ টন ৭০০ কেজি পণ্য বহন করা হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
পরে টোলপ্লাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
রাত নয়টার দিকে টোলপ্লাজার ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স বেস্ট ইস্টার্ন’-এর অপারেশন ডিরেক্টর সজল বিশ্বাসের সই করা চিঠিতে মো. নুরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে চালকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড যানবাহন ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ছিল।
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১০
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬