
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:০১
বরিশালে বিভাগের দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শশীভূষণে গোসল করতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে খাদিজা ইসলাম(৯) ও সোহানা বেগম(৭) নামের দুই বান্ধবীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে উপজেলার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ হাজারিগঞ্জ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
শিশু খাদিজা ওই গ্রামের ইউসুফ মিয়ার মেয়ে। এবং সোহানা একই গ্রামের সোহাগ হোসেনের মেয়ে। তারা দু'জন বান্ধবী ছিলেন।
শিশু দু'টির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশের উপকূলীয় ড্রপ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুকুরে গোসল করতে যান খাদিজা ও সোহানা। পরে তাদের ফিরতে দেরী হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে স্বজনরা তাদের দু'জনকে পুকুরের পানিতে ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় হারুন চৌকিদার জানান, তারা দু'জন সবসময় একসঙ্গে চলাফেরা করতেন। প্রতিদিন এক সঙ্গে এসে ওই পুকুরে গোসল করতেন। তারা সাঁতার জানতেন না। গোসল করতে এসে হয়তো অসাবধানতাবশত পুকুরের পানিতে ডুবে গিয়েছে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাদের দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করলে পুকুরে পানিতে ভেসে থাকতে দেখেন।
এদিকে একসঙ্গে দুই শিশুর মৃত্যুতে এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দু'টি পরিবারেই চলছে শোকের মাতম। বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন তাদের বাবা–মা।
শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ বিনা ময়নাতদন্তে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
বরিশালে বিভাগের দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনের শশীভূষণে গোসল করতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে খাদিজা ইসলাম(৯) ও সোহানা বেগম(৭) নামের দুই বান্ধবীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে উপজেলার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ হাজারিগঞ্জ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
শিশু খাদিজা ওই গ্রামের ইউসুফ মিয়ার মেয়ে। এবং সোহানা একই গ্রামের সোহাগ হোসেনের মেয়ে। তারা দু'জন বান্ধবী ছিলেন।
শিশু দু'টির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশের উপকূলীয় ড্রপ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুকুরে গোসল করতে যান খাদিজা ও সোহানা। পরে তাদের ফিরতে দেরী হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে স্বজনরা তাদের দু'জনকে পুকুরের পানিতে ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় হারুন চৌকিদার জানান, তারা দু'জন সবসময় একসঙ্গে চলাফেরা করতেন। প্রতিদিন এক সঙ্গে এসে ওই পুকুরে গোসল করতেন। তারা সাঁতার জানতেন না। গোসল করতে এসে হয়তো অসাবধানতাবশত পুকুরের পানিতে ডুবে গিয়েছে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাদের দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করলে পুকুরে পানিতে ভেসে থাকতে দেখেন।
এদিকে একসঙ্গে দুই শিশুর মৃত্যুতে এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দু'টি পরিবারেই চলছে শোকের মাতম। বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন তাদের বাবা–মা।
শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ বিনা ময়নাতদন্তে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বিকাশ এজেন্টের এক কর্মীকে পিস্তল ঠেকিয়ে ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দর উপজেলার মদনপুর-মদনগঞ্জ মহাসড়কের লক্ষণখোলা পাতাকাটা স্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাইয়ের শিকার বিকাশ এজেন্ট রনি (৩৪) বন্দরের নবীগঞ্জ এলাকার মৃত রমজান আলীর ছেলে।
ছিনতাইয়ের শিকার এজেন্ট কর্মী জানান, চলতি পথে দুই ব্যক্তি হঠাৎ এসে তাকে ধরে ফেলে। একজন সামনে থেকে গলায় চেপে ধরে এবং অপরজন পেছন থেকে জাপটে ধরে। এ সময় সামনে থাকা ব্যক্তি পিস্তল ঠেকিয়ে দ্রুত সঙ্গে থাকা সবকিছু দিতে বলে। পরে তার ব্যাগ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় তারা।
এ সময় পেছন দিক থেকে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে আরেকজন এসে দাঁড়ালে দুজনই তাতে উঠে পালানোর চেষ্টা করে। তিনি চিৎকার করলে দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল থেকেই তার দিকে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এরপর তার কাছে থাকা নগদ ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
বন্দর থানার ওসি গোলাম মোক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:১০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনে বাধা ও কর্মীদের মারধরের ঘটনায় ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আসামিদের অধিকাংশই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আহাদ নামে রুমিন ফারহানার এক কর্মী বাদি হয়ে সরাইল থানায় মামলাটি করেন। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনকে।
সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, মামলার এজহার নামীয় আসামি পাঁচজন। আর অজ্ঞাত আসামি ১৪০-১৫০ জন। ইতোমধ্যে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে রাত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে সরাইল উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে পড়েন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী রুমিন ফারহানাকে উদ্দেশ্যে করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন। এতে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনার একপর্যায়ে ধস্তাধস্তি হয়।
এ সময় রুমিন ফারহানার পুষ্পস্তবকটি ছিঁড়ে ফেলেন বিএনপির উত্তেজিত নেতাকর্মীরা। এর ফলে শ্রদ্ধা নিবেদন না করেই কর্মী-সমর্থকদের প্রহরায় শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।
এ ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সরাইলের শাহবাজপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন রুমিন ফারহানার কর্মী-সমর্থকরা। এতে করে মহাসড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।
উল্লেখ্য, আলোচিত নারী নেত্রী রুমিন ফারহানা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে নির্বাচন করায় তাকে দল থেকেও বহিষ্কার করে বিএনপি।

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৫
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বিকাশ এজেন্টের এক কর্মীকে পিস্তল ঠেকিয়ে ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দর উপজেলার মদনপুর-মদনগঞ্জ মহাসড়কের লক্ষণখোলা পাতাকাটা স্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাইয়ের শিকার বিকাশ এজেন্ট রনি (৩৪) বন্দরের নবীগঞ্জ এলাকার মৃত রমজান আলীর ছেলে।
ছিনতাইয়ের শিকার এজেন্ট কর্মী জানান, চলতি পথে দুই ব্যক্তি হঠাৎ এসে তাকে ধরে ফেলে। একজন সামনে থেকে গলায় চেপে ধরে এবং অপরজন পেছন থেকে জাপটে ধরে। এ সময় সামনে থাকা ব্যক্তি পিস্তল ঠেকিয়ে দ্রুত সঙ্গে থাকা সবকিছু দিতে বলে। পরে তার ব্যাগ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় তারা।
এ সময় পেছন দিক থেকে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে আরেকজন এসে দাঁড়ালে দুজনই তাতে উঠে পালানোর চেষ্টা করে। তিনি চিৎকার করলে দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল থেকেই তার দিকে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এরপর তার কাছে থাকা নগদ ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
বন্দর থানার ওসি গোলাম মোক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনে বাধা ও কর্মীদের মারধরের ঘটনায় ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আসামিদের অধিকাংশই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আহাদ নামে রুমিন ফারহানার এক কর্মী বাদি হয়ে সরাইল থানায় মামলাটি করেন। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনকে।
সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, মামলার এজহার নামীয় আসামি পাঁচজন। আর অজ্ঞাত আসামি ১৪০-১৫০ জন। ইতোমধ্যে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে রাত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে সরাইল উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে পড়েন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী রুমিন ফারহানাকে উদ্দেশ্যে করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন। এতে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনার একপর্যায়ে ধস্তাধস্তি হয়।
এ সময় রুমিন ফারহানার পুষ্পস্তবকটি ছিঁড়ে ফেলেন বিএনপির উত্তেজিত নেতাকর্মীরা। এর ফলে শ্রদ্ধা নিবেদন না করেই কর্মী-সমর্থকদের প্রহরায় শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।
এ ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সরাইলের শাহবাজপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন রুমিন ফারহানার কর্মী-সমর্থকরা। এতে করে মহাসড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।
উল্লেখ্য, আলোচিত নারী নেত্রী রুমিন ফারহানা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে নির্বাচন করায় তাকে দল থেকেও বহিষ্কার করে বিএনপি।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারের সময় বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ারের কর্মীকে অপহরণ-নির্যাতনের অভিযোগে সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউল আলম খান পলাশের আবেদনের প্রেক্ষাপটে মুখ্য মহানগর হাকিম মো. জহির উদ্দিন এ আদেশ দিয়েছেন।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আব্দুর রহমান। এই মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বরিশাল ৫ আসনের একাদশ সংসদ নির্বাচনের মহাজোট প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. রুহুল আমিন, একাদশ সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান, উপ-কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া, বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার, পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ মো. ফয়সাল আহম্মেদ, এসআই আব্দুল মালেক, এএসআই সহিদুল ইসলাম, এএসআই রাসেল মিয়া, এএসআই এরফান হোসেন মিদুল, এএসআই রফিকুল ইসলাম, এএসআই মোহাম্মদ মিলন বিশ্বাস, এএসআই মেহেদি হাসান মোল্লা এবং কনস্টেবল ফয়জুল।
বাদী যুবদল নেতা পলাশ অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার কোনো নেতাকর্মী নিয়ে প্রচারে যেতে পারেননি।
তখন বিএনপির প্রার্থীর সার্বক্ষণিক কার্যক্রমে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। সেই নির্বাচনের কদিন আগে ২৬ ডিসেম্বর দুপুরে সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন বাজারে লিফলেট বিতরণ করে বরিশাল নগরীতে সমাবেশে অংশ নিতে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ারসহ নেতাকর্মীরা রওনা দেন। তখন তিন দিক থেকে তাদের স্পিডবোটে ধাওয়া করা হয়।
একপর্যায়ে বিশ্বাসের হাট এলাকায় পৌঁছলে নদীর ভিতর থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ তাকে অপহরণ করে। পরে চোখ বেঁধে একটি অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে আটকে রাখে। এবং সেখানে তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন করে। এমনকি পরবর্তীতে বন্দর থানায় নিয়ে তাকে তিনটি মামলার আসামি করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে একই বছরের ১০ নভেম্বর বরিশাল সদর আসনের সাবেক এমপি ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে নালিশি অভিযোগ করেছিলেন বাদী বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউল আলম খান পলাশ। তৎকালীন আদালত মামলাটিকে বন্দর থানা পুলিশের কাছে পাঠিয়ে এফআইআর করার নির্দেশ দেন।
বন্দর থানা পুলিশ মামলাটি তদন্তে গিয়ে দেখে ঘটনাস্থলটি বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানার আওতায় পড়েছে। পরবর্তীতে বন্দর থানা পুলিশ এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। আদালত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশকে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেন। ‘স্বৈরশাসন’ বহাল থাকায় নিজেদের নিরাপত্তার কথা ভেবে এতদিন মামলা করেননি বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন যুবদল নেতা মশিউর।’
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারের সময় বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ারের কর্মীকে অপহরণ-নির্যাতনের অভিযোগে সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউল আলম খান পলাশের আবেদনের প্রেক্ষাপটে মুখ্য মহানগর হাকিম মো. জহির উদ্দিন এ আদেশ দিয়েছেন।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আব্দুর রহমান। এই মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বরিশাল ৫ আসনের একাদশ সংসদ নির্বাচনের মহাজোট প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. রুহুল আমিন, একাদশ সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান, উপ-কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া, বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার, পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ মো. ফয়সাল আহম্মেদ, এসআই আব্দুল মালেক, এএসআই সহিদুল ইসলাম, এএসআই রাসেল মিয়া, এএসআই এরফান হোসেন মিদুল, এএসআই রফিকুল ইসলাম, এএসআই মোহাম্মদ মিলন বিশ্বাস, এএসআই মেহেদি হাসান মোল্লা এবং কনস্টেবল ফয়জুল।
বাদী যুবদল নেতা পলাশ অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার কোনো নেতাকর্মী নিয়ে প্রচারে যেতে পারেননি।
তখন বিএনপির প্রার্থীর সার্বক্ষণিক কার্যক্রমে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। সেই নির্বাচনের কদিন আগে ২৬ ডিসেম্বর দুপুরে সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন বাজারে লিফলেট বিতরণ করে বরিশাল নগরীতে সমাবেশে অংশ নিতে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ারসহ নেতাকর্মীরা রওনা দেন। তখন তিন দিক থেকে তাদের স্পিডবোটে ধাওয়া করা হয়।
একপর্যায়ে বিশ্বাসের হাট এলাকায় পৌঁছলে নদীর ভিতর থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ তাকে অপহরণ করে। পরে চোখ বেঁধে একটি অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে আটকে রাখে। এবং সেখানে তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন করে। এমনকি পরবর্তীতে বন্দর থানায় নিয়ে তাকে তিনটি মামলার আসামি করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে একই বছরের ১০ নভেম্বর বরিশাল সদর আসনের সাবেক এমপি ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে নালিশি অভিযোগ করেছিলেন বাদী বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউল আলম খান পলাশ। তৎকালীন আদালত মামলাটিকে বন্দর থানা পুলিশের কাছে পাঠিয়ে এফআইআর করার নির্দেশ দেন।
বন্দর থানা পুলিশ মামলাটি তদন্তে গিয়ে দেখে ঘটনাস্থলটি বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানার আওতায় পড়েছে। পরবর্তীতে বন্দর থানা পুলিশ এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। আদালত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশকে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেন। ‘স্বৈরশাসন’ বহাল থাকায় নিজেদের নিরাপত্তার কথা ভেবে এতদিন মামলা করেননি বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন যুবদল নেতা মশিউর।’