
০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩০
গত বছরের ডিসেম্বর ও চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) বলেছে, গণপিটুনি বা মব সন্ত্রাসে জানুয়ারিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে অজ্ঞাতনামা লাশের সংখ্যাও।
গতকাল এমএসএফের দেয়া জানুয়ারি মাসের মানবাধিকার প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা এবং নিজেদের অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে মানবাধিকার প্রতিবেদন তৈরি করে এমএসএফ।
মব সন্ত্রাসে মানুষ হত্যার ঘটনা এ সরকারের আমলে বেড়েছে উল্লেখ করে এমএসএফের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মব বা গণপিটুনির ২৮টি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২১ জন। গত ডিসেম্বরে এ ধরনের ২৪টি ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১০ জন। এমএসএফ বলেছে, গণপিটুনির ঘটনায় জানুয়ারিতে নিহত ও আহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া আইনের শাসনের প্রতি জনগণের আস্থাহীনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করে।
মানবাধিকার সংগঠনটি মনে করে, আইন অবজ্ঞা করে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা অবশ্যই ফৌজদারি অপরাধ, যা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবেই গণ্য করা হয়ে থাকে। প্রতিবেদন অনুযায়ী চলতি জানুয়ারি মাসে ৫৭টি অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার হয়েছে। ডিসেম্বরে এ সংখ্যা ছিল ৪৮। এমএসএফ বলেছে, অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া সমাজে সহিংসতা, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার আশঙ্কা জোরদার করে। এ ছাড়া গত ডিসেম্বরে কারা হেফাজতে ৯ জন মারা গেলেও এ মাসে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৫।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতারের সংখ্যা ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে অর্ধেকে নেমে এলেও (১৬ থেকে ৮), সরকার পতনের পর সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনায় শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোতে আসামির সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে, জানুয়ারিতে নাম উল্লেখ করা আসামির সংখ্যা ৩০ থেকে বেড়ে ১২০ এবং অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা ১১০ থেকে বেড়ে ৩২০ হয়েছে।
এমএসএফ বলছে, এ অবস্থা আইনগত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও গণমামলার প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়। রাজনৈতিক সহিংসতায় জানুয়ারি মাসে আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে আহতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। জানুয়ারি মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ থেকে ৪ হয়েছে। এ অবস্থা উদ্বেগজনক পরিস্থিতি নির্দেশ করে বলে মনে করে এমএসএফ।
এমএসএফের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে প্রতিমা ভাঙচুর, বাড়িঘর ভাঙচুর, মামলাসহ সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি। অথচ ডিসেম্বরে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল ৪টি।
জানুয়ারি মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে দুটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া এসব বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। এমএসএফ বলেছে, নির্যাতনে মৃত্যুর সংখ্যা ডিসেম্বরের তুলনায় বেড়ে যাওয়ায় স্পষ্ট হয় যে, হেফাজতে নির্যাতন এখনো একটি কাঠামোগত সমস্যা হিসেবে বিদ্যমান।
গত বছরের ডিসেম্বর ও চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) বলেছে, গণপিটুনি বা মব সন্ত্রাসে জানুয়ারিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে অজ্ঞাতনামা লাশের সংখ্যাও।
গতকাল এমএসএফের দেয়া জানুয়ারি মাসের মানবাধিকার প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা এবং নিজেদের অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে মানবাধিকার প্রতিবেদন তৈরি করে এমএসএফ।
মব সন্ত্রাসে মানুষ হত্যার ঘটনা এ সরকারের আমলে বেড়েছে উল্লেখ করে এমএসএফের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মব বা গণপিটুনির ২৮টি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২১ জন। গত ডিসেম্বরে এ ধরনের ২৪টি ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১০ জন। এমএসএফ বলেছে, গণপিটুনির ঘটনায় জানুয়ারিতে নিহত ও আহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া আইনের শাসনের প্রতি জনগণের আস্থাহীনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করে।
মানবাধিকার সংগঠনটি মনে করে, আইন অবজ্ঞা করে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা অবশ্যই ফৌজদারি অপরাধ, যা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবেই গণ্য করা হয়ে থাকে। প্রতিবেদন অনুযায়ী চলতি জানুয়ারি মাসে ৫৭টি অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার হয়েছে। ডিসেম্বরে এ সংখ্যা ছিল ৪৮। এমএসএফ বলেছে, অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া সমাজে সহিংসতা, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার আশঙ্কা জোরদার করে। এ ছাড়া গত ডিসেম্বরে কারা হেফাজতে ৯ জন মারা গেলেও এ মাসে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৫।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতারের সংখ্যা ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে অর্ধেকে নেমে এলেও (১৬ থেকে ৮), সরকার পতনের পর সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনায় শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোতে আসামির সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে, জানুয়ারিতে নাম উল্লেখ করা আসামির সংখ্যা ৩০ থেকে বেড়ে ১২০ এবং অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা ১১০ থেকে বেড়ে ৩২০ হয়েছে।
এমএসএফ বলছে, এ অবস্থা আইনগত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও গণমামলার প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়। রাজনৈতিক সহিংসতায় জানুয়ারি মাসে আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে আহতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। জানুয়ারি মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ থেকে ৪ হয়েছে। এ অবস্থা উদ্বেগজনক পরিস্থিতি নির্দেশ করে বলে মনে করে এমএসএফ।
এমএসএফের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে প্রতিমা ভাঙচুর, বাড়িঘর ভাঙচুর, মামলাসহ সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি। অথচ ডিসেম্বরে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল ৪টি।
জানুয়ারি মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে দুটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া এসব বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। এমএসএফ বলেছে, নির্যাতনে মৃত্যুর সংখ্যা ডিসেম্বরের তুলনায় বেড়ে যাওয়ায় স্পষ্ট হয় যে, হেফাজতে নির্যাতন এখনো একটি কাঠামোগত সমস্যা হিসেবে বিদ্যমান।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
অপেক্ষায়। এমন পরিস্থিতিতে আজ সোমবার সন্ধ্যার মধ্যেই দেশের ১২ জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আবাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেটের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে তীব্র গরমের মধ্যেই আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমনটা জানানো হয়েছে। আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বুধবার (৮ এপ্রিল) একই সময় পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।
অপেক্ষায়। এমন পরিস্থিতিতে আজ সোমবার সন্ধ্যার মধ্যেই দেশের ১২ জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আবাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেটের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে তীব্র গরমের মধ্যেই আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমনটা জানানো হয়েছে। আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বুধবার (৮ এপ্রিল) একই সময় পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৩
চলতি বছর পহেলা বৈশাখের দিন শোভাযাত্রার নামকরন নিয়ে বিতর্কের মুখে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়ে দিলেন এবার থেকে বাংলা নববর্ষ বরণের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে এক সভা শেষে নিজ দপ্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নাম আনন্দ কিংবা মঙ্গল নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এই বিতর্কের কোনো মানে হয় না। আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল নামে নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে। এখন থেকে প্রতিবছর এই নামই থাকবে।’
পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হলেও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
চলতি বছর পহেলা বৈশাখের দিন শোভাযাত্রার নামকরন নিয়ে বিতর্কের মুখে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়ে দিলেন এবার থেকে বাংলা নববর্ষ বরণের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে এক সভা শেষে নিজ দপ্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নাম আনন্দ কিংবা মঙ্গল নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এই বিতর্কের কোনো মানে হয় না। আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল নামে নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে। এখন থেকে প্রতিবছর এই নামই থাকবে।’
পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হলেও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫২
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আপাতত সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে দোকান ও শপিংমল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।’ জাতীয় স্বার্থে সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।’
বৈঠক শেষে দোকান ও শপিংমল মালিক সমিতির নেতারা জানান, তারা সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। তবে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সময়সীমা পুনর্বিবেচনার অনুরোধও জানান ব্যবসায়ীরা।
এর আগে, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার অফিস সময় এবং বাজার বন্ধের সময় নির্ধারণ করে দেয়। সেই অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি চালানো হবে বলেও জানানো হয়।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আপাতত সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে দোকান ও শপিংমল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।’ জাতীয় স্বার্থে সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।’
বৈঠক শেষে দোকান ও শপিংমল মালিক সমিতির নেতারা জানান, তারা সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। তবে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সময়সীমা পুনর্বিবেচনার অনুরোধও জানান ব্যবসায়ীরা।
এর আগে, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার অফিস সময় এবং বাজার বন্ধের সময় নির্ধারণ করে দেয়। সেই অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি চালানো হবে বলেও জানানো হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.