
০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩০
গত বছরের ডিসেম্বর ও চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) বলেছে, গণপিটুনি বা মব সন্ত্রাসে জানুয়ারিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে অজ্ঞাতনামা লাশের সংখ্যাও।
গতকাল এমএসএফের দেয়া জানুয়ারি মাসের মানবাধিকার প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা এবং নিজেদের অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে মানবাধিকার প্রতিবেদন তৈরি করে এমএসএফ।
মব সন্ত্রাসে মানুষ হত্যার ঘটনা এ সরকারের আমলে বেড়েছে উল্লেখ করে এমএসএফের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মব বা গণপিটুনির ২৮টি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২১ জন। গত ডিসেম্বরে এ ধরনের ২৪টি ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১০ জন। এমএসএফ বলেছে, গণপিটুনির ঘটনায় জানুয়ারিতে নিহত ও আহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া আইনের শাসনের প্রতি জনগণের আস্থাহীনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করে।
মানবাধিকার সংগঠনটি মনে করে, আইন অবজ্ঞা করে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা অবশ্যই ফৌজদারি অপরাধ, যা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবেই গণ্য করা হয়ে থাকে। প্রতিবেদন অনুযায়ী চলতি জানুয়ারি মাসে ৫৭টি অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার হয়েছে। ডিসেম্বরে এ সংখ্যা ছিল ৪৮। এমএসএফ বলেছে, অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া সমাজে সহিংসতা, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার আশঙ্কা জোরদার করে। এ ছাড়া গত ডিসেম্বরে কারা হেফাজতে ৯ জন মারা গেলেও এ মাসে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৫।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতারের সংখ্যা ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে অর্ধেকে নেমে এলেও (১৬ থেকে ৮), সরকার পতনের পর সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনায় শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোতে আসামির সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে, জানুয়ারিতে নাম উল্লেখ করা আসামির সংখ্যা ৩০ থেকে বেড়ে ১২০ এবং অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা ১১০ থেকে বেড়ে ৩২০ হয়েছে।
এমএসএফ বলছে, এ অবস্থা আইনগত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও গণমামলার প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়। রাজনৈতিক সহিংসতায় জানুয়ারি মাসে আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে আহতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। জানুয়ারি মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ থেকে ৪ হয়েছে। এ অবস্থা উদ্বেগজনক পরিস্থিতি নির্দেশ করে বলে মনে করে এমএসএফ।
এমএসএফের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে প্রতিমা ভাঙচুর, বাড়িঘর ভাঙচুর, মামলাসহ সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি। অথচ ডিসেম্বরে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল ৪টি।
জানুয়ারি মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে দুটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া এসব বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। এমএসএফ বলেছে, নির্যাতনে মৃত্যুর সংখ্যা ডিসেম্বরের তুলনায় বেড়ে যাওয়ায় স্পষ্ট হয় যে, হেফাজতে নির্যাতন এখনো একটি কাঠামোগত সমস্যা হিসেবে বিদ্যমান।
গত বছরের ডিসেম্বর ও চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) বলেছে, গণপিটুনি বা মব সন্ত্রাসে জানুয়ারিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে অজ্ঞাতনামা লাশের সংখ্যাও।
গতকাল এমএসএফের দেয়া জানুয়ারি মাসের মানবাধিকার প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা এবং নিজেদের অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে মানবাধিকার প্রতিবেদন তৈরি করে এমএসএফ।
মব সন্ত্রাসে মানুষ হত্যার ঘটনা এ সরকারের আমলে বেড়েছে উল্লেখ করে এমএসএফের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মব বা গণপিটুনির ২৮টি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২১ জন। গত ডিসেম্বরে এ ধরনের ২৪টি ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ১০ জন। এমএসএফ বলেছে, গণপিটুনির ঘটনায় জানুয়ারিতে নিহত ও আহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া আইনের শাসনের প্রতি জনগণের আস্থাহীনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করে।
মানবাধিকার সংগঠনটি মনে করে, আইন অবজ্ঞা করে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা অবশ্যই ফৌজদারি অপরাধ, যা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবেই গণ্য করা হয়ে থাকে। প্রতিবেদন অনুযায়ী চলতি জানুয়ারি মাসে ৫৭টি অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার হয়েছে। ডিসেম্বরে এ সংখ্যা ছিল ৪৮। এমএসএফ বলেছে, অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া সমাজে সহিংসতা, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার আশঙ্কা জোরদার করে। এ ছাড়া গত ডিসেম্বরে কারা হেফাজতে ৯ জন মারা গেলেও এ মাসে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৫।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতারের সংখ্যা ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে অর্ধেকে নেমে এলেও (১৬ থেকে ৮), সরকার পতনের পর সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনায় শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোতে আসামির সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে, জানুয়ারিতে নাম উল্লেখ করা আসামির সংখ্যা ৩০ থেকে বেড়ে ১২০ এবং অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা ১১০ থেকে বেড়ে ৩২০ হয়েছে।
এমএসএফ বলছে, এ অবস্থা আইনগত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও গণমামলার প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়। রাজনৈতিক সহিংসতায় জানুয়ারি মাসে আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে আহতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। জানুয়ারি মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ থেকে ৪ হয়েছে। এ অবস্থা উদ্বেগজনক পরিস্থিতি নির্দেশ করে বলে মনে করে এমএসএফ।
এমএসএফের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে প্রতিমা ভাঙচুর, বাড়িঘর ভাঙচুর, মামলাসহ সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি। অথচ ডিসেম্বরে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল ৪টি।
জানুয়ারি মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে দুটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া এসব বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। এমএসএফ বলেছে, নির্যাতনে মৃত্যুর সংখ্যা ডিসেম্বরের তুলনায় বেড়ে যাওয়ায় স্পষ্ট হয় যে, হেফাজতে নির্যাতন এখনো একটি কাঠামোগত সমস্যা হিসেবে বিদ্যমান।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৭
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
এর প্রভাবে গত কয়েকদিনে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৭৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ২৬টি ফ্লাইট।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ কুয়েত এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরার (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএইউ) ২টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, ফ্লাইদুবাই ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি ১১ মার্চ ২৭টি, ১২মার্চ ২৮টি ও ১৩মার্চ ২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
এর প্রভাবে গত কয়েকদিনে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৭৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ২৬টি ফ্লাইট।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ কুয়েত এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরার (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএইউ) ২টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, ফ্লাইদুবাই ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি ১১ মার্চ ২৭টি, ১২মার্চ ২৮টি ও ১৩মার্চ ২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১২
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি জাতীয় সংসদের ফ্লোরে আলোচনায় উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (১৪ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশন কতদিন চলবে, কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হবে, কী কী আইন উত্থাপন করা হবে এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর কত ঘণ্টা আলোচনা হবে—এসব বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, ১৫ মার্চের অধিবেশন শেষে সংসদ মুলতবি হয়ে ঈদের পর ২৯ মার্চ আবার বসবে। এরপর এপ্রিল মাসজুড়ে সংসদের অধিবেশন চলবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো একটি বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন আকারে তা সংসদে উত্থাপন করা হবে।
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি জাতীয় সংসদের ফ্লোরে আলোচনায় উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (১৪ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশন কতদিন চলবে, কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হবে, কী কী আইন উত্থাপন করা হবে এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর কত ঘণ্টা আলোচনা হবে—এসব বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, ১৫ মার্চের অধিবেশন শেষে সংসদ মুলতবি হয়ে ঈদের পর ২৯ মার্চ আবার বসবে। এরপর এপ্রিল মাসজুড়ে সংসদের অধিবেশন চলবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো একটি বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন আকারে তা সংসদে উত্থাপন করা হবে।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২২
ফেনীতে ১ লাখ ২৫ হাজার জাল টাকাসহ মো. ফারুক আহম্মদ ভূঁইয়া নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ জাল টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে ফেনী মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম।
আটক ফারুক আহম্মেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার জিয়াসার গ্রামের মৃত মো. আলী আহম্মদ ভূঁইয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে ফেনী শহরতলীর রানীরহাট এলাকায় জাল টাকা দিয়ে বাজারে কেনাকাটার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হলে ফারুককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলার দাগনভূঞা উপজেলায় তার ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার জাল নোট, একটি কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ জাল টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক জাল টাকা তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম বলেন, আটক ফারুক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে, কম্পিউটার দোকানে কাজ শেখার সুবাদে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের আশায় সে জাল টাকা ছাপানোর কাজে জড়িয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে সে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু জাল টাকা বাজারে ছেড়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।
ফেনীতে ১ লাখ ২৫ হাজার জাল টাকাসহ মো. ফারুক আহম্মদ ভূঁইয়া নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ জাল টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে ফেনী মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম।
আটক ফারুক আহম্মেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার জিয়াসার গ্রামের মৃত মো. আলী আহম্মদ ভূঁইয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে ফেনী শহরতলীর রানীরহাট এলাকায় জাল টাকা দিয়ে বাজারে কেনাকাটার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হলে ফারুককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলার দাগনভূঞা উপজেলায় তার ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার জাল নোট, একটি কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ জাল টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক জাল টাকা তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম বলেন, আটক ফারুক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে, কম্পিউটার দোকানে কাজ শেখার সুবাদে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের আশায় সে জাল টাকা ছাপানোর কাজে জড়িয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে সে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু জাল টাকা বাজারে ছেড়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২১:২৬
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫০
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪১
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯