২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:২৬
বহু বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ফিরছেন আগামী ২৫ ডিসেম্বর। দেশে ফেরার আগে এবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ফেসবুক পেজে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে শৈশবের একটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। পোস্টটি বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড পেজ পোস্টটি শেয়ার করা হয়।
পোস্টে জাইমা রহমান লেখেন, দাদুকে নিয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি হলো, পরিবারকে আগলে রাখা একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি কতটা মমতাময়ী ছিলেন। আমার বয়স তখন এগারো। আমাদের স্কুলের ফুটবল টিম একটা টুর্নামেন্ট জিতেছিল, আর আমি মেডেল পেয়েছিলাম। আম্মু আমাকে সরাসরি দাদুর অফিসে নিয়ে গিয়েছিলেন, আমি যেন নিজেই দাদুকে আমার বিজয়ের গল্পটা বলতে পারি; তাকে আমার বিজয়ের মেডেলটা দেখাতে পারি। আমি খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে গোলকিপার হিসেবে কী কী করেছি, সেটা বলছিলাম; আর স্পষ্ট টের পাচ্ছিলাম, দাদু প্রচণ্ড মনোযোগ নিয়ে আমাকে শুনছেন। তিনি এতটাই গর্বিত হয়েছিলেন যে, পরে সেই গল্পটা তিনি অন্যদের কাছেও বলতেন।
তিনি লেখেন, আমি সব সময়ই জানতাম, আমার দাদুর কাঁধে একটা দেশের দায়িত্ব। তবুও আমার স্মৃতিতে দাদু হলেন পরিবারকে আগলে রাখা একজন মমতাময়ী অভিভাবক। লাখো মানুষের কাছে তিনি ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আমার আর আমার কাজিনদের কাছে তিনি ছিলেন ‘দাদু’। আমাদের ‘দাদু’। তিনি সব সময় আমাদের খেয়াল রাখতেন, আমাদের জন্য সময় বের করতেন, আর যেসব মুহূর্ত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেগুলোতে আমাদের সাহস দিতেন, উজ্জীবিত করতেন। এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো থেকেই আমি নেতৃত্বের প্রথম শিক্ষা পাই। সেটি হলো, নম্রতা, আন্তরিকতা আর মন দিয়ে শোনার মানসিকতা।
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘিরে প্রাণচাঞ্চল্য
তিনি আরও লেখেন, বাংলাদেশের বাইরে কাটানো সতেরোটা বছর আমার জীবন অনেকভাবে বদলে দিয়েছে। কিন্তু আমি কখনোই আমার শিকড় ভুলে যাইনি। কারণ, আমাদের সত্তার যে ভিত্তি, আমাদের যে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ; সেটিই আমাদেরকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে, পরিচয় বহন করে। প্রবাসে থাকা দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের অনেক বাংলাদেশির মতো আমিও নিজ দেশের বাইরে, ভিন্ন দেশে অনেকগুলো বছর কাটিয়েছি। লন্ডনের দিনগুলো আমাকে বাস্তববাদী করেছে, একটা বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। যদিও আমার হৃদয়-মন সব সময় বাংলাদেশেই ছিল।
জাইমা লিখেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আমাকে শৃঙ্খলা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান শিখিয়েছে। তবে মানুষের সঙ্গে কাজ করা আমাকে শিখিয়েছে আরও অনেক বেশি; শিখিয়েছে দায়িত্বশীল হতে, বিপদগ্রস্তের পাশে দাঁড়াতে। আইন পেশায় কাজ করার সময় কাছ থেকে দেখা মানুষগুলোর গল্প, আর সেই গল্পগুলোর যৌক্তিক এবং আইনগত সমাধান খোঁজার দায়িত্ব আমাকে আলোড়িত করে। প্রত্যেক ক্লায়েন্ট, প্রতিটি মামলা, প্রতিটি মানুষের সমস্যা, কারও না কারও জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। যারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, অবহেলার শিকার হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সেই বিশ্বাস দিতে হয় যে, তাদের বিষয়টি দেখা হচ্ছে, শোনা হচ্ছে, সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। কারও জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিনে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা যে শিক্ষাটা দেয়, সেটা কোনো ক্লাসরুম দিতে পারে না। এই প্রতিটা ধাপ আমাকে ভাবতে শিখিয়েছে, মানুষ হিসেবে কেমন হতে চাই।
তিনি আরও লেখেন, আমি আমার ‘দাদা’কে কখনো দেখিনি। কিন্তু তার সততা আর দেশপ্রেমের কথা সব সময় শুনে এসেছি। ‘দাদু’ আর ‘আব্বু’ সেই আদর্শটাই বয়ে নিয়ে চলেছেন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় এবং ৫ আগস্টের আগে-পরের সময়টাতে আমি যতটুকু পেরেছি, নেপথ্যে থেকে সাধ্যমতো ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি। অধিকাংশ সময় বলেছি কম, বরং শুনেছি বেশি। ছোট-ছোট কাজের মাধ্যমে তাদের বোঝা একটু হালকা করার চেষ্টা করেছি।
তিনি লেখেন, অনেকগুলো বছর পর দেশে ফিরছি। দেশে ফেরা মানে আবেগ আর অনুভূতির এক অনন্য সংমিশ্রণ। দেশে ফিরে ইনশাআল্লাহ, আমি ‘দাদু’র পাশে থাকতে চাই। এই সময়টাতে আব্বুকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে চাই। একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য সর্বস্ব দিয়ে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চাই। নিজের চোখে, নিজের অভিজ্ঞতায় প্রিয় বাংলাদেশকে নতুন করে জানতে চাই; মানুষের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলতে চাই। যেভাবে এগুনো দরকার, আমি চাই বাংলাদেশ আবারো সেভাবে সামনে এগিয়ে যাক, গর্জে উঠুক।
জাইমা রহমান লেখেন, আমি জানি, আমার পরিবারকে ঘিরে দেশের জনগণের কৌতূহল রয়েছে, প্রত্যাশা রয়েছে। সেটি কখনো আশার, কখনো প্রশ্নের। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়ভারও রয়েছে। জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণের চাপ আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে অনুভব করি; পরিবারে, বন্ধুত্বে, সমাজে।
পরিশেষে তিনি লেখেন, আমার নিজের ভাষায়, এই হলো আমার গল্প। আমাদের প্রত্যেকের জীবনে একটা নিজস্ব গল্প আছে। এই গল্পগুলোকে ধারণ করে, আমরা সবাই হয়তো একসঙ্গে বাকি পথটা হাঁটতে পারি।
বহু বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ফিরছেন আগামী ২৫ ডিসেম্বর। দেশে ফেরার আগে এবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ফেসবুক পেজে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে শৈশবের একটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। পোস্টটি বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড পেজ পোস্টটি শেয়ার করা হয়।
পোস্টে জাইমা রহমান লেখেন, দাদুকে নিয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি হলো, পরিবারকে আগলে রাখা একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি কতটা মমতাময়ী ছিলেন। আমার বয়স তখন এগারো। আমাদের স্কুলের ফুটবল টিম একটা টুর্নামেন্ট জিতেছিল, আর আমি মেডেল পেয়েছিলাম। আম্মু আমাকে সরাসরি দাদুর অফিসে নিয়ে গিয়েছিলেন, আমি যেন নিজেই দাদুকে আমার বিজয়ের গল্পটা বলতে পারি; তাকে আমার বিজয়ের মেডেলটা দেখাতে পারি। আমি খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে গোলকিপার হিসেবে কী কী করেছি, সেটা বলছিলাম; আর স্পষ্ট টের পাচ্ছিলাম, দাদু প্রচণ্ড মনোযোগ নিয়ে আমাকে শুনছেন। তিনি এতটাই গর্বিত হয়েছিলেন যে, পরে সেই গল্পটা তিনি অন্যদের কাছেও বলতেন।
তিনি লেখেন, আমি সব সময়ই জানতাম, আমার দাদুর কাঁধে একটা দেশের দায়িত্ব। তবুও আমার স্মৃতিতে দাদু হলেন পরিবারকে আগলে রাখা একজন মমতাময়ী অভিভাবক। লাখো মানুষের কাছে তিনি ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আমার আর আমার কাজিনদের কাছে তিনি ছিলেন ‘দাদু’। আমাদের ‘দাদু’। তিনি সব সময় আমাদের খেয়াল রাখতেন, আমাদের জন্য সময় বের করতেন, আর যেসব মুহূর্ত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেগুলোতে আমাদের সাহস দিতেন, উজ্জীবিত করতেন। এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো থেকেই আমি নেতৃত্বের প্রথম শিক্ষা পাই। সেটি হলো, নম্রতা, আন্তরিকতা আর মন দিয়ে শোনার মানসিকতা।
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘিরে প্রাণচাঞ্চল্য
তিনি আরও লেখেন, বাংলাদেশের বাইরে কাটানো সতেরোটা বছর আমার জীবন অনেকভাবে বদলে দিয়েছে। কিন্তু আমি কখনোই আমার শিকড় ভুলে যাইনি। কারণ, আমাদের সত্তার যে ভিত্তি, আমাদের যে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ; সেটিই আমাদেরকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে, পরিচয় বহন করে। প্রবাসে থাকা দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের অনেক বাংলাদেশির মতো আমিও নিজ দেশের বাইরে, ভিন্ন দেশে অনেকগুলো বছর কাটিয়েছি। লন্ডনের দিনগুলো আমাকে বাস্তববাদী করেছে, একটা বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। যদিও আমার হৃদয়-মন সব সময় বাংলাদেশেই ছিল।
জাইমা লিখেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আমাকে শৃঙ্খলা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান শিখিয়েছে। তবে মানুষের সঙ্গে কাজ করা আমাকে শিখিয়েছে আরও অনেক বেশি; শিখিয়েছে দায়িত্বশীল হতে, বিপদগ্রস্তের পাশে দাঁড়াতে। আইন পেশায় কাজ করার সময় কাছ থেকে দেখা মানুষগুলোর গল্প, আর সেই গল্পগুলোর যৌক্তিক এবং আইনগত সমাধান খোঁজার দায়িত্ব আমাকে আলোড়িত করে। প্রত্যেক ক্লায়েন্ট, প্রতিটি মামলা, প্রতিটি মানুষের সমস্যা, কারও না কারও জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। যারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, অবহেলার শিকার হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সেই বিশ্বাস দিতে হয় যে, তাদের বিষয়টি দেখা হচ্ছে, শোনা হচ্ছে, সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। কারও জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিনে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা যে শিক্ষাটা দেয়, সেটা কোনো ক্লাসরুম দিতে পারে না। এই প্রতিটা ধাপ আমাকে ভাবতে শিখিয়েছে, মানুষ হিসেবে কেমন হতে চাই।
তিনি আরও লেখেন, আমি আমার ‘দাদা’কে কখনো দেখিনি। কিন্তু তার সততা আর দেশপ্রেমের কথা সব সময় শুনে এসেছি। ‘দাদু’ আর ‘আব্বু’ সেই আদর্শটাই বয়ে নিয়ে চলেছেন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় এবং ৫ আগস্টের আগে-পরের সময়টাতে আমি যতটুকু পেরেছি, নেপথ্যে থেকে সাধ্যমতো ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি। অধিকাংশ সময় বলেছি কম, বরং শুনেছি বেশি। ছোট-ছোট কাজের মাধ্যমে তাদের বোঝা একটু হালকা করার চেষ্টা করেছি।
তিনি লেখেন, অনেকগুলো বছর পর দেশে ফিরছি। দেশে ফেরা মানে আবেগ আর অনুভূতির এক অনন্য সংমিশ্রণ। দেশে ফিরে ইনশাআল্লাহ, আমি ‘দাদু’র পাশে থাকতে চাই। এই সময়টাতে আব্বুকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে চাই। একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য সর্বস্ব দিয়ে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চাই। নিজের চোখে, নিজের অভিজ্ঞতায় প্রিয় বাংলাদেশকে নতুন করে জানতে চাই; মানুষের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলতে চাই। যেভাবে এগুনো দরকার, আমি চাই বাংলাদেশ আবারো সেভাবে সামনে এগিয়ে যাক, গর্জে উঠুক।
জাইমা রহমান লেখেন, আমি জানি, আমার পরিবারকে ঘিরে দেশের জনগণের কৌতূহল রয়েছে, প্রত্যাশা রয়েছে। সেটি কখনো আশার, কখনো প্রশ্নের। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়ভারও রয়েছে। জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণের চাপ আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে অনুভব করি; পরিবারে, বন্ধুত্বে, সমাজে।
পরিশেষে তিনি লেখেন, আমার নিজের ভাষায়, এই হলো আমার গল্প। আমাদের প্রত্যেকের জীবনে একটা নিজস্ব গল্প আছে। এই গল্পগুলোকে ধারণ করে, আমরা সবাই হয়তো একসঙ্গে বাকি পথটা হাঁটতে পারি।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫১

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৭
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় এটি একতরফা নির্বাচন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, এই নির্বাচন দেশে ও বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্য হবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর সেনপাড়ার বাসভবনে তিনি এসব কথা বলেন। জিএম কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট এখনও ৪০ ভাগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ না থাকায় অন্য দু-একটি দলও নির্বাচন করছে না। মোট ৫০ ভাগ ভোটারদের বাদ দিয়ে নির্বাচন হচ্ছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ সময় তিনি আবারও গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিতে দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় এটি একতরফা নির্বাচন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, এই নির্বাচন দেশে ও বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্য হবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর সেনপাড়ার বাসভবনে তিনি এসব কথা বলেন। জিএম কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট এখনও ৪০ ভাগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ না থাকায় অন্য দু-একটি দলও নির্বাচন করছে না। মোট ৫০ ভাগ ভোটারদের বাদ দিয়ে নির্বাচন হচ্ছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ সময় তিনি আবারও গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিতে দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩২
নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে 'স্যার' না ডেকে ভাইয়া ডাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। তরুণদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সময় তার এই অনুরোধ অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে স্বস্তি ও হাসির আবহ তৈরি করে।
আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’-এ তিনি এ কথা বলেন।
তিনি তরুণদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, দেশে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও বিদেশে পড়াশোনা করতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যাংকঋণের জটিলতা কমাতে আইন সংশোধনের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
পরিবেশ ও নগর উন্নয়ন বিষয়ে তারেক রহমান জানান, চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন করা হবে। ক্ষমতায় গেলে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
ইয়ুথ পলিসি টকে চট্টগ্রামের ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০-এর বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যত পরিচালনায় তরুণদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ, এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা হবে।
দীর্ঘ দুই দশক পর চট্টগ্রামে ফিরে তারেক রহমান একই দিনে নগর পলোগ্রাউন্ড ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।
নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে 'স্যার' না ডেকে ভাইয়া ডাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। তরুণদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সময় তার এই অনুরোধ অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে স্বস্তি ও হাসির আবহ তৈরি করে।
আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’-এ তিনি এ কথা বলেন।
তিনি তরুণদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, দেশে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও বিদেশে পড়াশোনা করতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যাংকঋণের জটিলতা কমাতে আইন সংশোধনের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
পরিবেশ ও নগর উন্নয়ন বিষয়ে তারেক রহমান জানান, চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন করা হবে। ক্ষমতায় গেলে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
ইয়ুথ পলিসি টকে চট্টগ্রামের ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০-এর বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যত পরিচালনায় তরুণদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ, এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা হবে।
দীর্ঘ দুই দশক পর চট্টগ্রামে ফিরে তারেক রহমান একই দিনে নগর পলোগ্রাউন্ড ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৯
বিএনপি মহাসচিব বলেছেন- দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন।রোববার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় সালন্দর ইউনিয়নে বরুনাগাঁও মাদরাসা মাঠে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে স্থানীয় ভোটারদের কাছে বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন মির্জা ফখরুল। ভোটাররা বিগত আমলে জুলুম নিপিড়ন ও জমি দখলের কথা জানান।
এর প্রেক্ষিতে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের জন্য এর আগেও পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালে কাজ করেছি। সংসদে গিয়েও কাজ করেছি। আমাকে আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন। আমার নতুন করে পরিচয় দেবার কিছু নেই।
আমার গোটা পরিবারকে আপনারা চেনেন। বাবা-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি, আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না। আপনাদের সব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবো।
আপনারা অভিযোগ করেছেন এখানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্বৃত্তদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এগুলো আর থাকবে না। আমার দলের কেউ দুর্বৃত্তায়নে জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।
তিনি আরও বলেন, দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই, নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন। তারেক রহমান সঠিকভাবে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে পারবেন। যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য অতিতে আমরা কাজ করেছি, আগামিতেও করবো।।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষকরা সহজেই সার পাবে, সার সংকট থাকবে না। পরিবারের মা বোনরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। সে কার্ড দিয়ে তারা ন্যায্য মূল্যে নিত্যপণ্য কিনতে পারবেন এবং সে কার্ড দিয়ে চিকিৎসা সেবা পাবেন। এ কার্ড হবে মা বোনদের জন্য অস্ত্র।
বিএনপি মহাসচিব বলেছেন- দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন।রোববার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় সালন্দর ইউনিয়নে বরুনাগাঁও মাদরাসা মাঠে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে স্থানীয় ভোটারদের কাছে বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন মির্জা ফখরুল। ভোটাররা বিগত আমলে জুলুম নিপিড়ন ও জমি দখলের কথা জানান।
এর প্রেক্ষিতে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের জন্য এর আগেও পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালে কাজ করেছি। সংসদে গিয়েও কাজ করেছি। আমাকে আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন। আমার নতুন করে পরিচয় দেবার কিছু নেই।
আমার গোটা পরিবারকে আপনারা চেনেন। বাবা-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি, আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না। আপনাদের সব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবো।
আপনারা অভিযোগ করেছেন এখানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্বৃত্তদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এগুলো আর থাকবে না। আমার দলের কেউ দুর্বৃত্তায়নে জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।
তিনি আরও বলেন, দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই, নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন। তারেক রহমান সঠিকভাবে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে পারবেন। যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য অতিতে আমরা কাজ করেছি, আগামিতেও করবো।।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষকরা সহজেই সার পাবে, সার সংকট থাকবে না। পরিবারের মা বোনরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। সে কার্ড দিয়ে তারা ন্যায্য মূল্যে নিত্যপণ্য কিনতে পারবেন এবং সে কার্ড দিয়ে চিকিৎসা সেবা পাবেন। এ কার্ড হবে মা বোনদের জন্য অস্ত্র।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.