
১৪ জুন, ২০২৫ ২০:০৯
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় হৃদ্রোগে বাবার মৃত্যুর এক সপ্তাহের মাথায় বাসচাপায় প্রাণ গেল ছেলের। ঈদের ছুটি শেষে পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন ওই যুবক। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বাসটি জব্দ করেছে। তবে ঘাতক বাসচালক পালিয়ে গেছে।
শনিবার (১৪ জুন) আনুমানিক সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মতলব-বাবুরহাট পেন্নাই সড়কের বরদিয়া এলাকায় জৈনপুর পরিবহন বাসচাপায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়।
নিহত মুরাদ হোসেন (৩৫) লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার মধুপুর গ্রামের মৃত শাহজাহানের ছেলে। তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস সহায়ক ছিলেন। তিনি স্ত্রী, ৩ ও ১ বছরের ২টি শিশু সন্তান রেখে গেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, শনিবার সকালে বাবুরহাট থেকে ঢাকাগামী জৈনপুর পরিবহন যাত্রীবাহী বাসটি ছেড়ে আসে। বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলটিকে বরদিয়া সরকার বাড়ি এলাকায় দ্রুতগামী ঘাতক বাসটি চাপা দেয়।
এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। মোটরসাইকেল আরোহী মুরাদ ছিটকে পড়ে গুরতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে।
অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলে পথিমধ্যে তার অবস্থা বেগতিক দেখে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক আশরাফুল ইসলাম লিমন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী ইফরিন সুলতানা বলেন, আমার স্বামী ঢাকা হাইকোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস সহায়ক হিসেবে চাকরি করতেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকায় একটি বাসায় থাকতেন। পবিত্র ঈদুল আজহার পূর্বে সবাইকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন।
এখন ঢাকা থেকে আমাদের নিতে আসছিলেন। আমার শ্বশুর-শাশুড়িও মারা গেছেন। আল্লাহ আমার স্বামীকেও নিয়ে গেল। এখন আমি আমার ২টা ছোট্ট ছোট্ট ছেলে সন্তান নিয়ে কীভাবে থাকব?
নিহতের চাচাতো ভাই মোবারক হোসেন বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ আগে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মুরাদের বাবা মারা যান। সপ্তাহ না যেতেই আজ দুর্ঘটনায় মারা গেল মুরাদ। এত অল্প সময়ের মধ্যে পরিবারের দুজন সদস্যের মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন। এ ঘটনায় পুরো পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতের মামাতো ভাই হারুনর রশীদ বলেন, আমার ভাই সরকারি চাকরি করত। আমার ভাইয়ের ২টি সন্তান আছে। কখনোই মুরাদ হেলমেট ছাড়া গাড়ি চালায়নি। যখনই বাইক চালায় খুব সতর্কভাবে চালাত। আগে বিভিন্ন পত্রিকায় দেখছি এই রোডে বাসের অদক্ষ ড্রাইভারের কারণে অনেক মানুষ মারা গেছে। আমার ভাইকে যে বাস চাপা দিয়ে মেরেছে তাদের সুষ্ঠু বিচার চাই।
স্থানীয় রিপন ভুঁইয়া, শারমিন আক্তারসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, মতলব-ঢাকা সড়কে জৈনপুর পরিবহন বাসগুলো বেপরোয়াভাবে যাতায়াত করে। এছাড়া প্রায় সময় হেলপার দিয়ে বাস চালায়।
তাদের বেপরোয়া চালানোর কারণে গত রোববার (০৮ জুন) একই এলাকায় জৈনপুর পরিবহন বাসচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী ঘটনাস্থলেই ২ জন মারা যান এবং আহত হন চার যাত্রী। দোষীদের বিচারের দাবি জানান তারা।
মতলব দক্ষিণ থানার ওসি মো. সালেহ আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে যাই। আহত অবস্থায় মোটরসাইকেল আরোহীকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। চাঁদপুর থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক বাসটি জব্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় হৃদ্রোগে বাবার মৃত্যুর এক সপ্তাহের মাথায় বাসচাপায় প্রাণ গেল ছেলের। ঈদের ছুটি শেষে পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন ওই যুবক। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বাসটি জব্দ করেছে। তবে ঘাতক বাসচালক পালিয়ে গেছে।
শনিবার (১৪ জুন) আনুমানিক সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মতলব-বাবুরহাট পেন্নাই সড়কের বরদিয়া এলাকায় জৈনপুর পরিবহন বাসচাপায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়।
নিহত মুরাদ হোসেন (৩৫) লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার মধুপুর গ্রামের মৃত শাহজাহানের ছেলে। তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস সহায়ক ছিলেন। তিনি স্ত্রী, ৩ ও ১ বছরের ২টি শিশু সন্তান রেখে গেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, শনিবার সকালে বাবুরহাট থেকে ঢাকাগামী জৈনপুর পরিবহন যাত্রীবাহী বাসটি ছেড়ে আসে। বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলটিকে বরদিয়া সরকার বাড়ি এলাকায় দ্রুতগামী ঘাতক বাসটি চাপা দেয়।
এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। মোটরসাইকেল আরোহী মুরাদ ছিটকে পড়ে গুরতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে।
অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলে পথিমধ্যে তার অবস্থা বেগতিক দেখে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক আশরাফুল ইসলাম লিমন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী ইফরিন সুলতানা বলেন, আমার স্বামী ঢাকা হাইকোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস সহায়ক হিসেবে চাকরি করতেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকায় একটি বাসায় থাকতেন। পবিত্র ঈদুল আজহার পূর্বে সবাইকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন।
এখন ঢাকা থেকে আমাদের নিতে আসছিলেন। আমার শ্বশুর-শাশুড়িও মারা গেছেন। আল্লাহ আমার স্বামীকেও নিয়ে গেল। এখন আমি আমার ২টা ছোট্ট ছোট্ট ছেলে সন্তান নিয়ে কীভাবে থাকব?
নিহতের চাচাতো ভাই মোবারক হোসেন বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ আগে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মুরাদের বাবা মারা যান। সপ্তাহ না যেতেই আজ দুর্ঘটনায় মারা গেল মুরাদ। এত অল্প সময়ের মধ্যে পরিবারের দুজন সদস্যের মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন। এ ঘটনায় পুরো পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতের মামাতো ভাই হারুনর রশীদ বলেন, আমার ভাই সরকারি চাকরি করত। আমার ভাইয়ের ২টি সন্তান আছে। কখনোই মুরাদ হেলমেট ছাড়া গাড়ি চালায়নি। যখনই বাইক চালায় খুব সতর্কভাবে চালাত। আগে বিভিন্ন পত্রিকায় দেখছি এই রোডে বাসের অদক্ষ ড্রাইভারের কারণে অনেক মানুষ মারা গেছে। আমার ভাইকে যে বাস চাপা দিয়ে মেরেছে তাদের সুষ্ঠু বিচার চাই।
স্থানীয় রিপন ভুঁইয়া, শারমিন আক্তারসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, মতলব-ঢাকা সড়কে জৈনপুর পরিবহন বাসগুলো বেপরোয়াভাবে যাতায়াত করে। এছাড়া প্রায় সময় হেলপার দিয়ে বাস চালায়।
তাদের বেপরোয়া চালানোর কারণে গত রোববার (০৮ জুন) একই এলাকায় জৈনপুর পরিবহন বাসচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী ঘটনাস্থলেই ২ জন মারা যান এবং আহত হন চার যাত্রী। দোষীদের বিচারের দাবি জানান তারা।
মতলব দক্ষিণ থানার ওসি মো. সালেহ আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে যাই। আহত অবস্থায় মোটরসাইকেল আরোহীকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। চাঁদপুর থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক বাসটি জব্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:১৩
পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ‘শিক্ষা দিতে’ এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে নাঈম হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের দেওয়ানপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নাঈম ওই গ্রামেরই বাসিন্দা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নাঈম হোসেনের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক অশান্তি চলছিল। স্ত্রীর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নাঈম পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বাড়ি থেকে কাপড়-চোপড় গুছিয়ে ওই গৃহবধূকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে নাঈম হোসেন গণমাধ্যমের কাছে অকপটে নিজের কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, মূলত আমার স্ত্রীকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই আমি আরেকজনের বউকে নিয়ে পালিয়েছি।
আমার স্ত্রী আমার কথামতো চলে না, সারাক্ষণ অশান্তি করে। এজন্য আমি এই বিয়ে করেছি। তবে কিছুদিন গেলে আবার আগের স্ত্রীর কাছেই ফিরে যাব।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ‘শিক্ষা দিতে’ এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে নাঈম হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের দেওয়ানপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নাঈম ওই গ্রামেরই বাসিন্দা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নাঈম হোসেনের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক অশান্তি চলছিল। স্ত্রীর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নাঈম পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বাড়ি থেকে কাপড়-চোপড় গুছিয়ে ওই গৃহবধূকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে নাঈম হোসেন গণমাধ্যমের কাছে অকপটে নিজের কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, মূলত আমার স্ত্রীকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই আমি আরেকজনের বউকে নিয়ে পালিয়েছি।
আমার স্ত্রী আমার কথামতো চলে না, সারাক্ষণ অশান্তি করে। এজন্য আমি এই বিয়ে করেছি। তবে কিছুদিন গেলে আবার আগের স্ত্রীর কাছেই ফিরে যাব।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৪
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া সাড়ে ১২ হাজার কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে হদিস মিলছে না ২০ কার্টন খেজুরের।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার হিসেবে আসে বাংলাদেশে। গত ১ মার্চ সেসব খেজুর জেলাভিত্তিক বণ্টনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। কুমিল্লায় মোট ৫২০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়, যে তথ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী বলেন, আমাদের কাছে ৫০০ কার্টন খেজুর এসেছিল। আমরা সেগুলোই বণ্টন করেছি। অধিদপ্তর সংশোধন করে সেটি পরে ৫০০ কার্টনই করেছে।
তালিকা সংশোধন করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তালিকা সংশোধন না, এটা বরাদ্দটাই ৫০০ ছিল। এটাই সংশোধন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে নিজ এলাকার কর্মকাণ্ডের হিসেব তুলে ধরেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই লাইভে দেবিদ্বারে ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার বিষয়টি জানান তিনি। তার এই তথ্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খেজুর নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া সাড়ে ১২ হাজার কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে হদিস মিলছে না ২০ কার্টন খেজুরের।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার হিসেবে আসে বাংলাদেশে। গত ১ মার্চ সেসব খেজুর জেলাভিত্তিক বণ্টনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। কুমিল্লায় মোট ৫২০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়, যে তথ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী বলেন, আমাদের কাছে ৫০০ কার্টন খেজুর এসেছিল। আমরা সেগুলোই বণ্টন করেছি। অধিদপ্তর সংশোধন করে সেটি পরে ৫০০ কার্টনই করেছে।
তালিকা সংশোধন করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তালিকা সংশোধন না, এটা বরাদ্দটাই ৫০০ ছিল। এটাই সংশোধন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে নিজ এলাকার কর্মকাণ্ডের হিসেব তুলে ধরেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই লাইভে দেবিদ্বারে ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার বিষয়টি জানান তিনি। তার এই তথ্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খেজুর নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৮
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে দুই বস্তা সরকারি ওষুধ পেয়েছেন জেলেরা। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে উপজেলার তেঁতুলিয়া মসজিদ এলাকার নদে মাছ ধরার সময় ওষুধভর্তি দুটি বস্তা পান তারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় জেলেরা ব্রহ্মপুত্র নদে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। জাল টেনে তোলার সময় মুখ বাধা দুটি বড় পাটের বস্তা দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এ সময় বস্তার মুখ খুলে ভেতরে সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন প্রকারের ওষুধ পাওয়া যায়। পুলিশ ওষুধভর্তি বস্তা দুটি থানায় নিয়ে যায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, আমি যতদূর শুনেছি বস্তায় থাকা ওষুধ ২০২৩ সালের।
ওই সময় কেউ হয়তো নদীতে ফেলে থাকতে পারে। ওষুধের প্যাকেট পচনশীল না হওয়ায় এবং বস্তাভর্তি থাকায় পানির নিচে রয়ে যায়। তিনি বলেন, উদ্ধার ওষুধের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবে। তদন্তের জন্য যে কোনো সহযোগিতা করা হবে।
গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে দুই বস্তা সরকারি ওষুধ পেয়েছেন জেলেরা। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে উপজেলার তেঁতুলিয়া মসজিদ এলাকার নদে মাছ ধরার সময় ওষুধভর্তি দুটি বস্তা পান তারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় জেলেরা ব্রহ্মপুত্র নদে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। জাল টেনে তোলার সময় মুখ বাধা দুটি বড় পাটের বস্তা দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এ সময় বস্তার মুখ খুলে ভেতরে সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন প্রকারের ওষুধ পাওয়া যায়। পুলিশ ওষুধভর্তি বস্তা দুটি থানায় নিয়ে যায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, আমি যতদূর শুনেছি বস্তায় থাকা ওষুধ ২০২৩ সালের।
ওই সময় কেউ হয়তো নদীতে ফেলে থাকতে পারে। ওষুধের প্যাকেট পচনশীল না হওয়ায় এবং বস্তাভর্তি থাকায় পানির নিচে রয়ে যায়। তিনি বলেন, উদ্ধার ওষুধের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবে। তদন্তের জন্য যে কোনো সহযোগিতা করা হবে।
গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.