
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৮
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম ও মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন কিছু মানুষ এখানে একত্র হয়েছেন, কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়া মানুষ যাদের সম্মান করে। জীবনের কঠিন মুহূর্তে যাদের কাছ থেকে মানুষ সঠিক পরামর্শ আশা করে এবং পেয়েও থাকে।
তিনি বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যারা অর্থনৈতিকভাবে হয়তোবা কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে, তাদের জন্য একটি সম্মানী বা আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে বৈষম্য দূর করে আমরা সবাই মিলে একটু শান্তিতে, একটু ভালোভাবে থাকব—জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সে রকম প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।
জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, এর জন্য আমি আল্লাহর দরবারে লাখো শুকরিয়া জানাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারী সমাজের জন্য ইতোমধ্যে আমরা ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছি। পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে ৪ কোটি পরিবারের নারী প্রধানরা এ কার্ড পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে আমরা কৃষক কার্ড চালু করব। ইনশাআল্লাহ, আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে আমাদের খালখনন কর্মসূচি।
মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, আজ থেকে চালু হলো খতিব ইমাম মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি; যাদের প্রয়োজন সারা দেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এই সহায়তা দেওয়া হবে।
দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে।
নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে।
তবে নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি কিছু দায়-দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, আমি আশা করি, আগামী ১০ বছরের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারব, ইনশাআল্লাহ।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা থেকে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার করে টাকা পাবেন। আর প্রতিটি মন্দিরের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পুরোহিত ৫ হাজার এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।
এ ছাড়া প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। প্রতি খ্রিষ্টান চার্চের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা, সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা করে বছরে ২ বার এবং দুর্গাপূজা বা বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে। তবে যেসব মসজিদ সরকারি ও দেশি বা বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার বাইরে থাকবে।
তিনি আরও জানান, এ সম্মানী দেওয়ার ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরে মার্চ-জুনে ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। প্রতি অর্থবছরে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। ৪ বছরে ধারাবাহিকভাবে দেওয়া হবে। এ সম্মানী ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে এটি চালু হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম ও মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন কিছু মানুষ এখানে একত্র হয়েছেন, কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়া মানুষ যাদের সম্মান করে। জীবনের কঠিন মুহূর্তে যাদের কাছ থেকে মানুষ সঠিক পরামর্শ আশা করে এবং পেয়েও থাকে।
তিনি বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যারা অর্থনৈতিকভাবে হয়তোবা কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে, তাদের জন্য একটি সম্মানী বা আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে বৈষম্য দূর করে আমরা সবাই মিলে একটু শান্তিতে, একটু ভালোভাবে থাকব—জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সে রকম প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।
জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা আমাদের সব প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, এর জন্য আমি আল্লাহর দরবারে লাখো শুকরিয়া জানাচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারী সমাজের জন্য ইতোমধ্যে আমরা ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছি। পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে ৪ কোটি পরিবারের নারী প্রধানরা এ কার্ড পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে আমরা কৃষক কার্ড চালু করব। ইনশাআল্লাহ, আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে আমাদের খালখনন কর্মসূচি।
মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, আজ থেকে চালু হলো খতিব ইমাম মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি; যাদের প্রয়োজন সারা দেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এই সহায়তা দেওয়া হবে।
দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে।
নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে।
তবে নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি কিছু দায়-দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, আমি আশা করি, আগামী ১০ বছরের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারব, ইনশাআল্লাহ।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা থেকে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার করে টাকা পাবেন। আর প্রতিটি মন্দিরের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পুরোহিত ৫ হাজার এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।
এ ছাড়া প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। প্রতি খ্রিষ্টান চার্চের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা, সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা করে বছরে ২ বার এবং দুর্গাপূজা বা বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে। তবে যেসব মসজিদ সরকারি ও দেশি বা বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার বাইরে থাকবে।
তিনি আরও জানান, এ সম্মানী দেওয়ার ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরে মার্চ-জুনে ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। প্রতি অর্থবছরে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। ৪ বছরে ধারাবাহিকভাবে দেওয়া হবে। এ সম্মানী ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে এটি চালু হবে।
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১

২৬ মে, ২০২৬ ১৬:২৩
সাভারে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ইজারা ছাড়াই গরুর হাট বসিয়েছেন।
এতে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে হাসিলের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। তবে, ইজারা ছাড়া হাট বসানোর দুইদিন পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে সাদুল্ল্যাপুর বাজারে বাসানো হয়েছে ওই অবৈধ পশুর হাটটি। সাভার থেকে গরু কিনতে এসেছেন হামিদুল ইসলাম। তিনি জানান, সাভারের বিরুলিয়ার সাদুল্ল্যাপুর বাজারের হাটে অনেক গরু ও ছাগল ওঠেছে। সেখানে তুলনামূলক দাম ঠিক আছে।
এ সময় ক্রেতাদের থেকে হাসিল কত করে নেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, হাটের সামনেই হাসিল ঘর বসিয়েছে। সেখানে শতকরা ৪ শতাংশ করে হাসিল নিচ্ছে হাট কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে শরীফ নামে আরও এক ক্রেতা জানান, এ বছর এই হাটের কোনো ইজারা হয়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন মিলে হাট বসিয়েছে।
পশু কিনে বের হওয়ার সময় হাটের সামনেই গেটে হাসিল ঘরে বসিয়ে জাহাঙ্গীর হাসিলের টাকা নিচ্ছেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারা প্রভাবশালী তাই ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেউ হাটে কিছু বলতে পারে না বলে জানান তিনি।
হাটের বিষয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই হাটের কোনো ইজারা আমরা নেইনি। তবে, আমরা র্দীঘ ১৭ বছর পালিয়ে ছিলাম।
অনেক মামলার শিকার হয়েছি। এখন আমাদের দল ক্ষমতায়। তারপরেও যদি আমরা হাট না করতে পারি, তাহলে আর কি হল। উপজেলায় পরে আমরা হাটের বিষয়টি জানিয়ে দিব বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা অবহিত হয়েছি। ওইখানে কোনো হাটের ইজারা দেওয়া হয়নি। তবে, ওই হাট থেকে খাস কালেকশন করা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
সাভারে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ইজারা ছাড়াই গরুর হাট বসিয়েছেন।
এতে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে হাসিলের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। তবে, ইজারা ছাড়া হাট বসানোর দুইদিন পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে সাদুল্ল্যাপুর বাজারে বাসানো হয়েছে ওই অবৈধ পশুর হাটটি। সাভার থেকে গরু কিনতে এসেছেন হামিদুল ইসলাম। তিনি জানান, সাভারের বিরুলিয়ার সাদুল্ল্যাপুর বাজারের হাটে অনেক গরু ও ছাগল ওঠেছে। সেখানে তুলনামূলক দাম ঠিক আছে।
এ সময় ক্রেতাদের থেকে হাসিল কত করে নেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, হাটের সামনেই হাসিল ঘর বসিয়েছে। সেখানে শতকরা ৪ শতাংশ করে হাসিল নিচ্ছে হাট কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে শরীফ নামে আরও এক ক্রেতা জানান, এ বছর এই হাটের কোনো ইজারা হয়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন মিলে হাট বসিয়েছে।
পশু কিনে বের হওয়ার সময় হাটের সামনেই গেটে হাসিল ঘরে বসিয়ে জাহাঙ্গীর হাসিলের টাকা নিচ্ছেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারা প্রভাবশালী তাই ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেউ হাটে কিছু বলতে পারে না বলে জানান তিনি।
হাটের বিষয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই হাটের কোনো ইজারা আমরা নেইনি। তবে, আমরা র্দীঘ ১৭ বছর পালিয়ে ছিলাম।
অনেক মামলার শিকার হয়েছি। এখন আমাদের দল ক্ষমতায়। তারপরেও যদি আমরা হাট না করতে পারি, তাহলে আর কি হল। উপজেলায় পরে আমরা হাটের বিষয়টি জানিয়ে দিব বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা অবহিত হয়েছি। ওইখানে কোনো হাটের ইজারা দেওয়া হয়নি। তবে, ওই হাট থেকে খাস কালেকশন করা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

২৬ মে, ২০২৬ ১৩:৩১
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমসিএস) এরই মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৬।
ইএমসিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। আর ময়মনসিংহ থেকে উৎপত্তিস্থল ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং সখিপুর থেকে ২২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। এর ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২৪ দশমিক ৩৩ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০ দশমিক ৩৯ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের সৃষ্টি হয় বলেও জানায় সংস্থাটি। বাংলাদেশ ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পেশাগত সহকারী নিজাম উদ্দীন আহমেদ জানান, ময়মনসিংহের ভালুকার আমতলীতে একটি মৃদু কম্পন হয়েছে। ঢাকা থেকে স্থানটি ৬১ কিমি উত্তরে অবস্থিত।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমসিএস) এরই মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৬।
ইএমসিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। আর ময়মনসিংহ থেকে উৎপত্তিস্থল ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং সখিপুর থেকে ২২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। এর ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২৪ দশমিক ৩৩ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০ দশমিক ৩৯ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের সৃষ্টি হয় বলেও জানায় সংস্থাটি। বাংলাদেশ ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পেশাগত সহকারী নিজাম উদ্দীন আহমেদ জানান, ময়মনসিংহের ভালুকার আমতলীতে একটি মৃদু কম্পন হয়েছে। ঢাকা থেকে স্থানটি ৬১ কিমি উত্তরে অবস্থিত।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:০৬
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে সৌদি আরবে। আজ সোমবার, ৮ জিলহজ থেকে হজের মূল কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা হজযাত্রীরা মক্কা থেকে মিনার দিকে যাত্রা শুরু করেছেন। খবর সৌদি গেজেটের।
গতকাল রোববার রাত থেকেই হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান হিসেবে তালবিয়া পাঠ করতে করতে মিনার দিকে রওনা হন। মিনাকে তাঁবুর নগরী বলা হয়, যেখানে হজের প্রাথমিক পর্যায়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৫ লাখের বেশি হজযাত্রী ইতোমধ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। তাদের সঙ্গে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ হজযাত্রীরাও যুক্ত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, হজযাত্রীদের মিনায় স্থানান্তর, থাকা-খাওয়া এবং পরিবহন ব্যবস্থা আগে থেকেই সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। তাঁবুতে প্রবেশ, নির্দেশনা প্রদান এবং সেবা ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ সমন্বিত ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
এছাড়া মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও নজরদারি চালানো হচ্ছে, যাতে হজযাত্রীদের কোনো ধরনের সমস্যা না হয় এবং সব সেবা নির্বিঘ্নে নিশ্চিত করা যায়।
ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী, ‘ইয়াওমুত তারবিয়া’ দিন থেকে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়, যা পরবর্তী কয়েক দিনে হজের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কার্যক্রমের দিকে এগিয়ে যাবে।
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে সৌদি আরবে। আজ সোমবার, ৮ জিলহজ থেকে হজের মূল কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা হজযাত্রীরা মক্কা থেকে মিনার দিকে যাত্রা শুরু করেছেন। খবর সৌদি গেজেটের।
গতকাল রোববার রাত থেকেই হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান হিসেবে তালবিয়া পাঠ করতে করতে মিনার দিকে রওনা হন। মিনাকে তাঁবুর নগরী বলা হয়, যেখানে হজের প্রাথমিক পর্যায়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৫ লাখের বেশি হজযাত্রী ইতোমধ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। তাদের সঙ্গে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ হজযাত্রীরাও যুক্ত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, হজযাত্রীদের মিনায় স্থানান্তর, থাকা-খাওয়া এবং পরিবহন ব্যবস্থা আগে থেকেই সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। তাঁবুতে প্রবেশ, নির্দেশনা প্রদান এবং সেবা ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ সমন্বিত ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
এছাড়া মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও নজরদারি চালানো হচ্ছে, যাতে হজযাত্রীদের কোনো ধরনের সমস্যা না হয় এবং সব সেবা নির্বিঘ্নে নিশ্চিত করা যায়।
ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী, ‘ইয়াওমুত তারবিয়া’ দিন থেকে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়, যা পরবর্তী কয়েক দিনে হজের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কার্যক্রমের দিকে এগিয়ে যাবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.