
২৫ মে, ২০২৫ ২১:০৭
নরসিংদীর বেলাবোতে মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়াড়িদের গ্রেফতার অভিযানে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ছয় পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এসময় পুলিশকে বহনকারী একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়।
এ ঘটনায় বিন্নাবাইদ ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে সিনতাজ মোহাম্মদ সালমানকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছন ডিবি পুলিশ সদস্য আব্দুস সালাম। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রোববার (২৫ মে) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হান্নান। এর আগে শনিবার (২৪ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বেলাবো উপজেলার বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের চর কাশিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা বেলাবো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তারা হলেন ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আবদুস সালাম, শেখ মো. জসিম উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাজিব হাসান, পুলিশ সদস্য শামসুল ইসলাম, মাজেদুল ইসলাম ও মো. হাসমত আলী।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
মামলার আসামিরা হলেন উপজেলার চর কাশিমনগর এলাকার পারভেজ (২৬), বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের রতন চেয়ারম্যানের ছেলে সিনতাজ মোহাম্মদ সালমান (৩২), কাশিমনগরের নিয়ত আলীর ছেলে মো. মজিবুর (৪০), মজিদ মিয়ার ছেলে ডা.আব্দুল জলিল (৪৫), মৃত আ. মালেক মিয়ার ছেলে মো. মোবারক হোসেন (৪২), গোশলাকান্দা এলাকার মৃত দেওয়ান আলীর ছেলে মো. শাহজাহান (৪০), ইকতিয়ার হোসেন (৩৮), ইদ্রিস মেম্বারের ছেলে সেন্টু মিয়া (৪২), চর ছায়েট এলাকার হাবিবুর (৩৮) ও চর কাশিমনগরের হোসেন আলীর ছেলে ইব্রাহিম খলিলসহ (৪৩) ৪০-৫০ জন।
হামলায় আহত ডিবি পুলিশের এসআই ও মামলার বাদী আব্দুস সালাম বলেন, আমরা ওই এলাকায় গিয়ে মাঠের কাছে একটি মসজিদে আমিসহ এসআই জসিম মাগরিবের নামাজ পড়ে বের হই। মসজিদ থেকে বের হওয়া মাত্র পারভেজ নামের একজন এসে জিজ্ঞেস করে আমরা কারা এবং এখানে কেন এসেছি। তখন আমরা আমাদের পরিচয় দেই। পরিচয় দেওয়ামাত্র ‘ডিবি পুলিশ এখানে কেন আসবে’ বলেই চিৎকার করে লোকজন জড়ো করে। পরে তারা হামলা চালায়। মসজিদ থেকে বের হওয়া মুসল্লি ও বেলাবো থানা পুলিশের সহায়তায় আমরা স্থান ত্যাগ করে বেলাবো হাসপাতালে চিকিৎসা নিই।’
নরসিংদী পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান বলেন, আহত পুলিশ সদস্যরা সুস্থ আছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
নরসিংদীর বেলাবোতে মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়াড়িদের গ্রেফতার অভিযানে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ছয় পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এসময় পুলিশকে বহনকারী একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়।
এ ঘটনায় বিন্নাবাইদ ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে সিনতাজ মোহাম্মদ সালমানকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছন ডিবি পুলিশ সদস্য আব্দুস সালাম। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রোববার (২৫ মে) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হান্নান। এর আগে শনিবার (২৪ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বেলাবো উপজেলার বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের চর কাশিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা বেলাবো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তারা হলেন ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আবদুস সালাম, শেখ মো. জসিম উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাজিব হাসান, পুলিশ সদস্য শামসুল ইসলাম, মাজেদুল ইসলাম ও মো. হাসমত আলী।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
মামলার আসামিরা হলেন উপজেলার চর কাশিমনগর এলাকার পারভেজ (২৬), বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের রতন চেয়ারম্যানের ছেলে সিনতাজ মোহাম্মদ সালমান (৩২), কাশিমনগরের নিয়ত আলীর ছেলে মো. মজিবুর (৪০), মজিদ মিয়ার ছেলে ডা.আব্দুল জলিল (৪৫), মৃত আ. মালেক মিয়ার ছেলে মো. মোবারক হোসেন (৪২), গোশলাকান্দা এলাকার মৃত দেওয়ান আলীর ছেলে মো. শাহজাহান (৪০), ইকতিয়ার হোসেন (৩৮), ইদ্রিস মেম্বারের ছেলে সেন্টু মিয়া (৪২), চর ছায়েট এলাকার হাবিবুর (৩৮) ও চর কাশিমনগরের হোসেন আলীর ছেলে ইব্রাহিম খলিলসহ (৪৩) ৪০-৫০ জন।
হামলায় আহত ডিবি পুলিশের এসআই ও মামলার বাদী আব্দুস সালাম বলেন, আমরা ওই এলাকায় গিয়ে মাঠের কাছে একটি মসজিদে আমিসহ এসআই জসিম মাগরিবের নামাজ পড়ে বের হই। মসজিদ থেকে বের হওয়া মাত্র পারভেজ নামের একজন এসে জিজ্ঞেস করে আমরা কারা এবং এখানে কেন এসেছি। তখন আমরা আমাদের পরিচয় দেই। পরিচয় দেওয়ামাত্র ‘ডিবি পুলিশ এখানে কেন আসবে’ বলেই চিৎকার করে লোকজন জড়ো করে। পরে তারা হামলা চালায়। মসজিদ থেকে বের হওয়া মুসল্লি ও বেলাবো থানা পুলিশের সহায়তায় আমরা স্থান ত্যাগ করে বেলাবো হাসপাতালে চিকিৎসা নিই।’
নরসিংদী পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান বলেন, আহত পুলিশ সদস্যরা সুস্থ আছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৮
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুই কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
আটকরা হলেন— মো. জসিম হাওলাদার (৪৫) ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৫০)। তারা উভয়ই দৌলতখান থানার বাসিন্দা।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দৌলতখান থানাধীন চরনিয়ামতপুর সংলগ্ন এলাকায় একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি ফাঁকা কার্তুজ এবং দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ দৌলতখান থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৩৪
ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ খবর পেয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গুরুতর আহত নাসিমার ১০ বছর বয়সী ছেলে আবিরকে ভোলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিহাদ (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শরীফ সরদার বাড়ির পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম। শুক্রবার রাতের খাবার শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নাসিমা ও তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
আহত শিশু আবির জানায়, স্থানীয় জামাল মেম্বারের ছেলে জিহাদ ঘরে ঢুকে তাঁর মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করা হয়। পরে সে-ও মারা গেছে ভেবে হামলাকারীরা চলে যায়। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
নিহতের চাচা শ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় এসে আমাদের ঘটনাটি জানায়। পরে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আহত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম জানান, ‘আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৪
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুই কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
আটকরা হলেন— মো. জসিম হাওলাদার (৪৫) ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৫০)। তারা উভয়ই দৌলতখান থানার বাসিন্দা।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দৌলতখান থানাধীন চরনিয়ামতপুর সংলগ্ন এলাকায় একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত মধ্যরাতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি ফাঁকা কার্তুজ এবং দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজন কুখ্যাত ডাকাতকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ দৌলতখান থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ঘরে ঢুকে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে পুলিশ খবর পেয়ে নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গুরুতর আহত নাসিমার ১০ বছর বয়সী ছেলে আবিরকে ভোলা সদরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিহাদ (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে শরীফ সরদার বাড়ির পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম। শুক্রবার রাতের খাবার শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নাসিমা ও তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
আহত শিশু আবির জানায়, স্থানীয় জামাল মেম্বারের ছেলে জিহাদ ঘরে ঢুকে তাঁর মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করা হয়। পরে সে-ও মারা গেছে ভেবে হামলাকারীরা চলে যায়। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
নিহতের চাচা শ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় এসে আমাদের ঘটনাটি জানায়। পরে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আহত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহিম জানান, ‘আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. জিয়াউদ্দিন জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে জিহাদকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
ভোলার তজুমদ্দিনে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ বীর বিক্রমকে গণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। নিজ নির্বাচনী এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন–-তজুমদ্দিন) সফরের অংশ হিসেবে তিনি এ গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
শুত্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন ভোলা-আসনের সাংসদ ও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বীর বিক্রম।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার, ভোলা জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনরি সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ড. এ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাছেদ, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হাসান মাকসুদুর রহমান, শাহাদাৎ হোসেন পাটওয়ারী, ভোলা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসান সাফা পিন্টু, চাঁদপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দিন জুলফিকার, সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি জাকির হোসেন মনু, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য শাহ শাহিন সাজি, চাঁচড়া বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আল, মলংচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হোসেন পাটওয়ারী প্রমুখ। ১৬ এপ্রিল তিন দিনের সফরে ভোলায় আসেন স্পিকার।
সফরের দ্বিতীয় দিনে তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে তিনি বিকাল ৪টায় উপজেলা প্রশাসনের সাথে মত বিনিময় করেন। উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপজেলার সকল দাপ্তরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ সময় উপজেলা বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, স্বতন্ত্রইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে স্পিকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পুরো অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার মেজর হাফিজ বলেন, আমি সংবর্ধনা গ্রহণের জন্য নয়, বরং এলাকার জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই এসেছেন।
তিনি এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতেও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আশ্বাস দেন। তিনি আরও বলেন, ভোলা-৩ আসনের জনগণ সবসময় তার পাশে ছিল এবং তাদের ভালোবাসা ও সমর্থনের কারণেই তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। এজন্য তিনি সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল তার নিজ এলাকায় প্রথম সফর। এ সফরকে ঘিরে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু।
ভোলার তজুমদ্দিনে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ বীর বিক্রমকে গণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। নিজ নির্বাচনী এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন–-তজুমদ্দিন) সফরের অংশ হিসেবে তিনি এ গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
শুত্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন ভোলা-আসনের সাংসদ ও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বীর বিক্রম।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার, ভোলা জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনরি সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ড. এ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাছেদ, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হাসান মাকসুদুর রহমান, শাহাদাৎ হোসেন পাটওয়ারী, ভোলা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসান সাফা পিন্টু, চাঁদপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দিন জুলফিকার, সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি জাকির হোসেন মনু, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য শাহ শাহিন সাজি, চাঁচড়া বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আল, মলংচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হোসেন পাটওয়ারী প্রমুখ। ১৬ এপ্রিল তিন দিনের সফরে ভোলায় আসেন স্পিকার।
সফরের দ্বিতীয় দিনে তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে তিনি বিকাল ৪টায় উপজেলা প্রশাসনের সাথে মত বিনিময় করেন। উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপজেলার সকল দাপ্তরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ সময় উপজেলা বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, স্বতন্ত্রইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে স্পিকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পুরো অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার মেজর হাফিজ বলেন, আমি সংবর্ধনা গ্রহণের জন্য নয়, বরং এলাকার জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই এসেছেন।
তিনি এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতেও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আশ্বাস দেন। তিনি আরও বলেন, ভোলা-৩ আসনের জনগণ সবসময় তার পাশে ছিল এবং তাদের ভালোবাসা ও সমর্থনের কারণেই তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। এজন্য তিনি সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল তার নিজ এলাকায় প্রথম সফর। এ সফরকে ঘিরে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু।