
২৫ মে, ২০২৫ ২১:০৭
নরসিংদীর বেলাবোতে মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়াড়িদের গ্রেফতার অভিযানে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ছয় পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এসময় পুলিশকে বহনকারী একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়।
এ ঘটনায় বিন্নাবাইদ ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে সিনতাজ মোহাম্মদ সালমানকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছন ডিবি পুলিশ সদস্য আব্দুস সালাম। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রোববার (২৫ মে) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হান্নান। এর আগে শনিবার (২৪ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বেলাবো উপজেলার বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের চর কাশিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা বেলাবো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তারা হলেন ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আবদুস সালাম, শেখ মো. জসিম উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাজিব হাসান, পুলিশ সদস্য শামসুল ইসলাম, মাজেদুল ইসলাম ও মো. হাসমত আলী।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
মামলার আসামিরা হলেন উপজেলার চর কাশিমনগর এলাকার পারভেজ (২৬), বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের রতন চেয়ারম্যানের ছেলে সিনতাজ মোহাম্মদ সালমান (৩২), কাশিমনগরের নিয়ত আলীর ছেলে মো. মজিবুর (৪০), মজিদ মিয়ার ছেলে ডা.আব্দুল জলিল (৪৫), মৃত আ. মালেক মিয়ার ছেলে মো. মোবারক হোসেন (৪২), গোশলাকান্দা এলাকার মৃত দেওয়ান আলীর ছেলে মো. শাহজাহান (৪০), ইকতিয়ার হোসেন (৩৮), ইদ্রিস মেম্বারের ছেলে সেন্টু মিয়া (৪২), চর ছায়েট এলাকার হাবিবুর (৩৮) ও চর কাশিমনগরের হোসেন আলীর ছেলে ইব্রাহিম খলিলসহ (৪৩) ৪০-৫০ জন।
হামলায় আহত ডিবি পুলিশের এসআই ও মামলার বাদী আব্দুস সালাম বলেন, আমরা ওই এলাকায় গিয়ে মাঠের কাছে একটি মসজিদে আমিসহ এসআই জসিম মাগরিবের নামাজ পড়ে বের হই। মসজিদ থেকে বের হওয়া মাত্র পারভেজ নামের একজন এসে জিজ্ঞেস করে আমরা কারা এবং এখানে কেন এসেছি। তখন আমরা আমাদের পরিচয় দেই। পরিচয় দেওয়ামাত্র ‘ডিবি পুলিশ এখানে কেন আসবে’ বলেই চিৎকার করে লোকজন জড়ো করে। পরে তারা হামলা চালায়। মসজিদ থেকে বের হওয়া মুসল্লি ও বেলাবো থানা পুলিশের সহায়তায় আমরা স্থান ত্যাগ করে বেলাবো হাসপাতালে চিকিৎসা নিই।’
নরসিংদী পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান বলেন, আহত পুলিশ সদস্যরা সুস্থ আছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
নরসিংদীর বেলাবোতে মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়াড়িদের গ্রেফতার অভিযানে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ছয় পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এসময় পুলিশকে বহনকারী একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়।
এ ঘটনায় বিন্নাবাইদ ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে সিনতাজ মোহাম্মদ সালমানকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছন ডিবি পুলিশ সদস্য আব্দুস সালাম। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রোববার (২৫ মে) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হান্নান। এর আগে শনিবার (২৪ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বেলাবো উপজেলার বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের চর কাশিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা বেলাবো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তারা হলেন ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আবদুস সালাম, শেখ মো. জসিম উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাজিব হাসান, পুলিশ সদস্য শামসুল ইসলাম, মাজেদুল ইসলাম ও মো. হাসমত আলী।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
মামলার আসামিরা হলেন উপজেলার চর কাশিমনগর এলাকার পারভেজ (২৬), বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের রতন চেয়ারম্যানের ছেলে সিনতাজ মোহাম্মদ সালমান (৩২), কাশিমনগরের নিয়ত আলীর ছেলে মো. মজিবুর (৪০), মজিদ মিয়ার ছেলে ডা.আব্দুল জলিল (৪৫), মৃত আ. মালেক মিয়ার ছেলে মো. মোবারক হোসেন (৪২), গোশলাকান্দা এলাকার মৃত দেওয়ান আলীর ছেলে মো. শাহজাহান (৪০), ইকতিয়ার হোসেন (৩৮), ইদ্রিস মেম্বারের ছেলে সেন্টু মিয়া (৪২), চর ছায়েট এলাকার হাবিবুর (৩৮) ও চর কাশিমনগরের হোসেন আলীর ছেলে ইব্রাহিম খলিলসহ (৪৩) ৪০-৫০ জন।
হামলায় আহত ডিবি পুলিশের এসআই ও মামলার বাদী আব্দুস সালাম বলেন, আমরা ওই এলাকায় গিয়ে মাঠের কাছে একটি মসজিদে আমিসহ এসআই জসিম মাগরিবের নামাজ পড়ে বের হই। মসজিদ থেকে বের হওয়া মাত্র পারভেজ নামের একজন এসে জিজ্ঞেস করে আমরা কারা এবং এখানে কেন এসেছি। তখন আমরা আমাদের পরিচয় দেই। পরিচয় দেওয়ামাত্র ‘ডিবি পুলিশ এখানে কেন আসবে’ বলেই চিৎকার করে লোকজন জড়ো করে। পরে তারা হামলা চালায়। মসজিদ থেকে বের হওয়া মুসল্লি ও বেলাবো থানা পুলিশের সহায়তায় আমরা স্থান ত্যাগ করে বেলাবো হাসপাতালে চিকিৎসা নিই।’
নরসিংদী পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান বলেন, আহত পুলিশ সদস্যরা সুস্থ আছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

০২ জুলাই, ২০২৬ ২২:১২
ভোলার লালমোহন পৌরসভায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক দলবদ্ধ হামলায় ইব্রাহিম খলিল নয়ন (২৪) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরও দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ১ টায় লালমোহন পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সেলিম চেয়ারম্যান বাড়ির সামনে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত নয়ন পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সালাউদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সামান্য একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ইব্রাহিম খলিল নয়ন ও তার সঙ্গীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় নয়ন।
এ সময় নয়নকে বাঁচাতে গিয়ে আরও দুইজন গুরুতর জখম হন। আহতরা হলেন—পৌরসভার বাসিন্দা মো. আলী জিন্নাহর ছেলে আরমান এবং আবুল কালাম আজাদের ছেলে আশরাফ। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকে পুলিশি অভিযান চলছে বলে জানা গেছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার লালমোহন পৌরসভায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক দলবদ্ধ হামলায় ইব্রাহিম খলিল নয়ন (২৪) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরও দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ১ টায় লালমোহন পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সেলিম চেয়ারম্যান বাড়ির সামনে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত নয়ন পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সালাউদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সামান্য একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ইব্রাহিম খলিল নয়ন ও তার সঙ্গীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় নয়ন।
এ সময় নয়নকে বাঁচাতে গিয়ে আরও দুইজন গুরুতর জখম হন। আহতরা হলেন—পৌরসভার বাসিন্দা মো. আলী জিন্নাহর ছেলে আরমান এবং আবুল কালাম আজাদের ছেলে আশরাফ। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকে পুলিশি অভিযান চলছে বলে জানা গেছে।
বরিশাল টাইমস

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০১
ভোলার লালমোহনে প্রকাশ্য দিবালোকে মো. নয়ন নামের এক কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১টার সময় লালমোহন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের স্বনির্ভর রোডের মাথায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্রসহ খুনি নিজে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন।
নিহত মো. নয়ন (১৮) লালমোহন পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী সালাউদ্দিনের ছেলে। সে স্থানীয় ডা: আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল।
অন্যদিকে, আত্মসমর্পণকারী ঘাতকের নাম মোঃ মানিক (১৬)। সে উপজেলার লালমোহন সদর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের আলাউদ্দিনের ছেলে এবং লাঙ্গলখালী আব্দুল ওহাব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ দুপুর ১টার দিকে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের স্বনির্ভর রোডের মাথায় নয়নকে একা পেয়ে মানিক আচমকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলেই রক্তক্ষরণ হয়ে নয়নের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পরপরই ঘাতক মানিক নিজেই রক্তমাখা অস্ত্র হাতে লালমোহন থানায় হাজির হয় এবং পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে নিজের অপরাধ স্বীকার করে।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘাতক মানিক বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঠিক কী কারণে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ঘটনার পেছনে কোনো পূর্ব শত্রুতা বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবার এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।’
ভোলার লালমোহনে প্রকাশ্য দিবালোকে মো. নয়ন নামের এক কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১টার সময় লালমোহন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের স্বনির্ভর রোডের মাথায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্রসহ খুনি নিজে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন।
নিহত মো. নয়ন (১৮) লালমোহন পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী সালাউদ্দিনের ছেলে। সে স্থানীয় ডা: আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল।
অন্যদিকে, আত্মসমর্পণকারী ঘাতকের নাম মোঃ মানিক (১৬)। সে উপজেলার লালমোহন সদর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের আলাউদ্দিনের ছেলে এবং লাঙ্গলখালী আব্দুল ওহাব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ দুপুর ১টার দিকে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের স্বনির্ভর রোডের মাথায় নয়নকে একা পেয়ে মানিক আচমকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলেই রক্তক্ষরণ হয়ে নয়নের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পরপরই ঘাতক মানিক নিজেই রক্তমাখা অস্ত্র হাতে লালমোহন থানায় হাজির হয় এবং পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে নিজের অপরাধ স্বীকার করে।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘাতক মানিক বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঠিক কী কারণে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ঘটনার পেছনে কোনো পূর্ব শত্রুতা বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবার এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।’

২৩ জুন, ২০২৬ ২৩:০৪
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা আয়রন ব্রিজ বালুবাহী ট্রাকসহ ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হেলপারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২৩ জুন (মঙ্গলবার) রমাগঞ্জ ইউনিয়নের আজহার রোডের পূর্ব মাথায়, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগকারী ব্রিজে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত চালকের নাম নাঈম (২৩)। তিনি ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা এলাকার বাসিন্দা ফরিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই আয়রন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করছিলেন।
আজ একটি বালুবাহী ট্রাক ব্রিজটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে জরাজীর্ণ ব্রিজটি ওজন সহ্য করতে না পেরে খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে।
ঘটনাস্থলেই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চালক নাঈমের মৃত্যু হয়। ট্রাকে থাকা তার সহকারী (হেলপার) সুমন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিপজ্জনক অবস্থায় থাকলেও তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যার খেসারত দিতে হলো একটি তাজা প্রাণ দিয়ে। তারা অবিলম্বে এখানে একটি নতুন ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা আয়রন ব্রিজ বালুবাহী ট্রাকসহ ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হেলপারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২৩ জুন (মঙ্গলবার) রমাগঞ্জ ইউনিয়নের আজহার রোডের পূর্ব মাথায়, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগকারী ব্রিজে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত চালকের নাম নাঈম (২৩)। তিনি ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা এলাকার বাসিন্দা ফরিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই আয়রন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করছিলেন।
আজ একটি বালুবাহী ট্রাক ব্রিজটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে জরাজীর্ণ ব্রিজটি ওজন সহ্য করতে না পেরে খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে।
ঘটনাস্থলেই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চালক নাঈমের মৃত্যু হয়। ট্রাকে থাকা তার সহকারী (হেলপার) সুমন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিপজ্জনক অবস্থায় থাকলেও তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যার খেসারত দিতে হলো একটি তাজা প্রাণ দিয়ে। তারা অবিলম্বে এখানে একটি নতুন ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.