
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৩
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন পাঠ্যবইয়ের অনলাইন সংস্করণ প্রকাশ করেছে। এতে ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি বলা হয়েছে, ২৭ মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পুনরায় দেন।
নতুন পাঠ্যবইয়ে সপ্তম, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বইয়েও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের ভূমিকা সীমিতভাবে বা অনুপস্থিতভাবে দেখানো হয়েছে। তবে সপ্তম শ্রেণির বইয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের উল্লেখ রয়েছে এবং বঙ্গবন্ধুর ছবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সপ্তম, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বইয়েও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের ভূমিকা সীমিত বা অনুপস্থিত রাখা হয়েছে। তবে সপ্তম শ্রেণির বইয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের উল্লেখ এবং মুজিবুর রহমান ছবি রয়েছে।
ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইটির পাঠ-৯ এর বাংলাদেশ সৃষ্টির পটভূমি ও স্বাধীন বাংলাদেশ অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হয়। পাকিস্তান ছিল দুটি ভিন্ন অঞ্চল নিয়ে গঠিত। ভৌগোলিকভাবে দূর অবস্থিত ভূখণ্ডের পশ্চিম অংশটিকে বলা হতো, পশ্চিম পাকিস্তান আর পূর্ব অংশটিকে বলা হতো পূর্ব পাকিস্তান।
তৎকালীন দুই অংশে বিভক্ত পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতা ছিল, পশ্চিম পাকিস্তানিদের হাতে। তারাও নানাভাবে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে শোষণ করতো। একটা পর্যায়ে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে একত্র হয় পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকরা বুঝতে পারে পূর্ব পাকিস্তানের ওপর তাদের আধিপত্য আর ধরে রাখা সম্ভব নয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আক্রমণ চালিয়ে গণহত্যা শুরু করে। তাদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ।
২৬ মার্চ তারিখে মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর তিনি ২৭শে মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবারও স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ জন্ম নেয় একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র, বাংলাদেশ।’
বইয়ের পাঠ-১০ এর স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুত্থান অধ্যায়ে লেখা হয়েছে, ‘১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চালু হয়। কিন্তু ১৯৭৫ সালে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে শুরু হয় বাকশাল নামক একদলীয় শাসন। ১৯৭৯ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আবার বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন।
১৯৮২ সালে তৎকালীন সেনাবাহিনী-প্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে দেশে স্বৈরশাসন শুরু করেন। এতে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বৃদ্ধি পেতে থাকে। ছাত্রসমাজ, রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষ একজোট হয়ে গণতন্ত্র ফিরে পেতে আন্দোলন শুরু করে। টানা আন্দোলন ও সংগ্রামের পর ১৯৯০ সালে এক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতন হয়। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র আবার যাত্রা শুরু করে।’
এর আগে গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এনসিটিবির ওয়েবসাইটে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব পাঠ্যবই আপলোড করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধানরঞ্জন রায় পোদ্দার অনলাইন সংস্করণ উন্মুক্ত করেন।
বরিশাল টাইমস
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন পাঠ্যবইয়ের অনলাইন সংস্করণ প্রকাশ করেছে। এতে ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি বলা হয়েছে, ২৭ মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পুনরায় দেন।
নতুন পাঠ্যবইয়ে সপ্তম, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বইয়েও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের ভূমিকা সীমিতভাবে বা অনুপস্থিতভাবে দেখানো হয়েছে। তবে সপ্তম শ্রেণির বইয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের উল্লেখ রয়েছে এবং বঙ্গবন্ধুর ছবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সপ্তম, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বইয়েও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের ভূমিকা সীমিত বা অনুপস্থিত রাখা হয়েছে। তবে সপ্তম শ্রেণির বইয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের উল্লেখ এবং মুজিবুর রহমান ছবি রয়েছে।
ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইটির পাঠ-৯ এর বাংলাদেশ সৃষ্টির পটভূমি ও স্বাধীন বাংলাদেশ অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হয়। পাকিস্তান ছিল দুটি ভিন্ন অঞ্চল নিয়ে গঠিত। ভৌগোলিকভাবে দূর অবস্থিত ভূখণ্ডের পশ্চিম অংশটিকে বলা হতো, পশ্চিম পাকিস্তান আর পূর্ব অংশটিকে বলা হতো পূর্ব পাকিস্তান।
তৎকালীন দুই অংশে বিভক্ত পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতা ছিল, পশ্চিম পাকিস্তানিদের হাতে। তারাও নানাভাবে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে শোষণ করতো। একটা পর্যায়ে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে একত্র হয় পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকরা বুঝতে পারে পূর্ব পাকিস্তানের ওপর তাদের আধিপত্য আর ধরে রাখা সম্ভব নয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আক্রমণ চালিয়ে গণহত্যা শুরু করে। তাদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ।
২৬ মার্চ তারিখে মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর তিনি ২৭শে মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবারও স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ জন্ম নেয় একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র, বাংলাদেশ।’
বইয়ের পাঠ-১০ এর স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুত্থান অধ্যায়ে লেখা হয়েছে, ‘১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চালু হয়। কিন্তু ১৯৭৫ সালে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে শুরু হয় বাকশাল নামক একদলীয় শাসন। ১৯৭৯ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আবার বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন।
১৯৮২ সালে তৎকালীন সেনাবাহিনী-প্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে দেশে স্বৈরশাসন শুরু করেন। এতে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বৃদ্ধি পেতে থাকে। ছাত্রসমাজ, রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষ একজোট হয়ে গণতন্ত্র ফিরে পেতে আন্দোলন শুরু করে। টানা আন্দোলন ও সংগ্রামের পর ১৯৯০ সালে এক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতন হয়। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র আবার যাত্রা শুরু করে।’
এর আগে গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এনসিটিবির ওয়েবসাইটে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব পাঠ্যবই আপলোড করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধানরঞ্জন রায় পোদ্দার অনলাইন সংস্করণ উন্মুক্ত করেন।
বরিশাল টাইমস

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের মামলায় রায় ঘোষণার তারিখ আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলমের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আজ এই মামলার যুক্তি তর্কের দিন ধার্য ছিল। কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্যান্য আসামি পলাতক থাকায় সেই সুযোগও পাননি। আদালত আগামী ২ ফেব্রুয়ারি রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।
এদিকে একই আদালতে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ১৮ জনের আরেক মামলায় যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামী ১৮ জানুয়ারি ধার্য করেছেন।
শেখ পরিবার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (অব.) ইঞ্জিনিয়ার সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৬
মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ মঙ্গলবার শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এনবিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি জানায়। এতে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোনের মূল্য ক্রেতা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশক করে আজ প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
এতে মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমেছে। কাস্টমস ডিউটি হাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
এনবিআর জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দুটি জারির ফলে-৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা হ্রাস পাবে। ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ১৫০০ টাকা কমবে।
সরকার কর্তৃক মোবাইল ফোন আমদানি এবং মোবাইল ফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমান শুল্ক হাসের ফলে সকল ধরণের মোবাইল ফোনের মূল্য সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকগণের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজতর হবে মর্মে সরকার আশা করে। মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং বিএনপি নেতা মাসুদ অরুনের পর এবার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীল একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে রোববার (১২ জানুয়ারি) ডা. শফিকুর রহমানকে গানম্যান দেওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে একটি পত্র পাঠানো হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডা. শফিকুর রহমানের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি বা হুমকি বিদ্যমান। এ কারণে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন গানম্যান নিয়োগ এবং বাসভবনে নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পত্র পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের মামলায় রায় ঘোষণার তারিখ আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলমের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আজ এই মামলার যুক্তি তর্কের দিন ধার্য ছিল। কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্যান্য আসামি পলাতক থাকায় সেই সুযোগও পাননি। আদালত আগামী ২ ফেব্রুয়ারি রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।
এদিকে একই আদালতে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ১৮ জনের আরেক মামলায় যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামী ১৮ জানুয়ারি ধার্য করেছেন।
শেখ পরিবার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (অব.) ইঞ্জিনিয়ার সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।
মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ মঙ্গলবার শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এনবিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি জানায়। এতে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোনের মূল্য ক্রেতা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশক করে আজ প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
এতে মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমেছে। কাস্টমস ডিউটি হাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
এনবিআর জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দুটি জারির ফলে-৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা হ্রাস পাবে। ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ১৫০০ টাকা কমবে।
সরকার কর্তৃক মোবাইল ফোন আমদানি এবং মোবাইল ফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমান শুল্ক হাসের ফলে সকল ধরণের মোবাইল ফোনের মূল্য সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকগণের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজতর হবে মর্মে সরকার আশা করে। মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং বিএনপি নেতা মাসুদ অরুনের পর এবার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীল একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে রোববার (১২ জানুয়ারি) ডা. শফিকুর রহমানকে গানম্যান দেওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে একটি পত্র পাঠানো হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডা. শফিকুর রহমানের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি বা হুমকি বিদ্যমান। এ কারণে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন গানম্যান নিয়োগ এবং বাসভবনে নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পত্র পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৯