
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:২৮
বরিশালের ২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে এক সময়কার তরুণ নেতা গোলাম ফারুক অভি প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার একটি জোরালো গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। মডেল ও অভিনয়শিল্পী সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে সাবেক এই সাংসদ ২০০২ সালের শেষের দেশত্যাগ করেছিলেন। তারপরে দীর্ঘ বছর ধরে তিনি কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে আছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আলোচিত হত্যা মামলাটি থেকে খালাস পেয়েছে তিনি।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, তৎসময়ের জনপ্রিয় এমপি অভির দেশে ফিরে নিজ এলাকা উজিরপুর-বানারীপাড়া থেকে সাংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সম্ভবনা প্রবল হয়ে উঠেছে। এনিয়ে এখন পর্যন্ত তার কোনো মন্তব্য না পাওয়া গেলেও বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশেষ করে ভোটারদের মুখে মুখে অভির দেশে ফেরা এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।
বরিশাল ২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চাইছেন সরফুদ্দিন সান্টু, দুলাল হোসেন, রওনাকুল ইসলাম টিপু এবং সাইফ মাহমুদ জুয়েল। পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বীতার ঘোষণা দিয়ে মাঠে আছেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাস্টার আব্দুল মান্নান এবং ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন। নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভব্য প্রার্থীদের তৎপরতার মধ্যে হঠাৎই আলোচনায় আসলেন কানাডায় অবস্থানরত সাবেক এমপি গোলাম ফারুক অভি।
বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, গোলাম ফারুক অভি বিএনপির ছাত্রসংগঠনের নেতা হলেও তিনি ১৯৯৬ সালের ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হন। এবং সংসদীয় এলাকার উন্নয়নে তিনি ব্যাপক কাজ করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০০২ সালের শেষের দিকে মডেল ও অভিনয়শিল্পী সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যাকাণ্ডে আলোচিত এই নেতার নামটি জড়িয়ে যায়। তৎকালীন সময়ে পুলিশ এই হত্যা মামলায় একমাত্র অভিকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেন।
সূত্রগুলো জানায়, আলোচিত এই মামলাটির কারণে সাবেক এমপি অভির রাজনৈতিক ক্যারিয়ার দুর্বিসহ ওঠে এবং তার করান্তরীণ হওয়ার সময় ঘনিয়ে আসে। তখন পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। ২০০৭ সালে ও ২০১৮ সালে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে লাল নোটিস জারি করে। তবে অভি শুরু থেকেই মডেল তিন্নির প্রাণবিয়োগের ঘটনাটিকে আত্মহত্যা দাবি করে আসছিলেন এবং আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে লড়াইও করছিলেন।
সূত্রে জানা গেছে, হাইকোর্টের নির্দেশে অভির এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া প্রায় ৫ বছর স্থগিত থাকার পরে ২০১৫ সালে মামলাটির বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। ২০১৯ সালের ১৯ অগাস্ট মামলাটি রায়ের জন্য ধার্য ছিল। রায়ের তারিখ ৪১ বার পরিবর্তন করার পর ২০২১ সালের ১৫ নভেম্বর আদালত সাক্ষীদের সাক্ষ্য পুনরায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ২০২২ সালে মামলাটির সাক্ষ্য পর্ব আবার নতুন করে শুরু হয়। ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোছা: শাহীনুর আক্তার এই মামলা থেকে গোলাম ফারুক অভিকে খালাস দেন।
হত্যা মামলায় আদালত থেকে রেহাই পাওয়ার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার-প্রকাশ হলেও সাবেক এই এমপিকে কোনোর রূপ মন্তব্য করতে শোনা যায়নি। এবং তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন তাও নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ইতিমধ্যে উজিরপুর-বানারীপাড়ার মানুষের মুখে শোনা যাচ্ছে অভি দেশে ফিরছেন এবং নির্বাচনে অংশ নিবেন।
স্থানীয় অনেকে বলছেন, গোলাম ফারুক অভি দীর্ঘ দুই যুগ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে দেশের বাইরে পালিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। তিন্নি হত্যা মামলায় তিনি খালাসপ্রাপ্ত হওয়ার পরে এলাকায় অনেকের সাথে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। এবং ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নিতেও তার আগ্রহের কথা শোনা যাচ্ছে। জনপ্রিয় এই নেতৃত্ব যদি স্বতন্ত্র হিসেবেও প্রার্থী হন তাহলে প্রতিদ্বন্দ্বিদের ঘাম ঝরতে পারে।
নিশ্চিত হওয়া গেছে, আলোচিত মামলা থেকে অভির দেশে ফেরা এবং উজিরপুর-বানারীপাড়া আসনে তার নির্বাচন অংশ নেওয়ার গুঞ্জনে স্থানীয় বাসিন্দাদের বড় একটি অংশ অধির আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় আছেন। তাদের নেতার সিদ্ধান্ত আসা মাত্রই মাঠে নেমে পড়তে পারেন।
রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন, জনপ্রিয় অভি ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নিলে অনেক হিসেব পাল্টে যাবে। সেক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিদের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলার বিষয়টি অনেকের কাছে চিন্তার হতে পারে। তবে অভি আদৌ দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশ নেবেন কী না সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এই রাজনৈতিক কি সিদ্ধান্ত নেন সেটাই এখন দেখতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।’
বরিশালের ২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে এক সময়কার তরুণ নেতা গোলাম ফারুক অভি প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার একটি জোরালো গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। মডেল ও অভিনয়শিল্পী সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে সাবেক এই সাংসদ ২০০২ সালের শেষের দেশত্যাগ করেছিলেন। তারপরে দীর্ঘ বছর ধরে তিনি কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে আছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আলোচিত হত্যা মামলাটি থেকে খালাস পেয়েছে তিনি।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, তৎসময়ের জনপ্রিয় এমপি অভির দেশে ফিরে নিজ এলাকা উজিরপুর-বানারীপাড়া থেকে সাংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সম্ভবনা প্রবল হয়ে উঠেছে। এনিয়ে এখন পর্যন্ত তার কোনো মন্তব্য না পাওয়া গেলেও বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশেষ করে ভোটারদের মুখে মুখে অভির দেশে ফেরা এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।
বরিশাল ২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চাইছেন সরফুদ্দিন সান্টু, দুলাল হোসেন, রওনাকুল ইসলাম টিপু এবং সাইফ মাহমুদ জুয়েল। পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বীতার ঘোষণা দিয়ে মাঠে আছেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাস্টার আব্দুল মান্নান এবং ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন। নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভব্য প্রার্থীদের তৎপরতার মধ্যে হঠাৎই আলোচনায় আসলেন কানাডায় অবস্থানরত সাবেক এমপি গোলাম ফারুক অভি।
বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, গোলাম ফারুক অভি বিএনপির ছাত্রসংগঠনের নেতা হলেও তিনি ১৯৯৬ সালের ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হন। এবং সংসদীয় এলাকার উন্নয়নে তিনি ব্যাপক কাজ করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০০২ সালের শেষের দিকে মডেল ও অভিনয়শিল্পী সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যাকাণ্ডে আলোচিত এই নেতার নামটি জড়িয়ে যায়। তৎকালীন সময়ে পুলিশ এই হত্যা মামলায় একমাত্র অভিকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেন।
সূত্রগুলো জানায়, আলোচিত এই মামলাটির কারণে সাবেক এমপি অভির রাজনৈতিক ক্যারিয়ার দুর্বিসহ ওঠে এবং তার করান্তরীণ হওয়ার সময় ঘনিয়ে আসে। তখন পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। ২০০৭ সালে ও ২০১৮ সালে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে লাল নোটিস জারি করে। তবে অভি শুরু থেকেই মডেল তিন্নির প্রাণবিয়োগের ঘটনাটিকে আত্মহত্যা দাবি করে আসছিলেন এবং আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে লড়াইও করছিলেন।
সূত্রে জানা গেছে, হাইকোর্টের নির্দেশে অভির এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া প্রায় ৫ বছর স্থগিত থাকার পরে ২০১৫ সালে মামলাটির বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। ২০১৯ সালের ১৯ অগাস্ট মামলাটি রায়ের জন্য ধার্য ছিল। রায়ের তারিখ ৪১ বার পরিবর্তন করার পর ২০২১ সালের ১৫ নভেম্বর আদালত সাক্ষীদের সাক্ষ্য পুনরায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ২০২২ সালে মামলাটির সাক্ষ্য পর্ব আবার নতুন করে শুরু হয়। ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোছা: শাহীনুর আক্তার এই মামলা থেকে গোলাম ফারুক অভিকে খালাস দেন।
হত্যা মামলায় আদালত থেকে রেহাই পাওয়ার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার-প্রকাশ হলেও সাবেক এই এমপিকে কোনোর রূপ মন্তব্য করতে শোনা যায়নি। এবং তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন তাও নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ইতিমধ্যে উজিরপুর-বানারীপাড়ার মানুষের মুখে শোনা যাচ্ছে অভি দেশে ফিরছেন এবং নির্বাচনে অংশ নিবেন।
স্থানীয় অনেকে বলছেন, গোলাম ফারুক অভি দীর্ঘ দুই যুগ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে দেশের বাইরে পালিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। তিন্নি হত্যা মামলায় তিনি খালাসপ্রাপ্ত হওয়ার পরে এলাকায় অনেকের সাথে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। এবং ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নিতেও তার আগ্রহের কথা শোনা যাচ্ছে। জনপ্রিয় এই নেতৃত্ব যদি স্বতন্ত্র হিসেবেও প্রার্থী হন তাহলে প্রতিদ্বন্দ্বিদের ঘাম ঝরতে পারে।
নিশ্চিত হওয়া গেছে, আলোচিত মামলা থেকে অভির দেশে ফেরা এবং উজিরপুর-বানারীপাড়া আসনে তার নির্বাচন অংশ নেওয়ার গুঞ্জনে স্থানীয় বাসিন্দাদের বড় একটি অংশ অধির আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় আছেন। তাদের নেতার সিদ্ধান্ত আসা মাত্রই মাঠে নেমে পড়তে পারেন।
রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন, জনপ্রিয় অভি ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নিলে অনেক হিসেব পাল্টে যাবে। সেক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিদের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলার বিষয়টি অনেকের কাছে চিন্তার হতে পারে। তবে অভি আদৌ দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশ নেবেন কী না সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এই রাজনৈতিক কি সিদ্ধান্ত নেন সেটাই এখন দেখতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।’

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।