Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৩৮
পটুয়াখালীর সাগরকন্যা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আবারও ভেসে এলো প্রায় ৪০ কেজি ওজনের একটি মৃত অলিভ রিডলি প্রজাতির মা কচ্ছপ।
সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিকভাবে সামুদ্রিক প্রাণীর মৃত্যু উপকূলীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে কাউয়ারচর ঝাউবন সূর্যোদয় পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় জোয়ারের পানির সঙ্গে কচ্ছপটি ভেসে আসে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সদস্য আ. জলিল প্রথম কচ্ছপটি দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্যদের জানান। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে স্থানীয়দের ভিড় জমে।
পরিবেশ সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের ঘটনা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অশনিসংকেত। দূষণ, অবৈধ জাল ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এ ধরনের মৃত্যুর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের উপ-যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু আহমেদ বলেন, বারবার সামুদ্রিক প্রাণীর এভাবে মৃত্যু অত্যন্ত উদ্বেগজনক। উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় এখনই কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কচ্ছপটির মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে তদন্ত চলছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানো হবে।
পরে ডলফিন রক্ষা কমিটি, বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা যৌথভাবে মৃত কচ্ছপটিকে মাটি চাপা দেন। পরিবেশবিদদের মতে, সামুদ্রিক প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।
পটুয়াখালীর সাগরকন্যা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আবারও ভেসে এলো প্রায় ৪০ কেজি ওজনের একটি মৃত অলিভ রিডলি প্রজাতির মা কচ্ছপ।
সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিকভাবে সামুদ্রিক প্রাণীর মৃত্যু উপকূলীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে কাউয়ারচর ঝাউবন সূর্যোদয় পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় জোয়ারের পানির সঙ্গে কচ্ছপটি ভেসে আসে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সদস্য আ. জলিল প্রথম কচ্ছপটি দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্যদের জানান। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে স্থানীয়দের ভিড় জমে।
পরিবেশ সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের ঘটনা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অশনিসংকেত। দূষণ, অবৈধ জাল ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এ ধরনের মৃত্যুর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের উপ-যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু আহমেদ বলেন, বারবার সামুদ্রিক প্রাণীর এভাবে মৃত্যু অত্যন্ত উদ্বেগজনক। উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় এখনই কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কচ্ছপটির মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে তদন্ত চলছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানো হবে।
পরে ডলফিন রক্ষা কমিটি, বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা যৌথভাবে মৃত কচ্ছপটিকে মাটি চাপা দেন। পরিবেশবিদদের মতে, সামুদ্রিক প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:২১

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৪
পটুয়াখালীর দুমকি-বাউফল সড়কে বেপরোয়া মালবাহী পিকআপের চাপায় মোঃ হারুন অর রশীদ খান (৭০) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় মজিবুর রহমান (৪০) নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে দুমকি উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে সড়কের পাশে হাঁটার সময় পেছন থেকে দ্রুতগতির একটি পিকআপ হারুন অর রশীদ খানকে চাপা দেয়। এ সময় পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় পিকআপের সামনের আসনে থাকা মজিবুর রহমান গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
নিহত হারুন অর রশীদ খান একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার ছিলেন। তার বাড়ি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের চরবয়েড়া গ্রামে। তিনি দুমকি উপজেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ডলি আক্তারের স্বামী। আহত মজিবুর রহমান একজন গার্মেন্টসকর্মী। তিনি ঢাকা থেকে মালামাল নিয়ে বাউফল উপজেলার নওয়ালা গ্রামের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর পিকআপের চালক পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সেলিম উদ্দিন জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পিকআপটি জব্দ করা হয়েছে এবং পলাতক চালককে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৩
পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন চর চাপলী এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৈকত খান (২৫) নামের এক যুবকের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো নিজ মহিষ চরাতে সাগরপাড়ে যান সৈকত।
এ সময় সেখানে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে লিপ্ত ছিল স্থানীয় মাদক কারবারি নয়ন, সৈকত তাকে মাদক সেবন থেকে বিরত থাকতে বললে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে নয়ন।
অভিযোগ রয়েছে, এর জেরে নয়ন তার পিতা কবির (৪৫) ও সহযোগীদের নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সৈকতের ওপর হামলা চালায়। হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় সৈকতকে উদ্ধার করে প্রথমে মহিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কলাপাড়া সরকারি হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানেও অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।
বর্তমানে তার অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রকাশ্যে মাদক সেবন এবং এর প্রতিবাদ করায় এমন নির্মম হামলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহব্বত খান জানান, এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার থানায় ফোনে যোগাযোগ করেছে। তাদের থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর বাউফলে এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র আটকিয়ে রেখে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২১ এপ্রিল এসএসসি,দাখিল ও সমমান পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। বাউফল উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ করা হচ্ছে। অধিকাংশ বিদ্যালয়ে ফরম পূরণের সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি নেওয়া হয়েছে। এখন আবার কেন্দ্র ফি নামে প্রবেশপত্র আটকে রেখে আরেক দফা অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালিশুরী এসএ ইনষ্টিটিউশন, নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বগা ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাছিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নাজিরপুর ছোট ডালিমা আবদুস ছালাম মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ধানদি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর নিশিকান্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কেশবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ভরিপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়,সাবুপুরা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চরআলমী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, ফরম পূরণের সময় কেন্দ্র ফিসহ নানান কথা বলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে। এখন আবার কেন্দ্রফির কথা বলে প্রত্যেক শিক্ষাথীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। টাকা না দিলে প্রবেশপত্র আটকে রাখা হচ্ছে। এমনকি পরীক্ষার হলে আতংক সৃষ্টি করা সহ শিক্ষার্থীদের নানান ভয় দেখানো হচ্ছে।
একাধিক অভিভাবক বলেন, অর্থের লোভে শিক্ষকরা সম্মান আর মর্যাদা হারাচ্ছেন। একসময় বিনা বেতনে শিক্ষকতা পেশা বেছে নিতেন শিক্ষানুরাগীরা। নিরক্ষতা দূর করে স্বেচ্ছায় মানুষকে শিক্ষিত করতেন তারা। তখন শিক্ষকদের মর্যাদা ছিল অনেক। আর এখন শিক্ষকদের মাথায় কোচিং কিংবা প্রাইভেট বাণিজ্য এবং পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের ভূত চেপে বসেছে। গুটি কয়েক শিক্ষকের অর্থ লিপ্সার কারণে গোটা শিক্ষক সমাজের সম্মান নষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
টাকা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে কালিশুরী এসএ ইনস্টিটিউশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলী বলেন, আমরা কেন্দ্র ফিসহ বিগত দিনের পাওনা আদায় করছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেএম নাসির উদ্দিন বলেন, আমিতো এখন পর্যন্ত প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু করিনি।
নাজিরপুর ছোট ডালিমা আবদুস ছালাম মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোসা. মরিয়ম বেগম টাকা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বোর্ডের নির্দেশ আছে কেন্দ্র ফি নেওয়ার। আমরা কেন্দ্র ফি বাবদ টাকা আদায় করছি।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আকরাম হোসাইন খান বলেন, এই মুহুর্তে প্রবেশপত্র আটকে রেখে টাকা আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীরা সব ধরনের ফি পরিশোধ করে ফরম পূরণ করেছে। যেসব প্রতিষ্ঠান টাকা আদায় করছে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র আটকিয়ে রেখে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২১ এপ্রিল এসএসসি,দাখিল ও সমমান পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। বাউফল উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ করা হচ্ছে। অধিকাংশ বিদ্যালয়ে ফরম পূরণের সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি নেওয়া হয়েছে। এখন আবার কেন্দ্র ফি নামে প্রবেশপত্র আটকে রেখে আরেক দফা অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালিশুরী এসএ ইনষ্টিটিউশন, নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বগা ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাছিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নাজিরপুর ছোট ডালিমা আবদুস ছালাম মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ধানদি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর নিশিকান্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কেশবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ভরিপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়,সাবুপুরা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চরআলমী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, ফরম পূরণের সময় কেন্দ্র ফিসহ নানান কথা বলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে। এখন আবার কেন্দ্রফির কথা বলে প্রত্যেক শিক্ষাথীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। টাকা না দিলে প্রবেশপত্র আটকে রাখা হচ্ছে। এমনকি পরীক্ষার হলে আতংক সৃষ্টি করা সহ শিক্ষার্থীদের নানান ভয় দেখানো হচ্ছে।
একাধিক অভিভাবক বলেন, অর্থের লোভে শিক্ষকরা সম্মান আর মর্যাদা হারাচ্ছেন। একসময় বিনা বেতনে শিক্ষকতা পেশা বেছে নিতেন শিক্ষানুরাগীরা। নিরক্ষতা দূর করে স্বেচ্ছায় মানুষকে শিক্ষিত করতেন তারা। তখন শিক্ষকদের মর্যাদা ছিল অনেক। আর এখন শিক্ষকদের মাথায় কোচিং কিংবা প্রাইভেট বাণিজ্য এবং পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের ভূত চেপে বসেছে। গুটি কয়েক শিক্ষকের অর্থ লিপ্সার কারণে গোটা শিক্ষক সমাজের সম্মান নষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
টাকা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে কালিশুরী এসএ ইনস্টিটিউশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলী বলেন, আমরা কেন্দ্র ফিসহ বিগত দিনের পাওনা আদায় করছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে নওমালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেএম নাসির উদ্দিন বলেন, আমিতো এখন পর্যন্ত প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু করিনি।
নাজিরপুর ছোট ডালিমা আবদুস ছালাম মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোসা. মরিয়ম বেগম টাকা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বোর্ডের নির্দেশ আছে কেন্দ্র ফি নেওয়ার। আমরা কেন্দ্র ফি বাবদ টাকা আদায় করছি।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আকরাম হোসাইন খান বলেন, এই মুহুর্তে প্রবেশপত্র আটকে রেখে টাকা আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীরা সব ধরনের ফি পরিশোধ করে ফরম পূরণ করেছে। যেসব প্রতিষ্ঠান টাকা আদায় করছে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দুমকি-বাউফল সড়কে বেপরোয়া মালবাহী পিকআপের চাপায় মোঃ হারুন অর রশীদ খান (৭০) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় মজিবুর রহমান (৪০) নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে দুমকি উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে সড়কের পাশে হাঁটার সময় পেছন থেকে দ্রুতগতির একটি পিকআপ হারুন অর রশীদ খানকে চাপা দেয়। এ সময় পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় পিকআপের সামনের আসনে থাকা মজিবুর রহমান গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
নিহত হারুন অর রশীদ খান একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার ছিলেন। তার বাড়ি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের চরবয়েড়া গ্রামে। তিনি দুমকি উপজেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ডলি আক্তারের স্বামী। আহত মজিবুর রহমান একজন গার্মেন্টসকর্মী। তিনি ঢাকা থেকে মালামাল নিয়ে বাউফল উপজেলার নওয়ালা গ্রামের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর পিকআপের চালক পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সেলিম উদ্দিন জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পিকআপটি জব্দ করা হয়েছে এবং পলাতক চালককে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন চর চাপলী এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৈকত খান (২৫) নামের এক যুবকের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো নিজ মহিষ চরাতে সাগরপাড়ে যান সৈকত।
এ সময় সেখানে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে লিপ্ত ছিল স্থানীয় মাদক কারবারি নয়ন, সৈকত তাকে মাদক সেবন থেকে বিরত থাকতে বললে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে নয়ন।
অভিযোগ রয়েছে, এর জেরে নয়ন তার পিতা কবির (৪৫) ও সহযোগীদের নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সৈকতের ওপর হামলা চালায়। হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় সৈকতকে উদ্ধার করে প্রথমে মহিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কলাপাড়া সরকারি হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানেও অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।
বর্তমানে তার অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রকাশ্যে মাদক সেবন এবং এর প্রতিবাদ করায় এমন নির্মম হামলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহব্বত খান জানান, এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার থানায় ফোনে যোগাযোগ করেছে। তাদের থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:৫৬
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:২১
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৩৩
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১৩