Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ নভেম্বর, ২০২৫ ২২:৪০
পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, সবজি সহ নানা নিত্যপণ্যের অগ্নিমূল্যে বরিশালের সাধারণ মানুষের সংসার যেন আর চলছেই না। মাসের বাজেট এখন ফুরিয়ে যাচ্ছে ২০ দিনের মধ্যেই। সর্বত্রই নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি চরম অস্বস্তি সৃষ্টি করছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের হতাশা ক্রমশ ক্ষোভে পরিণত হচ্ছে।
খাদ্য বিভাগ থেকে প্রতিদিন ৩০ টাকা কেজি দরে ৫৬ টন চাল ও ২৪ টাকা দরে ৯২ টন আটা বিক্রির পরেও গত মাসে চালের বাজারে ঊর্ধ্বগতি আটকানো গেলেও আটার দাম ফের বাড়ছে। ফলে খাদ্যপণ্য নিয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কোনো শেষ নেই।
এবারের পুরো বর্ষা মৌসুম জুড়েই স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি বৃষ্টিপাত সবজির বাগানকে বারবারই বিপর্যস্ত করায় বাজারে এর বিরূপ প্রভাব লক্ষ্যণীয়। গত মাসেই বরিশালে স্বাভাবিকের ৪৭২% বেশি বৃষ্টি হয়েছে বলে আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, যা একটি রেকর্ড। এমনকি স্বাভাবিক ১৭ দিনের স্থলে অক্টোবর মাসে বরিশালে ২৪ দিন বৃষ্টি ঝরেছে।
এই রেকর্ড বৃষ্টির ফলে বরিশালের সবজির বাজারে চরম বিরূপ প্রভাব পড়েছে। আগাম শীতকালীন সবজির বেশিরভাগই নষ্ট হয়েছে। প্রায় ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে বছরে প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ টন সবজি উৎপাদন হয়ে থাকে। কিন্তু গত মাসখানেক ধরে বরিশালের বাজারে ৮০ টাকা কেজির নিচে কোনো সবজি মিলছে না। বাজারে আসা নতুন অপরিপক্ব কোনো কোনো সবজির কেজি ১২০ টাকা। ফলে একটি ছোট পরিবারের এখন ডাল-ভাত আর সবজি দিয়ে তিনবেলা খাবার জোগাড়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
দীর্ঘদিন পর বরিশালের বাজারে পেঁয়াজ আবার সেঞ্চুরি হাকিয়ে এখন ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বিগত রবি মৌসুমে দেশে প্রায় ৪২ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হওয়ায় বাজারে এর কোনো ঘাটতি নেই। পুরো বছর জুড়েই দেশি পেঁয়াজে চাহিদা মিটলেও কৃষকের কাছ থেকে ১৫ টাকা কেজিতে কেনা পেঁয়াজ এতদিন ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রির পর একলাফে তা দ্বিগুণেরও ওপরে উঠে গেছে। কিন্তু দেখার কেউ নেই।
সবজির বাজারে আগুনের কারণে এতদিন সাধারণ মানুষ ২০ টাকা কেজির আলু দিয়ে চাহিদা মেটালেও গত এক সপ্তাহে সেখানেও দুঃসংবাদ। আলুর দামও একলাফে ২৫% বেড়ে এখন ২৫ টাকা কেজি। কিন্তু কী কারণে পেঁয়াজ ও আলুর দাম বাড়ল, তার কোনো জবাব নেই বরিশালের পাইকারি বাজারের আড়তদারদের কাছে। ‘বাজার মনিটরিং’ নামে প্রশাসনের কোনো তৎপরতাও নেই দীর্ঘদিন।
অপরদিকে খোলা বাজারে মসুর ডালের কেজি এখন ১৬০ টাকা। এতদিন গরুর খাবার হিসেবে বিবেচিত খেসারির ডালের কেজিও এখন ১২৫ টাকা। ডিমের হালি ৪৮ টাকায় ওঠার পর আর নামার কোনো লক্ষণ নেই। বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটার এখন ১৯০ টাকা। ভারতীয় নিম্নমানের আদার কেজি ১৩০ টাকা, চীনা আদা ১৬০ টাকা কেজি। গরুর গোশতও পাউন্ডে ৮০০ টাকা ছুঁয়েছে।
ইলিশের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়লেও দাম এখনো কমেনি। তবে এ নিষেধাজ্ঞার পরে বাজারে নদীর পাঙ্গাসের আমদানি যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে তা সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে। ইলিশের কেজি এখনো সাইজভেদে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা কেজি।
এদিকে ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রায় বছর জুড়েই বরিশাল খাদ্য অঞ্চলের সিটি করপোরেশন, জেলা ও উপজেলা সদরগুলোতে প্রায় ১৩০ জন ডিলারের মাধ্যমে প্রতিদিন ৫৬ টন চাল ও ৯২ টন আটা বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ৩০ জন ছাড়াও জেলা সদরে ৫ জন করে এবং ৩৬টি উপজেলা সদরে ৭২ জন ডিলার এসব চাল ও আটা বিক্রি করছেন।
গত অর্থবছরে এ অঞ্চলে ১০ হাজার ৩০৬ টন চাল ও প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার টন আটা যথাক্রমে ৩০ টাকা ও ২৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের গত ২০ অক্টোবর পর্যন্ত আরও প্রায় ৫ হাজার টন আটা ও ৪,২৪৭ টন চাল বিক্রি করা হয়েছে বলে খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
তবে চালের বাজারে গত মাসে কিছুটা নিম্নমুখী প্রভাব লক্ষ্য করা গেলেও গত সপ্তাহে আটার দাম আবার বেড়েছে। বরিশালের বাজারে এখন খোলা আটা ৫০ টাকা এবং এক কেজির প্যাকেট আটা ৬৫ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। বুধবার বরিশাল মহানগরীসহ এ অঞ্চলের অন্যান্য কিছু বাজারে খোঁজ নিয়ে ক্রেতাদের নিঃশ্বাসের খবরই মিলেছে। নারী-পুরুষ অনেক ক্রেতাই হতাশার সঙ্গে ক্ষোভের কথাও বলেছেন।
পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, সবজি সহ নানা নিত্যপণ্যের অগ্নিমূল্যে বরিশালের সাধারণ মানুষের সংসার যেন আর চলছেই না। মাসের বাজেট এখন ফুরিয়ে যাচ্ছে ২০ দিনের মধ্যেই। সর্বত্রই নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি চরম অস্বস্তি সৃষ্টি করছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের হতাশা ক্রমশ ক্ষোভে পরিণত হচ্ছে।
খাদ্য বিভাগ থেকে প্রতিদিন ৩০ টাকা কেজি দরে ৫৬ টন চাল ও ২৪ টাকা দরে ৯২ টন আটা বিক্রির পরেও গত মাসে চালের বাজারে ঊর্ধ্বগতি আটকানো গেলেও আটার দাম ফের বাড়ছে। ফলে খাদ্যপণ্য নিয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কোনো শেষ নেই।
এবারের পুরো বর্ষা মৌসুম জুড়েই স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি বৃষ্টিপাত সবজির বাগানকে বারবারই বিপর্যস্ত করায় বাজারে এর বিরূপ প্রভাব লক্ষ্যণীয়। গত মাসেই বরিশালে স্বাভাবিকের ৪৭২% বেশি বৃষ্টি হয়েছে বলে আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, যা একটি রেকর্ড। এমনকি স্বাভাবিক ১৭ দিনের স্থলে অক্টোবর মাসে বরিশালে ২৪ দিন বৃষ্টি ঝরেছে।
এই রেকর্ড বৃষ্টির ফলে বরিশালের সবজির বাজারে চরম বিরূপ প্রভাব পড়েছে। আগাম শীতকালীন সবজির বেশিরভাগই নষ্ট হয়েছে। প্রায় ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে বছরে প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ টন সবজি উৎপাদন হয়ে থাকে। কিন্তু গত মাসখানেক ধরে বরিশালের বাজারে ৮০ টাকা কেজির নিচে কোনো সবজি মিলছে না। বাজারে আসা নতুন অপরিপক্ব কোনো কোনো সবজির কেজি ১২০ টাকা। ফলে একটি ছোট পরিবারের এখন ডাল-ভাত আর সবজি দিয়ে তিনবেলা খাবার জোগাড়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
দীর্ঘদিন পর বরিশালের বাজারে পেঁয়াজ আবার সেঞ্চুরি হাকিয়ে এখন ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বিগত রবি মৌসুমে দেশে প্রায় ৪২ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হওয়ায় বাজারে এর কোনো ঘাটতি নেই। পুরো বছর জুড়েই দেশি পেঁয়াজে চাহিদা মিটলেও কৃষকের কাছ থেকে ১৫ টাকা কেজিতে কেনা পেঁয়াজ এতদিন ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রির পর একলাফে তা দ্বিগুণেরও ওপরে উঠে গেছে। কিন্তু দেখার কেউ নেই।
সবজির বাজারে আগুনের কারণে এতদিন সাধারণ মানুষ ২০ টাকা কেজির আলু দিয়ে চাহিদা মেটালেও গত এক সপ্তাহে সেখানেও দুঃসংবাদ। আলুর দামও একলাফে ২৫% বেড়ে এখন ২৫ টাকা কেজি। কিন্তু কী কারণে পেঁয়াজ ও আলুর দাম বাড়ল, তার কোনো জবাব নেই বরিশালের পাইকারি বাজারের আড়তদারদের কাছে। ‘বাজার মনিটরিং’ নামে প্রশাসনের কোনো তৎপরতাও নেই দীর্ঘদিন।
অপরদিকে খোলা বাজারে মসুর ডালের কেজি এখন ১৬০ টাকা। এতদিন গরুর খাবার হিসেবে বিবেচিত খেসারির ডালের কেজিও এখন ১২৫ টাকা। ডিমের হালি ৪৮ টাকায় ওঠার পর আর নামার কোনো লক্ষণ নেই। বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটার এখন ১৯০ টাকা। ভারতীয় নিম্নমানের আদার কেজি ১৩০ টাকা, চীনা আদা ১৬০ টাকা কেজি। গরুর গোশতও পাউন্ডে ৮০০ টাকা ছুঁয়েছে।
ইলিশের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়লেও দাম এখনো কমেনি। তবে এ নিষেধাজ্ঞার পরে বাজারে নদীর পাঙ্গাসের আমদানি যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে তা সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে। ইলিশের কেজি এখনো সাইজভেদে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা কেজি।
এদিকে ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রায় বছর জুড়েই বরিশাল খাদ্য অঞ্চলের সিটি করপোরেশন, জেলা ও উপজেলা সদরগুলোতে প্রায় ১৩০ জন ডিলারের মাধ্যমে প্রতিদিন ৫৬ টন চাল ও ৯২ টন আটা বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ৩০ জন ছাড়াও জেলা সদরে ৫ জন করে এবং ৩৬টি উপজেলা সদরে ৭২ জন ডিলার এসব চাল ও আটা বিক্রি করছেন।
গত অর্থবছরে এ অঞ্চলে ১০ হাজার ৩০৬ টন চাল ও প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার টন আটা যথাক্রমে ৩০ টাকা ও ২৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের গত ২০ অক্টোবর পর্যন্ত আরও প্রায় ৫ হাজার টন আটা ও ৪,২৪৭ টন চাল বিক্রি করা হয়েছে বলে খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
তবে চালের বাজারে গত মাসে কিছুটা নিম্নমুখী প্রভাব লক্ষ্য করা গেলেও গত সপ্তাহে আটার দাম আবার বেড়েছে। বরিশালের বাজারে এখন খোলা আটা ৫০ টাকা এবং এক কেজির প্যাকেট আটা ৬৫ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। বুধবার বরিশাল মহানগরীসহ এ অঞ্চলের অন্যান্য কিছু বাজারে খোঁজ নিয়ে ক্রেতাদের নিঃশ্বাসের খবরই মিলেছে। নারী-পুরুষ অনেক ক্রেতাই হতাশার সঙ্গে ক্ষোভের কথাও বলেছেন।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৭
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে এক স্থানীয় ডিলারকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে আলম কমিশনার বাড়িতে পরিচালিত এক অভিযানে স্থানীয় ডিলার মোঃ শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), বরিশাল জেলা’র গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় জেলা এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার নিজ বাড়িতে মজুদ করে রাখেন।
পরবর্তীতে এসব সিলিন্ডার তিনি উপজেলা সদরের বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন তার দোকান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনএসআই সদস্যদের দীর্ঘদিনের নজরদারিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আরোপ করে।
পাশাপাশি মজুদকৃত সিলিন্ডার দ্রুত সরবরাহ এবং অনুমতিপত্র অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে এক স্থানীয় ডিলারকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে আলম কমিশনার বাড়িতে পরিচালিত এক অভিযানে স্থানীয় ডিলার মোঃ শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), বরিশাল জেলা’র গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় জেলা এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার নিজ বাড়িতে মজুদ করে রাখেন।
পরবর্তীতে এসব সিলিন্ডার তিনি উপজেলা সদরের বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন তার দোকান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনএসআই সদস্যদের দীর্ঘদিনের নজরদারিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আরোপ করে।
পাশাপাশি মজুদকৃত সিলিন্ডার দ্রুত সরবরাহ এবং অনুমতিপত্র অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।