Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৬
মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ মঙ্গলবার শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এনবিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি জানায়। এতে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোনের মূল্য ক্রেতা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশক করে আজ প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
এতে মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমেছে। কাস্টমস ডিউটি হাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
এনবিআর জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দুটি জারির ফলে-৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা হ্রাস পাবে। ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ১৫০০ টাকা কমবে।
সরকার কর্তৃক মোবাইল ফোন আমদানি এবং মোবাইল ফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমান শুল্ক হাসের ফলে সকল ধরণের মোবাইল ফোনের মূল্য সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকগণের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজতর হবে মর্মে সরকার আশা করে। মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ মঙ্গলবার শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এনবিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি জানায়। এতে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোনের মূল্য ক্রেতা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশক করে আজ প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
এতে মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমেছে। কাস্টমস ডিউটি হাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
এনবিআর জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দুটি জারির ফলে-৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা হ্রাস পাবে। ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ১৫০০ টাকা কমবে।
সরকার কর্তৃক মোবাইল ফোন আমদানি এবং মোবাইল ফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমান শুল্ক হাসের ফলে সকল ধরণের মোবাইল ফোনের মূল্য সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকগণের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজতর হবে মর্মে সরকার আশা করে। মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ২৩:১১
সদ্যসাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে বিএফআইইউর পক্ষ থেকে দেশের ৫৬টি তফসিলি ব্যাংক ও অন্যান্য নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এ তলবনামা পাঠানো হয়।
ব্যাংকগুলোতে পাঠানো চিঠিতে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের সব তথ্য নথিভুক্ত করে বিএফআইইউতে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ছিলেন আসিফ মাহমুদ। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে আলোচনায় আসেন। জুলাই অভ্যুত্থানে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দেওয়া সমন্বয়কদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পান আসিফ। পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয় তাকে।
উপদেষ্টা থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিলাসী জীবনযাপনের অভিযোগে একাধিকবার সমালোচনার জন্ম দেন আসিফ মাহমুদ। কুমিল্লার মুরাদনগরের সন্তান আসিফ নিজ এলাকা থেকে নির্বাচন করতে উপদেষ্টার ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ওই এলাকায় বারবার আন্দোলন-বিক্ষোভও হয়েছে।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩৬
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ–এ গিয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
এর আগে দুপুর ২টা ৩৬ মিনিটে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক নম্বর ভবনে প্রবেশ করতে দেখা যায় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও হাফিজ আহ্সান ফরিদ–কে। প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে তারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে যান।
পদত্যাগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী বলেন, কোনো চাপের কারণে নয়; নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পদত্যাগ করেছেন।
২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাঁচ বছরের জন্য তিনি এ দায়িত্ব পান। এর আগে ড. মোমেন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
ওই একই প্রজ্ঞাপনে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহসান ফরিদ। এর মধ্যে আলী আকবার আজিজী যোগদান করেন ওই বছর ১১ ডিসেম্বর। হাফিজ আহসান ফরিদ যোগদান করেন ১৫ ডিসেম্বর।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৪৮
সদ্যসাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে বিএফআইইউর পক্ষ থেকে দেশের ৫৬টি তফসিলি ব্যাংক ও অন্যান্য নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এ তলবনামা পাঠানো হয়।
ব্যাংকগুলোতে পাঠানো চিঠিতে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের সব তথ্য নথিভুক্ত করে বিএফআইইউতে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ছিলেন আসিফ মাহমুদ। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে আলোচনায় আসেন। জুলাই অভ্যুত্থানে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দেওয়া সমন্বয়কদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পান আসিফ। পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয় তাকে।
উপদেষ্টা থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিলাসী জীবনযাপনের অভিযোগে একাধিকবার সমালোচনার জন্ম দেন আসিফ মাহমুদ। কুমিল্লার মুরাদনগরের সন্তান আসিফ নিজ এলাকা থেকে নির্বাচন করতে উপদেষ্টার ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ওই এলাকায় বারবার আন্দোলন-বিক্ষোভও হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ–এ গিয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
এর আগে দুপুর ২টা ৩৬ মিনিটে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক নম্বর ভবনে প্রবেশ করতে দেখা যায় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও হাফিজ আহ্সান ফরিদ–কে। প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে তারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে যান।
পদত্যাগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী বলেন, কোনো চাপের কারণে নয়; নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পদত্যাগ করেছেন।
২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাঁচ বছরের জন্য তিনি এ দায়িত্ব পান। এর আগে ড. মোমেন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
ওই একই প্রজ্ঞাপনে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহসান ফরিদ। এর মধ্যে আলী আকবার আজিজী যোগদান করেন ওই বছর ১১ ডিসেম্বর। হাফিজ আহসান ফরিদ যোগদান করেন ১৫ ডিসেম্বর।
বিদায়ি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর ফলে দায়িত্ব পরবর্তী সময়েও তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকবেন।
তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব (বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত) মো. সাইফুল্লা পান্নার সই করা প্রজ্ঞাপনটি গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। তবে সেটি জনসম্মুখে প্রকাশ পায় সম্প্রতি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করতে গিয়ে অসততার আশ্রয় নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
ড. ইউনূস যে অধ্যাদেশটি অতি গোপনীয়তার সঙ্গে করেছেন, তা ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর এস আরও নং ২৮৫ সংশোধন করে করা। ওই আদেশে বলা হয়েছিল, ‘রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে স্ব স্ব পদে কর্মবসানের তারিখ হইতে এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতাকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ তিন মাস অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করিল।
’
বিদায়ি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই আদেশের আলোকে শুধু তার নিজের জন্য নিজেকে এক বছরের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসাবে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু বাকিদের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করেননি।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ব্যক্তির জন্য আইন পরিবর্তন বা প্রণয়ন করা যায় না। ১০ ফেব্রুয়ারি অতি গোপনীয়ভাবে জারি করা অধ্যাদেশটি একদিকে যেমন সংবিধানের মৌলিক নীতির লঙ্ঘন, ঠিক তেমনই এটি ড. ইউনূসের স্বার্থপরতার একটি উদাহরণ।
তারা বলছেন, তিনি (ড. ইউনূস) যদি বিদায়ি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং আগের আইনে বর্ণিত সবার জন্য সময় বাড়াতেন, তা হলেও এর যৌক্তিকতা কিছুটা হলেও বোঝা যেত। কিন্তু শুধু নিজেকে আগামী এক বছরের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা, কেবল অনৈতিক নয়, সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নিজেকে শুধু ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেননি ড. ইউনূস। অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন তিনি। নিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করিয়েছেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে।
সুদ মওকুফ করেছেন নিজের সব প্রতিষ্ঠানের। ক্ষমতায় বসে নিজের নামে নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়, রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স। বিদায়ের আগেও নিজের জন্য রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিতে ভোলেননি ড. ইউনূস।
বিদায়ি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর ফলে দায়িত্ব পরবর্তী সময়েও তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকবেন।
তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব (বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত) মো. সাইফুল্লা পান্নার সই করা প্রজ্ঞাপনটি গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। তবে সেটি জনসম্মুখে প্রকাশ পায় সম্প্রতি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করতে গিয়ে অসততার আশ্রয় নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
ড. ইউনূস যে অধ্যাদেশটি অতি গোপনীয়তার সঙ্গে করেছেন, তা ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর এস আরও নং ২৮৫ সংশোধন করে করা। ওই আদেশে বলা হয়েছিল, ‘রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে স্ব স্ব পদে কর্মবসানের তারিখ হইতে এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতাকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ তিন মাস অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করিল।
’
বিদায়ি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই আদেশের আলোকে শুধু তার নিজের জন্য নিজেকে এক বছরের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসাবে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু বাকিদের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করেননি।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ব্যক্তির জন্য আইন পরিবর্তন বা প্রণয়ন করা যায় না। ১০ ফেব্রুয়ারি অতি গোপনীয়ভাবে জারি করা অধ্যাদেশটি একদিকে যেমন সংবিধানের মৌলিক নীতির লঙ্ঘন, ঠিক তেমনই এটি ড. ইউনূসের স্বার্থপরতার একটি উদাহরণ।
তারা বলছেন, তিনি (ড. ইউনূস) যদি বিদায়ি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং আগের আইনে বর্ণিত সবার জন্য সময় বাড়াতেন, তা হলেও এর যৌক্তিকতা কিছুটা হলেও বোঝা যেত। কিন্তু শুধু নিজেকে আগামী এক বছরের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা, কেবল অনৈতিক নয়, সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নিজেকে শুধু ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেননি ড. ইউনূস। অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন তিনি। নিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করিয়েছেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে।
সুদ মওকুফ করেছেন নিজের সব প্রতিষ্ঠানের। ক্ষমতায় বসে নিজের নামে নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়, রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স। বিদায়ের আগেও নিজের জন্য রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিতে ভোলেননি ড. ইউনূস।