Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৪৮
বহু কাঙ্খিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস জাতিসংঘের সদ্য সমাপ্ত অধিবেশনে তার ভাষণে ফেব্রুয়ারীর প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন। ইতোমধ্যে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ফলে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। নির্বাচনের এই আবহে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আগাম গণসংযোগ, সভা-সমাবেশ করে নিজেদের প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন।
এবারের বহু কাঙ্খিত নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি থেকে অর্ধ ডজনেরও বেশী মনোনয়ন প্রত্যাশী। এসব নেতারা এরইমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও মতবিনিময়সহ বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশগ্রহন করছেন।
সদ্য অনুষ্ঠিত সনাতন ধর্মালম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজায় দুই উপজেলায় মন্দির-মন্ডপগুলো পরিদর্শন করে ভক্ত-পূজারীদের সঙ্গ কুশল,শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করে বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা কৌশলে নির্বাচনী ওয়ার্মআপ সেরে নিয়েছেন। তাদের রঙ-বেরঙের বাহারী ব্যানার, বিলবোর্ড ও ফেষ্টুনে গোটা নির্বাচনী এলাকা ছেয়ে গেছে।
বিএনপি ছাড়াও জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থীরাও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। জেলার গুরুত্বপূর্ণ এ আসনে দলের মনোনয়নে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে লড়তে চান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য অদম্য মেধাবী সাবেক তুখোর ছাত্রনেতা মোঃ দুলাল হোসেন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ ও লালন করে দলের সন্মুখ সারির একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা হিসেবে কেন্দ্র থেকে তৃনমুল পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
উজিরপুরের ওটরার কৃতি সন্তান দুলাল হোসেনের রাজনীতিতে হাতেখড়ি স্কুল জীবনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে ।ঢাকা কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৮৯-৯০ সালে তিনি স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী গনঅভূত্থানে ছাত্রদলের ব্যানারে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। পরে তিনি প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজিব হল শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম আহবায়ক হন।
পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম আহবায়ক হন তিনি। সাংগঠনিক দক্ষতা ও যোগ্যতায় পরে তিনি বিভিন্ন মেয়াদে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য, প্রচার সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতির পদ অলঙ্কৃত করেন। দীর্ঘ ২১ বছর ছাত্রদলের বিভিন্ন পদে সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালণ শেষে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য হয়ে কেন্দ্র থেকে তৃনমূল পর্যন্ত দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন।
দীর্ঘ সময়ে রাজনীতির কন্টকাকীর্ণ পিচ্ছিল পথে তাকে নানা প্রতিবন্ধকতাকে মোকাবেলা করতে হয়েছে। তবু তিনি বিচলিত কিংবা দমে যাননি বরং নবউদ্যমে এগিয়ে গেছেন সন্মুখপানে,। সামনের সারিতে থেকে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তাকে একাধিক মিথ্যা মামলা-হামলাসহ নানা ভাবে নির্যাতন ও হয়রাণির শিকার হতে হয়েছে। প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অদম্য মেধাবী তরুণ এ নেতা একজন কর্মীবান্ধব ত্যাগী, নির্যাতিত, পরীক্ষিত ও ক্লীণ ইমেজের ব্যক্তিত্ব হিসেবে সর্বমহলে সমাদৃত।
। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি।
এ প্রসঙ্গে জিয়া অন্তঃপ্রাণ নেতা দুলাল হোসেন বলেন, আমার ঐকান্তিক বিশ্বাস এবার দল আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ-তিতিক্ষা ও অবদানের যথার্থ মুল্যায়ন করবে।
আমি দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনী এলাকার আপামর জনতার অকুন্ঠ সমর্থনে বিজয় অর্জন করে আসনটিকে পুনরুদ্ধার করে দলকে উপহার দেবো এবং বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলাকে বৈষম্যহীন আলোকিত মডেল উপজেলায় রূপান্তর করবো।
বহু কাঙ্খিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস জাতিসংঘের সদ্য সমাপ্ত অধিবেশনে তার ভাষণে ফেব্রুয়ারীর প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন। ইতোমধ্যে নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ফলে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। নির্বাচনের এই আবহে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আগাম গণসংযোগ, সভা-সমাবেশ করে নিজেদের প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন।
এবারের বহু কাঙ্খিত নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি থেকে অর্ধ ডজনেরও বেশী মনোনয়ন প্রত্যাশী। এসব নেতারা এরইমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও মতবিনিময়সহ বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশগ্রহন করছেন।
সদ্য অনুষ্ঠিত সনাতন ধর্মালম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজায় দুই উপজেলায় মন্দির-মন্ডপগুলো পরিদর্শন করে ভক্ত-পূজারীদের সঙ্গ কুশল,শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করে বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা কৌশলে নির্বাচনী ওয়ার্মআপ সেরে নিয়েছেন। তাদের রঙ-বেরঙের বাহারী ব্যানার, বিলবোর্ড ও ফেষ্টুনে গোটা নির্বাচনী এলাকা ছেয়ে গেছে।
বিএনপি ছাড়াও জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থীরাও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। জেলার গুরুত্বপূর্ণ এ আসনে দলের মনোনয়নে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে লড়তে চান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য অদম্য মেধাবী সাবেক তুখোর ছাত্রনেতা মোঃ দুলাল হোসেন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ ও লালন করে দলের সন্মুখ সারির একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা হিসেবে কেন্দ্র থেকে তৃনমুল পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
উজিরপুরের ওটরার কৃতি সন্তান দুলাল হোসেনের রাজনীতিতে হাতেখড়ি স্কুল জীবনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে ।ঢাকা কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৮৯-৯০ সালে তিনি স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী গনঅভূত্থানে ছাত্রদলের ব্যানারে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। পরে তিনি প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজিব হল শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম আহবায়ক হন।
পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম আহবায়ক হন তিনি। সাংগঠনিক দক্ষতা ও যোগ্যতায় পরে তিনি বিভিন্ন মেয়াদে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য, প্রচার সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতির পদ অলঙ্কৃত করেন। দীর্ঘ ২১ বছর ছাত্রদলের বিভিন্ন পদে সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালণ শেষে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য হয়ে কেন্দ্র থেকে তৃনমূল পর্যন্ত দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন।
দীর্ঘ সময়ে রাজনীতির কন্টকাকীর্ণ পিচ্ছিল পথে তাকে নানা প্রতিবন্ধকতাকে মোকাবেলা করতে হয়েছে। তবু তিনি বিচলিত কিংবা দমে যাননি বরং নবউদ্যমে এগিয়ে গেছেন সন্মুখপানে,। সামনের সারিতে থেকে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তাকে একাধিক মিথ্যা মামলা-হামলাসহ নানা ভাবে নির্যাতন ও হয়রাণির শিকার হতে হয়েছে। প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অদম্য মেধাবী তরুণ এ নেতা একজন কর্মীবান্ধব ত্যাগী, নির্যাতিত, পরীক্ষিত ও ক্লীণ ইমেজের ব্যক্তিত্ব হিসেবে সর্বমহলে সমাদৃত।
। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি।
এ প্রসঙ্গে জিয়া অন্তঃপ্রাণ নেতা দুলাল হোসেন বলেন, আমার ঐকান্তিক বিশ্বাস এবার দল আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ-তিতিক্ষা ও অবদানের যথার্থ মুল্যায়ন করবে।
আমি দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনী এলাকার আপামর জনতার অকুন্ঠ সমর্থনে বিজয় অর্জন করে আসনটিকে পুনরুদ্ধার করে দলকে উপহার দেবো এবং বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলাকে বৈষম্যহীন আলোকিত মডেল উপজেলায় রূপান্তর করবো।

১৭ মার্চ, ২০২৬ ০০:৩৯
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৭
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।