
১৪ জুন, ২০২৫ ২০:৪৬
অবরুদ্ধ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শনিবার জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরাইলি বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে অন্তত ৯০ জন নিহত এবং ৬০৫ জন আহত হয়েছেন।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, নিহতের আসল সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ অনেক মৃতদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে বা এমন এলাকাগুলোতে রয়েছে, যেগুলো অ্যাম্বুলেন্স ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মীদের জন্য এখনো অনিরাপদ।
এদিকে গাজার হাসপাতাল সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার ভোর থেকে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন ছিলেন বেসামরিক নাগরিক, যারা মানবিক সহায়তা নিতে গিয়েছিলেন।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোট ৫৫,২৯৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ১,২৮,৪২৬ জন আহত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পর থেকে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫,০১৪ জন নিহত এবং ১৬,৩৮৫ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে শনিবারও গাজা উপত্যকার একাধিক স্থানে ইসরাইলের বিমান ও স্থল হামলা সারা দিন ধরে অব্যাহত ছিল। আশঙ্কাজনক হারে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় হাসপাতাল ও মেডিকেল টিমগুলো চরম সংকটে পড়েছে—চিকিৎসা সামগ্রীর ঘাটতি ও সীমিত সুযোগ-সুবিধার কারণে তারা প্রচণ্ড চাপের মুখে রয়েছে।
হামাস এক বিবৃতিতে এসব হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ‘গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর পরিকল্পিতভাবে ক্ষুধা চাপিয়ে দেওয়া’ ইসরাইলের একটি ‘অভূতপূর্ব বর্বর অপরাধ’। যা আধুনিক যুগে নজিরবিহীন এবং মানবিক মূল্যবোধ, আন্তর্জাতিক সনদ ও আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
হামাসের এই বিবৃতি এমন সময় এসেছে, যখন ইসরাইলি বাহিনী অবরুদ্ধ গাজার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ সংগ্রহ করতে যাওয়া বেসামরিক মানুষের ওপর গুলি চালিয়ে অন্তত ১৫ জনকে হত্যা এবং আরও অনেককে আহত করেছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত দুই দিনে ত্রাণ সংগ্রহের সময় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ২৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩৮০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। এ নিয়ে ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭৪ জন। আর আহতের সংখ্যা ২,৫৩২ জনে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, শুক্রবার ভোররাত থেকে ইরানজুড়ে বিমান হামলা চালিয়েছে যুদ্ধবাজ ইসরাইল। এতে ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও পরমাণু বিজ্ঞানীসহ অন্তত ১০৪ জন নিহত হন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৩৮০ জন।
এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ হামলার জবাবে ইরান একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, এতে অন্তত ৩ জন নিহত ও ১৭০ জনের বেশি আহত হয়।
ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ ওয়াহিদি বলেছেন, ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক অভিযানের সময় তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের কমপক্ষে ১৫০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে। সূত্র: মিডলইস্ট আই
অবরুদ্ধ গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শনিবার জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরাইলি বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে অন্তত ৯০ জন নিহত এবং ৬০৫ জন আহত হয়েছেন।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, নিহতের আসল সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ অনেক মৃতদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে বা এমন এলাকাগুলোতে রয়েছে, যেগুলো অ্যাম্বুলেন্স ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মীদের জন্য এখনো অনিরাপদ।
এদিকে গাজার হাসপাতাল সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার ভোর থেকে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন ছিলেন বেসামরিক নাগরিক, যারা মানবিক সহায়তা নিতে গিয়েছিলেন।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোট ৫৫,২৯৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ১,২৮,৪২৬ জন আহত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পর থেকে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫,০১৪ জন নিহত এবং ১৬,৩৮৫ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে শনিবারও গাজা উপত্যকার একাধিক স্থানে ইসরাইলের বিমান ও স্থল হামলা সারা দিন ধরে অব্যাহত ছিল। আশঙ্কাজনক হারে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় হাসপাতাল ও মেডিকেল টিমগুলো চরম সংকটে পড়েছে—চিকিৎসা সামগ্রীর ঘাটতি ও সীমিত সুযোগ-সুবিধার কারণে তারা প্রচণ্ড চাপের মুখে রয়েছে।
হামাস এক বিবৃতিতে এসব হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ‘গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর পরিকল্পিতভাবে ক্ষুধা চাপিয়ে দেওয়া’ ইসরাইলের একটি ‘অভূতপূর্ব বর্বর অপরাধ’। যা আধুনিক যুগে নজিরবিহীন এবং মানবিক মূল্যবোধ, আন্তর্জাতিক সনদ ও আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
হামাসের এই বিবৃতি এমন সময় এসেছে, যখন ইসরাইলি বাহিনী অবরুদ্ধ গাজার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ সংগ্রহ করতে যাওয়া বেসামরিক মানুষের ওপর গুলি চালিয়ে অন্তত ১৫ জনকে হত্যা এবং আরও অনেককে আহত করেছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত দুই দিনে ত্রাণ সংগ্রহের সময় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ২৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩৮০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। এ নিয়ে ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭৪ জন। আর আহতের সংখ্যা ২,৫৩২ জনে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, শুক্রবার ভোররাত থেকে ইরানজুড়ে বিমান হামলা চালিয়েছে যুদ্ধবাজ ইসরাইল। এতে ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও পরমাণু বিজ্ঞানীসহ অন্তত ১০৪ জন নিহত হন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৩৮০ জন।
এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ হামলার জবাবে ইরান একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, এতে অন্তত ৩ জন নিহত ও ১৭০ জনের বেশি আহত হয়।
ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ ওয়াহিদি বলেছেন, ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক অভিযানের সময় তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের কমপক্ষে ১৫০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে। সূত্র: মিডলইস্ট আই

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৬
ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।
মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক অঞ্চলটি ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন। এদের মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে বিশেষ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে সহায়তা করেছে পররাষ্ট্র দপ্তর।
মার্কিন সরকার ইতোমধ্যে দুই ডজনের বেশি চার্টার ফ্লাইট পরিচালনা করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিতে সহায়তা করেছে। তবে এসব ফ্লাইটে গড়ে ৪০ শতাংশেরও কম আসন ব্যবহার হয়েছে, কারণ অনেক মার্কিন নাগরিক বাণিজ্যিক ফ্লাইটেই দেশে ফিরতে পছন্দ করেছেন।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে চার্টার ফ্লাইট ও স্থলপথে পরিবহন কার্যক্রম এখনো চালু রয়েছে। প্রয়োজন হলে যেকোনো মার্কিন নাগরিক সরকারের কাছে সহায়তা চাইতে পারবেন।
বরিশাল টাইমস
ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকে ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।
মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক অঞ্চলটি ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন। এদের মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে বিশেষ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে সহায়তা করেছে পররাষ্ট্র দপ্তর।
মার্কিন সরকার ইতোমধ্যে দুই ডজনের বেশি চার্টার ফ্লাইট পরিচালনা করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিতে সহায়তা করেছে। তবে এসব ফ্লাইটে গড়ে ৪০ শতাংশেরও কম আসন ব্যবহার হয়েছে, কারণ অনেক মার্কিন নাগরিক বাণিজ্যিক ফ্লাইটেই দেশে ফিরতে পছন্দ করেছেন।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে চার্টার ফ্লাইট ও স্থলপথে পরিবহন কার্যক্রম এখনো চালু রয়েছে। প্রয়োজন হলে যেকোনো মার্কিন নাগরিক সরকারের কাছে সহায়তা চাইতে পারবেন।
বরিশাল টাইমস

১০ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫১
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কৌশলগত পদক্ষেপ জোরদার করেছে। সরকারের অনুরোধে ইরান আশ্বাস দিয়েছে যে, বাংলাদেশের তেল ও এলএনজি বহনকারী জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না। তবে জাহাজগুলো প্রণালিতে প্রবেশের আগে তাদের তথ্য ইরানকে জানাতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তাৎক্ষণিক উদ্বেগ কিছুটা কমেছে।
এদিকে সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেলবাহী একটি জাহাজ সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহে আরও চারটি জাহাজে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন ডিজেল আসার কথা রয়েছে। এছাড়া এপ্রিলের চাহিদা মেটাতে বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
চীন ও ভারতও বাংলাদেশকে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তার আগ্রহ দেখিয়েছে। ভারত থেকে বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির সুযোগও রয়েছে।
বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার টন ডিজেল মজুত আছে, যা প্রায় ১৬ দিনের চাহিদা পূরণে সক্ষম। সম্ভাব্য কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে সরকার সারাদেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কৌশলগত পদক্ষেপ জোরদার করেছে। সরকারের অনুরোধে ইরান আশ্বাস দিয়েছে যে, বাংলাদেশের তেল ও এলএনজি বহনকারী জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না। তবে জাহাজগুলো প্রণালিতে প্রবেশের আগে তাদের তথ্য ইরানকে জানাতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তাৎক্ষণিক উদ্বেগ কিছুটা কমেছে।
এদিকে সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেলবাহী একটি জাহাজ সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহে আরও চারটি জাহাজে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন ডিজেল আসার কথা রয়েছে। এছাড়া এপ্রিলের চাহিদা মেটাতে বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
চীন ও ভারতও বাংলাদেশকে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তার আগ্রহ দেখিয়েছে। ভারত থেকে বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির সুযোগও রয়েছে।
বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার টন ডিজেল মজুত আছে, যা প্রায় ১৬ দিনের চাহিদা পূরণে সক্ষম। সম্ভাব্য কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে সরকার সারাদেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩২
কানাডায় মার্কিন দূতাবাসে গোলাগুলি হয়েছে। টরেন্টোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসকে লক্ষ্য করে এ হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। টরন্টো পুলিশ অপারেশনস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে গুলির শব্দ শোনা গেছে। এ ঘটনার পরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছে।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া কোনো সন্দেহভাজনকেও শনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনায় তদন্তের জন্য পুলিশ দূতাবাসের আশপাশের কয়েকটি সড়ক সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।
এদিকে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের বাইরে একটি বিস্ফোরণের ঘটনাও তদন্ত করছে দেশটির পুলিশ। কর্মকর্তারা বলছেন, এটি একটি সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে। হামলায় তাৎক্ষণিক বিস্ফোরক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সঙ্গে এসব ঘটনার সম্ভাব্য কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলার পর পর টরন্টোতে কয়েকটি স্থাপনায় গুলির ঘটনা ঘটেছে। গত এক সপ্তাহে শহরের ৩টি ইহুদি সিনাগগেও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ইরান সরকারের সমালোচক একজন ইরানিয়ান-কানাডিয়ানের মালিকানাধীন একটি বক্সিং জিমেও গত সোমবার গুলি চালানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরওয়ের পুলিশ ইতোমধ্যে অসলোতে দূতাবাসের বাইরে হওয়া বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছে। ওই বিস্ফোরণে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও কেউ হতাহত হয়নি।
কানাডায় মার্কিন দূতাবাসে গোলাগুলি হয়েছে। টরেন্টোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসকে লক্ষ্য করে এ হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। টরন্টো পুলিশ অপারেশনস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে গুলির শব্দ শোনা গেছে। এ ঘটনার পরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছে।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া কোনো সন্দেহভাজনকেও শনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনায় তদন্তের জন্য পুলিশ দূতাবাসের আশপাশের কয়েকটি সড়ক সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।
এদিকে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের বাইরে একটি বিস্ফোরণের ঘটনাও তদন্ত করছে দেশটির পুলিশ। কর্মকর্তারা বলছেন, এটি একটি সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে। হামলায় তাৎক্ষণিক বিস্ফোরক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সঙ্গে এসব ঘটনার সম্ভাব্য কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলার পর পর টরন্টোতে কয়েকটি স্থাপনায় গুলির ঘটনা ঘটেছে। গত এক সপ্তাহে শহরের ৩টি ইহুদি সিনাগগেও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ইরান সরকারের সমালোচক একজন ইরানিয়ান-কানাডিয়ানের মালিকানাধীন একটি বক্সিং জিমেও গত সোমবার গুলি চালানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরওয়ের পুলিশ ইতোমধ্যে অসলোতে দূতাবাসের বাইরে হওয়া বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছে। ওই বিস্ফোরণে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও কেউ হতাহত হয়নি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.