Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৬ মে, ২০২৬ ১৩:৫৩
ভালো জীবনের আশায় লিবিয়ায় পাড়ি জমানো বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার এক যুবক এখন মানবপাচারকারী চক্রের হাতে জিম্মি। দুই মাস ধরে নির্যাতনের শিকার এই যুবকের নাম আসাদুল বক্তিয়ার।
পরিবার জানায়, আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের চাত্রিশিরা গ্রামের আবু বক্তিয়ারের ছেলে আসাদুল ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর ভিজিট ভিসায় আত্মীয়ের মাধ্যমে লিবিয়ায় যান। সেখানে একটি দোকানে টেইলারিং কাজ করে মাসে ২০-২৫ হাজার টাকা দেশে পাঠাতেন।
গত রমজানের ৯ তারিখ ভোরে ৫-৬ জনের একটি সশস্ত্র চক্র তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাকে একটি অজ্ঞাতস্থানে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন করা হচ্ছে বলে আসাদুলের পরিবার অভিযোগ করেন।
পরিবারের সদস্যদের কাছে ভিডিও কলের মাধ্যমে আসাদুলের ওপর নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ধারদেনা করে ৪ লাখ টাকা পাঠানো হলেও বাকি টাকা দুই দিনের মধ্যে না দিলে তাকে হত্যা করে মরুভূমিতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে অপহরণকারীরা।
লিবিয়ায় থাকা তার শ্যালক বিষয়টি স্থানীয় থানায় জানালে তাকেও হুমকি দেওয়া হয়। নিরাপত্তার কারণে তিনি দেশে ফিরে এসে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এরপর থেকে আসাদুলের ওপর নির্যাতন আরও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান স্বজনরা।
আসাদুলের বাবা আবু বক্তিয়ার বলেন, ভিডিও ফোনে নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ধারদেনা করে ৪ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছে।
বাকি টাকা দুই দিনের মধ্যে না দিলে আসাদুলকে হত্যা করে মরদেহ ৪ টুকরা করে মরুভূমিতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে অপহরণকারীরা।
আমরা গরিব মানুষ। এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব না। আমার ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা চাই। মা বকুল বেগম ও স্ত্রী নিপা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রমের দাবি জানিয়েছেন। পরিবারের দাবি, দুই মাস ধরে তারা চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক বলেন, বিষয়টি লিখিত আকারে জানানো হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভালো জীবনের আশায় লিবিয়ায় পাড়ি জমানো বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার এক যুবক এখন মানবপাচারকারী চক্রের হাতে জিম্মি। দুই মাস ধরে নির্যাতনের শিকার এই যুবকের নাম আসাদুল বক্তিয়ার।
পরিবার জানায়, আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের চাত্রিশিরা গ্রামের আবু বক্তিয়ারের ছেলে আসাদুল ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর ভিজিট ভিসায় আত্মীয়ের মাধ্যমে লিবিয়ায় যান। সেখানে একটি দোকানে টেইলারিং কাজ করে মাসে ২০-২৫ হাজার টাকা দেশে পাঠাতেন।
গত রমজানের ৯ তারিখ ভোরে ৫-৬ জনের একটি সশস্ত্র চক্র তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাকে একটি অজ্ঞাতস্থানে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন করা হচ্ছে বলে আসাদুলের পরিবার অভিযোগ করেন।
পরিবারের সদস্যদের কাছে ভিডিও কলের মাধ্যমে আসাদুলের ওপর নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ধারদেনা করে ৪ লাখ টাকা পাঠানো হলেও বাকি টাকা দুই দিনের মধ্যে না দিলে তাকে হত্যা করে মরুভূমিতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে অপহরণকারীরা।
লিবিয়ায় থাকা তার শ্যালক বিষয়টি স্থানীয় থানায় জানালে তাকেও হুমকি দেওয়া হয়। নিরাপত্তার কারণে তিনি দেশে ফিরে এসে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এরপর থেকে আসাদুলের ওপর নির্যাতন আরও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান স্বজনরা।
আসাদুলের বাবা আবু বক্তিয়ার বলেন, ভিডিও ফোনে নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ধারদেনা করে ৪ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছে।
বাকি টাকা দুই দিনের মধ্যে না দিলে আসাদুলকে হত্যা করে মরদেহ ৪ টুকরা করে মরুভূমিতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে অপহরণকারীরা।
আমরা গরিব মানুষ। এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব না। আমার ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা চাই। মা বকুল বেগম ও স্ত্রী নিপা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রমের দাবি জানিয়েছেন। পরিবারের দাবি, দুই মাস ধরে তারা চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক বলেন, বিষয়টি লিখিত আকারে জানানো হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৯ মে, ২০২৬ ১২:৩৪

০৯ মে, ২০২৬ ১২:১৭
বরিশালের আকাশে হঠাৎ দেখা মিলেছে রহস্যময় এক আলোর ঝলক। শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের পর আকাশের এই অদ্ভুত দৃশ্য সাধারণ মানুষের দৃষ্টি কাড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই এই আলো নিয়ে জনমনে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর বেলস পার্ক ময়দানে দর্শনার্থীরা যখন সময় কাটাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই দক্ষিণ আকাশে আলোর এই বিচ্ছুরণ দেখা যায়।
সেখানে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার পর হঠাৎ আকাশে অস্বাভাবিক উজ্জ্বল এক আলোর রেখা দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই উৎসুক জনতা ভিড় জমান এবং অনেকেই মোবাইল ফোনে এর ভিডিও ধারণ করেন। সমসাময়িক ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধসহ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির সঙ্গে মিলিয়ে অনেকেই ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করতে থাকেন।
ভিডিও ধারণকারী সুমন নামের এক যুবক বলেন, গোধূলি বেলায় হঠাৎ একটি তীব্র আলো দেখতে পাই। এটি প্রায় এক মিনিটের মতো স্থায়ী ছিল এবং পরে আকাশেই মিলিয়ে যায়। অদ্ভুত মনে হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গেই ভিডিও করে রাখি।
শফিকুল ইসলাম নামের অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আলোর ঝলকটি দেখতে অনেকটা মিসাইলের মতো মনে হয়েছে। এদিকে রহস্যময় আলোর এই ভিডিও মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। নেটিজেনদের মধ্যে এটি নিয়ে চলছে মুখরোচক আলোচনা। অনেকে একে ভারতের মিসাইল পরীক্ষা হিসেবে দাবি করছেন।
রাতুল ইসলাম নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, ভারত বঙ্গোপসাগর এলাকায় তাদের একটি মিসাইল টেস্ট করেছে।
এটি অগ্নি-৪ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে তারা বঙ্গোপসাগর এলাকায় ‘নোটাম’ জারি করেছিল। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাগুলো থেকে এটি স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।
আবার শেফাউল শেখ নামে অপর একজন লিখেছেন, আজ সন্ধ্যা ৭টার কিছু পরে বঙ্গোপসাগরে ভারতের ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষার দৃশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দেখা গেছে। এটি অগ্নি সিরিজের আইসিবিএম হতে পারে।
তবে বরিশালের আকাশে দেখা যাওয়া এই রহস্যময় আলোর প্রকৃত উৎস সম্পর্কে এখন পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন বা আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

০৮ মে, ২০২৬ ১৯:৩৭
বরিশালের গৌরনদীর স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করাসহ বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। গোপালগঞ্জ থেকে ১০ বছরের শিশুটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। চলছে আইনি প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি। এসব তথ্য বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল।
পুলিশ জানায়, উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের বাড়ি থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয় গত ২৬ এপ্রিল রাতে। পরদিন থানায় জিডি করেন তার দিনমজুর বাবা। পরিবারের বরাতে পুলিশ জানায়, গত বুধবার মেয়েটি ‘কৌশলে’ বাবাকে ফোন করে তার অবস্থান গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর বলে জানায়। প্রতিবেশী কমল বাড়ৈয়ের মেয়ে মেঘা বাড়ৈ তাকে সেখানে নিয়ে আত্মীয়ের সঙ্গে বিয়ে দেন বলেও জানায় সে। গৌরনদী থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় এলাকার খালকুলা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে।
স্বজনদের অভিযোগ, ‘ফুসলিয়ে’ শিশুটিকে শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যান অভিযুক্ত মেঘা বাড়ৈ। বিয়ে দেন ৩৮ বছর বয়সী ভগরত ঢালী নামের এক আত্মীয়ের সঙ্গে। আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনও করা হয় তাকে। বলা হয়, ‘দুই লাখ টাকায় তাকে কিনে নেয়া হয়েছে’।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেঘা বাড়ৈ। তার দাবি, ‘ওই শিশুকে আমরা বিয়ে দেইনি। সে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছে। এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।’
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি নির্যাতনের কথা বলেছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য করা হবে ডাক্তারি পরীক্ষা। এসব জানিয়েছেন ওসি তারিক হাসান।
‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে আমরা নির্যাতনের কথা নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না। বর্তমানে থানায় আছে শিশুটি। পাঁচজনকে আসামি করে মামলা রেকর্ড প্রক্রিয়াধীন। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসা ও টেস্টের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়, জানান ওসি।’
বরিশালের বাবুগঞ্জে ধর্মীয় এবং নৈতিক শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও দানবীর আবুল কালাম আজাদ কলেজ গেট এলাকায় নিজের প্রতিষ্ঠিত দৃষ্টিনন্দন বাইতুল আমান জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের নিচতলায় এবার চালু করলেন "বাইতুল আমান সোসাইটি পাঠাগার" নামের একটি লাইব্রেরি। 'নিয়মিত বই পড়ুন, আলোকিত জীবন গড়ুন'-এ স্লোগানকে ধারণ করে শুক্রবার (৮ মে) বাদ আছর দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে স্থানীয় মুসল্লি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার সুধীজনদের নিয়ে মসজিদভিত্তিক ওই মহতী পাঠাগার কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
পাঠাগার উদ্বোধনের আগে বাইতুল আমান জামে মসজিদে এক সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মসজিদ ও পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি এবং উপজেলার বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা দানবীর আবুল কালাম আজাদ। বাইতুল আমান জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মো. মজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রিটায়ার্ড এয়ার ফোর্সেস পার্সোনেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি, বহুজাতিক কোম্পানির লিগ্যাল অ্যাডভাইজার ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও টিচার্স ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক শাহে আলম, সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল, সহকারী শিক্ষক ও বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক, ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি মাওলানা মো. রহমতুল্লাহ মাতুব্বর, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, সাবেক সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে এক দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে বাইতুল আমান সোসাইটি পাঠাগারের শুভ উদ্বোধন করা হয়। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন বাইতুল আমান জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মো. মজিবুর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাঠাগারের স্বপ্নদ্রষ্টা বাবুগঞ্জ উপজেলার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও দানবীর আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'ধর্মীয় এবং নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এই পাঠাগার কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। পাঠাগার শুধু কিছু বইয়ের সংগ্রহশালা নয়, এটি জ্ঞানচর্চা নৈতিক শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ইসলামের ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা ও পাঠাভ্যাস গড়ে তোলাই হবে এই পাঠাগারের মূল লক্ষ্য। প্রাথমিকভাবে আড়াইশো বই দিয়ে আজ ৮ মে এই পাঠাগারের যাত্রা শুরু হলো। ভবিষ্যতে পাঠকের চাহিদা অনুযায়ী বইয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। এখানে বিভিন্ন বয়সী পাঠকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ইসলামিক জ্ঞানচর্চার বই থাকবে। এছাড়াও এই পাঠাগারের উদ্যোগে ধর্মীয় বিভিন্ন বিশেষ দিবসে পাঠকদের নিয়ে বিশেষ বিশেষ প্রতিযোগিতার আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।'

বাংলাদেশ রিটায়ার্ড এয়ার ফোর্সেস পার্সোনেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক, বহুজাতিক কোম্পানির আইন উপদেষ্টা ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ বলেন, 'বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও দানবীর আবুল কালাম আজাদ বাবুগঞ্জের অনেক দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জনক। তিনি নিজ অর্থায়নে বাবুগঞ্জ কলেজ গেট এলাকায় মহিলাদের পৃথক নামাজের ব্যবস্থাসহ উপজেলার সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন বাইতুল আমান জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছেন। বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাব ভবন তিনি নির্মাণ করে দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজসহ উপজেলার বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের অন্যতম একজন দাতা। এবার ধর্মীয় জ্ঞান-বিজ্ঞান ও ইসলামী সংস্কৃতির প্রসার ঘটাতে তিনি চালু করলেন মসজিদভিত্তিক পাঠাগার কার্যক্রম। নৈতিক অবক্ষয় রোধ এবং মানবিক মূল্যবোধ তৈরিতে অনবদ্য অবদান রাখবে এই বাইতুল আমান সোসাইটি পাঠাগার বলে আমি বিশ্বাস করি। তাঁর এই মহতী উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং অনুকরণীয়।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জে ধর্মীয় এবং নৈতিক শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও দানবীর আবুল কালাম আজাদ কলেজ গেট এলাকায় নিজের প্রতিষ্ঠিত দৃষ্টিনন্দন বাইতুল আমান জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের নিচতলায় এবার চালু করলেন "বাইতুল আমান সোসাইটি পাঠাগার" নামের একটি লাইব্রেরি। 'নিয়মিত বই পড়ুন, আলোকিত জীবন গড়ুন'-এ স্লোগানকে ধারণ করে শুক্রবার (৮ মে) বাদ আছর দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে স্থানীয় মুসল্লি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার সুধীজনদের নিয়ে মসজিদভিত্তিক ওই মহতী পাঠাগার কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
পাঠাগার উদ্বোধনের আগে বাইতুল আমান জামে মসজিদে এক সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মসজিদ ও পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি এবং উপজেলার বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা দানবীর আবুল কালাম আজাদ। বাইতুল আমান জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মো. মজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রিটায়ার্ড এয়ার ফোর্সেস পার্সোনেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি, বহুজাতিক কোম্পানির লিগ্যাল অ্যাডভাইজার ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও টিচার্স ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক শাহে আলম, সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল, সহকারী শিক্ষক ও বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক, ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি মাওলানা মো. রহমতুল্লাহ মাতুব্বর, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, সাবেক সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে এক দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে বাইতুল আমান সোসাইটি পাঠাগারের শুভ উদ্বোধন করা হয়। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন বাইতুল আমান জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মো. মজিবুর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাঠাগারের স্বপ্নদ্রষ্টা বাবুগঞ্জ উপজেলার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও দানবীর আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'ধর্মীয় এবং নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এই পাঠাগার কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। পাঠাগার শুধু কিছু বইয়ের সংগ্রহশালা নয়, এটি জ্ঞানচর্চা নৈতিক শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ইসলামের ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা ও পাঠাভ্যাস গড়ে তোলাই হবে এই পাঠাগারের মূল লক্ষ্য। প্রাথমিকভাবে আড়াইশো বই দিয়ে আজ ৮ মে এই পাঠাগারের যাত্রা শুরু হলো। ভবিষ্যতে পাঠকের চাহিদা অনুযায়ী বইয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। এখানে বিভিন্ন বয়সী পাঠকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ইসলামিক জ্ঞানচর্চার বই থাকবে। এছাড়াও এই পাঠাগারের উদ্যোগে ধর্মীয় বিভিন্ন বিশেষ দিবসে পাঠকদের নিয়ে বিশেষ বিশেষ প্রতিযোগিতার আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।'

বাংলাদেশ রিটায়ার্ড এয়ার ফোর্সেস পার্সোনেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক, বহুজাতিক কোম্পানির আইন উপদেষ্টা ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ বলেন, 'বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও দানবীর আবুল কালাম আজাদ বাবুগঞ্জের অনেক দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জনক। তিনি নিজ অর্থায়নে বাবুগঞ্জ কলেজ গেট এলাকায় মহিলাদের পৃথক নামাজের ব্যবস্থাসহ উপজেলার সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন বাইতুল আমান জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছেন। বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাব ভবন তিনি নির্মাণ করে দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজসহ উপজেলার বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের অন্যতম একজন দাতা। এবার ধর্মীয় জ্ঞান-বিজ্ঞান ও ইসলামী সংস্কৃতির প্রসার ঘটাতে তিনি চালু করলেন মসজিদভিত্তিক পাঠাগার কার্যক্রম। নৈতিক অবক্ষয় রোধ এবং মানবিক মূল্যবোধ তৈরিতে অনবদ্য অবদান রাখবে এই বাইতুল আমান সোসাইটি পাঠাগার বলে আমি বিশ্বাস করি। তাঁর এই মহতী উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং অনুকরণীয়।' #
বরিশালের আকাশে হঠাৎ দেখা মিলেছে রহস্যময় এক আলোর ঝলক। শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের পর আকাশের এই অদ্ভুত দৃশ্য সাধারণ মানুষের দৃষ্টি কাড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই এই আলো নিয়ে জনমনে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর বেলস পার্ক ময়দানে দর্শনার্থীরা যখন সময় কাটাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই দক্ষিণ আকাশে আলোর এই বিচ্ছুরণ দেখা যায়।
সেখানে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার পর হঠাৎ আকাশে অস্বাভাবিক উজ্জ্বল এক আলোর রেখা দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই উৎসুক জনতা ভিড় জমান এবং অনেকেই মোবাইল ফোনে এর ভিডিও ধারণ করেন। সমসাময়িক ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধসহ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির সঙ্গে মিলিয়ে অনেকেই ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করতে থাকেন।
ভিডিও ধারণকারী সুমন নামের এক যুবক বলেন, গোধূলি বেলায় হঠাৎ একটি তীব্র আলো দেখতে পাই। এটি প্রায় এক মিনিটের মতো স্থায়ী ছিল এবং পরে আকাশেই মিলিয়ে যায়। অদ্ভুত মনে হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গেই ভিডিও করে রাখি।
শফিকুল ইসলাম নামের অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আলোর ঝলকটি দেখতে অনেকটা মিসাইলের মতো মনে হয়েছে। এদিকে রহস্যময় আলোর এই ভিডিও মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। নেটিজেনদের মধ্যে এটি নিয়ে চলছে মুখরোচক আলোচনা। অনেকে একে ভারতের মিসাইল পরীক্ষা হিসেবে দাবি করছেন।
রাতুল ইসলাম নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, ভারত বঙ্গোপসাগর এলাকায় তাদের একটি মিসাইল টেস্ট করেছে।
এটি অগ্নি-৪ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে তারা বঙ্গোপসাগর এলাকায় ‘নোটাম’ জারি করেছিল। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাগুলো থেকে এটি স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।
আবার শেফাউল শেখ নামে অপর একজন লিখেছেন, আজ সন্ধ্যা ৭টার কিছু পরে বঙ্গোপসাগরে ভারতের ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষার দৃশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দেখা গেছে। এটি অগ্নি সিরিজের আইসিবিএম হতে পারে।
তবে বরিশালের আকাশে দেখা যাওয়া এই রহস্যময় আলোর প্রকৃত উৎস সম্পর্কে এখন পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন বা আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
বরিশালের গৌরনদীর স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করাসহ বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। গোপালগঞ্জ থেকে ১০ বছরের শিশুটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। চলছে আইনি প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি। এসব তথ্য বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল।
পুলিশ জানায়, উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের বাড়ি থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয় গত ২৬ এপ্রিল রাতে। পরদিন থানায় জিডি করেন তার দিনমজুর বাবা। পরিবারের বরাতে পুলিশ জানায়, গত বুধবার মেয়েটি ‘কৌশলে’ বাবাকে ফোন করে তার অবস্থান গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর বলে জানায়। প্রতিবেশী কমল বাড়ৈয়ের মেয়ে মেঘা বাড়ৈ তাকে সেখানে নিয়ে আত্মীয়ের সঙ্গে বিয়ে দেন বলেও জানায় সে। গৌরনদী থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় এলাকার খালকুলা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে।
স্বজনদের অভিযোগ, ‘ফুসলিয়ে’ শিশুটিকে শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যান অভিযুক্ত মেঘা বাড়ৈ। বিয়ে দেন ৩৮ বছর বয়সী ভগরত ঢালী নামের এক আত্মীয়ের সঙ্গে। আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনও করা হয় তাকে। বলা হয়, ‘দুই লাখ টাকায় তাকে কিনে নেয়া হয়েছে’।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেঘা বাড়ৈ। তার দাবি, ‘ওই শিশুকে আমরা বিয়ে দেইনি। সে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছে। এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।’
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি নির্যাতনের কথা বলেছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য করা হবে ডাক্তারি পরীক্ষা। এসব জানিয়েছেন ওসি তারিক হাসান।
‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে আমরা নির্যাতনের কথা নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না। বর্তমানে থানায় আছে শিশুটি। পাঁচজনকে আসামি করে মামলা রেকর্ড প্রক্রিয়াধীন। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসা ও টেস্টের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়, জানান ওসি।’