
১৩ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪৯
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘অতি দ্রুত এই ফ্যাসিস্টের দোসর চুপ্পুকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে এবং তাকে গ্রেফতারের আওতায় আনতে হবে। তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, তার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি রয়েছে, তিনি গণহত্যা চলাকালে নির্বিকার ভূমিকা রেখেছিলেন’।
শুক্রবার (১৩ মার্চ ) বিকেলে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে এনসিপির বিভাগীয় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংসদকে সম্মান জানিয়ে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং অভিযোগ এবং সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও গতকাল আমরা সংসদে গিয়েছিলাম।
কারণ এত কারচুপির পরেও জনগণ আমাদের এবং ১১ দলীয় জোটের অনেককে নির্বাচিত করেছেন সংসদের কার্যক্রমকে বাস্তবায়ন করার জন্য, উচ্চকক্ষকে বাস্তবায়ন করার জন্য, সংবিধান সংস্কার করার জন্য।
আমরা সেই উদ্দেশ্যেই এবং সেই কমিটমেন্টেই সংসদে গিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম, এই সংসদে আমরা কোনো ফ্যাসিবাদের দোসরকে চাই না। ফ্যাসিবাদমুক্ত জাতীয় সংসদ দেখতে চাই।
নাহিদ বলেন, খুব ভালোভাবে শুরু হলেও পরে দেখা গেল ফ্যাসিবাদের দোসর রাষ্ট্রপতিকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হলো। এটি করে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে সংসদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করা হলো। রাষ্ট্রপতিকে বক্তৃতার সুযোগ দেওয়ার কারণে প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা ওয়াক আউট দিয়ে চলে এসেছি।
তিনি আরো বলেন, ময়মনসিংহের জুলাই সৈনিক সাইফুল্লাহর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে ফ্যাসিস্ট বাহিনীরা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।
আওয়ামী লীগ আসলে এমন একটি দল যারা গুপ্ত হামলা, অগ্নিসন্ত্রাস এবং এরকম দাঙ্গা-হাঙ্গামা করে রাজনীতিতে সব সময় টিকে থাকতে চেয়েছিল। তাদেরকে ৫ আগস্টে পরাজিত ও প্রতিহত করেছিল বাংলাদেশের জনগণ।
বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসীর কাছে তিনি আহ্বান রেখে বলেন, আপনারা আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করুন। আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাসী, ফলে আপনারা তাদেরকে পুলিশে ধরিয়ে দিন, গ্রেফতারের ব্যবস্থা করুন। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে রাস্তাঘাট সর্বত্রই জনগণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
সাইফুল্লাহর পরিবারকে যে হত্যাচেষ্টা করা হলো, তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হলো আমরা কিছুদিন অপেক্ষা করব, প্রশাসন, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য তারা কি ব্যবস্থা নেয়।
তারা যদি ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয় তাহলে আমাদের যা করণীয় আমরা সেটা করব। আমরা ঘরে বসে থাকব না। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যদি যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করতে হয় তাহলে আমরা প্রস্তুত থাকব ইনশাআল্লাহ।
ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ভারত থেকে ধরে এনে হাসিনার ফাঁসির রায় কার্যকর যেন হয় আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি।
এ সময় তিনি ৪৭, ৭১, ৯০, ২৪ এবং শহীদ ওসমান হাদীসহ সব শহীদের জন্য ময়মনসিংহ বিভাগবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। সেই সঙ্গে তিনি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া কামনা করেন। তিনি ময়মনসিংহে বালু, বাসস্ট্যান্ডসহ সর্বক্ষেত্রে চাঁদাবাজি হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদ শুকিয়ে গেছে। এ নিয়ে অনেকে ব্যবসা করতে চায়। এসব প্রতিহত করতে হবে।
ইফতার মাহফিলে আরো বক্তব্য দেন ড. আতিক মোজাহিদ এমপি, ডা. জাহিদুল ইসলাম, ছাত্রশক্তির জাহিদ হাসান, শ্রমিক শক্তির তানহা শান্তা প্রমুখ।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘অতি দ্রুত এই ফ্যাসিস্টের দোসর চুপ্পুকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে এবং তাকে গ্রেফতারের আওতায় আনতে হবে। তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, তার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি রয়েছে, তিনি গণহত্যা চলাকালে নির্বিকার ভূমিকা রেখেছিলেন’।
শুক্রবার (১৩ মার্চ ) বিকেলে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে এনসিপির বিভাগীয় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংসদকে সম্মান জানিয়ে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং অভিযোগ এবং সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও গতকাল আমরা সংসদে গিয়েছিলাম।
কারণ এত কারচুপির পরেও জনগণ আমাদের এবং ১১ দলীয় জোটের অনেককে নির্বাচিত করেছেন সংসদের কার্যক্রমকে বাস্তবায়ন করার জন্য, উচ্চকক্ষকে বাস্তবায়ন করার জন্য, সংবিধান সংস্কার করার জন্য।
আমরা সেই উদ্দেশ্যেই এবং সেই কমিটমেন্টেই সংসদে গিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম, এই সংসদে আমরা কোনো ফ্যাসিবাদের দোসরকে চাই না। ফ্যাসিবাদমুক্ত জাতীয় সংসদ দেখতে চাই।
নাহিদ বলেন, খুব ভালোভাবে শুরু হলেও পরে দেখা গেল ফ্যাসিবাদের দোসর রাষ্ট্রপতিকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হলো। এটি করে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে সংসদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করা হলো। রাষ্ট্রপতিকে বক্তৃতার সুযোগ দেওয়ার কারণে প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা ওয়াক আউট দিয়ে চলে এসেছি।
তিনি আরো বলেন, ময়মনসিংহের জুলাই সৈনিক সাইফুল্লাহর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে ফ্যাসিস্ট বাহিনীরা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।
আওয়ামী লীগ আসলে এমন একটি দল যারা গুপ্ত হামলা, অগ্নিসন্ত্রাস এবং এরকম দাঙ্গা-হাঙ্গামা করে রাজনীতিতে সব সময় টিকে থাকতে চেয়েছিল। তাদেরকে ৫ আগস্টে পরাজিত ও প্রতিহত করেছিল বাংলাদেশের জনগণ।
বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসীর কাছে তিনি আহ্বান রেখে বলেন, আপনারা আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করুন। আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাসী, ফলে আপনারা তাদেরকে পুলিশে ধরিয়ে দিন, গ্রেফতারের ব্যবস্থা করুন। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে রাস্তাঘাট সর্বত্রই জনগণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
সাইফুল্লাহর পরিবারকে যে হত্যাচেষ্টা করা হলো, তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হলো আমরা কিছুদিন অপেক্ষা করব, প্রশাসন, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য তারা কি ব্যবস্থা নেয়।
তারা যদি ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয় তাহলে আমাদের যা করণীয় আমরা সেটা করব। আমরা ঘরে বসে থাকব না। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যদি যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করতে হয় তাহলে আমরা প্রস্তুত থাকব ইনশাআল্লাহ।
ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ভারত থেকে ধরে এনে হাসিনার ফাঁসির রায় কার্যকর যেন হয় আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি।
এ সময় তিনি ৪৭, ৭১, ৯০, ২৪ এবং শহীদ ওসমান হাদীসহ সব শহীদের জন্য ময়মনসিংহ বিভাগবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। সেই সঙ্গে তিনি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া কামনা করেন। তিনি ময়মনসিংহে বালু, বাসস্ট্যান্ডসহ সর্বক্ষেত্রে চাঁদাবাজি হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদ শুকিয়ে গেছে। এ নিয়ে অনেকে ব্যবসা করতে চায়। এসব প্রতিহত করতে হবে।
ইফতার মাহফিলে আরো বক্তব্য দেন ড. আতিক মোজাহিদ এমপি, ডা. জাহিদুল ইসলাম, ছাত্রশক্তির জাহিদ হাসান, শ্রমিক শক্তির তানহা শান্তা প্রমুখ।

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:২১
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ (রোববার) সরকারি সফরে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি চীন সফরে যাবেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুই দেশের সফরকে সামনে রেখে শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক, চুক্তি, কর্মপরিকল্পনা ও প্রোটোকল সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক দলিলে স্বাক্ষর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকা তিস্তা প্রকল্পও আলোচনার অন্যতম বিষয় হবে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। তিনি জানান, সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলকে সীমিত রাখা হয়েছে এবং এতে প্রায় ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সরকারের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
চীন সফরের অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ বা সামার দাভোস ফোরামের ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’। এতে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি যোগ দেবেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে।
মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, আঞ্চলিক সংযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২৬ জুন রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ (রোববার) সরকারি সফরে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি চীন সফরে যাবেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুই দেশের সফরকে সামনে রেখে শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক, চুক্তি, কর্মপরিকল্পনা ও প্রোটোকল সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক দলিলে স্বাক্ষর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকা তিস্তা প্রকল্পও আলোচনার অন্যতম বিষয় হবে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। তিনি জানান, সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলকে সীমিত রাখা হয়েছে এবং এতে প্রায় ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সরকারের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
চীন সফরের অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ বা সামার দাভোস ফোরামের ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’। এতে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি যোগ দেবেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে।
মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, আঞ্চলিক সংযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২৬ জুন রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণের কাছে গিয়ে আমাদের অবস্থান তুলে ধরব।
যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন হয় না, সেখানে আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।
সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে দেশের জনগণ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে। কোনো বিদেশি আধিপত্য বা আগ্রাসনের সামনে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ এবং মাওলানা মামুনুল হক।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণের কাছে গিয়ে আমাদের অবস্থান তুলে ধরব।
যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন হয় না, সেখানে আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।
সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে দেশের জনগণ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে। কোনো বিদেশি আধিপত্য বা আগ্রাসনের সামনে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ এবং মাওলানা মামুনুল হক।

২০ জুন, ২০২৬ ১২:২২
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (২০ জুন) সকাল ৯টার মধ্যে ৮ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক-সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আরেক বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস জানায়, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের সব বিভাগেই অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে। এ ধরনের আবহাওয়া পরিস্থিতি আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (২০ জুন) সকাল ৯টার মধ্যে ৮ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক-সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আরেক বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস জানায়, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের সব বিভাগেই অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে। এ ধরনের আবহাওয়া পরিস্থিতি আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।