
১৩ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪৯
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘অতি দ্রুত এই ফ্যাসিস্টের দোসর চুপ্পুকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে এবং তাকে গ্রেফতারের আওতায় আনতে হবে। তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, তার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি রয়েছে, তিনি গণহত্যা চলাকালে নির্বিকার ভূমিকা রেখেছিলেন’।
শুক্রবার (১৩ মার্চ ) বিকেলে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে এনসিপির বিভাগীয় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংসদকে সম্মান জানিয়ে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং অভিযোগ এবং সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও গতকাল আমরা সংসদে গিয়েছিলাম।
কারণ এত কারচুপির পরেও জনগণ আমাদের এবং ১১ দলীয় জোটের অনেককে নির্বাচিত করেছেন সংসদের কার্যক্রমকে বাস্তবায়ন করার জন্য, উচ্চকক্ষকে বাস্তবায়ন করার জন্য, সংবিধান সংস্কার করার জন্য।
আমরা সেই উদ্দেশ্যেই এবং সেই কমিটমেন্টেই সংসদে গিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম, এই সংসদে আমরা কোনো ফ্যাসিবাদের দোসরকে চাই না। ফ্যাসিবাদমুক্ত জাতীয় সংসদ দেখতে চাই।
নাহিদ বলেন, খুব ভালোভাবে শুরু হলেও পরে দেখা গেল ফ্যাসিবাদের দোসর রাষ্ট্রপতিকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হলো। এটি করে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে সংসদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করা হলো। রাষ্ট্রপতিকে বক্তৃতার সুযোগ দেওয়ার কারণে প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা ওয়াক আউট দিয়ে চলে এসেছি।
তিনি আরো বলেন, ময়মনসিংহের জুলাই সৈনিক সাইফুল্লাহর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে ফ্যাসিস্ট বাহিনীরা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।
আওয়ামী লীগ আসলে এমন একটি দল যারা গুপ্ত হামলা, অগ্নিসন্ত্রাস এবং এরকম দাঙ্গা-হাঙ্গামা করে রাজনীতিতে সব সময় টিকে থাকতে চেয়েছিল। তাদেরকে ৫ আগস্টে পরাজিত ও প্রতিহত করেছিল বাংলাদেশের জনগণ।
বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসীর কাছে তিনি আহ্বান রেখে বলেন, আপনারা আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করুন। আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাসী, ফলে আপনারা তাদেরকে পুলিশে ধরিয়ে দিন, গ্রেফতারের ব্যবস্থা করুন। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে রাস্তাঘাট সর্বত্রই জনগণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
সাইফুল্লাহর পরিবারকে যে হত্যাচেষ্টা করা হলো, তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হলো আমরা কিছুদিন অপেক্ষা করব, প্রশাসন, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য তারা কি ব্যবস্থা নেয়।
তারা যদি ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয় তাহলে আমাদের যা করণীয় আমরা সেটা করব। আমরা ঘরে বসে থাকব না। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যদি যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করতে হয় তাহলে আমরা প্রস্তুত থাকব ইনশাআল্লাহ।
ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ভারত থেকে ধরে এনে হাসিনার ফাঁসির রায় কার্যকর যেন হয় আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি।
এ সময় তিনি ৪৭, ৭১, ৯০, ২৪ এবং শহীদ ওসমান হাদীসহ সব শহীদের জন্য ময়মনসিংহ বিভাগবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। সেই সঙ্গে তিনি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া কামনা করেন। তিনি ময়মনসিংহে বালু, বাসস্ট্যান্ডসহ সর্বক্ষেত্রে চাঁদাবাজি হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদ শুকিয়ে গেছে। এ নিয়ে অনেকে ব্যবসা করতে চায়। এসব প্রতিহত করতে হবে।
ইফতার মাহফিলে আরো বক্তব্য দেন ড. আতিক মোজাহিদ এমপি, ডা. জাহিদুল ইসলাম, ছাত্রশক্তির জাহিদ হাসান, শ্রমিক শক্তির তানহা শান্তা প্রমুখ।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘অতি দ্রুত এই ফ্যাসিস্টের দোসর চুপ্পুকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে এবং তাকে গ্রেফতারের আওতায় আনতে হবে। তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, তার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি রয়েছে, তিনি গণহত্যা চলাকালে নির্বিকার ভূমিকা রেখেছিলেন’।
শুক্রবার (১৩ মার্চ ) বিকেলে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে এনসিপির বিভাগীয় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংসদকে সম্মান জানিয়ে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং অভিযোগ এবং সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও গতকাল আমরা সংসদে গিয়েছিলাম।
কারণ এত কারচুপির পরেও জনগণ আমাদের এবং ১১ দলীয় জোটের অনেককে নির্বাচিত করেছেন সংসদের কার্যক্রমকে বাস্তবায়ন করার জন্য, উচ্চকক্ষকে বাস্তবায়ন করার জন্য, সংবিধান সংস্কার করার জন্য।
আমরা সেই উদ্দেশ্যেই এবং সেই কমিটমেন্টেই সংসদে গিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম, এই সংসদে আমরা কোনো ফ্যাসিবাদের দোসরকে চাই না। ফ্যাসিবাদমুক্ত জাতীয় সংসদ দেখতে চাই।
নাহিদ বলেন, খুব ভালোভাবে শুরু হলেও পরে দেখা গেল ফ্যাসিবাদের দোসর রাষ্ট্রপতিকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হলো। এটি করে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে সংসদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করা হলো। রাষ্ট্রপতিকে বক্তৃতার সুযোগ দেওয়ার কারণে প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা ওয়াক আউট দিয়ে চলে এসেছি।
তিনি আরো বলেন, ময়মনসিংহের জুলাই সৈনিক সাইফুল্লাহর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে ফ্যাসিস্ট বাহিনীরা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।
আওয়ামী লীগ আসলে এমন একটি দল যারা গুপ্ত হামলা, অগ্নিসন্ত্রাস এবং এরকম দাঙ্গা-হাঙ্গামা করে রাজনীতিতে সব সময় টিকে থাকতে চেয়েছিল। তাদেরকে ৫ আগস্টে পরাজিত ও প্রতিহত করেছিল বাংলাদেশের জনগণ।
বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসীর কাছে তিনি আহ্বান রেখে বলেন, আপনারা আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করুন। আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাসী, ফলে আপনারা তাদেরকে পুলিশে ধরিয়ে দিন, গ্রেফতারের ব্যবস্থা করুন। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে রাস্তাঘাট সর্বত্রই জনগণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
সাইফুল্লাহর পরিবারকে যে হত্যাচেষ্টা করা হলো, তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হলো আমরা কিছুদিন অপেক্ষা করব, প্রশাসন, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য তারা কি ব্যবস্থা নেয়।
তারা যদি ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয় তাহলে আমাদের যা করণীয় আমরা সেটা করব। আমরা ঘরে বসে থাকব না। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যদি যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করতে হয় তাহলে আমরা প্রস্তুত থাকব ইনশাআল্লাহ।
ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ভারত থেকে ধরে এনে হাসিনার ফাঁসির রায় কার্যকর যেন হয় আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি।
এ সময় তিনি ৪৭, ৭১, ৯০, ২৪ এবং শহীদ ওসমান হাদীসহ সব শহীদের জন্য ময়মনসিংহ বিভাগবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। সেই সঙ্গে তিনি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া কামনা করেন। তিনি ময়মনসিংহে বালু, বাসস্ট্যান্ডসহ সর্বক্ষেত্রে চাঁদাবাজি হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদ শুকিয়ে গেছে। এ নিয়ে অনেকে ব্যবসা করতে চায়। এসব প্রতিহত করতে হবে।
ইফতার মাহফিলে আরো বক্তব্য দেন ড. আতিক মোজাহিদ এমপি, ডা. জাহিদুল ইসলাম, ছাত্রশক্তির জাহিদ হাসান, শ্রমিক শক্তির তানহা শান্তা প্রমুখ।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৮
জাতীয় গ্রিড লাইনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুর আড়াইটা থেকে এই ইউনিট দুটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এতে সাময়িকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কিছুটা কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে তিনটি ইউনিট উৎপাদনে রয়েছে।
দুপুরে হঠাৎ জাতীয় গ্রিড লাইনে ত্রুটি দেখা দিলে গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নর্থ ইউনিট এবং ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ইস্ট ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
এ বিষয়ে আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক মোহা. আব্দুল মজিদ জানান, গ্রিড লাইনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় দুটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর কারিগরি দল দ্রুত ত্রুটি নিরসনে কাজ শুরু করেছে।
তিনি আরও জানান, ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নর্থ ইউনিটটি দ্রুত চালু করার চেষ্টা চলছে এবং এটি অল্প সময়ের মধ্যেই উৎপাদনে ফিরতে পারে।
তবে ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ইস্ট ইউনিটের ত্রুটি নিরসনে জার্মানির সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিবিদদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ইউনিটটি পুনরায় চালু করতে অন্তত তিন দিন সময় লাগতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং দ্রুত উৎপাদন স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে।
জাতীয় গ্রিড লাইনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুর আড়াইটা থেকে এই ইউনিট দুটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এতে সাময়িকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কিছুটা কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে তিনটি ইউনিট উৎপাদনে রয়েছে।
দুপুরে হঠাৎ জাতীয় গ্রিড লাইনে ত্রুটি দেখা দিলে গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নর্থ ইউনিট এবং ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ইস্ট ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
এ বিষয়ে আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক মোহা. আব্দুল মজিদ জানান, গ্রিড লাইনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় দুটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর কারিগরি দল দ্রুত ত্রুটি নিরসনে কাজ শুরু করেছে।
তিনি আরও জানান, ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নর্থ ইউনিটটি দ্রুত চালু করার চেষ্টা চলছে এবং এটি অল্প সময়ের মধ্যেই উৎপাদনে ফিরতে পারে।
তবে ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ইস্ট ইউনিটের ত্রুটি নিরসনে জার্মানির সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিবিদদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ইউনিটটি পুনরায় চালু করতে অন্তত তিন দিন সময় লাগতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং দ্রুত উৎপাদন স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৬
উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা এই মুহূর্তে দেশের বাইরে নেওয়ার মতো না থাকায় চিকিৎসকরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মির্জা আব্বাস বর্তমানে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি বলেন, আপাতত মির্জা আব্বাসকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না। তার পরিবার দেশের চিকিৎসার ওপর আস্থা রেখেছে। তবে পরবর্তীতে মেডিকেল বোর্ড প্রয়োজন মনে করলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
তিনি জানান, শুক্রবার মির্জা আব্বাসের চিকিৎসা ইস্যুতে একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বৈঠক করে। সেখানে উনার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে চিকিৎসকরা মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সম্মতিও নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী অস্ত্রোপচারের জন্য শুক্রবার ৩টা ১০ মিনিটে উনাকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়।
এর আগে জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এভারকেয়ারে গিয়ে মির্জা আব্বাসের খোঁজখবর নেন। এ সময় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তার চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, মির্জা আব্বাসের দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে তার পরিবার।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারের সময় অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে তাকে রাজধানীর বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।
উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা এই মুহূর্তে দেশের বাইরে নেওয়ার মতো না থাকায় চিকিৎসকরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মির্জা আব্বাস বর্তমানে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি বলেন, আপাতত মির্জা আব্বাসকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না। তার পরিবার দেশের চিকিৎসার ওপর আস্থা রেখেছে। তবে পরবর্তীতে মেডিকেল বোর্ড প্রয়োজন মনে করলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
তিনি জানান, শুক্রবার মির্জা আব্বাসের চিকিৎসা ইস্যুতে একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বৈঠক করে। সেখানে উনার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে চিকিৎসকরা মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সম্মতিও নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী অস্ত্রোপচারের জন্য শুক্রবার ৩টা ১০ মিনিটে উনাকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়।
এর আগে জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এভারকেয়ারে গিয়ে মির্জা আব্বাসের খোঁজখবর নেন। এ সময় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তার চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, মির্জা আব্বাসের দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে তার পরিবার।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারের সময় অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে তাকে রাজধানীর বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৪৪
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে দেখতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জুমার নামাজের পর তিনি সেখানে যাবেন তিনি।
শুক্রবার ( ১৩ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব সুজন মাহমুদ গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। এদিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসকে আইসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার শারীরিক অবস্থার সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন বলে সাংবাদিকদের জানান সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, তাকে (মির্জা আব্বাস) হাসপাতালে নিউরো আইসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং তার শারীরিক অবস্থা তাকে অবহিত করা হচ্ছে।
মির্জা আব্বাসের সুচিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে জানিয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, বোর্ডে দেশের সিনিয়র নিউরো বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে নেওয়ারও প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
এর আগে বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ করেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মির্জা আব্বাস। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গভীর রাতে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে দেখতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জুমার নামাজের পর তিনি সেখানে যাবেন তিনি।
শুক্রবার ( ১৩ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব সুজন মাহমুদ গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। এদিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসকে আইসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার শারীরিক অবস্থার সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন বলে সাংবাদিকদের জানান সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, তাকে (মির্জা আব্বাস) হাসপাতালে নিউরো আইসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং তার শারীরিক অবস্থা তাকে অবহিত করা হচ্ছে।
মির্জা আব্বাসের সুচিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে জানিয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, বোর্ডে দেশের সিনিয়র নিউরো বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে নেওয়ারও প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
এর আগে বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ করেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মির্জা আব্বাস। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গভীর রাতে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.