
১৩ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪৯
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘অতি দ্রুত এই ফ্যাসিস্টের দোসর চুপ্পুকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে এবং তাকে গ্রেফতারের আওতায় আনতে হবে। তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, তার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি রয়েছে, তিনি গণহত্যা চলাকালে নির্বিকার ভূমিকা রেখেছিলেন’।
শুক্রবার (১৩ মার্চ ) বিকেলে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে এনসিপির বিভাগীয় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংসদকে সম্মান জানিয়ে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং অভিযোগ এবং সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও গতকাল আমরা সংসদে গিয়েছিলাম।
কারণ এত কারচুপির পরেও জনগণ আমাদের এবং ১১ দলীয় জোটের অনেককে নির্বাচিত করেছেন সংসদের কার্যক্রমকে বাস্তবায়ন করার জন্য, উচ্চকক্ষকে বাস্তবায়ন করার জন্য, সংবিধান সংস্কার করার জন্য।
আমরা সেই উদ্দেশ্যেই এবং সেই কমিটমেন্টেই সংসদে গিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম, এই সংসদে আমরা কোনো ফ্যাসিবাদের দোসরকে চাই না। ফ্যাসিবাদমুক্ত জাতীয় সংসদ দেখতে চাই।
নাহিদ বলেন, খুব ভালোভাবে শুরু হলেও পরে দেখা গেল ফ্যাসিবাদের দোসর রাষ্ট্রপতিকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হলো। এটি করে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে সংসদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করা হলো। রাষ্ট্রপতিকে বক্তৃতার সুযোগ দেওয়ার কারণে প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা ওয়াক আউট দিয়ে চলে এসেছি।
তিনি আরো বলেন, ময়মনসিংহের জুলাই সৈনিক সাইফুল্লাহর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে ফ্যাসিস্ট বাহিনীরা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।
আওয়ামী লীগ আসলে এমন একটি দল যারা গুপ্ত হামলা, অগ্নিসন্ত্রাস এবং এরকম দাঙ্গা-হাঙ্গামা করে রাজনীতিতে সব সময় টিকে থাকতে চেয়েছিল। তাদেরকে ৫ আগস্টে পরাজিত ও প্রতিহত করেছিল বাংলাদেশের জনগণ।
বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসীর কাছে তিনি আহ্বান রেখে বলেন, আপনারা আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করুন। আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাসী, ফলে আপনারা তাদেরকে পুলিশে ধরিয়ে দিন, গ্রেফতারের ব্যবস্থা করুন। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে রাস্তাঘাট সর্বত্রই জনগণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
সাইফুল্লাহর পরিবারকে যে হত্যাচেষ্টা করা হলো, তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হলো আমরা কিছুদিন অপেক্ষা করব, প্রশাসন, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য তারা কি ব্যবস্থা নেয়।
তারা যদি ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয় তাহলে আমাদের যা করণীয় আমরা সেটা করব। আমরা ঘরে বসে থাকব না। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যদি যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করতে হয় তাহলে আমরা প্রস্তুত থাকব ইনশাআল্লাহ।
ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ভারত থেকে ধরে এনে হাসিনার ফাঁসির রায় কার্যকর যেন হয় আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি।
এ সময় তিনি ৪৭, ৭১, ৯০, ২৪ এবং শহীদ ওসমান হাদীসহ সব শহীদের জন্য ময়মনসিংহ বিভাগবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। সেই সঙ্গে তিনি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া কামনা করেন। তিনি ময়মনসিংহে বালু, বাসস্ট্যান্ডসহ সর্বক্ষেত্রে চাঁদাবাজি হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদ শুকিয়ে গেছে। এ নিয়ে অনেকে ব্যবসা করতে চায়। এসব প্রতিহত করতে হবে।
ইফতার মাহফিলে আরো বক্তব্য দেন ড. আতিক মোজাহিদ এমপি, ডা. জাহিদুল ইসলাম, ছাত্রশক্তির জাহিদ হাসান, শ্রমিক শক্তির তানহা শান্তা প্রমুখ।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘অতি দ্রুত এই ফ্যাসিস্টের দোসর চুপ্পুকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে এবং তাকে গ্রেফতারের আওতায় আনতে হবে। তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, তার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি রয়েছে, তিনি গণহত্যা চলাকালে নির্বিকার ভূমিকা রেখেছিলেন’।
শুক্রবার (১৩ মার্চ ) বিকেলে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে এনসিপির বিভাগীয় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংসদকে সম্মান জানিয়ে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং অভিযোগ এবং সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও গতকাল আমরা সংসদে গিয়েছিলাম।
কারণ এত কারচুপির পরেও জনগণ আমাদের এবং ১১ দলীয় জোটের অনেককে নির্বাচিত করেছেন সংসদের কার্যক্রমকে বাস্তবায়ন করার জন্য, উচ্চকক্ষকে বাস্তবায়ন করার জন্য, সংবিধান সংস্কার করার জন্য।
আমরা সেই উদ্দেশ্যেই এবং সেই কমিটমেন্টেই সংসদে গিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম, এই সংসদে আমরা কোনো ফ্যাসিবাদের দোসরকে চাই না। ফ্যাসিবাদমুক্ত জাতীয় সংসদ দেখতে চাই।
নাহিদ বলেন, খুব ভালোভাবে শুরু হলেও পরে দেখা গেল ফ্যাসিবাদের দোসর রাষ্ট্রপতিকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হলো। এটি করে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে সংসদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করা হলো। রাষ্ট্রপতিকে বক্তৃতার সুযোগ দেওয়ার কারণে প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা ওয়াক আউট দিয়ে চলে এসেছি।
তিনি আরো বলেন, ময়মনসিংহের জুলাই সৈনিক সাইফুল্লাহর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে ফ্যাসিস্ট বাহিনীরা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।
আওয়ামী লীগ আসলে এমন একটি দল যারা গুপ্ত হামলা, অগ্নিসন্ত্রাস এবং এরকম দাঙ্গা-হাঙ্গামা করে রাজনীতিতে সব সময় টিকে থাকতে চেয়েছিল। তাদেরকে ৫ আগস্টে পরাজিত ও প্রতিহত করেছিল বাংলাদেশের জনগণ।
বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসীর কাছে তিনি আহ্বান রেখে বলেন, আপনারা আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করুন। আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাসী, ফলে আপনারা তাদেরকে পুলিশে ধরিয়ে দিন, গ্রেফতারের ব্যবস্থা করুন। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে রাস্তাঘাট সর্বত্রই জনগণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
সাইফুল্লাহর পরিবারকে যে হত্যাচেষ্টা করা হলো, তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হলো আমরা কিছুদিন অপেক্ষা করব, প্রশাসন, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য তারা কি ব্যবস্থা নেয়।
তারা যদি ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয় তাহলে আমাদের যা করণীয় আমরা সেটা করব। আমরা ঘরে বসে থাকব না। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যদি যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করতে হয় তাহলে আমরা প্রস্তুত থাকব ইনশাআল্লাহ।
ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ভারত থেকে ধরে এনে হাসিনার ফাঁসির রায় কার্যকর যেন হয় আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি।
এ সময় তিনি ৪৭, ৭১, ৯০, ২৪ এবং শহীদ ওসমান হাদীসহ সব শহীদের জন্য ময়মনসিংহ বিভাগবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। সেই সঙ্গে তিনি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া কামনা করেন। তিনি ময়মনসিংহে বালু, বাসস্ট্যান্ডসহ সর্বক্ষেত্রে চাঁদাবাজি হচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদ শুকিয়ে গেছে। এ নিয়ে অনেকে ব্যবসা করতে চায়। এসব প্রতিহত করতে হবে।
ইফতার মাহফিলে আরো বক্তব্য দেন ড. আতিক মোজাহিদ এমপি, ডা. জাহিদুল ইসলাম, ছাত্রশক্তির জাহিদ হাসান, শ্রমিক শক্তির তানহা শান্তা প্রমুখ।
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১

২৬ মে, ২০২৬ ১৬:২৩
সাভারে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ইজারা ছাড়াই গরুর হাট বসিয়েছেন।
এতে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে হাসিলের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। তবে, ইজারা ছাড়া হাট বসানোর দুইদিন পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে সাদুল্ল্যাপুর বাজারে বাসানো হয়েছে ওই অবৈধ পশুর হাটটি। সাভার থেকে গরু কিনতে এসেছেন হামিদুল ইসলাম। তিনি জানান, সাভারের বিরুলিয়ার সাদুল্ল্যাপুর বাজারের হাটে অনেক গরু ও ছাগল ওঠেছে। সেখানে তুলনামূলক দাম ঠিক আছে।
এ সময় ক্রেতাদের থেকে হাসিল কত করে নেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, হাটের সামনেই হাসিল ঘর বসিয়েছে। সেখানে শতকরা ৪ শতাংশ করে হাসিল নিচ্ছে হাট কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে শরীফ নামে আরও এক ক্রেতা জানান, এ বছর এই হাটের কোনো ইজারা হয়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন মিলে হাট বসিয়েছে।
পশু কিনে বের হওয়ার সময় হাটের সামনেই গেটে হাসিল ঘরে বসিয়ে জাহাঙ্গীর হাসিলের টাকা নিচ্ছেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারা প্রভাবশালী তাই ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেউ হাটে কিছু বলতে পারে না বলে জানান তিনি।
হাটের বিষয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই হাটের কোনো ইজারা আমরা নেইনি। তবে, আমরা র্দীঘ ১৭ বছর পালিয়ে ছিলাম।
অনেক মামলার শিকার হয়েছি। এখন আমাদের দল ক্ষমতায়। তারপরেও যদি আমরা হাট না করতে পারি, তাহলে আর কি হল। উপজেলায় পরে আমরা হাটের বিষয়টি জানিয়ে দিব বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা অবহিত হয়েছি। ওইখানে কোনো হাটের ইজারা দেওয়া হয়নি। তবে, ওই হাট থেকে খাস কালেকশন করা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
সাভারে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ইজারা ছাড়াই গরুর হাট বসিয়েছেন।
এতে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে হাসিলের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। তবে, ইজারা ছাড়া হাট বসানোর দুইদিন পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে সাদুল্ল্যাপুর বাজারে বাসানো হয়েছে ওই অবৈধ পশুর হাটটি। সাভার থেকে গরু কিনতে এসেছেন হামিদুল ইসলাম। তিনি জানান, সাভারের বিরুলিয়ার সাদুল্ল্যাপুর বাজারের হাটে অনেক গরু ও ছাগল ওঠেছে। সেখানে তুলনামূলক দাম ঠিক আছে।
এ সময় ক্রেতাদের থেকে হাসিল কত করে নেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, হাটের সামনেই হাসিল ঘর বসিয়েছে। সেখানে শতকরা ৪ শতাংশ করে হাসিল নিচ্ছে হাট কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে শরীফ নামে আরও এক ক্রেতা জানান, এ বছর এই হাটের কোনো ইজারা হয়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন মিলে হাট বসিয়েছে।
পশু কিনে বের হওয়ার সময় হাটের সামনেই গেটে হাসিল ঘরে বসিয়ে জাহাঙ্গীর হাসিলের টাকা নিচ্ছেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারা প্রভাবশালী তাই ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেউ হাটে কিছু বলতে পারে না বলে জানান তিনি।
হাটের বিষয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই হাটের কোনো ইজারা আমরা নেইনি। তবে, আমরা র্দীঘ ১৭ বছর পালিয়ে ছিলাম।
অনেক মামলার শিকার হয়েছি। এখন আমাদের দল ক্ষমতায়। তারপরেও যদি আমরা হাট না করতে পারি, তাহলে আর কি হল। উপজেলায় পরে আমরা হাটের বিষয়টি জানিয়ে দিব বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা অবহিত হয়েছি। ওইখানে কোনো হাটের ইজারা দেওয়া হয়নি। তবে, ওই হাট থেকে খাস কালেকশন করা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

২৬ মে, ২০২৬ ১৩:৩১
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমসিএস) এরই মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৬।
ইএমসিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। আর ময়মনসিংহ থেকে উৎপত্তিস্থল ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং সখিপুর থেকে ২২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। এর ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২৪ দশমিক ৩৩ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০ দশমিক ৩৯ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের সৃষ্টি হয় বলেও জানায় সংস্থাটি। বাংলাদেশ ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পেশাগত সহকারী নিজাম উদ্দীন আহমেদ জানান, ময়মনসিংহের ভালুকার আমতলীতে একটি মৃদু কম্পন হয়েছে। ঢাকা থেকে স্থানটি ৬১ কিমি উত্তরে অবস্থিত।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমসিএস) এরই মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৬।
ইএমসিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। আর ময়মনসিংহ থেকে উৎপত্তিস্থল ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং সখিপুর থেকে ২২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। এর ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২৪ দশমিক ৩৩ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০ দশমিক ৩৯ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের সৃষ্টি হয় বলেও জানায় সংস্থাটি। বাংলাদেশ ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পেশাগত সহকারী নিজাম উদ্দীন আহমেদ জানান, ময়মনসিংহের ভালুকার আমতলীতে একটি মৃদু কম্পন হয়েছে। ঢাকা থেকে স্থানটি ৬১ কিমি উত্তরে অবস্থিত।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:০৬
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে সৌদি আরবে। আজ সোমবার, ৮ জিলহজ থেকে হজের মূল কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা হজযাত্রীরা মক্কা থেকে মিনার দিকে যাত্রা শুরু করেছেন। খবর সৌদি গেজেটের।
গতকাল রোববার রাত থেকেই হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান হিসেবে তালবিয়া পাঠ করতে করতে মিনার দিকে রওনা হন। মিনাকে তাঁবুর নগরী বলা হয়, যেখানে হজের প্রাথমিক পর্যায়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৫ লাখের বেশি হজযাত্রী ইতোমধ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। তাদের সঙ্গে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ হজযাত্রীরাও যুক্ত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, হজযাত্রীদের মিনায় স্থানান্তর, থাকা-খাওয়া এবং পরিবহন ব্যবস্থা আগে থেকেই সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। তাঁবুতে প্রবেশ, নির্দেশনা প্রদান এবং সেবা ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ সমন্বিত ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
এছাড়া মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও নজরদারি চালানো হচ্ছে, যাতে হজযাত্রীদের কোনো ধরনের সমস্যা না হয় এবং সব সেবা নির্বিঘ্নে নিশ্চিত করা যায়।
ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী, ‘ইয়াওমুত তারবিয়া’ দিন থেকে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়, যা পরবর্তী কয়েক দিনে হজের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কার্যক্রমের দিকে এগিয়ে যাবে।
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে সৌদি আরবে। আজ সোমবার, ৮ জিলহজ থেকে হজের মূল কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা হজযাত্রীরা মক্কা থেকে মিনার দিকে যাত্রা শুরু করেছেন। খবর সৌদি গেজেটের।
গতকাল রোববার রাত থেকেই হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান হিসেবে তালবিয়া পাঠ করতে করতে মিনার দিকে রওনা হন। মিনাকে তাঁবুর নগরী বলা হয়, যেখানে হজের প্রাথমিক পর্যায়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৫ লাখের বেশি হজযাত্রী ইতোমধ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। তাদের সঙ্গে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ হজযাত্রীরাও যুক্ত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, হজযাত্রীদের মিনায় স্থানান্তর, থাকা-খাওয়া এবং পরিবহন ব্যবস্থা আগে থেকেই সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। তাঁবুতে প্রবেশ, নির্দেশনা প্রদান এবং সেবা ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ সমন্বিত ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
এছাড়া মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও নজরদারি চালানো হচ্ছে, যাতে হজযাত্রীদের কোনো ধরনের সমস্যা না হয় এবং সব সেবা নির্বিঘ্নে নিশ্চিত করা যায়।
ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী, ‘ইয়াওমুত তারবিয়া’ দিন থেকে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়, যা পরবর্তী কয়েক দিনে হজের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কার্যক্রমের দিকে এগিয়ে যাবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.