অপরিশোধিত (ক্রুড) তেলের তীব্র সংকটে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেডের (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার বিকেলে (১২ এপ্রিল) শেষবারের মতো উৎপাদন চালানোর পর কার্যক্রম স্থগিত করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উত্তেজনার জেরে সৃষ্ট অস্থিরতায় গত প্রায় দুই মাস ধরে দেশে ক্রুড তেল আমদানি কার্যত বন্ধ রয়েছে। এতে কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন ইআরএল সংশ্লিষ্টরা। তবে জ্বালানি বিভাগ বলছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব পড়বে না।
ডেডস্টক দিয়ে শেষ চেষ্টা
ইআরএল কর্মকর্তারা জানান, উৎপাদন সচল রাখতে সর্বশেষ পর্যায়ে মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় পাঁচ হাজার টন এবং ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা (ডেডস্টক) ক্রুড তেল ব্যবহার করা হয়। সাধারণত এই ডেডস্টক সরাসরি ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এতে ময়লা ও বর্জ্য জমে থাকে।
এক কর্মকর্তা বলেন, ডেডস্টকের তেলে থাকা বর্জ্য পাম্পে আটকে যেতে পারে, এতে যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই এটি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। আরেক কর্মকর্তা জানান, ট্যাংকের তলানির ব্যবহারযোগ্য সীমা ১ দশমিক ৫ মিটার হলেও তা রোববার এক মিটারের নিচে নেমে আসে। ফলে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া আর সম্ভব হয়নি।
উৎপাদন কমিয়ে আনা হয়েছিল আগেই
ইআরএল সাধারণত প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার হাজার টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে। তবে সংকট শুরুর পর গত মাস থেকেই উৎপাদন কমিয়ে দৈনিক সাড়ে তিন হাজার টনে নামিয়ে আনা হয়। সর্বশেষ পর্যায়ে ব্যবহারযোগ্য মজুত দুই হাজার টনের নিচে নেমে যায়।
আমদানি বন্ধের প্রভাব
দেশে সর্বশেষ ক্রুড তেলের চালান আসে ১৮ ফেব্রুয়ারি। এরপর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ায় আমদানি ব্যাহত হয়। এর ফলে সৌদি আরবের রাস তানুরা ও আবুধাবি থেকে নির্ধারিত দুটি চালান বাতিল করতে হয়েছে। ফলে টানা ৫৪ দিন কোনো ক্রুড তেল দেশে আসেনি, যা ইআরএলের ইতিহাসে বিরল ঘটনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিকল্প পথে নতুন চালান
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, সৌদি আরামকোর কাছ থেকে এক লাখ টন ক্রুড তেল আমদানির নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এ জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল চালানটি জাহাজীকরণের কথা রয়েছে। এই চালান পারস্য উপসাগর এড়িয়ে সরাসরি আরব সাগর হয়ে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সীমিত সক্ষমতা, নির্ভরতা বেশি
ইআরএলে মূলত সৌদি আরবের ‘অ্যারাবিয়ান লাইট’ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘মারবান’ ক্রুড পরিশোধন করা যায়। অন্য ধরনের ক্রুড প্রক্রিয়াজাত করার সক্ষমতা নেই। এ কারণে বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত তেল সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সরকার মালয়েশিয়াভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এক লাখ টন ক্রুড তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে, তবে এর ব্যয় এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
মজুতেই ভরসা
বিপিসির তথ্যমতে, দেশে বছরে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন ক্রুড তেল, যা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়। বাকি প্রায় ৪৫ লাখ টন পরিশোধিত তেল সরাসরি আমদানি করা হয় ভারত, চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে।
মার্চ মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে ১৭টি জাহাজে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল আসে। এর মধ্যে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে দুই লাখ ৩১ হাজার টনের বেশি ডিজেল আমদানি করা হয়। এপ্রিলেও কয়েকটি চালান এসে পৌঁছেছে।
তাৎক্ষণিক সংকট নেই
জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ হলেও আপাতত জ্বালানি সরবরাহে কোনো বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে না। কারণ, যুদ্ধ শুরুর পর বেশি দামে হলেও সরকার আগাম পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি বাড়িয়ে মজুত নিশ্চিত করেছে।
তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪৭
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন, পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়, পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু, সেবক এবং আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগকারী। তিনি বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব, সততা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
রোববার (২ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদায় ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের (১ম পর্যায়) সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সাইবার অপরাধ, ডিজিটাল প্রতারণা, অনলাইন জালিয়াতি ও প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করতে হবে। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের মাধ্যমে পুলিশকে একটি মানবিক ও জনমুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পুলিশ বাহিনীর প্রধান শক্তি হলো জনগণের আস্থা। তাই কোনো প্রকার রাজনৈতিক প্রভাব, পক্ষপাতিত্ব বা গোষ্ঠীগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সংবিধান ও আইনের প্রতি আনুগত্য বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশপ্রেম, সততা, পেশাদারিত্ব ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারী কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের জনগণের কল্যাণে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ সময় বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য তিনজন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’

০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫৮
সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের একটি ফ্ল্যাট জব্দ ও সেখানে থাকা মালামালের তালিকা তৈরির কার্যক্রম চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৯ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল এ অভিযান শুরু করে। অভিযানে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্তিচিত করেন।
তিনি জানান, মিরপুর ডিওএইচএসের ৩১ নম্বর সড়কের ৫৪১ নম্বর প্লটের এল-৩ নম্বর ফ্ল্যাটে অভিযান চলছে। ফ্ল্যাটটি জব্দ করার পাশাপাশি সেখানে থাকা আসবাবপত্র, মূল্যবান সামগ্রী ও অন্যান্য মালামালের তালিকা তৈরি করছেন দুদকের কর্মকর্তারা।
তবে অভিযান চলমান থাকায় ফ্ল্যাটটিতে কী পরিমাণ সম্পদ বা কী ধরনের মালামাল পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।’

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩০
অপরিশোধিত (ক্রুড) তেলের তীব্র সংকটে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেডের (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার বিকেলে (১২ এপ্রিল) শেষবারের মতো উৎপাদন চালানোর পর কার্যক্রম স্থগিত করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উত্তেজনার জেরে সৃষ্ট অস্থিরতায় গত প্রায় দুই মাস ধরে দেশে ক্রুড তেল আমদানি কার্যত বন্ধ রয়েছে। এতে কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন ইআরএল সংশ্লিষ্টরা। তবে জ্বালানি বিভাগ বলছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব পড়বে না।
ডেডস্টক দিয়ে শেষ চেষ্টা
ইআরএল কর্মকর্তারা জানান, উৎপাদন সচল রাখতে সর্বশেষ পর্যায়ে মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় পাঁচ হাজার টন এবং ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা (ডেডস্টক) ক্রুড তেল ব্যবহার করা হয়। সাধারণত এই ডেডস্টক সরাসরি ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এতে ময়লা ও বর্জ্য জমে থাকে।
এক কর্মকর্তা বলেন, ডেডস্টকের তেলে থাকা বর্জ্য পাম্পে আটকে যেতে পারে, এতে যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই এটি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। আরেক কর্মকর্তা জানান, ট্যাংকের তলানির ব্যবহারযোগ্য সীমা ১ দশমিক ৫ মিটার হলেও তা রোববার এক মিটারের নিচে নেমে আসে। ফলে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া আর সম্ভব হয়নি।
উৎপাদন কমিয়ে আনা হয়েছিল আগেই
ইআরএল সাধারণত প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার হাজার টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে। তবে সংকট শুরুর পর গত মাস থেকেই উৎপাদন কমিয়ে দৈনিক সাড়ে তিন হাজার টনে নামিয়ে আনা হয়। সর্বশেষ পর্যায়ে ব্যবহারযোগ্য মজুত দুই হাজার টনের নিচে নেমে যায়।
আমদানি বন্ধের প্রভাব
দেশে সর্বশেষ ক্রুড তেলের চালান আসে ১৮ ফেব্রুয়ারি। এরপর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ায় আমদানি ব্যাহত হয়। এর ফলে সৌদি আরবের রাস তানুরা ও আবুধাবি থেকে নির্ধারিত দুটি চালান বাতিল করতে হয়েছে। ফলে টানা ৫৪ দিন কোনো ক্রুড তেল দেশে আসেনি, যা ইআরএলের ইতিহাসে বিরল ঘটনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিকল্প পথে নতুন চালান
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, সৌদি আরামকোর কাছ থেকে এক লাখ টন ক্রুড তেল আমদানির নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এ জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল চালানটি জাহাজীকরণের কথা রয়েছে। এই চালান পারস্য উপসাগর এড়িয়ে সরাসরি আরব সাগর হয়ে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সীমিত সক্ষমতা, নির্ভরতা বেশি
ইআরএলে মূলত সৌদি আরবের ‘অ্যারাবিয়ান লাইট’ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘মারবান’ ক্রুড পরিশোধন করা যায়। অন্য ধরনের ক্রুড প্রক্রিয়াজাত করার সক্ষমতা নেই। এ কারণে বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত তেল সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সরকার মালয়েশিয়াভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এক লাখ টন ক্রুড তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে, তবে এর ব্যয় এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
মজুতেই ভরসা
বিপিসির তথ্যমতে, দেশে বছরে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন ক্রুড তেল, যা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়। বাকি প্রায় ৪৫ লাখ টন পরিশোধিত তেল সরাসরি আমদানি করা হয় ভারত, চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে।
মার্চ মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে ১৭টি জাহাজে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল আসে। এর মধ্যে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে দুই লাখ ৩১ হাজার টনের বেশি ডিজেল আমদানি করা হয়। এপ্রিলেও কয়েকটি চালান এসে পৌঁছেছে।
তাৎক্ষণিক সংকট নেই
জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ হলেও আপাতত জ্বালানি সরবরাহে কোনো বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে না। কারণ, যুদ্ধ শুরুর পর বেশি দামে হলেও সরকার আগাম পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি বাড়িয়ে মজুত নিশ্চিত করেছে।
তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন, পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়, পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু, সেবক এবং আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগকারী। তিনি বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব, সততা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
রোববার (২ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদায় ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের (১ম পর্যায়) সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সাইবার অপরাধ, ডিজিটাল প্রতারণা, অনলাইন জালিয়াতি ও প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করতে হবে। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের মাধ্যমে পুলিশকে একটি মানবিক ও জনমুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পুলিশ বাহিনীর প্রধান শক্তি হলো জনগণের আস্থা। তাই কোনো প্রকার রাজনৈতিক প্রভাব, পক্ষপাতিত্ব বা গোষ্ঠীগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সংবিধান ও আইনের প্রতি আনুগত্য বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশপ্রেম, সততা, পেশাদারিত্ব ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারী কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের জনগণের কল্যাণে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ সময় বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য তিনজন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’
সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে আনাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। শনিবার (০১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর যৌথ উদ্যোগে ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক ফটো অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন এবং বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে আমরা যখন গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিচর্চা করতে চাই এবং জাতীয় সংসদকে একটি কার্যকর সংসদীয় সংস্কৃতির ধারায় এগিয়ে নিতে চাই, তখন দেখা যায় কেউ কেউ সংসদের চেয়ে রাজপথকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।সরকার ষড়যন্ত্রের গভীরতা সম্পর্কে সচেতন। তবে দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে তারা উত্তেজনা নয়, বরং গঠনমূলক সমাধানেই বিশ্বাসী।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বুঝি বলেই দায়িত্বশীল আচরণ করি, অভিভাবকের ভাষায় কথা বলি। সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে আনাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে। প্রতিক্রিয়াশীল ও উসকানিমূলক বক্তব্য কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দূষিত পরিবেশ সৃষ্টি করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা যায় না।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং একটি স্বাধীন, স্বনির্ভর ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই আন্দোলনের পর্ব শেষ হয়েছে। এখন দেশ গঠনের সময়।’
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘এখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব দেশ গড়া। যারা সমস্যা তৈরি করবে, তাদের সঙ্গে প্রথমে গঠনমূলকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে রাষ্ট্র, দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবে না।’
তিনি বলেন, দীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আলোকচিত্র গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে কাজ করবে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতন্ত্র ও আন্দোলনের ইতিহাস জানতে সহায়তা করবে।
অনুষ্ঠানে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। এই আন্দোলনের ত্যাগ, নির্যাতন ও আত্মদানের বাস্তব চিত্র তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে।
তিনি বলেন, এই প্রদর্শনী অতীতের নির্মমতা স্মরণ করিয়ে দেবে এবং ভবিষ্যতে যেন দেশে আর কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ১৬ বছরের আন্দোলন, শোষণ, নিপীড়ন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। তিনি শহিদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বিপিজেএর সভাপতি এ কে এম মহসীন বলেন, ফটোসাংবাদিকরা ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে, এমনকি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করেন। অথচ তাদের প্রাপ্য সম্মান ও মূল্যায়ন অনেক সময় করা হয় না, যা দুঃখজনক।
তিনি বলেন, ফটোসাংবাদিকদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। তাদের মূল্যায়ন করা উচিত। এ সময় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিগত ১৭ বছরের আন্দোলনে আহত ফটোসাংবাদিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করেছেন।
সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বলেন, জুলাই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা একক গোষ্ঠীর অর্জন নয়; এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সংগ্রাম। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে কেউ কেউ জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে দাবি করে বিভাজন সৃষ্টি করছেন, যা আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থি।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্যাতনের শিকার হলেও তা নিয়ে কখনো রাজনৈতিক প্রচারণা করেননি।’
সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে আনাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। শনিবার (০১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর যৌথ উদ্যোগে ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক ফটো অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন এবং বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে আমরা যখন গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিচর্চা করতে চাই এবং জাতীয় সংসদকে একটি কার্যকর সংসদীয় সংস্কৃতির ধারায় এগিয়ে নিতে চাই, তখন দেখা যায় কেউ কেউ সংসদের চেয়ে রাজপথকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।সরকার ষড়যন্ত্রের গভীরতা সম্পর্কে সচেতন। তবে দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে তারা উত্তেজনা নয়, বরং গঠনমূলক সমাধানেই বিশ্বাসী।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বুঝি বলেই দায়িত্বশীল আচরণ করি, অভিভাবকের ভাষায় কথা বলি। সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে আনাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে। প্রতিক্রিয়াশীল ও উসকানিমূলক বক্তব্য কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দূষিত পরিবেশ সৃষ্টি করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা যায় না।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং একটি স্বাধীন, স্বনির্ভর ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই আন্দোলনের পর্ব শেষ হয়েছে। এখন দেশ গঠনের সময়।’
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘এখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব দেশ গড়া। যারা সমস্যা তৈরি করবে, তাদের সঙ্গে প্রথমে গঠনমূলকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে রাষ্ট্র, দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবে না।’
তিনি বলেন, দীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আলোকচিত্র গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে কাজ করবে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতন্ত্র ও আন্দোলনের ইতিহাস জানতে সহায়তা করবে।
অনুষ্ঠানে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। এই আন্দোলনের ত্যাগ, নির্যাতন ও আত্মদানের বাস্তব চিত্র তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে।
তিনি বলেন, এই প্রদর্শনী অতীতের নির্মমতা স্মরণ করিয়ে দেবে এবং ভবিষ্যতে যেন দেশে আর কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ১৬ বছরের আন্দোলন, শোষণ, নিপীড়ন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। তিনি শহিদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বিপিজেএর সভাপতি এ কে এম মহসীন বলেন, ফটোসাংবাদিকরা ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে, এমনকি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করেন। অথচ তাদের প্রাপ্য সম্মান ও মূল্যায়ন অনেক সময় করা হয় না, যা দুঃখজনক।
তিনি বলেন, ফটোসাংবাদিকদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। তাদের মূল্যায়ন করা উচিত। এ সময় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিগত ১৭ বছরের আন্দোলনে আহত ফটোসাংবাদিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করেছেন।
সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বলেন, জুলাই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা একক গোষ্ঠীর অর্জন নয়; এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সংগ্রাম। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে কেউ কেউ জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে দাবি করে বিভাজন সৃষ্টি করছেন, যা আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থি।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্যাতনের শিকার হলেও তা নিয়ে কখনো রাজনৈতিক প্রচারণা করেননি।’
সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের একটি ফ্ল্যাট জব্দ ও সেখানে থাকা মালামালের তালিকা তৈরির কার্যক্রম চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৯ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল এ অভিযান শুরু করে। অভিযানে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্তিচিত করেন।
তিনি জানান, মিরপুর ডিওএইচএসের ৩১ নম্বর সড়কের ৫৪১ নম্বর প্লটের এল-৩ নম্বর ফ্ল্যাটে অভিযান চলছে। ফ্ল্যাটটি জব্দ করার পাশাপাশি সেখানে থাকা আসবাবপত্র, মূল্যবান সামগ্রী ও অন্যান্য মালামালের তালিকা তৈরি করছেন দুদকের কর্মকর্তারা।
তবে অভিযান চলমান থাকায় ফ্ল্যাটটিতে কী পরিমাণ সম্পদ বা কী ধরনের মালামাল পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।’
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ০১:৩৩
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৪৪
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:২৯
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৬