
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:১৫
দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশকে চীনা সামরিক সরঞ্জামের বিকল্প প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকায় ওয়াশিংটনের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসা নতুন সরকারের কাছে যুক্তরাষ্ট্র এই প্রস্তাব উপস্থাপন করবে। চীনা প্রতিরক্ষাব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব সামরিক সরঞ্জাম ও মিত্র দেশগুলোর প্রযুক্তি সরবরাহের প্রস্তাব দেবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। চীনের সঙ্গে নির্দিষ্ট ধরনের সম্পর্কের ঝুঁকি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে আমরা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চাই।
সম্প্রতি চীন-ভারত সীমান্তের কাছে ড্রোন কারখানা স্থাপনে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ চীন-পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বহুমুখী যুদ্ধবিমান জেএফ-১৭ থান্ডার কেনার বিষয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে এ সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক দেখতে চায়।
তার মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নয়াদিল্লি-ঢাকা সম্পর্কের অবনতি ঘটলেও নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে সেই সম্পর্ক উন্নতি হবে।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসে।
তিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। এ অবস্থায় ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের পাশাপাশি বাংলাদেশ পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকেছে বলে মার্কিন বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।
তারা বলছেন, এই প্রেক্ষাপটে একই সময়ে চীনও বাংলাদেশে তার কৌশলগত উপস্থিতি জোরদার করেছে। রাষ্ট্রদূত বলেন, অনেক মার্কিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। তবে তারা নতুন সরকারের কাছ থেকে ব্যবসাবান্ধব নীতির স্পষ্ট বার্তা প্রত্যাশা করছে।
বাণিজ্যিক কূটনীতি আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর একটি। অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে অর্জিত অগ্রগতির ভিত্তিতে আমরা নতুন সরকারের সঙ্গে বাণিজ্য, অর্থনীতি ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করতে চাই।
রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মানবিক সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বড় অবদানকারী। রোহিঙ্গা সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় অংশীদার। তবে এই দায়িত্ব আমরা একা বহন করতে পারব না। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আরও এগিয়ে আসতে হবে।
এদিকে, নির্বাচনে ভূমিধস জয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
এক বার্তায় তিনি বাংলাদেশের জনগণকে সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের অভিন্ন সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশকে চীনা সামরিক সরঞ্জামের বিকল্প প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকায় ওয়াশিংটনের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসা নতুন সরকারের কাছে যুক্তরাষ্ট্র এই প্রস্তাব উপস্থাপন করবে। চীনা প্রতিরক্ষাব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব সামরিক সরঞ্জাম ও মিত্র দেশগুলোর প্রযুক্তি সরবরাহের প্রস্তাব দেবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। চীনের সঙ্গে নির্দিষ্ট ধরনের সম্পর্কের ঝুঁকি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে আমরা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চাই।
সম্প্রতি চীন-ভারত সীমান্তের কাছে ড্রোন কারখানা স্থাপনে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ চীন-পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বহুমুখী যুদ্ধবিমান জেএফ-১৭ থান্ডার কেনার বিষয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে এ সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক দেখতে চায়।
তার মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নয়াদিল্লি-ঢাকা সম্পর্কের অবনতি ঘটলেও নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে সেই সম্পর্ক উন্নতি হবে।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসে।
তিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। এ অবস্থায় ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের পাশাপাশি বাংলাদেশ পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকেছে বলে মার্কিন বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।
তারা বলছেন, এই প্রেক্ষাপটে একই সময়ে চীনও বাংলাদেশে তার কৌশলগত উপস্থিতি জোরদার করেছে। রাষ্ট্রদূত বলেন, অনেক মার্কিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। তবে তারা নতুন সরকারের কাছ থেকে ব্যবসাবান্ধব নীতির স্পষ্ট বার্তা প্রত্যাশা করছে।
বাণিজ্যিক কূটনীতি আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর একটি। অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে অর্জিত অগ্রগতির ভিত্তিতে আমরা নতুন সরকারের সঙ্গে বাণিজ্য, অর্থনীতি ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করতে চাই।
রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মানবিক সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বড় অবদানকারী। রোহিঙ্গা সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় অংশীদার। তবে এই দায়িত্ব আমরা একা বহন করতে পারব না। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আরও এগিয়ে আসতে হবে।
এদিকে, নির্বাচনে ভূমিধস জয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
এক বার্তায় তিনি বাংলাদেশের জনগণকে সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের অভিন্ন সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
অপেক্ষায়। এমন পরিস্থিতিতে আজ সোমবার সন্ধ্যার মধ্যেই দেশের ১২ জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আবাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেটের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে তীব্র গরমের মধ্যেই আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমনটা জানানো হয়েছে। আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বুধবার (৮ এপ্রিল) একই সময় পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।
অপেক্ষায়। এমন পরিস্থিতিতে আজ সোমবার সন্ধ্যার মধ্যেই দেশের ১২ জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আবাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেটের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে তীব্র গরমের মধ্যেই আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমনটা জানানো হয়েছে। আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বুধবার (৮ এপ্রিল) একই সময় পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৩
চলতি বছর পহেলা বৈশাখের দিন শোভাযাত্রার নামকরন নিয়ে বিতর্কের মুখে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়ে দিলেন এবার থেকে বাংলা নববর্ষ বরণের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে এক সভা শেষে নিজ দপ্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নাম আনন্দ কিংবা মঙ্গল নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এই বিতর্কের কোনো মানে হয় না। আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল নামে নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে। এখন থেকে প্রতিবছর এই নামই থাকবে।’
পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হলেও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
চলতি বছর পহেলা বৈশাখের দিন শোভাযাত্রার নামকরন নিয়ে বিতর্কের মুখে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়ে দিলেন এবার থেকে বাংলা নববর্ষ বরণের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে এক সভা শেষে নিজ দপ্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নাম আনন্দ কিংবা মঙ্গল নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এই বিতর্কের কোনো মানে হয় না। আমরা কোনো বিভাজন চাই না। বৈচিত্র্যের মাধ্যমে আমরা ঐক্য চাই। এ অবস্থায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারের পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা আনন্দ কিংবা মঙ্গল নামে নয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে হবে। এখন থেকে প্রতিবছর এই নামই থাকবে।’
পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হলেও ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫২
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আপাতত সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে দোকান ও শপিংমল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।’ জাতীয় স্বার্থে সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।’
বৈঠক শেষে দোকান ও শপিংমল মালিক সমিতির নেতারা জানান, তারা সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। তবে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সময়সীমা পুনর্বিবেচনার অনুরোধও জানান ব্যবসায়ীরা।
এর আগে, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার অফিস সময় এবং বাজার বন্ধের সময় নির্ধারণ করে দেয়। সেই অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি চালানো হবে বলেও জানানো হয়।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আপাতত সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে দোকান ও শপিংমল ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।’ জাতীয় স্বার্থে সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।’
বৈঠক শেষে দোকান ও শপিংমল মালিক সমিতির নেতারা জানান, তারা সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। তবে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সময়সীমা পুনর্বিবেচনার অনুরোধও জানান ব্যবসায়ীরা।
এর আগে, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার অফিস সময় এবং বাজার বন্ধের সময় নির্ধারণ করে দেয়। সেই অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি চালানো হবে বলেও জানানো হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.