
১৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:১৪
জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সনদে স্বাক্ষর করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। রাজনৈতিক দলের স্বাক্ষরের পর সবার উদ্দেশে সেটি প্রদর্শন করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
জানা গেছে, বিএনপির পক্ষ থেকে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ছিলেন নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
এ ছাড়া গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান জোনায়েদ সাকি, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকেও মঞ্চে দেখা গেছে। তবে ‘সনদের আইনি ভিত্তি নেই’ এই যুক্তি দেখিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সনদে স্বাক্ষর না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, আমরা ঐতিহাসিক জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অনুষ্ঠান শুরু হতে কিছু সময় বিলম্ব হতে পারে। সবকিছু ঠিকঠাক আছে এবং অতিথিদের অনেকেই ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে গেছেন। আমরা আমাদের ইতিহাসের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা প্রত্যক্ষ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
এর আগে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় প্রবেশ করা জুলাই যোদ্ধাদের ধাওয়া দিয়ে ওই এলাকা থেকে বের করে দিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এরপর পুরো সংসদ ভবন ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১টা ২৬ মিনিটের দিকে জুলাই যোদ্ধা দাবি করা একটি পক্ষ ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর ২টার পর পর্যন্ত চলতে থাকে তাদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া।
জানা যায়, গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়া জুলাই যোদ্ধাদের মঞ্চ এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা সংসদ ভবন এলাকার বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও এপিবিএন সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং লাঠি হাতে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দেন।
এর আগে, শুক্রবার সকালে ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধা’ ব্যানারে অনেকেই সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেটের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা গেট টপকে ভেতরে প্রবেশ করে মঞ্চের সামনে অতিথিদের চেয়ারে বসে স্লোগান দিতে থাকেন।
জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সনদে স্বাক্ষর করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। রাজনৈতিক দলের স্বাক্ষরের পর সবার উদ্দেশে সেটি প্রদর্শন করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
জানা গেছে, বিএনপির পক্ষ থেকে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ছিলেন নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
এ ছাড়া গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান জোনায়েদ সাকি, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকেও মঞ্চে দেখা গেছে। তবে ‘সনদের আইনি ভিত্তি নেই’ এই যুক্তি দেখিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সনদে স্বাক্ষর না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, আমরা ঐতিহাসিক জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অনুষ্ঠান শুরু হতে কিছু সময় বিলম্ব হতে পারে। সবকিছু ঠিকঠাক আছে এবং অতিথিদের অনেকেই ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে গেছেন। আমরা আমাদের ইতিহাসের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা প্রত্যক্ষ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
এর আগে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় প্রবেশ করা জুলাই যোদ্ধাদের ধাওয়া দিয়ে ওই এলাকা থেকে বের করে দিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এরপর পুরো সংসদ ভবন ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর ১টা ২৬ মিনিটের দিকে জুলাই যোদ্ধা দাবি করা একটি পক্ষ ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর ২টার পর পর্যন্ত চলতে থাকে তাদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া।
জানা যায়, গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়া জুলাই যোদ্ধাদের মঞ্চ এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা সংসদ ভবন এলাকার বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও এপিবিএন সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং লাঠি হাতে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দেন।
এর আগে, শুক্রবার সকালে ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধা’ ব্যানারে অনেকেই সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেটের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা গেট টপকে ভেতরে প্রবেশ করে মঞ্চের সামনে অতিথিদের চেয়ারে বসে স্লোগান দিতে থাকেন।

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:১৪
স্বাধীনতার ৫৪ বছর উদযাপনে একসঙ্গে ৫৪ জন প্যারাট্রুপার পতাকা হাতে স্কাই ডাইভিং করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দর সংলগ্ন প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে এ ব্যতিক্রমী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এটি বিশ্বের বুকে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করার রেকর্ড।
প্যারাট্রুপার প্রদর্শনীতে অংশ নেন ‘টিম বাংলাদেশ’-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার। এই ঐতিহাসিক আয়োজন প্রত্যক্ষ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে ফ্লাইপাস্ট মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিভিন্ন বিমান ও হেলিকপ্টার আকাশে মহড়া প্রদর্শন করে।
অন্যদিকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই ‘এয়ার শো’ দেখতে ঢাকার তেজগাঁওয়ের পুরোনো বিমানবন্দরে সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে।
সকাল ১১টার দিকে দেখা যায়, আগারগাঁও-সংলগ্ন পুরোনো বিমানবন্দরের ফটকে দর্শনার্থীদের দীর্ঘ সারি। নিরাপত্তাতল্লাশি করে সবাইকে প্রবেশ করানো হচ্ছে। সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:৫২
মহান বিজয় দিবসে জাতীর সূর্য সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেমেছে সর্বস্তরের মানুষের ঢল। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ বীর শহীদদের স্মরণ করতে ভিড় করছেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে।
এদিন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর, সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ। বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ করছেন সর্বস্তরের জনতা।
বিভিন্ন সংগঠন ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে ভিড় করছে। এদের হাতে ফুল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে আসছেন শ্রদ্ধা ও ফুলের পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে। এতে ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বীর শহীদদের বেদী।
এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে হাজারো মানুষ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি আনন্দে মেতে উঠেছেন।
শিশুদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মুখে, হাতে জাতীয় পতাকার ছবির পাশাপাশি স্মৃতিসৌধের ছবি এঁকেছেন কেউ কেউ।
শীতকে উপেক্ষা করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিসৌধে আসেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারাও। এসময় অনেকের কপালে লাল-সবুজ রঙে জাতীয় পতাকা অঙ্কনসহ হাতেও উড়ছিল জাতীয় পতাকা।
পোশাকেও লাল-সবুজের বাহারি উপস্থিতি। এসব বীর মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে অনেকে দেখা করতে আসেন। তাদের সালাম জানান।
এর আগে, মহান বিজয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে স্বাধীনতার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান প্রধান উপদেষ্টা।

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০০:৫৯

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
স্বাধীনতার ৫৪ বছর উদযাপনে একসঙ্গে ৫৪ জন প্যারাট্রুপার পতাকা হাতে স্কাই ডাইভিং করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দর সংলগ্ন প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে এ ব্যতিক্রমী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এটি বিশ্বের বুকে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করার রেকর্ড।
প্যারাট্রুপার প্রদর্শনীতে অংশ নেন ‘টিম বাংলাদেশ’-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার। এই ঐতিহাসিক আয়োজন প্রত্যক্ষ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে ফ্লাইপাস্ট মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিভিন্ন বিমান ও হেলিকপ্টার আকাশে মহড়া প্রদর্শন করে।
অন্যদিকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই ‘এয়ার শো’ দেখতে ঢাকার তেজগাঁওয়ের পুরোনো বিমানবন্দরে সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে।
সকাল ১১টার দিকে দেখা যায়, আগারগাঁও-সংলগ্ন পুরোনো বিমানবন্দরের ফটকে দর্শনার্থীদের দীর্ঘ সারি। নিরাপত্তাতল্লাশি করে সবাইকে প্রবেশ করানো হচ্ছে। সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।
মহান বিজয় দিবসে জাতীর সূর্য সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেমেছে সর্বস্তরের মানুষের ঢল। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ বীর শহীদদের স্মরণ করতে ভিড় করছেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে।
এদিন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর, সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ। বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ করছেন সর্বস্তরের জনতা।
বিভিন্ন সংগঠন ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে ভিড় করছে। এদের হাতে ফুল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে আসছেন শ্রদ্ধা ও ফুলের পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে। এতে ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বীর শহীদদের বেদী।
এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে হাজারো মানুষ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি আনন্দে মেতে উঠেছেন।
শিশুদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মুখে, হাতে জাতীয় পতাকার ছবির পাশাপাশি স্মৃতিসৌধের ছবি এঁকেছেন কেউ কেউ।
শীতকে উপেক্ষা করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিসৌধে আসেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারাও। এসময় অনেকের কপালে লাল-সবুজ রঙে জাতীয় পতাকা অঙ্কনসহ হাতেও উড়ছিল জাতীয় পতাকা।
পোশাকেও লাল-সবুজের বাহারি উপস্থিতি। এসব বীর মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে অনেকে দেখা করতে আসেন। তাদের সালাম জানান।
এর আগে, মহান বিজয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে স্বাধীনতার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান প্রধান উপদেষ্টা।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কবিরকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। তিনি ঘটনার কয়েক দিন আগে ফয়সালের সঙ্গে বাংলামোটরে হাদির প্রতিষ্ঠিত ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী সোমবার রাতে গণমাধ্যমে বলেন, আগের দিন রাতে নারায়গঞ্জ থেকে কবিরকে গ্রেফতার করা হয়। আজ (সোমবার) তাকে পল্টন থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হচ্ছে।
র্যাবের দেওয়া তথ্য মতে, কবিরের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার সদর থানার বড় বিঘাই গ্রামে। ফয়সাল করিমের গ্রামের বাড়িও পটুয়াখালীতে।
র্যাব কর্মকর্তা ইন্তেখাব চৌধুরী গণমাধ্যমে বলেছেন, কবির গত ৫ ডিসেম্বর ফয়সাল করিমের সঙ্গে বাংলামোটরে ওসমান হাদির প্রতিষ্ঠিত ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়েছিলেন। প্রথমে তিনি স্বীকার করেননি। কিন্তু সিসি ক্যামেরার ফুটেজে তাকে দেখা গেছে। ওই ফুটেজ দেখানোর পর কবির স্বীকার করেছেন ফয়সাল করিম ও তিনি সেদিন ওই প্রতিষ্ঠান দেখে আসতে সেখানে গিয়েছিলেন।
হাদিকে গুলির ঘটনায় এ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতারের তথ্য দিয়েছে পুলিশ; যাদের মধ্যে চারজনকে রিমান্ডে পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
এর হাদিকে গুলির সময় যে মোটরসাইকেল ব্যবহার করা হয়েছিল সেটির মালিক আব্দুল হান্নানকে প্রথম আটক করে র্যাব। পরে তাকে পুলিশে হস্তান্তরের পর ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
পরে হত্যাচেষ্টার মামলায় সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু ও ঘনিষ্ঠ বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমাকে গ্রেফতার করে র্যাব।
এছাড়া হাদিকে গুলিবর্ষণকারীদের পালানো ঠেকাতে সীমান্তে কঠোর নজরদারির মধ্যে শেরপুরের নালিতাবাড়ী এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেফতারের তথ্য দিয়েছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
শুক্রবার ঢাকার বিজয়নগর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া হাদি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। গত শুক্রবার গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায় গিয়ে তিনি আক্রান্ত হন।
চলন্ত রিকশায় থাকা তাকে গুলি করেন চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা আততায়ী। গুলিটি লাগে হাদির মাথায়।
গুরুতর আহত হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করার পর রাতেই তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার অবস্থা ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক’ বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। সোমবার তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কবিরকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। তিনি ঘটনার কয়েক দিন আগে ফয়সালের সঙ্গে বাংলামোটরে হাদির প্রতিষ্ঠিত ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী সোমবার রাতে গণমাধ্যমে বলেন, আগের দিন রাতে নারায়গঞ্জ থেকে কবিরকে গ্রেফতার করা হয়। আজ (সোমবার) তাকে পল্টন থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হচ্ছে।
র্যাবের দেওয়া তথ্য মতে, কবিরের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার সদর থানার বড় বিঘাই গ্রামে। ফয়সাল করিমের গ্রামের বাড়িও পটুয়াখালীতে।
র্যাব কর্মকর্তা ইন্তেখাব চৌধুরী গণমাধ্যমে বলেছেন, কবির গত ৫ ডিসেম্বর ফয়সাল করিমের সঙ্গে বাংলামোটরে ওসমান হাদির প্রতিষ্ঠিত ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়েছিলেন। প্রথমে তিনি স্বীকার করেননি। কিন্তু সিসি ক্যামেরার ফুটেজে তাকে দেখা গেছে। ওই ফুটেজ দেখানোর পর কবির স্বীকার করেছেন ফয়সাল করিম ও তিনি সেদিন ওই প্রতিষ্ঠান দেখে আসতে সেখানে গিয়েছিলেন।
হাদিকে গুলির ঘটনায় এ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতারের তথ্য দিয়েছে পুলিশ; যাদের মধ্যে চারজনকে রিমান্ডে পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
এর হাদিকে গুলির সময় যে মোটরসাইকেল ব্যবহার করা হয়েছিল সেটির মালিক আব্দুল হান্নানকে প্রথম আটক করে র্যাব। পরে তাকে পুলিশে হস্তান্তরের পর ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
পরে হত্যাচেষ্টার মামলায় সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু ও ঘনিষ্ঠ বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমাকে গ্রেফতার করে র্যাব।
এছাড়া হাদিকে গুলিবর্ষণকারীদের পালানো ঠেকাতে সীমান্তে কঠোর নজরদারির মধ্যে শেরপুরের নালিতাবাড়ী এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেফতারের তথ্য দিয়েছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
শুক্রবার ঢাকার বিজয়নগর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া হাদি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। গত শুক্রবার গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায় গিয়ে তিনি আক্রান্ত হন।
চলন্ত রিকশায় থাকা তাকে গুলি করেন চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা আততায়ী। গুলিটি লাগে হাদির মাথায়।
গুরুতর আহত হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করার পর রাতেই তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার অবস্থা ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক’ বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। সোমবার তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছে।
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০২:১৮
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:১২
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০১
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৯