Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৩
জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।’
পরিস্থিতি জটিলাকার ধারণ করার অনেক আগেই জাতীয় দলের বিশ্বকাপে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারতের ভিসা ফরমেও বিশ্বকাপগামী দলের সদস্যদের সই-স্বাক্ষর নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় অবশ্য সেসব ফরম জমা দেওয়ার আর প্রয়োজন পড়েনি, চাওয়া হয়নি জিও-ও (সরকারি আদেশ)। তবে অন্যান্য প্রক্রিয়া ঠিকই এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
যেমন—জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।
আরো দুই দিনের অপেক্ষার পর কী হবে? সেটিও বলার মতো অবস্থায় নেই কেউ। গতকাল বিপিএল ম্যাচ চলাকালীন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের প্রেসিডেন্ট বক্সে উপস্থিত বিসিবির দায়িত্বশীল এক পরিচালকও নিজেদের বিশ্বকাপ ভাগ্য নিয়ে কথা বাড়াতে আগ্রহী হলেন না। হাবভাবে মনে হলো, তিনিও অপেক্ষার প্রহর গুনে চলেছেন। শনিবার ঢাকায় আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভের সঙ্গে বিসিবি কর্মকর্তাদের বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়াও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।
ওই বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইভেন্টস অ্যান্ড করপোরেট কমিউনিকেশনসের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনাও। এফগ্রেভ-সাক্সেনারা দীর্ঘ আলাপে নতুন কোনো পরিকল্পনা উপস্থাপন করেননি বলেই নিশ্চিত করেছে বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র। এমনকি ভারতে বিকল্প কোনো ভেন্যুতে গিয়ে খেলার প্রস্তাবও তাঁরা উত্থাপন করেননি বলে জানা গেছে। তাঁরা শুধু ভারতে গেলে বাংলাদেশ দলকে কোন পর্যায়ের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, সেই ‘প্রটোকল’ উপস্থাপন করে যাওয়াতেই আগ্রহী ছিলেন বেশি।
বিসিবির প্রতিনিধিরাও নিজেদের আগের অবস্থানেই অটল থেকেছেন। গ্রুপ ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনে তাদের অন্য গ্রুপে সরিয়ে নেওয়ার দাবিই জানিয়ে গেছেন। দ্বিপক্ষীয় আলাপে আইসিসি কর্মকর্তারা ভারতে খেলতে গেলে বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের দ্রুত সে দেশের ভিসা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে বৈঠক সূত্রে। তবে বিসিবি নিজেদের আগের অবস্থানেই অনড় থাকায় এ বিষয়ে আলোচনা আর এগোয়নি বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের খবর হলো, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড (সিআই) আইসিসির কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা পেয়েছে যে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কা থেকে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হবে না। গ্রুপ পাল্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে আয়ারল্যান্ডের জায়গা নেওয়া এবং ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের জায়গায় আইরিশদের নিয়ে আসার আলোচনার মধ্যে এমন খবর বিসিবির জন্য আশাব্যঞ্জক নয় কিছুতেই।
তবে পাকিস্তানের জিও নিউজ উর্দু পরিবেশিত গতকালের খবরে মিশে আছে উপমহাদেশীয় রাজনীতির উত্তাপ। যে খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান সরকারের সহায়তা চেয়েছে এবং বাংলাদেশের অবস্থানে তাদের পুরো সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। যেখানে সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের দাবি মানা না হলে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। যদিও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ রকম কিছুর সত্যতা মেলেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি সূত্র গত রাতে নিশ্চিত করেছে, ‘দুই দেশের সরকারের মধ্যে এ রকম কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ এখন পর্যন্ত হয়নি। হতে পারে যে দুই দেশের কারো মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ে এই ধরনের আলাপ হয়ে থাকতে পারে। সে রকম কিছু হয়ে থাকলেও বিষয়টি পুরোপুরি অনানুষ্ঠানিকভাবে হয়েছে।’ তাই অপেক্ষায় বাংলাদেশের ইতিবাচক কিছু ফল পাওয়া নিয়েও তৈরি হলো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। এভাবে আর কত অপেক্ষা? জাতীয় দলের ওই সদস্য যে জবাব পেয়েছেন, তাতে সেই অপেক্ষা আরো দুই দিনের। হয় বিশ্বকাপে খেলতে যাবে বাংলাদেশ, না হয় যাবেই না!
জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।’
পরিস্থিতি জটিলাকার ধারণ করার অনেক আগেই জাতীয় দলের বিশ্বকাপে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারতের ভিসা ফরমেও বিশ্বকাপগামী দলের সদস্যদের সই-স্বাক্ষর নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় অবশ্য সেসব ফরম জমা দেওয়ার আর প্রয়োজন পড়েনি, চাওয়া হয়নি জিও-ও (সরকারি আদেশ)। তবে অন্যান্য প্রক্রিয়া ঠিকই এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
যেমন—জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।
আরো দুই দিনের অপেক্ষার পর কী হবে? সেটিও বলার মতো অবস্থায় নেই কেউ। গতকাল বিপিএল ম্যাচ চলাকালীন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের প্রেসিডেন্ট বক্সে উপস্থিত বিসিবির দায়িত্বশীল এক পরিচালকও নিজেদের বিশ্বকাপ ভাগ্য নিয়ে কথা বাড়াতে আগ্রহী হলেন না। হাবভাবে মনে হলো, তিনিও অপেক্ষার প্রহর গুনে চলেছেন। শনিবার ঢাকায় আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভের সঙ্গে বিসিবি কর্মকর্তাদের বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়াও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।
ওই বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইভেন্টস অ্যান্ড করপোরেট কমিউনিকেশনসের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনাও। এফগ্রেভ-সাক্সেনারা দীর্ঘ আলাপে নতুন কোনো পরিকল্পনা উপস্থাপন করেননি বলেই নিশ্চিত করেছে বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র। এমনকি ভারতে বিকল্প কোনো ভেন্যুতে গিয়ে খেলার প্রস্তাবও তাঁরা উত্থাপন করেননি বলে জানা গেছে। তাঁরা শুধু ভারতে গেলে বাংলাদেশ দলকে কোন পর্যায়ের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, সেই ‘প্রটোকল’ উপস্থাপন করে যাওয়াতেই আগ্রহী ছিলেন বেশি।
বিসিবির প্রতিনিধিরাও নিজেদের আগের অবস্থানেই অটল থেকেছেন। গ্রুপ ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনে তাদের অন্য গ্রুপে সরিয়ে নেওয়ার দাবিই জানিয়ে গেছেন। দ্বিপক্ষীয় আলাপে আইসিসি কর্মকর্তারা ভারতে খেলতে গেলে বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের দ্রুত সে দেশের ভিসা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে বৈঠক সূত্রে। তবে বিসিবি নিজেদের আগের অবস্থানেই অনড় থাকায় এ বিষয়ে আলোচনা আর এগোয়নি বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের খবর হলো, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড (সিআই) আইসিসির কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা পেয়েছে যে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কা থেকে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হবে না। গ্রুপ পাল্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে আয়ারল্যান্ডের জায়গা নেওয়া এবং ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের জায়গায় আইরিশদের নিয়ে আসার আলোচনার মধ্যে এমন খবর বিসিবির জন্য আশাব্যঞ্জক নয় কিছুতেই।
তবে পাকিস্তানের জিও নিউজ উর্দু পরিবেশিত গতকালের খবরে মিশে আছে উপমহাদেশীয় রাজনীতির উত্তাপ। যে খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান সরকারের সহায়তা চেয়েছে এবং বাংলাদেশের অবস্থানে তাদের পুরো সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। যেখানে সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের দাবি মানা না হলে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। যদিও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ রকম কিছুর সত্যতা মেলেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি সূত্র গত রাতে নিশ্চিত করেছে, ‘দুই দেশের সরকারের মধ্যে এ রকম কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ এখন পর্যন্ত হয়নি। হতে পারে যে দুই দেশের কারো মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ে এই ধরনের আলাপ হয়ে থাকতে পারে। সে রকম কিছু হয়ে থাকলেও বিষয়টি পুরোপুরি অনানুষ্ঠানিকভাবে হয়েছে।’ তাই অপেক্ষায় বাংলাদেশের ইতিবাচক কিছু ফল পাওয়া নিয়েও তৈরি হলো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। এভাবে আর কত অপেক্ষা? জাতীয় দলের ওই সদস্য যে জবাব পেয়েছেন, তাতে সেই অপেক্ষা আরো দুই দিনের। হয় বিশ্বকাপে খেলতে যাবে বাংলাদেশ, না হয় যাবেই না!

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৩
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এই ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় বাংলাদেশের সিরিজ হার এড়ানো নিশ্চিত হয়েছে। পরের ম্যাচে হারলেও সিরিজ ড্র হবে, আর জিতলে শিরোপা ঘরে তুলবে স্বাগতিকরা।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফট্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা ছিল স্থানীয় সময় দুপুর ২টায়। এর আগে দুপুর দেড়টায় টসের নির্ধারিত সময় ছিল। কিন্তু বৃষ্টির জন্য কিছুই হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিকাল সোয়া চারটার দিকে ম্যাচটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।
গতকাল থেকেই চট্টগ্রামসহ দেশের অধিকাংশ অঞ্চলেই প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তা আজও অব্যহত আছে। তাই আগে থেকেই শঙ্কা ছিল আজকের ম্যাচ মাঠে গড়ানো নিয়ে। সেই শঙ্কাই সত্যি হয়েছে।
উল্লেখ্য, সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটের ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। ফলে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে আছে টাইগাররা।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৫
সিঙ্গাপুরকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। জাকার্তায় এই জয়ের মাধ্যমে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাকার্তায় খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে আন্তর্জাতিক হকিতে নিজেদের অভিষেক আসরে একের পর এক ইতিহাস তৈরি করে যাচ্ছে বাংলাদেশের মেয়েরা। সেমিফাইনালে দুর্দান্ত খেলেছেন তারা।
আইরিন আক্তার রিয়া বাংলাদেশের অন্যতম একজন খেলোয়াড়। আজ এই ফরোয়ার্ড হ্যাটট্রিক করে বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। খেলা শুরুর আট মিনিটে রিয়ার গোলে লিড নেয় বাংলাদেশ। পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে ১২ মিনিটে সমতায় ফেরে সিঙ্গাপুর।
১-১ গোলে সমতা চলতে থাকে ৫৬ মিনিট পর্যন্ত। ৫৭ মিনিটে দ্বিতীয়বার বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন রিয়া। পরের মিনিটে আরেকটি গোল করেন তিনি। তার হ্যাটট্রিক পূরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের জয়ও নিশ্চিত হয়ে যায়।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪৬
শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজ হারার পর এবার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
সিলেটে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের কাছে ২৫ রানে হারে বাংলাদেশ।
সিলেটে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৬২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিল বাংলাদেশ। ৩ ওভার ৩ বলেই ৩৯ রান করে ফেলেছিলেন জুয়াইরা ফেরদৌস ও দিলারা আক্তার। তবে এরপরই শুরু হয় ইউকেট পতন। ৪৪ রানের মধ্যে এই দুই ওপেনারের পাশাপাশি বিদায় নেন শারমিন আক্তার সুপ্তা ও অধিনায়ক জ্যোতিও।
১৪ বলে ২৩ রান করে আউট হন দিলারা। জুয়াইরার ব্যাট থেকে আসে ১৬ (১২ বলে) রান। তবে তিন ও চারে নামা শারমিন আর জ্যোতি যথাক্রমে ১ ও ০ রানে আউট হন। তৃতীয় উইকেটে বিপদ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন সোবহানা মোস্তারি ও স্বর্ণা আক্তার। তবে তাদের ধীরগতির ব্যাটিং জয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ২৬ বলে ১৬ রান করে আউট হন সোবহানা। শেষদিকে চালিয়ে খেলা স্বর্ণা ৪৫ বলে ৬০ রান করে রান আউট হন। তবে শেষ দিকে রাবেয়া খান (৭ বলে ৬) ও সুলতানা খাতুনরা (১০ বলে ৫) বলের সমান রানও করতে পারেননি।
এর আগে ইমেশা দুলানি ও হারশিতা সামারাবিক্রামার ফিফটিতে ১৬১ রানের লড়াকু পুঁজি পায় লঙ্কানরা। দুলানি ৪০ বলে ৫৫ ও হারশিতা ৩৫ বলে ৬১ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে দুইটি উইকেট নেন সুলতানা।
বরিশাল টাইমস
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এই ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় বাংলাদেশের সিরিজ হার এড়ানো নিশ্চিত হয়েছে। পরের ম্যাচে হারলেও সিরিজ ড্র হবে, আর জিতলে শিরোপা ঘরে তুলবে স্বাগতিকরা।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফট্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা ছিল স্থানীয় সময় দুপুর ২টায়। এর আগে দুপুর দেড়টায় টসের নির্ধারিত সময় ছিল। কিন্তু বৃষ্টির জন্য কিছুই হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিকাল সোয়া চারটার দিকে ম্যাচটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।
গতকাল থেকেই চট্টগ্রামসহ দেশের অধিকাংশ অঞ্চলেই প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তা আজও অব্যহত আছে। তাই আগে থেকেই শঙ্কা ছিল আজকের ম্যাচ মাঠে গড়ানো নিয়ে। সেই শঙ্কাই সত্যি হয়েছে।
উল্লেখ্য, সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটের ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। ফলে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে আছে টাইগাররা।
সিঙ্গাপুরকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। জাকার্তায় এই জয়ের মাধ্যমে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাকার্তায় খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে আন্তর্জাতিক হকিতে নিজেদের অভিষেক আসরে একের পর এক ইতিহাস তৈরি করে যাচ্ছে বাংলাদেশের মেয়েরা। সেমিফাইনালে দুর্দান্ত খেলেছেন তারা।
আইরিন আক্তার রিয়া বাংলাদেশের অন্যতম একজন খেলোয়াড়। আজ এই ফরোয়ার্ড হ্যাটট্রিক করে বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। খেলা শুরুর আট মিনিটে রিয়ার গোলে লিড নেয় বাংলাদেশ। পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে ১২ মিনিটে সমতায় ফেরে সিঙ্গাপুর।
১-১ গোলে সমতা চলতে থাকে ৫৬ মিনিট পর্যন্ত। ৫৭ মিনিটে দ্বিতীয়বার বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন রিয়া। পরের মিনিটে আরেকটি গোল করেন তিনি। তার হ্যাটট্রিক পূরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের জয়ও নিশ্চিত হয়ে যায়।
শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজ হারার পর এবার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
সিলেটে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের কাছে ২৫ রানে হারে বাংলাদেশ।
সিলেটে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৬২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিল বাংলাদেশ। ৩ ওভার ৩ বলেই ৩৯ রান করে ফেলেছিলেন জুয়াইরা ফেরদৌস ও দিলারা আক্তার। তবে এরপরই শুরু হয় ইউকেট পতন। ৪৪ রানের মধ্যে এই দুই ওপেনারের পাশাপাশি বিদায় নেন শারমিন আক্তার সুপ্তা ও অধিনায়ক জ্যোতিও।
১৪ বলে ২৩ রান করে আউট হন দিলারা। জুয়াইরার ব্যাট থেকে আসে ১৬ (১২ বলে) রান। তবে তিন ও চারে নামা শারমিন আর জ্যোতি যথাক্রমে ১ ও ০ রানে আউট হন। তৃতীয় উইকেটে বিপদ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন সোবহানা মোস্তারি ও স্বর্ণা আক্তার। তবে তাদের ধীরগতির ব্যাটিং জয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ২৬ বলে ১৬ রান করে আউট হন সোবহানা। শেষদিকে চালিয়ে খেলা স্বর্ণা ৪৫ বলে ৬০ রান করে রান আউট হন। তবে শেষ দিকে রাবেয়া খান (৭ বলে ৬) ও সুলতানা খাতুনরা (১০ বলে ৫) বলের সমান রানও করতে পারেননি।
এর আগে ইমেশা দুলানি ও হারশিতা সামারাবিক্রামার ফিফটিতে ১৬১ রানের লড়াকু পুঁজি পায় লঙ্কানরা। দুলানি ৪০ বলে ৫৫ ও হারশিতা ৩৫ বলে ৬১ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে দুইটি উইকেট নেন সুলতানা।
বরিশাল টাইমস