
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৩
জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।’
পরিস্থিতি জটিলাকার ধারণ করার অনেক আগেই জাতীয় দলের বিশ্বকাপে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারতের ভিসা ফরমেও বিশ্বকাপগামী দলের সদস্যদের সই-স্বাক্ষর নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় অবশ্য সেসব ফরম জমা দেওয়ার আর প্রয়োজন পড়েনি, চাওয়া হয়নি জিও-ও (সরকারি আদেশ)। তবে অন্যান্য প্রক্রিয়া ঠিকই এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
যেমন—জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।
আরো দুই দিনের অপেক্ষার পর কী হবে? সেটিও বলার মতো অবস্থায় নেই কেউ। গতকাল বিপিএল ম্যাচ চলাকালীন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের প্রেসিডেন্ট বক্সে উপস্থিত বিসিবির দায়িত্বশীল এক পরিচালকও নিজেদের বিশ্বকাপ ভাগ্য নিয়ে কথা বাড়াতে আগ্রহী হলেন না। হাবভাবে মনে হলো, তিনিও অপেক্ষার প্রহর গুনে চলেছেন। শনিবার ঢাকায় আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভের সঙ্গে বিসিবি কর্মকর্তাদের বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়াও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।
ওই বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইভেন্টস অ্যান্ড করপোরেট কমিউনিকেশনসের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনাও। এফগ্রেভ-সাক্সেনারা দীর্ঘ আলাপে নতুন কোনো পরিকল্পনা উপস্থাপন করেননি বলেই নিশ্চিত করেছে বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র। এমনকি ভারতে বিকল্প কোনো ভেন্যুতে গিয়ে খেলার প্রস্তাবও তাঁরা উত্থাপন করেননি বলে জানা গেছে। তাঁরা শুধু ভারতে গেলে বাংলাদেশ দলকে কোন পর্যায়ের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, সেই ‘প্রটোকল’ উপস্থাপন করে যাওয়াতেই আগ্রহী ছিলেন বেশি।
বিসিবির প্রতিনিধিরাও নিজেদের আগের অবস্থানেই অটল থেকেছেন। গ্রুপ ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনে তাদের অন্য গ্রুপে সরিয়ে নেওয়ার দাবিই জানিয়ে গেছেন। দ্বিপক্ষীয় আলাপে আইসিসি কর্মকর্তারা ভারতে খেলতে গেলে বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের দ্রুত সে দেশের ভিসা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে বৈঠক সূত্রে। তবে বিসিবি নিজেদের আগের অবস্থানেই অনড় থাকায় এ বিষয়ে আলোচনা আর এগোয়নি বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের খবর হলো, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড (সিআই) আইসিসির কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা পেয়েছে যে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কা থেকে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হবে না। গ্রুপ পাল্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে আয়ারল্যান্ডের জায়গা নেওয়া এবং ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের জায়গায় আইরিশদের নিয়ে আসার আলোচনার মধ্যে এমন খবর বিসিবির জন্য আশাব্যঞ্জক নয় কিছুতেই।
তবে পাকিস্তানের জিও নিউজ উর্দু পরিবেশিত গতকালের খবরে মিশে আছে উপমহাদেশীয় রাজনীতির উত্তাপ। যে খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান সরকারের সহায়তা চেয়েছে এবং বাংলাদেশের অবস্থানে তাদের পুরো সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। যেখানে সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের দাবি মানা না হলে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। যদিও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ রকম কিছুর সত্যতা মেলেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি সূত্র গত রাতে নিশ্চিত করেছে, ‘দুই দেশের সরকারের মধ্যে এ রকম কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ এখন পর্যন্ত হয়নি। হতে পারে যে দুই দেশের কারো মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ে এই ধরনের আলাপ হয়ে থাকতে পারে। সে রকম কিছু হয়ে থাকলেও বিষয়টি পুরোপুরি অনানুষ্ঠানিকভাবে হয়েছে।’ তাই অপেক্ষায় বাংলাদেশের ইতিবাচক কিছু ফল পাওয়া নিয়েও তৈরি হলো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। এভাবে আর কত অপেক্ষা? জাতীয় দলের ওই সদস্য যে জবাব পেয়েছেন, তাতে সেই অপেক্ষা আরো দুই দিনের। হয় বিশ্বকাপে খেলতে যাবে বাংলাদেশ, না হয় যাবেই না!
জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।’
পরিস্থিতি জটিলাকার ধারণ করার অনেক আগেই জাতীয় দলের বিশ্বকাপে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারতের ভিসা ফরমেও বিশ্বকাপগামী দলের সদস্যদের সই-স্বাক্ষর নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় অবশ্য সেসব ফরম জমা দেওয়ার আর প্রয়োজন পড়েনি, চাওয়া হয়নি জিও-ও (সরকারি আদেশ)। তবে অন্যান্য প্রক্রিয়া ঠিকই এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
যেমন—জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।
আরো দুই দিনের অপেক্ষার পর কী হবে? সেটিও বলার মতো অবস্থায় নেই কেউ। গতকাল বিপিএল ম্যাচ চলাকালীন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের প্রেসিডেন্ট বক্সে উপস্থিত বিসিবির দায়িত্বশীল এক পরিচালকও নিজেদের বিশ্বকাপ ভাগ্য নিয়ে কথা বাড়াতে আগ্রহী হলেন না। হাবভাবে মনে হলো, তিনিও অপেক্ষার প্রহর গুনে চলেছেন। শনিবার ঢাকায় আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভের সঙ্গে বিসিবি কর্মকর্তাদের বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়াও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।
ওই বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইভেন্টস অ্যান্ড করপোরেট কমিউনিকেশনসের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনাও। এফগ্রেভ-সাক্সেনারা দীর্ঘ আলাপে নতুন কোনো পরিকল্পনা উপস্থাপন করেননি বলেই নিশ্চিত করেছে বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র। এমনকি ভারতে বিকল্প কোনো ভেন্যুতে গিয়ে খেলার প্রস্তাবও তাঁরা উত্থাপন করেননি বলে জানা গেছে। তাঁরা শুধু ভারতে গেলে বাংলাদেশ দলকে কোন পর্যায়ের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, সেই ‘প্রটোকল’ উপস্থাপন করে যাওয়াতেই আগ্রহী ছিলেন বেশি।
বিসিবির প্রতিনিধিরাও নিজেদের আগের অবস্থানেই অটল থেকেছেন। গ্রুপ ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনে তাদের অন্য গ্রুপে সরিয়ে নেওয়ার দাবিই জানিয়ে গেছেন। দ্বিপক্ষীয় আলাপে আইসিসি কর্মকর্তারা ভারতে খেলতে গেলে বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের দ্রুত সে দেশের ভিসা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে বৈঠক সূত্রে। তবে বিসিবি নিজেদের আগের অবস্থানেই অনড় থাকায় এ বিষয়ে আলোচনা আর এগোয়নি বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের খবর হলো, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড (সিআই) আইসিসির কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা পেয়েছে যে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কা থেকে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হবে না। গ্রুপ পাল্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে আয়ারল্যান্ডের জায়গা নেওয়া এবং ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের জায়গায় আইরিশদের নিয়ে আসার আলোচনার মধ্যে এমন খবর বিসিবির জন্য আশাব্যঞ্জক নয় কিছুতেই।
তবে পাকিস্তানের জিও নিউজ উর্দু পরিবেশিত গতকালের খবরে মিশে আছে উপমহাদেশীয় রাজনীতির উত্তাপ। যে খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান সরকারের সহায়তা চেয়েছে এবং বাংলাদেশের অবস্থানে তাদের পুরো সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। যেখানে সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের দাবি মানা না হলে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। যদিও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ রকম কিছুর সত্যতা মেলেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি সূত্র গত রাতে নিশ্চিত করেছে, ‘দুই দেশের সরকারের মধ্যে এ রকম কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ এখন পর্যন্ত হয়নি। হতে পারে যে দুই দেশের কারো মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ে এই ধরনের আলাপ হয়ে থাকতে পারে। সে রকম কিছু হয়ে থাকলেও বিষয়টি পুরোপুরি অনানুষ্ঠানিকভাবে হয়েছে।’ তাই অপেক্ষায় বাংলাদেশের ইতিবাচক কিছু ফল পাওয়া নিয়েও তৈরি হলো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। এভাবে আর কত অপেক্ষা? জাতীয় দলের ওই সদস্য যে জবাব পেয়েছেন, তাতে সেই অপেক্ষা আরো দুই দিনের। হয় বিশ্বকাপে খেলতে যাবে বাংলাদেশ, না হয় যাবেই না!

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:৪৮
জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে ঘিরে কথিত পুলিশি হেনস্তার ঘটনায় উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটার। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ শেষে চট্টগ্রামে ফেরার পথে নাঈম হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে একটি ঘটনার মুখোমুখি হন। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয় এবং সেখানে অসদাচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তিনি লেখেন, নাঈমের সঙ্গে যা ঘটেছে তা অগ্রহণযোগ্য এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, এ ঘটনা তাকে ব্যথিত করেছে এবং নাঈমের পাশে থাকার বার্তা দেন।
পেসার তাসকিন আহমেদও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাসও নাঈমের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে একজন সতীর্থকে যেতে দেখা কষ্টের এবং দেশের কোনো নাগরিকেরই এমন আচরণের মুখোমুখি হওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের প্রত্যাশা জানান তিনি।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন পুলিশ সদস্যকে খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে ঘিরে কথিত পুলিশি হেনস্তার ঘটনায় উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটার। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ শেষে চট্টগ্রামে ফেরার পথে নাঈম হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে একটি ঘটনার মুখোমুখি হন। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয় এবং সেখানে অসদাচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তিনি লেখেন, নাঈমের সঙ্গে যা ঘটেছে তা অগ্রহণযোগ্য এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, এ ঘটনা তাকে ব্যথিত করেছে এবং নাঈমের পাশে থাকার বার্তা দেন।
পেসার তাসকিন আহমেদও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাসও নাঈমের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে একজন সতীর্থকে যেতে দেখা কষ্টের এবং দেশের কোনো নাগরিকেরই এমন আচরণের মুখোমুখি হওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের প্রত্যাশা জানান তিনি।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন পুলিশ সদস্যকে খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

০৮ জুন, ২০২৬ ২০:০৮
১৯৯০ সালে বাংলাদেশের একটি অনূর্ধ্ব-১৪ দল ‘বাংলা একাদশ’ নামে ইউরোপে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ ও গথিয়া কাপে অংশ নেয় বলে বিভিন্ন আলোচনায় উল্লেখ পাওয়া যায়। ওই সময়ের একটি ঘটনার বিষয়ে দাবি করা হয় যে, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের বিপক্ষে ৭–০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের গণমাধ্যম উপদেষ্টা তৌহিদ ফিরোজ এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে জানান, ডেনমার্কে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ এবং সুইডেনে অনুষ্ঠিত গথিয়া কাপ বিশ্বের তরুণ ফুটবলারদের অন্যতম বড় আসর হিসেবে পরিচিত।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই প্রতিযোগিতায় ‘বাংলা একাদশ’ নামের বাংলাদেশের যুব দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের মুখোমুখি হয়ে ৭–০ গোলের ব্যবধানে জয় পায়।
তিনি আরও দাবি করেন, ব্রাজিলের কিশোর ফুটবলাররা তাদের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি পরে মাঠে নেমেছিল এবং ম্যাচটি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শুধু এই ম্যাচই নয়, টুর্নামেন্টে আরও কয়েকটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষেও বাংলাদেশ বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বলে তখনকার কিছু সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ পাওয়া যায়।
তবে ফুটবল ইতিহাস ও জাতীয় দলের আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্রাজিলের বিপক্ষে এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল ব্যবধানে জয় পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ১৯৩৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার ৮–৪ গোলের জয় এবং ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির ৭–১ গোলের জয়।
তবে বাংলাদেশের এই ৭–০ জয়ের গল্পটি জাতীয় দলের কোনো ম্যাচ নয়—এটি একটি আন্তর্জাতিক যুব টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া অনূর্ধ্ব-১৪ পর্যায়ের দলের একটি ম্যাচকে ঘিরে আলোচিত দাবি। ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এত বড় ব্যবধানে হার বা জয় বিরল হওয়ায় ঘটনাটি এখনও অনেকের কৌতূহলের বিষয় হয়ে আছে।
১৯৯০ সালে বাংলাদেশের একটি অনূর্ধ্ব-১৪ দল ‘বাংলা একাদশ’ নামে ইউরোপে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ ও গথিয়া কাপে অংশ নেয় বলে বিভিন্ন আলোচনায় উল্লেখ পাওয়া যায়। ওই সময়ের একটি ঘটনার বিষয়ে দাবি করা হয় যে, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের বিপক্ষে ৭–০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের গণমাধ্যম উপদেষ্টা তৌহিদ ফিরোজ এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে জানান, ডেনমার্কে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ এবং সুইডেনে অনুষ্ঠিত গথিয়া কাপ বিশ্বের তরুণ ফুটবলারদের অন্যতম বড় আসর হিসেবে পরিচিত।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই প্রতিযোগিতায় ‘বাংলা একাদশ’ নামের বাংলাদেশের যুব দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের মুখোমুখি হয়ে ৭–০ গোলের ব্যবধানে জয় পায়।
তিনি আরও দাবি করেন, ব্রাজিলের কিশোর ফুটবলাররা তাদের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি পরে মাঠে নেমেছিল এবং ম্যাচটি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শুধু এই ম্যাচই নয়, টুর্নামেন্টে আরও কয়েকটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষেও বাংলাদেশ বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বলে তখনকার কিছু সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ পাওয়া যায়।
তবে ফুটবল ইতিহাস ও জাতীয় দলের আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্রাজিলের বিপক্ষে এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল ব্যবধানে জয় পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ১৯৩৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার ৮–৪ গোলের জয় এবং ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির ৭–১ গোলের জয়।
তবে বাংলাদেশের এই ৭–০ জয়ের গল্পটি জাতীয় দলের কোনো ম্যাচ নয়—এটি একটি আন্তর্জাতিক যুব টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া অনূর্ধ্ব-১৪ পর্যায়ের দলের একটি ম্যাচকে ঘিরে আলোচিত দাবি। ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এত বড় ব্যবধানে হার বা জয় বিরল হওয়ায় ঘটনাটি এখনও অনেকের কৌতূহলের বিষয় হয়ে আছে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১২:৪০
আবারও ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী নেপালকে ২–১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালের টিকিট কাটল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছেন ঋতুপর্ণা ও সাগরিকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঋতুপর্ণা কর্নার থেকে সরাসরি গোল করেন। আর সাগরিকা গোল করেছেন দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে, শামসুন্নাহার জুনিয়রের সহায়তায়। এর আগে বাংলাদেশ গোল হজম করেছিল ২৩ মিনিটে, গোল করেন নেপালের গীতা রানা।
বুধবার (০৩ জুন) গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে একসময় পিছিয়ে পড়েও অলিম্পিক গোল আর শেষ মুহূর্তের চমৎকার ফিনিশিংয়ে জয় ছিনিয়ে নিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশের চার বছরের গৌরবময় রাজত্ব টিকে রইল, আর এক ধাপ দূরে রইল শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার মিশন।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে নেপাল। শুরুতেই নেপালের আক্রমণের চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ম্যাচের ২৩ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে নেপালকে এগিয়ে নেন গীতা রানা। দীপা শাহির দারুণ ক্রসে কেবল পায়ের টোকা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
প্রথমার্ধের ঠিক শেষ সময়ে মাঠে দেখা গেল জাদুকরী এক মুহূর্ত। পুরো ম্যাচ জুড়ে প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকা ঋতুপর্ণা চাকমা প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সরাসরি কর্নার থেকে এক অবিশ্বাস্য গোল করে বসেন। ফুটবল পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘অলিম্পিক গোল’। সরাসরি কর্নার থেকে বল জালে জড়িয়ে তিনি বাংলাদেশকে ১-১ সমতায় ফেরান এবং এই গোলের পর মাঠে নতুন করে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সাবিনারা।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ১২ মিনিট আগে অর্থাৎ ৭৮ মিনিটে লিড নেওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিলেন সাগরিকা। কিন্তু তার নেওয়া জোরালো শটটি নেপাল অধিনায়ক তথা গোলরক্ষক সুব্বা লাফিয়ে উঠে দারুণভাবে ঘুষি মেরে ফিরিয়ে দেন। তবে সেই সুযোগ মিসের হতাশা কাটাতে বেশি সময় নেননি সাগরিকা। ম্যাচের ৮১ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের নিখুঁত পাস থেকে বল পান তিনি। পেছনে নেপালের দুজন ডিফেন্ডার লেগে থাকলেও তাদের ফাঁকি দিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে দেন সাগরিকা।
সাগরিকার এই জয়সূচক গোলেই শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এবং টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে ফাইনালের মঞ্চে পা রাখল লাল-সবুজ বাহিনী।
বরিশাল টাইমস
আবারও ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী নেপালকে ২–১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালের টিকিট কাটল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছেন ঋতুপর্ণা ও সাগরিকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঋতুপর্ণা কর্নার থেকে সরাসরি গোল করেন। আর সাগরিকা গোল করেছেন দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে, শামসুন্নাহার জুনিয়রের সহায়তায়। এর আগে বাংলাদেশ গোল হজম করেছিল ২৩ মিনিটে, গোল করেন নেপালের গীতা রানা।
বুধবার (০৩ জুন) গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে একসময় পিছিয়ে পড়েও অলিম্পিক গোল আর শেষ মুহূর্তের চমৎকার ফিনিশিংয়ে জয় ছিনিয়ে নিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশের চার বছরের গৌরবময় রাজত্ব টিকে রইল, আর এক ধাপ দূরে রইল শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার মিশন।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে নেপাল। শুরুতেই নেপালের আক্রমণের চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ম্যাচের ২৩ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে নেপালকে এগিয়ে নেন গীতা রানা। দীপা শাহির দারুণ ক্রসে কেবল পায়ের টোকা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
প্রথমার্ধের ঠিক শেষ সময়ে মাঠে দেখা গেল জাদুকরী এক মুহূর্ত। পুরো ম্যাচ জুড়ে প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকা ঋতুপর্ণা চাকমা প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সরাসরি কর্নার থেকে এক অবিশ্বাস্য গোল করে বসেন। ফুটবল পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘অলিম্পিক গোল’। সরাসরি কর্নার থেকে বল জালে জড়িয়ে তিনি বাংলাদেশকে ১-১ সমতায় ফেরান এবং এই গোলের পর মাঠে নতুন করে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সাবিনারা।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ১২ মিনিট আগে অর্থাৎ ৭৮ মিনিটে লিড নেওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিলেন সাগরিকা। কিন্তু তার নেওয়া জোরালো শটটি নেপাল অধিনায়ক তথা গোলরক্ষক সুব্বা লাফিয়ে উঠে দারুণভাবে ঘুষি মেরে ফিরিয়ে দেন। তবে সেই সুযোগ মিসের হতাশা কাটাতে বেশি সময় নেননি সাগরিকা। ম্যাচের ৮১ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের নিখুঁত পাস থেকে বল পান তিনি। পেছনে নেপালের দুজন ডিফেন্ডার লেগে থাকলেও তাদের ফাঁকি দিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে দেন সাগরিকা।
সাগরিকার এই জয়সূচক গোলেই শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এবং টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে ফাইনালের মঞ্চে পা রাখল লাল-সবুজ বাহিনী।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.