Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৩
জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।’
পরিস্থিতি জটিলাকার ধারণ করার অনেক আগেই জাতীয় দলের বিশ্বকাপে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারতের ভিসা ফরমেও বিশ্বকাপগামী দলের সদস্যদের সই-স্বাক্ষর নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় অবশ্য সেসব ফরম জমা দেওয়ার আর প্রয়োজন পড়েনি, চাওয়া হয়নি জিও-ও (সরকারি আদেশ)। তবে অন্যান্য প্রক্রিয়া ঠিকই এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
যেমন—জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।
আরো দুই দিনের অপেক্ষার পর কী হবে? সেটিও বলার মতো অবস্থায় নেই কেউ। গতকাল বিপিএল ম্যাচ চলাকালীন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের প্রেসিডেন্ট বক্সে উপস্থিত বিসিবির দায়িত্বশীল এক পরিচালকও নিজেদের বিশ্বকাপ ভাগ্য নিয়ে কথা বাড়াতে আগ্রহী হলেন না। হাবভাবে মনে হলো, তিনিও অপেক্ষার প্রহর গুনে চলেছেন। শনিবার ঢাকায় আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভের সঙ্গে বিসিবি কর্মকর্তাদের বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়াও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।
ওই বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইভেন্টস অ্যান্ড করপোরেট কমিউনিকেশনসের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনাও। এফগ্রেভ-সাক্সেনারা দীর্ঘ আলাপে নতুন কোনো পরিকল্পনা উপস্থাপন করেননি বলেই নিশ্চিত করেছে বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র। এমনকি ভারতে বিকল্প কোনো ভেন্যুতে গিয়ে খেলার প্রস্তাবও তাঁরা উত্থাপন করেননি বলে জানা গেছে। তাঁরা শুধু ভারতে গেলে বাংলাদেশ দলকে কোন পর্যায়ের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, সেই ‘প্রটোকল’ উপস্থাপন করে যাওয়াতেই আগ্রহী ছিলেন বেশি।
বিসিবির প্রতিনিধিরাও নিজেদের আগের অবস্থানেই অটল থেকেছেন। গ্রুপ ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনে তাদের অন্য গ্রুপে সরিয়ে নেওয়ার দাবিই জানিয়ে গেছেন। দ্বিপক্ষীয় আলাপে আইসিসি কর্মকর্তারা ভারতে খেলতে গেলে বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের দ্রুত সে দেশের ভিসা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে বৈঠক সূত্রে। তবে বিসিবি নিজেদের আগের অবস্থানেই অনড় থাকায় এ বিষয়ে আলোচনা আর এগোয়নি বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের খবর হলো, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড (সিআই) আইসিসির কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা পেয়েছে যে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কা থেকে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হবে না। গ্রুপ পাল্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে আয়ারল্যান্ডের জায়গা নেওয়া এবং ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের জায়গায় আইরিশদের নিয়ে আসার আলোচনার মধ্যে এমন খবর বিসিবির জন্য আশাব্যঞ্জক নয় কিছুতেই।
তবে পাকিস্তানের জিও নিউজ উর্দু পরিবেশিত গতকালের খবরে মিশে আছে উপমহাদেশীয় রাজনীতির উত্তাপ। যে খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান সরকারের সহায়তা চেয়েছে এবং বাংলাদেশের অবস্থানে তাদের পুরো সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। যেখানে সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের দাবি মানা না হলে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। যদিও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ রকম কিছুর সত্যতা মেলেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি সূত্র গত রাতে নিশ্চিত করেছে, ‘দুই দেশের সরকারের মধ্যে এ রকম কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ এখন পর্যন্ত হয়নি। হতে পারে যে দুই দেশের কারো মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ে এই ধরনের আলাপ হয়ে থাকতে পারে। সে রকম কিছু হয়ে থাকলেও বিষয়টি পুরোপুরি অনানুষ্ঠানিকভাবে হয়েছে।’ তাই অপেক্ষায় বাংলাদেশের ইতিবাচক কিছু ফল পাওয়া নিয়েও তৈরি হলো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। এভাবে আর কত অপেক্ষা? জাতীয় দলের ওই সদস্য যে জবাব পেয়েছেন, তাতে সেই অপেক্ষা আরো দুই দিনের। হয় বিশ্বকাপে খেলতে যাবে বাংলাদেশ, না হয় যাবেই না!
জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।’
পরিস্থিতি জটিলাকার ধারণ করার অনেক আগেই জাতীয় দলের বিশ্বকাপে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারতের ভিসা ফরমেও বিশ্বকাপগামী দলের সদস্যদের সই-স্বাক্ষর নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় অবশ্য সেসব ফরম জমা দেওয়ার আর প্রয়োজন পড়েনি, চাওয়া হয়নি জিও-ও (সরকারি আদেশ)। তবে অন্যান্য প্রক্রিয়া ঠিকই এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
যেমন—জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।
আরো দুই দিনের অপেক্ষার পর কী হবে? সেটিও বলার মতো অবস্থায় নেই কেউ। গতকাল বিপিএল ম্যাচ চলাকালীন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের প্রেসিডেন্ট বক্সে উপস্থিত বিসিবির দায়িত্বশীল এক পরিচালকও নিজেদের বিশ্বকাপ ভাগ্য নিয়ে কথা বাড়াতে আগ্রহী হলেন না। হাবভাবে মনে হলো, তিনিও অপেক্ষার প্রহর গুনে চলেছেন। শনিবার ঢাকায় আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভের সঙ্গে বিসিবি কর্মকর্তাদের বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়াও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।
ওই বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইভেন্টস অ্যান্ড করপোরেট কমিউনিকেশনসের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনাও। এফগ্রেভ-সাক্সেনারা দীর্ঘ আলাপে নতুন কোনো পরিকল্পনা উপস্থাপন করেননি বলেই নিশ্চিত করেছে বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র। এমনকি ভারতে বিকল্প কোনো ভেন্যুতে গিয়ে খেলার প্রস্তাবও তাঁরা উত্থাপন করেননি বলে জানা গেছে। তাঁরা শুধু ভারতে গেলে বাংলাদেশ দলকে কোন পর্যায়ের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, সেই ‘প্রটোকল’ উপস্থাপন করে যাওয়াতেই আগ্রহী ছিলেন বেশি।
বিসিবির প্রতিনিধিরাও নিজেদের আগের অবস্থানেই অটল থেকেছেন। গ্রুপ ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনে তাদের অন্য গ্রুপে সরিয়ে নেওয়ার দাবিই জানিয়ে গেছেন। দ্বিপক্ষীয় আলাপে আইসিসি কর্মকর্তারা ভারতে খেলতে গেলে বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের দ্রুত সে দেশের ভিসা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে বৈঠক সূত্রে। তবে বিসিবি নিজেদের আগের অবস্থানেই অনড় থাকায় এ বিষয়ে আলোচনা আর এগোয়নি বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের খবর হলো, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড (সিআই) আইসিসির কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা পেয়েছে যে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কা থেকে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হবে না। গ্রুপ পাল্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে আয়ারল্যান্ডের জায়গা নেওয়া এবং ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের জায়গায় আইরিশদের নিয়ে আসার আলোচনার মধ্যে এমন খবর বিসিবির জন্য আশাব্যঞ্জক নয় কিছুতেই।
তবে পাকিস্তানের জিও নিউজ উর্দু পরিবেশিত গতকালের খবরে মিশে আছে উপমহাদেশীয় রাজনীতির উত্তাপ। যে খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান সরকারের সহায়তা চেয়েছে এবং বাংলাদেশের অবস্থানে তাদের পুরো সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। যেখানে সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের দাবি মানা না হলে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। যদিও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ রকম কিছুর সত্যতা মেলেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি সূত্র গত রাতে নিশ্চিত করেছে, ‘দুই দেশের সরকারের মধ্যে এ রকম কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ এখন পর্যন্ত হয়নি। হতে পারে যে দুই দেশের কারো মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ে এই ধরনের আলাপ হয়ে থাকতে পারে। সে রকম কিছু হয়ে থাকলেও বিষয়টি পুরোপুরি অনানুষ্ঠানিকভাবে হয়েছে।’ তাই অপেক্ষায় বাংলাদেশের ইতিবাচক কিছু ফল পাওয়া নিয়েও তৈরি হলো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। এভাবে আর কত অপেক্ষা? জাতীয় দলের ওই সদস্য যে জবাব পেয়েছেন, তাতে সেই অপেক্ষা আরো দুই দিনের। হয় বিশ্বকাপে খেলতে যাবে বাংলাদেশ, না হয় যাবেই না!

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০১
বাংলাদেশ ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন এনে সরকার নতুন করে সাজাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তামিম ইকবালকে নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে বিসিবির আগের পরিচালনা পর্ষদ।
মঙ্গলবার সরকারের এ সিদ্ধান্ত আসে গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের পর। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে, যার ভিত্তিতেই এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩৭ বছর বয়সী তামিম ইকবাল এখন পর্যন্ত বিসিবির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী সভাপতি। তার নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে আছেন সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন এবং সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খানসহ আরো কয়েকজন সদস্য।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) জানিয়েছে, আগের বোর্ডটি সঠিকভাবে গঠিত হয়নি এবং কার্যক্রমও ঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারছিল না।
তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) বিষয়টি জানানো হয়েছে। এনএসসি আশা করছে, আইসিসি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করবে।
এর আগে সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম পদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে। বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে চাপ বাড়ছিল।
এর মধ্যেই কয়েকজন পরিচালক পদত্যাগ করায় সংকট আরো গভীর হয়।
আজই সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির অফিসে যাবে তামিমের নেতৃত্বে নতুন অ্যাডহক কমিটি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মিটিংয়ে বসবে নতুন কমিটি।

২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:১০
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ যুব দল। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের নায়ক ছিলেন রোনান সুলিভান, যিনি জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে নজর কাড়েন।
ম্যাচের আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই ফুটবলার রোনান সুলিভান ও ডেকলাইন সুলিভান। তবে প্রথম একাদশে জায়গা পান শুধু রোনানই, আর সুযোগ পেয়ে মাঠেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান তিনি। তার নৈপুণ্য আর আক্রমণভাগে তৎপরতায় পুরো ম্যাচেই এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
যদিও ব্যক্তিগত দক্ষতা দেখিয়েও শুরুতে একা খুব বেশি কিছু করতে পারছিলেন না যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই তরুণ ফুটবলার। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছন্দে ফিরে দলকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ ভারত। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ ২৮ মার্চ। এর আগে ২৬ মার্চ মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। সেই ম্যাচে পাকিস্তান পয়েন্ট হারালেই শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের।
মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে আক্রমণে ধার থাকলেও মাঝমাঠে কিছুটা অগোছালো পাসের কারণে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি দলটি।
৪ মিনিটে মুর্শেদ আলীর ক্রস থেকে সতীর্থের হেড অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। ১৬ মিনিটে নাজমুল ফয়সালের ক্রস ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করে দিলে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া হয়।
৩১ মিনিটে মোহাম্মদ মানিকের জোরালো শট লক্ষ্যে থাকেনি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরো কয়েকটি আক্রমণ করলেও গোল পাওয়া হয়নি।
প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া রোনান সুলিভানের দুর্দান্ত ফ্রি কিকে বল পাকিস্তানের জাল কাঁপালে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১০ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এলেও মুর্শেদ আলীর শট বার ঘেঁষে বাইরে যায়। তবে ৬৭ মিনিটে শেখ সংগ্রামের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনান। আর তাতেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
বরিশাল টাইমস

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫
বাংলাদেশ ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন এনে সরকার নতুন করে সাজাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তামিম ইকবালকে নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে বিসিবির আগের পরিচালনা পর্ষদ।
মঙ্গলবার সরকারের এ সিদ্ধান্ত আসে গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের পর। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে, যার ভিত্তিতেই এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩৭ বছর বয়সী তামিম ইকবাল এখন পর্যন্ত বিসিবির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী সভাপতি। তার নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে আছেন সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন এবং সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খানসহ আরো কয়েকজন সদস্য।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) জানিয়েছে, আগের বোর্ডটি সঠিকভাবে গঠিত হয়নি এবং কার্যক্রমও ঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারছিল না।
তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) বিষয়টি জানানো হয়েছে। এনএসসি আশা করছে, আইসিসি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করবে।
এর আগে সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম পদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে। বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে চাপ বাড়ছিল।
এর মধ্যেই কয়েকজন পরিচালক পদত্যাগ করায় সংকট আরো গভীর হয়।
আজই সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির অফিসে যাবে তামিমের নেতৃত্বে নতুন অ্যাডহক কমিটি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মিটিংয়ে বসবে নতুন কমিটি।
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ যুব দল। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের নায়ক ছিলেন রোনান সুলিভান, যিনি জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে নজর কাড়েন।
ম্যাচের আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই ফুটবলার রোনান সুলিভান ও ডেকলাইন সুলিভান। তবে প্রথম একাদশে জায়গা পান শুধু রোনানই, আর সুযোগ পেয়ে মাঠেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান তিনি। তার নৈপুণ্য আর আক্রমণভাগে তৎপরতায় পুরো ম্যাচেই এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
যদিও ব্যক্তিগত দক্ষতা দেখিয়েও শুরুতে একা খুব বেশি কিছু করতে পারছিলেন না যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই তরুণ ফুটবলার। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছন্দে ফিরে দলকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ ভারত। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ ২৮ মার্চ। এর আগে ২৬ মার্চ মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। সেই ম্যাচে পাকিস্তান পয়েন্ট হারালেই শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের।
মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে আক্রমণে ধার থাকলেও মাঝমাঠে কিছুটা অগোছালো পাসের কারণে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি দলটি।
৪ মিনিটে মুর্শেদ আলীর ক্রস থেকে সতীর্থের হেড অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। ১৬ মিনিটে নাজমুল ফয়সালের ক্রস ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করে দিলে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া হয়।
৩১ মিনিটে মোহাম্মদ মানিকের জোরালো শট লক্ষ্যে থাকেনি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরো কয়েকটি আক্রমণ করলেও গোল পাওয়া হয়নি।
প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া রোনান সুলিভানের দুর্দান্ত ফ্রি কিকে বল পাকিস্তানের জাল কাঁপালে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১০ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এলেও মুর্শেদ আলীর শট বার ঘেঁষে বাইরে যায়। তবে ৬৭ মিনিটে শেখ সংগ্রামের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনান। আর তাতেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
বরিশাল টাইমস
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস