
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩০
পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরো রমজান মাসজুড়ে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।
এর আগে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরো রমজান মাসজুড়ে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওইদিন বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা। পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল।
এর আগে গত ৫ জানুয়ারি পবিত্র রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
এতে বলা হয়, দেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলিম। স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে- এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং একইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।
এতে আরও বলা হয়, সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না এবং অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী- আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। এজন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।
আইনি নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়। এতে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়।
যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোয় তীব্র জানযটের সৃষ্টি হয়, যার কারণে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। পরবর্তীতে নোটিশের জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করা হয়।
পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরো রমজান মাসজুড়ে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।
এর আগে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরো রমজান মাসজুড়ে দেশের সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওইদিন বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা। পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল।
এর আগে গত ৫ জানুয়ারি পবিত্র রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
এতে বলা হয়, দেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলিম। স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে- এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং একইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।
এতে আরও বলা হয়, সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না এবং অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী- আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। এজন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।
আইনি নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়। এতে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়।
যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোয় তীব্র জানযটের সৃষ্টি হয়, যার কারণে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। পরবর্তীতে নোটিশের জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করা হয়।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৬
গণভোট বাতিল হলেও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান আসাদ।
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সেই লক্ষ্যে কাজ চলমান।
তিনি আরও জানান, চলতি মাসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শৈলকুপা সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে এলাকাকে ‘তারেকময়’ করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ৩৮ লাখ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপে আরও প্রায় সাড়ে চার কোটি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
জ্বালানি বিষয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লেও দেশের বাজারে এর প্রভাব কম রাখতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে অনিয়মের মাধ্যমে বারবার তেল নেওয়ার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
শনিবার (৪ এপ্রিল) ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ছায়ভাঙা–দলিলপুর–আলফাপুর এলাকায় ১১ দশমিক ২২ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। এটি দেশব্যাপী নদীনালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, খাল খননের পাশাপাশি খালের দুই পাড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে ঘিরে এলাকায় আরও বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শৈলকুপার জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক আব্দুল আল মাসউদ। সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাশিস অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বাস্তবায়িত হলে এলাকার কৃষি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এই প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে ঘিরে এলাকায় নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
গণভোট বাতিল হলেও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান আসাদ।
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সেই লক্ষ্যে কাজ চলমান।
তিনি আরও জানান, চলতি মাসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শৈলকুপা সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে এলাকাকে ‘তারেকময়’ করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ৩৮ লাখ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপে আরও প্রায় সাড়ে চার কোটি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
জ্বালানি বিষয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লেও দেশের বাজারে এর প্রভাব কম রাখতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে অনিয়মের মাধ্যমে বারবার তেল নেওয়ার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
শনিবার (৪ এপ্রিল) ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ছায়ভাঙা–দলিলপুর–আলফাপুর এলাকায় ১১ দশমিক ২২ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। এটি দেশব্যাপী নদীনালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, খাল খননের পাশাপাশি খালের দুই পাড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে ঘিরে এলাকায় আরও বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শৈলকুপার জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক আব্দুল আল মাসউদ। সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাশিস অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বাস্তবায়িত হলে এলাকার কৃষি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এই প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে ঘিরে এলাকায় নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১৪
গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। একই সঙ্গে অতীতে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নির্যাতনের একটি তালিকাও প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পাবনা বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল স্বাধীনতা চত্বরে আট দিনব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সরকারের বয়স মাত্র দেড় মাস উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনার ভিত্তিতেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, অতীতে গণমাধ্যমের ওপর নির্যাতনের ঘটনা একটি স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অংশ ছিল। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাগুলো চিহ্নিত করতে তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পাবনা জেলা জাসাসের আহ্বায়ক ও প্রধানমন্ত্রীর আলোকচিত্রিক খালেদ হোসেন পরাগের সভাপতিত্বে এবং পাবনা বইমেলা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব ডা. আহমেদ মোস্তফা নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান এবং সদস্য সচিব মাসুদ খন্দকার প্রমুখ।
গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। একই সঙ্গে অতীতে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নির্যাতনের একটি তালিকাও প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পাবনা বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল স্বাধীনতা চত্বরে আট দিনব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সরকারের বয়স মাত্র দেড় মাস উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনার ভিত্তিতেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, অতীতে গণমাধ্যমের ওপর নির্যাতনের ঘটনা একটি স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অংশ ছিল। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাগুলো চিহ্নিত করতে তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পাবনা জেলা জাসাসের আহ্বায়ক ও প্রধানমন্ত্রীর আলোকচিত্রিক খালেদ হোসেন পরাগের সভাপতিত্বে এবং পাবনা বইমেলা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব ডা. আহমেদ মোস্তফা নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান এবং সদস্য সচিব মাসুদ খন্দকার প্রমুখ।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৪
দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে ৫৬ জেলায়, বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, একদিনে হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ৯৪৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। গত ১৯ দিনে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪ জনে। একই সময়ে ৫ হাজার ৭৯২ শিশু বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে, যার মধ্যে ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৯ জনের শরীরে সরাসরি হামের জীবাণু শনাক্ত করা হয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, শুরুতে জ্বর ও ঠান্ডার মতো উপসর্গ থাকলেও পরে শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। অনেকেই প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে সাধারণ রোগ মনে করে অবহেলা করছেন, ফলে সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে।
দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অভিজ্ঞতা প্রায় একই। প্রতিদিনই নতুন রোগী বাড়ছে, অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, বরগুনা, মাগুরা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় গত ১৯ দিনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মৃত্যু হয়েছে, যা অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশে ২ হাজার ১৯০ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬৭৬ জনের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। কক্সবাজার, বরগুনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা ও নাটোর জেলা উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি। এখানে আক্রান্ত ৩১৫ জন এবং উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২ হাজার ৩৯৪ শিশু। চট্টগ্রাম বিভাগে আক্রান্ত ১৯৯ জন, বরিশালে ৭৬ জন, খুলনায় ৮৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ময়মনসিংহ বিভাগে আক্রান্ত ৪৪ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে জেলা পর্যায় থেকে ভুল তথ্য পাঠানোর কারণে মৃত্যুর তালিকা সংশোধন করা হয়েছে। অন্যদিকে নতুন করে রাজধানীর একটি হাসপাতালে একজনের মৃত্যুর তথ্য যুক্ত হয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ২০ থেকে ২১টি উপজেলায় দুই সপ্তাহব্যাপী এই কার্যক্রম চলবে। এছাড়া দেশের সব সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক ও কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পাঁচটি ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডে ১০টি কেন্দ্রে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। আগামীকাল রোববার থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত টিকাদান, আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্তকরণ এবং কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। যথাসময়ে ব্যবস্থা না নিলে হামের এই প্রাদুর্ভাব আরও বড় জনস্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হতে পারে।
দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে ৫৬ জেলায়, বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, একদিনে হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ৯৪৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। গত ১৯ দিনে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪ জনে। একই সময়ে ৫ হাজার ৭৯২ শিশু বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে, যার মধ্যে ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৯ জনের শরীরে সরাসরি হামের জীবাণু শনাক্ত করা হয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, শুরুতে জ্বর ও ঠান্ডার মতো উপসর্গ থাকলেও পরে শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। অনেকেই প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে সাধারণ রোগ মনে করে অবহেলা করছেন, ফলে সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে।
দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অভিজ্ঞতা প্রায় একই। প্রতিদিনই নতুন রোগী বাড়ছে, অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, বরগুনা, মাগুরা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় গত ১৯ দিনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মৃত্যু হয়েছে, যা অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশে ২ হাজার ১৯০ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬৭৬ জনের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। কক্সবাজার, বরগুনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা ও নাটোর জেলা উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি। এখানে আক্রান্ত ৩১৫ জন এবং উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২ হাজার ৩৯৪ শিশু। চট্টগ্রাম বিভাগে আক্রান্ত ১৯৯ জন, বরিশালে ৭৬ জন, খুলনায় ৮৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ময়মনসিংহ বিভাগে আক্রান্ত ৪৪ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে জেলা পর্যায় থেকে ভুল তথ্য পাঠানোর কারণে মৃত্যুর তালিকা সংশোধন করা হয়েছে। অন্যদিকে নতুন করে রাজধানীর একটি হাসপাতালে একজনের মৃত্যুর তথ্য যুক্ত হয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ২০ থেকে ২১টি উপজেলায় দুই সপ্তাহব্যাপী এই কার্যক্রম চলবে। এছাড়া দেশের সব সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক ও কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পাঁচটি ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডে ১০টি কেন্দ্রে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। আগামীকাল রোববার থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত টিকাদান, আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্তকরণ এবং কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। যথাসময়ে ব্যবস্থা না নিলে হামের এই প্রাদুর্ভাব আরও বড় জনস্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হতে পারে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.