
১১ জুন, ২০২৫ ১৩:৫০
নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিএনপির একপক্ষের ঈদ পুনর্মিলনী সমাবেশে যাওয়ার পথে অন্য পক্ষের হামলা ও উভয় পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ৩৫ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে ২৫ জনকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে গুরুতর আহত চারজনকে সেখান থেকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের বলীর পুলের পশ্চিম পাশে রাস্তার মাথায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন তমরদ্দি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সানা উল্লাহ, আনোয়ার হোসেন, নুর ইসলাম, খোকন, দিদার, এনায়েত হোসেন, জাহাজমারা ইউনিয়নের মো. হানিফ, বুড়িরচর ইউনিয়নের রুবেল, চরকিং ইউনিয়নের নোমান, সাগরসহ ৩৫ জন।
পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে তমরুদ্দি বাজারে মঙ্গলবার বেলা ৩টায় ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি অংশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করা হয় কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান ওরফে শামীমকে। এদিন আনুমানিক দুপুর ১টার দিকে শামীমের অনুসারীরা অনুষ্ঠানে আসা শুরু করেন। পথে তমরুদ্দি বাজারে তাদের বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
শামীমের অনুসারীদের অভিযোগ, সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল আজিমের অনুসারী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর কবিরের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন।
এ নিয়ে বাজারের আশপাশে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ৩৫ জন আহত হন। এর মধ্যে ২৫ জন হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। চারজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
হামলায় আহত তাঁতিদলের তমরদ্দি ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহেদ বলেন, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীমের ঈদ পুনর্মিলনী কর্মসূচিতে আমরা বিএনপির নেতাকর্মীরা ১নং খিরিদিয়া ওয়ার্ড থেকে মিছিলযোগে রওনা হয়েছিলাম।
হঠাৎ করে আমাদের মিছিলের পেছন দিয়ে কয়েকজন অস্ত্রধারী হামলা চালায়। এ সময় আমিসহ আমাদের প্রায় ৩৫ জন নেতাকর্মী আহত হন। হামলাকারীরা হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবিরের অনুসারি।
হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির বলেন, হাতিয়া উপজেলায় কিছু বহিরাগত লোকজন রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে আমাদের ঘাটের কয়েকজন শ্রমিকের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হন। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের ওপর কোনো হামলা চালানো হয়নি।
হামলার বিষয়ে জানতে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমের মুঠেফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ না করায় তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম আজমল হুদা বলেন, দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের খবর শুনেছি। তবে আমাদের কাছে এখনো কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, হামলায় আহতদের দেখতে রাত পৌনে ১১টার দিকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। সেখানে চিকিৎসারতদের তিনি সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় গণমাধ্যমকে হান্নান মাসউদ বলেন, হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে সেখানে চিকিৎসারত রোগীদের খোঁজখবর নিয়েছি। এখানে রাজনৈতিক সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের সঙ্গেও কথা বলে তাদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছি। কোনো ধরনের সংঘাত সংঘর্ষ আমাদের কাম্য নয়।
নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিএনপির একপক্ষের ঈদ পুনর্মিলনী সমাবেশে যাওয়ার পথে অন্য পক্ষের হামলা ও উভয় পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ৩৫ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে ২৫ জনকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে গুরুতর আহত চারজনকে সেখান থেকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের বলীর পুলের পশ্চিম পাশে রাস্তার মাথায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন তমরদ্দি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সানা উল্লাহ, আনোয়ার হোসেন, নুর ইসলাম, খোকন, দিদার, এনায়েত হোসেন, জাহাজমারা ইউনিয়নের মো. হানিফ, বুড়িরচর ইউনিয়নের রুবেল, চরকিং ইউনিয়নের নোমান, সাগরসহ ৩৫ জন।
পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে তমরুদ্দি বাজারে মঙ্গলবার বেলা ৩টায় ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি অংশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি করা হয় কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান ওরফে শামীমকে। এদিন আনুমানিক দুপুর ১টার দিকে শামীমের অনুসারীরা অনুষ্ঠানে আসা শুরু করেন। পথে তমরুদ্দি বাজারে তাদের বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
শামীমের অনুসারীদের অভিযোগ, সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল আজিমের অনুসারী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর কবিরের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন।
এ নিয়ে বাজারের আশপাশে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ৩৫ জন আহত হন। এর মধ্যে ২৫ জন হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। চারজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
হামলায় আহত তাঁতিদলের তমরদ্দি ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহেদ বলেন, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীমের ঈদ পুনর্মিলনী কর্মসূচিতে আমরা বিএনপির নেতাকর্মীরা ১নং খিরিদিয়া ওয়ার্ড থেকে মিছিলযোগে রওনা হয়েছিলাম।
হঠাৎ করে আমাদের মিছিলের পেছন দিয়ে কয়েকজন অস্ত্রধারী হামলা চালায়। এ সময় আমিসহ আমাদের প্রায় ৩৫ জন নেতাকর্মী আহত হন। হামলাকারীরা হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবিরের অনুসারি।
হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির বলেন, হাতিয়া উপজেলায় কিছু বহিরাগত লোকজন রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে আমাদের ঘাটের কয়েকজন শ্রমিকের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হন। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের ওপর কোনো হামলা চালানো হয়নি।
হামলার বিষয়ে জানতে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমের মুঠেফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ না করায় তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম আজমল হুদা বলেন, দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের খবর শুনেছি। তবে আমাদের কাছে এখনো কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, হামলায় আহতদের দেখতে রাত পৌনে ১১টার দিকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। সেখানে চিকিৎসারতদের তিনি সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় গণমাধ্যমকে হান্নান মাসউদ বলেন, হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে সেখানে চিকিৎসারত রোগীদের খোঁজখবর নিয়েছি। এখানে রাজনৈতিক সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের সঙ্গেও কথা বলে তাদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছি। কোনো ধরনের সংঘাত সংঘর্ষ আমাদের কাম্য নয়।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫১
বগুড়ার গাবতলীতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ায় ও অফিস উদ্বোধন করায় নেপালতলী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন আলমের বাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে নেপালতলী ইউনিয়নে বুরুজ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার দিনভর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম রব্বানীর পক্ষে নেপালতলী ইউনিয়নে বুরুজ বাজার কদমতলী এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করা হয়।
রাত আড়াইটার দিকে ইউনিয়ন জামায়াতেরে সেক্রেটারি আলমগীরের বসতবাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুনে বসতবাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। এলাকাবাসী টের পেয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন আলম বলেন, মঙ্গলবার দিনভর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম রব্বানীর পক্ষে নেপালতলী ইউনিয়নে বুরুজ বাজার কদমতলী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করার পর রাতেই আমার বাড়িতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। তবে আমি কাউকে অভিযুক্ত করিনি।
বগুড়া-৭ আসনে জামায়াতের নির্বাচনী পরিচালক মাওলানা আব্দুল হাকিম সরকার বলেন, আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি, কাউকে অভিযুক্ত করতে চাই না। আমাদের কর্মী ও নারী ভোটারদের হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অবশ্যই আশা করি।
গাবতলী মডেল থানার ওসি আনিছুর রহমান বলেন, আগুনের ঘটনায় আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। তবে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বগুড়ার গাবতলীতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ায় ও অফিস উদ্বোধন করায় নেপালতলী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন আলমের বাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে নেপালতলী ইউনিয়নে বুরুজ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার দিনভর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম রব্বানীর পক্ষে নেপালতলী ইউনিয়নে বুরুজ বাজার কদমতলী এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করা হয়।
রাত আড়াইটার দিকে ইউনিয়ন জামায়াতেরে সেক্রেটারি আলমগীরের বসতবাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুনে বসতবাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। এলাকাবাসী টের পেয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন আলম বলেন, মঙ্গলবার দিনভর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম রব্বানীর পক্ষে নেপালতলী ইউনিয়নে বুরুজ বাজার কদমতলী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করার পর রাতেই আমার বাড়িতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। তবে আমি কাউকে অভিযুক্ত করিনি।
বগুড়া-৭ আসনে জামায়াতের নির্বাচনী পরিচালক মাওলানা আব্দুল হাকিম সরকার বলেন, আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি, কাউকে অভিযুক্ত করতে চাই না। আমাদের কর্মী ও নারী ভোটারদের হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অবশ্যই আশা করি।
গাবতলী মডেল থানার ওসি আনিছুর রহমান বলেন, আগুনের ঘটনায় আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। তবে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩০
রাজধানীর কদমতলী (ঢাকা-৪) আসনে গণসংযোগকালে কাজি মারিয়া ইসলাম নামের জামায়াতে ইসলামীর এক নারী কর্মীকে মাথায় কোপ দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএসসিসির ৫২ নম্বর ওয়ার্ড মুরাদপুর হাইস্কুল সংলগ্ন মাজেদা গলিতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চাওয়ার জন্য জামায়াতের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ করেছিলেন। এ সময় মাজেদা গলির একটি ৫ তলা ভবনের একটি ফ্ল্যাটে ভোট চাইতে কয়েকজন নারী কর্মী ফ্ল্যাটের ভেতরে ঢোকেন।
এ সময় কয়েকজন যুবক তাদের পথরোধ করে জানতে চান, দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী এ জয়নাল আবেদীন কে, তাকে তো কেউ চিনে না, তার জন্য আপনারা ভোট চাইতে আসছেন কেন।
এ নিয়ে উভয়ের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা চলাকালে পেছন থেকে মারিয়া ইসলামের মাথায় কোপ দেয় যুবকদের একজন। পরে তারা পালিয়ে যায়। মারিয়া ইসলাম বর্তমানে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, বিষয়টি শুনেছি। কে বা কারা এ আঘাত করেছে তা আমরা এখনো স্পষ্ট না। আমি মনে করি, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। তবে নারীদের উপর এমন হামলার নিন্দা জানাই।
কদমতলী থানার ওসি আশরাফুজ্জামান বলেন, এমন একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমরা আরও ভালো করে জানার চেষ্টা করছি, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি।
রাজধানীর কদমতলী (ঢাকা-৪) আসনে গণসংযোগকালে কাজি মারিয়া ইসলাম নামের জামায়াতে ইসলামীর এক নারী কর্মীকে মাথায় কোপ দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএসসিসির ৫২ নম্বর ওয়ার্ড মুরাদপুর হাইস্কুল সংলগ্ন মাজেদা গলিতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চাওয়ার জন্য জামায়াতের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ করেছিলেন। এ সময় মাজেদা গলির একটি ৫ তলা ভবনের একটি ফ্ল্যাটে ভোট চাইতে কয়েকজন নারী কর্মী ফ্ল্যাটের ভেতরে ঢোকেন।
এ সময় কয়েকজন যুবক তাদের পথরোধ করে জানতে চান, দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী এ জয়নাল আবেদীন কে, তাকে তো কেউ চিনে না, তার জন্য আপনারা ভোট চাইতে আসছেন কেন।
এ নিয়ে উভয়ের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা চলাকালে পেছন থেকে মারিয়া ইসলামের মাথায় কোপ দেয় যুবকদের একজন। পরে তারা পালিয়ে যায়। মারিয়া ইসলাম বর্তমানে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, বিষয়টি শুনেছি। কে বা কারা এ আঘাত করেছে তা আমরা এখনো স্পষ্ট না। আমি মনে করি, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। তবে নারীদের উপর এমন হামলার নিন্দা জানাই।
কদমতলী থানার ওসি আশরাফুজ্জামান বলেন, এমন একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমরা আরও ভালো করে জানার চেষ্টা করছি, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪২
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে প্রমাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠের নির্ধারিত দিনক্ষণ ছিল। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন। দুপুরের দিকে অনুষ্ঠান শুরুর মুহূর্তে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকরা সমানে সারিতে চেয়ার বসতে না পেরে হট্টগোল শুরু করেন।
এসময় কথা কাটাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা এবং দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় মঞ্চের সামনে রাখা কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলাকালে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অভিযোগ করে বলেন, ‘পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা আমাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের দলের কমপক্ষে ১৫ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, ‘উগ্রবাদী জঙ্গি জামাতিরা পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তারা দেশকে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইগাতীর ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরুর প্রাক্কালে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের দলের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বর্তমানে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।’
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল সাংবাদিকদের জানান, সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আমরা ইশতেহার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সেখানে বসাকে কেন্দ্র করে একটু ঝামেলা হয়েছে। পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে এ ঘটনাটি আমরা ঊর্ধ্বতনকে জানিয়েছি। এ ঘটনায় পরবর্তী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে প্রমাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠের নির্ধারিত দিনক্ষণ ছিল। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন। দুপুরের দিকে অনুষ্ঠান শুরুর মুহূর্তে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকরা সমানে সারিতে চেয়ার বসতে না পেরে হট্টগোল শুরু করেন।
এসময় কথা কাটাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা এবং দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় মঞ্চের সামনে রাখা কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলাকালে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অভিযোগ করে বলেন, ‘পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা আমাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের দলের কমপক্ষে ১৫ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, ‘উগ্রবাদী জঙ্গি জামাতিরা পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তারা দেশকে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইগাতীর ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরুর প্রাক্কালে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের দলের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বর্তমানে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।’
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল সাংবাদিকদের জানান, সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আমরা ইশতেহার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সেখানে বসাকে কেন্দ্র করে একটু ঝামেলা হয়েছে। পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে এ ঘটনাটি আমরা ঊর্ধ্বতনকে জানিয়েছি। এ ঘটনায় পরবর্তী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.