Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ মে, ২০২৬ ২১:২১
প্রেম করে বিয়ের পর দাম্পত্য কলহ, নির্যাতনের অভিযোগ ও বিচার না পাওয়ার হতাশার জেরে ফেনীতে আদালতের এজলাসেই বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তাহমিনা আক্তার মোহনা নামে এক নারী বিচারপ্রার্থী। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রোববার (১০ মে) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ফুলগাজী আমলী আদালতে এ ঘটনা ঘটে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রেমের সম্পর্কের জেরে ২০২৫ সালে ফুলগাজী উপজেলার চার সন্তানের জনক আকবর হোসেনকে বিয়ে করেন মোহনাকে। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।
মোহনার দাবি, তিনি জানতেন না আকবরের আগের সংসারে স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের হাতে একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।
এ ঘটনায় চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন মোহনা। রোববার ছিল মামলার ধার্য তারিখ। শুনানির সময় মোহনা ও তার স্বামী আকবর হোসেন উভয়ই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুনানি শেষে আদালত আকবর হোসেনকে জামিন দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে হঠাৎ আদালত কক্ষেই বিষপান করেন মোহনা।
পরে তিনি ছটফট করতে শুরু করলে উপস্থিত আইনজীবী, পুলিশ ও আদালতের কর্মকর্তারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী জহির উদ্দিন মামুন বলেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ, স্বামীর নির্যাতন ও বিচার না পাওয়ার হতাশা থেকেই মোহনা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করছি। এমন চরম সিদ্ধান্ত মানুষ এক দিনে নেয় না।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোহনা বলেন, দুই বছর প্রেমের সম্পর্কের পর আকবর আমাকে বিয়ে করেছে। বিয়ের আগে আমি জানতাম না তার স্ত্রী-সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে মারধর ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি।
আদালতের শরণাপন্ন হয়েও বিচার পাইনি। আদালতে ওঠার আগে আমি তাকে বলেছিলাম, আজ বিষ খাব, দেখিয়েছিও। পরে আদালতে তার জামিনের পর বিষ খেয়ে ফেলেছি।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রোকন উদ্দৌলা বলেন, বিষক্রিয়ার লক্ষণ নিয়ে মোহনাকে হাসপাতালে আনা হয়।
প্রাথমিক চিকিৎসার অংশ হিসেবে তার পাকস্থলী ওয়াশ করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মু. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে অবগত হয়েছি।
সম্ভবত ওই নারী তার স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক আইনে মামলা করেন। মামলার ধার্য্য তারিখে আদালত তার স্বামীকে জামিন দিলে তিনি এজলাসে বিষপান করেন। ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রেম করে বিয়ের পর দাম্পত্য কলহ, নির্যাতনের অভিযোগ ও বিচার না পাওয়ার হতাশার জেরে ফেনীতে আদালতের এজলাসেই বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তাহমিনা আক্তার মোহনা নামে এক নারী বিচারপ্রার্থী। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রোববার (১০ মে) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ফুলগাজী আমলী আদালতে এ ঘটনা ঘটে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রেমের সম্পর্কের জেরে ২০২৫ সালে ফুলগাজী উপজেলার চার সন্তানের জনক আকবর হোসেনকে বিয়ে করেন মোহনাকে। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।
মোহনার দাবি, তিনি জানতেন না আকবরের আগের সংসারে স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের হাতে একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।
এ ঘটনায় চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন মোহনা। রোববার ছিল মামলার ধার্য তারিখ। শুনানির সময় মোহনা ও তার স্বামী আকবর হোসেন উভয়ই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুনানি শেষে আদালত আকবর হোসেনকে জামিন দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে হঠাৎ আদালত কক্ষেই বিষপান করেন মোহনা।
পরে তিনি ছটফট করতে শুরু করলে উপস্থিত আইনজীবী, পুলিশ ও আদালতের কর্মকর্তারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী জহির উদ্দিন মামুন বলেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ, স্বামীর নির্যাতন ও বিচার না পাওয়ার হতাশা থেকেই মোহনা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করছি। এমন চরম সিদ্ধান্ত মানুষ এক দিনে নেয় না।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোহনা বলেন, দুই বছর প্রেমের সম্পর্কের পর আকবর আমাকে বিয়ে করেছে। বিয়ের আগে আমি জানতাম না তার স্ত্রী-সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে মারধর ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি।
আদালতের শরণাপন্ন হয়েও বিচার পাইনি। আদালতে ওঠার আগে আমি তাকে বলেছিলাম, আজ বিষ খাব, দেখিয়েছিও। পরে আদালতে তার জামিনের পর বিষ খেয়ে ফেলেছি।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রোকন উদ্দৌলা বলেন, বিষক্রিয়ার লক্ষণ নিয়ে মোহনাকে হাসপাতালে আনা হয়।
প্রাথমিক চিকিৎসার অংশ হিসেবে তার পাকস্থলী ওয়াশ করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মু. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে অবগত হয়েছি।
সম্ভবত ওই নারী তার স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক আইনে মামলা করেন। মামলার ধার্য্য তারিখে আদালত তার স্বামীকে জামিন দিলে তিনি এজলাসে বিষপান করেন। ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১১ মে, ২০২৬ ১২:৫২
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঁদাবাজির মামলায় এস. এম. আলী আজম ও আশিকুর রহমান রনি নামের দুই কথিত সাংবাদিককে পাঁচ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার (১০ মে) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দেন এস. এম. আলী আজম ও আশিকুর রহমান রনি।
এ সময় তারা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিল-ভাউচার ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র দেখতে চান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাদের জানান, এসব নথিপত্র দেখভালের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের হুমকি দিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। পাশাপাশি শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণও করেন।
একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন ও শিক্ষকরা এস. এম. আলী আজমকে আটক করেন। তবে অপর আসামি আশিকুর রহমান রনি মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে আটক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
ঘটনার দিনই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে আশুগঞ্জ থানায় দণ্ডবিধির ৪১৯, ৩৮৫ ও ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে পাঁচ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের রায় দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ তফসির আহমেদ তানভীর বলেন, সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা জায়গায় চাঁদাবাজি করতেন সাজাপ্রাপ্তরা। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে এ রায় দিয়েছেন।
এ বিষয়ে আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম পারভেজ বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা। প্রকৃত সাংবাদিকরা দেশ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ।
সাজাপ্রাপ্তরা নামসর্বস্ব পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতেন। এ রায় ভুয়া সাংবাদিকতা ও অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে একটি যুগান্তকারী বার্তা।
বরিশাল টাইমস

১০ মে, ২০২৬ ১৫:৪৮
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরশহর এলাকায় চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে এক মেডিকেল স্টোরে অভিযান পরিচালনা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ সময় রোগী দেখার কেবিন, সিলগালা, চিকিৎসা সরঞ্জাম জব্দ এবং নগদ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে মেডিকেল স্টোরের মালিক ভুয়া চিকিৎসক মো. সোহেল রানা পালিয়ে গেছেন।
শনিবার (৯ মে) বিকেলে ইসলামপুর মোড়ে অবস্থিত শর্মী মেডিকেল স্টোরে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ।
অভিযানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সোলায়মান মেহেদী হাসান এবং ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, মেডিকেল স্টোরটিতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে রোগী দেখার অভিযোগ ছিল।
অভিযানের সময় কেবিন থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, অক্সিজেন সিলিন্ডার, টেপ, ব্যান্ডেজ এবং ছোটখাটো অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত বিভিন্ন কেমিক্যাল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে রোগী দেখার কেবিনটি সিলগালা করা হয়।
তবে অভিযানের খবর পেয়ে আগেই পালিয়ে যান মেডিকেল স্টোরের মালিক ও কথিত চিকিৎসক মো. সোহেল রানা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও তাকে না পেয়ে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সোলায়মান মেহেদী হাসান বলেন, ‘অভিযানের সময় ডাক্তার পরিচয়দানকারী সোহেল রানাকে পাওয়া যায়নি। তিনি পালিয়ে গেছেন। তিনি প্রকৃত চিকিৎসক নন।’
তিনি আরও জানান, কিছুদিন আগে ভুল চিকিৎসার মাধ্যমে একটি শিশুর ক্ষতির অভিযোগ ওঠে সোহেল রানার বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

১০ মে, ২০২৬ ১২:০১
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে তিনজন নিহত হয়েছেন। রোববার (১০ মে) সকালে উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঘচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা একটি ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কালিয়াকৈর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম জানান, নিহতদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় বেশ কয়েক দিন ধরে গরু চুরির ঘটনা বেড়েছে। রোববার রাতে একদল চোর ট্রাক নিয়ে বাগমারা এলাকায় গরু চুরি করতে আসে।
এ সময় এলাকাবাসী বিষয়টি টের পেয়ে চারদিক থেকে তাদের ঘিরে ফেলে। কয়েকজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তিনজনকে আটক করে মারধর করা হয়। পরে সকালে ওই তিনজন মারা যান।
কালিয়াকৈর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম বলেন, গরু চোর সন্দেহে স্থানীয়রা তিনজনকে গণপিটুনি দেয়। মারধরে তারা ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাদের ব্যবহৃত ট্রাকটিতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে এলাকাবাসী। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঁদাবাজির মামলায় এস. এম. আলী আজম ও আশিকুর রহমান রনি নামের দুই কথিত সাংবাদিককে পাঁচ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার (১০ মে) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দেন এস. এম. আলী আজম ও আশিকুর রহমান রনি।
এ সময় তারা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিল-ভাউচার ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র দেখতে চান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাদের জানান, এসব নথিপত্র দেখভালের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের হুমকি দিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। পাশাপাশি শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণও করেন।
একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন ও শিক্ষকরা এস. এম. আলী আজমকে আটক করেন। তবে অপর আসামি আশিকুর রহমান রনি মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে আটক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
ঘটনার দিনই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে আশুগঞ্জ থানায় দণ্ডবিধির ৪১৯, ৩৮৫ ও ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে পাঁচ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের রায় দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ তফসির আহমেদ তানভীর বলেন, সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা জায়গায় চাঁদাবাজি করতেন সাজাপ্রাপ্তরা। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে এ রায় দিয়েছেন।
এ বিষয়ে আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম পারভেজ বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা। প্রকৃত সাংবাদিকরা দেশ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ।
সাজাপ্রাপ্তরা নামসর্বস্ব পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতেন। এ রায় ভুয়া সাংবাদিকতা ও অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে একটি যুগান্তকারী বার্তা।
বরিশাল টাইমস
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরশহর এলাকায় চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে এক মেডিকেল স্টোরে অভিযান পরিচালনা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ সময় রোগী দেখার কেবিন, সিলগালা, চিকিৎসা সরঞ্জাম জব্দ এবং নগদ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে মেডিকেল স্টোরের মালিক ভুয়া চিকিৎসক মো. সোহেল রানা পালিয়ে গেছেন।
শনিবার (৯ মে) বিকেলে ইসলামপুর মোড়ে অবস্থিত শর্মী মেডিকেল স্টোরে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ।
অভিযানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সোলায়মান মেহেদী হাসান এবং ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, মেডিকেল স্টোরটিতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে রোগী দেখার অভিযোগ ছিল।
অভিযানের সময় কেবিন থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, অক্সিজেন সিলিন্ডার, টেপ, ব্যান্ডেজ এবং ছোটখাটো অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত বিভিন্ন কেমিক্যাল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে রোগী দেখার কেবিনটি সিলগালা করা হয়।
তবে অভিযানের খবর পেয়ে আগেই পালিয়ে যান মেডিকেল স্টোরের মালিক ও কথিত চিকিৎসক মো. সোহেল রানা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও তাকে না পেয়ে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সোলায়মান মেহেদী হাসান বলেন, ‘অভিযানের সময় ডাক্তার পরিচয়দানকারী সোহেল রানাকে পাওয়া যায়নি। তিনি পালিয়ে গেছেন। তিনি প্রকৃত চিকিৎসক নন।’
তিনি আরও জানান, কিছুদিন আগে ভুল চিকিৎসার মাধ্যমে একটি শিশুর ক্ষতির অভিযোগ ওঠে সোহেল রানার বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে তিনজন নিহত হয়েছেন। রোববার (১০ মে) সকালে উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাঘচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা একটি ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কালিয়াকৈর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম জানান, নিহতদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় বেশ কয়েক দিন ধরে গরু চুরির ঘটনা বেড়েছে। রোববার রাতে একদল চোর ট্রাক নিয়ে বাগমারা এলাকায় গরু চুরি করতে আসে।
এ সময় এলাকাবাসী বিষয়টি টের পেয়ে চারদিক থেকে তাদের ঘিরে ফেলে। কয়েকজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তিনজনকে আটক করে মারধর করা হয়। পরে সকালে ওই তিনজন মারা যান।
কালিয়াকৈর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম বলেন, গরু চোর সন্দেহে স্থানীয়রা তিনজনকে গণপিটুনি দেয়। মারধরে তারা ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাদের ব্যবহৃত ট্রাকটিতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে এলাকাবাসী। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।