ডেঙ্গুর মৌসুম এলেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বরিশাল নগরজুড়ে। প্রতিবছরের মতো এবারও বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়লেও নগরবাসীর অভিযোগ, মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের দৃশ্যমান কার্যক্রম খুব একটা চোখে পড়ে না।
এর মধ্যেই সামনে এসেছে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন খাতে অস্বাভাবিক ব্যয়ের তথ্য, যা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৭২৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৯২ জন। যদিও নগরজুড়ে নিয়মিত ফগিং ও মশা নিধন কার্যক্রম চালানোর দাবি করছে সিটি করপোরেশন, বাস্তবে মশার উপদ্রব কমেনি বলে অভিযোগ নগরবাসীর।
বিসিসির হিসাব শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা, ফগার মেশিন ক্রয় ও প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সংগ্রহের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে এ বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যয়ও করা হয়েছে।
অথচ মাত্র দুই বছর আগে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে একই খাতে ব্যয় দেখানো হয়েছিল মাত্র ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৫ টাকা। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এই ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পরিচ্ছন্নতা শাখার জন্য বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। কিন্তু বছর শেষে ব্যয় দেখানো হয় ৬ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার ৯০ টাকা। পরবর্তী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেই বাজেট আরও বাড়িয়ে করা হয়েছে ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের ব্যয় বিবরণীতে দেখা যায়, পরিচ্ছন্নতা শাখায় মোট ব্যয় হয়েছিল ৩৫ লাখ ৯৪ হাজার ১৪৫ টাকা। এর মধ্যে মশা নিধনে খরচ করা হয় ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৫ টাকা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১৪ লাখ ১৪ হাজার ২০০ টাকা এবং পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী ক্রয়ে ব্যয় দেখানো হয় মাত্র ৩০ হাজার টাকা।
কিন্তু ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসে সেই চিত্র বদলে যায় নাটকীয়ভাবে। ওই বছরে শুধু মশা নিধন খাতেই ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭১ টাকা। একই সময়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৮ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪২ টাকা এবং পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী কেনায় খরচ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ২ লাখ ৮১ হাজার ১৭২ টাকা।
এছাড়া চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে মশা নিধন খাতে বরাদ্দ আরও বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬ কোটি ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা এবং পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী কেনায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা।
হঠাৎ কয়েকগুণ ব্যয় বৃদ্ধির এই তথ্য সামনে আসার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী। তাদের প্রশ্ন, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের পরও কেন নগরীতে মশার উপদ্রব কমছে না? কেন প্রতি বছরই ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে?
বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা শাখার প্রধান ইউসুফ আলী নিজেও বিপুল ব্যয়ের হিসাব নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মশা মারায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে, এটি আমার কাছেও অবিশ্বাস্য মনে হয়। আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানি না।
সাধারণত রাসায়নিক কেনার বাইরে বড় ধরনের কোনো বিল হয় না। যেখানে আগের বছর ২১ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে, সেখানে হঠাৎ কয়েক কোটি টাকা ব্যয় অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, মশা নিধনের কার্যক্রম আগের নিয়মেই রুটিন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের নগর সম্পাদক মো. রফিকুল আলম বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মশক নিধনে ২১ লাখ টাকা ব্যয় বাস্তবসম্মত ছিল।
কিন্তু পরবর্তী বছর প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যদি সত্যিই এত অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে, তাহলে নগরীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ এতটা বাড়ার কথা নয়।
তিনি আরও বলেন, মশা নিধন খাতে ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। এ বিষয়ে বর্তমান বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, এসব ব্যয় আমার দায়িত্ব গ্রহণের আগের সময়ের।
তখন দায়িত্বে ছিলেন বর্তমান বন ও পরিবেশ সচিব এবং সাবেক বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওছার। বিষয়টি সম্পর্কে তিনিই ভালো বলতে পারবেন।
তিনি আরও জানান, মশা নিধনে ব্যবহৃত রাসায়নিক কার্যকর নয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডেঙ্গুর বিস্তার এবং মশা নিধন খাতে অস্বাভাবিক ব্যয়ের তথ্য সামনে আসায় বরিশাল নগরবাসীর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, শুধু বাজেট বাড়িয়ে নয়, কার্যকর পরিকল্পনা, নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহিতার মাধ্যমেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৫৩
বরিশালের মুলাদীতে ছয় বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসাশিক্ষক ও মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হেলাল উদ্দীন (২১) নামে ওই শিক্ষককে আটক করে গণপিটুনি দেন স্থানীয়রা। পরে মাদ্রাসা ও মসজিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির শর্তে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
হেলাল উদ্দীন পটুয়াখালীর মহিপুর উপজেলার চাদলী গ্রামের ফারুক হোসেন হাওলাদারের ছেলে। তিনি মুলাদীর একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতার পাশাপাশি রাঘুয়া শরীফ বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বেলা ১১টার দিকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে ছয় বছরের ওই ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন আচরণ ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে হেলাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে। পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার রাতে এশার নামাজ শেষে স্থানীয় কয়েকজন হেলাল উদ্দীনকে রাঘুয়া শরীফ বাড়ি জামে মসজিদ থেকে আটক করেন। পরে তাকে খালাশিরচর বাংলাবাজার এলাকার একটি মসজিদের দোতলায় নিয়ে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান।
খবর পেয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা সেখানে গিয়ে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে মাদ্রাসা ও মসজিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির শর্তে মুচলেকা নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওই রাতেই তাকে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
মাদ্রাসার প্রধান মোহতামিম মাওলানা ইউসুফ আলী বলেন, অভিযোগ ওঠার পর রোববার রাতেই হেলাল উদ্দীনকে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রাঘুয়া শরীফ বাড়ি জামে মসজিদের মুসল্লি আবুল কালাম হাওলাদার বলেন, শিশুর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগে এশার নামাজের পর কয়েকজন তাকে ধরে নিয়ে যান। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
মুলাদী থানার ওসি খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ কিংবা শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের মুলাদীতে ছয় বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসাশিক্ষক ও মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হেলাল উদ্দীন (২১) নামে ওই শিক্ষককে আটক করে গণপিটুনি দেন স্থানীয়রা। পরে মাদ্রাসা ও মসজিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির শর্তে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
হেলাল উদ্দীন পটুয়াখালীর মহিপুর উপজেলার চাদলী গ্রামের ফারুক হোসেন হাওলাদারের ছেলে। তিনি মুলাদীর একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতার পাশাপাশি রাঘুয়া শরীফ বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বেলা ১১টার দিকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে ছয় বছরের ওই ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন আচরণ ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে হেলাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে। পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার রাতে এশার নামাজ শেষে স্থানীয় কয়েকজন হেলাল উদ্দীনকে রাঘুয়া শরীফ বাড়ি জামে মসজিদ থেকে আটক করেন। পরে তাকে খালাশিরচর বাংলাবাজার এলাকার একটি মসজিদের দোতলায় নিয়ে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান।
খবর পেয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা সেখানে গিয়ে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে মাদ্রাসা ও মসজিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির শর্তে মুচলেকা নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওই রাতেই তাকে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
মাদ্রাসার প্রধান মোহতামিম মাওলানা ইউসুফ আলী বলেন, অভিযোগ ওঠার পর রোববার রাতেই হেলাল উদ্দীনকে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রাঘুয়া শরীফ বাড়ি জামে মসজিদের মুসল্লি আবুল কালাম হাওলাদার বলেন, শিশুর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগে এশার নামাজের পর কয়েকজন তাকে ধরে নিয়ে যান। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
মুলাদী থানার ওসি খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ কিংবা শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৯
গ্রাহকদের উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে বরিশালে নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার (জিপিসি) চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। ডিজিটাল-ফার্স্ট সেবা, আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে সেন্টারটি সাজানো হয়েছে।
বরিশালের বগুড়া রোডে স্থাপিত নতুন এ সেন্টার থেকে বরিশাল সদর ও আশপাশের এলাকার গ্রাহক, ব্যবসায়ী ও অংশীদাররা গ্রামীণফোনের বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান, সার্কেল বিজনেস হেড (খুলনা) মো. আহসান হাবিব, হেড অব কাস্টমার সার্ভিস অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স আবদুল্লা আল মাহমুদ এবং গ্রামীণফোন সেন্টার পার্টনার (বরিশাল) কাজী সাফায়াত হোসেন। অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের অন্যান্য কর্মকর্তা, সেন্টার এজেন্ট, গ্রাহক ও স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
নদী, কৃষি ও পেয়ারা বাগানের ঐতিহ্যের সঙ্গে বরিশালের নিজস্ব পরিচয়কে প্রাধান্য দিয়ে নতুন সেন্টারটির নকশা করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহার নিশ্চিত করে আধুনিক ও টেকসই পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।
সেন্টারটিতে গ্রাহকরা এক ছাদের নিচে গ্রামীণফোনের বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা, ডিজিটাল সল্যুশন এবং আধুনিক প্রযুক্তিপণ্য পাবেন। গ্রাহকদের জন্য সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় সেবা নিশ্চিত করতে এতে অত্যাধুনিক বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও রাখা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান বলেন, ‘গ্রাহক অভিজ্ঞতা শুধু আমরা কোথায় সেবা দিচ্ছি, তা নয়; বরং আমরা তাদের জীবনকে কতটা সহজ, মানসম্মত ও সংযুক্ত করতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি বলেন, মানুষের জীবন যত বেশি অনলাইননির্ভর হচ্ছে, গ্রাহকদের জন্য শক্তিশালী ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার দায়িত্বও তত বাড়ছে। যাতে তারা আরও আত্মবিশ্বাস ও নিরাপত্তার সঙ্গে ডিজিটাল দুনিয়ায় বিচরণ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই গ্রামীণফোন কাজ করছে।
ফারহা নাজ জামান আরও বলেন, বরিশালের নতুন গ্রামীণফোন সেন্টারটি এই ভাবনার বাস্তব প্রতিফলন। এখানে আধুনিক ও ডিজিটাল পরিবেশে গ্রাহকরা একই সঙ্গে পণ্য, সেবা এবং ডিজিটাল ও সিকিউরিটি সল্যুশন পাবেন।
তার ভাষ্য, বরিশালের মানুষের কাছে এ ধরনের সেবা পৌঁছে দিতে পেরে গ্রামীণফোন গর্বিত। নতুন সেন্টারটি সবার জন্য সহজলভ্য, আধুনিক ও টেকসই সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রামীণফোনের ধারাবাহিক বিনিয়োগের অংশ। একই সঙ্গে স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও এর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।
গ্রাহকদের উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে বরিশালে নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার (জিপিসি) চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। ডিজিটাল-ফার্স্ট সেবা, আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে সেন্টারটি সাজানো হয়েছে।
বরিশালের বগুড়া রোডে স্থাপিত নতুন এ সেন্টার থেকে বরিশাল সদর ও আশপাশের এলাকার গ্রাহক, ব্যবসায়ী ও অংশীদাররা গ্রামীণফোনের বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান, সার্কেল বিজনেস হেড (খুলনা) মো. আহসান হাবিব, হেড অব কাস্টমার সার্ভিস অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স আবদুল্লা আল মাহমুদ এবং গ্রামীণফোন সেন্টার পার্টনার (বরিশাল) কাজী সাফায়াত হোসেন। অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের অন্যান্য কর্মকর্তা, সেন্টার এজেন্ট, গ্রাহক ও স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
নদী, কৃষি ও পেয়ারা বাগানের ঐতিহ্যের সঙ্গে বরিশালের নিজস্ব পরিচয়কে প্রাধান্য দিয়ে নতুন সেন্টারটির নকশা করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহার নিশ্চিত করে আধুনিক ও টেকসই পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।
সেন্টারটিতে গ্রাহকরা এক ছাদের নিচে গ্রামীণফোনের বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা, ডিজিটাল সল্যুশন এবং আধুনিক প্রযুক্তিপণ্য পাবেন। গ্রাহকদের জন্য সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় সেবা নিশ্চিত করতে এতে অত্যাধুনিক বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও রাখা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান বলেন, ‘গ্রাহক অভিজ্ঞতা শুধু আমরা কোথায় সেবা দিচ্ছি, তা নয়; বরং আমরা তাদের জীবনকে কতটা সহজ, মানসম্মত ও সংযুক্ত করতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি বলেন, মানুষের জীবন যত বেশি অনলাইননির্ভর হচ্ছে, গ্রাহকদের জন্য শক্তিশালী ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার দায়িত্বও তত বাড়ছে। যাতে তারা আরও আত্মবিশ্বাস ও নিরাপত্তার সঙ্গে ডিজিটাল দুনিয়ায় বিচরণ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই গ্রামীণফোন কাজ করছে।
ফারহা নাজ জামান আরও বলেন, বরিশালের নতুন গ্রামীণফোন সেন্টারটি এই ভাবনার বাস্তব প্রতিফলন। এখানে আধুনিক ও ডিজিটাল পরিবেশে গ্রাহকরা একই সঙ্গে পণ্য, সেবা এবং ডিজিটাল ও সিকিউরিটি সল্যুশন পাবেন।
তার ভাষ্য, বরিশালের মানুষের কাছে এ ধরনের সেবা পৌঁছে দিতে পেরে গ্রামীণফোন গর্বিত। নতুন সেন্টারটি সবার জন্য সহজলভ্য, আধুনিক ও টেকসই সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রামীণফোনের ধারাবাহিক বিনিয়োগের অংশ। একই সঙ্গে স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও এর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:২২
বরিশালের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই ভাইকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে গৌরনদী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন বন্দর সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন—মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. পারভেজ হোসেন তুহিন (৩১) ও তার ছোট ভাই তামিম হোসেন (২৮)।
ডিবি পুলিশ জানায়, ডিবির ওসি মোহাম্মদ শামুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, এসআই আল হেলাল, এসআই হানিফ মোল্লা, এএসআই রফিকুল ইসলামসহ একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় দুই ভাইকে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে আটক করা হয়।
পরে তাদের শরীর তল্লাশি করে সর্বমোট ৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ডিবি সূত্র আরও জানায়, আটক পারভেজ হোসেন তুহিনের বিরুদ্ধে আগেও মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে জানান, এ ঘটনায় থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় দুই ভাইকে আসামি করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) তাদের আদালতে পাঠানো হবে।’
বরিশালের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই ভাইকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে গৌরনদী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন বন্দর সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন—মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. পারভেজ হোসেন তুহিন (৩১) ও তার ছোট ভাই তামিম হোসেন (২৮)।
ডিবি পুলিশ জানায়, ডিবির ওসি মোহাম্মদ শামুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, এসআই আল হেলাল, এসআই হানিফ মোল্লা, এএসআই রফিকুল ইসলামসহ একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় দুই ভাইকে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে আটক করা হয়।
পরে তাদের শরীর তল্লাশি করে সর্বমোট ৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ডিবি সূত্র আরও জানায়, আটক পারভেজ হোসেন তুহিনের বিরুদ্ধে আগেও মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে জানান, এ ঘটনায় থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় দুই ভাইকে আসামি করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) তাদের আদালতে পাঠানো হবে।’

১০ মে, ২০২৬ ১৫:৫৬
ডেঙ্গুর মৌসুম এলেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বরিশাল নগরজুড়ে। প্রতিবছরের মতো এবারও বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়লেও নগরবাসীর অভিযোগ, মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের দৃশ্যমান কার্যক্রম খুব একটা চোখে পড়ে না।
এর মধ্যেই সামনে এসেছে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন খাতে অস্বাভাবিক ব্যয়ের তথ্য, যা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৭২৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৯২ জন। যদিও নগরজুড়ে নিয়মিত ফগিং ও মশা নিধন কার্যক্রম চালানোর দাবি করছে সিটি করপোরেশন, বাস্তবে মশার উপদ্রব কমেনি বলে অভিযোগ নগরবাসীর।
বিসিসির হিসাব শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা, ফগার মেশিন ক্রয় ও প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সংগ্রহের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে এ বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যয়ও করা হয়েছে।
অথচ মাত্র দুই বছর আগে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে একই খাতে ব্যয় দেখানো হয়েছিল মাত্র ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৫ টাকা। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এই ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পরিচ্ছন্নতা শাখার জন্য বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। কিন্তু বছর শেষে ব্যয় দেখানো হয় ৬ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার ৯০ টাকা। পরবর্তী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেই বাজেট আরও বাড়িয়ে করা হয়েছে ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের ব্যয় বিবরণীতে দেখা যায়, পরিচ্ছন্নতা শাখায় মোট ব্যয় হয়েছিল ৩৫ লাখ ৯৪ হাজার ১৪৫ টাকা। এর মধ্যে মশা নিধনে খরচ করা হয় ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৫ টাকা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১৪ লাখ ১৪ হাজার ২০০ টাকা এবং পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী ক্রয়ে ব্যয় দেখানো হয় মাত্র ৩০ হাজার টাকা।
কিন্তু ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসে সেই চিত্র বদলে যায় নাটকীয়ভাবে। ওই বছরে শুধু মশা নিধন খাতেই ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭১ টাকা। একই সময়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৮ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪২ টাকা এবং পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী কেনায় খরচ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ২ লাখ ৮১ হাজার ১৭২ টাকা।
এছাড়া চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে মশা নিধন খাতে বরাদ্দ আরও বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬ কোটি ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা এবং পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী কেনায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা।
হঠাৎ কয়েকগুণ ব্যয় বৃদ্ধির এই তথ্য সামনে আসার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী। তাদের প্রশ্ন, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের পরও কেন নগরীতে মশার উপদ্রব কমছে না? কেন প্রতি বছরই ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে?
বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা শাখার প্রধান ইউসুফ আলী নিজেও বিপুল ব্যয়ের হিসাব নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মশা মারায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে, এটি আমার কাছেও অবিশ্বাস্য মনে হয়। আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানি না।
সাধারণত রাসায়নিক কেনার বাইরে বড় ধরনের কোনো বিল হয় না। যেখানে আগের বছর ২১ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে, সেখানে হঠাৎ কয়েক কোটি টাকা ব্যয় অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, মশা নিধনের কার্যক্রম আগের নিয়মেই রুটিন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের নগর সম্পাদক মো. রফিকুল আলম বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মশক নিধনে ২১ লাখ টাকা ব্যয় বাস্তবসম্মত ছিল।
কিন্তু পরবর্তী বছর প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যদি সত্যিই এত অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে, তাহলে নগরীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ এতটা বাড়ার কথা নয়।
তিনি আরও বলেন, মশা নিধন খাতে ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। এ বিষয়ে বর্তমান বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, এসব ব্যয় আমার দায়িত্ব গ্রহণের আগের সময়ের।
তখন দায়িত্বে ছিলেন বর্তমান বন ও পরিবেশ সচিব এবং সাবেক বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওছার। বিষয়টি সম্পর্কে তিনিই ভালো বলতে পারবেন।
তিনি আরও জানান, মশা নিধনে ব্যবহৃত রাসায়নিক কার্যকর নয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডেঙ্গুর বিস্তার এবং মশা নিধন খাতে অস্বাভাবিক ব্যয়ের তথ্য সামনে আসায় বরিশাল নগরবাসীর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, শুধু বাজেট বাড়িয়ে নয়, কার্যকর পরিকল্পনা, নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহিতার মাধ্যমেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৭
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৫৩
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:১৯
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৯