
৩০ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:৩৩
কৃষ্ণসাগর অতিক্রমের সময় রাশিয়ার কথিত ‘ছায়া নৌবহরের’ জ্বালানি তেলবাহী দুটি ট্যাংকারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের নৌবাহিনী। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, উচ্চগতিতে ছুটে আসা ড্রোনগুলো সরাসরি ট্যাংকারগুলোতে আঘাত হানে। মুহূর্তেই ঘটে বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়ে আগুন আর কালো ধোঁয়া।
তুরস্কের উপকূলে গত শুক্রবার ‘এমটি কায়রোস’ ও ‘বিরাট’ নামের গাম্বিয়ার পতাকাবাহী ট্যাংকার দুটির ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরদিন শনিবার ‘বিরাট’ ট্যাংকারে আরো একটি হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য নেই।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্র মতে, এমটি কায়রোস থেকে ২৫ নাবিককে উদ্ধার করেন তুরস্কের কোস্ট গার্ডের সদস্যরা।
যাদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি নাবিক আছেন। তারা সবাই সুস্থ আছেন।
ইউক্রেনের সামরিক ও নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, হামলায় ‘সি বেবি’ নামের বিশেষ নৌ ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে, যা তৈরি করেছে ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিষেবা (এসবিইউ)।
রাশিয়ার তেল নির্ভরশীল যুদ্ধ-অর্থায়ন দুর্বল করতেই সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি অবকাঠামো ও পরিবহনব্যবস্থায় বেছে বেছে হামলা চালাচ্ছে কিয়েভ।
২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে পুরনো ও মালিকানা-অস্পষ্ট শত শত জাহাজ নিয়ে ‘ছায়া নৌবহর’ দাঁড় করিয়েছে মস্কো। বীমা ও রেজিস্ট্রেশন নিয়েও এসব ট্যাংকারকে ঘিরে রয়েছে নানা ধোয়াঁশা।
কৃষ্ণসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ‘কায়রোস’ এবং আরো পূর্ব অঞ্চলে ‘বিরাট’ ট্যাংকারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য মতে, দুটি ট্যাংকারই আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।
কৃষ্ণসাগর অতিক্রমের সময় রাশিয়ার কথিত ‘ছায়া নৌবহরের’ জ্বালানি তেলবাহী দুটি ট্যাংকারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের নৌবাহিনী। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, উচ্চগতিতে ছুটে আসা ড্রোনগুলো সরাসরি ট্যাংকারগুলোতে আঘাত হানে। মুহূর্তেই ঘটে বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়ে আগুন আর কালো ধোঁয়া।
তুরস্কের উপকূলে গত শুক্রবার ‘এমটি কায়রোস’ ও ‘বিরাট’ নামের গাম্বিয়ার পতাকাবাহী ট্যাংকার দুটির ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরদিন শনিবার ‘বিরাট’ ট্যাংকারে আরো একটি হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য নেই।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্র মতে, এমটি কায়রোস থেকে ২৫ নাবিককে উদ্ধার করেন তুরস্কের কোস্ট গার্ডের সদস্যরা।
যাদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি নাবিক আছেন। তারা সবাই সুস্থ আছেন।
ইউক্রেনের সামরিক ও নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, হামলায় ‘সি বেবি’ নামের বিশেষ নৌ ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে, যা তৈরি করেছে ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিষেবা (এসবিইউ)।
রাশিয়ার তেল নির্ভরশীল যুদ্ধ-অর্থায়ন দুর্বল করতেই সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি অবকাঠামো ও পরিবহনব্যবস্থায় বেছে বেছে হামলা চালাচ্ছে কিয়েভ।
২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে পুরনো ও মালিকানা-অস্পষ্ট শত শত জাহাজ নিয়ে ‘ছায়া নৌবহর’ দাঁড় করিয়েছে মস্কো। বীমা ও রেজিস্ট্রেশন নিয়েও এসব ট্যাংকারকে ঘিরে রয়েছে নানা ধোয়াঁশা।
কৃষ্ণসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ‘কায়রোস’ এবং আরো পূর্ব অঞ্চলে ‘বিরাট’ ট্যাংকারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য মতে, দুটি ট্যাংকারই আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।

২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৮:৫২
জার্মানির ‘পুমুকেল’ নামের ঘোড়া দেখে কেউ প্রথমে বুঝতেই পারেন না এটি বাস্তব ঘোড়া নাকি পুতুল। তবে পুমুকেল একটি জীবন্ত ঘোড়া। বাদামি ও উজ্জ্বল সাদা রঙের এই ঘোড়ার মাথা ও ঘাড়ে লম্বা লোম আছে, যা চুলের মতো ঝুলে থাকে।
পুমুকেলের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর উচ্চতা। মাত্র ২১.১ ইঞ্চি উচ্চতায় এটি বর্তমানে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের সর্বনিম্ন উচ্চতার জীবন্ত ঘোড়া।
২০২০ সালে ক্যারোলা ভাইডেমান নামের এক নারী পুমুকেলকে পোষা শুরু করেন। তখন এটি মাত্র ৫ মাসের এবং উচ্চতা ছিল ১৮ ইঞ্চি। ক্যারোলা প্রথমবার পুমুকেলকে দেখার অভিজ্ঞতাও স্মরণীয় বলে মনে করেন।
পূর্বের রেকর্ডধারী ঘোড়ার চেয়ে পুমুকেল দেড় ইঞ্চি ছোট।
পুমুকেল প্রশিক্ষিত ঘোড়া এবং থেরাপির কাজ করে। এটি নিয়মিত নার্সিং হোম, হাসপাতাল, স্কুল ও প্রতিবন্ধী মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। ক্যারোলা বলেন, পুমুকেল খুবই মিষ্টি স্বভাবের, শিশুদের সঙ্গে ভালো আচরণ করে, খোঁচাখুঁচি ও আলিঙ্গন পছন্দ করে এবং সবসময় মানুষের মনোযোগের কেন্দ্রে থাকতে চায়।
পুমুকেল কোনো ছোট প্রজাতির ঘোড়া নয়; প্রকৃতিই এটিকে এই আকার দিয়েছে।
জার্মানির ‘পুমুকেল’ নামের ঘোড়া দেখে কেউ প্রথমে বুঝতেই পারেন না এটি বাস্তব ঘোড়া নাকি পুতুল। তবে পুমুকেল একটি জীবন্ত ঘোড়া। বাদামি ও উজ্জ্বল সাদা রঙের এই ঘোড়ার মাথা ও ঘাড়ে লম্বা লোম আছে, যা চুলের মতো ঝুলে থাকে।
পুমুকেলের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর উচ্চতা। মাত্র ২১.১ ইঞ্চি উচ্চতায় এটি বর্তমানে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের সর্বনিম্ন উচ্চতার জীবন্ত ঘোড়া।
২০২০ সালে ক্যারোলা ভাইডেমান নামের এক নারী পুমুকেলকে পোষা শুরু করেন। তখন এটি মাত্র ৫ মাসের এবং উচ্চতা ছিল ১৮ ইঞ্চি। ক্যারোলা প্রথমবার পুমুকেলকে দেখার অভিজ্ঞতাও স্মরণীয় বলে মনে করেন।
পূর্বের রেকর্ডধারী ঘোড়ার চেয়ে পুমুকেল দেড় ইঞ্চি ছোট।
পুমুকেল প্রশিক্ষিত ঘোড়া এবং থেরাপির কাজ করে। এটি নিয়মিত নার্সিং হোম, হাসপাতাল, স্কুল ও প্রতিবন্ধী মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। ক্যারোলা বলেন, পুমুকেল খুবই মিষ্টি স্বভাবের, শিশুদের সঙ্গে ভালো আচরণ করে, খোঁচাখুঁচি ও আলিঙ্গন পছন্দ করে এবং সবসময় মানুষের মনোযোগের কেন্দ্রে থাকতে চায়।
পুমুকেল কোনো ছোট প্রজাতির ঘোড়া নয়; প্রকৃতিই এটিকে এই আকার দিয়েছে।

২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:১২
ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী দখলকৃত পশ্চিম তীরে অভিযান চালানোর সময় দুজন ফিলিস্তিনি ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে, যাদেরকে আত্মসমর্পণরত এবং নিরস্ত্র অবস্থায় দেখা গেছে। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনা ফিলিস্তিন টিভির প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়।
ফুটেজে দেখা যায়, জেনিন শহরে অস্ত্রধারী ইসরায়েলি বাহিনীর পরিবেষ্টিত একটি ভবন থেকে দুই ব্যক্তি বেরিয়ে আসছেন, তারা নিজেদের শার্ট তুলছেন এবং আত্মসমর্পণের ইঙ্গিতে মাটিতে শুয়ে পড়ছেন। এরপর ইসরায়েলি বাহিনী তাদেরকে আবার ভবনের ভেতরে যেতে ইশারা করে এবং পরে খুব কাছ থেকে গুলি চালায়।
সেখানে অবস্থানরত একজন রয়টার্স সাংবাদিক দেখেছেন, দুই ব্যক্তি ভবন থেকে বের হয়ে আত্মসমর্পণ করেন, পরে গুলির শব্দ শোনা যায় এবং কিছুক্ষণ পর তিনি দেখেন, ইসরায়েলি বাহিনী এমন একটি নিথর দেহের পাশে দাঁড়িয়ে আছে।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ওই দুই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তাদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে ২৬ বছর বয়সী মনতাসির আবদুল্লাহ এবং ৩৭ বছর বয়সী ইউসুফ আসাসা হিসেবে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও পুলিশ একটি যৌথ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ভবন থেকে বেরিয়ে আসা সন্দেহভাজনদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় তারা তদন্ত শুরু করেছে।
তবে ওই বিবৃতিতে কেন গুলি চালানো হয়েছিল, অথবা দুই ব্যক্তি মাটিতে শুয়ে আত্মসমর্পণ করার পর কেন তাদেরকে ভবনের ভেতরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল; এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী দখলকৃত পশ্চিম তীরে অভিযান চালানোর সময় দুজন ফিলিস্তিনি ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে, যাদেরকে আত্মসমর্পণরত এবং নিরস্ত্র অবস্থায় দেখা গেছে। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনা ফিলিস্তিন টিভির প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়।
ফুটেজে দেখা যায়, জেনিন শহরে অস্ত্রধারী ইসরায়েলি বাহিনীর পরিবেষ্টিত একটি ভবন থেকে দুই ব্যক্তি বেরিয়ে আসছেন, তারা নিজেদের শার্ট তুলছেন এবং আত্মসমর্পণের ইঙ্গিতে মাটিতে শুয়ে পড়ছেন। এরপর ইসরায়েলি বাহিনী তাদেরকে আবার ভবনের ভেতরে যেতে ইশারা করে এবং পরে খুব কাছ থেকে গুলি চালায়।
সেখানে অবস্থানরত একজন রয়টার্স সাংবাদিক দেখেছেন, দুই ব্যক্তি ভবন থেকে বের হয়ে আত্মসমর্পণ করেন, পরে গুলির শব্দ শোনা যায় এবং কিছুক্ষণ পর তিনি দেখেন, ইসরায়েলি বাহিনী এমন একটি নিথর দেহের পাশে দাঁড়িয়ে আছে।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ওই দুই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তাদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে ২৬ বছর বয়সী মনতাসির আবদুল্লাহ এবং ৩৭ বছর বয়সী ইউসুফ আসাসা হিসেবে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও পুলিশ একটি যৌথ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ভবন থেকে বেরিয়ে আসা সন্দেহভাজনদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় তারা তদন্ত শুরু করেছে।
তবে ওই বিবৃতিতে কেন গুলি চালানো হয়েছিল, অথবা দুই ব্যক্তি মাটিতে শুয়ে আত্মসমর্পণ করার পর কেন তাদেরকে ভবনের ভেতরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল; এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:০৭
হংকংয়ের উত্তরাঞ্চলীয় তাই পো এলাকার কয়েকটি বহুতল আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। আর আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন ৪৫ জন। এছাড়া আরও ২৭৯ জনের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো অজানা।
এদিকে, এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ‘হত্যার’ অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে দুজন একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও একজন প্রকৌশল পরামর্শক।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো তদন্তাধীন হলেও পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে সংস্কার কাজ চলছিল ও জানালাগুলোতে পলিস্টাইরিন বোর্ড লাগানো ছিল। এগুলো আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কর্মকর্তারা বলেন, আগুন অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের ভবনগুলোতেও পৌঁছে যায়, যার একটি কারণ বাঁশের স্ক্যাফোল্ডিং (অস্থায়ী কাঠামো যা শ্রমিক ও উপকরণকে উঁচু স্থানে কাজ করতে সহায়তা করে।) তদন্তে পুলিশ ভবনের বাইরে জাল ও সুরক্ষা সামগ্রী পেয়েছে, যেগুলো আগুন নিরোধক বলে মনে হয়নি। এছাড়া জানালাগুলোতে স্টাইরোফোমও পাওয়া গেছে।
ঘটনার পরের সকালে টাওয়ার ব্লকগুলোর কিছু অংশ থেকে এখনো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। আটটি ভবনের মধ্যে চারটির আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। দমকল বিভাগ জানিয়েছে, পুরো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পুরো দিন লেগে যাবে।
এরই মধ্যে শত শত বাসিন্দাকে সরিয়ে নিয়ে জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। যারা পুনর্বাসনের প্রয়োজন, তাদের জন্য জরুরি আবাসন বরাদ্দ করা হচ্ছে।
হংকং ফায়ার ডিপার্টমেন্ট আগুনটিকে লেভেল-ফাইভ অ্যালার্ম হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে, যা সর্বোচ্চ সতর্কতার স্তর। হংকংয়ে সর্বশেষ এমন শ্রেণির অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল ১৭ বছর আগে।
স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র জানান, আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে, এটা বিশ্বাস করার যে নির্মান প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা চরম অবহেলা করেছেন। তাদের অবহেলার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে ও আগুন নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে।
হংকংয়ের উত্তরাঞ্চলীয় তাই পো এলাকার কয়েকটি বহুতল আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। আর আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন ৪৫ জন। এছাড়া আরও ২৭৯ জনের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো অজানা।
এদিকে, এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ‘হত্যার’ অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে দুজন একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও একজন প্রকৌশল পরামর্শক।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো তদন্তাধীন হলেও পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে সংস্কার কাজ চলছিল ও জানালাগুলোতে পলিস্টাইরিন বোর্ড লাগানো ছিল। এগুলো আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কর্মকর্তারা বলেন, আগুন অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের ভবনগুলোতেও পৌঁছে যায়, যার একটি কারণ বাঁশের স্ক্যাফোল্ডিং (অস্থায়ী কাঠামো যা শ্রমিক ও উপকরণকে উঁচু স্থানে কাজ করতে সহায়তা করে।) তদন্তে পুলিশ ভবনের বাইরে জাল ও সুরক্ষা সামগ্রী পেয়েছে, যেগুলো আগুন নিরোধক বলে মনে হয়নি। এছাড়া জানালাগুলোতে স্টাইরোফোমও পাওয়া গেছে।
ঘটনার পরের সকালে টাওয়ার ব্লকগুলোর কিছু অংশ থেকে এখনো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। আটটি ভবনের মধ্যে চারটির আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। দমকল বিভাগ জানিয়েছে, পুরো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পুরো দিন লেগে যাবে।
এরই মধ্যে শত শত বাসিন্দাকে সরিয়ে নিয়ে জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। যারা পুনর্বাসনের প্রয়োজন, তাদের জন্য জরুরি আবাসন বরাদ্দ করা হচ্ছে।
হংকং ফায়ার ডিপার্টমেন্ট আগুনটিকে লেভেল-ফাইভ অ্যালার্ম হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে, যা সর্বোচ্চ সতর্কতার স্তর। হংকংয়ে সর্বশেষ এমন শ্রেণির অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল ১৭ বছর আগে।
স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র জানান, আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে, এটা বিশ্বাস করার যে নির্মান প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা চরম অবহেলা করেছেন। তাদের অবহেলার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে ও আগুন নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.