
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫২
বেলুচিস্তানে পৃথক দুটি অভিযানে ভারত-সমর্থিত মোট ৪১ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর)। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আইএসপিআর জানায়, ফিতনা আল-খারিজ ও ফিতনা আল-হিন্দুস্তান নামের ভারতীয় প্রক্সি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এসব সন্ত্রাসীকে ২৯ জানুয়ারি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হত্যা করা হয়। প্রথমে হরনাই জেলার উপকণ্ঠে ফিতনা আল-খারিজ-এর উপস্থিতির খবর পেয়ে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের আস্তানায় কার্যকর আঘাত হানে এবং তীব্র গোলাগুলির পর ৩০ ভারত-সমর্থিত খারিজিকে হত্যা করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
এরপর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পাঞ্জগুর জেলায় পৃথক আরেকটি অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে একটি সন্ত্রাসী আস্তানা ধ্বংস করা হয় এবং ফিতনা আল-হিন্দুস্তান-এর ১১ ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
অস্ত্র ও গোলাবারুদের পাশাপাশি, ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাঞ্জগুরে সংঘটিত ব্যাংক ডাকাতির লুট করা অর্থও নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আইএসপিআর জানায়, এসব সন্ত্রাসী অতীতে বহু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এই দুই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলমান রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আজম-ই-ইস্তেহকাম ভিশনের অধীনে নিরবচ্ছিন্ন বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পূর্ণ গতিতে অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে পাকিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বেড়েছে। আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) ও বেলুচিস্তান প্রদেশ এসব হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত ৬ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানান, ২০২৫ সালে দেশজুড়ে মোট ৭৫ হাজার ১৭৫টি গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে খাইবার পাখতুনখোয়ায় ১৪ হাজার ৬৫৮টি, বেলুচিস্তানে ৫৮ হাজার ৭৭৮টি এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় ১ হাজার ৭৩৯টি অভিযান পরিচালিত হয়।
তিনি আরও জানান, গত বছর দেশে মোট ৫ হাজার ৩৯৭টি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৮১১টি খাইবার পাখতুনখোয়ায়, ১ হাজার ৫৫৭টি বেলুচিস্তানে এবং অন্যান্য এলাকায় ২৯টি ঘটনা ঘটেছে। এসব অভিযানে মোট ২ হাজার ৫৯৭ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বেলুচিস্তানে পৃথক দুটি অভিযানে ভারত-সমর্থিত মোট ৪১ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর)। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আইএসপিআর জানায়, ফিতনা আল-খারিজ ও ফিতনা আল-হিন্দুস্তান নামের ভারতীয় প্রক্সি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এসব সন্ত্রাসীকে ২৯ জানুয়ারি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হত্যা করা হয়। প্রথমে হরনাই জেলার উপকণ্ঠে ফিতনা আল-খারিজ-এর উপস্থিতির খবর পেয়ে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের আস্তানায় কার্যকর আঘাত হানে এবং তীব্র গোলাগুলির পর ৩০ ভারত-সমর্থিত খারিজিকে হত্যা করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
এরপর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পাঞ্জগুর জেলায় পৃথক আরেকটি অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে একটি সন্ত্রাসী আস্তানা ধ্বংস করা হয় এবং ফিতনা আল-হিন্দুস্তান-এর ১১ ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
অস্ত্র ও গোলাবারুদের পাশাপাশি, ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাঞ্জগুরে সংঘটিত ব্যাংক ডাকাতির লুট করা অর্থও নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আইএসপিআর জানায়, এসব সন্ত্রাসী অতীতে বহু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এই দুই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলমান রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আজম-ই-ইস্তেহকাম ভিশনের অধীনে নিরবচ্ছিন্ন বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পূর্ণ গতিতে অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে পাকিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বেড়েছে। আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) ও বেলুচিস্তান প্রদেশ এসব হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত ৬ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানান, ২০২৫ সালে দেশজুড়ে মোট ৭৫ হাজার ১৭৫টি গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে খাইবার পাখতুনখোয়ায় ১৪ হাজার ৬৫৮টি, বেলুচিস্তানে ৫৮ হাজার ৭৭৮টি এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় ১ হাজার ৭৩৯টি অভিযান পরিচালিত হয়।
তিনি আরও জানান, গত বছর দেশে মোট ৫ হাজার ৩৯৭টি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৮১১টি খাইবার পাখতুনখোয়ায়, ১ হাজার ৫৫৭টি বেলুচিস্তানে এবং অন্যান্য এলাকায় ২৯টি ঘটনা ঘটেছে। এসব অভিযানে মোট ২ হাজার ৫৯৭ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৫
মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস শহরসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) বিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। মিনেসোটায় দুই মার্কিন নাগরিককে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের দাবিতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। একই দাবিতে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নিউইয়র্ক পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা ক্লাস বর্জন করেছেন।
অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস শহরে আইসিইর তিন হাজার কর্মকর্তা মোতায়েন করেন। এ সংখ্যা শহরের পুলিশ বিভাগের সদস্যদের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি। এ কর্মকর্তারা বিশেষ পোশাক পরে রাস্তায় টহল দিচ্ছেন।
সম্প্রতি মিনিয়াপোলিসে আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরটিতে আইসিইবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়।
গতকাল মিনিয়াপোলিস শহরে তীব্র ঠান্ডার মধ্যে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আইসিই সদস্যদের প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের সঙ্গে শিশুরাও যোগ দিয়েছিল।
কাতিয়া কাগান নামের এক বিক্ষোভকারী ‘নো আইসিই’ লেখা পোশাক পরে মোমবাতি হাতে অবস্থান করছিলেন। তাঁর মা-বাবা রুশ ইহুদি। তাঁরা নিজেদের নিরাপত্তা ও উন্নত জীবনের সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।
কাগান বলেন, ‘আমি এখানে আছি। কারণ, আমি সেই মার্কিন স্বপ্ন পূরণের লড়াই করতে চাই, যেটার জন্য আমার মা-বাবা এখানে এসেছিলেন।’
কিম নামের ৬৫ বছর বয়সী এক যোগব্যায়ামের কোচও শনিবারের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর নামের শেষ অংশ প্রকাশ করতে রাজি হননি। কিম অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে ‘নাগরিকদের ওপর ফেডারেল সরকারের পূর্ণাঙ্গ ফ্যাসিস্ট হামলা’ বলে উল্লেখ করেছেন।
মিনিয়াপোলিসের যে এলাকায় চলতি মাসে আইসিই সদস্যদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন, সেখানকার স্থানীয় স্কুলের প্রায় ৫০ জন শিক্ষক ও কর্মী শনিবারে মিছিল করেছেন। আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে নিহত ব্যক্তিরা হলেন অ্যালেক্স প্রেটি ও রেনি গুড।
রকস্টার ব্রুস স্প্রিংস্টিনও এ প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন। তিনি ডাউনটাউনে গুড ও প্রেটির জন্য আয়োজিত তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানের মঞ্চে গিয়ে তাঁর নতুন গান ‘স্ট্রিটস অব মিনিয়াপোলিস’ পরিবেশন করেছেন।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন। বিক্ষোভের মূল স্লোগান ছিল, ‘কোনো কাজ চলবে না, কোনো স্কুল চলবে না, কোনো কেনাকাটা চলবে না, আইসিইর জন্য অর্থায়ন বন্ধ করো।’
বরিশাল টাইমস
মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস শহরসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) বিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। মিনেসোটায় দুই মার্কিন নাগরিককে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের দাবিতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। একই দাবিতে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নিউইয়র্ক পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা ক্লাস বর্জন করেছেন।
অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস শহরে আইসিইর তিন হাজার কর্মকর্তা মোতায়েন করেন। এ সংখ্যা শহরের পুলিশ বিভাগের সদস্যদের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি। এ কর্মকর্তারা বিশেষ পোশাক পরে রাস্তায় টহল দিচ্ছেন।
সম্প্রতি মিনিয়াপোলিসে আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরটিতে আইসিইবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়।
গতকাল মিনিয়াপোলিস শহরে তীব্র ঠান্ডার মধ্যে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আইসিই সদস্যদের প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের সঙ্গে শিশুরাও যোগ দিয়েছিল।
কাতিয়া কাগান নামের এক বিক্ষোভকারী ‘নো আইসিই’ লেখা পোশাক পরে মোমবাতি হাতে অবস্থান করছিলেন। তাঁর মা-বাবা রুশ ইহুদি। তাঁরা নিজেদের নিরাপত্তা ও উন্নত জীবনের সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।
কাগান বলেন, ‘আমি এখানে আছি। কারণ, আমি সেই মার্কিন স্বপ্ন পূরণের লড়াই করতে চাই, যেটার জন্য আমার মা-বাবা এখানে এসেছিলেন।’
কিম নামের ৬৫ বছর বয়সী এক যোগব্যায়ামের কোচও শনিবারের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর নামের শেষ অংশ প্রকাশ করতে রাজি হননি। কিম অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে ‘নাগরিকদের ওপর ফেডারেল সরকারের পূর্ণাঙ্গ ফ্যাসিস্ট হামলা’ বলে উল্লেখ করেছেন।
মিনিয়াপোলিসের যে এলাকায় চলতি মাসে আইসিই সদস্যদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন, সেখানকার স্থানীয় স্কুলের প্রায় ৫০ জন শিক্ষক ও কর্মী শনিবারে মিছিল করেছেন। আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে নিহত ব্যক্তিরা হলেন অ্যালেক্স প্রেটি ও রেনি গুড।
রকস্টার ব্রুস স্প্রিংস্টিনও এ প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন। তিনি ডাউনটাউনে গুড ও প্রেটির জন্য আয়োজিত তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানের মঞ্চে গিয়ে তাঁর নতুন গান ‘স্ট্রিটস অব মিনিয়াপোলিস’ পরিবেশন করেছেন।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন। বিক্ষোভের মূল স্লোগান ছিল, ‘কোনো কাজ চলবে না, কোনো স্কুল চলবে না, কোনো কেনাকাটা চলবে না, আইসিইর জন্য অর্থায়ন বন্ধ করো।’
বরিশাল টাইমস

০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৩
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে যমুনা নদীর পানিতে মাত্রাতিরিক্ত অ্যামোনিয়া ও শিল্পবর্জ্যের কারণে ভয়াবহ পানি সংকট দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে শহরের লাখ লাখ মানুষ পানির অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। কোথাও পানি সরবরাহ বন্ধ, আবার কোথাও কল দিয়ে আসছে দুর্গন্ধযুক্ত কালো পানি।
দিল্লি পানি বোর্ড জানিয়েছে, যমুনা নদীতে অ্যামোনিয়ার মাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় শহরের ৯টি প্রধান পানি শোধনাগারের মধ্যে ৬টিই সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে।
এর ফলে অন্তত ৪৩টি এলাকার প্রায় ২০ লাখ মানুষ সরাসরি পানি সংকটে পড়েছেন। দিল্লির পানির প্রায় ৪০ শতাংশই আসে যমুনা থেকে, অথচ এই নদীর দূষণের ৭৬ শতাংশই ঘটে দিল্লির সীমানায়।
উত্তর-পশ্চিম দিল্লির বাসিন্দাদের অবস্থা সবচেয়ে করুণ। শর্মা এনক্লেভের ৫৫ বছর বয়সী রবীন্দর কুমার জানান, তিন দিনে মাত্র এক ঘণ্টার জন্য পানি আসে, যা অত্যন্ত নোংরা ও ব্যবহারের অনুপযোগী।
শশী বালা নামের এক বৃদ্ধা জানান, বাধ্য হয়ে দূষিত পানি দিয়ে কাপড় ধোয়ার ফলে তার ত্বকে চর্মরোগ দেখা দিয়েছে। অনেকেরই বোতলজাত পানি কিনে খাওয়ার সামর্থ্য নেই।
সংকটের মূল কারণ হিসেবে রয়েছে শিল্পকারখানার বিষাক্ত বর্জ্য, নদীর পানিতে ভেসে থাকা বিষাক্ত সাদা ফেনা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ। দিল্লি পানি বোর্ড এই সংকটের জন্য অবৈধ সংযোগ ও বুস্টার পাম্পকে দায়ী করলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, ২০২৮ সালের মধ্যে পয়ঃনিষ্কাশন পরিশোধন ক্ষমতা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ১৯৯৩ সাল থেকে যমুনা অ্যাকশন প্ল্যানে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও নদীর অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি।
সূত্র : সিএনএন
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে যমুনা নদীর পানিতে মাত্রাতিরিক্ত অ্যামোনিয়া ও শিল্পবর্জ্যের কারণে ভয়াবহ পানি সংকট দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে শহরের লাখ লাখ মানুষ পানির অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। কোথাও পানি সরবরাহ বন্ধ, আবার কোথাও কল দিয়ে আসছে দুর্গন্ধযুক্ত কালো পানি।
দিল্লি পানি বোর্ড জানিয়েছে, যমুনা নদীতে অ্যামোনিয়ার মাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় শহরের ৯টি প্রধান পানি শোধনাগারের মধ্যে ৬টিই সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে।
এর ফলে অন্তত ৪৩টি এলাকার প্রায় ২০ লাখ মানুষ সরাসরি পানি সংকটে পড়েছেন। দিল্লির পানির প্রায় ৪০ শতাংশই আসে যমুনা থেকে, অথচ এই নদীর দূষণের ৭৬ শতাংশই ঘটে দিল্লির সীমানায়।
উত্তর-পশ্চিম দিল্লির বাসিন্দাদের অবস্থা সবচেয়ে করুণ। শর্মা এনক্লেভের ৫৫ বছর বয়সী রবীন্দর কুমার জানান, তিন দিনে মাত্র এক ঘণ্টার জন্য পানি আসে, যা অত্যন্ত নোংরা ও ব্যবহারের অনুপযোগী।
শশী বালা নামের এক বৃদ্ধা জানান, বাধ্য হয়ে দূষিত পানি দিয়ে কাপড় ধোয়ার ফলে তার ত্বকে চর্মরোগ দেখা দিয়েছে। অনেকেরই বোতলজাত পানি কিনে খাওয়ার সামর্থ্য নেই।
সংকটের মূল কারণ হিসেবে রয়েছে শিল্পকারখানার বিষাক্ত বর্জ্য, নদীর পানিতে ভেসে থাকা বিষাক্ত সাদা ফেনা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ। দিল্লি পানি বোর্ড এই সংকটের জন্য অবৈধ সংযোগ ও বুস্টার পাম্পকে দায়ী করলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, ২০২৮ সালের মধ্যে পয়ঃনিষ্কাশন পরিশোধন ক্ষমতা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ১৯৯৩ সাল থেকে যমুনা অ্যাকশন প্ল্যানে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও নদীর অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি।
সূত্র : সিএনএন

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০০
পুরস্কারপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি সাংবাদিক বিসান ওউদা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বিনিয়োগকারীদের হাতে টিকটক অধিগ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই তার টিকটক অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
গাজা থেকে কাজ করা এমি অ্যাওয়ার্ডজয়ী এই সাংবাদিক আল জাজিরার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এজে+ –এর সঙ্গে কাজ করেন। বুধবার তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম ও এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও শেয়ার করে বিষয়টি জানান।
ভিডিওতে ওউদা বলেন, টিকটক আমার অ্যাকাউন্ট মুছে দিয়েছে। সেখানে আমার ১৪ লাখ অনুসারী ছিল, আর চার বছর ধরে আমি এই প্ল্যাটফর্মটি গড়ে তুলেছি।
তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম, আগের মতোই হয়তো কিছু সীমাবদ্ধতা দেওয়া হবে, কিন্তু পুরোপুরি চিরতরে নিষিদ্ধ করে দেবে—এটা আশা করিনি।
আল জাজিরা এ বিষয়ে টিকটকের কাছে প্রশ্ন পাঠিয়েছে এবং এখনও তাদের জবাবের অপেক্ষায় আছে।
ওউদার ভিডিও প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর টিকটকে একই ধরনের একটি ব্যবহারকারীর নাম দেখা যায়, যেখানে একটি বার্তা ছিল— ‘কিছু ব্যবহারকারীর কাছে অস্বস্তিকর মনে হতে পারে এমন পোস্টগুলো অপ্রবেশযোগ্য।’
ওই অ্যাকাউন্টে সর্বশেষ দৃশ্যমান পোস্টটি ছিল ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালের, অর্থাৎ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের পর ঘোষিত যুদ্ধবিরতির প্রায় তিন সপ্তাহ আগের।
বুধবারের ভিডিওতে বিসান ওউদা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক মন্তব্য এবং টিকটকের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নতুন সিইও অ্যাডাম প্রেসারের বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এগুলোই হয়তো তার অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হওয়ার সম্ভাব্য কারণ।
পুরস্কারপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি সাংবাদিক বিসান ওউদা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বিনিয়োগকারীদের হাতে টিকটক অধিগ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই তার টিকটক অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
গাজা থেকে কাজ করা এমি অ্যাওয়ার্ডজয়ী এই সাংবাদিক আল জাজিরার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এজে+ –এর সঙ্গে কাজ করেন। বুধবার তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম ও এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও শেয়ার করে বিষয়টি জানান।
ভিডিওতে ওউদা বলেন, টিকটক আমার অ্যাকাউন্ট মুছে দিয়েছে। সেখানে আমার ১৪ লাখ অনুসারী ছিল, আর চার বছর ধরে আমি এই প্ল্যাটফর্মটি গড়ে তুলেছি।
তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম, আগের মতোই হয়তো কিছু সীমাবদ্ধতা দেওয়া হবে, কিন্তু পুরোপুরি চিরতরে নিষিদ্ধ করে দেবে—এটা আশা করিনি।
আল জাজিরা এ বিষয়ে টিকটকের কাছে প্রশ্ন পাঠিয়েছে এবং এখনও তাদের জবাবের অপেক্ষায় আছে।
ওউদার ভিডিও প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর টিকটকে একই ধরনের একটি ব্যবহারকারীর নাম দেখা যায়, যেখানে একটি বার্তা ছিল— ‘কিছু ব্যবহারকারীর কাছে অস্বস্তিকর মনে হতে পারে এমন পোস্টগুলো অপ্রবেশযোগ্য।’
ওই অ্যাকাউন্টে সর্বশেষ দৃশ্যমান পোস্টটি ছিল ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালের, অর্থাৎ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধের পর ঘোষিত যুদ্ধবিরতির প্রায় তিন সপ্তাহ আগের।
বুধবারের ভিডিওতে বিসান ওউদা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক মন্তব্য এবং টিকটকের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নতুন সিইও অ্যাডাম প্রেসারের বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এগুলোই হয়তো তার অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হওয়ার সম্ভাব্য কারণ।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:৪৮
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৬
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৩