
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫২
বেলুচিস্তানে পৃথক দুটি অভিযানে ভারত-সমর্থিত মোট ৪১ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর)। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আইএসপিআর জানায়, ফিতনা আল-খারিজ ও ফিতনা আল-হিন্দুস্তান নামের ভারতীয় প্রক্সি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এসব সন্ত্রাসীকে ২৯ জানুয়ারি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হত্যা করা হয়। প্রথমে হরনাই জেলার উপকণ্ঠে ফিতনা আল-খারিজ-এর উপস্থিতির খবর পেয়ে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের আস্তানায় কার্যকর আঘাত হানে এবং তীব্র গোলাগুলির পর ৩০ ভারত-সমর্থিত খারিজিকে হত্যা করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
এরপর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পাঞ্জগুর জেলায় পৃথক আরেকটি অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে একটি সন্ত্রাসী আস্তানা ধ্বংস করা হয় এবং ফিতনা আল-হিন্দুস্তান-এর ১১ ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
অস্ত্র ও গোলাবারুদের পাশাপাশি, ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাঞ্জগুরে সংঘটিত ব্যাংক ডাকাতির লুট করা অর্থও নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আইএসপিআর জানায়, এসব সন্ত্রাসী অতীতে বহু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এই দুই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলমান রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আজম-ই-ইস্তেহকাম ভিশনের অধীনে নিরবচ্ছিন্ন বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পূর্ণ গতিতে অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে পাকিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বেড়েছে। আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) ও বেলুচিস্তান প্রদেশ এসব হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত ৬ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানান, ২০২৫ সালে দেশজুড়ে মোট ৭৫ হাজার ১৭৫টি গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে খাইবার পাখতুনখোয়ায় ১৪ হাজার ৬৫৮টি, বেলুচিস্তানে ৫৮ হাজার ৭৭৮টি এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় ১ হাজার ৭৩৯টি অভিযান পরিচালিত হয়।
তিনি আরও জানান, গত বছর দেশে মোট ৫ হাজার ৩৯৭টি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৮১১টি খাইবার পাখতুনখোয়ায়, ১ হাজার ৫৫৭টি বেলুচিস্তানে এবং অন্যান্য এলাকায় ২৯টি ঘটনা ঘটেছে। এসব অভিযানে মোট ২ হাজার ৫৯৭ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বেলুচিস্তানে পৃথক দুটি অভিযানে ভারত-সমর্থিত মোট ৪১ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর)। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আইএসপিআর জানায়, ফিতনা আল-খারিজ ও ফিতনা আল-হিন্দুস্তান নামের ভারতীয় প্রক্সি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এসব সন্ত্রাসীকে ২৯ জানুয়ারি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হত্যা করা হয়। প্রথমে হরনাই জেলার উপকণ্ঠে ফিতনা আল-খারিজ-এর উপস্থিতির খবর পেয়ে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের আস্তানায় কার্যকর আঘাত হানে এবং তীব্র গোলাগুলির পর ৩০ ভারত-সমর্থিত খারিজিকে হত্যা করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
এরপর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পাঞ্জগুর জেলায় পৃথক আরেকটি অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে একটি সন্ত্রাসী আস্তানা ধ্বংস করা হয় এবং ফিতনা আল-হিন্দুস্তান-এর ১১ ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
অস্ত্র ও গোলাবারুদের পাশাপাশি, ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাঞ্জগুরে সংঘটিত ব্যাংক ডাকাতির লুট করা অর্থও নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আইএসপিআর জানায়, এসব সন্ত্রাসী অতীতে বহু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এই দুই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলমান রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আজম-ই-ইস্তেহকাম ভিশনের অধীনে নিরবচ্ছিন্ন বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পূর্ণ গতিতে অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে পাকিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বেড়েছে। আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) ও বেলুচিস্তান প্রদেশ এসব হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত ৬ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানান, ২০২৫ সালে দেশজুড়ে মোট ৭৫ হাজার ১৭৫টি গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে খাইবার পাখতুনখোয়ায় ১৪ হাজার ৬৫৮টি, বেলুচিস্তানে ৫৮ হাজার ৭৭৮টি এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় ১ হাজার ৭৩৯টি অভিযান পরিচালিত হয়।
তিনি আরও জানান, গত বছর দেশে মোট ৫ হাজার ৩৯৭টি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৮১১টি খাইবার পাখতুনখোয়ায়, ১ হাজার ৫৫৭টি বেলুচিস্তানে এবং অন্যান্য এলাকায় ২৯টি ঘটনা ঘটেছে। এসব অভিযানে মোট ২ হাজার ৫৯৭ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০২
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকেপড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা অবশেষে গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে যুদ্ধবিরতির পর জাহাজটি নোঙর তুলে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে এটি সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে যাত্রা করে দাম্মাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জাহাজটিতে ৩৭ হাজার টন ফসফেট আছে বলে জানা গেছে।
বিএসসি সূত্র জানায়, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।
তবে এর পরদিনই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন হামলার ফলে সামুদ্রিক নৌযান চলাচলেও ঝুঁকি বাড়ে।
এ অবস্থায় ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে যাওয়ার পূর্বনির্ধারিত সূচি বাতিল করে বিএসসি। ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয় জাহাজটি।
পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আবারও যাত্রা শুরু করে এমভি বাংলার জয়যাত্রা। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের পথে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকেপড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা অবশেষে গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে যুদ্ধবিরতির পর জাহাজটি নোঙর তুলে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে এটি সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে যাত্রা করে দাম্মাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জাহাজটিতে ৩৭ হাজার টন ফসফেট আছে বলে জানা গেছে।
বিএসসি সূত্র জানায়, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।
তবে এর পরদিনই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন হামলার ফলে সামুদ্রিক নৌযান চলাচলেও ঝুঁকি বাড়ে।
এ অবস্থায় ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে যাওয়ার পূর্বনির্ধারিত সূচি বাতিল করে বিএসসি। ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয় জাহাজটি।
পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আবারও যাত্রা শুরু করে এমভি বাংলার জয়যাত্রা। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের পথে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫০
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে নতুন এক হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য তেহরানকে দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনোই ফিরে আসবে না।’
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এটিই হতে যাচ্ছে। তবে এখন যেহেতু আমাদের হাতে সম্পূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও স্মার্ট এবং কম উগ্রবাদী চিন্তার মানুষের প্রাধান্য থাকবে, তাই হয়তো বৈপ্লবিক ও চমৎকার কিছু একটা ঘটতে পারে।’
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘কে জানে কী হবে? আমরা আজ রাতেই তা জানতে পারব, যা বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। ৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবশেষে অবসান ঘটবে।’
নিজের পোস্টের শেষে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের মহান জনগণের ওপর সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ বর্ষিত হোক!’
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। দাবি মানা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে নতুন এক হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য তেহরানকে দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনোই ফিরে আসবে না।’
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এটিই হতে যাচ্ছে। তবে এখন যেহেতু আমাদের হাতে সম্পূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও স্মার্ট এবং কম উগ্রবাদী চিন্তার মানুষের প্রাধান্য থাকবে, তাই হয়তো বৈপ্লবিক ও চমৎকার কিছু একটা ঘটতে পারে।’
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘কে জানে কী হবে? আমরা আজ রাতেই তা জানতে পারব, যা বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। ৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবশেষে অবসান ঘটবে।’
নিজের পোস্টের শেষে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের মহান জনগণের ওপর সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ বর্ষিত হোক!’
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। দাবি মানা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্র: আল জাজিরা

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১১
ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২ এপ্রিল একটি তৃতীয় দেশকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করে এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়।
শনিবার (৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইরানজুড়ে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজকে একটি সূত্র জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র গত ২ এপ্রিল তাদের মিত্র দেশগুলোর মাধ্যমে ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠায়।’
তবে সংস্থাটির দাবি, ইরান এ বিষয়ে লিখিতভাবে কোনো জবাব দেয়নি। বরং তারা ব্যাপক হামলা অব্যাহত রেখে ‘মাঠ পর্যায়ে’ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চলেছে।
সূত্রটি আরও জানায়, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। বিশেষ করে কুয়েতের বুবিয়ান দ্বীপে একটি মার্কিন সামরিক ডিপোতে হামলার খবরে এই প্রচেষ্টা আরও বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালায়। এতে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২ এপ্রিল একটি তৃতীয় দেশকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করে এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়।
শনিবার (৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইরানজুড়ে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজকে একটি সূত্র জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র গত ২ এপ্রিল তাদের মিত্র দেশগুলোর মাধ্যমে ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠায়।’
তবে সংস্থাটির দাবি, ইরান এ বিষয়ে লিখিতভাবে কোনো জবাব দেয়নি। বরং তারা ব্যাপক হামলা অব্যাহত রেখে ‘মাঠ পর্যায়ে’ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চলেছে।
সূত্রটি আরও জানায়, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। বিশেষ করে কুয়েতের বুবিয়ান দ্বীপে একটি মার্কিন সামরিক ডিপোতে হামলার খবরে এই প্রচেষ্টা আরও বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালায়। এতে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.