
১১ জুলাই, ২০২৬ ১১:০৯
পটুয়াখালীর বাউফলে এশার নামাজ আদায় করতে যাওয়ার পথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মো. মুসা (৫৫) নামে এক গণিত শিক্ষকের মর্মান্তি মৃত্যুর মাধ্যমে জীবন থেমে গেল। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর বাজার সংলগ্ন ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. মুসা উপজেলার নুরাইনপুর অগ্রাণী বিদ্যাপীঠের গনিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নুরাইনপুর বাজার এলাকায় বসবাসকারী মো. মুসা প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে নুরাইনপুর বাজার জামে মসজিদে যাচ্ছিলেন। পথে পিছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। অটোরিকশার ধাক্কায় তিনি পাকা সড়কে ছিটকে পড়ে মাথা ও মুখমন্ডলে গুরুতর আঘাত পান।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবদুর রউফ জানান, পাকারাস্তায় পড়ে মাথা ও মুখমন্ডলে মারাত্মক আঘাত পাওয়ায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে আনার পরপরই চিকিৎসা শুরু করা হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে এশার নামাজ আদায় করতে যাওয়ার পথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মো. মুসা (৫৫) নামে এক গণিত শিক্ষকের মর্মান্তি মৃত্যুর মাধ্যমে জীবন থেমে গেল। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর বাজার সংলগ্ন ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. মুসা উপজেলার নুরাইনপুর অগ্রাণী বিদ্যাপীঠের গনিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নুরাইনপুর বাজার এলাকায় বসবাসকারী মো. মুসা প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে নুরাইনপুর বাজার জামে মসজিদে যাচ্ছিলেন। পথে পিছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। অটোরিকশার ধাক্কায় তিনি পাকা সড়কে ছিটকে পড়ে মাথা ও মুখমন্ডলে গুরুতর আঘাত পান।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবদুর রউফ জানান, পাকারাস্তায় পড়ে মাথা ও মুখমন্ডলে মারাত্মক আঘাত পাওয়ায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে আনার পরপরই চিকিৎসা শুরু করা হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৫৬
পটুয়াখালীর বাউফলে বিয়ের মাত্র ২ মাসের মাথায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে চলে যেতে চাপ সৃষ্টি করায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টায় বাউফল পৌরশহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দরবেশ আলী সড়কের একটি বাসা থেকে ইসরাত জাহান নিশি (২৮) নামে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ইসরাত জাহান নিশি ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড পশ্চিম দেউলা গ্রামের নাসির মোল্লার মেয়ে এবং বাউফল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দরবেশ আলী সড়কের আব্দুর রশিদ ঢালীর ছেলে আমেরিকা প্রবাসী মনিরুল ইসলাম ঢালীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে পারিবারিকভাবে মনিরুল ইসলাম ঢালীর সঙ্গে নিশির বিয়ে হয়। এর আগে মনিরুলের আরেকটি বিয়ে হলেও দাম্পত্য কলহের জেরে সেই সংসারের বিচ্ছেদ ঘটে। আনুষ্ঠানিক ভাবে নিশিকে তুলে আনা হয়নি। বিয়ের পর থেকেই মনিরুল ইসলাম মনির তাকে রাখবেনা বলে জানালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য তৈরি হয়। একপর্যায়ে সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য গত ১৫ দিন পূর্বে নিশি তার খালাকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে চলে আসেন।
শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে খাবার শেষে মনিরুল ইসলাম নিশিকে তালাক দিয়ে চলে যেতে চাপ প্রয়োগ কররে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। চাপ সহ্য করতে না পেরে নিশি আলাদা একটি কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা ডাকাডাকি করলেও তিনি সাড়া দেননি। শনিবার সকালে আবারও ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে আনুমানিক ৮টার দিকে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
বাউফল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে কক্ষের ভেতর থেকে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নিশির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নেওয়া হয়।
স্বামী মনিরুল ইসলাম ঢালী বলেন, রাতে সামান্য মনোমালিন্যের পর নিশি আলাদা কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। রাতে এবং সকালে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
নিহত নিশির মা শিক্ষিকা ছাবিনা ইয়াসমিন বলেন, মনিরুল তাকে রাত ১০টার দিকে জানিয়েছে নিশির সাখে একটু কথার কাটাকাটি হয়েছে। সে (নিশি) একা একটি কক্ষে দরজা বন্ধ করে আছে। আমি (নিশির মা) দরজা ভেঙ্গে তাকে বের করতে বলি। মনিরুল বলে দরজা অনেক মজবুত ভেঙে বের করা যাবেনা । সকালে এমনিতেই বের হবে এই বলে ফোন কেটে দেয়। এর পর থেকে তাদের কাউকেই আর ফোনে পাওয়া যায়নি। সকালে সংবাদ পাই নিশি মারা গেছে। ওকে পরিকল্পিত ভাবে মরতে বাধ্য করা হয়েছে। আমি এ হত্যাকান্ডের বিচার চাই। ঘটনার পর সহকারী পুলিশ সুপার (বাউফল সার্কেল) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বাউফল থানা পুলিশের ওসি সিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’
পটুয়াখালীর বাউফলে বিয়ের মাত্র ২ মাসের মাথায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে চলে যেতে চাপ সৃষ্টি করায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টায় বাউফল পৌরশহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দরবেশ আলী সড়কের একটি বাসা থেকে ইসরাত জাহান নিশি (২৮) নামে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ইসরাত জাহান নিশি ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড পশ্চিম দেউলা গ্রামের নাসির মোল্লার মেয়ে এবং বাউফল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দরবেশ আলী সড়কের আব্দুর রশিদ ঢালীর ছেলে আমেরিকা প্রবাসী মনিরুল ইসলাম ঢালীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে পারিবারিকভাবে মনিরুল ইসলাম ঢালীর সঙ্গে নিশির বিয়ে হয়। এর আগে মনিরুলের আরেকটি বিয়ে হলেও দাম্পত্য কলহের জেরে সেই সংসারের বিচ্ছেদ ঘটে। আনুষ্ঠানিক ভাবে নিশিকে তুলে আনা হয়নি। বিয়ের পর থেকেই মনিরুল ইসলাম মনির তাকে রাখবেনা বলে জানালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য তৈরি হয়। একপর্যায়ে সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য গত ১৫ দিন পূর্বে নিশি তার খালাকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে চলে আসেন।
শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে খাবার শেষে মনিরুল ইসলাম নিশিকে তালাক দিয়ে চলে যেতে চাপ প্রয়োগ কররে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। চাপ সহ্য করতে না পেরে নিশি আলাদা একটি কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা ডাকাডাকি করলেও তিনি সাড়া দেননি। শনিবার সকালে আবারও ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে আনুমানিক ৮টার দিকে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
বাউফল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে কক্ষের ভেতর থেকে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নিশির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নেওয়া হয়।
স্বামী মনিরুল ইসলাম ঢালী বলেন, রাতে সামান্য মনোমালিন্যের পর নিশি আলাদা কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। রাতে এবং সকালে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
নিহত নিশির মা শিক্ষিকা ছাবিনা ইয়াসমিন বলেন, মনিরুল তাকে রাত ১০টার দিকে জানিয়েছে নিশির সাখে একটু কথার কাটাকাটি হয়েছে। সে (নিশি) একা একটি কক্ষে দরজা বন্ধ করে আছে। আমি (নিশির মা) দরজা ভেঙ্গে তাকে বের করতে বলি। মনিরুল বলে দরজা অনেক মজবুত ভেঙে বের করা যাবেনা । সকালে এমনিতেই বের হবে এই বলে ফোন কেটে দেয়। এর পর থেকে তাদের কাউকেই আর ফোনে পাওয়া যায়নি। সকালে সংবাদ পাই নিশি মারা গেছে। ওকে পরিকল্পিত ভাবে মরতে বাধ্য করা হয়েছে। আমি এ হত্যাকান্ডের বিচার চাই। ঘটনার পর সহকারী পুলিশ সুপার (বাউফল সার্কেল) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বাউফল থানা পুলিশের ওসি সিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৩
পটুয়াখালীর গলাচিপায় একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) মধ্যরাতে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আমির হোসেন ফকিরের ছেলে সাহারুল ফকির এবং একই ইউনিয়নের পূর্ব গোলখালী গ্রামের মোখলেসুর রহমান মোল্লার ছেলে মহিবুল্লাহ মোল্লা। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দুজনেই দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে—সাহারুল ফকিরের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা ও ৩টি ওয়ারেন্ট রয়েছে এবং মহিবুল্লাহ মোল্লার বিরুদ্ধে ৫টি মামলা ও ১টি ওয়ারেন্ট রয়েছে।
আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবার চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্ট মূলে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ শনিবার বিধি মোতাবেক তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর গলাচিপায় একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) মধ্যরাতে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আমির হোসেন ফকিরের ছেলে সাহারুল ফকির এবং একই ইউনিয়নের পূর্ব গোলখালী গ্রামের মোখলেসুর রহমান মোল্লার ছেলে মহিবুল্লাহ মোল্লা। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দুজনেই দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে—সাহারুল ফকিরের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা ও ৩টি ওয়ারেন্ট রয়েছে এবং মহিবুল্লাহ মোল্লার বিরুদ্ধে ৫টি মামলা ও ১টি ওয়ারেন্ট রয়েছে।
আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবার চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্ট মূলে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ শনিবার বিধি মোতাবেক তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

০৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১১
বঙ্গোপসাগরের গভীরে ডুবে যাওয়া পটুয়াখালীর গলাচিপার ৬ জেলের মধ্যে আল-আমিন নামের একজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে জেলেরা। তাকে উদ্ধারের পর চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গলাচিপা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আল আমিনের চিকিৎসার তদারকি করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে ভোলার ঢাল চর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে ভাসমান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। তবে আল আমিনের সঙ্গে থাকা অন্য ৫ জেলের সন্ধান মেলেনি।
উদ্ধার জেলে আল আমিন উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ইচাদী গ্রামের চান মিয়া হাওলাদারের ছেলে।
গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে চরফ্যাশন থেকে জনৈক দুলাল মাঝি আল আমিনের স্ত্রী মাকসুদা বেগমের কাছে মোবাইল ফোনে একটি বার্তা পাঠান যে, সাগর থেকে আল আমিনকে উদ্ধার করা হয়েছে। খবর পেয়ে আমরা স্পিডবোট নিয়ে চরফ্যাশন চলে যাই। সেখান থেকে আল আমিনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গলাচিপা হাসপাতালে ভর্তি করি।
উদ্ধার হওয়া জেলে আল আমিন বলেন, বঙ্গোপসাগরে ফিশিং ট্রলার গত রবিবার রাত ১০টার দিকে ঝড়ে কবলে পড়ে ১১ জেলে নিয়ে ডুবে যায়।
সে সময় ট্রলারের ভেতর তিনজন ছিল, তারা বের হতে পারেনি। কিন্তু আমরা ৮ জন সাগরে ভেসেছিলাম। এসময় আমি আক্কাস আর সাগর ট্রলার ধরে ভেসেছিলাম। কিন্তু একসময় সবাই ট্রলার ছেড়ে দিয়ে তীরে ফেরার জন্য সাঁতার দিই। কিন্তু কিছুক্ষণ পর সবাই আলাদা হয়ে যাই।
আল আমিন আরো বলেন, আমি একটি তেলের পট পেয়ে ভেসেছিলাম। বুধবার বিকেলে ভোলার দুলাল মাঝির জেলেরা আমাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন নিয়ে আসে। এ ছাড়া আমার আর কিছু মনে নেই।
গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কলিমুল্লা খান বলেন, আল আমিনের বেঁচে থাকার খবর পেয়ে আমরা তার পরিবারের লোকজন নিয়ে চরফ্যাশন থেকে গলাচিপা নিয়ে এসেছি। সে সুস্থ হোক, পরে বিস্তারিত জানতে পারব।
গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী সাংবাদিকদের বলেন, উদ্ধার হওয়া জেলে আল আমিন জানিয়েছেন, সাগরে ভেসে যাওয়া অন্য ৫ জেলে হয়তো বেঁচে আছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, আল আমিন অন্য জেলেদের অবস্থান সম্পর্কে কিছু তথ্য দিয়েছেন। তার তথ্য অনুসরণ করে উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
গত ৫ জুলাই বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পরে গলাচিপার ১১ জন জেলেসহ ফিশিং ট্রলার ডুবে যায়। পরদিন ৫ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এর পর বুধবার বিকেলে জেলে আল আমিন উদ্ধার হলেও ৫ জন জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন, গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের দক্ষিণ পানপট্টির মৃত গেদু হাওলাদারে ছেলে মো. হারুন হাওলাদার, পানপট্টি গ্রামের মো. এমাদুল, গজালিয়া ইউনিয়নের ইচাদী গ্রামের মো. ফোরকান, মো. সায়েম এবং গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের মো. আকাশ।’
বঙ্গোপসাগরের গভীরে ডুবে যাওয়া পটুয়াখালীর গলাচিপার ৬ জেলের মধ্যে আল-আমিন নামের একজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে জেলেরা। তাকে উদ্ধারের পর চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গলাচিপা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আল আমিনের চিকিৎসার তদারকি করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে ভোলার ঢাল চর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে ভাসমান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। তবে আল আমিনের সঙ্গে থাকা অন্য ৫ জেলের সন্ধান মেলেনি।
উদ্ধার জেলে আল আমিন উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ইচাদী গ্রামের চান মিয়া হাওলাদারের ছেলে।
গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে চরফ্যাশন থেকে জনৈক দুলাল মাঝি আল আমিনের স্ত্রী মাকসুদা বেগমের কাছে মোবাইল ফোনে একটি বার্তা পাঠান যে, সাগর থেকে আল আমিনকে উদ্ধার করা হয়েছে। খবর পেয়ে আমরা স্পিডবোট নিয়ে চরফ্যাশন চলে যাই। সেখান থেকে আল আমিনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গলাচিপা হাসপাতালে ভর্তি করি।
উদ্ধার হওয়া জেলে আল আমিন বলেন, বঙ্গোপসাগরে ফিশিং ট্রলার গত রবিবার রাত ১০টার দিকে ঝড়ে কবলে পড়ে ১১ জেলে নিয়ে ডুবে যায়।
সে সময় ট্রলারের ভেতর তিনজন ছিল, তারা বের হতে পারেনি। কিন্তু আমরা ৮ জন সাগরে ভেসেছিলাম। এসময় আমি আক্কাস আর সাগর ট্রলার ধরে ভেসেছিলাম। কিন্তু একসময় সবাই ট্রলার ছেড়ে দিয়ে তীরে ফেরার জন্য সাঁতার দিই। কিন্তু কিছুক্ষণ পর সবাই আলাদা হয়ে যাই।
আল আমিন আরো বলেন, আমি একটি তেলের পট পেয়ে ভেসেছিলাম। বুধবার বিকেলে ভোলার দুলাল মাঝির জেলেরা আমাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন নিয়ে আসে। এ ছাড়া আমার আর কিছু মনে নেই।
গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কলিমুল্লা খান বলেন, আল আমিনের বেঁচে থাকার খবর পেয়ে আমরা তার পরিবারের লোকজন নিয়ে চরফ্যাশন থেকে গলাচিপা নিয়ে এসেছি। সে সুস্থ হোক, পরে বিস্তারিত জানতে পারব।
গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী সাংবাদিকদের বলেন, উদ্ধার হওয়া জেলে আল আমিন জানিয়েছেন, সাগরে ভেসে যাওয়া অন্য ৫ জেলে হয়তো বেঁচে আছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, আল আমিন অন্য জেলেদের অবস্থান সম্পর্কে কিছু তথ্য দিয়েছেন। তার তথ্য অনুসরণ করে উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
গত ৫ জুলাই বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পরে গলাচিপার ১১ জন জেলেসহ ফিশিং ট্রলার ডুবে যায়। পরদিন ৫ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এর পর বুধবার বিকেলে জেলে আল আমিন উদ্ধার হলেও ৫ জন জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন, গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের দক্ষিণ পানপট্টির মৃত গেদু হাওলাদারে ছেলে মো. হারুন হাওলাদার, পানপট্টি গ্রামের মো. এমাদুল, গজালিয়া ইউনিয়নের ইচাদী গ্রামের মো. ফোরকান, মো. সায়েম এবং গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের মো. আকাশ।’
১১ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১১ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
১১ জুলাই, ২০২৬ ২১:৩৭
১১ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৪