
১১ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৫৮
ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাঙ্গা রেড্ডি জেলায় লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জামিনে বেরিয়ে ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলা কিশোরীকেও নির্মমভাবে খুন করেছে।
অভিযুক্ত রাজকুমার শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে শাবাদের নিজ বাড়িতে তার ৩০ বছর বয়সী স্ত্রী পার্বতী সরিতা এবং তাদের ৪ ও ১ বছর বয়সী দুই ছেলেকে হত্যা করে। এরপর সে ১৭ বছর বয়সী সেই কিশোরীর বাড়িতে যায়। গত ১৬ মে তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে অভিযোগ দায়ের করেছিল ওই কিশোরী।
রাজকুমার মেয়েটিকে গাড়িতে করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। পরে সে মেয়েটির ৪৫ বছর বয়সী মা ও ৬৫ বছর বয়সী নানিকেও খুন করে। ওই বাড়িতে মেয়েটির ২০ বছর বয়সী এক শারীরিক প্রতিবন্ধী বোনও উপস্থিত ছিল, তবে তাকে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
হত্যাকাণ্ডের পর রাজকুমার তার বাবাকে ফোন করে খুনের কথা স্বীকার করে। জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা তরুণ যোশি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে জানান, ‘সে তার বাবাকে ফোন করে বলেছিল, আমি এটা করেছি। আমি তাদের হত্যা করেছি। এরপর সে ফোন বন্ধ করে দেয়। সে আত্মহত্যার কথাও বলেছিল, তবে তার কোনও সত্যতা এখনও মেলেনি।’
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ‘অভিযুক্ত বর্তমানে পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।’
জানা গেছে, ২০১৮ সালে রাজকুমার ও পার্বতীর বিয়ে হয়। তাদের তিনটি সন্তান ছিল, যার মধ্যে প্রথম কন্যাশিশু শৈশবেই মারা যায়। গত মে মাসে এক কিশোরীকে উত্ত্যক্ত ও যৌন হয়রানির অভিযোগে রাজকুমার গ্রেপ্তার হয়েছিল। যোশি জানান, ‘অভিযুক্ত রাজকুমার মেয়েটিকে কোচিং সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরার পথে অনুসরণ করত এবং প্রেমের প্রস্তাব গ্রহণ করতে চাপ দিত।’
পুলিশ জানায়, ওই মামলার পর রাজকুমার পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। তবে মামলার ধারাগুলোতে সাত বছরের কম সাজার বিধান থাকায় গত সপ্তাহে আদালত তাকে ২০ হাজার টাকার বন্ডে আগাম জামিন দেয়। ঘটনার পর জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাজকুমারের আচরণে সমস্যা ছিল। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাকে কাউন্সেলিংয়ের জন্য দু-তিনবার ডেকেছিলাম। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছে যে তার মানসিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল না। এছাড়া জুয়া খেলার অভ্যাস ছিল এবং তার অনেক ঋণও ছিল।’
নিহতের আত্মীয়রা জানান, বাড়িতে পার্বতীর লাশের পাশে ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া গেলেও দুই শিশুকে সম্ভবত ঘুমের মধ্যেই হত্যা করা হয়েছে। ঘরগুলোর দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল এবং ফ্যান, এসি ও কুলার চালু অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনার আগে তাদের মধ্যে কোনো বড় বিবাদ হয়নি। আগের দিন সন্ধ্যায়ও পার্বতী আত্মীয়দের সঙ্গে স্বাভাবিক কথা বলেছিল।’
ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাঙ্গা রেড্ডি জেলায় লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জামিনে বেরিয়ে ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলা কিশোরীকেও নির্মমভাবে খুন করেছে।
অভিযুক্ত রাজকুমার শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে শাবাদের নিজ বাড়িতে তার ৩০ বছর বয়সী স্ত্রী পার্বতী সরিতা এবং তাদের ৪ ও ১ বছর বয়সী দুই ছেলেকে হত্যা করে। এরপর সে ১৭ বছর বয়সী সেই কিশোরীর বাড়িতে যায়। গত ১৬ মে তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে অভিযোগ দায়ের করেছিল ওই কিশোরী।
রাজকুমার মেয়েটিকে গাড়িতে করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। পরে সে মেয়েটির ৪৫ বছর বয়সী মা ও ৬৫ বছর বয়সী নানিকেও খুন করে। ওই বাড়িতে মেয়েটির ২০ বছর বয়সী এক শারীরিক প্রতিবন্ধী বোনও উপস্থিত ছিল, তবে তাকে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
হত্যাকাণ্ডের পর রাজকুমার তার বাবাকে ফোন করে খুনের কথা স্বীকার করে। জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা তরুণ যোশি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে জানান, ‘সে তার বাবাকে ফোন করে বলেছিল, আমি এটা করেছি। আমি তাদের হত্যা করেছি। এরপর সে ফোন বন্ধ করে দেয়। সে আত্মহত্যার কথাও বলেছিল, তবে তার কোনও সত্যতা এখনও মেলেনি।’
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ‘অভিযুক্ত বর্তমানে পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।’
জানা গেছে, ২০১৮ সালে রাজকুমার ও পার্বতীর বিয়ে হয়। তাদের তিনটি সন্তান ছিল, যার মধ্যে প্রথম কন্যাশিশু শৈশবেই মারা যায়। গত মে মাসে এক কিশোরীকে উত্ত্যক্ত ও যৌন হয়রানির অভিযোগে রাজকুমার গ্রেপ্তার হয়েছিল। যোশি জানান, ‘অভিযুক্ত রাজকুমার মেয়েটিকে কোচিং সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরার পথে অনুসরণ করত এবং প্রেমের প্রস্তাব গ্রহণ করতে চাপ দিত।’
পুলিশ জানায়, ওই মামলার পর রাজকুমার পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। তবে মামলার ধারাগুলোতে সাত বছরের কম সাজার বিধান থাকায় গত সপ্তাহে আদালত তাকে ২০ হাজার টাকার বন্ডে আগাম জামিন দেয়। ঘটনার পর জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাজকুমারের আচরণে সমস্যা ছিল। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাকে কাউন্সেলিংয়ের জন্য দু-তিনবার ডেকেছিলাম। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছে যে তার মানসিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল না। এছাড়া জুয়া খেলার অভ্যাস ছিল এবং তার অনেক ঋণও ছিল।’
নিহতের আত্মীয়রা জানান, বাড়িতে পার্বতীর লাশের পাশে ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া গেলেও দুই শিশুকে সম্ভবত ঘুমের মধ্যেই হত্যা করা হয়েছে। ঘরগুলোর দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল এবং ফ্যান, এসি ও কুলার চালু অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনার আগে তাদের মধ্যে কোনো বড় বিবাদ হয়নি। আগের দিন সন্ধ্যায়ও পার্বতী আত্মীয়দের সঙ্গে স্বাভাবিক কথা বলেছিল।’

২২ জুন, ২০২৬ ১৪:৪৬
বলিউডের বহুল আলোচিত সিনেমা ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ঘিরে জটিলতা যেন কাটছেই না। নানা কারণে শুটিং পিছিয়ে যাওয়ার পর এবার রণবীর-আলিয়া জুটি অভিনীত ছবিটির সেটে ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এতে একজন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের গোরেগাঁওয়ের রয়্যাল পাম্প স্টুডিওতে শুটিং চলাকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত চন্দ্রধারী যাদব পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিটের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে।
চন্দ্রধারীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। তারা প্রযোজনা সংস্থার কাছে নিহতের পরিবারের জন্য অর্ধ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো অর্থই প্রিয়জন হারানোর শূন্যতা পূরণ করতে পারবে না। তবে নিহতের স্ত্রী ও দুই মেয়ের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।
এই ঘটনার পর আবারও চলচ্চিত্রের শুটিং সেটে কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি, বড় বাজেটের প্রকল্পে কাজ করলেও অনেক ক্ষেত্রেই কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় না।
সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ছবিতে অভিনয় করছেন রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট ও ভিকি কৌশল। আগামী বছর সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।
বলিউডের বহুল আলোচিত সিনেমা ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ঘিরে জটিলতা যেন কাটছেই না। নানা কারণে শুটিং পিছিয়ে যাওয়ার পর এবার রণবীর-আলিয়া জুটি অভিনীত ছবিটির সেটে ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এতে একজন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের গোরেগাঁওয়ের রয়্যাল পাম্প স্টুডিওতে শুটিং চলাকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত চন্দ্রধারী যাদব পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিটের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে।
চন্দ্রধারীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। তারা প্রযোজনা সংস্থার কাছে নিহতের পরিবারের জন্য অর্ধ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো অর্থই প্রিয়জন হারানোর শূন্যতা পূরণ করতে পারবে না। তবে নিহতের স্ত্রী ও দুই মেয়ের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।
এই ঘটনার পর আবারও চলচ্চিত্রের শুটিং সেটে কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি, বড় বাজেটের প্রকল্পে কাজ করলেও অনেক ক্ষেত্রেই কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় না।
সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ছবিতে অভিনয় করছেন রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট ও ভিকি কৌশল। আগামী বছর সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

২২ মে, ২০২৬ ২১:৩৬
৯০ দশকের শুরুতে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন প্রযোজক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার। তিনি এখন পর্যন্ত ১০০টিরও বেশি হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ তিন দশকের ক্যারিয়ারে অ্যাকশন, কমেডি ও সামাজিক সচেতনতামূলক সিনেমায় অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বলিউড অঙ্গনে তাকে 'খিলাড়ি কুমার' হিসেবে ডাকা হয়।
এর আগে কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী একটি সরকারি স্কুলে এক কোটি রুপি অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অক্ষয় কুমার। সম্প্রতি সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিয়েছেন তিনি। এ অনুদানের মাধ্যমে স্কুলটিতে আধুনিক শিক্ষা ভবন, নতুন ক্লাশরুম, লাইব্রেরি ও কম্পিউটার ল্যাব নির্মাণ করা হয়েছে, যার ফলে সেখানকার শিক্ষার্থীরা দারুণ উপকৃত হচ্ছে।
জম্মু ও কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার গুরেজ উপত্যকার প্রত্যন্ত সীমান্ত গ্রাম নেরো তুলাইলে অবস্থিত এ সরকারি স্কুল একসময় জোরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। শিক্ষা উপকরণের অভাবে পাঠদানে ভাটা পড়েছিল। অভিনেতা অক্ষয় কুমারের উদারতায় আজ সেই স্কুলের শিক্ষার্থীদের মুখে হাসির ফোয়ারা ফুটেছে।
যদিও এ খিলাড়িখ্যাত অভিনেতার এ মানবিক গুণাবলির পরিচয় এর আগেও পেয়েছে বলিউড। বিভিন্ন সময় তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সেই তালিকায় যোগ হলো নতুন উদাহরণ। কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী গ্রাম নেরো তুলাইলে সরকারি স্কুলে এক কোটি টাকা অনুদান দিলেন অক্ষয় কুমার।
অভিনেতার দেওয়া অনুদানেই স্কুলের নতুন ভবন তৈরি হয়েছে। ২০২১ সালে অক্ষয় বিএসএফের আমন্ত্রণে সীমান্তে কর্মরত জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করতে কাশ্মীরে গিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি উত্তর কাশ্মীরের এই নেরো গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে স্কুলের বেহাল অবস্থা এবং পড়ুয়াদের সমস্যার কথা দেখে তিনি এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
পাঁচ বছর পর কথা রাখলেন অভিনেতা। অক্ষয়ের অনুদানে তৈরি হওয়া নতুন ভবনের নাম রাখা হয়েছে 'শ্রী হরি ওম ভাটিয়া এডুকেশন ব্লক'। অক্ষয়ের বাবা প্রয়াত হরি ওম ভাটিয়ার স্মৃতিতে তৈরি করা হয়েছে এ নতুন ভবন।
সেই ভবনে রয়েছে আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি এবং শিক্ষকদের জন্য আলাদা অফিস স্পেস। পাশাপাশি মিড-ডে মিল প্রকল্পের সুবিধাও উন্নত করা হয়েছে।
৯০ দশকের শুরুতে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন প্রযোজক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার। তিনি এখন পর্যন্ত ১০০টিরও বেশি হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ তিন দশকের ক্যারিয়ারে অ্যাকশন, কমেডি ও সামাজিক সচেতনতামূলক সিনেমায় অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বলিউড অঙ্গনে তাকে 'খিলাড়ি কুমার' হিসেবে ডাকা হয়।
এর আগে কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী একটি সরকারি স্কুলে এক কোটি রুপি অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অক্ষয় কুমার। সম্প্রতি সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিয়েছেন তিনি। এ অনুদানের মাধ্যমে স্কুলটিতে আধুনিক শিক্ষা ভবন, নতুন ক্লাশরুম, লাইব্রেরি ও কম্পিউটার ল্যাব নির্মাণ করা হয়েছে, যার ফলে সেখানকার শিক্ষার্থীরা দারুণ উপকৃত হচ্ছে।
জম্মু ও কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার গুরেজ উপত্যকার প্রত্যন্ত সীমান্ত গ্রাম নেরো তুলাইলে অবস্থিত এ সরকারি স্কুল একসময় জোরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। শিক্ষা উপকরণের অভাবে পাঠদানে ভাটা পড়েছিল। অভিনেতা অক্ষয় কুমারের উদারতায় আজ সেই স্কুলের শিক্ষার্থীদের মুখে হাসির ফোয়ারা ফুটেছে।
যদিও এ খিলাড়িখ্যাত অভিনেতার এ মানবিক গুণাবলির পরিচয় এর আগেও পেয়েছে বলিউড। বিভিন্ন সময় তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সেই তালিকায় যোগ হলো নতুন উদাহরণ। কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী গ্রাম নেরো তুলাইলে সরকারি স্কুলে এক কোটি টাকা অনুদান দিলেন অক্ষয় কুমার।
অভিনেতার দেওয়া অনুদানেই স্কুলের নতুন ভবন তৈরি হয়েছে। ২০২১ সালে অক্ষয় বিএসএফের আমন্ত্রণে সীমান্তে কর্মরত জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করতে কাশ্মীরে গিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি উত্তর কাশ্মীরের এই নেরো গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে স্কুলের বেহাল অবস্থা এবং পড়ুয়াদের সমস্যার কথা দেখে তিনি এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
পাঁচ বছর পর কথা রাখলেন অভিনেতা। অক্ষয়ের অনুদানে তৈরি হওয়া নতুন ভবনের নাম রাখা হয়েছে 'শ্রী হরি ওম ভাটিয়া এডুকেশন ব্লক'। অক্ষয়ের বাবা প্রয়াত হরি ওম ভাটিয়ার স্মৃতিতে তৈরি করা হয়েছে এ নতুন ভবন।
সেই ভবনে রয়েছে আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি এবং শিক্ষকদের জন্য আলাদা অফিস স্পেস। পাশাপাশি মিড-ডে মিল প্রকল্পের সুবিধাও উন্নত করা হয়েছে।

২২ মে, ২০২৬ ২১:১৪
উন্নত জীবন আর ভালো বেতনের আশায় মাদারীপুর সদরের এক যুবক রাশিয়া গিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই যুবকের এক বন্ধু হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দেশে থাকা স্বজনদের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন বলে জানান মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আল-নোমান।
নিহত সুরুজ কাজী (৩০) সদর উপজেলার দক্ষিণ খাগছড়া গ্রামের শাহাবুদ্দিন কাজীর ছেলে। দালালের মাধ্যমে সুরুজ রাশিয়ায় গিয়ে দেশটির সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য হন বলে দাবি স্বজনদের।
শুক্রবার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, “রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে সুরুজ নামের এক যুবক মারা গেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তার লাশ দেশে কীভাবে আনা যায়, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।”
সুরুজের বড় বোন শারমিন আক্তার বলেন, “প্রায় ১০ মাস আগে সুরুজকে রাশিয়ার একটি কোম্পানিতে ভালো বেতনের চাকরি দেওয়ার কথা বলেন একই গ্রামের দিলু মাতুব্বর ও ঢাকার জাফর মাতুব্বর। তাদের আশ্বাসে ও চুক্তির ভিত্তিতে আট লাখ টাকা দালালদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর জাফর মাতুব্বরের এজেন্সির মাধ্যমে রাশিয়ায় পাড়ি জমান সুরুজ।
“সেখানে পৌঁছানোর পর সুরুজ জানতে পারে, সে দালালের প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে চুক্তিতে সই করে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় সুরুজ। পরে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখ সারিতে।”
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাশিয়া থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি ভিডিও বার্তায় সুরুজের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন একই গ্রামের বাসিন্দা ও তার সহপাঠী সাব্বির মাতুব্বর। ভিডিওতে যুদ্ধক্ষেত্রের ভয়াবহতার পাশাপাশি ড্রোন হামলা ও মাইন বিস্ফোরণে সুরুজের মৃত্যুর বিষয়টি জানানো হয়।
শারমিন আক্তার ক্ষোভ ও আহাজারি করে বলেন, “আমার ভাইরে দিলু দালাল আর ঢাকার জাফর দালাল মিল্লা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সেনাবাহিনীর কাছে বেইচ্চা হালাইছে। আমি ওই দালালদের ফাঁসি চাই, আমার ভাইরে ফেরত চাই।”
এ বিষয়ে জানতে দিলু মাতুব্বর ও জাফর মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আল-নোমান বলেন, “নিহত যুবক কীভাবে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেন তা আমাদের জানা নেই। প্রবাসী অধ্যুষিত ওই এলাকা থেকে অনেকেই রাশিয়ায় গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়েছেন। আমরা মনে করি এটি একটি ফাঁদ।”
এ ফাঁদে না পড়তে অভিবাসন প্রত্যাশীদের সর্তক থাকতে অনুরোধ জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক।
বরিশাল টাইমস
উন্নত জীবন আর ভালো বেতনের আশায় মাদারীপুর সদরের এক যুবক রাশিয়া গিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই যুবকের এক বন্ধু হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দেশে থাকা স্বজনদের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন বলে জানান মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আল-নোমান।
নিহত সুরুজ কাজী (৩০) সদর উপজেলার দক্ষিণ খাগছড়া গ্রামের শাহাবুদ্দিন কাজীর ছেলে। দালালের মাধ্যমে সুরুজ রাশিয়ায় গিয়ে দেশটির সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য হন বলে দাবি স্বজনদের।
শুক্রবার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, “রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে সুরুজ নামের এক যুবক মারা গেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তার লাশ দেশে কীভাবে আনা যায়, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।”
সুরুজের বড় বোন শারমিন আক্তার বলেন, “প্রায় ১০ মাস আগে সুরুজকে রাশিয়ার একটি কোম্পানিতে ভালো বেতনের চাকরি দেওয়ার কথা বলেন একই গ্রামের দিলু মাতুব্বর ও ঢাকার জাফর মাতুব্বর। তাদের আশ্বাসে ও চুক্তির ভিত্তিতে আট লাখ টাকা দালালদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর জাফর মাতুব্বরের এজেন্সির মাধ্যমে রাশিয়ায় পাড়ি জমান সুরুজ।
“সেখানে পৌঁছানোর পর সুরুজ জানতে পারে, সে দালালের প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে চুক্তিতে সই করে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় সুরুজ। পরে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখ সারিতে।”
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাশিয়া থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি ভিডিও বার্তায় সুরুজের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন একই গ্রামের বাসিন্দা ও তার সহপাঠী সাব্বির মাতুব্বর। ভিডিওতে যুদ্ধক্ষেত্রের ভয়াবহতার পাশাপাশি ড্রোন হামলা ও মাইন বিস্ফোরণে সুরুজের মৃত্যুর বিষয়টি জানানো হয়।
শারমিন আক্তার ক্ষোভ ও আহাজারি করে বলেন, “আমার ভাইরে দিলু দালাল আর ঢাকার জাফর দালাল মিল্লা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সেনাবাহিনীর কাছে বেইচ্চা হালাইছে। আমি ওই দালালদের ফাঁসি চাই, আমার ভাইরে ফেরত চাই।”
এ বিষয়ে জানতে দিলু মাতুব্বর ও জাফর মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আল-নোমান বলেন, “নিহত যুবক কীভাবে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেন তা আমাদের জানা নেই। প্রবাসী অধ্যুষিত ওই এলাকা থেকে অনেকেই রাশিয়ায় গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়েছেন। আমরা মনে করি এটি একটি ফাঁদ।”
এ ফাঁদে না পড়তে অভিবাসন প্রত্যাশীদের সর্তক থাকতে অনুরোধ জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক।
বরিশাল টাইমস
১১ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১১ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
১১ জুলাই, ২০২৬ ২১:৩৭
১১ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৪