
১২ নভেম্বর, ২০২৫ ১৮:০৯
প্যাসিফিকে দু’দিন ব্যাপি বিসিবি কনফারেন্স শেষে এবং বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলার কথা ছিল বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের। কিন্তু উপস্থিত সাংবাদিকরা তা না করে ফিরে যান নিজ নিজ গন্তব্যে।
তারও আগে ওই কনফারেন্সের শেষ দিনটি ছিল ১০ নভেম্বর; বাংলাদেশের টেস্ট অভিষেকের দিন। ২৫ বছর আগে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে টেস্ট খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ।
বিসিবি কনফারেন্সের শেষ দিন ১০ নভেম্বর পড়ে যাওয়ায় সেই দিনটি সাংবাদিকদের সাথে মিলেমিশে উপভোগ করার আগাম ঘোষণা দিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি। আগের দিন নিজের বক্তব্যে তেমনটাই জানিয়েছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন, ১০ নভেম্বর বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
কিন্তু পরদিন (১০ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলন কভার করতে এসে সাংবাদিকরা সোনারগাঁও প্যান প্যাসিফিকের লবিতেও ঢুকে পারেননি। এক থেকে দেড় ঘণ্টার মত বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাংবাদিকরা। এক বোতল পানিও পাননি কেউ।
শেষ পর্যন্ত ক্ষোভে, দুঃখে এবং হতাশায় তারা আর বিসিবি প্রধানের সংবাদ সম্মেলন কভার করেননি। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি।
৪৮ ঘণ্টা পর সেই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আজ বুধবার বিকেলে এক ভিডিও বার্তায় সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি।
ভিডিও বার্তায় বুলবুল যা বলেছেন, তা হলো- ‘আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত সাংবাদিক ভাই এবং বোনেরা। গত দশই নভেম্বর একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গিয়েছিল। আমরা বাংলাদেশ ক্রিকেট কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিনের সমাপনী অনুষ্ঠান এবং বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিলাম। আমি নিজে আপনাদেরকে সেখানে দাওয়াত দিয়েছিলাম। যদিও অনুষ্ঠান শেষ হতে কিছুটা সময় লেগে গিয়েছিল, যখন বাইরে এসে দেখলাম যে আপনাদেরকে যথাযথ সম্মান জানানো হয়নি এবং আমন্ত্রণ জানানোর পরও আমন্ত্রণ রক্ষা করার যে সৌজন্যতা আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের বা আমার কাজ ছিল, তাতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আপনাদের কাছে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’
‘তবে এটাও আপনাদেরকে কথা দিচ্ছি যে, আমাদের কোন বিভাগের কারণে এই ব্যর্থতাটি এসেছে, সেটা আমরা তদন্ত করব এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেব। আমরা আপনাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি, এই জন্য যে আপনারা এই ক্রিকেটের উন্নয়ন ও এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম বড় অংশীদার। ভুল আমরা করেছি। ভবিষ্যতে আমরা চেষ্টা করব এ ধরনের ভুল যেন আর না হয়।’
‘আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন। আমরা সকলে মিলে ক্রিকেটকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। সবসময় যেভাবে আপনারা আমাদেরকে সাহায্য করেছেন, আশা করছি সেভাবে শুধু সাহায্যই করবেন না, আমাদের পথের জার্নির একটি অংশ হয়ে থাকবেন। আপনাদের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ। আসসালামু আলাইকুম।’
প্যাসিফিকে দু’দিন ব্যাপি বিসিবি কনফারেন্স শেষে এবং বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলার কথা ছিল বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের। কিন্তু উপস্থিত সাংবাদিকরা তা না করে ফিরে যান নিজ নিজ গন্তব্যে।
তারও আগে ওই কনফারেন্সের শেষ দিনটি ছিল ১০ নভেম্বর; বাংলাদেশের টেস্ট অভিষেকের দিন। ২৫ বছর আগে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে টেস্ট খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ।
বিসিবি কনফারেন্সের শেষ দিন ১০ নভেম্বর পড়ে যাওয়ায় সেই দিনটি সাংবাদিকদের সাথে মিলেমিশে উপভোগ করার আগাম ঘোষণা দিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি। আগের দিন নিজের বক্তব্যে তেমনটাই জানিয়েছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন, ১০ নভেম্বর বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
কিন্তু পরদিন (১০ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলন কভার করতে এসে সাংবাদিকরা সোনারগাঁও প্যান প্যাসিফিকের লবিতেও ঢুকে পারেননি। এক থেকে দেড় ঘণ্টার মত বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাংবাদিকরা। এক বোতল পানিও পাননি কেউ।
শেষ পর্যন্ত ক্ষোভে, দুঃখে এবং হতাশায় তারা আর বিসিবি প্রধানের সংবাদ সম্মেলন কভার করেননি। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি।
৪৮ ঘণ্টা পর সেই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আজ বুধবার বিকেলে এক ভিডিও বার্তায় সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি।
ভিডিও বার্তায় বুলবুল যা বলেছেন, তা হলো- ‘আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত সাংবাদিক ভাই এবং বোনেরা। গত দশই নভেম্বর একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গিয়েছিল। আমরা বাংলাদেশ ক্রিকেট কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিনের সমাপনী অনুষ্ঠান এবং বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিলাম। আমি নিজে আপনাদেরকে সেখানে দাওয়াত দিয়েছিলাম। যদিও অনুষ্ঠান শেষ হতে কিছুটা সময় লেগে গিয়েছিল, যখন বাইরে এসে দেখলাম যে আপনাদেরকে যথাযথ সম্মান জানানো হয়নি এবং আমন্ত্রণ জানানোর পরও আমন্ত্রণ রক্ষা করার যে সৌজন্যতা আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের বা আমার কাজ ছিল, তাতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আপনাদের কাছে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’
‘তবে এটাও আপনাদেরকে কথা দিচ্ছি যে, আমাদের কোন বিভাগের কারণে এই ব্যর্থতাটি এসেছে, সেটা আমরা তদন্ত করব এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেব। আমরা আপনাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি, এই জন্য যে আপনারা এই ক্রিকেটের উন্নয়ন ও এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম বড় অংশীদার। ভুল আমরা করেছি। ভবিষ্যতে আমরা চেষ্টা করব এ ধরনের ভুল যেন আর না হয়।’
‘আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন। আমরা সকলে মিলে ক্রিকেটকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। সবসময় যেভাবে আপনারা আমাদেরকে সাহায্য করেছেন, আশা করছি সেভাবে শুধু সাহায্যই করবেন না, আমাদের পথের জার্নির একটি অংশ হয়ে থাকবেন। আপনাদের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ। আসসালামু আলাইকুম।’

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস

১১ মার্চ, ২০২৬ ২২:২০
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৬-এর দামামা বাজার আগেই ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এলো চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে)। কিংবদন্তি উইকেটকিপার-ব্যাটার মহেন্দ্র সিং ধোনিকে আগামী মৌসুমে সবকটি ম্যাচেই মাঠে দেখা যাবে বলে নিশ্চিত করেছে চেন্নাই।
বুধবার চেন্নাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সিএসকে-র প্রধান নির্বাহী (সিইও) কাশি বিশ্বনাথন ধোনির প্রাপ্যতা নিয়ে চলা সব জল্পনার অবসান ঘটান।
বিশ্বনাথন বলেন, তিনি খেলবেন, সব ম্যাচেই খেলবেন। তবে মাঠে তার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে—তিনি কি কেবল ব্যাটার হিসেবে খেলবেন নাকি উইকেটকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কোচিং স্টাফরা।
আসন্ন ২০২৬ মৌসুমটি সিএসকে-র জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। গত বছর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে আসর শেষ করতে হয়েছিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের।
সেই দুঃস্বপ্ন ভুলে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বে এবার ঘুরে দাঁড়াতে চায় তারা। ধোনির অভিজ্ঞতা এবং গায়কোয়াড়ের তারুণ্য মিলে চেন্নাই তাদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে বদ্ধপরিকর।
এবারের আসরে চেন্নাইয়ের সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস হতে চলেছেন সঞ্জু স্যামসন। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারতের শিরোপা জয়ে মহাকাব্যিক ভূমিকা রেখেছেন এই ব্যাটার।
টুর্নামেন্টে ৩২১ রান করে এবং ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে তিনি 'প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট' নির্বাচিত হয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৬-এর দামামা বাজার আগেই ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এলো চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে)। কিংবদন্তি উইকেটকিপার-ব্যাটার মহেন্দ্র সিং ধোনিকে আগামী মৌসুমে সবকটি ম্যাচেই মাঠে দেখা যাবে বলে নিশ্চিত করেছে চেন্নাই।
বুধবার চেন্নাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সিএসকে-র প্রধান নির্বাহী (সিইও) কাশি বিশ্বনাথন ধোনির প্রাপ্যতা নিয়ে চলা সব জল্পনার অবসান ঘটান।
বিশ্বনাথন বলেন, তিনি খেলবেন, সব ম্যাচেই খেলবেন। তবে মাঠে তার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে—তিনি কি কেবল ব্যাটার হিসেবে খেলবেন নাকি উইকেটকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কোচিং স্টাফরা।
আসন্ন ২০২৬ মৌসুমটি সিএসকে-র জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। গত বছর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে আসর শেষ করতে হয়েছিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের।
সেই দুঃস্বপ্ন ভুলে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বে এবার ঘুরে দাঁড়াতে চায় তারা। ধোনির অভিজ্ঞতা এবং গায়কোয়াড়ের তারুণ্য মিলে চেন্নাই তাদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে বদ্ধপরিকর।
এবারের আসরে চেন্নাইয়ের সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস হতে চলেছেন সঞ্জু স্যামসন। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারতের শিরোপা জয়ে মহাকাব্যিক ভূমিকা রেখেছেন এই ব্যাটার।
টুর্নামেন্টে ৩২১ রান করে এবং ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে তিনি 'প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট' নির্বাচিত হয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৩
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পেল বাংলাদেশ। ব্যাটিং ও বোলিংয়ে নজরকাড়া পারফরম্যান্সে সিরিজ শুরু করল টাইগাররা।
আজ বুধবার (১১ মার্চ) সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের দেওয়া মাত্র ১১৪ রানের জবাবে ব্যাট হাতে আক্রমণাত্মক শুরু করে টাইগাররা। বাংলাদেশের হয়ে ওপেনিংয়ে আসেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই ১০ রান সংগ্রহ করে নেয় টাইগাররা। দলীয় ২.৩ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ২৭ রান। তবে ওই ২৭ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ৪ রানে শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে শামায়েল হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ। সাইফ আউট হলে ক্রিজে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
শান্ত ও তানজিদের ব্যাটে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। প্রথম পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলে নেয় ৮১ রান। পাওয়ার প্লের পর দলীয় ১০৯ রানে শান্তর উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৩৩ বলে ২৭ রানে ওয়াসিমের বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শান্ত।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পেল বাংলাদেশ। ব্যাটিং ও বোলিংয়ে নজরকাড়া পারফরম্যান্সে সিরিজ শুরু করল টাইগাররা।
আজ বুধবার (১১ মার্চ) সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের দেওয়া মাত্র ১১৪ রানের জবাবে ব্যাট হাতে আক্রমণাত্মক শুরু করে টাইগাররা। বাংলাদেশের হয়ে ওপেনিংয়ে আসেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই ১০ রান সংগ্রহ করে নেয় টাইগাররা। দলীয় ২.৩ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ২৭ রান। তবে ওই ২৭ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ৪ রানে শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে শামায়েল হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ। সাইফ আউট হলে ক্রিজে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
শান্ত ও তানজিদের ব্যাটে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। প্রথম পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলে নেয় ৮১ রান। পাওয়ার প্লের পর দলীয় ১০৯ রানে শান্তর উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৩৩ বলে ২৭ রানে ওয়াসিমের বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শান্ত।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২১:২৬
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫০
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪১
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯