প্যাসিফিকে দু’দিন ব্যাপি বিসিবি কনফারেন্স শেষে এবং বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলার কথা ছিল বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের। কিন্তু উপস্থিত সাংবাদিকরা তা না করে ফিরে যান নিজ নিজ গন্তব্যে।
তারও আগে ওই কনফারেন্সের শেষ দিনটি ছিল ১০ নভেম্বর; বাংলাদেশের টেস্ট অভিষেকের দিন। ২৫ বছর আগে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে টেস্ট খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ।
বিসিবি কনফারেন্সের শেষ দিন ১০ নভেম্বর পড়ে যাওয়ায় সেই দিনটি সাংবাদিকদের সাথে মিলেমিশে উপভোগ করার আগাম ঘোষণা দিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি। আগের দিন নিজের বক্তব্যে তেমনটাই জানিয়েছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন, ১০ নভেম্বর বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
কিন্তু পরদিন (১০ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলন কভার করতে এসে সাংবাদিকরা সোনারগাঁও প্যান প্যাসিফিকের লবিতেও ঢুকে পারেননি। এক থেকে দেড় ঘণ্টার মত বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাংবাদিকরা। এক বোতল পানিও পাননি কেউ।
শেষ পর্যন্ত ক্ষোভে, দুঃখে এবং হতাশায় তারা আর বিসিবি প্রধানের সংবাদ সম্মেলন কভার করেননি। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি।
৪৮ ঘণ্টা পর সেই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আজ বুধবার বিকেলে এক ভিডিও বার্তায় সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি।
ভিডিও বার্তায় বুলবুল যা বলেছেন, তা হলো- ‘আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত সাংবাদিক ভাই এবং বোনেরা। গত দশই নভেম্বর একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গিয়েছিল। আমরা বাংলাদেশ ক্রিকেট কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিনের সমাপনী অনুষ্ঠান এবং বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিলাম। আমি নিজে আপনাদেরকে সেখানে দাওয়াত দিয়েছিলাম। যদিও অনুষ্ঠান শেষ হতে কিছুটা সময় লেগে গিয়েছিল, যখন বাইরে এসে দেখলাম যে আপনাদেরকে যথাযথ সম্মান জানানো হয়নি এবং আমন্ত্রণ জানানোর পরও আমন্ত্রণ রক্ষা করার যে সৌজন্যতা আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের বা আমার কাজ ছিল, তাতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আপনাদের কাছে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’
‘তবে এটাও আপনাদেরকে কথা দিচ্ছি যে, আমাদের কোন বিভাগের কারণে এই ব্যর্থতাটি এসেছে, সেটা আমরা তদন্ত করব এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেব। আমরা আপনাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি, এই জন্য যে আপনারা এই ক্রিকেটের উন্নয়ন ও এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম বড় অংশীদার। ভুল আমরা করেছি। ভবিষ্যতে আমরা চেষ্টা করব এ ধরনের ভুল যেন আর না হয়।’
‘আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন। আমরা সকলে মিলে ক্রিকেটকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। সবসময় যেভাবে আপনারা আমাদেরকে সাহায্য করেছেন, আশা করছি সেভাবে শুধু সাহায্যই করবেন না, আমাদের পথের জার্নির একটি অংশ হয়ে থাকবেন। আপনাদের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ। আসসালামু আলাইকুম।’

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৪১
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল থেকে অবসর নিলেন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চকে বিদায়ের ঘোষণা দিলেন তিনি।
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল থেকে অবসর নিলেন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চকে বিদায়ের ঘোষণা দিলেন তিনি।
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:২২
আরও একবার জালের দেখা পেলেন লিওনেল মেসি। তবুও হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি ইন্টার মিয়ামি। মেজর লিগ সকারে ঘরের মাঠ নিউ স্টেডিয়ামে টরন্টো এফসির কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে গেছে বেকহ্যামদের দল। এই নিয়ে লিগে টানা তিন ম্যাচে জয়ের মুখ দেখলো না মিয়ামি।
বিশ্বকাপ বিরতি কাটিয়ে ফেরার পর মিয়ামির ফর্ম গ্রাফ নিম্নমুখী। ২২ জুলাই থেকে ৯ টি ম্যাচ খেলে ৩ জয়ের বিপরীতে ড্র দুটি, পরাজয় ৪টি। টানা দুই পরাজয়ে লিগস কাপ থেকে বিদায় হয়েছে তাদের।
এমএলএসের ৬ ম্যাচে শনিবারের পরাজয় তাদের দ্বিতীয়। সব মিলিয়ে ৮ আগস্ট থেকে চতুর্থ পরাজয় এটি। এতে এমএলএসের দ্বিতীয় স্হানে থাকলেও ২১ ম্যাচে পয়েন্ট দাড়িয়েছে ৩৯, যা ন্যাশভিলের চেয়ে পয়েন্ট কম।
শনিবার ম্যাচের প্রথমার্ধে অবশ্য রক্ষণভাগ সামলে রেখেছিল স্বাগতিকরা। ফলে কোনো দলই জালের দেখা না পাওয়ায় ০-০ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। দ্বিতীয় রাউন্ডে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। দুর্বল ডিফেন্সের সুযোগ নিয়ে ম্যাচের ৫৯ মিনিটে প্রথম গোল করে টরন্টোকে এগিয়ে দেন জোশ সার্জেন্ট। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ৬২ মিনিটে ডেরেক ইতিয়েন জুনিয়রের গোল মিয়ামিকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়।
ম্যাচের শেষভাগে এসে ৮২ মিনিটে গোল পান মেসি। এটি বিশ্বকাপ পরবর্তী ক্লাব ফুটবলে মেসির পঞ্চম গোল। তবে মেসির এই গোলটি কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে, দলের হার এড়াতে পারেনি।
এই হারে শিরোপার দৌড়ে আরও পিছিয়ে গেল মিয়ামি। এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সে ২১ ম্যাচে ১১ জয় ও ৬ ড্রয়ে তাদের সংগ্রহ ৩৯ পয়েন্ট। সমান ম্যাচ খেলে ১০ পয়েন্টে এগিয়ে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিল।
আরও একবার জালের দেখা পেলেন লিওনেল মেসি। তবুও হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি ইন্টার মিয়ামি। মেজর লিগ সকারে ঘরের মাঠ নিউ স্টেডিয়ামে টরন্টো এফসির কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে গেছে বেকহ্যামদের দল। এই নিয়ে লিগে টানা তিন ম্যাচে জয়ের মুখ দেখলো না মিয়ামি।
বিশ্বকাপ বিরতি কাটিয়ে ফেরার পর মিয়ামির ফর্ম গ্রাফ নিম্নমুখী। ২২ জুলাই থেকে ৯ টি ম্যাচ খেলে ৩ জয়ের বিপরীতে ড্র দুটি, পরাজয় ৪টি। টানা দুই পরাজয়ে লিগস কাপ থেকে বিদায় হয়েছে তাদের।
এমএলএসের ৬ ম্যাচে শনিবারের পরাজয় তাদের দ্বিতীয়। সব মিলিয়ে ৮ আগস্ট থেকে চতুর্থ পরাজয় এটি। এতে এমএলএসের দ্বিতীয় স্হানে থাকলেও ২১ ম্যাচে পয়েন্ট দাড়িয়েছে ৩৯, যা ন্যাশভিলের চেয়ে পয়েন্ট কম।
শনিবার ম্যাচের প্রথমার্ধে অবশ্য রক্ষণভাগ সামলে রেখেছিল স্বাগতিকরা। ফলে কোনো দলই জালের দেখা না পাওয়ায় ০-০ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। দ্বিতীয় রাউন্ডে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। দুর্বল ডিফেন্সের সুযোগ নিয়ে ম্যাচের ৫৯ মিনিটে প্রথম গোল করে টরন্টোকে এগিয়ে দেন জোশ সার্জেন্ট। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ৬২ মিনিটে ডেরেক ইতিয়েন জুনিয়রের গোল মিয়ামিকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়।
ম্যাচের শেষভাগে এসে ৮২ মিনিটে গোল পান মেসি। এটি বিশ্বকাপ পরবর্তী ক্লাব ফুটবলে মেসির পঞ্চম গোল। তবে মেসির এই গোলটি কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে, দলের হার এড়াতে পারেনি।
এই হারে শিরোপার দৌড়ে আরও পিছিয়ে গেল মিয়ামি। এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সে ২১ ম্যাচে ১১ জয় ও ৬ ড্রয়ে তাদের সংগ্রহ ৩৯ পয়েন্ট। সমান ম্যাচ খেলে ১০ পয়েন্টে এগিয়ে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিল।

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৪৯
মালয়েশিয়াকে মাত্র ৬৯ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল এইচপি দল।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ওপেনার জাওয়াদ আবরারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালো হলেও মাঝের দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে এইচপি। শেষ দিকে অধিনায়ক এস এম মেহেরব হোসেনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
জাওয়াদ ১৮ বলে ২৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন। এরপর আরিফুল ইসলাম ১২ বলে ১৫ রান করেন। ১২ বলে ১৪ রান করেন সাব্বির। ২৬ বলে ৩২ রান করেন সাকলাইন। শেষ দিকে মেহেরব ২২ বলে ৪০ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলে শেষ ওভারের আগেই ফেরেন এইচপি অধিনায়ক। মালয়েশিয়ার হয়ে বিজয় উনি নেন ৩ উইকেট।
জয়ের জন্য ১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মালয়েশিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই নাজমুল সাকিবকে বোল্ড করে ফেরান আবু হায়দার রনি। এরপর আসলাম খান বিন মালিকও ৫ বলে কোনো রান না করে ফিরে গেলে চাপে পড়ে সফরকারীরা।
তিন নম্বরে নেমে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন আহমেদ আকীল ওয়াহিদ। ২৫ বলে ২৯ রান করেন তিনি। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় মালয়েশিয়ার রান তোলার গতি থেমে যায়। ১০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ছিল মাত্র ৪২ রান।
এরপর মোহাম্মদ আমির আজিম ও বিজয় উনি কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। বিজয় ১৫ বলে ১৪ রান করে আবদুল গাফফার সাকলাইনের শিকার হন। আর আমির আজিম ২২ বলে ১৫ রান করে ফেরেন মোহাম্মদ রুবেল হাসানের বলে। ৬৩ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় মালয়েশিয়া। শেষ পর্যন্ত ১৬ ওভারে মাত্র ৬৯ রানে অলআউট হয় তারা। ফলে ৮৯ রানের বড় জয় পায় বাংলাদেশ এইচপি।
সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি আগামী ১০ আগস্ট, সোমবার, মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে।
মালয়েশিয়াকে মাত্র ৬৯ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল এইচপি দল।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ওপেনার জাওয়াদ আবরারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালো হলেও মাঝের দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে এইচপি। শেষ দিকে অধিনায়ক এস এম মেহেরব হোসেনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
জাওয়াদ ১৮ বলে ২৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন। এরপর আরিফুল ইসলাম ১২ বলে ১৫ রান করেন। ১২ বলে ১৪ রান করেন সাব্বির। ২৬ বলে ৩২ রান করেন সাকলাইন। শেষ দিকে মেহেরব ২২ বলে ৪০ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলে শেষ ওভারের আগেই ফেরেন এইচপি অধিনায়ক। মালয়েশিয়ার হয়ে বিজয় উনি নেন ৩ উইকেট।
জয়ের জন্য ১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মালয়েশিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই নাজমুল সাকিবকে বোল্ড করে ফেরান আবু হায়দার রনি। এরপর আসলাম খান বিন মালিকও ৫ বলে কোনো রান না করে ফিরে গেলে চাপে পড়ে সফরকারীরা।
তিন নম্বরে নেমে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন আহমেদ আকীল ওয়াহিদ। ২৫ বলে ২৯ রান করেন তিনি। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় মালয়েশিয়ার রান তোলার গতি থেমে যায়। ১০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ছিল মাত্র ৪২ রান।
এরপর মোহাম্মদ আমির আজিম ও বিজয় উনি কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। বিজয় ১৫ বলে ১৪ রান করে আবদুল গাফফার সাকলাইনের শিকার হন। আর আমির আজিম ২২ বলে ১৫ রান করে ফেরেন মোহাম্মদ রুবেল হাসানের বলে। ৬৩ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় মালয়েশিয়া। শেষ পর্যন্ত ১৬ ওভারে মাত্র ৬৯ রানে অলআউট হয় তারা। ফলে ৮৯ রানের বড় জয় পায় বাংলাদেশ এইচপি।
সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি আগামী ১০ আগস্ট, সোমবার, মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে।

১২ নভেম্বর, ২০২৫ ১৮:০৯
প্যাসিফিকে দু’দিন ব্যাপি বিসিবি কনফারেন্স শেষে এবং বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলার কথা ছিল বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের। কিন্তু উপস্থিত সাংবাদিকরা তা না করে ফিরে যান নিজ নিজ গন্তব্যে।
তারও আগে ওই কনফারেন্সের শেষ দিনটি ছিল ১০ নভেম্বর; বাংলাদেশের টেস্ট অভিষেকের দিন। ২৫ বছর আগে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে টেস্ট খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ।
বিসিবি কনফারেন্সের শেষ দিন ১০ নভেম্বর পড়ে যাওয়ায় সেই দিনটি সাংবাদিকদের সাথে মিলেমিশে উপভোগ করার আগাম ঘোষণা দিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি। আগের দিন নিজের বক্তব্যে তেমনটাই জানিয়েছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন, ১০ নভেম্বর বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
কিন্তু পরদিন (১০ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলন কভার করতে এসে সাংবাদিকরা সোনারগাঁও প্যান প্যাসিফিকের লবিতেও ঢুকে পারেননি। এক থেকে দেড় ঘণ্টার মত বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাংবাদিকরা। এক বোতল পানিও পাননি কেউ।
শেষ পর্যন্ত ক্ষোভে, দুঃখে এবং হতাশায় তারা আর বিসিবি প্রধানের সংবাদ সম্মেলন কভার করেননি। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি।
৪৮ ঘণ্টা পর সেই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আজ বুধবার বিকেলে এক ভিডিও বার্তায় সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি।
ভিডিও বার্তায় বুলবুল যা বলেছেন, তা হলো- ‘আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত সাংবাদিক ভাই এবং বোনেরা। গত দশই নভেম্বর একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গিয়েছিল। আমরা বাংলাদেশ ক্রিকেট কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিনের সমাপনী অনুষ্ঠান এবং বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিলাম। আমি নিজে আপনাদেরকে সেখানে দাওয়াত দিয়েছিলাম। যদিও অনুষ্ঠান শেষ হতে কিছুটা সময় লেগে গিয়েছিল, যখন বাইরে এসে দেখলাম যে আপনাদেরকে যথাযথ সম্মান জানানো হয়নি এবং আমন্ত্রণ জানানোর পরও আমন্ত্রণ রক্ষা করার যে সৌজন্যতা আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের বা আমার কাজ ছিল, তাতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আপনাদের কাছে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’
‘তবে এটাও আপনাদেরকে কথা দিচ্ছি যে, আমাদের কোন বিভাগের কারণে এই ব্যর্থতাটি এসেছে, সেটা আমরা তদন্ত করব এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেব। আমরা আপনাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি, এই জন্য যে আপনারা এই ক্রিকেটের উন্নয়ন ও এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম বড় অংশীদার। ভুল আমরা করেছি। ভবিষ্যতে আমরা চেষ্টা করব এ ধরনের ভুল যেন আর না হয়।’
‘আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন। আমরা সকলে মিলে ক্রিকেটকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। সবসময় যেভাবে আপনারা আমাদেরকে সাহায্য করেছেন, আশা করছি সেভাবে শুধু সাহায্যই করবেন না, আমাদের পথের জার্নির একটি অংশ হয়ে থাকবেন। আপনাদের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ। আসসালামু আলাইকুম।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬