
২২ জুলাই, ২০২৫ ১২:৩৬
২০২৪ এর বন্যায় ফেনীবাসীর জন্য টিএসসিতে তোলা ত্রাণের টাকা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা দেখা গেছে। এনিয়ে সোমবার (২১ জুলাই) রাতে ফেনী সফরকালে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের তৎকালীন সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে প্রশ্ন করেন গণমাধ্যমকর্মীরা। এসময় শুরুতে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে না চাইলেও এক পর্যায়ে সার্কিট হাউজের প্রবেশমুখে গাড়ি থেকে নেমে এ প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি।
টিএসসির গণ-ত্রাণ কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি এক বছর আগের আলাপ। টিএসসিতে আমাদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণের যত টাকা ওঠানো হয়েছিল তা আন্তর্জাতিক একটি ফার্মের মাধ্যমে অডিট করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। পাই টু পাই টাকা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যে ফান্ড রয়েছে সেখানে জমা দিয়েছি।
কারণ এখানে কাজ করার মতো আমাদের সেই লজিস্টিক ও জনবল ছিল না। এগুলো গত আগস্ট-সেপ্টেম্বরের কথা। এর আগে এমন কাজ করার অভিজ্ঞতাও আমাদের নেই। এতে টাকাগুলোর অপব্যবহার হতে পারতো। এ টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতের জন্য সরকারের ফান্ডে দেওয়া হয়েছে। কারণ তাদের জনবল, দপ্তর ও নির্দেশনার ধারাবাহিকতা রয়েছে।
ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করার কথা বলে সারজিস আলম বলেন, আমরা যদি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি মন্ত্রণালয়ের ওপর আস্থা না রাখি তাহলে কার ওপর রাখব? এটিতো আওয়ামী লীগের মন্ত্রণালয় না।
এটি অভ্যুত্থান পরবর্তী ড. ইউনূসের মন্ত্রণালয়। এখন প্রশ্নটি কাকে করবেন। এই প্রশ্ন করবেন ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের যেই উপদেষ্টা রয়েছে তাকে। জিজ্ঞেস করবেন, আপনাদের অভ্যুত্থান পরবর্তী যে ছাত্ররা নেতৃত্ব দিয়ে আন্দোলন করেছে তারা ৯ কোটি বা যে টাকা দিয়েছে সেখান থেকে আপনি ফেনীর জন্য কত টাকা খরচ করেছেন, কত টাকা করেননি এটির হিসাব দেন।
এনসিপির কেন্দ্রীয় এ নেতা আরও বলেন, সামনে আরও বেশি পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। এটির জন্য লজিস্টিক সাপোর্টসহ যা যা তৈরি করা প্রয়োজন সেটি আপনারা আপনাদের জায়গা থেকে বুঝে নেবেন। আমরা ফেনীর সচেতন নাগরিক সমাজকে অনুরোধ করবো, আপনারা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে এটি জানতে চাইবেন। ইতোমধ্যে আমাদের পক্ষ থেকে ফেনীর যারা কেন্দ্রীয় কমিটিতে রয়েছে তাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তারা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের যিনি উপদেষ্টা তার সঙ্গে কথা বলে ওই টাকা খরচ করা হয়েছে কি না খবর নেবেন। যদি না হয় কেন হয়নি বা যদি এর বেশি হয় তাহলে সেই খরচের বিস্তারিত বিবরণ যেন ফেনীর মানুষের কাছে উপস্থাপন করেন সেই বিষয়ে বলবেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে সারজিস আলম বলেন, মিডিয়া কখনো ব্যক্তি, দল, গোষ্ঠী বা কারো পক্ষের হয়েই কথা বলবেন না। পেশাদারিত্ব বজায় রাখবেন। বাংলাদেশে আপনি যদি ফেরেশতাও হন, তারপরও কিছু লোক আছে যারা আপনাকে শয়তানের তকমা দিবে। কারণ এখানে তার ব্যক্তিস্বার্থ ও ব্যক্তি উদ্দেশ্য রয়েছে।
২০২৪ এর বন্যায় ফেনীবাসীর জন্য টিএসসিতে তোলা ত্রাণের টাকা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা দেখা গেছে। এনিয়ে সোমবার (২১ জুলাই) রাতে ফেনী সফরকালে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের তৎকালীন সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে প্রশ্ন করেন গণমাধ্যমকর্মীরা। এসময় শুরুতে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে না চাইলেও এক পর্যায়ে সার্কিট হাউজের প্রবেশমুখে গাড়ি থেকে নেমে এ প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি।
টিএসসির গণ-ত্রাণ কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি এক বছর আগের আলাপ। টিএসসিতে আমাদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণের যত টাকা ওঠানো হয়েছিল তা আন্তর্জাতিক একটি ফার্মের মাধ্যমে অডিট করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। পাই টু পাই টাকা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যে ফান্ড রয়েছে সেখানে জমা দিয়েছি।
কারণ এখানে কাজ করার মতো আমাদের সেই লজিস্টিক ও জনবল ছিল না। এগুলো গত আগস্ট-সেপ্টেম্বরের কথা। এর আগে এমন কাজ করার অভিজ্ঞতাও আমাদের নেই। এতে টাকাগুলোর অপব্যবহার হতে পারতো। এ টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতের জন্য সরকারের ফান্ডে দেওয়া হয়েছে। কারণ তাদের জনবল, দপ্তর ও নির্দেশনার ধারাবাহিকতা রয়েছে।
ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করার কথা বলে সারজিস আলম বলেন, আমরা যদি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি মন্ত্রণালয়ের ওপর আস্থা না রাখি তাহলে কার ওপর রাখব? এটিতো আওয়ামী লীগের মন্ত্রণালয় না।
এটি অভ্যুত্থান পরবর্তী ড. ইউনূসের মন্ত্রণালয়। এখন প্রশ্নটি কাকে করবেন। এই প্রশ্ন করবেন ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের যেই উপদেষ্টা রয়েছে তাকে। জিজ্ঞেস করবেন, আপনাদের অভ্যুত্থান পরবর্তী যে ছাত্ররা নেতৃত্ব দিয়ে আন্দোলন করেছে তারা ৯ কোটি বা যে টাকা দিয়েছে সেখান থেকে আপনি ফেনীর জন্য কত টাকা খরচ করেছেন, কত টাকা করেননি এটির হিসাব দেন।
এনসিপির কেন্দ্রীয় এ নেতা আরও বলেন, সামনে আরও বেশি পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। এটির জন্য লজিস্টিক সাপোর্টসহ যা যা তৈরি করা প্রয়োজন সেটি আপনারা আপনাদের জায়গা থেকে বুঝে নেবেন। আমরা ফেনীর সচেতন নাগরিক সমাজকে অনুরোধ করবো, আপনারা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে এটি জানতে চাইবেন। ইতোমধ্যে আমাদের পক্ষ থেকে ফেনীর যারা কেন্দ্রীয় কমিটিতে রয়েছে তাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তারা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের যিনি উপদেষ্টা তার সঙ্গে কথা বলে ওই টাকা খরচ করা হয়েছে কি না খবর নেবেন। যদি না হয় কেন হয়নি বা যদি এর বেশি হয় তাহলে সেই খরচের বিস্তারিত বিবরণ যেন ফেনীর মানুষের কাছে উপস্থাপন করেন সেই বিষয়ে বলবেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে সারজিস আলম বলেন, মিডিয়া কখনো ব্যক্তি, দল, গোষ্ঠী বা কারো পক্ষের হয়েই কথা বলবেন না। পেশাদারিত্ব বজায় রাখবেন। বাংলাদেশে আপনি যদি ফেরেশতাও হন, তারপরও কিছু লোক আছে যারা আপনাকে শয়তানের তকমা দিবে। কারণ এখানে তার ব্যক্তিস্বার্থ ও ব্যক্তি উদ্দেশ্য রয়েছে।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৭
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
এর প্রভাবে গত কয়েকদিনে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৭৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ২৬টি ফ্লাইট।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ কুয়েত এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরার (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএইউ) ২টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, ফ্লাইদুবাই ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি ১১ মার্চ ২৭টি, ১২মার্চ ২৮টি ও ১৩মার্চ ২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
এর প্রভাবে গত কয়েকদিনে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৭৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ২৬টি ফ্লাইট।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ কুয়েত এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরার (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএইউ) ২টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, ফ্লাইদুবাই ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি ১১ মার্চ ২৭টি, ১২মার্চ ২৮টি ও ১৩মার্চ ২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১২
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি জাতীয় সংসদের ফ্লোরে আলোচনায় উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (১৪ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশন কতদিন চলবে, কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হবে, কী কী আইন উত্থাপন করা হবে এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর কত ঘণ্টা আলোচনা হবে—এসব বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, ১৫ মার্চের অধিবেশন শেষে সংসদ মুলতবি হয়ে ঈদের পর ২৯ মার্চ আবার বসবে। এরপর এপ্রিল মাসজুড়ে সংসদের অধিবেশন চলবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো একটি বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন আকারে তা সংসদে উত্থাপন করা হবে।
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি জাতীয় সংসদের ফ্লোরে আলোচনায় উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (১৪ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশন কতদিন চলবে, কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হবে, কী কী আইন উত্থাপন করা হবে এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর কত ঘণ্টা আলোচনা হবে—এসব বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, ১৫ মার্চের অধিবেশন শেষে সংসদ মুলতবি হয়ে ঈদের পর ২৯ মার্চ আবার বসবে। এরপর এপ্রিল মাসজুড়ে সংসদের অধিবেশন চলবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো একটি বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন আকারে তা সংসদে উত্থাপন করা হবে।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২২
ফেনীতে ১ লাখ ২৫ হাজার জাল টাকাসহ মো. ফারুক আহম্মদ ভূঁইয়া নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ জাল টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে ফেনী মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম।
আটক ফারুক আহম্মেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার জিয়াসার গ্রামের মৃত মো. আলী আহম্মদ ভূঁইয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে ফেনী শহরতলীর রানীরহাট এলাকায় জাল টাকা দিয়ে বাজারে কেনাকাটার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হলে ফারুককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলার দাগনভূঞা উপজেলায় তার ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার জাল নোট, একটি কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ জাল টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক জাল টাকা তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম বলেন, আটক ফারুক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে, কম্পিউটার দোকানে কাজ শেখার সুবাদে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের আশায় সে জাল টাকা ছাপানোর কাজে জড়িয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে সে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু জাল টাকা বাজারে ছেড়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।
ফেনীতে ১ লাখ ২৫ হাজার জাল টাকাসহ মো. ফারুক আহম্মদ ভূঁইয়া নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ জাল টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে ফেনী মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম।
আটক ফারুক আহম্মেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার জিয়াসার গ্রামের মৃত মো. আলী আহম্মদ ভূঁইয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে ফেনী শহরতলীর রানীরহাট এলাকায় জাল টাকা দিয়ে বাজারে কেনাকাটার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হলে ফারুককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলার দাগনভূঞা উপজেলায় তার ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার জাল নোট, একটি কম্পিউটার, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ জাল টাকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক জাল টাকা তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম বলেন, আটক ফারুক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে, কম্পিউটার দোকানে কাজ শেখার সুবাদে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের আশায় সে জাল টাকা ছাপানোর কাজে জড়িয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে সে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু জাল টাকা বাজারে ছেড়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.