বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ বিষয়ে সাংবিধানিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ-সংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি করে এ পর্যবেক্ষণ দেন।
ইশরাক হোসেনের আইনজীবী বলেন, শপথ বিষয়ে এখন সাংবিধানিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলে জানিয়েছেন আদালত।
এর আগে, ইশরাকের মেয়র ইস্যুতে করা মামলা নিয়ে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা উদ্বেগজনক বলেও জানান আপিল বিভাগ।
এদিকে, বুধবার (২৮ মে) বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানো না পড়ানো ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বক্তব্য শুনবেন বলে জানিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে ইশরাকের শপথ বিষয়ে লিভ টু আপিলের শুনানি হয়।
এ সময় নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের রায়ের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেন রিটকারীর আইনজীবী। পাল্টা জবাবে ইশরাকের আইনজীবী জানান, আদালতের রায়ের আলোকে গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে না বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৪৯
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘরে রাখা হয়েছিল। পরে তাকে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। শনিবার (১ আগস্ট) টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা এখনও গুম-খুনের শিকার প্রায় আড়াই শতাধিক ব্যক্তির সন্ধান পাইনি। তার মধ্যে ইলিয়াস আলী ও সাজেদুল ইসলাম সুমন অন্যতম।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, তারা আজ যে আয়নাঘর পরিদর্শন করেছেন, সেখানে ভু্তেভোগীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশিম আরমান। তার বর্ণনা থেকে যে রুমটি অনুমান করেছি, সেটিও দেখেছি।
যাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি, তারা কোথায় কী অবস্থায় আছে সেটি সংশ্লিষ্টরা জানেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মো. আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা বিভিন্ন বর্ণনা, সাক্ষী ও তদন্ত থেকে পেয়েছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে এই র্যাব-১’র যে আয়নাঘর সেখানে কোনো একটি কামরায় রাখা হয়েছিল। পরে ভারতে নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেটাও আমরা প্রাথমিক তদন্তে পেয়েছি। এখানে মোট ২৯টি রুম। কী কারণে এগুলো বানানো হয়েছে এটা অবশই সংশ্লিষ্ট আসামিদের ব্যাখ্যা দিতে হবে।
র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা আয়নাঘর পরিদর্শন করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১’র চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী, চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদীসহ প্রসিকিউশন টিম ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
উপস্থিত ছিলেন গুম কমিশনের সদস্য নুর খান লিটন ও গুমের শিকার সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম তুলি। শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ সদর দপ্তরে থাকা গোপন এ বন্দিশালা পরিদর্শন করেন।
এরআগে গত ২১ জুলাই প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেন ট্রাইব্যুনাল-১। ওইদিন র্যাব, ডিজিএফআই ও ডিবির গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘরে রাখা হয়েছিল। পরে তাকে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। শনিবার (১ আগস্ট) টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা এখনও গুম-খুনের শিকার প্রায় আড়াই শতাধিক ব্যক্তির সন্ধান পাইনি। তার মধ্যে ইলিয়াস আলী ও সাজেদুল ইসলাম সুমন অন্যতম।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, তারা আজ যে আয়নাঘর পরিদর্শন করেছেন, সেখানে ভু্তেভোগীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশিম আরমান। তার বর্ণনা থেকে যে রুমটি অনুমান করেছি, সেটিও দেখেছি।
যাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি, তারা কোথায় কী অবস্থায় আছে সেটি সংশ্লিষ্টরা জানেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মো. আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা বিভিন্ন বর্ণনা, সাক্ষী ও তদন্ত থেকে পেয়েছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে এই র্যাব-১’র যে আয়নাঘর সেখানে কোনো একটি কামরায় রাখা হয়েছিল। পরে ভারতে নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেটাও আমরা প্রাথমিক তদন্তে পেয়েছি। এখানে মোট ২৯টি রুম। কী কারণে এগুলো বানানো হয়েছে এটা অবশই সংশ্লিষ্ট আসামিদের ব্যাখ্যা দিতে হবে।
র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা আয়নাঘর পরিদর্শন করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১’র চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী, চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদীসহ প্রসিকিউশন টিম ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
উপস্থিত ছিলেন গুম কমিশনের সদস্য নুর খান লিটন ও গুমের শিকার সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম তুলি। শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ সদর দপ্তরে থাকা গোপন এ বন্দিশালা পরিদর্শন করেন।
এরআগে গত ২১ জুলাই প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেন ট্রাইব্যুনাল-১। ওইদিন র্যাব, ডিজিএফআই ও ডিবির গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর।’

৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৮
জুলাই গণঅভ্যুথানের মুখে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করলেই তাকে আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
পলাতক প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার সম্ভাব্য ঘোষণার প্রসঙ্গ তুলে সাংবাদিকরা জানতে চান, তিনি দেশে ফিরলে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে।
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রত্যর্পণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে। তবে শেখ হাসিনা কীভাবে দেশে ফিরবেন, সেটি তার বিষয়। বাংলাদেশের আইনগত এখতিয়ারের মধ্যে প্রবেশ করলেই প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, তিনি কীভাবে আসবেন, সেটা তার বিষয়। কিন্তু আমাদের এখতিয়ারের মধ্যে প্রবেশ করলে আইন আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছে, সেই ক্ষমতাই প্রয়োগ করা হবে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন খতিয়ে দেখবে সরকার >> আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংস্থাটি যেসব পর্যবেক্ষণ বা অভিযোগ উত্থাপন করেছে, সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, অভিযোগ বা পর্যবেক্ষণ থাকলে তা আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই করা সরকারের দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে চায়।
বাগেরহাটের মিরাজ শেখকে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং তার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী >> রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। তাই আপাতত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে।
এর আগে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির (সেলপ) মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন খতিয়ে দেখবে সরকার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংস্থাটি যেসব পর্যবেক্ষণ বা অভিযোগ উত্থাপন করেছে, সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, অভিযোগ বা পর্যবেক্ষণ থাকলে তা আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই করা সরকারের দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে চায়।
বাগেরহাটের মিরাজ শেখকে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং তার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। তাই আপাতত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে।
এর আগে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির (সেলপ) মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।'
জুলাই গণঅভ্যুথানের মুখে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করলেই তাকে আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
পলাতক প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার সম্ভাব্য ঘোষণার প্রসঙ্গ তুলে সাংবাদিকরা জানতে চান, তিনি দেশে ফিরলে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে।
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রত্যর্পণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে। তবে শেখ হাসিনা কীভাবে দেশে ফিরবেন, সেটি তার বিষয়। বাংলাদেশের আইনগত এখতিয়ারের মধ্যে প্রবেশ করলেই প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, তিনি কীভাবে আসবেন, সেটা তার বিষয়। কিন্তু আমাদের এখতিয়ারের মধ্যে প্রবেশ করলে আইন আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছে, সেই ক্ষমতাই প্রয়োগ করা হবে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন খতিয়ে দেখবে সরকার >> আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংস্থাটি যেসব পর্যবেক্ষণ বা অভিযোগ উত্থাপন করেছে, সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, অভিযোগ বা পর্যবেক্ষণ থাকলে তা আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই করা সরকারের দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে চায়।
বাগেরহাটের মিরাজ শেখকে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং তার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী >> রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। তাই আপাতত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে।
এর আগে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির (সেলপ) মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন খতিয়ে দেখবে সরকার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংস্থাটি যেসব পর্যবেক্ষণ বা অভিযোগ উত্থাপন করেছে, সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, অভিযোগ বা পর্যবেক্ষণ থাকলে তা আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই করা সরকারের দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে চায়।
বাগেরহাটের মিরাজ শেখকে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং তার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। তাই আপাতত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে।
এর আগে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির (সেলপ) মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।'

২২ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫৪
নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) বিকাল ৪টায় রাজধানীর মিন্টো রোডস্থ বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সংগঠনের আমীর শফিকুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই জরুরি বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্যকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের পর জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি সাংগঠনিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে তার নৈতিক স্খলনের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবহিত করা হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
এদিকে জামায়াত নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানানোর পর আইনি প্রক্রিয়ায় তার সংসদ সদস্য (এমপি) পদ বাতিল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) বিকাল ৪টায় রাজধানীর মিন্টো রোডস্থ বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সংগঠনের আমীর শফিকুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই জরুরি বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্যকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের পর জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি সাংগঠনিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে তার নৈতিক স্খলনের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবহিত করা হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
এদিকে জামায়াত নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানানোর পর আইনি প্রক্রিয়ায় তার সংসদ সদস্য (এমপি) পদ বাতিল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

২৯ মে, ২০২৫ ১৬:০০
বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ বিষয়ে সাংবিধানিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ-সংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি করে এ পর্যবেক্ষণ দেন।
ইশরাক হোসেনের আইনজীবী বলেন, শপথ বিষয়ে এখন সাংবিধানিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলে জানিয়েছেন আদালত।
এর আগে, ইশরাকের মেয়র ইস্যুতে করা মামলা নিয়ে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা উদ্বেগজনক বলেও জানান আপিল বিভাগ।
এদিকে, বুধবার (২৮ মে) বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানো না পড়ানো ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বক্তব্য শুনবেন বলে জানিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে ইশরাকের শপথ বিষয়ে লিভ টু আপিলের শুনানি হয়।
এ সময় নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের রায়ের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেন রিটকারীর আইনজীবী। পাল্টা জবাবে ইশরাকের আইনজীবী জানান, আদালতের রায়ের আলোকে গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে না বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
০৭ আগস্ট, ২০২৬ ০০:২৬
০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫৪
০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৪৭
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ২০:২৪