
৩০ মে, ২০২৫ ১৫:৪৪
ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় অধিকাশং নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হলেও রহস্যজনক কারণে ছাত্রলীগ সভাপতি অপুর নাম আসেনি একটিতেও।
অনলাইন জুয়া বা বেটিং সাইট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে। বিশেষ করে দেশের বিভাগ কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠা করে জেলা শহরগুলোতেও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই জিডিটাল জুয়ার বদৌলতে বিভাগীয় শহর বরিশালে কোটিপতি বনে গেছেন শওকত হোসেন অপু নামের নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা। বরিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অপু অর্ধযুগ ধরে এই অঞ্চলে জুয়ার নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অবৈধ উপার্জন দিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ভূ-সম্পত্তি ক্রয় করলেও তাকে আইনি কোনো ঝুটঝামেলায় জড়াতে হয়নি। জুয়া চালিয়ে শুধু অপুই বিত্তশালী বনে যাননি, তার পদঙ্ক অনুসারণ করে বরিশাল শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামরানও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে অর্ধ কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়েছেন।
ছাত্রলীগ নেতা অপু এবং তার সহযোগী কামরানের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন এমন অন্তত ১৫ যুবকের সাথে কথা বলেছে বরিশালটাইমস। তাদের মধ্যেকার একজন রুহুল আমিন, যিনি বরিশাল নৌবন্দর এলাকার হোটেল মালিক ছিলেন। পত্রিশোর্ধ্ব রুহুল আমিন অভিযোগ করেন, রসুলপুরের বাসিন্দা বছর তিনেক পূর্বে অর্থাৎ ২০২২ সালে অপুর সহযোগী কামরান প্রায়শই রাতে তার হোটেলে খেতে যেতেন। তখন রুহুল আমিনকে স্বল্প পুঁজিতে অনলাইনে জুয়া খেলে ব্যাপক অর্থকড়ি লাভ করা সম্ভব প্রলোভন দেখিয়ে একটি সাইটে একাউন্ট খুলে দেন। এবং কামরান তাকে উৎসাহিত করে ১ হাজার টাকা বিনিয়োগও করান।
রুহুল আমিন জানান, সেই ১ হাজার টাকায় কদিন জুয়া খেলার পরে তার একাউন্টে ১৫ হাজার টাকা জমা হয়। কিন্তু সেই জুয়ার অর্থ উত্তোলন করতে গিয়ে ঘটে বিপত্তি। অনেক চেষ্টা করে অবৈধ উপার্জন তুলতে না পেরে রুহুল আমিন ছাত্রলীগ নেতার সহযোগী কামরানের স্মরণাপণ্ন হন। কিন্তু কামরান সেই অর্থ তুলতে সহযোগিতা না করে উল্টো আরও জুয়া খেলার পরামর্শ দেন। এরপর ৬ মাসের ব্যবাধানে রুহুল আমিনের ৮ লক্ষাধিক টাকা এই জুয়ার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা। এতে রুহুল আমিন হোটেলসহ সর্বস্ব হারিয়ে শেষে কামরানের বিরুদ্ধে বাধ্য হয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলাও করেন। সেই মামলায় পুলিশ কামরানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠালেও ওস্তাদ শওকত হোসেন অপু ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে। অবশ্য কোতয়ালি পুলিশ অপুকে ধরতেও বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে শেষ পর্যন্ত আর তার লাগাম টেনে ধরতে পারেনি।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত করেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং হামলা-হামলার শিকার হয়ে অধিকাংশ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী পালিয়ে থাকলেও অনলাইন জুয়ার নিয়ন্ত্রক অপু বরিশাল শহরেই প্রকাশ্যে ঘুরছেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে একটিও মামলা হয়নি, যা নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শোনা যায়। ছাত্রলীগ নেতা অপু গ্রামের বাড়ি নয়ানী ও শ্বশুরবাড়ি বরিশাল নগরীর কাউনিয়া পানির ট্যাংকি কাছাকাছি স্থানে থাকছেন এবং দুটি জায়গা থেকেই জুয়ার সাইট পরিচালনা করছেন।
অনলাইন জুয়া খপ্পরে নিঃস্ব নয়ানী গ্রামের একাধিক যুবক অভিযোগ করেছেন, এই ডিজিটাল জুয়া সম্পর্কে তাদের কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। ছাত্রলীগ সভাপতি অপুর প্রলোভন দেখিয়ে তাদের জুয়ায় অংশগ্রহণ করিয়েছেন এবং তিনিই নয়ানী গ্রামের রিয়াজ ও চরকাউয়া খেয়াঘাটের সুমনের বিকাশের দোকান থেকে অর্থ বিনিয়োগ করে দিয়েছেন। তাছাড়া অপুর দুটি মোবাইল নম্বর (০১৭…….৫৫, ০১৩……..৪৬) থেকেও এই দুটি দোকানের বিকাশ নম্বরে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার লেনদেন করা হয়, যা নিয়ে উভয় দোকানি বরিশালটাইমসের এ প্রতিবেদকের কাছে সরল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। দুই দোকানি জানিয়েছেন, অপু নিজের দুটি ছাড়াও বিভিন্ন নম্বর থেকে প্রতিদিন লেনদেন করেন। কিন্তু এই দেনদেনের সংখ্যা কখনও কখনও লাখ অতিক্রম করে।
নয়ানী গ্রামের একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবক বয়সি অপু ২০২৩ সালে দুর্গাপুর গ্রামে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পাশে একটি কোটি টাকা মূলে ৭৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, তখন এই বিষয়টি জানাজানি হলে তার আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। কিন্তু তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা পর্যায়ের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব হওয়ায় ভূমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে তাতে আর বাধ সাধেনি।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, কাড়িকাড়ি জুয়ার অর্থে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সভাপতি অপু শুধু ভূমি ক্রয়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বিভিন্ন ব্যবসায় লগ্নি করেছেন। এবং চরকাউয়ার অজপাড়াগাঁও নয়ানী গ্রামের নিজের বাসাটিকে বিলাসবহুল করে তুলেছেন, যা নিয়ে পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এখন অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, এত তথ্য-প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অপু অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করেন। এবং এমন ভান ধরেন যে তার ডিজিটাল জুয়া সম্পর্কে কোনো ধারনাই নাই। পরে জুয়ার টাকা কোথায় দেনদেন হয় এবং অবৈধ অর্থ তিনি ভূমি ক্রয় করাসহ কোন কোন ব্যবসায় লগ্নি করেছেন বিস্তারিত শুনে তিনি একপর্যায়ে ভরকে যান। এবং এ প্রতিবেদকের সাথে আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেন। কিন্তু অসৎ চরিত্রের লোকের সাথে আপসরফার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ের দেওয়ার পরে কিছুক্ষণ নিরব থেকে মুঠোফোন সংযোগ বিছিন্ন করে দেন।
সংবাদকর্মীকে নিষিদ্ধছাত্রলীগ নেতার আপসের প্রস্তাবই জানান দেই যে তিনি কোন মাপের জুয়াড়ি। অবশ্য এই ছাত্রলীগ নেতাই যে বরিশাল কেন্দ্রীয় অনলাইন জুয়ার মাস্টারমাইন্ড তা তার সহযোগী কামরানও স্বীকার করেছেন। তবে বর্তমানে অনলাইন জুয়ার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, দাবি করেছেন আরমান।
এই অনলাইন জুয়ার হোতা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শওকত হোসেন অপু এবং তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে জোর দাবি জানিয়েছেন তাদের প্রতারণায় নিঃস্ব যুবকেরা। অবশ্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও কদিন পূর্বে অনলাইন জুয়াড়িদের লাগাম টেনে ধরার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। গত ২৫ মে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব ঘোষণা দিয়েছেন অনলাইনভিত্তিক জুয়ার বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। এরপরে ২৮ মে রাতে বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসনও ডিজিটাল জুয়াড়িদের ধরতে সাইবার ইউনিটসহ মাঠে থাকার বিষয়টি জানিয়েছে। এর আগে, সাইবার স্পেসে জনস্বার্থ রক্ষার উদ্দেশে নতুন সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২০ ধারা অনুসারে জুয়া খেলা এবং জুয়া খেলার সাথে জড়িত সকল কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
তবে অনলাইন জুয়াড়িদের ধরতে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বরিশাল মেট্রোপলিটন মাঠপুলিশের কর্মকর্তাদের। গোয়েন্দা বিভাগের একজন ওসি পদমর্যাদার কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পুলিশ হেডকোয়াটার্স যেহেতু ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছে, এখন তা বরিশালে আসা সময়সাপেক্ষপ বিষয়।
এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় পুলিশের কোনো নির্দেশনা অফিসিয়ালি না আসলেও জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে মাঠপুলিশকে বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা রূপালী বাংলাদেশকে জানান, ডিজিটাল জুয়ার সাথে সম্পৃক্ত সকলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’
ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় অধিকাশং নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হলেও রহস্যজনক কারণে ছাত্রলীগ সভাপতি অপুর নাম আসেনি একটিতেও।
অনলাইন জুয়া বা বেটিং সাইট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে। বিশেষ করে দেশের বিভাগ কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠা করে জেলা শহরগুলোতেও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই জিডিটাল জুয়ার বদৌলতে বিভাগীয় শহর বরিশালে কোটিপতি বনে গেছেন শওকত হোসেন অপু নামের নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা। বরিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অপু অর্ধযুগ ধরে এই অঞ্চলে জুয়ার নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অবৈধ উপার্জন দিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ভূ-সম্পত্তি ক্রয় করলেও তাকে আইনি কোনো ঝুটঝামেলায় জড়াতে হয়নি। জুয়া চালিয়ে শুধু অপুই বিত্তশালী বনে যাননি, তার পদঙ্ক অনুসারণ করে বরিশাল শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামরানও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে অর্ধ কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়েছেন।
ছাত্রলীগ নেতা অপু এবং তার সহযোগী কামরানের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন এমন অন্তত ১৫ যুবকের সাথে কথা বলেছে বরিশালটাইমস। তাদের মধ্যেকার একজন রুহুল আমিন, যিনি বরিশাল নৌবন্দর এলাকার হোটেল মালিক ছিলেন। পত্রিশোর্ধ্ব রুহুল আমিন অভিযোগ করেন, রসুলপুরের বাসিন্দা বছর তিনেক পূর্বে অর্থাৎ ২০২২ সালে অপুর সহযোগী কামরান প্রায়শই রাতে তার হোটেলে খেতে যেতেন। তখন রুহুল আমিনকে স্বল্প পুঁজিতে অনলাইনে জুয়া খেলে ব্যাপক অর্থকড়ি লাভ করা সম্ভব প্রলোভন দেখিয়ে একটি সাইটে একাউন্ট খুলে দেন। এবং কামরান তাকে উৎসাহিত করে ১ হাজার টাকা বিনিয়োগও করান।
রুহুল আমিন জানান, সেই ১ হাজার টাকায় কদিন জুয়া খেলার পরে তার একাউন্টে ১৫ হাজার টাকা জমা হয়। কিন্তু সেই জুয়ার অর্থ উত্তোলন করতে গিয়ে ঘটে বিপত্তি। অনেক চেষ্টা করে অবৈধ উপার্জন তুলতে না পেরে রুহুল আমিন ছাত্রলীগ নেতার সহযোগী কামরানের স্মরণাপণ্ন হন। কিন্তু কামরান সেই অর্থ তুলতে সহযোগিতা না করে উল্টো আরও জুয়া খেলার পরামর্শ দেন। এরপর ৬ মাসের ব্যবাধানে রুহুল আমিনের ৮ লক্ষাধিক টাকা এই জুয়ার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা। এতে রুহুল আমিন হোটেলসহ সর্বস্ব হারিয়ে শেষে কামরানের বিরুদ্ধে বাধ্য হয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলাও করেন। সেই মামলায় পুলিশ কামরানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠালেও ওস্তাদ শওকত হোসেন অপু ছিলেন ধরাছোয়ার বাইরে। অবশ্য কোতয়ালি পুলিশ অপুকে ধরতেও বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে শেষ পর্যন্ত আর তার লাগাম টেনে ধরতে পারেনি।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত করেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং হামলা-হামলার শিকার হয়ে অধিকাংশ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী পালিয়ে থাকলেও অনলাইন জুয়ার নিয়ন্ত্রক অপু বরিশাল শহরেই প্রকাশ্যে ঘুরছেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে একটিও মামলা হয়নি, যা নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শোনা যায়। ছাত্রলীগ নেতা অপু গ্রামের বাড়ি নয়ানী ও শ্বশুরবাড়ি বরিশাল নগরীর কাউনিয়া পানির ট্যাংকি কাছাকাছি স্থানে থাকছেন এবং দুটি জায়গা থেকেই জুয়ার সাইট পরিচালনা করছেন।
অনলাইন জুয়া খপ্পরে নিঃস্ব নয়ানী গ্রামের একাধিক যুবক অভিযোগ করেছেন, এই ডিজিটাল জুয়া সম্পর্কে তাদের কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। ছাত্রলীগ সভাপতি অপুর প্রলোভন দেখিয়ে তাদের জুয়ায় অংশগ্রহণ করিয়েছেন এবং তিনিই নয়ানী গ্রামের রিয়াজ ও চরকাউয়া খেয়াঘাটের সুমনের বিকাশের দোকান থেকে অর্থ বিনিয়োগ করে দিয়েছেন। তাছাড়া অপুর দুটি মোবাইল নম্বর (০১৭…….৫৫, ০১৩……..৪৬) থেকেও এই দুটি দোকানের বিকাশ নম্বরে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার লেনদেন করা হয়, যা নিয়ে উভয় দোকানি বরিশালটাইমসের এ প্রতিবেদকের কাছে সরল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। দুই দোকানি জানিয়েছেন, অপু নিজের দুটি ছাড়াও বিভিন্ন নম্বর থেকে প্রতিদিন লেনদেন করেন। কিন্তু এই দেনদেনের সংখ্যা কখনও কখনও লাখ অতিক্রম করে।
নয়ানী গ্রামের একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবক বয়সি অপু ২০২৩ সালে দুর্গাপুর গ্রামে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পাশে একটি কোটি টাকা মূলে ৭৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, তখন এই বিষয়টি জানাজানি হলে তার আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। কিন্তু তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা পর্যায়ের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব হওয়ায় ভূমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে তাতে আর বাধ সাধেনি।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, কাড়িকাড়ি জুয়ার অর্থে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সভাপতি অপু শুধু ভূমি ক্রয়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বিভিন্ন ব্যবসায় লগ্নি করেছেন। এবং চরকাউয়ার অজপাড়াগাঁও নয়ানী গ্রামের নিজের বাসাটিকে বিলাসবহুল করে তুলেছেন, যা নিয়ে পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এখন অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, এত তথ্য-প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অপু অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করেন। এবং এমন ভান ধরেন যে তার ডিজিটাল জুয়া সম্পর্কে কোনো ধারনাই নাই। পরে জুয়ার টাকা কোথায় দেনদেন হয় এবং অবৈধ অর্থ তিনি ভূমি ক্রয় করাসহ কোন কোন ব্যবসায় লগ্নি করেছেন বিস্তারিত শুনে তিনি একপর্যায়ে ভরকে যান। এবং এ প্রতিবেদকের সাথে আর্থিক সমঝোতার প্রস্তাবও দেন। কিন্তু অসৎ চরিত্রের লোকের সাথে আপসরফার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ের দেওয়ার পরে কিছুক্ষণ নিরব থেকে মুঠোফোন সংযোগ বিছিন্ন করে দেন।
সংবাদকর্মীকে নিষিদ্ধছাত্রলীগ নেতার আপসের প্রস্তাবই জানান দেই যে তিনি কোন মাপের জুয়াড়ি। অবশ্য এই ছাত্রলীগ নেতাই যে বরিশাল কেন্দ্রীয় অনলাইন জুয়ার মাস্টারমাইন্ড তা তার সহযোগী কামরানও স্বীকার করেছেন। তবে বর্তমানে অনলাইন জুয়ার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, দাবি করেছেন আরমান।
এই অনলাইন জুয়ার হোতা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শওকত হোসেন অপু এবং তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে জোর দাবি জানিয়েছেন তাদের প্রতারণায় নিঃস্ব যুবকেরা। অবশ্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও কদিন পূর্বে অনলাইন জুয়াড়িদের লাগাম টেনে ধরার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। গত ২৫ মে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব ঘোষণা দিয়েছেন অনলাইনভিত্তিক জুয়ার বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। এরপরে ২৮ মে রাতে বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসনও ডিজিটাল জুয়াড়িদের ধরতে সাইবার ইউনিটসহ মাঠে থাকার বিষয়টি জানিয়েছে। এর আগে, সাইবার স্পেসে জনস্বার্থ রক্ষার উদ্দেশে নতুন সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২০ ধারা অনুসারে জুয়া খেলা এবং জুয়া খেলার সাথে জড়িত সকল কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
তবে অনলাইন জুয়াড়িদের ধরতে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বরিশাল মেট্রোপলিটন মাঠপুলিশের কর্মকর্তাদের। গোয়েন্দা বিভাগের একজন ওসি পদমর্যাদার কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পুলিশ হেডকোয়াটার্স যেহেতু ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছে, এখন তা বরিশালে আসা সময়সাপেক্ষপ বিষয়।
এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় পুলিশের কোনো নির্দেশনা অফিসিয়ালি না আসলেও জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে মাঠপুলিশকে বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা রূপালী বাংলাদেশকে জানান, ডিজিটাল জুয়ার সাথে সম্পৃক্ত সকলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৮:২২
বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় রিকশা আরোহী এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন রিকশাচালক আউয়াল (৩০)। আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাতনামা এক নারী (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহত রিকশাচালক আউয়াল ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। দুর্ঘটনায় তার হাত ভেঙে যাওয়ায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, কাভার্ড ভ্যানের চাপায় রিকশা দুর্ঘটনায় এক অজ্ঞাত এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়াও রিকশাচালক আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ঘাতক গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ।
বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় রিকশা আরোহী এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন রিকশাচালক আউয়াল (৩০)। আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাতনামা এক নারী (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহত রিকশাচালক আউয়াল ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। দুর্ঘটনায় তার হাত ভেঙে যাওয়ায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, কাভার্ড ভ্যানের চাপায় রিকশা দুর্ঘটনায় এক অজ্ঞাত এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়াও রিকশাচালক আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ঘাতক গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫০
রাতের আধাঁরে টয়লেটে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক বখাটের বিরুদ্ধে। এঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পরদিনই মোবাইল ফোন বন্ধ করে এলাকা থেকে ওই বখাটে পালিয়ে গেছে। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ বিল্বগ্রাম এলাকার।
ওই এলাকার আবুল হোসেনের স্ত্রী রানু বেগম সোমবার রাতে অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামী কর্মের সুবাদে প্রবাসে থাকেন। কন্যা সন্তান নিয়ে আমি বাসায় একা থাকি।
এই সুযোগে আমার বাড়ির পার্শ্ববর্তী বারেক খন্দকারের বখাটে ছেলে হাচান খন্দকার রাতের আধাঁরে আমার টয়লেটের পানির পাত্রে মরিচের গুড়া দিয়ে রাখা সহ বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করে আসছে।
গত রোববার (৮ মাচ) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে আমার পার্শ্ববর্তী জা’য়ের দালানের বিদ্যুতের মিটার থেকে বিদ্যুতের তার দিয়ে প্রায় ৩০ ফুট দুরত্বে লাইন টেনে আমার টয়লেটের সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ করে রাখে যাতে আমি রাতের আধাঁরে টয়লেটে গেলেই বিদ্যুতের ফাঁদে পড়ে মারা যাই। বখাটের হাত থেকে রক্ষায় তিনি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভুক্তভোগি রানু বেগমের জা মাহামুদা বেগম বলেন, সেহেরী খেতে ওঠে ঘরের দরজার সামনের লাইট বন্ধ পাওয়ায় বাইরে বের হই। এসময় আমাকে দেখে বখাটে হাচান পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টয়লেটে বিদ্যুত সংযোগ দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।
অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত সত্যতা পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
রাতের আধাঁরে টয়লেটে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক বখাটের বিরুদ্ধে। এঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পরদিনই মোবাইল ফোন বন্ধ করে এলাকা থেকে ওই বখাটে পালিয়ে গেছে। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ বিল্বগ্রাম এলাকার।
ওই এলাকার আবুল হোসেনের স্ত্রী রানু বেগম সোমবার রাতে অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামী কর্মের সুবাদে প্রবাসে থাকেন। কন্যা সন্তান নিয়ে আমি বাসায় একা থাকি।
এই সুযোগে আমার বাড়ির পার্শ্ববর্তী বারেক খন্দকারের বখাটে ছেলে হাচান খন্দকার রাতের আধাঁরে আমার টয়লেটের পানির পাত্রে মরিচের গুড়া দিয়ে রাখা সহ বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করে আসছে।
গত রোববার (৮ মাচ) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে আমার পার্শ্ববর্তী জা’য়ের দালানের বিদ্যুতের মিটার থেকে বিদ্যুতের তার দিয়ে প্রায় ৩০ ফুট দুরত্বে লাইন টেনে আমার টয়লেটের সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ করে রাখে যাতে আমি রাতের আধাঁরে টয়লেটে গেলেই বিদ্যুতের ফাঁদে পড়ে মারা যাই। বখাটের হাত থেকে রক্ষায় তিনি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভুক্তভোগি রানু বেগমের জা মাহামুদা বেগম বলেন, সেহেরী খেতে ওঠে ঘরের দরজার সামনের লাইট বন্ধ পাওয়ায় বাইরে বের হই। এসময় আমাকে দেখে বখাটে হাচান পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টয়লেটে বিদ্যুত সংযোগ দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।
অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত সত্যতা পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১১
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সড়ক নির্মাণকাজে চাঁদার দাবিতে ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতাকর্মীর বাধার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এক ঠিকাদার। সোমবার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ঠিকাদার এ.বি.এম. আওলাদ হোসেন মনু (৫৮)।
লিখিত বক্তব্যে আওলাদ হোসেন মনু বলেন, তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাভুক্ত প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার এবং নগর বিএনপির সাবেক ওয়ার্ড সভাপতি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলমান প্রায় ৫৮ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণ কাজে চাঁদা না দেওয়ায় গত ১ মার্চ থেকে কাজ বন্ধ করে দেয় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী।
তার অভিযোগ, এ ঘটনায় জড়িত রয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আরিফ হোসেন শান্ত, কর্মী আজমাইন সাকিব এবং সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ। তারা নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুললেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাজের সামগ্রী পরীক্ষা করে মানসম্মত বলে সার্টিফিকেট দিয়েছে।
ঠিকাদার জানান, গত রোববার বিকেলে কাজ শুরুর বিষয়ে জানতে তিনি উপাচার্যের কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে বের হয়ে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে প্রধান ফটক দিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্রদল কর্মী আজমাইন সাকিব ও তার সহযোগীরা লাঠিসোটা নিয়ে তাকে ধাওয়া করে। প্রাণভয়ে তিনি উপাচার্যের কক্ষের পাশের একটি কক্ষে আশ্রয় নেন। পরে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করেন।
তিনি বলেন, “আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। জীবনের এই বয়সে লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে সরকারি কাজ করছি। চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।”
তবে এর আগে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল কর্মী আজমাইন সাকিব দাবি করেন, সড়ক নির্মাণের ঢালাই কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। এ কারণে তারা কাজটি বন্ধ করে দিয়েছেন এবং নিম্নমানের পাথর পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. তৌফিক আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সড়ক নির্মাণ কাজ আলোচনা করে শুরু করার চেষ্টা চলছে। একটি ভিজিলেন্স টিম নির্মাণ সামগ্রী পরীক্ষা করে ভালো মান পেয়েছে। কাজ বন্ধ রাখার কোনো কারণ নেই।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ধারা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি এবিএম আওলাদ হোসেন বন্দর থানায় সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্তসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সড়ক নির্মাণকাজে চাঁদার দাবিতে ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতাকর্মীর বাধার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এক ঠিকাদার। সোমবার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ঠিকাদার এ.বি.এম. আওলাদ হোসেন মনু (৫৮)।
লিখিত বক্তব্যে আওলাদ হোসেন মনু বলেন, তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাভুক্ত প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার এবং নগর বিএনপির সাবেক ওয়ার্ড সভাপতি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলমান প্রায় ৫৮ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণ কাজে চাঁদা না দেওয়ায় গত ১ মার্চ থেকে কাজ বন্ধ করে দেয় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী।
তার অভিযোগ, এ ঘটনায় জড়িত রয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আরিফ হোসেন শান্ত, কর্মী আজমাইন সাকিব এবং সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ। তারা নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুললেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাজের সামগ্রী পরীক্ষা করে মানসম্মত বলে সার্টিফিকেট দিয়েছে।
ঠিকাদার জানান, গত রোববার বিকেলে কাজ শুরুর বিষয়ে জানতে তিনি উপাচার্যের কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে বের হয়ে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে প্রধান ফটক দিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্রদল কর্মী আজমাইন সাকিব ও তার সহযোগীরা লাঠিসোটা নিয়ে তাকে ধাওয়া করে। প্রাণভয়ে তিনি উপাচার্যের কক্ষের পাশের একটি কক্ষে আশ্রয় নেন। পরে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করেন।
তিনি বলেন, “আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। জীবনের এই বয়সে লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে সরকারি কাজ করছি। চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।”
তবে এর আগে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল কর্মী আজমাইন সাকিব দাবি করেন, সড়ক নির্মাণের ঢালাই কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। এ কারণে তারা কাজটি বন্ধ করে দিয়েছেন এবং নিম্নমানের পাথর পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. তৌফিক আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সড়ক নির্মাণ কাজ আলোচনা করে শুরু করার চেষ্টা চলছে। একটি ভিজিলেন্স টিম নির্মাণ সামগ্রী পরীক্ষা করে ভালো মান পেয়েছে। কাজ বন্ধ রাখার কোনো কারণ নেই।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ধারা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি এবিএম আওলাদ হোসেন বন্দর থানায় সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্তসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১০
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৪
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫