
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:২২
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার অথবা রাজনীতিতে পুনর্বাসনের কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, যারা এটা করার চেষ্টা করবে, জনগণ তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, তাদের রাজনীতি বাংলাদেশ থেকে নাই হয়ে যাবে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ন টাওয়ারে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, একদিকে আওয়ামী লীগ যেমন তৎপরতা চালাচ্ছে, ষড়যন্ত্র করছে, সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছে, অন্যদিকে দেশের কোনো কোনো রাজনীতিবিদ আওয়ামীলীগকে নির্বাচনে আনার ষড়যন্ত্র করছে।
আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আওয়ামীলীগকে নির্বাচনের আনার বা রাজনীতিতে পুনর্বাসন করার কোনো সুযোগ নেই। যারা এটা করার চেষ্টা করবে, জনগণ তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। তাদের রাজনীতি বাংলাদেশ থেকে নাই হয়ে যাবে।
এ সময় সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, গতকালের ঘটনায় সব হামলাকারীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। নিউইয়র্কের কনস্যুলেট জেনারেলকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্ত করে নিরাপত্তা প্রদানের ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
ফ্যাসিবাদের সময়ে নিয়োগকৃত আওয়ামী দোসরদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অপসারণ করতে হবে। উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ওপর হামলার ঘটনায় যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। জুলাই গণহত্যার বিচার স্বচ্ছ করা এবং ত্বরান্বিত করতে হবে। দল হিসেবে সন্ত্রাসী আওয়ামীলীগের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আওয়ামীলীগ প্রশ্নে আমরা সবাই যাতে এক থাকি। বিচারের মাধ্যমে আমরা যাতে তাদের রাজনৈতিক ফয়সালা করতে পারি এবং আওয়ামীলীগকে পুনর্বাসন ও দেশকে অস্থিতিশীল করার সব ষড়যন্ত্র যাতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিতে পারি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যে পরিপ্রেক্ষিতে এই মুহূর্তে আমি কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে চাই না। তবে আওয়ামী পুনর্বাসন করার রাজনীতি যদি বিএনপি গ্রহণ করে থাকে, তাহলে সেই রাজনীতি বিএনপির জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে।
বিএনপিকে আমরা গণঅভ্যুত্থানের অংশীদার মনে করি, ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের অংশীদার মনে করি। বিএনপি যাতে ভুল রাজনীতি না করে সেই আহ্বান থাকবে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার অথবা রাজনীতিতে পুনর্বাসনের কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, যারা এটা করার চেষ্টা করবে, জনগণ তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, তাদের রাজনীতি বাংলাদেশ থেকে নাই হয়ে যাবে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ন টাওয়ারে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, একদিকে আওয়ামী লীগ যেমন তৎপরতা চালাচ্ছে, ষড়যন্ত্র করছে, সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছে, অন্যদিকে দেশের কোনো কোনো রাজনীতিবিদ আওয়ামীলীগকে নির্বাচনে আনার ষড়যন্ত্র করছে।
আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আওয়ামীলীগকে নির্বাচনের আনার বা রাজনীতিতে পুনর্বাসন করার কোনো সুযোগ নেই। যারা এটা করার চেষ্টা করবে, জনগণ তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। তাদের রাজনীতি বাংলাদেশ থেকে নাই হয়ে যাবে।
এ সময় সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, গতকালের ঘটনায় সব হামলাকারীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। নিউইয়র্কের কনস্যুলেট জেনারেলকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্ত করে নিরাপত্তা প্রদানের ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
ফ্যাসিবাদের সময়ে নিয়োগকৃত আওয়ামী দোসরদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অপসারণ করতে হবে। উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ওপর হামলার ঘটনায় যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। জুলাই গণহত্যার বিচার স্বচ্ছ করা এবং ত্বরান্বিত করতে হবে। দল হিসেবে সন্ত্রাসী আওয়ামীলীগের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আওয়ামীলীগ প্রশ্নে আমরা সবাই যাতে এক থাকি। বিচারের মাধ্যমে আমরা যাতে তাদের রাজনৈতিক ফয়সালা করতে পারি এবং আওয়ামীলীগকে পুনর্বাসন ও দেশকে অস্থিতিশীল করার সব ষড়যন্ত্র যাতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিতে পারি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যে পরিপ্রেক্ষিতে এই মুহূর্তে আমি কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে চাই না। তবে আওয়ামী পুনর্বাসন করার রাজনীতি যদি বিএনপি গ্রহণ করে থাকে, তাহলে সেই রাজনীতি বিএনপির জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে।
বিএনপিকে আমরা গণঅভ্যুত্থানের অংশীদার মনে করি, ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের অংশীদার মনে করি। বিএনপি যাতে ভুল রাজনীতি না করে সেই আহ্বান থাকবে।

২০ জুন, ২০২৬ ১২:২২
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (২০ জুন) সকাল ৯টার মধ্যে ৮ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক-সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আরেক বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস জানায়, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের সব বিভাগেই অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে। এ ধরনের আবহাওয়া পরিস্থিতি আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (২০ জুন) সকাল ৯টার মধ্যে ৮ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক-সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আরেক বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস জানায়, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের সব বিভাগেই অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে। এ ধরনের আবহাওয়া পরিস্থিতি আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:২২
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১২
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২০ জুন, ২০২৬ ১২:২২
২০ জুন, ২০২৬ ১২:১১
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯