Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:৫৭
শহীদ শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো উত্তাল রাজধানীর শাহবাগ মোড়। ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃত্বে চলা এই আন্দোলনে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে সংহতি প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই বিচার সম্পন্ন করার জোরালো আশ্বাস দিলেও আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। হাদি হত্যার বিচার ও ‘ভারতীয় প্রভাব’ মুক্ত বাংলাদেশের দাবিতে আজ রোববার দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে একযোগে সকাল-সন্ধ্যা অবরোধের ডাক দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
শাহবাগে দিনভর উত্তেজনা
শনিবার সকাল থেকেই শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সহস্রাধিক আন্দোলনকারী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর ১ নম্বর গেট থেকে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ পর্যন্ত এলাকায় অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করে চলে দেশাত্মবোধক গান ও বৈপ্লবিক স্লোগান। আন্দোলনকারীরা ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে?’, ‘দিল্লি না ঢাকা? ঢাকা ঢাকা’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো—যুগে যুগে লড়ে যাব’ স্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়ে তোলেন।
দুপুরের দিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিহত হাদির কবর জিয়ারত করতে এলে আন্দোলনকারীরা সাময়িকভাবে সরে দাঁড়ালেও, তিনি ফিরে যাওয়ার পরপরই পুনরায় শাহবাগ মোড় দখলে নেন নেতাকর্মীরা। এর ফলে শাহবাগ ও আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন রোগী ও সাধারণ যাত্রীরা।
সরকারের আশ্বাস ও চার্জশিটের ঘোষণা
শনিবার দিবাগত রাতে শাহবাগের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, শহীদ হাদির জানাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণই প্রমাণ করে এটি একটি জাতীয় বিচার নিশ্চিতের দাবি। ইনশাআল্লাহ, ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারির পর এই হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট দাখিল করা হবে এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদেই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তরা বিদেশে থাকলে অনুপস্থিতিতে বিচার করা হবে এবং তাদের ফিরিয়ে আনতে ভারত সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, শহীদ হাদির মৃত্যু ছিল অত্যন্ত করুণ ও হৃদয়বিদারক। হাদিকে আমি আমার ভাই মনে করতাম। দেশের জন্য তার শহীদ হয়ে যাওয়াটা আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। যে মানুষের জানাজায় ১২ থেকে ১৫ লাখ মানুষ অংশ নেয়, তার হত্যার বিচার নিশ্চিত করা একটি জাতীয় দায়িত্ব।
উপদেষ্টা আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার হয়তো আন্দোলনকারীদের মতো শাহবাগে বসে নেই, তবে সরকার এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা শত্রুপক্ষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তদন্ত করছি। তাই এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করছি না, যা প্রতিপক্ষকে শক্তিশালী করে তুলতে পারে।
গণমাধ্যমের সমালোচনা ও নতুন কর্মসূচি
রাত সাড়ে ১১টায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের রোববার দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অবরোধের ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি কিছু গণমাধ্যমের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, অনেক মিডিয়া বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে যে আমরা ‘যমুনা ভবন’ ঘেরাও করতে যাচ্ছি—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং আন্দোলনকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম হিসেবে দেখানোর অপচেষ্টা।
তিনি কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল পেজ থেকে ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কোনো সংবাদমাধ্যমের খবরের ওপর ভরসা করবেন না।
আব্দুল্লাহ আল জাবের আরও বলেন, এই অবরোধ শুধু হাদি হত্যার বিচারের জন্য নয়, এটি বাংলাদেশকে ভারতীয় প্রভাবমুক্ত করার লড়াই। আমাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হলেও আমরা শাহাদাতের তামান্না নিয়ে রাজপথে দাঁড়িয়েছি।
তিনি প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিচার প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে ছাত্রজনতা কোনো আপস করবে না।
শহীদ শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো উত্তাল রাজধানীর শাহবাগ মোড়। ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃত্বে চলা এই আন্দোলনে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে সংহতি প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই বিচার সম্পন্ন করার জোরালো আশ্বাস দিলেও আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। হাদি হত্যার বিচার ও ‘ভারতীয় প্রভাব’ মুক্ত বাংলাদেশের দাবিতে আজ রোববার দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে একযোগে সকাল-সন্ধ্যা অবরোধের ডাক দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
শাহবাগে দিনভর উত্তেজনা
শনিবার সকাল থেকেই শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সহস্রাধিক আন্দোলনকারী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর ১ নম্বর গেট থেকে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ পর্যন্ত এলাকায় অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করে চলে দেশাত্মবোধক গান ও বৈপ্লবিক স্লোগান। আন্দোলনকারীরা ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে?’, ‘দিল্লি না ঢাকা? ঢাকা ঢাকা’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো—যুগে যুগে লড়ে যাব’ স্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়ে তোলেন।
দুপুরের দিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিহত হাদির কবর জিয়ারত করতে এলে আন্দোলনকারীরা সাময়িকভাবে সরে দাঁড়ালেও, তিনি ফিরে যাওয়ার পরপরই পুনরায় শাহবাগ মোড় দখলে নেন নেতাকর্মীরা। এর ফলে শাহবাগ ও আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন রোগী ও সাধারণ যাত্রীরা।
সরকারের আশ্বাস ও চার্জশিটের ঘোষণা
শনিবার দিবাগত রাতে শাহবাগের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, শহীদ হাদির জানাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণই প্রমাণ করে এটি একটি জাতীয় বিচার নিশ্চিতের দাবি। ইনশাআল্লাহ, ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারির পর এই হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট দাখিল করা হবে এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদেই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তরা বিদেশে থাকলে অনুপস্থিতিতে বিচার করা হবে এবং তাদের ফিরিয়ে আনতে ভারত সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, শহীদ হাদির মৃত্যু ছিল অত্যন্ত করুণ ও হৃদয়বিদারক। হাদিকে আমি আমার ভাই মনে করতাম। দেশের জন্য তার শহীদ হয়ে যাওয়াটা আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। যে মানুষের জানাজায় ১২ থেকে ১৫ লাখ মানুষ অংশ নেয়, তার হত্যার বিচার নিশ্চিত করা একটি জাতীয় দায়িত্ব।
উপদেষ্টা আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার হয়তো আন্দোলনকারীদের মতো শাহবাগে বসে নেই, তবে সরকার এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা শত্রুপক্ষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তদন্ত করছি। তাই এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করছি না, যা প্রতিপক্ষকে শক্তিশালী করে তুলতে পারে।
গণমাধ্যমের সমালোচনা ও নতুন কর্মসূচি
রাত সাড়ে ১১টায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের রোববার দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অবরোধের ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি কিছু গণমাধ্যমের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, অনেক মিডিয়া বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে যে আমরা ‘যমুনা ভবন’ ঘেরাও করতে যাচ্ছি—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং আন্দোলনকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম হিসেবে দেখানোর অপচেষ্টা।
তিনি কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল পেজ থেকে ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কোনো সংবাদমাধ্যমের খবরের ওপর ভরসা করবেন না।
আব্দুল্লাহ আল জাবের আরও বলেন, এই অবরোধ শুধু হাদি হত্যার বিচারের জন্য নয়, এটি বাংলাদেশকে ভারতীয় প্রভাবমুক্ত করার লড়াই। আমাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হলেও আমরা শাহাদাতের তামান্না নিয়ে রাজপথে দাঁড়িয়েছি।
তিনি প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিচার প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে ছাত্রজনতা কোনো আপস করবে না।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২১
ভুয়া চাহিদাপত্রে ফিলিং স্টেশন থেকে অফিসের নামে ৩০০ লিটার পেট্রোল ও অকটেন নিতে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ কর্মীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহীর নওহাটা স্টেশন থেকে তাদের প্রত্যাহার করে ঢাকায় সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া পাঁচজন হলেন: লিডার রবিউল আলম, গাড়িচালক আজিজুর রহমান এবং ফায়ার ফাইটার জাকির হোসেন, ইয়াসির আরাফাত ও আব্বাস আলী।
ফায়ার সার্ভিসের নওহাটা স্টেশনের ইনচার্জ ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর নিরঞ্জন সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ছুটিতে ছিলাম। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে অফিসে এসেছি। এসে তাদের শোকজ করা কিংবা ব্যাখ্যা তলব করার মতো সময়ও পাইনি। ঘটনাটি জানাজানি হলে সদর দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচজনকে ক্লোজড করে হেডকোয়ার্টারে নিয়েছে। গতকাল (বুধবার) রাত ৯টায় তারা স্টেশন ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।’
নিরঞ্জন সরকার বলেন, ‘আমি রাজশাহীতে এসে পৌঁছেছি, আর তারা ঢাকায় গিয়ে নেমেছেন। ওদের সঙ্গে আমার দেখাও হয়নি। এখন তদন্ত হবে। তদন্ত শেষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, স্টেশন প্রধান নিরঞ্জন সরকার ছুটিতে গেলে লিডার রবিউল আলমকে দায়িত্ব দিয়ে যান। বুধবার তিনি অফিসের নামে একটি ভুয়া চাহিদাপত্র তৈরি করেন। এরপর একটি সরকারি গাড়িতে ড্রাম ও ব্যারেল তুলে পার্শ্ববর্তী একটি ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে যান।
তারা প্রথমে ২০০ লিটার পেট্রোল নেন। এরপর আরও ১০০ লিটার অকটেন নেন। এ সময় সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যদের সন্দেহ হয়। তারা ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেনের প্রয়োজন নেই।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ওই ৩০০ লিটার তেল ফেরত নেওয়া হয়। এই পাঁচজন ভুয়া চাহিদাপত্র দিয়ে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে নিজেদের ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলের জন্য তেল নিতে গিয়েছিলেন বলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৮
যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে এক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম।
আহতরা হলেন- কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)। তাদের মধ্যে কনস্টেবল শহিদুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দুই পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, তিনটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) কে গ্রেপ্তারে ওই রাতে হিজলডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালায় কেশবপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে নিয়ে ফেরার পথে হঠাৎ মসজিদের মাইকে ‘পুলিশ আসামিকে মেরে ফেলেছে’ এমন মিথ্যা ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ ঘোষণার পরপরই ৫০ থেকে ৬০ জন লোক জড়ো হয়ে মব সৃষ্টি করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা পুলিশের কাছ থেকে আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে ছিনিয়ে নেয়।
আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম জানান, ‘আসামিকে আটকের পর হঠাৎ লোকজন হামলা চালায়। মারধরের একপর্যায়ে আসামিও মাথা দিয়ে আঘাত করে। পরে হামলাকারীরা তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।’
কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।’
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে সীমান্ত এলাকা থেকে পলাতক আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪০
চুয়াডাঙ্গা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ইমামের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে মমিনপুর কবরস্থানের কাছে তিনি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
নিহত রমজান আলী (৭০) আলমডাঙ্গা উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের মৃত মোরাদ আলীর ছেলে। তিনি বেতবাড়িয়া মসজিদের ইমাম ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা জিআরপি ফাঁড়ির কর্মকর্তা জগদীশ চন্দ্র বসু জানান, বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী আপ সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে আসছিল। এ সময় রমজান আলী রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ভুয়া চাহিদাপত্রে ফিলিং স্টেশন থেকে অফিসের নামে ৩০০ লিটার পেট্রোল ও অকটেন নিতে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ কর্মীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহীর নওহাটা স্টেশন থেকে তাদের প্রত্যাহার করে ঢাকায় সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া পাঁচজন হলেন: লিডার রবিউল আলম, গাড়িচালক আজিজুর রহমান এবং ফায়ার ফাইটার জাকির হোসেন, ইয়াসির আরাফাত ও আব্বাস আলী।
ফায়ার সার্ভিসের নওহাটা স্টেশনের ইনচার্জ ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর নিরঞ্জন সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ছুটিতে ছিলাম। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে অফিসে এসেছি। এসে তাদের শোকজ করা কিংবা ব্যাখ্যা তলব করার মতো সময়ও পাইনি। ঘটনাটি জানাজানি হলে সদর দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচজনকে ক্লোজড করে হেডকোয়ার্টারে নিয়েছে। গতকাল (বুধবার) রাত ৯টায় তারা স্টেশন ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।’
নিরঞ্জন সরকার বলেন, ‘আমি রাজশাহীতে এসে পৌঁছেছি, আর তারা ঢাকায় গিয়ে নেমেছেন। ওদের সঙ্গে আমার দেখাও হয়নি। এখন তদন্ত হবে। তদন্ত শেষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, স্টেশন প্রধান নিরঞ্জন সরকার ছুটিতে গেলে লিডার রবিউল আলমকে দায়িত্ব দিয়ে যান। বুধবার তিনি অফিসের নামে একটি ভুয়া চাহিদাপত্র তৈরি করেন। এরপর একটি সরকারি গাড়িতে ড্রাম ও ব্যারেল তুলে পার্শ্ববর্তী একটি ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে যান।
তারা প্রথমে ২০০ লিটার পেট্রোল নেন। এরপর আরও ১০০ লিটার অকটেন নেন। এ সময় সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যদের সন্দেহ হয়। তারা ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেনের প্রয়োজন নেই।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ওই ৩০০ লিটার তেল ফেরত নেওয়া হয়। এই পাঁচজন ভুয়া চাহিদাপত্র দিয়ে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে নিজেদের ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলের জন্য তেল নিতে গিয়েছিলেন বলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন।
যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে এক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম।
আহতরা হলেন- কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)। তাদের মধ্যে কনস্টেবল শহিদুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দুই পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, তিনটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) কে গ্রেপ্তারে ওই রাতে হিজলডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালায় কেশবপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে নিয়ে ফেরার পথে হঠাৎ মসজিদের মাইকে ‘পুলিশ আসামিকে মেরে ফেলেছে’ এমন মিথ্যা ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ ঘোষণার পরপরই ৫০ থেকে ৬০ জন লোক জড়ো হয়ে মব সৃষ্টি করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা পুলিশের কাছ থেকে আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে ছিনিয়ে নেয়।
আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম জানান, ‘আসামিকে আটকের পর হঠাৎ লোকজন হামলা চালায়। মারধরের একপর্যায়ে আসামিও মাথা দিয়ে আঘাত করে। পরে হামলাকারীরা তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।’
কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।’
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে সীমান্ত এলাকা থেকে পলাতক আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চুয়াডাঙ্গা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ইমামের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে মমিনপুর কবরস্থানের কাছে তিনি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
নিহত রমজান আলী (৭০) আলমডাঙ্গা উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের মৃত মোরাদ আলীর ছেলে। তিনি বেতবাড়িয়া মসজিদের ইমাম ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা জিআরপি ফাঁড়ির কর্মকর্তা জগদীশ চন্দ্র বসু জানান, বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী আপ সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে আসছিল। এ সময় রমজান আলী রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২১
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪২
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৪
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৫