
০৩ জুন, ২০২৫ ১২:২৯
বরিশাল শহরের অভ্যন্তরে সাত খাল খননের নামে ৬ কোটি টাকা লুটপাট করেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) এই খাল খনন প্রকল্পের কাজ বরিশাল সদর আসনের সাবেক এমপি ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম তার কর্মী-অনুসারীদের মধ্যে ভাগবণ্টন করে দেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নামমাত্র খনন করে বরাদ্দের ৮৫ ভাগ অর্থ উত্তোলন করে নিয়ে গেছেন। ফলে খালগুলো এখন ডোবা মজা এবং পরিত্যাক্ত ভূমিতে পরিণত হয়েছে, যা জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়ে পুরো বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে সীমাহীন ভোগান্তিতে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে।
শহরবাসীর অভিযোগ, পানিপ্রবাহ ঠিক রাখতে পানি উন্নয়ন বোর্ড আওয়ামী লীগ শাসনামলে সাতটি খাল খনন শুরু করলেও পুরোপুরি শেষ করেনি। অর্ধখনন করে খালগুলোর মধ্যে বাধ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা হয়েছে। গত দুদিনে সামান্য বর্ষার পানি খালে জমে চারিদিকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে খালসংলগ্ন এলাকাসমূহের বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনকে দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ২০২২-২৩ সালে দেশের ৬৪ জেলায় খাল খননের উদ্যোগ নেয় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম (বর্তমানে কারাবন্দি) প্রকল্পটির আওতায় বরিশাল শহরের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ খালও নিয়ে আসেন। কিন্তু সেই সময় বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বিরোধীতার কারণে প্রকল্প শুরু করা সম্ভব হয়নি। এক বছর পরে ২০২৩ সালের শেষের দিকে নগরীর ফুসফুস খ্যাত আমানতগঞ্জ, জেলখাল, রূপাতলী, পলাশপুর, সাগরদী, চাঁদমারী এবং ভাটার খাল খনন শুরু হয়। ৬ কোটি সাত লাখ টাকার এই খাল খনন কাজের ঠিকদার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর কয়েকজন কর্মী-অনুসারী।
অবশ্য তখনই খাল খনন নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু ঠিকাদাররা সকলে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী হওয়ায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বা পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো ব্যবস্থাগ্রহণ করেনি। বরং পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ বিন ওয়ালিদ নিজেই অর্থ লুটপাটে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ আছে।
আমানতগঞ্জ খালসংলগ্ন বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর লোক আওয়ামী লীগ নেতা ইতালি শহীদ খালটি খনন কাজ করেছেন। কিন্তু তিনি আধাবিধি খনন করে ফেলে রেখে গেছেন। এবং সরকার পরিবর্তনের পরে খননে ব্যবহৃত সরঞ্জামও নিতে আসেননি। এই অর্ধ খননের কারণে খালে পানিপ্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ ডোবা মজা পরিত্যাক্ত ভূমিতে রূপ নিয়েছে। একই অবস্থা বাকি ৬টি খালেরও, যা শহরবাসীর জন্য আগাম বিপদ সংকেত দিচ্ছে।
নদী-খাল বাঁচাও সংগঠনের নেতা কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু বিস্ময়প্রকাশ করে বলেন, ৬ কোটি ৭ লাখ টাকায় খাল খননেন যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা ফিকে গেছে। সরকারের অর্থ গচ্চা যাওয়ার পাশাপাশি খালগুলোও অস্থিত্ব হারিয়েছে।
এবারের বর্ষা মৌসুমে খালগুলো নগরবাসীকে মারাত্মক দুর্ভোগে ফেলবে মন্তব্য করে শিবলু বলেন, বর্তমানে সাতটি খালের পানিপ্রবাহ বন্ধ রয়েছে। কীর্তনখোলা নদী জল বৃদ্ধি পেলে বা টানা বর্ষণে খালগুলো ভরে শহর জলমগ্ন হয়ে পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে অতীতের তুলনায় অধিক সময় পানিবন্দি হয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সুতরাং কালবিলম্ব না করে পানিপ্রবাহ সচল রাখতে খালগুলো সঠিক নিয়মে খনন করা জরুরি।
তবে এই খাল নিয়ে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ড মোটেও চিন্তিত নয় বলে জানা গেছে। দপ্তরটি নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল জানিয়েছেন, উল্লেখিত সাতটি খালই বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের। কিন্তু ৬৪ জেলার আওতায় বরিশাল শহরের সাত খাল খননে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আগামীতে খালগুলো সিটি কর্পোরেশনই তদারকি করবে।
তাহলে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ৬ কোটি টাকা কি জলে গেল এমন প্রশ্নে নির্বাহী কর্মকর্তা আত্মপক্ষ সমর্থনে বলেন, প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে গেছে। তাছাড়া এই ধরনের নতুন কোনো প্রকল্প চালু হওয়ার সম্ভবনাও দেখছি না। বিস্তারিত মহাপরিচালক বা সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ বিন ওয়ালিদ ভালো বলতে পারেবেন।
তবে এই দুজনের কারও সাথেই মুঠোফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাদের উভয়ের মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে। এমনকি ঠিকাদারদের মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে, বরিশাল শহরের সাত খাল খনন কাজ যারা করেছেন, তারা সকলেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে যাওয়ার পরে তারাও লাপাত্তা হয়ে গেছেন। এবং নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখছেন। ’
বরিশাল শহরের সাতটি প্রধান খালের একটি। ফাইল ছবি
বরিশাল শহরের অভ্যন্তরে সাত খাল খননের নামে ৬ কোটি টাকা লুটপাট করেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) এই খাল খনন প্রকল্পের কাজ বরিশাল সদর আসনের সাবেক এমপি ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম তার কর্মী-অনুসারীদের মধ্যে ভাগবণ্টন করে দেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নামমাত্র খনন করে বরাদ্দের ৮৫ ভাগ অর্থ উত্তোলন করে নিয়ে গেছেন। ফলে খালগুলো এখন ডোবা মজা এবং পরিত্যাক্ত ভূমিতে পরিণত হয়েছে, যা জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়ে পুরো বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে সীমাহীন ভোগান্তিতে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে।
শহরবাসীর অভিযোগ, পানিপ্রবাহ ঠিক রাখতে পানি উন্নয়ন বোর্ড আওয়ামী লীগ শাসনামলে সাতটি খাল খনন শুরু করলেও পুরোপুরি শেষ করেনি। অর্ধখনন করে খালগুলোর মধ্যে বাধ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা হয়েছে। গত দুদিনে সামান্য বর্ষার পানি খালে জমে চারিদিকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে খালসংলগ্ন এলাকাসমূহের বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনকে দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ২০২২-২৩ সালে দেশের ৬৪ জেলায় খাল খননের উদ্যোগ নেয় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম (বর্তমানে কারাবন্দি) প্রকল্পটির আওতায় বরিশাল শহরের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ খালও নিয়ে আসেন। কিন্তু সেই সময় বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বিরোধীতার কারণে প্রকল্প শুরু করা সম্ভব হয়নি। এক বছর পরে ২০২৩ সালের শেষের দিকে নগরীর ফুসফুস খ্যাত আমানতগঞ্জ, জেলখাল, রূপাতলী, পলাশপুর, সাগরদী, চাঁদমারী এবং ভাটার খাল খনন শুরু হয়। ৬ কোটি সাত লাখ টাকার এই খাল খনন কাজের ঠিকদার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর কয়েকজন কর্মী-অনুসারী।
অবশ্য তখনই খাল খনন নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু ঠিকাদাররা সকলে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী হওয়ায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বা পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো ব্যবস্থাগ্রহণ করেনি। বরং পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ বিন ওয়ালিদ নিজেই অর্থ লুটপাটে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ আছে।
আমানতগঞ্জ খালসংলগ্ন বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর লোক আওয়ামী লীগ নেতা ইতালি শহীদ খালটি খনন কাজ করেছেন। কিন্তু তিনি আধাবিধি খনন করে ফেলে রেখে গেছেন। এবং সরকার পরিবর্তনের পরে খননে ব্যবহৃত সরঞ্জামও নিতে আসেননি। এই অর্ধ খননের কারণে খালে পানিপ্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ ডোবা মজা পরিত্যাক্ত ভূমিতে রূপ নিয়েছে। একই অবস্থা বাকি ৬টি খালেরও, যা শহরবাসীর জন্য আগাম বিপদ সংকেত দিচ্ছে।
নদী-খাল বাঁচাও সংগঠনের নেতা কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু বিস্ময়প্রকাশ করে বলেন, ৬ কোটি ৭ লাখ টাকায় খাল খননেন যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা ফিকে গেছে। সরকারের অর্থ গচ্চা যাওয়ার পাশাপাশি খালগুলোও অস্থিত্ব হারিয়েছে।
এবারের বর্ষা মৌসুমে খালগুলো নগরবাসীকে মারাত্মক দুর্ভোগে ফেলবে মন্তব্য করে শিবলু বলেন, বর্তমানে সাতটি খালের পানিপ্রবাহ বন্ধ রয়েছে। কীর্তনখোলা নদী জল বৃদ্ধি পেলে বা টানা বর্ষণে খালগুলো ভরে শহর জলমগ্ন হয়ে পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে অতীতের তুলনায় অধিক সময় পানিবন্দি হয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সুতরাং কালবিলম্ব না করে পানিপ্রবাহ সচল রাখতে খালগুলো সঠিক নিয়মে খনন করা জরুরি।
তবে এই খাল নিয়ে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ড মোটেও চিন্তিত নয় বলে জানা গেছে। দপ্তরটি নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল জানিয়েছেন, উল্লেখিত সাতটি খালই বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের। কিন্তু ৬৪ জেলার আওতায় বরিশাল শহরের সাত খাল খননে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আগামীতে খালগুলো সিটি কর্পোরেশনই তদারকি করবে।
তাহলে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ৬ কোটি টাকা কি জলে গেল এমন প্রশ্নে নির্বাহী কর্মকর্তা আত্মপক্ষ সমর্থনে বলেন, প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে গেছে। তাছাড়া এই ধরনের নতুন কোনো প্রকল্প চালু হওয়ার সম্ভবনাও দেখছি না। বিস্তারিত মহাপরিচালক বা সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ বিন ওয়ালিদ ভালো বলতে পারেবেন।
তবে এই দুজনের কারও সাথেই মুঠোফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাদের উভয়ের মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে। এমনকি ঠিকাদারদের মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে, বরিশাল শহরের সাত খাল খনন কাজ যারা করেছেন, তারা সকলেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে যাওয়ার পরে তারাও লাপাত্তা হয়ে গেছেন। এবং নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখছেন। ’

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৫
বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী নামের এক বিএনপি কর্মী খুন হয়েছেন। স্থানীয় বৌসেরহাট বাজারের অদূরে বুধবার রাতে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি রাতেই উদ্ধার করে।
ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মী দেলোয়ার হোসেনের সাথে আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীর বিরোধ ছিল। সেই বিরোধে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে।
পুলিশ জানায়, দেলোয়ার চৌধুরী বৌসেরহাট বাজারে ইজারা উত্তোলনের কাজ করেন। তারাবির নামাজ চলাকালে তিনি বাইসাইকেলযোগে বাসার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তখন পথিমধ্যে বাদামতলা নামক এলকায় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রাখে।
এই খুনের ঘটনায় নিহতের স্বজনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীকে দায়ী করেছেন।
রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজাদী হাসানাত ফিরোজ জানান, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর সাথে চাচাতো ভাইয়ের সন্তান আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরীর জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধীয় জেরে নৃশংস খুনের শিকার হলেন বিএনপি কর্মী।
তবে এই হত্যাকান্ডে কারা জড়িত পুলিশ তাৎক্ষণিক কিছু বলতে পারছে না।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লক্ষ্য করা গেছে। অনুমান, কুপিয়ে হত্যার পরে বিএনপি কর্মীর লাশটি রাস্তার পাশে হাটুসমান জলে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
রাত ১টার দিকে বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
এর আগে RAB-CIDসহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন।
বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী নামের এক বিএনপি কর্মী খুন হয়েছেন। স্থানীয় বৌসেরহাট বাজারের অদূরে বুধবার রাতে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি রাতেই উদ্ধার করে।
ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মী দেলোয়ার হোসেনের সাথে আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীর বিরোধ ছিল। সেই বিরোধে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে।
পুলিশ জানায়, দেলোয়ার চৌধুরী বৌসেরহাট বাজারে ইজারা উত্তোলনের কাজ করেন। তারাবির নামাজ চলাকালে তিনি বাইসাইকেলযোগে বাসার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তখন পথিমধ্যে বাদামতলা নামক এলকায় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রাখে।
এই খুনের ঘটনায় নিহতের স্বজনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীকে দায়ী করেছেন।
রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজাদী হাসানাত ফিরোজ জানান, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর সাথে চাচাতো ভাইয়ের সন্তান আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরীর জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধীয় জেরে নৃশংস খুনের শিকার হলেন বিএনপি কর্মী।
তবে এই হত্যাকান্ডে কারা জড়িত পুলিশ তাৎক্ষণিক কিছু বলতে পারছে না।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লক্ষ্য করা গেছে। অনুমান, কুপিয়ে হত্যার পরে বিএনপি কর্মীর লাশটি রাস্তার পাশে হাটুসমান জলে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
রাত ১টার দিকে বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
এর আগে RAB-CIDসহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৮
বাংলাদেশে ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন নতুন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে শপথ নেয়। নতুন এই মন্ত্রিসভার সদস্য বরিশাল ১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের এমপি জহির উদ্দিন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।
আজ বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তিনি সচিবালয়ে আসেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।তিনি বলেন, তিনি নিজেও জানেন, ভয়ভীতির মধ্যে যাঁরা বাস করেন, তাঁদের কী ধরনের মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। বিশেষ করে গণমাধ্যমের মতো এ রকম পেশায় যাঁরা কাজ করেন। তাঁদের যদি সারাক্ষণ নজরদারির মধ্যে থাকতে হয়।
জহির উদ্দিন আরও বলেন, ‘সমস্যা যেহেতু আমরা জানি, প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান) যেহেতু তাঁর পরিকল্পনার মধ্যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিকল্পনা দিয়েছেন, তাহলে আমরা বাংলাদেশে একটা ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করব, ইনশা আল্লাহ।’
বাংলাদেশে ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন নতুন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে শপথ নেয়। নতুন এই মন্ত্রিসভার সদস্য বরিশাল ১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের এমপি জহির উদ্দিন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।
আজ বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তিনি সচিবালয়ে আসেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।তিনি বলেন, তিনি নিজেও জানেন, ভয়ভীতির মধ্যে যাঁরা বাস করেন, তাঁদের কী ধরনের মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। বিশেষ করে গণমাধ্যমের মতো এ রকম পেশায় যাঁরা কাজ করেন। তাঁদের যদি সারাক্ষণ নজরদারির মধ্যে থাকতে হয়।
জহির উদ্দিন আরও বলেন, ‘সমস্যা যেহেতু আমরা জানি, প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান) যেহেতু তাঁর পরিকল্পনার মধ্যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিকল্পনা দিয়েছেন, তাহলে আমরা বাংলাদেশে একটা ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করব, ইনশা আল্লাহ।’

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪২
গ্রেপ্তারের প্রায় ৯ মাস পর রাজনৈতিক মামলায় জামিন পেয়েছেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। একই সঙ্গে জামিন দেওয়া হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ দুজনকে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল সদর থানার সরকারি নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, বুধবার জেবুন্নেছা আফরোজসহ তিনজনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
জামিনপ্রাপ্তরা হলেন—মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন।
এর আগে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ২০২৫ সালের ১৭ মে ঢাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাকে বরিশালের ৬টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।সেই থেকেই বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ।
গ্রেপ্তারের প্রায় ৯ মাস পর রাজনৈতিক মামলায় জামিন পেয়েছেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। একই সঙ্গে জামিন দেওয়া হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ দুজনকে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল সদর থানার সরকারি নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, বুধবার জেবুন্নেছা আফরোজসহ তিনজনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
জামিনপ্রাপ্তরা হলেন—মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন।
এর আগে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ২০২৫ সালের ১৭ মে ঢাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাকে বরিশালের ৬টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।সেই থেকেই বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.