
০৩ জুন, ২০২৫ ১২:২৯
বরিশাল শহরের অভ্যন্তরে সাত খাল খননের নামে ৬ কোটি টাকা লুটপাট করেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) এই খাল খনন প্রকল্পের কাজ বরিশাল সদর আসনের সাবেক এমপি ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম তার কর্মী-অনুসারীদের মধ্যে ভাগবণ্টন করে দেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নামমাত্র খনন করে বরাদ্দের ৮৫ ভাগ অর্থ উত্তোলন করে নিয়ে গেছেন। ফলে খালগুলো এখন ডোবা মজা এবং পরিত্যাক্ত ভূমিতে পরিণত হয়েছে, যা জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়ে পুরো বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে সীমাহীন ভোগান্তিতে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে।
শহরবাসীর অভিযোগ, পানিপ্রবাহ ঠিক রাখতে পানি উন্নয়ন বোর্ড আওয়ামী লীগ শাসনামলে সাতটি খাল খনন শুরু করলেও পুরোপুরি শেষ করেনি। অর্ধখনন করে খালগুলোর মধ্যে বাধ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা হয়েছে। গত দুদিনে সামান্য বর্ষার পানি খালে জমে চারিদিকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে খালসংলগ্ন এলাকাসমূহের বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনকে দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ২০২২-২৩ সালে দেশের ৬৪ জেলায় খাল খননের উদ্যোগ নেয় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম (বর্তমানে কারাবন্দি) প্রকল্পটির আওতায় বরিশাল শহরের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ খালও নিয়ে আসেন। কিন্তু সেই সময় বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বিরোধীতার কারণে প্রকল্প শুরু করা সম্ভব হয়নি। এক বছর পরে ২০২৩ সালের শেষের দিকে নগরীর ফুসফুস খ্যাত আমানতগঞ্জ, জেলখাল, রূপাতলী, পলাশপুর, সাগরদী, চাঁদমারী এবং ভাটার খাল খনন শুরু হয়। ৬ কোটি সাত লাখ টাকার এই খাল খনন কাজের ঠিকদার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর কয়েকজন কর্মী-অনুসারী।
অবশ্য তখনই খাল খনন নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু ঠিকাদাররা সকলে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী হওয়ায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বা পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো ব্যবস্থাগ্রহণ করেনি। বরং পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ বিন ওয়ালিদ নিজেই অর্থ লুটপাটে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ আছে।
আমানতগঞ্জ খালসংলগ্ন বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর লোক আওয়ামী লীগ নেতা ইতালি শহীদ খালটি খনন কাজ করেছেন। কিন্তু তিনি আধাবিধি খনন করে ফেলে রেখে গেছেন। এবং সরকার পরিবর্তনের পরে খননে ব্যবহৃত সরঞ্জামও নিতে আসেননি। এই অর্ধ খননের কারণে খালে পানিপ্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ ডোবা মজা পরিত্যাক্ত ভূমিতে রূপ নিয়েছে। একই অবস্থা বাকি ৬টি খালেরও, যা শহরবাসীর জন্য আগাম বিপদ সংকেত দিচ্ছে।
নদী-খাল বাঁচাও সংগঠনের নেতা কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু বিস্ময়প্রকাশ করে বলেন, ৬ কোটি ৭ লাখ টাকায় খাল খননেন যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা ফিকে গেছে। সরকারের অর্থ গচ্চা যাওয়ার পাশাপাশি খালগুলোও অস্থিত্ব হারিয়েছে।
এবারের বর্ষা মৌসুমে খালগুলো নগরবাসীকে মারাত্মক দুর্ভোগে ফেলবে মন্তব্য করে শিবলু বলেন, বর্তমানে সাতটি খালের পানিপ্রবাহ বন্ধ রয়েছে। কীর্তনখোলা নদী জল বৃদ্ধি পেলে বা টানা বর্ষণে খালগুলো ভরে শহর জলমগ্ন হয়ে পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে অতীতের তুলনায় অধিক সময় পানিবন্দি হয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সুতরাং কালবিলম্ব না করে পানিপ্রবাহ সচল রাখতে খালগুলো সঠিক নিয়মে খনন করা জরুরি।
তবে এই খাল নিয়ে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ড মোটেও চিন্তিত নয় বলে জানা গেছে। দপ্তরটি নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল জানিয়েছেন, উল্লেখিত সাতটি খালই বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের। কিন্তু ৬৪ জেলার আওতায় বরিশাল শহরের সাত খাল খননে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আগামীতে খালগুলো সিটি কর্পোরেশনই তদারকি করবে।
তাহলে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ৬ কোটি টাকা কি জলে গেল এমন প্রশ্নে নির্বাহী কর্মকর্তা আত্মপক্ষ সমর্থনে বলেন, প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে গেছে। তাছাড়া এই ধরনের নতুন কোনো প্রকল্প চালু হওয়ার সম্ভবনাও দেখছি না। বিস্তারিত মহাপরিচালক বা সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ বিন ওয়ালিদ ভালো বলতে পারেবেন।
তবে এই দুজনের কারও সাথেই মুঠোফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাদের উভয়ের মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে। এমনকি ঠিকাদারদের মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে, বরিশাল শহরের সাত খাল খনন কাজ যারা করেছেন, তারা সকলেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে যাওয়ার পরে তারাও লাপাত্তা হয়ে গেছেন। এবং নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখছেন। ’
বরিশাল শহরের সাতটি প্রধান খালের একটি। ফাইল ছবি
বরিশাল শহরের অভ্যন্তরে সাত খাল খননের নামে ৬ কোটি টাকা লুটপাট করেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) এই খাল খনন প্রকল্পের কাজ বরিশাল সদর আসনের সাবেক এমপি ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম তার কর্মী-অনুসারীদের মধ্যে ভাগবণ্টন করে দেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নামমাত্র খনন করে বরাদ্দের ৮৫ ভাগ অর্থ উত্তোলন করে নিয়ে গেছেন। ফলে খালগুলো এখন ডোবা মজা এবং পরিত্যাক্ত ভূমিতে পরিণত হয়েছে, যা জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়ে পুরো বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে সীমাহীন ভোগান্তিতে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে।
শহরবাসীর অভিযোগ, পানিপ্রবাহ ঠিক রাখতে পানি উন্নয়ন বোর্ড আওয়ামী লীগ শাসনামলে সাতটি খাল খনন শুরু করলেও পুরোপুরি শেষ করেনি। অর্ধখনন করে খালগুলোর মধ্যে বাধ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা হয়েছে। গত দুদিনে সামান্য বর্ষার পানি খালে জমে চারিদিকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে খালসংলগ্ন এলাকাসমূহের বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনকে দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ২০২২-২৩ সালে দেশের ৬৪ জেলায় খাল খননের উদ্যোগ নেয় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম (বর্তমানে কারাবন্দি) প্রকল্পটির আওতায় বরিশাল শহরের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ খালও নিয়ে আসেন। কিন্তু সেই সময় বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বিরোধীতার কারণে প্রকল্প শুরু করা সম্ভব হয়নি। এক বছর পরে ২০২৩ সালের শেষের দিকে নগরীর ফুসফুস খ্যাত আমানতগঞ্জ, জেলখাল, রূপাতলী, পলাশপুর, সাগরদী, চাঁদমারী এবং ভাটার খাল খনন শুরু হয়। ৬ কোটি সাত লাখ টাকার এই খাল খনন কাজের ঠিকদার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর কয়েকজন কর্মী-অনুসারী।
অবশ্য তখনই খাল খনন নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু ঠিকাদাররা সকলে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী হওয়ায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বা পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো ব্যবস্থাগ্রহণ করেনি। বরং পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ বিন ওয়ালিদ নিজেই অর্থ লুটপাটে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ আছে।
আমানতগঞ্জ খালসংলগ্ন বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর লোক আওয়ামী লীগ নেতা ইতালি শহীদ খালটি খনন কাজ করেছেন। কিন্তু তিনি আধাবিধি খনন করে ফেলে রেখে গেছেন। এবং সরকার পরিবর্তনের পরে খননে ব্যবহৃত সরঞ্জামও নিতে আসেননি। এই অর্ধ খননের কারণে খালে পানিপ্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ ডোবা মজা পরিত্যাক্ত ভূমিতে রূপ নিয়েছে। একই অবস্থা বাকি ৬টি খালেরও, যা শহরবাসীর জন্য আগাম বিপদ সংকেত দিচ্ছে।
নদী-খাল বাঁচাও সংগঠনের নেতা কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু বিস্ময়প্রকাশ করে বলেন, ৬ কোটি ৭ লাখ টাকায় খাল খননেন যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা ফিকে গেছে। সরকারের অর্থ গচ্চা যাওয়ার পাশাপাশি খালগুলোও অস্থিত্ব হারিয়েছে।
এবারের বর্ষা মৌসুমে খালগুলো নগরবাসীকে মারাত্মক দুর্ভোগে ফেলবে মন্তব্য করে শিবলু বলেন, বর্তমানে সাতটি খালের পানিপ্রবাহ বন্ধ রয়েছে। কীর্তনখোলা নদী জল বৃদ্ধি পেলে বা টানা বর্ষণে খালগুলো ভরে শহর জলমগ্ন হয়ে পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে অতীতের তুলনায় অধিক সময় পানিবন্দি হয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সুতরাং কালবিলম্ব না করে পানিপ্রবাহ সচল রাখতে খালগুলো সঠিক নিয়মে খনন করা জরুরি।
তবে এই খাল নিয়ে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ড মোটেও চিন্তিত নয় বলে জানা গেছে। দপ্তরটি নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল জানিয়েছেন, উল্লেখিত সাতটি খালই বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের। কিন্তু ৬৪ জেলার আওতায় বরিশাল শহরের সাত খাল খননে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আগামীতে খালগুলো সিটি কর্পোরেশনই তদারকি করবে।
তাহলে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ৬ কোটি টাকা কি জলে গেল এমন প্রশ্নে নির্বাহী কর্মকর্তা আত্মপক্ষ সমর্থনে বলেন, প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে গেছে। তাছাড়া এই ধরনের নতুন কোনো প্রকল্প চালু হওয়ার সম্ভবনাও দেখছি না। বিস্তারিত মহাপরিচালক বা সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ বিন ওয়ালিদ ভালো বলতে পারেবেন।
তবে এই দুজনের কারও সাথেই মুঠোফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাদের উভয়ের মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে। এমনকি ঠিকাদারদের মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে, বরিশাল শহরের সাত খাল খনন কাজ যারা করেছেন, তারা সকলেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে যাওয়ার পরে তারাও লাপাত্তা হয়ে গেছেন। এবং নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখছেন। ’

২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
শিশু রামিসা হত্যা এবং দেশব্যাপী শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বরিশালে ‘শিশু বন্ধন’ কর্মসূচি পালন করেছে খেলাঘর। দ্রুত বিচার ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১০টায় নগরের অশ্বিনীকুমার হলের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের শিশু নির্যাতন বন্ধ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান।
খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি পঙ্কজ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রামিসার মতো নির্মম হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চায় না শিশুরা। প্রধানমন্ত্রী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার যে আশ্বাস দিয়েছেন, এখন সবাই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, নিরাপদ শিশু পরিবেশ গড়ে তুলতে শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের নির্যাতন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান তাঁরা।
শুকতারা খেলাঘর আসর–এর সভাপতি কাজী সেলিনা–র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জীবন কৃষ্ণ দে, খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শুভংকর চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজত টিপু এবং সাধারণ সম্পাদক তৌছিক আহমেদ রাহাত।রক্তঝুমুর খেলাঘরের শিশু সদস্য রাইসা ও নাফি, তিলক, শিক্ষকনেতা আমিনুল ইসলাম খোকন, সনাকের সভাপতি টুলু রাণী কর্মকার, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের শিউলি সিংহ, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শিশির, চারুকলা বরিশালের সংগঠক সুষাভ চন্দ্র নিতাই, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ, রক্তঝুমুর খেলাঘর আসরের সভাপতি কামরুন নাহার মেরী এবং জাগৃহী খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ সুলতানা পলি প্রমুখ।’
শিশু রামিসা হত্যা এবং দেশব্যাপী শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বরিশালে ‘শিশু বন্ধন’ কর্মসূচি পালন করেছে খেলাঘর। দ্রুত বিচার ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১০টায় নগরের অশ্বিনীকুমার হলের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের শিশু নির্যাতন বন্ধ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান।
খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি পঙ্কজ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রামিসার মতো নির্মম হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চায় না শিশুরা। প্রধানমন্ত্রী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার যে আশ্বাস দিয়েছেন, এখন সবাই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, নিরাপদ শিশু পরিবেশ গড়ে তুলতে শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের নির্যাতন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান তাঁরা।
শুকতারা খেলাঘর আসর–এর সভাপতি কাজী সেলিনা–র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জীবন কৃষ্ণ দে, খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শুভংকর চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজত টিপু এবং সাধারণ সম্পাদক তৌছিক আহমেদ রাহাত।রক্তঝুমুর খেলাঘরের শিশু সদস্য রাইসা ও নাফি, তিলক, শিক্ষকনেতা আমিনুল ইসলাম খোকন, সনাকের সভাপতি টুলু রাণী কর্মকার, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের শিউলি সিংহ, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শিশির, চারুকলা বরিশালের সংগঠক সুষাভ চন্দ্র নিতাই, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ, রক্তঝুমুর খেলাঘর আসরের সভাপতি কামরুন নাহার মেরী এবং জাগৃহী খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ সুলতানা পলি প্রমুখ।’

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:০৯
বরিশালে গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস ও বিপরীতমুখী কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে দক্ষিণ পালরদী এলাকায় বরিশালগামী একটি হাইচ মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-০৭৪২) এবং ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যানের (ঢাকা মেট্রো-উ-১২-১৭৮৯) মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মাত্র এক মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অত্যন্ত তৎপরতার সাথে আহতদের উদ্ধার করেন।
আহত পাঁচজনই বরগুনা জেলার বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। আহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, দুইজন নারী এবং দুইজন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করেন। দুর্ঘটনার পর কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি সরিয়ে নেয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি অথবা অসতর্কতার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস ও বিপরীতমুখী কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে দক্ষিণ পালরদী এলাকায় বরিশালগামী একটি হাইচ মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-০৭৪২) এবং ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যানের (ঢাকা মেট্রো-উ-১২-১৭৮৯) মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মাত্র এক মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অত্যন্ত তৎপরতার সাথে আহতদের উদ্ধার করেন।
আহত পাঁচজনই বরগুনা জেলার বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। আহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, দুইজন নারী এবং দুইজন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করেন। দুর্ঘটনার পর কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি সরিয়ে নেয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি অথবা অসতর্কতার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মে, ২০২৬ ১৩:৪৭
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর কাঁঠালতলা এলাকায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রহমতপুর এলাকা থেকে ইটবোঝাই একটি ট্রাক বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। একই সময়ে বিপরীত দিক থেকে একটি খালি ট্রাক ঢাকার দিক থেকে আসছিল। কাঁঠালতলা এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে উভয় ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত দুই চালকের একজনের নাম জহিরুল বলে জানা গেছে। তবে অপর চালকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর কাঁঠালতলা এলাকায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রহমতপুর এলাকা থেকে ইটবোঝাই একটি ট্রাক বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। একই সময়ে বিপরীত দিক থেকে একটি খালি ট্রাক ঢাকার দিক থেকে আসছিল। কাঁঠালতলা এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে উভয় ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত দুই চালকের একজনের নাম জহিরুল বলে জানা গেছে। তবে অপর চালকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:৩৭
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০