
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নবম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত ঘোষণার দাবিতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় ৩২ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
জানা গেছে, দুপুরের দিকে যমুনার সামনে জমায়েত হওয়া আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। এ সময় ৩২ জন আন্দোলনকারী আহত হন। আহতরা হলেন- আব্দুল হান্নান (৪৫) জয় দাস (৩৫) আব্দুল আউয়াল (৪০) তন্ময় (৩২) জাকারিয়া (৬০) সিকান্দার (৪০) ওসমান গনি (৪০) আব্দুল্লাহ (৩১) অভিজিৎ (৩৫) আজিম উদ্দিন (৫০) সাইম (২৮) রিপন (৩২) মনসুর শামীম (৪৮) ইয়াসমিন (৪০) আব্দুল কুদ্দুস (৬০) জুয়েল (৩৪) আমিরুল ইসলাম (৩৪)।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, যমুনার সামনে থেকে প্রায় ৩২জন আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছে। জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।
এদিকে সংঘর্ষের ঘটনার পর যমুনা ভবন সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের সড়কে যান চলাচল সীমিত রাখা হয়েছে। এছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নবম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত ঘোষণার দাবিতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় ৩২ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
জানা গেছে, দুপুরের দিকে যমুনার সামনে জমায়েত হওয়া আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। এ সময় ৩২ জন আন্দোলনকারী আহত হন। আহতরা হলেন- আব্দুল হান্নান (৪৫) জয় দাস (৩৫) আব্দুল আউয়াল (৪০) তন্ময় (৩২) জাকারিয়া (৬০) সিকান্দার (৪০) ওসমান গনি (৪০) আব্দুল্লাহ (৩১) অভিজিৎ (৩৫) আজিম উদ্দিন (৫০) সাইম (২৮) রিপন (৩২) মনসুর শামীম (৪৮) ইয়াসমিন (৪০) আব্দুল কুদ্দুস (৬০) জুয়েল (৩৪) আমিরুল ইসলাম (৩৪)।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, যমুনার সামনে থেকে প্রায় ৩২জন আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছে। জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।
এদিকে সংঘর্ষের ঘটনার পর যমুনা ভবন সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের সড়কে যান চলাচল সীমিত রাখা হয়েছে। এছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০৭
শাহবাগ মোড় এলাকায় জমায়েত থেকে মহিউদ্দিন রনির ওপর পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে। যোদ্ধা শরীফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে অনুষ্ঠিত আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
আজ বিকেলে যমুনা অভিমুখে যাওয়া ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর প্রথম দফায় পুলিশ হামলা চালায়। এরপর সন্ধ্যায় শাহবাগে অবস্থান নেয় ছাত্র-জনতা আন্দোলনকারীরা। তাদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ শুরু করলে, মহিউদ্দিন রনি তাদের রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন।
এই সময় তিনি পুলিশকে আন্দোলনকারীদের কেন মারছেন তা জানতে চান। এর জবাবে ৮ থেকে ১০ জন পুলিশ সদস্য তাকে লক্ষ্য করে বেধড়ক লাঠিপেটা শুরু করেন।
রনি রাস্তায় লুটিয়ে পড়ার পরও পুলিশ পেটানো বন্ধ করেনি। এক পুলিশ সদস্য তাকে মারার পর ফিরে এসে আবারও লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। তবে শেষ পর্যন্ত একজন পুলিশ সদস্য এগিয়ে এসে তাকে মারার হাত থেকে রক্ষা করেন।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৫৮
দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। এবার ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে, সর্বশেষ ৪ ফেব্রুয়ারি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর করা হয়েছিল।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ২৬ বারের মতো স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। যার মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৭ বার আর কমানো হয়েছে ৯ বার। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে রুপার দামে কোন পরিবর্তন আনা হয়নি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১০ বার বাড়ানো হয়েছে আর কমানো হয়েছে ৭ বার। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল ৩ বার।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৩

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
শাহবাগ মোড় এলাকায় জমায়েত থেকে মহিউদ্দিন রনির ওপর পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে। যোদ্ধা শরীফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে অনুষ্ঠিত আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
আজ বিকেলে যমুনা অভিমুখে যাওয়া ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর প্রথম দফায় পুলিশ হামলা চালায়। এরপর সন্ধ্যায় শাহবাগে অবস্থান নেয় ছাত্র-জনতা আন্দোলনকারীরা। তাদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ শুরু করলে, মহিউদ্দিন রনি তাদের রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন।
এই সময় তিনি পুলিশকে আন্দোলনকারীদের কেন মারছেন তা জানতে চান। এর জবাবে ৮ থেকে ১০ জন পুলিশ সদস্য তাকে লক্ষ্য করে বেধড়ক লাঠিপেটা শুরু করেন।
রনি রাস্তায় লুটিয়ে পড়ার পরও পুলিশ পেটানো বন্ধ করেনি। এক পুলিশ সদস্য তাকে মারার পর ফিরে এসে আবারও লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। তবে শেষ পর্যন্ত একজন পুলিশ সদস্য এগিয়ে এসে তাকে মারার হাত থেকে রক্ষা করেন।
দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। এবার ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে, সর্বশেষ ৪ ফেব্রুয়ারি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর করা হয়েছিল।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ২৬ বারের মতো স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। যার মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৭ বার আর কমানো হয়েছে ৯ বার। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে রুপার দামে কোন পরিবর্তন আনা হয়নি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১০ বার বাড়ানো হয়েছে আর কমানো হয়েছে ৭ বার। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল ৩ বার।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা আমাদের ৩১ দফার মাধ্যমে একটি প্রস্তাব জাতির সামনে অনেক আগেই দিয়েছিলাম। সেই প্রস্তাবটি হচ্ছে— যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার পদের মেয়াদ ১০ বছরের বেশি হবে না।
পরবর্তীতে সরকার গঠিত রিফর্ম কমিশনের সঙ্গে অন্যান্য অনেক দল আলোচনা করেছে, কিন্তু এই প্রস্তাবটি সর্বপ্রথম বিএনপি দিয়েছিল। এটি নথিবদ্ধ (ডকুমেন্টেড)। কাজেই এই কৃতিত্ব অবশ্যই আমরা গ্রহণ করতে চাই। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ইনশাআল্লাহ আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হলে অবশ্যই দেশের আইনের মধ্যে এই বিষয়টি প্রবর্তন করব যে, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার কার্যকাল অতিবাহিত করতে পারবেন।
তিনি বলেন, সাংবিধানিক সংস্কারের অনেক বিষয় আছে। আমাদের অনেক কিছু হয়তো করা প্রয়োজন। একটি বিষয় নিয়ে সুশীল সমাজ ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন মহলে দীর্ঘদিনের আলোচনা ছিল— সেটি হচ্ছে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ।
এটি নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক ও বিতর্ক ছিল। ৩১ দফা যেদিন আমরা উপস্থাপন করি, সেখানে আমরা বলেছিলাম যে, অবশ্যই আমরা এই ৭০ অনুচ্ছেদ বিষয়টিকে পর্যায়ক্রমিকভাবে একটি যৌক্তিক অবস্থানে নিয়ে আসতে চাই। দুই-একটি বিষয় ছাড়া এটি সম্পূর্ণভাবে ধীরে ধীরে আমরা উন্মুক্ত করে দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে যদি গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে হয়, তাহলে যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক চর্চা অর্থাৎ ভোটাধিকার বা ভোটের বিষয়টি আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে। অবশ্যই তা হতে হবে নিরপেক্ষ ভোট— যে ব্যবস্থার ওপর দেশের মানুষের পূর্ণ আস্থা থাকবে।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষের মনে করার কারণ আছে যে ৯১, ৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনের মতো নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা একমাত্র অরাজনৈতিক সরকার অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারই দিতে পারে।
সেজন্যই আমরা ৩১ দফা উপস্থাপনের সময় বলেছি যে, আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাই। পরবর্তীতে বিষয়টি অনেকেই বলেছেন এবং বর্তমান সরকারের সংস্কার কমিশনেও এটি আলোচিত হয়েছে।
দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি এই কৃতিত্ব নিতেই চাইব যে, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম আমরাই এই কথাটি বলেছি। অর্থাৎ, স্বৈরাচারের সময়ে আজ থেকে প্রায় আড়াই বছর আগে যখন আমরা ৩১ দফা উপস্থাপন করি, সেখানে পরিষ্কারভাবে বলেছি— বিএনপি দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে এবং সংসদে প্রয়োজনীয় শক্তি থাকলে আমরা অবশ্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করব।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা আমাদের ৩১ দফার মাধ্যমে একটি প্রস্তাব জাতির সামনে অনেক আগেই দিয়েছিলাম। সেই প্রস্তাবটি হচ্ছে— যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার পদের মেয়াদ ১০ বছরের বেশি হবে না।
পরবর্তীতে সরকার গঠিত রিফর্ম কমিশনের সঙ্গে অন্যান্য অনেক দল আলোচনা করেছে, কিন্তু এই প্রস্তাবটি সর্বপ্রথম বিএনপি দিয়েছিল। এটি নথিবদ্ধ (ডকুমেন্টেড)। কাজেই এই কৃতিত্ব অবশ্যই আমরা গ্রহণ করতে চাই। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ইনশাআল্লাহ আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হলে অবশ্যই দেশের আইনের মধ্যে এই বিষয়টি প্রবর্তন করব যে, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার কার্যকাল অতিবাহিত করতে পারবেন।
তিনি বলেন, সাংবিধানিক সংস্কারের অনেক বিষয় আছে। আমাদের অনেক কিছু হয়তো করা প্রয়োজন। একটি বিষয় নিয়ে সুশীল সমাজ ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন মহলে দীর্ঘদিনের আলোচনা ছিল— সেটি হচ্ছে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ।
এটি নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক ও বিতর্ক ছিল। ৩১ দফা যেদিন আমরা উপস্থাপন করি, সেখানে আমরা বলেছিলাম যে, অবশ্যই আমরা এই ৭০ অনুচ্ছেদ বিষয়টিকে পর্যায়ক্রমিকভাবে একটি যৌক্তিক অবস্থানে নিয়ে আসতে চাই। দুই-একটি বিষয় ছাড়া এটি সম্পূর্ণভাবে ধীরে ধীরে আমরা উন্মুক্ত করে দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে যদি গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে হয়, তাহলে যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক চর্চা অর্থাৎ ভোটাধিকার বা ভোটের বিষয়টি আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে। অবশ্যই তা হতে হবে নিরপেক্ষ ভোট— যে ব্যবস্থার ওপর দেশের মানুষের পূর্ণ আস্থা থাকবে।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষের মনে করার কারণ আছে যে ৯১, ৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনের মতো নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা একমাত্র অরাজনৈতিক সরকার অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারই দিতে পারে।
সেজন্যই আমরা ৩১ দফা উপস্থাপনের সময় বলেছি যে, আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাই। পরবর্তীতে বিষয়টি অনেকেই বলেছেন এবং বর্তমান সরকারের সংস্কার কমিশনেও এটি আলোচিত হয়েছে।
দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি এই কৃতিত্ব নিতেই চাইব যে, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম আমরাই এই কথাটি বলেছি। অর্থাৎ, স্বৈরাচারের সময়ে আজ থেকে প্রায় আড়াই বছর আগে যখন আমরা ৩১ দফা উপস্থাপন করি, সেখানে পরিষ্কারভাবে বলেছি— বিএনপি দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে এবং সংসদে প্রয়োজনীয় শক্তি থাকলে আমরা অবশ্যই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করব।
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:১৬
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৩
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৬
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৩