পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম তার নাম ব্যবহার করে কেউ যেন কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা নিতে না পারে সে নির্দেশনা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে তার নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুর-২ আসনে দুই উপজেলার সরকারি দপ্তরগুলোকে সতর্ক থাকতে লিখিত নির্দেশনা দেন। এ লক্ষ্যে সরকারি প্যাডে আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) জারি করা ওই নির্দেশনায় নগরকান্দা ও সালথার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি অফিসে মন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে কেউ ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে— এমন অভিযোগ পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হচ্ছে। এ ধরনের কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ না দিতে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানানো হয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি যদি তার নাম ব্যবহার করে সুপারিশ, তদবির বা বিশেষ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে তা গুরুত্বসহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার প্রশাসনিক, আইনশৃঙ্খলা ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছেও এই সতর্কবার্তার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা, সমাজসেবা কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, অফিসার ইনচার্জ (ওসি), প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, এলজিইডি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, নির্বাচন কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, খাদ্য নিয়ন্ত্রক, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা, পোস্টমাস্টার, সাব-রেজিস্টার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা রয়েছেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, আমার নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাই সাধারণ মানুষকে হয়রানি বা বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করতে এ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সবাইকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
কেউ যদি তার নাম ভাঙিয়ে কোনো ধরনের সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি। এ নির্দেশনা জারির মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হবে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১৩
চাঁদা না দিলে লোক পাঠিয়ে হামলা চালানোর হুমকি। এমনকি হামলা করতে লোক পাঠাতে হলে খরচ ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলেও ভয় দেখানো হয়। চট্টগ্রাম নগরের এক প্রবাসী ব্যবসায়ীর পরিবারের কাছে ফোন করে এভাবে চাঁদা দাবি করার অভিযোগে সাব্বির হোসেন ওরফে সানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ বলছে, সাব্বির চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ও বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের সহযোগী। তাঁর বাড়ি সাতক্ষীরায় হলেও দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম নগরের হামজারবাগ এলাকায় থাকতেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে প্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শওকতকে ফোন করেন সাব্বির। শওকতের বাবা মোহাম্মদ ইউসুফও প্রবাসী। ফোনে সাব্বির তাঁকে চাঁদার টাকা পরিশোধের জন্য পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। টাকা না দিলে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার হুমকিও দেন।
ফোনালাপে সাব্বিরকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমার বাবাকে কল দিলাম না। তিনি হার্টের রোগী, আবার মরেটরে যাবে। তাই তোমারে জানালাম।’ একই কথোপকথনে তিনি বলেন, ‘একবার যদি ছেলেপুলে পাঠাতে হয়, ঘটনা ঘটাতে হয়, তবে ৫০ লাখ ১ কোটি হয়ে যাবে, কমবে না।’
পুলিশ জানিয়েছে, ওই ফোনালাপের অডিও রেকর্ড তাদের কাছে রয়েছে। হুমকির পর ইউসুফের ভবনের ফটকে গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটে। এরপর থেকেই সাব্বিরকে খুঁজছিল পুলিশ। তবে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির জানিয়েছেন, বড় সাজ্জাদের কাছ থেকে তিনি মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতন পেতেন। কারাগারে থাকা ডেভিড ইমনের পরিবর্তে তাঁকে চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বড় সাজ্জাদ ও তাঁর সহযোগী বোরহান উদ্দিনের নির্দেশে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ফোন করে চাঁদা চাইতেন।
পুলিশ সুপারের ভাষ্য, যেসব ব্যবসায়ী ও শিল্পপতির কাছে চাঁদা চাওয়া হতো, তাঁদের সম্পর্কে আগে থেকেই তথ্য সংগ্রহ করা থাকত। এরপর সাব্বির ফোন করে টাকা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিতেন। টাকা না দিলে লোক পাঠিয়ে হামলা বা গুলি করার হুমকি দিতেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সশস্ত্র হামলাও চালানো হতো।
সাব্বিরের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও হাটহাজারী থানায় দুটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে ভয়ে অনেক ভুক্তভোগী চাঁদা দাবির ঘটনায় মামলা করেননি।
এদিকে গত ২০ জুন নগরের চান্দগাঁওয়ের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় সাব্বিরের অস্ত্র হাতে গুলি ছোড়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। ৩৭ সেকেন্ডের ওই সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সড়কে দাঁড়িয়ে একটি কারখানার দিকে পিস্তল তাক করে গুলি ছুড়ছেন তিনি। পরে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময়ও তাঁকে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি করতে দেখা যায়।
চাঁদা না দিলে লোক পাঠিয়ে হামলা চালানোর হুমকি। এমনকি হামলা করতে লোক পাঠাতে হলে খরচ ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলেও ভয় দেখানো হয়। চট্টগ্রাম নগরের এক প্রবাসী ব্যবসায়ীর পরিবারের কাছে ফোন করে এভাবে চাঁদা দাবি করার অভিযোগে সাব্বির হোসেন ওরফে সানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ বলছে, সাব্বির চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ও বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের সহযোগী। তাঁর বাড়ি সাতক্ষীরায় হলেও দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম নগরের হামজারবাগ এলাকায় থাকতেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে প্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শওকতকে ফোন করেন সাব্বির। শওকতের বাবা মোহাম্মদ ইউসুফও প্রবাসী। ফোনে সাব্বির তাঁকে চাঁদার টাকা পরিশোধের জন্য পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। টাকা না দিলে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার হুমকিও দেন।
ফোনালাপে সাব্বিরকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমার বাবাকে কল দিলাম না। তিনি হার্টের রোগী, আবার মরেটরে যাবে। তাই তোমারে জানালাম।’ একই কথোপকথনে তিনি বলেন, ‘একবার যদি ছেলেপুলে পাঠাতে হয়, ঘটনা ঘটাতে হয়, তবে ৫০ লাখ ১ কোটি হয়ে যাবে, কমবে না।’
পুলিশ জানিয়েছে, ওই ফোনালাপের অডিও রেকর্ড তাদের কাছে রয়েছে। হুমকির পর ইউসুফের ভবনের ফটকে গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটে। এরপর থেকেই সাব্বিরকে খুঁজছিল পুলিশ। তবে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির জানিয়েছেন, বড় সাজ্জাদের কাছ থেকে তিনি মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতন পেতেন। কারাগারে থাকা ডেভিড ইমনের পরিবর্তে তাঁকে চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বড় সাজ্জাদ ও তাঁর সহযোগী বোরহান উদ্দিনের নির্দেশে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ফোন করে চাঁদা চাইতেন।
পুলিশ সুপারের ভাষ্য, যেসব ব্যবসায়ী ও শিল্পপতির কাছে চাঁদা চাওয়া হতো, তাঁদের সম্পর্কে আগে থেকেই তথ্য সংগ্রহ করা থাকত। এরপর সাব্বির ফোন করে টাকা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিতেন। টাকা না দিলে লোক পাঠিয়ে হামলা বা গুলি করার হুমকি দিতেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সশস্ত্র হামলাও চালানো হতো।
সাব্বিরের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও হাটহাজারী থানায় দুটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে ভয়ে অনেক ভুক্তভোগী চাঁদা দাবির ঘটনায় মামলা করেননি।
এদিকে গত ২০ জুন নগরের চান্দগাঁওয়ের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় সাব্বিরের অস্ত্র হাতে গুলি ছোড়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। ৩৭ সেকেন্ডের ওই সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সড়কে দাঁড়িয়ে একটি কারখানার দিকে পিস্তল তাক করে গুলি ছুড়ছেন তিনি। পরে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময়ও তাঁকে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি করতে দেখা যায়।
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০০
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপার বিষয়ে আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।
এর আগে, গত ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ২৪ আগস্ট তাদের আদালতে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু শাপলা চত্বর-সংক্রান্ত হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। অন্যদিকে, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত একটি মামলায় নিম্ন আদালতের আদেশে কারাগারে রয়েছেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপার বিষয়ে আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।
এর আগে, গত ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ২৪ আগস্ট তাদের আদালতে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু শাপলা চত্বর-সংক্রান্ত হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। অন্যদিকে, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত একটি মামলায় নিম্ন আদালতের আদেশে কারাগারে রয়েছেন।

২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৫৩
মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। মাদরাসার মতো পবিত্র প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের গর্হিত কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে যোগ দেন ধর্মমন্ত্রী। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, মাদরাসার মতো পবিত্র স্থানে যাতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে ইমামদের সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে সম্মেলনে সারা দেশ থেকে আসা ইমামদের উদ্দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। কেউ যেন উসকানি দিয়ে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন ধর্মমন্ত্রী।
জুমার খুতবায় মাদক, সন্ত্রাসসহ সব ধরনের সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য তুলে ধরার জন্য ইমামদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ধর্মমন্ত্রীর মতে, সমাজে ইমামদের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এই গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে অপরাধ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন তারা।
এদিকে সম্মেলনে ইমাম সমিতির নেতারা বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।
মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। মাদরাসার মতো পবিত্র প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের গর্হিত কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে যোগ দেন ধর্মমন্ত্রী। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, মাদরাসার মতো পবিত্র স্থানে যাতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে ইমামদের সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে সম্মেলনে সারা দেশ থেকে আসা ইমামদের উদ্দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। কেউ যেন উসকানি দিয়ে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন ধর্মমন্ত্রী।
জুমার খুতবায় মাদক, সন্ত্রাসসহ সব ধরনের সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য তুলে ধরার জন্য ইমামদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ধর্মমন্ত্রীর মতে, সমাজে ইমামদের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এই গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে অপরাধ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন তারা।
এদিকে সম্মেলনে ইমাম সমিতির নেতারা বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪১
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম তার নাম ব্যবহার করে কেউ যেন কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা নিতে না পারে সে নির্দেশনা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে তার নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুর-২ আসনে দুই উপজেলার সরকারি দপ্তরগুলোকে সতর্ক থাকতে লিখিত নির্দেশনা দেন। এ লক্ষ্যে সরকারি প্যাডে আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) জারি করা ওই নির্দেশনায় নগরকান্দা ও সালথার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি অফিসে মন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে কেউ ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে— এমন অভিযোগ পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হচ্ছে। এ ধরনের কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ না দিতে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানানো হয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি যদি তার নাম ব্যবহার করে সুপারিশ, তদবির বা বিশেষ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে তা গুরুত্বসহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার প্রশাসনিক, আইনশৃঙ্খলা ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছেও এই সতর্কবার্তার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা, সমাজসেবা কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, অফিসার ইনচার্জ (ওসি), প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, এলজিইডি প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, নির্বাচন কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, খাদ্য নিয়ন্ত্রক, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা, পোস্টমাস্টার, সাব-রেজিস্টার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা রয়েছেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, আমার নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাই সাধারণ মানুষকে হয়রানি বা বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করতে এ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সবাইকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
কেউ যদি তার নাম ভাঙিয়ে কোনো ধরনের সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি। এ নির্দেশনা জারির মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হবে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১৪:৩৫
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:৩৬
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১০:১১
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ০২:২৮