
১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:১৬
বাংলাদেশের ক্রিকেটে তিনি এক যুগের ধারক-বাহক। বিপিএলের সূচনা থেকে প্রতিটি আসরে উপস্থিতি ছিল নিশ্চিত, পারফরম্যান্স ছিল ধারাবাহিক, আর নেতৃত্বে ছিল প্রভাব। সেই তামিম ইকবালই এবার নিজেই সরে দাঁড়ালেন। এমন এক আসর থেকে, যেখানে তার নামটি ছিল টুর্নামেন্টের সমার্থক। সিদ্ধান্তটা এসেছে স্বাস্থ্য, প্রস্তুতি, দলগত অনিশ্চয়তা—সবকিছুর এক অদৃশ্য জটে।
রোববার (১৬ নভেম্বর) ক্রিকবাজকে তামিম নিশ্চিত করেছেন—আসন্ন বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে নাম প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন তিনি। আগামী ২৩ নভেম্বর নিলাম হওয়ার কথা থাকলেও, তামিম আর থাকছেন না সেই তালিকায়।
শাহরিয়ার নাফীসকে দেয়া অনুরোধের পর তামিম বলেন, “হ্যাঁ, আমি বিপিএলে খেলছি না। আমি অনুরোধ করেছি যেন আমার নাম ড্রাফট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।”
২০১২ সালে বিপিএলের জন্মলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত প্রতিটি আসরে খেলেছেন তামিম। ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতার পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিজের নেতৃত্বগুণও প্রমাণ করেছেন বারবার। শুধু তাই নয়—ফরচুন বরিশালের টানা দুই শিরোপা জয়ের পেছনে অন্যতম স্থপতি ছিলেন তিনি। এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে শীর্ষ পারফর্মারদের একজন।
তবে এবার তার সরে দাঁড়ানোটা খুব অপ্রত্যাশিত নয়। প্রথমত, গত বছরের (মার্চ ২০২৪) হৃদরোগজনিত ঘটনায় মাঠ থেকে দূরে চলে যাওয়া তার ক্যারিয়ারকে নতুন রুটিনে বেঁধে দিয়েছে। এখনও তিনি পুরোপুরি ফিরে আসার জন্য পুনর্বাসন ও স্বাস্থ্যসুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
দ্বিতীয়ত, তামিম যে বরিশালের হয়ে খেলে আসছিলেন, সেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটিই এবার পিছিয়ে গেছে। স্বল্প প্রস্তুতির সময়সীমার কারণ দেখিয়ে তারা অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে—যা তামিমের অংশগ্রহণ নিয়ে দ্বিধা বাড়িয়েছে।
এর বাইরে আরেকটি দিক রয়েছে—ক্রিকেট প্রশাসনে নতুন করে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ। বিসিবি নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্যোগ নিয়ে পরে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন “সরকারি হস্তক্ষেপ”–এর অভিযোগ। ফলে বোঝা যায়, তামিমের চিন্তাভাবনা এখন মাঠের বাইরে আরও বিস্তৃত।
৩৬ বছরের তামিম কবে আবার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরবেন—এ প্রশ্নের উত্তর এখনো পরিষ্কার নয়। তবে বিপিএল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিশ্চিতভাবেই একটি অধ্যায়ের ইতি টেনে দিল, যেটি দীর্ঘদিন তার নামে লেখা ছিল।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে যাঁর ব্যাটিং ছিল অনুপ্রেরণা, সেই তামিম এখন সময় নিচ্ছেন নিজেকে সাজাতে নতুনভাবে—মাঠে হোক, প্রশাসনে হোক, বা দুটো জায়গাতেই।
বাংলাদেশের ক্রিকেটে তিনি এক যুগের ধারক-বাহক। বিপিএলের সূচনা থেকে প্রতিটি আসরে উপস্থিতি ছিল নিশ্চিত, পারফরম্যান্স ছিল ধারাবাহিক, আর নেতৃত্বে ছিল প্রভাব। সেই তামিম ইকবালই এবার নিজেই সরে দাঁড়ালেন। এমন এক আসর থেকে, যেখানে তার নামটি ছিল টুর্নামেন্টের সমার্থক। সিদ্ধান্তটা এসেছে স্বাস্থ্য, প্রস্তুতি, দলগত অনিশ্চয়তা—সবকিছুর এক অদৃশ্য জটে।
রোববার (১৬ নভেম্বর) ক্রিকবাজকে তামিম নিশ্চিত করেছেন—আসন্ন বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে নাম প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন তিনি। আগামী ২৩ নভেম্বর নিলাম হওয়ার কথা থাকলেও, তামিম আর থাকছেন না সেই তালিকায়।
শাহরিয়ার নাফীসকে দেয়া অনুরোধের পর তামিম বলেন, “হ্যাঁ, আমি বিপিএলে খেলছি না। আমি অনুরোধ করেছি যেন আমার নাম ড্রাফট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।”
২০১২ সালে বিপিএলের জন্মলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত প্রতিটি আসরে খেলেছেন তামিম। ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতার পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিজের নেতৃত্বগুণও প্রমাণ করেছেন বারবার। শুধু তাই নয়—ফরচুন বরিশালের টানা দুই শিরোপা জয়ের পেছনে অন্যতম স্থপতি ছিলেন তিনি। এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে শীর্ষ পারফর্মারদের একজন।
তবে এবার তার সরে দাঁড়ানোটা খুব অপ্রত্যাশিত নয়। প্রথমত, গত বছরের (মার্চ ২০২৪) হৃদরোগজনিত ঘটনায় মাঠ থেকে দূরে চলে যাওয়া তার ক্যারিয়ারকে নতুন রুটিনে বেঁধে দিয়েছে। এখনও তিনি পুরোপুরি ফিরে আসার জন্য পুনর্বাসন ও স্বাস্থ্যসুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
দ্বিতীয়ত, তামিম যে বরিশালের হয়ে খেলে আসছিলেন, সেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটিই এবার পিছিয়ে গেছে। স্বল্প প্রস্তুতির সময়সীমার কারণ দেখিয়ে তারা অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে—যা তামিমের অংশগ্রহণ নিয়ে দ্বিধা বাড়িয়েছে।
এর বাইরে আরেকটি দিক রয়েছে—ক্রিকেট প্রশাসনে নতুন করে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ। বিসিবি নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্যোগ নিয়ে পরে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন “সরকারি হস্তক্ষেপ”–এর অভিযোগ। ফলে বোঝা যায়, তামিমের চিন্তাভাবনা এখন মাঠের বাইরে আরও বিস্তৃত।
৩৬ বছরের তামিম কবে আবার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরবেন—এ প্রশ্নের উত্তর এখনো পরিষ্কার নয়। তবে বিপিএল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিশ্চিতভাবেই একটি অধ্যায়ের ইতি টেনে দিল, যেটি দীর্ঘদিন তার নামে লেখা ছিল।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে যাঁর ব্যাটিং ছিল অনুপ্রেরণা, সেই তামিম এখন সময় নিচ্ছেন নিজেকে সাজাতে নতুনভাবে—মাঠে হোক, প্রশাসনে হোক, বা দুটো জায়গাতেই।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০১
বাংলাদেশ ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন এনে সরকার নতুন করে সাজাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তামিম ইকবালকে নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে বিসিবির আগের পরিচালনা পর্ষদ।
মঙ্গলবার সরকারের এ সিদ্ধান্ত আসে গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের পর। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে, যার ভিত্তিতেই এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩৭ বছর বয়সী তামিম ইকবাল এখন পর্যন্ত বিসিবির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী সভাপতি। তার নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে আছেন সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন এবং সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খানসহ আরো কয়েকজন সদস্য।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) জানিয়েছে, আগের বোর্ডটি সঠিকভাবে গঠিত হয়নি এবং কার্যক্রমও ঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারছিল না।
তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) বিষয়টি জানানো হয়েছে। এনএসসি আশা করছে, আইসিসি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করবে।
এর আগে সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম পদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে। বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে চাপ বাড়ছিল।
এর মধ্যেই কয়েকজন পরিচালক পদত্যাগ করায় সংকট আরো গভীর হয়।
আজই সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির অফিসে যাবে তামিমের নেতৃত্বে নতুন অ্যাডহক কমিটি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মিটিংয়ে বসবে নতুন কমিটি।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন এনে সরকার নতুন করে সাজাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তামিম ইকবালকে নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে বিসিবির আগের পরিচালনা পর্ষদ।
মঙ্গলবার সরকারের এ সিদ্ধান্ত আসে গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের পর। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে, যার ভিত্তিতেই এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩৭ বছর বয়সী তামিম ইকবাল এখন পর্যন্ত বিসিবির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী সভাপতি। তার নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে আছেন সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন এবং সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খানসহ আরো কয়েকজন সদস্য।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) জানিয়েছে, আগের বোর্ডটি সঠিকভাবে গঠিত হয়নি এবং কার্যক্রমও ঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারছিল না।
তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) বিষয়টি জানানো হয়েছে। এনএসসি আশা করছে, আইসিসি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করবে।
এর আগে সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম পদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে। বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে চাপ বাড়ছিল।
এর মধ্যেই কয়েকজন পরিচালক পদত্যাগ করায় সংকট আরো গভীর হয়।
আজই সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির অফিসে যাবে তামিমের নেতৃত্বে নতুন অ্যাডহক কমিটি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মিটিংয়ে বসবে নতুন কমিটি।

২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:১০
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ যুব দল। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের নায়ক ছিলেন রোনান সুলিভান, যিনি জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে নজর কাড়েন।
ম্যাচের আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই ফুটবলার রোনান সুলিভান ও ডেকলাইন সুলিভান। তবে প্রথম একাদশে জায়গা পান শুধু রোনানই, আর সুযোগ পেয়ে মাঠেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান তিনি। তার নৈপুণ্য আর আক্রমণভাগে তৎপরতায় পুরো ম্যাচেই এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
যদিও ব্যক্তিগত দক্ষতা দেখিয়েও শুরুতে একা খুব বেশি কিছু করতে পারছিলেন না যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই তরুণ ফুটবলার। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছন্দে ফিরে দলকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ ভারত। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ ২৮ মার্চ। এর আগে ২৬ মার্চ মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। সেই ম্যাচে পাকিস্তান পয়েন্ট হারালেই শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের।
মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে আক্রমণে ধার থাকলেও মাঝমাঠে কিছুটা অগোছালো পাসের কারণে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি দলটি।
৪ মিনিটে মুর্শেদ আলীর ক্রস থেকে সতীর্থের হেড অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। ১৬ মিনিটে নাজমুল ফয়সালের ক্রস ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করে দিলে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া হয়।
৩১ মিনিটে মোহাম্মদ মানিকের জোরালো শট লক্ষ্যে থাকেনি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরো কয়েকটি আক্রমণ করলেও গোল পাওয়া হয়নি।
প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া রোনান সুলিভানের দুর্দান্ত ফ্রি কিকে বল পাকিস্তানের জাল কাঁপালে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১০ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এলেও মুর্শেদ আলীর শট বার ঘেঁষে বাইরে যায়। তবে ৬৭ মিনিটে শেখ সংগ্রামের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনান। আর তাতেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
বরিশাল টাইমস
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ যুব দল। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের নায়ক ছিলেন রোনান সুলিভান, যিনি জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে নজর কাড়েন।
ম্যাচের আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই ফুটবলার রোনান সুলিভান ও ডেকলাইন সুলিভান। তবে প্রথম একাদশে জায়গা পান শুধু রোনানই, আর সুযোগ পেয়ে মাঠেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান তিনি। তার নৈপুণ্য আর আক্রমণভাগে তৎপরতায় পুরো ম্যাচেই এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
যদিও ব্যক্তিগত দক্ষতা দেখিয়েও শুরুতে একা খুব বেশি কিছু করতে পারছিলেন না যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই তরুণ ফুটবলার। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছন্দে ফিরে দলকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ ভারত। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ ২৮ মার্চ। এর আগে ২৬ মার্চ মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। সেই ম্যাচে পাকিস্তান পয়েন্ট হারালেই শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের।
মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে আক্রমণে ধার থাকলেও মাঝমাঠে কিছুটা অগোছালো পাসের কারণে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি দলটি।
৪ মিনিটে মুর্শেদ আলীর ক্রস থেকে সতীর্থের হেড অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। ১৬ মিনিটে নাজমুল ফয়সালের ক্রস ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করে দিলে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া হয়।
৩১ মিনিটে মোহাম্মদ মানিকের জোরালো শট লক্ষ্যে থাকেনি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরো কয়েকটি আক্রমণ করলেও গোল পাওয়া হয়নি।
প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া রোনান সুলিভানের দুর্দান্ত ফ্রি কিকে বল পাকিস্তানের জাল কাঁপালে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১০ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এলেও মুর্শেদ আলীর শট বার ঘেঁষে বাইরে যায়। তবে ৬৭ মিনিটে শেখ সংগ্রামের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনান। আর তাতেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
বরিশাল টাইমস

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.