
১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:১৬
বাংলাদেশের ক্রিকেটে তিনি এক যুগের ধারক-বাহক। বিপিএলের সূচনা থেকে প্রতিটি আসরে উপস্থিতি ছিল নিশ্চিত, পারফরম্যান্স ছিল ধারাবাহিক, আর নেতৃত্বে ছিল প্রভাব। সেই তামিম ইকবালই এবার নিজেই সরে দাঁড়ালেন। এমন এক আসর থেকে, যেখানে তার নামটি ছিল টুর্নামেন্টের সমার্থক। সিদ্ধান্তটা এসেছে স্বাস্থ্য, প্রস্তুতি, দলগত অনিশ্চয়তা—সবকিছুর এক অদৃশ্য জটে।
রোববার (১৬ নভেম্বর) ক্রিকবাজকে তামিম নিশ্চিত করেছেন—আসন্ন বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে নাম প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন তিনি। আগামী ২৩ নভেম্বর নিলাম হওয়ার কথা থাকলেও, তামিম আর থাকছেন না সেই তালিকায়।
শাহরিয়ার নাফীসকে দেয়া অনুরোধের পর তামিম বলেন, “হ্যাঁ, আমি বিপিএলে খেলছি না। আমি অনুরোধ করেছি যেন আমার নাম ড্রাফট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।”
২০১২ সালে বিপিএলের জন্মলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত প্রতিটি আসরে খেলেছেন তামিম। ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতার পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিজের নেতৃত্বগুণও প্রমাণ করেছেন বারবার। শুধু তাই নয়—ফরচুন বরিশালের টানা দুই শিরোপা জয়ের পেছনে অন্যতম স্থপতি ছিলেন তিনি। এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে শীর্ষ পারফর্মারদের একজন।
তবে এবার তার সরে দাঁড়ানোটা খুব অপ্রত্যাশিত নয়। প্রথমত, গত বছরের (মার্চ ২০২৪) হৃদরোগজনিত ঘটনায় মাঠ থেকে দূরে চলে যাওয়া তার ক্যারিয়ারকে নতুন রুটিনে বেঁধে দিয়েছে। এখনও তিনি পুরোপুরি ফিরে আসার জন্য পুনর্বাসন ও স্বাস্থ্যসুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
দ্বিতীয়ত, তামিম যে বরিশালের হয়ে খেলে আসছিলেন, সেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটিই এবার পিছিয়ে গেছে। স্বল্প প্রস্তুতির সময়সীমার কারণ দেখিয়ে তারা অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে—যা তামিমের অংশগ্রহণ নিয়ে দ্বিধা বাড়িয়েছে।
এর বাইরে আরেকটি দিক রয়েছে—ক্রিকেট প্রশাসনে নতুন করে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ। বিসিবি নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্যোগ নিয়ে পরে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন “সরকারি হস্তক্ষেপ”–এর অভিযোগ। ফলে বোঝা যায়, তামিমের চিন্তাভাবনা এখন মাঠের বাইরে আরও বিস্তৃত।
৩৬ বছরের তামিম কবে আবার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরবেন—এ প্রশ্নের উত্তর এখনো পরিষ্কার নয়। তবে বিপিএল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিশ্চিতভাবেই একটি অধ্যায়ের ইতি টেনে দিল, যেটি দীর্ঘদিন তার নামে লেখা ছিল।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে যাঁর ব্যাটিং ছিল অনুপ্রেরণা, সেই তামিম এখন সময় নিচ্ছেন নিজেকে সাজাতে নতুনভাবে—মাঠে হোক, প্রশাসনে হোক, বা দুটো জায়গাতেই।
বাংলাদেশের ক্রিকেটে তিনি এক যুগের ধারক-বাহক। বিপিএলের সূচনা থেকে প্রতিটি আসরে উপস্থিতি ছিল নিশ্চিত, পারফরম্যান্স ছিল ধারাবাহিক, আর নেতৃত্বে ছিল প্রভাব। সেই তামিম ইকবালই এবার নিজেই সরে দাঁড়ালেন। এমন এক আসর থেকে, যেখানে তার নামটি ছিল টুর্নামেন্টের সমার্থক। সিদ্ধান্তটা এসেছে স্বাস্থ্য, প্রস্তুতি, দলগত অনিশ্চয়তা—সবকিছুর এক অদৃশ্য জটে।
রোববার (১৬ নভেম্বর) ক্রিকবাজকে তামিম নিশ্চিত করেছেন—আসন্ন বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে নাম প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন তিনি। আগামী ২৩ নভেম্বর নিলাম হওয়ার কথা থাকলেও, তামিম আর থাকছেন না সেই তালিকায়।
শাহরিয়ার নাফীসকে দেয়া অনুরোধের পর তামিম বলেন, “হ্যাঁ, আমি বিপিএলে খেলছি না। আমি অনুরোধ করেছি যেন আমার নাম ড্রাফট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।”
২০১২ সালে বিপিএলের জন্মলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত প্রতিটি আসরে খেলেছেন তামিম। ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতার পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিজের নেতৃত্বগুণও প্রমাণ করেছেন বারবার। শুধু তাই নয়—ফরচুন বরিশালের টানা দুই শিরোপা জয়ের পেছনে অন্যতম স্থপতি ছিলেন তিনি। এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে শীর্ষ পারফর্মারদের একজন।
তবে এবার তার সরে দাঁড়ানোটা খুব অপ্রত্যাশিত নয়। প্রথমত, গত বছরের (মার্চ ২০২৪) হৃদরোগজনিত ঘটনায় মাঠ থেকে দূরে চলে যাওয়া তার ক্যারিয়ারকে নতুন রুটিনে বেঁধে দিয়েছে। এখনও তিনি পুরোপুরি ফিরে আসার জন্য পুনর্বাসন ও স্বাস্থ্যসুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
দ্বিতীয়ত, তামিম যে বরিশালের হয়ে খেলে আসছিলেন, সেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটিই এবার পিছিয়ে গেছে। স্বল্প প্রস্তুতির সময়সীমার কারণ দেখিয়ে তারা অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে—যা তামিমের অংশগ্রহণ নিয়ে দ্বিধা বাড়িয়েছে।
এর বাইরে আরেকটি দিক রয়েছে—ক্রিকেট প্রশাসনে নতুন করে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ। বিসিবি নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্যোগ নিয়ে পরে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন “সরকারি হস্তক্ষেপ”–এর অভিযোগ। ফলে বোঝা যায়, তামিমের চিন্তাভাবনা এখন মাঠের বাইরে আরও বিস্তৃত।
৩৬ বছরের তামিম কবে আবার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরবেন—এ প্রশ্নের উত্তর এখনো পরিষ্কার নয়। তবে বিপিএল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিশ্চিতভাবেই একটি অধ্যায়ের ইতি টেনে দিল, যেটি দীর্ঘদিন তার নামে লেখা ছিল।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে যাঁর ব্যাটিং ছিল অনুপ্রেরণা, সেই তামিম এখন সময় নিচ্ছেন নিজেকে সাজাতে নতুনভাবে—মাঠে হোক, প্রশাসনে হোক, বা দুটো জায়গাতেই।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস

১১ মার্চ, ২০২৬ ২২:২০
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৬-এর দামামা বাজার আগেই ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এলো চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে)। কিংবদন্তি উইকেটকিপার-ব্যাটার মহেন্দ্র সিং ধোনিকে আগামী মৌসুমে সবকটি ম্যাচেই মাঠে দেখা যাবে বলে নিশ্চিত করেছে চেন্নাই।
বুধবার চেন্নাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সিএসকে-র প্রধান নির্বাহী (সিইও) কাশি বিশ্বনাথন ধোনির প্রাপ্যতা নিয়ে চলা সব জল্পনার অবসান ঘটান।
বিশ্বনাথন বলেন, তিনি খেলবেন, সব ম্যাচেই খেলবেন। তবে মাঠে তার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে—তিনি কি কেবল ব্যাটার হিসেবে খেলবেন নাকি উইকেটকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কোচিং স্টাফরা।
আসন্ন ২০২৬ মৌসুমটি সিএসকে-র জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। গত বছর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে আসর শেষ করতে হয়েছিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের।
সেই দুঃস্বপ্ন ভুলে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বে এবার ঘুরে দাঁড়াতে চায় তারা। ধোনির অভিজ্ঞতা এবং গায়কোয়াড়ের তারুণ্য মিলে চেন্নাই তাদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে বদ্ধপরিকর।
এবারের আসরে চেন্নাইয়ের সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস হতে চলেছেন সঞ্জু স্যামসন। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারতের শিরোপা জয়ে মহাকাব্যিক ভূমিকা রেখেছেন এই ব্যাটার।
টুর্নামেন্টে ৩২১ রান করে এবং ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে তিনি 'প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট' নির্বাচিত হয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৬-এর দামামা বাজার আগেই ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এলো চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে)। কিংবদন্তি উইকেটকিপার-ব্যাটার মহেন্দ্র সিং ধোনিকে আগামী মৌসুমে সবকটি ম্যাচেই মাঠে দেখা যাবে বলে নিশ্চিত করেছে চেন্নাই।
বুধবার চেন্নাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সিএসকে-র প্রধান নির্বাহী (সিইও) কাশি বিশ্বনাথন ধোনির প্রাপ্যতা নিয়ে চলা সব জল্পনার অবসান ঘটান।
বিশ্বনাথন বলেন, তিনি খেলবেন, সব ম্যাচেই খেলবেন। তবে মাঠে তার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে—তিনি কি কেবল ব্যাটার হিসেবে খেলবেন নাকি উইকেটকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কোচিং স্টাফরা।
আসন্ন ২০২৬ মৌসুমটি সিএসকে-র জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। গত বছর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে আসর শেষ করতে হয়েছিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের।
সেই দুঃস্বপ্ন ভুলে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বে এবার ঘুরে দাঁড়াতে চায় তারা। ধোনির অভিজ্ঞতা এবং গায়কোয়াড়ের তারুণ্য মিলে চেন্নাই তাদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে বদ্ধপরিকর।
এবারের আসরে চেন্নাইয়ের সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস হতে চলেছেন সঞ্জু স্যামসন। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারতের শিরোপা জয়ে মহাকাব্যিক ভূমিকা রেখেছেন এই ব্যাটার।
টুর্নামেন্টে ৩২১ রান করে এবং ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে তিনি 'প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট' নির্বাচিত হয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৩
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পেল বাংলাদেশ। ব্যাটিং ও বোলিংয়ে নজরকাড়া পারফরম্যান্সে সিরিজ শুরু করল টাইগাররা।
আজ বুধবার (১১ মার্চ) সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের দেওয়া মাত্র ১১৪ রানের জবাবে ব্যাট হাতে আক্রমণাত্মক শুরু করে টাইগাররা। বাংলাদেশের হয়ে ওপেনিংয়ে আসেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই ১০ রান সংগ্রহ করে নেয় টাইগাররা। দলীয় ২.৩ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ২৭ রান। তবে ওই ২৭ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ৪ রানে শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে শামায়েল হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ। সাইফ আউট হলে ক্রিজে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
শান্ত ও তানজিদের ব্যাটে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। প্রথম পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলে নেয় ৮১ রান। পাওয়ার প্লের পর দলীয় ১০৯ রানে শান্তর উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৩৩ বলে ২৭ রানে ওয়াসিমের বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শান্ত।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পেল বাংলাদেশ। ব্যাটিং ও বোলিংয়ে নজরকাড়া পারফরম্যান্সে সিরিজ শুরু করল টাইগাররা।
আজ বুধবার (১১ মার্চ) সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের দেওয়া মাত্র ১১৪ রানের জবাবে ব্যাট হাতে আক্রমণাত্মক শুরু করে টাইগাররা। বাংলাদেশের হয়ে ওপেনিংয়ে আসেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই ১০ রান সংগ্রহ করে নেয় টাইগাররা। দলীয় ২.৩ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ২৭ রান। তবে ওই ২৭ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ৪ রানে শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে শামায়েল হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ। সাইফ আউট হলে ক্রিজে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
শান্ত ও তানজিদের ব্যাটে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। প্রথম পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলে নেয় ৮১ রান। পাওয়ার প্লের পর দলীয় ১০৯ রানে শান্তর উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৩৩ বলে ২৭ রানে ওয়াসিমের বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শান্ত।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২১:২৬
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫০
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪১
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯