
১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:১৬
বাংলাদেশের ক্রিকেটে তিনি এক যুগের ধারক-বাহক। বিপিএলের সূচনা থেকে প্রতিটি আসরে উপস্থিতি ছিল নিশ্চিত, পারফরম্যান্স ছিল ধারাবাহিক, আর নেতৃত্বে ছিল প্রভাব। সেই তামিম ইকবালই এবার নিজেই সরে দাঁড়ালেন। এমন এক আসর থেকে, যেখানে তার নামটি ছিল টুর্নামেন্টের সমার্থক। সিদ্ধান্তটা এসেছে স্বাস্থ্য, প্রস্তুতি, দলগত অনিশ্চয়তা—সবকিছুর এক অদৃশ্য জটে।
রোববার (১৬ নভেম্বর) ক্রিকবাজকে তামিম নিশ্চিত করেছেন—আসন্ন বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে নাম প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন তিনি। আগামী ২৩ নভেম্বর নিলাম হওয়ার কথা থাকলেও, তামিম আর থাকছেন না সেই তালিকায়।
শাহরিয়ার নাফীসকে দেয়া অনুরোধের পর তামিম বলেন, “হ্যাঁ, আমি বিপিএলে খেলছি না। আমি অনুরোধ করেছি যেন আমার নাম ড্রাফট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।”
২০১২ সালে বিপিএলের জন্মলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত প্রতিটি আসরে খেলেছেন তামিম। ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতার পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিজের নেতৃত্বগুণও প্রমাণ করেছেন বারবার। শুধু তাই নয়—ফরচুন বরিশালের টানা দুই শিরোপা জয়ের পেছনে অন্যতম স্থপতি ছিলেন তিনি। এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে শীর্ষ পারফর্মারদের একজন।
তবে এবার তার সরে দাঁড়ানোটা খুব অপ্রত্যাশিত নয়। প্রথমত, গত বছরের (মার্চ ২০২৪) হৃদরোগজনিত ঘটনায় মাঠ থেকে দূরে চলে যাওয়া তার ক্যারিয়ারকে নতুন রুটিনে বেঁধে দিয়েছে। এখনও তিনি পুরোপুরি ফিরে আসার জন্য পুনর্বাসন ও স্বাস্থ্যসুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
দ্বিতীয়ত, তামিম যে বরিশালের হয়ে খেলে আসছিলেন, সেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটিই এবার পিছিয়ে গেছে। স্বল্প প্রস্তুতির সময়সীমার কারণ দেখিয়ে তারা অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে—যা তামিমের অংশগ্রহণ নিয়ে দ্বিধা বাড়িয়েছে।
এর বাইরে আরেকটি দিক রয়েছে—ক্রিকেট প্রশাসনে নতুন করে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ। বিসিবি নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্যোগ নিয়ে পরে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন “সরকারি হস্তক্ষেপ”–এর অভিযোগ। ফলে বোঝা যায়, তামিমের চিন্তাভাবনা এখন মাঠের বাইরে আরও বিস্তৃত।
৩৬ বছরের তামিম কবে আবার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরবেন—এ প্রশ্নের উত্তর এখনো পরিষ্কার নয়। তবে বিপিএল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিশ্চিতভাবেই একটি অধ্যায়ের ইতি টেনে দিল, যেটি দীর্ঘদিন তার নামে লেখা ছিল।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে যাঁর ব্যাটিং ছিল অনুপ্রেরণা, সেই তামিম এখন সময় নিচ্ছেন নিজেকে সাজাতে নতুনভাবে—মাঠে হোক, প্রশাসনে হোক, বা দুটো জায়গাতেই।
বাংলাদেশের ক্রিকেটে তিনি এক যুগের ধারক-বাহক। বিপিএলের সূচনা থেকে প্রতিটি আসরে উপস্থিতি ছিল নিশ্চিত, পারফরম্যান্স ছিল ধারাবাহিক, আর নেতৃত্বে ছিল প্রভাব। সেই তামিম ইকবালই এবার নিজেই সরে দাঁড়ালেন। এমন এক আসর থেকে, যেখানে তার নামটি ছিল টুর্নামেন্টের সমার্থক। সিদ্ধান্তটা এসেছে স্বাস্থ্য, প্রস্তুতি, দলগত অনিশ্চয়তা—সবকিছুর এক অদৃশ্য জটে।
রোববার (১৬ নভেম্বর) ক্রিকবাজকে তামিম নিশ্চিত করেছেন—আসন্ন বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে নাম প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন তিনি। আগামী ২৩ নভেম্বর নিলাম হওয়ার কথা থাকলেও, তামিম আর থাকছেন না সেই তালিকায়।
শাহরিয়ার নাফীসকে দেয়া অনুরোধের পর তামিম বলেন, “হ্যাঁ, আমি বিপিএলে খেলছি না। আমি অনুরোধ করেছি যেন আমার নাম ড্রাফট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।”
২০১২ সালে বিপিএলের জন্মলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত প্রতিটি আসরে খেলেছেন তামিম। ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতার পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিজের নেতৃত্বগুণও প্রমাণ করেছেন বারবার। শুধু তাই নয়—ফরচুন বরিশালের টানা দুই শিরোপা জয়ের পেছনে অন্যতম স্থপতি ছিলেন তিনি। এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে শীর্ষ পারফর্মারদের একজন।
তবে এবার তার সরে দাঁড়ানোটা খুব অপ্রত্যাশিত নয়। প্রথমত, গত বছরের (মার্চ ২০২৪) হৃদরোগজনিত ঘটনায় মাঠ থেকে দূরে চলে যাওয়া তার ক্যারিয়ারকে নতুন রুটিনে বেঁধে দিয়েছে। এখনও তিনি পুরোপুরি ফিরে আসার জন্য পুনর্বাসন ও স্বাস্থ্যসুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
দ্বিতীয়ত, তামিম যে বরিশালের হয়ে খেলে আসছিলেন, সেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটিই এবার পিছিয়ে গেছে। স্বল্প প্রস্তুতির সময়সীমার কারণ দেখিয়ে তারা অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে—যা তামিমের অংশগ্রহণ নিয়ে দ্বিধা বাড়িয়েছে।
এর বাইরে আরেকটি দিক রয়েছে—ক্রিকেট প্রশাসনে নতুন করে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ। বিসিবি নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্যোগ নিয়ে পরে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন “সরকারি হস্তক্ষেপ”–এর অভিযোগ। ফলে বোঝা যায়, তামিমের চিন্তাভাবনা এখন মাঠের বাইরে আরও বিস্তৃত।
৩৬ বছরের তামিম কবে আবার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরবেন—এ প্রশ্নের উত্তর এখনো পরিষ্কার নয়। তবে বিপিএল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিশ্চিতভাবেই একটি অধ্যায়ের ইতি টেনে দিল, যেটি দীর্ঘদিন তার নামে লেখা ছিল।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে যাঁর ব্যাটিং ছিল অনুপ্রেরণা, সেই তামিম এখন সময় নিচ্ছেন নিজেকে সাজাতে নতুনভাবে—মাঠে হোক, প্রশাসনে হোক, বা দুটো জায়গাতেই।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:৪৮
জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে ঘিরে কথিত পুলিশি হেনস্তার ঘটনায় উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটার। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ শেষে চট্টগ্রামে ফেরার পথে নাঈম হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে একটি ঘটনার মুখোমুখি হন। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয় এবং সেখানে অসদাচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তিনি লেখেন, নাঈমের সঙ্গে যা ঘটেছে তা অগ্রহণযোগ্য এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, এ ঘটনা তাকে ব্যথিত করেছে এবং নাঈমের পাশে থাকার বার্তা দেন।
পেসার তাসকিন আহমেদও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাসও নাঈমের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে একজন সতীর্থকে যেতে দেখা কষ্টের এবং দেশের কোনো নাগরিকেরই এমন আচরণের মুখোমুখি হওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের প্রত্যাশা জানান তিনি।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন পুলিশ সদস্যকে খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে ঘিরে কথিত পুলিশি হেনস্তার ঘটনায় উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটার। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ শেষে চট্টগ্রামে ফেরার পথে নাঈম হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে একটি ঘটনার মুখোমুখি হন। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয় এবং সেখানে অসদাচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তিনি লেখেন, নাঈমের সঙ্গে যা ঘটেছে তা অগ্রহণযোগ্য এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, এ ঘটনা তাকে ব্যথিত করেছে এবং নাঈমের পাশে থাকার বার্তা দেন।
পেসার তাসকিন আহমেদও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাসও নাঈমের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে একজন সতীর্থকে যেতে দেখা কষ্টের এবং দেশের কোনো নাগরিকেরই এমন আচরণের মুখোমুখি হওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের প্রত্যাশা জানান তিনি।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন পুলিশ সদস্যকে খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

০৮ জুন, ২০২৬ ২০:০৮
১৯৯০ সালে বাংলাদেশের একটি অনূর্ধ্ব-১৪ দল ‘বাংলা একাদশ’ নামে ইউরোপে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ ও গথিয়া কাপে অংশ নেয় বলে বিভিন্ন আলোচনায় উল্লেখ পাওয়া যায়। ওই সময়ের একটি ঘটনার বিষয়ে দাবি করা হয় যে, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের বিপক্ষে ৭–০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের গণমাধ্যম উপদেষ্টা তৌহিদ ফিরোজ এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে জানান, ডেনমার্কে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ এবং সুইডেনে অনুষ্ঠিত গথিয়া কাপ বিশ্বের তরুণ ফুটবলারদের অন্যতম বড় আসর হিসেবে পরিচিত।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই প্রতিযোগিতায় ‘বাংলা একাদশ’ নামের বাংলাদেশের যুব দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের মুখোমুখি হয়ে ৭–০ গোলের ব্যবধানে জয় পায়।
তিনি আরও দাবি করেন, ব্রাজিলের কিশোর ফুটবলাররা তাদের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি পরে মাঠে নেমেছিল এবং ম্যাচটি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শুধু এই ম্যাচই নয়, টুর্নামেন্টে আরও কয়েকটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষেও বাংলাদেশ বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বলে তখনকার কিছু সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ পাওয়া যায়।
তবে ফুটবল ইতিহাস ও জাতীয় দলের আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্রাজিলের বিপক্ষে এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল ব্যবধানে জয় পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ১৯৩৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার ৮–৪ গোলের জয় এবং ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির ৭–১ গোলের জয়।
তবে বাংলাদেশের এই ৭–০ জয়ের গল্পটি জাতীয় দলের কোনো ম্যাচ নয়—এটি একটি আন্তর্জাতিক যুব টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া অনূর্ধ্ব-১৪ পর্যায়ের দলের একটি ম্যাচকে ঘিরে আলোচিত দাবি। ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এত বড় ব্যবধানে হার বা জয় বিরল হওয়ায় ঘটনাটি এখনও অনেকের কৌতূহলের বিষয় হয়ে আছে।
১৯৯০ সালে বাংলাদেশের একটি অনূর্ধ্ব-১৪ দল ‘বাংলা একাদশ’ নামে ইউরোপে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ ও গথিয়া কাপে অংশ নেয় বলে বিভিন্ন আলোচনায় উল্লেখ পাওয়া যায়। ওই সময়ের একটি ঘটনার বিষয়ে দাবি করা হয় যে, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের বিপক্ষে ৭–০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের গণমাধ্যম উপদেষ্টা তৌহিদ ফিরোজ এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে জানান, ডেনমার্কে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ এবং সুইডেনে অনুষ্ঠিত গথিয়া কাপ বিশ্বের তরুণ ফুটবলারদের অন্যতম বড় আসর হিসেবে পরিচিত।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই প্রতিযোগিতায় ‘বাংলা একাদশ’ নামের বাংলাদেশের যুব দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের মুখোমুখি হয়ে ৭–০ গোলের ব্যবধানে জয় পায়।
তিনি আরও দাবি করেন, ব্রাজিলের কিশোর ফুটবলাররা তাদের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি পরে মাঠে নেমেছিল এবং ম্যাচটি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শুধু এই ম্যাচই নয়, টুর্নামেন্টে আরও কয়েকটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষেও বাংলাদেশ বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বলে তখনকার কিছু সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ পাওয়া যায়।
তবে ফুটবল ইতিহাস ও জাতীয় দলের আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্রাজিলের বিপক্ষে এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল ব্যবধানে জয় পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ১৯৩৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার ৮–৪ গোলের জয় এবং ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির ৭–১ গোলের জয়।
তবে বাংলাদেশের এই ৭–০ জয়ের গল্পটি জাতীয় দলের কোনো ম্যাচ নয়—এটি একটি আন্তর্জাতিক যুব টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া অনূর্ধ্ব-১৪ পর্যায়ের দলের একটি ম্যাচকে ঘিরে আলোচিত দাবি। ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এত বড় ব্যবধানে হার বা জয় বিরল হওয়ায় ঘটনাটি এখনও অনেকের কৌতূহলের বিষয় হয়ে আছে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১২:৪০
আবারও ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী নেপালকে ২–১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালের টিকিট কাটল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছেন ঋতুপর্ণা ও সাগরিকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঋতুপর্ণা কর্নার থেকে সরাসরি গোল করেন। আর সাগরিকা গোল করেছেন দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে, শামসুন্নাহার জুনিয়রের সহায়তায়। এর আগে বাংলাদেশ গোল হজম করেছিল ২৩ মিনিটে, গোল করেন নেপালের গীতা রানা।
বুধবার (০৩ জুন) গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে একসময় পিছিয়ে পড়েও অলিম্পিক গোল আর শেষ মুহূর্তের চমৎকার ফিনিশিংয়ে জয় ছিনিয়ে নিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশের চার বছরের গৌরবময় রাজত্ব টিকে রইল, আর এক ধাপ দূরে রইল শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার মিশন।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে নেপাল। শুরুতেই নেপালের আক্রমণের চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ম্যাচের ২৩ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে নেপালকে এগিয়ে নেন গীতা রানা। দীপা শাহির দারুণ ক্রসে কেবল পায়ের টোকা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
প্রথমার্ধের ঠিক শেষ সময়ে মাঠে দেখা গেল জাদুকরী এক মুহূর্ত। পুরো ম্যাচ জুড়ে প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকা ঋতুপর্ণা চাকমা প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সরাসরি কর্নার থেকে এক অবিশ্বাস্য গোল করে বসেন। ফুটবল পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘অলিম্পিক গোল’। সরাসরি কর্নার থেকে বল জালে জড়িয়ে তিনি বাংলাদেশকে ১-১ সমতায় ফেরান এবং এই গোলের পর মাঠে নতুন করে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সাবিনারা।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ১২ মিনিট আগে অর্থাৎ ৭৮ মিনিটে লিড নেওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিলেন সাগরিকা। কিন্তু তার নেওয়া জোরালো শটটি নেপাল অধিনায়ক তথা গোলরক্ষক সুব্বা লাফিয়ে উঠে দারুণভাবে ঘুষি মেরে ফিরিয়ে দেন। তবে সেই সুযোগ মিসের হতাশা কাটাতে বেশি সময় নেননি সাগরিকা। ম্যাচের ৮১ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের নিখুঁত পাস থেকে বল পান তিনি। পেছনে নেপালের দুজন ডিফেন্ডার লেগে থাকলেও তাদের ফাঁকি দিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে দেন সাগরিকা।
সাগরিকার এই জয়সূচক গোলেই শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এবং টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে ফাইনালের মঞ্চে পা রাখল লাল-সবুজ বাহিনী।
বরিশাল টাইমস
আবারও ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী নেপালকে ২–১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালের টিকিট কাটল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছেন ঋতুপর্ণা ও সাগরিকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঋতুপর্ণা কর্নার থেকে সরাসরি গোল করেন। আর সাগরিকা গোল করেছেন দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে, শামসুন্নাহার জুনিয়রের সহায়তায়। এর আগে বাংলাদেশ গোল হজম করেছিল ২৩ মিনিটে, গোল করেন নেপালের গীতা রানা।
বুধবার (০৩ জুন) গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে একসময় পিছিয়ে পড়েও অলিম্পিক গোল আর শেষ মুহূর্তের চমৎকার ফিনিশিংয়ে জয় ছিনিয়ে নিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশের চার বছরের গৌরবময় রাজত্ব টিকে রইল, আর এক ধাপ দূরে রইল শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার মিশন।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে নেপাল। শুরুতেই নেপালের আক্রমণের চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ম্যাচের ২৩ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে নেপালকে এগিয়ে নেন গীতা রানা। দীপা শাহির দারুণ ক্রসে কেবল পায়ের টোকা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
প্রথমার্ধের ঠিক শেষ সময়ে মাঠে দেখা গেল জাদুকরী এক মুহূর্ত। পুরো ম্যাচ জুড়ে প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকা ঋতুপর্ণা চাকমা প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সরাসরি কর্নার থেকে এক অবিশ্বাস্য গোল করে বসেন। ফুটবল পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘অলিম্পিক গোল’। সরাসরি কর্নার থেকে বল জালে জড়িয়ে তিনি বাংলাদেশকে ১-১ সমতায় ফেরান এবং এই গোলের পর মাঠে নতুন করে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সাবিনারা।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ১২ মিনিট আগে অর্থাৎ ৭৮ মিনিটে লিড নেওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিলেন সাগরিকা। কিন্তু তার নেওয়া জোরালো শটটি নেপাল অধিনায়ক তথা গোলরক্ষক সুব্বা লাফিয়ে উঠে দারুণভাবে ঘুষি মেরে ফিরিয়ে দেন। তবে সেই সুযোগ মিসের হতাশা কাটাতে বেশি সময় নেননি সাগরিকা। ম্যাচের ৮১ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের নিখুঁত পাস থেকে বল পান তিনি। পেছনে নেপালের দুজন ডিফেন্ডার লেগে থাকলেও তাদের ফাঁকি দিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে দেন সাগরিকা।
সাগরিকার এই জয়সূচক গোলেই শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এবং টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে ফাইনালের মঞ্চে পা রাখল লাল-সবুজ বাহিনী।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ জুন, ২০২৬ ১৬:২০
১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:৪৮
১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:২৫
১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪