বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা এসএম জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে আগস্টে সরকারবিরোধী আন্দোলনকারী খুনের মামলা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সকারের মন্ত্রী-এমপিদের নির্দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে গত ৫ আগস্ট রাজধানী ঢাকার ভাটারাধীন এলাকায় তিনি ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালিয়েছেন। সেই হামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহযোদ্ধা আল-আমিনের মৃত্যু হয়। জাকিরসহ সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত শিক্ষার্থীর আপন চাচা পঞ্চাশোর্ধ্ব ‘রহমান মাল’ বাদী হয়ে গত ১ ডিসেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৮৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২৫০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে মামলাটি করেন। আলোচিত এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ তৎকালীন সরকারের মন্ত্রী-এমপি, সরকারি কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী, জাতীয় পার্টির শীর্ষসারির নেতাদের অভিযুক্ত করা হয়।
মামলাটির ৮৪ নং অভিযুক্ত জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে বরিশালে ব্যাপক ত্রাস চালিয়েছে। এবং রাজনৈতিক ব্যানারে বহুমুখী অপকর্ম করতে গিয়ে সে সমূহ বিপদের আলামত পেয়ে একাধিকবার নেতাও বদল করে। প্রথমে সে শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র নাম ভাঙিয়ে চললেও পরর্তীতে তারই পুত্র মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র কাছাকাছি জাকিরকে দেখা যায়। পরে সাদিকের সাথে দূরত্ব তৈরি হলে এসএম জাকির বরিশাল সদর আসনের এমপি ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের সান্নিধ্য পেতে দৌঁড়ঝাপ শুরু করে, এবং কিছুদিন পর কাঙ্খিত লক্ষেও পৌছে যায়।

সূত্র জানিয়েছে, প্রথমে হাসানাত আব্দুল্লাহ, পরে তার ছেলে সাদিক আব্দুল্লাহ এবং সর্বশেষ জাহিদ ফারুকের সাথে ছত্রছায়ায় থেকে জাকির ধনকূবের বনে গেছে। বিশেষ করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেশ কয়েকটি ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নিয়ে সে ব্যাপক অর্থ কামিয়ে নিয়েছে। এবং রাজনৈতিক পদবিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বেলসপার্কসংলগ্ন শতকোটি টাকার সরকারি ভূমি তার স্ত্রীর নামে বরাদ্দও নিয়ে নেয়।
জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, সাবেক জেলা প্রশাসককে জনৈক শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতার চাপের মুখে অফিসার্স মেসের ভূমিটি জাকিরের স্ত্রীর নামে বরাদ্দ দিতে বাধ্য করে। এবং প্রশাসন তাকে ভূমিটিতে ভবন নির্মাণ করার ক্ষেত্রে শর্তজুড়ে দিলেও তা উপেক্ষা করেছে। এছাড়া সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে জাকিরের স্ত্রী নামে প্লানবিহীন ভবনটিতে রেস্তোরাঁ করা নিয়েও তুমুল বিতর্ক রয়েছে।
এছাড়াও বহু অঘটন পটিয়াসি এসএম জাকির হোসেন বরিশালে বিরোধী মতের সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলা চালিয়ে মারধর করা এবং বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে একাধিক সংবাদকর্মীকে জেল খাটানোর অভিযোগও আছে। তৎকালীন সময় তার হাত থেকে রেহাই পাননি বিএনপি নেতাকর্মীরাও। সে বরিশাল বিএনপি নেতা মুসফিকুল হাসান মাসুমকে মামলা দিয়ে তার হয়রানি করাসহ ইন্টারনেট ব্যবসা বন্ধ করেও দেয়।
বরিশালের এই ত্রাস সর্বশেষ আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন অর্থাৎ ৫ আগস্ট রাজধানী ঢাকার ভাটারা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহযোদ্ধার ওপর সদলবলে হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে, যা অনেকের ছিল অজনা, আসেনি আলোচনায়ও। সেই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত আল-আমিনের চাচা ঢাকার আদালতে গত ১ ডিসেম্বর সন্ত্রাসী জাকিরসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষসারির নেতাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে ভাটারা থানা পুলিশকে নথিভুক্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ দেন। বরিশাল আওয়ামী সন্ত্রাস জাকির ঢাকায় আন্দোলনকারী খুনে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে, এই খবর বুধবার রাতে ছড়িয়ে পড়লে সংবাদকর্মীরা তথ্য সংগ্রহে দৌঁড়ঝাপ শুরু করেন।
এদিকে ভাটারা থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে জানিয়েছে, আদালতের আদেশে মামলাটি নথিভুক্ত করাসহ অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের ধরতে পুলিশ ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আওয়ামী সন্ত্রাসী এসএম জাকির ৫ আগস্ট ঢাকায় খুন করে কদিন আত্মগোপনে থাকলেও পরবর্তীতে বরিশালে এসে বীরদর্পে ঘোরাঘুরি শুরু করে। এবং বোল পাল্টে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীসহ বরিশাল প্রশাসনের সান্নিধ্য পেতে মরিয়া চেষ্টা করতে থাকে, যা নিয়েও তুমুল বিকর্ত দেখা দেয়। তবে রহস্যজনক কারণে বরিশালে সে কোনো মামলায় অভিযুক্ত হয়নি।
অভিযোগ আছে, এই আওয়ামী সন্ত্রাসীকে বরিশালের খিস্ট্রান সম্প্রদায় আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। এবং আইনজীবীর মাধ্যমে তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ফিরিস্তি উপস্থাপন করলেও তার উগ্রতা রোহিত করা সম্ভব হয়নি।
অভিজ্ঞমহল বলছে, এসএম জাকির আওয়ামী লীগের ব্যানারে গত কয়েক বছরে নানান অপকর্ম করেছে। সর্বশেষ সে আন্দোলনকারী খুনে জড়িত এমন তথ্য এতদিন লুকোচাপা থাকলেও শেষত্বক প্রকাশে এসেছে। এবং তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচিৎ এই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা।’

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:৩১
বরিশাল প্রেসক্লাব ও বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি প্রয়াত অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসাইন নেগাবান মন্টুর একমাত্র পুত্র ইঞ্জিনিয়ার ইমাম হোসাইন রোহানের সাথে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান ও বাবুগঞ্জ শিক্ষা-সামাজিক উন্নয়ন বাস্তবায়ন পরিষদের আহবায়ক বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মফিজুর রহমান পিন্টু সিকদারের জ্যেষ্ঠ কন্যা আমিনা রহমান সেতুর শুভ বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানী ঢাকার রমনা চাইনিজ রেস্তোরাঁয় রোববার (১৬ আগস্ট) এক উৎসবমুখর পরিবেশে উভয় পক্ষের নিকট আত্মীয়-স্বজনের উপস্থিতিতে ওই শুভ বাগদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়।
নববর ইঞ্জিনিয়ার ইমাম হোসাইন রোহান উত্তরা ইউনিভার্সিটি থেকে বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE) সাবজেক্টে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পরে বর্তমানে রাজধানীর একটি স্বনামধন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এদিকে নবপরিণীতা আমিনা রহমান সেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুষদে প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত। সেতু বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ আজাদ, র্যাব-১'এর উপ-সহকারী পরিচালক মজিবুর রহমান সুমন এবং বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ফায়জুল হক মুন্নার আপন ভাগ্নি।
বাগদান অনুষ্ঠানে আগামী ঈদুল আজহার ছুটিতে কনের পিত্রালয়ে তাদের সকল আত্মীয়-স্বজন, এলাকাবাসী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান করার ঘোষণা দেওয়া হয়। একইসাথে নবদম্পতির সুখময় আগামীর সমৃদ্ধ নতুন জীবনের শুভ সূচনার জন্য উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া প্রার্থনা করা হয়। #

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪৯

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৯

২৯ মে, ২০২৫ ১৬:২৬
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা এসএম জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে আগস্টে সরকারবিরোধী আন্দোলনকারী খুনের মামলা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সকারের মন্ত্রী-এমপিদের নির্দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে গত ৫ আগস্ট রাজধানী ঢাকার ভাটারাধীন এলাকায় তিনি ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালিয়েছেন। সেই হামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহযোদ্ধা আল-আমিনের মৃত্যু হয়। জাকিরসহ সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত শিক্ষার্থীর আপন চাচা পঞ্চাশোর্ধ্ব ‘রহমান মাল’ বাদী হয়ে গত ১ ডিসেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৮৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২৫০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে মামলাটি করেন। আলোচিত এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ তৎকালীন সরকারের মন্ত্রী-এমপি, সরকারি কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী, জাতীয় পার্টির শীর্ষসারির নেতাদের অভিযুক্ত করা হয়।
মামলাটির ৮৪ নং অভিযুক্ত জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে বরিশালে ব্যাপক ত্রাস চালিয়েছে। এবং রাজনৈতিক ব্যানারে বহুমুখী অপকর্ম করতে গিয়ে সে সমূহ বিপদের আলামত পেয়ে একাধিকবার নেতাও বদল করে। প্রথমে সে শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র নাম ভাঙিয়ে চললেও পরর্তীতে তারই পুত্র মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র কাছাকাছি জাকিরকে দেখা যায়। পরে সাদিকের সাথে দূরত্ব তৈরি হলে এসএম জাকির বরিশাল সদর আসনের এমপি ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের সান্নিধ্য পেতে দৌঁড়ঝাপ শুরু করে, এবং কিছুদিন পর কাঙ্খিত লক্ষেও পৌছে যায়।

সূত্র জানিয়েছে, প্রথমে হাসানাত আব্দুল্লাহ, পরে তার ছেলে সাদিক আব্দুল্লাহ এবং সর্বশেষ জাহিদ ফারুকের সাথে ছত্রছায়ায় থেকে জাকির ধনকূবের বনে গেছে। বিশেষ করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেশ কয়েকটি ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নিয়ে সে ব্যাপক অর্থ কামিয়ে নিয়েছে। এবং রাজনৈতিক পদবিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বেলসপার্কসংলগ্ন শতকোটি টাকার সরকারি ভূমি তার স্ত্রীর নামে বরাদ্দও নিয়ে নেয়।
জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, সাবেক জেলা প্রশাসককে জনৈক শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতার চাপের মুখে অফিসার্স মেসের ভূমিটি জাকিরের স্ত্রীর নামে বরাদ্দ দিতে বাধ্য করে। এবং প্রশাসন তাকে ভূমিটিতে ভবন নির্মাণ করার ক্ষেত্রে শর্তজুড়ে দিলেও তা উপেক্ষা করেছে। এছাড়া সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে জাকিরের স্ত্রী নামে প্লানবিহীন ভবনটিতে রেস্তোরাঁ করা নিয়েও তুমুল বিতর্ক রয়েছে।
এছাড়াও বহু অঘটন পটিয়াসি এসএম জাকির হোসেন বরিশালে বিরোধী মতের সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলা চালিয়ে মারধর করা এবং বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে একাধিক সংবাদকর্মীকে জেল খাটানোর অভিযোগও আছে। তৎকালীন সময় তার হাত থেকে রেহাই পাননি বিএনপি নেতাকর্মীরাও। সে বরিশাল বিএনপি নেতা মুসফিকুল হাসান মাসুমকে মামলা দিয়ে তার হয়রানি করাসহ ইন্টারনেট ব্যবসা বন্ধ করেও দেয়।
বরিশালের এই ত্রাস সর্বশেষ আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন অর্থাৎ ৫ আগস্ট রাজধানী ঢাকার ভাটারা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহযোদ্ধার ওপর সদলবলে হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে, যা অনেকের ছিল অজনা, আসেনি আলোচনায়ও। সেই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত আল-আমিনের চাচা ঢাকার আদালতে গত ১ ডিসেম্বর সন্ত্রাসী জাকিরসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষসারির নেতাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে ভাটারা থানা পুলিশকে নথিভুক্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ দেন। বরিশাল আওয়ামী সন্ত্রাস জাকির ঢাকায় আন্দোলনকারী খুনে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে, এই খবর বুধবার রাতে ছড়িয়ে পড়লে সংবাদকর্মীরা তথ্য সংগ্রহে দৌঁড়ঝাপ শুরু করেন।
এদিকে ভাটারা থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে জানিয়েছে, আদালতের আদেশে মামলাটি নথিভুক্ত করাসহ অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের ধরতে পুলিশ ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আওয়ামী সন্ত্রাসী এসএম জাকির ৫ আগস্ট ঢাকায় খুন করে কদিন আত্মগোপনে থাকলেও পরবর্তীতে বরিশালে এসে বীরদর্পে ঘোরাঘুরি শুরু করে। এবং বোল পাল্টে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীসহ বরিশাল প্রশাসনের সান্নিধ্য পেতে মরিয়া চেষ্টা করতে থাকে, যা নিয়েও তুমুল বিকর্ত দেখা দেয়। তবে রহস্যজনক কারণে বরিশালে সে কোনো মামলায় অভিযুক্ত হয়নি।
অভিযোগ আছে, এই আওয়ামী সন্ত্রাসীকে বরিশালের খিস্ট্রান সম্প্রদায় আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। এবং আইনজীবীর মাধ্যমে তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ফিরিস্তি উপস্থাপন করলেও তার উগ্রতা রোহিত করা সম্ভব হয়নি।
অভিজ্ঞমহল বলছে, এসএম জাকির আওয়ামী লীগের ব্যানারে গত কয়েক বছরে নানান অপকর্ম করেছে। সর্বশেষ সে আন্দোলনকারী খুনে জড়িত এমন তথ্য এতদিন লুকোচাপা থাকলেও শেষত্বক প্রকাশে এসেছে। এবং তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচিৎ এই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা।’
বরিশাল প্রেসক্লাব ও বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি প্রয়াত অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসাইন নেগাবান মন্টুর একমাত্র পুত্র ইঞ্জিনিয়ার ইমাম হোসাইন রোহানের সাথে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান ও বাবুগঞ্জ শিক্ষা-সামাজিক উন্নয়ন বাস্তবায়ন পরিষদের আহবায়ক বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মফিজুর রহমান পিন্টু সিকদারের জ্যেষ্ঠ কন্যা আমিনা রহমান সেতুর শুভ বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানী ঢাকার রমনা চাইনিজ রেস্তোরাঁয় রোববার (১৬ আগস্ট) এক উৎসবমুখর পরিবেশে উভয় পক্ষের নিকট আত্মীয়-স্বজনের উপস্থিতিতে ওই শুভ বাগদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়।
নববর ইঞ্জিনিয়ার ইমাম হোসাইন রোহান উত্তরা ইউনিভার্সিটি থেকে বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE) সাবজেক্টে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পরে বর্তমানে রাজধানীর একটি স্বনামধন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এদিকে নবপরিণীতা আমিনা রহমান সেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুষদে প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত। সেতু বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ আজাদ, র্যাব-১'এর উপ-সহকারী পরিচালক মজিবুর রহমান সুমন এবং বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ফায়জুল হক মুন্নার আপন ভাগ্নি।
বাগদান অনুষ্ঠানে আগামী ঈদুল আজহার ছুটিতে কনের পিত্রালয়ে তাদের সকল আত্মীয়-স্বজন, এলাকাবাসী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান করার ঘোষণা দেওয়া হয়। একইসাথে নবদম্পতির সুখময় আগামীর সমৃদ্ধ নতুন জীবনের শুভ সূচনার জন্য উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া প্রার্থনা করা হয়। #
স্বপ্ন যার আকাশ ছোঁয়ার, তাকে রুখবার সাধ্য কার? পাইলট হয়ে আকাশে ডানা মেলার স্বপ্ন তার। দেশের সম্মানকে নিয়ে যেতে চায় সে অনন্য উচ্চতায়। সেই স্বপ্ন জয়ের দুর্গম পথের প্রথম ধাপটি সফলতা এবং গৌরবের সাথেই অতিক্রম করেছে বাবুগঞ্জের আদিবা।
আদিবার পুরো নাম আদিবা ইসলাম আমেনা। সে ২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। ক্লাসেও তার রোল ছিল এক। সেরাদের সেরা এই অদম্য মেধাবী আদিবা ইসলাম আমেনা বাবুগঞ্জ সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক আজিজুল হক ও গৃহিণী অনামিকা আক্তার লিজা দম্পতির বড় সন্তান।
দেশের এবং মানুষের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা সে পেয়েছে তার বাবার কাছ থেকেই। বাবা আজিজুল হকের বর্তমান পেশা শিক্ষকতা, সমাজসেবা এবং রাজনীতি। তিনি বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও বর্তমানে তিনি বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য। রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুণাবলী এবং নিজেকে বিকশিত করার ক্ষমতা জন্মসূত্রেই পেয়েছে আদিবা। তাইতো ক্লাসেও সে অলরাউন্ডার।
পড়াশোনায় নাম্বার ওয়ান হওয়ার পাশাপাশি নাচ, গান, আবৃত্তি, ছবি আঁকা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা কিংবা খেলাধুলা, সবকিছুতেই সমান পারদর্শী আদিবা। প্রতিভাময়ী এই বালিকা স্বপ্ন দেখে বিমান নিয়ে আকাশে ডানা মেলার। আকাশের সীমানা অতিক্রম করার স্বপ্ন তার দু'চোখে। তাকে নিয়ে এখন স্বপ্ন দেখে তার সহপাঠী আর শিক্ষকমণ্ডলীও।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ আমিনা বলেন, 'আমার প্রিয় ছাত্রী আদিবা যেমন মেধাবী তেমনি পরিশ্রমী। সে পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী এবং শিক্ষকদের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল। সে তার প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে এবছর ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। সে একদিন অনেক বড় হয়ে তার আকাশে ওড়ার স্বপ্ন জয় করবে এবং বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করবে। এই বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আজ দেশের বিভিন্ন অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত উজ্জ্বল নক্ষত্র। আদিবাও একদিন চূড়ান্ত সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে এই বিদ্যালয়ের গৌরব হবে বলে বিশ্বাস করি।'
আদিবার বাবা সহকারী শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রনেতা আজিজুল হক বলেন, 'আমার দুই মেয়ের মধ্যে আদিবা বড়। সে এবছর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। এটা তার শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক অর্জনের স্বীকৃতি। এই অর্জনে তার বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকমণ্ডলীসহ যারা তাকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, দোয়া করেছেন, শুভ কামনা জানিয়েছেন তাদের সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সে বড় হয়ে বিমানের পাইলট হয়ে দেশসেবা করতে চায়। সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন। সে যেন তার স্বপ্ন পূরণের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের সেবা করতে পারে।'
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী আদিবা ইসলাম আমেনা তার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, 'আমার এই সাফল্যের অংশীদার আমার পিতামাতা এবং শিক্ষকমণ্ডলী। তাদের বিভিন্ন আদেশ-উপদেশ, পরামর্শ এবং দিকনির্দেশনাই আমার সাফল্যের চাবিকাঠি। আমি তাদের প্রতি চিরঋণী। আমি বিমানের পাইলট হয়ে দেশসেবা করতে চাই। আমার পিতামাতা এবং শিক্ষকমণ্ডলীর মুখ উজ্জ্বল করতে চাই। এটাই আমার একমাত্র স্বপ্ন।' #
স্বপ্ন যার আকাশ ছোঁয়ার, তাকে রুখবার সাধ্য কার? পাইলট হয়ে আকাশে ডানা মেলার স্বপ্ন তার। দেশের সম্মানকে নিয়ে যেতে চায় সে অনন্য উচ্চতায়। সেই স্বপ্ন জয়ের দুর্গম পথের প্রথম ধাপটি সফলতা এবং গৌরবের সাথেই অতিক্রম করেছে বাবুগঞ্জের আদিবা।
আদিবার পুরো নাম আদিবা ইসলাম আমেনা। সে ২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। ক্লাসেও তার রোল ছিল এক। সেরাদের সেরা এই অদম্য মেধাবী আদিবা ইসলাম আমেনা বাবুগঞ্জ সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক আজিজুল হক ও গৃহিণী অনামিকা আক্তার লিজা দম্পতির বড় সন্তান।
দেশের এবং মানুষের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা সে পেয়েছে তার বাবার কাছ থেকেই। বাবা আজিজুল হকের বর্তমান পেশা শিক্ষকতা, সমাজসেবা এবং রাজনীতি। তিনি বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও বর্তমানে তিনি বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য। রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুণাবলী এবং নিজেকে বিকশিত করার ক্ষমতা জন্মসূত্রেই পেয়েছে আদিবা। তাইতো ক্লাসেও সে অলরাউন্ডার।
পড়াশোনায় নাম্বার ওয়ান হওয়ার পাশাপাশি নাচ, গান, আবৃত্তি, ছবি আঁকা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা কিংবা খেলাধুলা, সবকিছুতেই সমান পারদর্শী আদিবা। প্রতিভাময়ী এই বালিকা স্বপ্ন দেখে বিমান নিয়ে আকাশে ডানা মেলার। আকাশের সীমানা অতিক্রম করার স্বপ্ন তার দু'চোখে। তাকে নিয়ে এখন স্বপ্ন দেখে তার সহপাঠী আর শিক্ষকমণ্ডলীও।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ আমিনা বলেন, 'আমার প্রিয় ছাত্রী আদিবা যেমন মেধাবী তেমনি পরিশ্রমী। সে পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী এবং শিক্ষকদের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল। সে তার প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে এবছর ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। সে একদিন অনেক বড় হয়ে তার আকাশে ওড়ার স্বপ্ন জয় করবে এবং বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করবে। এই বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আজ দেশের বিভিন্ন অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত উজ্জ্বল নক্ষত্র। আদিবাও একদিন চূড়ান্ত সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে এই বিদ্যালয়ের গৌরব হবে বলে বিশ্বাস করি।'
আদিবার বাবা সহকারী শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রনেতা আজিজুল হক বলেন, 'আমার দুই মেয়ের মধ্যে আদিবা বড়। সে এবছর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। এটা তার শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক অর্জনের স্বীকৃতি। এই অর্জনে তার বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকমণ্ডলীসহ যারা তাকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, দোয়া করেছেন, শুভ কামনা জানিয়েছেন তাদের সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সে বড় হয়ে বিমানের পাইলট হয়ে দেশসেবা করতে চায়। সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন। সে যেন তার স্বপ্ন পূরণের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের সেবা করতে পারে।'
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী আদিবা ইসলাম আমেনা তার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, 'আমার এই সাফল্যের অংশীদার আমার পিতামাতা এবং শিক্ষকমণ্ডলী। তাদের বিভিন্ন আদেশ-উপদেশ, পরামর্শ এবং দিকনির্দেশনাই আমার সাফল্যের চাবিকাঠি। আমি তাদের প্রতি চিরঋণী। আমি বিমানের পাইলট হয়ে দেশসেবা করতে চাই। আমার পিতামাতা এবং শিক্ষকমণ্ডলীর মুখ উজ্জ্বল করতে চাই। এটাই আমার একমাত্র স্বপ্ন।' #
ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা এবং গৃহনির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এই এমপির পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে গোমূত্র পান করানো, তান্ত্রিক আচার পালনে বাধ্য করা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, থানে জেলার এই ঘটনায় পুলিশ সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে ও স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ ও কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গিরিজা রাউতের অভিযোগ, বিয়ের পর গত সাত বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত মানসিক, সামাজিক ও আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধানের নামে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করান এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেন।
সাংবাদিকদের কাছে গিরিজা বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস পাননি। পরিবারের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি, বরং এই কুসংস্কার চর্চায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। গিরিজা আরও দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে গেলেও তার স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অপমান ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি স্বামী তাকে বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশে গেলেই কেবল তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব।
এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন গিরিজা। তার ভাষ্য, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরেও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। সে সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হবে।
পুত্রবধূর অভিযোগে শুধু স্বামী নন, শ্বশুর বিনায়ক রাউতসহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।’
ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা এবং গৃহনির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এই এমপির পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে গোমূত্র পান করানো, তান্ত্রিক আচার পালনে বাধ্য করা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, থানে জেলার এই ঘটনায় পুলিশ সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে ও স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ ও কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গিরিজা রাউতের অভিযোগ, বিয়ের পর গত সাত বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত মানসিক, সামাজিক ও আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধানের নামে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করান এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেন।
সাংবাদিকদের কাছে গিরিজা বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস পাননি। পরিবারের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি, বরং এই কুসংস্কার চর্চায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। গিরিজা আরও দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে গেলেও তার স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অপমান ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি স্বামী তাকে বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশে গেলেই কেবল তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব।
এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন গিরিজা। তার ভাষ্য, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরেও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। সে সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হবে।
পুত্রবধূর অভিযোগে শুধু স্বামী নন, শ্বশুর বিনায়ক রাউতসহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।’
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৫
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১৫
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:৩৬
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:১৮