
২৯ মে, ২০২৫ ১৬:২৬
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা এসএম জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে আগস্টে সরকারবিরোধী আন্দোলনকারী খুনের মামলা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সকারের মন্ত্রী-এমপিদের নির্দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে গত ৫ আগস্ট রাজধানী ঢাকার ভাটারাধীন এলাকায় তিনি ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালিয়েছেন। সেই হামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহযোদ্ধা আল-আমিনের মৃত্যু হয়। জাকিরসহ সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত শিক্ষার্থীর আপন চাচা পঞ্চাশোর্ধ্ব ‘রহমান মাল’ বাদী হয়ে গত ১ ডিসেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৮৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২৫০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে মামলাটি করেন। আলোচিত এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ তৎকালীন সরকারের মন্ত্রী-এমপি, সরকারি কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী, জাতীয় পার্টির শীর্ষসারির নেতাদের অভিযুক্ত করা হয়।
মামলাটির ৮৪ নং অভিযুক্ত জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে বরিশালে ব্যাপক ত্রাস চালিয়েছে। এবং রাজনৈতিক ব্যানারে বহুমুখী অপকর্ম করতে গিয়ে সে সমূহ বিপদের আলামত পেয়ে একাধিকবার নেতাও বদল করে। প্রথমে সে শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র নাম ভাঙিয়ে চললেও পরর্তীতে তারই পুত্র মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র কাছাকাছি জাকিরকে দেখা যায়। পরে সাদিকের সাথে দূরত্ব তৈরি হলে এসএম জাকির বরিশাল সদর আসনের এমপি ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের সান্নিধ্য পেতে দৌঁড়ঝাপ শুরু করে, এবং কিছুদিন পর কাঙ্খিত লক্ষেও পৌছে যায়।

সূত্র জানিয়েছে, প্রথমে হাসানাত আব্দুল্লাহ, পরে তার ছেলে সাদিক আব্দুল্লাহ এবং সর্বশেষ জাহিদ ফারুকের সাথে ছত্রছায়ায় থেকে জাকির ধনকূবের বনে গেছে। বিশেষ করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেশ কয়েকটি ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নিয়ে সে ব্যাপক অর্থ কামিয়ে নিয়েছে। এবং রাজনৈতিক পদবিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বেলসপার্কসংলগ্ন শতকোটি টাকার সরকারি ভূমি তার স্ত্রীর নামে বরাদ্দও নিয়ে নেয়।
জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, সাবেক জেলা প্রশাসককে জনৈক শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতার চাপের মুখে অফিসার্স মেসের ভূমিটি জাকিরের স্ত্রীর নামে বরাদ্দ দিতে বাধ্য করে। এবং প্রশাসন তাকে ভূমিটিতে ভবন নির্মাণ করার ক্ষেত্রে শর্তজুড়ে দিলেও তা উপেক্ষা করেছে। এছাড়া সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে জাকিরের স্ত্রী নামে প্লানবিহীন ভবনটিতে রেস্তোরাঁ করা নিয়েও তুমুল বিতর্ক রয়েছে।
এছাড়াও বহু অঘটন পটিয়াসি এসএম জাকির হোসেন বরিশালে বিরোধী মতের সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলা চালিয়ে মারধর করা এবং বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে একাধিক সংবাদকর্মীকে জেল খাটানোর অভিযোগও আছে। তৎকালীন সময় তার হাত থেকে রেহাই পাননি বিএনপি নেতাকর্মীরাও। সে বরিশাল বিএনপি নেতা মুসফিকুল হাসান মাসুমকে মামলা দিয়ে তার হয়রানি করাসহ ইন্টারনেট ব্যবসা বন্ধ করেও দেয়।
বরিশালের এই ত্রাস সর্বশেষ আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন অর্থাৎ ৫ আগস্ট রাজধানী ঢাকার ভাটারা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহযোদ্ধার ওপর সদলবলে হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে, যা অনেকের ছিল অজনা, আসেনি আলোচনায়ও। সেই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত আল-আমিনের চাচা ঢাকার আদালতে গত ১ ডিসেম্বর সন্ত্রাসী জাকিরসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষসারির নেতাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে ভাটারা থানা পুলিশকে নথিভুক্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ দেন। বরিশাল আওয়ামী সন্ত্রাস জাকির ঢাকায় আন্দোলনকারী খুনে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে, এই খবর বুধবার রাতে ছড়িয়ে পড়লে সংবাদকর্মীরা তথ্য সংগ্রহে দৌঁড়ঝাপ শুরু করেন।
এদিকে ভাটারা থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে জানিয়েছে, আদালতের আদেশে মামলাটি নথিভুক্ত করাসহ অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের ধরতে পুলিশ ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আওয়ামী সন্ত্রাসী এসএম জাকির ৫ আগস্ট ঢাকায় খুন করে কদিন আত্মগোপনে থাকলেও পরবর্তীতে বরিশালে এসে বীরদর্পে ঘোরাঘুরি শুরু করে। এবং বোল পাল্টে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীসহ বরিশাল প্রশাসনের সান্নিধ্য পেতে মরিয়া চেষ্টা করতে থাকে, যা নিয়েও তুমুল বিকর্ত দেখা দেয়। তবে রহস্যজনক কারণে বরিশালে সে কোনো মামলায় অভিযুক্ত হয়নি।
অভিযোগ আছে, এই আওয়ামী সন্ত্রাসীকে বরিশালের খিস্ট্রান সম্প্রদায় আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। এবং আইনজীবীর মাধ্যমে তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ফিরিস্তি উপস্থাপন করলেও তার উগ্রতা রোহিত করা সম্ভব হয়নি।
অভিজ্ঞমহল বলছে, এসএম জাকির আওয়ামী লীগের ব্যানারে গত কয়েক বছরে নানান অপকর্ম করেছে। সর্বশেষ সে আন্দোলনকারী খুনে জড়িত এমন তথ্য এতদিন লুকোচাপা থাকলেও শেষত্বক প্রকাশে এসেছে। এবং তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচিৎ এই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা।’
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা এসএম জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে আগস্টে সরকারবিরোধী আন্দোলনকারী খুনের মামলা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সকারের মন্ত্রী-এমপিদের নির্দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে গত ৫ আগস্ট রাজধানী ঢাকার ভাটারাধীন এলাকায় তিনি ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালিয়েছেন। সেই হামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহযোদ্ধা আল-আমিনের মৃত্যু হয়। জাকিরসহ সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত শিক্ষার্থীর আপন চাচা পঞ্চাশোর্ধ্ব ‘রহমান মাল’ বাদী হয়ে গত ১ ডিসেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৮৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২৫০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে মামলাটি করেন। আলোচিত এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ তৎকালীন সরকারের মন্ত্রী-এমপি, সরকারি কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী, জাতীয় পার্টির শীর্ষসারির নেতাদের অভিযুক্ত করা হয়।
মামলাটির ৮৪ নং অভিযুক্ত জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে বরিশালে ব্যাপক ত্রাস চালিয়েছে। এবং রাজনৈতিক ব্যানারে বহুমুখী অপকর্ম করতে গিয়ে সে সমূহ বিপদের আলামত পেয়ে একাধিকবার নেতাও বদল করে। প্রথমে সে শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র নাম ভাঙিয়ে চললেও পরর্তীতে তারই পুত্র মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র কাছাকাছি জাকিরকে দেখা যায়। পরে সাদিকের সাথে দূরত্ব তৈরি হলে এসএম জাকির বরিশাল সদর আসনের এমপি ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের সান্নিধ্য পেতে দৌঁড়ঝাপ শুরু করে, এবং কিছুদিন পর কাঙ্খিত লক্ষেও পৌছে যায়।

সূত্র জানিয়েছে, প্রথমে হাসানাত আব্দুল্লাহ, পরে তার ছেলে সাদিক আব্দুল্লাহ এবং সর্বশেষ জাহিদ ফারুকের সাথে ছত্রছায়ায় থেকে জাকির ধনকূবের বনে গেছে। বিশেষ করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেশ কয়েকটি ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নিয়ে সে ব্যাপক অর্থ কামিয়ে নিয়েছে। এবং রাজনৈতিক পদবিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বেলসপার্কসংলগ্ন শতকোটি টাকার সরকারি ভূমি তার স্ত্রীর নামে বরাদ্দও নিয়ে নেয়।
জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, সাবেক জেলা প্রশাসককে জনৈক শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতার চাপের মুখে অফিসার্স মেসের ভূমিটি জাকিরের স্ত্রীর নামে বরাদ্দ দিতে বাধ্য করে। এবং প্রশাসন তাকে ভূমিটিতে ভবন নির্মাণ করার ক্ষেত্রে শর্তজুড়ে দিলেও তা উপেক্ষা করেছে। এছাড়া সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে জাকিরের স্ত্রী নামে প্লানবিহীন ভবনটিতে রেস্তোরাঁ করা নিয়েও তুমুল বিতর্ক রয়েছে।
এছাড়াও বহু অঘটন পটিয়াসি এসএম জাকির হোসেন বরিশালে বিরোধী মতের সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলা চালিয়ে মারধর করা এবং বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে একাধিক সংবাদকর্মীকে জেল খাটানোর অভিযোগও আছে। তৎকালীন সময় তার হাত থেকে রেহাই পাননি বিএনপি নেতাকর্মীরাও। সে বরিশাল বিএনপি নেতা মুসফিকুল হাসান মাসুমকে মামলা দিয়ে তার হয়রানি করাসহ ইন্টারনেট ব্যবসা বন্ধ করেও দেয়।
বরিশালের এই ত্রাস সর্বশেষ আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন অর্থাৎ ৫ আগস্ট রাজধানী ঢাকার ভাটারা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহযোদ্ধার ওপর সদলবলে হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে, যা অনেকের ছিল অজনা, আসেনি আলোচনায়ও। সেই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত আল-আমিনের চাচা ঢাকার আদালতে গত ১ ডিসেম্বর সন্ত্রাসী জাকিরসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষসারির নেতাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে ভাটারা থানা পুলিশকে নথিভুক্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ দেন। বরিশাল আওয়ামী সন্ত্রাস জাকির ঢাকায় আন্দোলনকারী খুনে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে, এই খবর বুধবার রাতে ছড়িয়ে পড়লে সংবাদকর্মীরা তথ্য সংগ্রহে দৌঁড়ঝাপ শুরু করেন।
এদিকে ভাটারা থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে জানিয়েছে, আদালতের আদেশে মামলাটি নথিভুক্ত করাসহ অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের ধরতে পুলিশ ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আওয়ামী সন্ত্রাসী এসএম জাকির ৫ আগস্ট ঢাকায় খুন করে কদিন আত্মগোপনে থাকলেও পরবর্তীতে বরিশালে এসে বীরদর্পে ঘোরাঘুরি শুরু করে। এবং বোল পাল্টে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীসহ বরিশাল প্রশাসনের সান্নিধ্য পেতে মরিয়া চেষ্টা করতে থাকে, যা নিয়েও তুমুল বিকর্ত দেখা দেয়। তবে রহস্যজনক কারণে বরিশালে সে কোনো মামলায় অভিযুক্ত হয়নি।
অভিযোগ আছে, এই আওয়ামী সন্ত্রাসীকে বরিশালের খিস্ট্রান সম্প্রদায় আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। এবং আইনজীবীর মাধ্যমে তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ফিরিস্তি উপস্থাপন করলেও তার উগ্রতা রোহিত করা সম্ভব হয়নি।
অভিজ্ঞমহল বলছে, এসএম জাকির আওয়ামী লীগের ব্যানারে গত কয়েক বছরে নানান অপকর্ম করেছে। সর্বশেষ সে আন্দোলনকারী খুনে জড়িত এমন তথ্য এতদিন লুকোচাপা থাকলেও শেষত্বক প্রকাশে এসেছে। এবং তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচিৎ এই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা।’

০৬ মে, ২০২৬ ০৩:১৫
বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের ইতিহাস মানেই বিশাল সব জলযানের রাজত্ব। আজকের দিনে আমরা যখন এমভি মানামী, অ্যাডভেঞ্চার বা সুরভী-এর মতো দানবীয় ও আধুনিক লঞ্চ দেখি, তখন প্রবীণ যাত্রী ও নৌ-প্রেমীদের স্মৃতিতে আজও অম্লান হয়ে আছে একটি নাম— ‘সামাদ’। এক সময় এই রুটে ‘সামাদ’ ছিল আভিজাত্য, গতি এবং নির্ভরতার সমার্থক। আধুনিক লঞ্চের ভিড়ে সেই পুরনো দিনের ঐতিহ্যবাহী সামাদ লঞ্চের গল্প আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যায়, আশি এবং নব্বইয়ের দশকে যখন ঢাকা-বরিশাল রুটে আজকের মতো শত শত কেবিন সমৃদ্ধ লঞ্চ ছিল না, তখন সামাদ লঞ্চ ছিল যাত্রীদের প্রথম পছন্দ। বিশেষ করে এর গঠনশৈলী এবং নদীতে চলার সময় এর রাজকীয় ভঙ্গিমা মানুষকে মুগ্ধ করত। সেই সময় এই লঞ্চটি ছিল এ অঞ্চলের মানুষের কাছে এক প্রকার গর্বের বিষয়। তৎকালীন সময়ে বরিশাল থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য এই লঞ্চের কেবিন পাওয়া ছিল রীতিমতো ভাগ্যের ব্যাপার।
পুরনো লঞ্চগুলোর মধ্যে সামাদ-এর বিশেষত্ব ছিল এর মজবুত কাঠামো এবং কাঠের নিখুঁত কারুকাজ। আজকের লঞ্চগুলোতে স্টিল আর কাঁচের আধিক্য থাকলেও, সামাদ লঞ্চের অন্দরসজ্জায় ছিল আভিজাত্যের ছোঁয়া। বড় বড় কাঠের জানালা, প্রশস্ত ডেক এবং মাঝ বরাবর চলে যাওয়া গলিগুলো আজও প্রবীণদের নস্টালজিক করে তোলে। লঞ্চটির সার্চলাইট যখন রাতের আঁধারে মেঘনার বুকে আছড়ে পড়ত, তীরের মানুষ বুঝত— ‘সামাদ’ যাচ্ছে।
যাত্রীদের গভীর আবেগ
বরিশাল-ঢাকা রুটের নিয়মিত যাত্রীদের কাছে সামাদ কেবল একটি নৌযান ছিল না, বরং ছিল যাতায়াতের এক নিরাপদ আশ্রয়। লঞ্চের মাস্টার থেকে শুরু করে সারেং ও সুকানিদের সাথে যাত্রীদের গড়ে উঠত এক নিবিড় সম্পর্ক। এই লঞ্চের ডাইনিং বা ক্যান্টিনের রান্নার স্বাদও ছিল লোকমুখে প্রচলিত। নদীর টাটকা ইলিশ আর ঘন ডাল দিয়ে রাতের ডিনার সেরে ডেকের ওপর চাদর বিছিয়ে শুয়ে থাকার যে আনন্দ, তা আজকের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে অনেক যাত্রীই খুঁজে পান না।
কালের বিবর্তনে প্রস্থান
সময়ের সাথে সাথে নৌ-প্রকৌশল বিদ্যায় এসেছে বিশাল পরিবর্তন। নতুন নতুন স্টিল বডি ও ডাবল ডেকার-ট্রিপল ডেকার লঞ্চের ভিড়ে পুরনো কাঠের অবকাঠামোর লঞ্চগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে। নাব্য সংকট, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তার কড়াকড়ির কারণে এক সময় ঐতিহ্যের সামাদ লঞ্চটি এই রুট থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হয়। যদিও সামাদ নামধারী বিভিন্ন নৌযান পরবর্তী সময়ে এসেছে, কিন্তু সেই আদি ও অকৃত্রিম ‘সামাদ’ আজও মানুষের স্মৃতির পাতায় এক সোনালী অধ্যায় হয়ে আছে।
সূত্র বলছে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় বিমানের গোলার আঘাতে জাহাজটি কীর্তনখোলা নদীতে ডুবে গিয়েছিল। স্বাধীনতার পর বরিশালের এক ব্যবসায়ী নিজ খরচে জাহাজটি উদ্ধার করে কুমিল্লার দাউদকান্দির সাবেক এমপি মুন্সী আবদুল আলীর কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে মুন্সী আবদুল আলী এটিকে একটি আধুনিক যাত্রীবাহী লঞ্চে রূপান্তরিত করেন এবং নিজের বাবার নামানুসারে লঞ্চটির নামকরণ করেন 'এম ভি সামাদ'। অবশ্য ১৯৮৮ সালের জুলাই মাসে বরিশালের প্রখ্যাত ব্যবসায়ী মোহন মিয়া লঞ্চটি কিনে নেন।
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের সেই প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে কীর্তনখোলা নদীর কাউয়ার চরে লঞ্চটিকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের কারণে বেঁধে রাখা হয়েছিল। প্রবল বাতাস এবং জলোচ্ছ্বাসের তোড়ে লঞ্চটি মাঝ নদীতে উল্টে গিয়ে সলিল সমাধি ঘটে। পরবর্তীতে একটি স্যালভেজ কোম্পানি লঞ্চটি কেটে পানি থেকে উদ্ধার করে, যার মাধ্যমেই চিরতরে বিলীন হয়ে যায় ইতিহাসের এই কিংবদন্তি।
বর্তমানে বরিশাল-ঢাকা রুটে হয়তো এর চেয়েও দশগুণ বড় ও বিলাসবহুল লঞ্চ চলাচল করে। কিন্তু বরিশালের প্রবীণ মানুষরা যখন আজও স্টিমার ঘাটে দাঁড়ান, তখন তারা সেই পুরনো ভোঁ-র শব্দ আর কাঠের কাঠামোর সামাদ লঞ্চটিকে মিস করেন। এটি কেবল একটি পরিবহন ছিল না, এটি ছিল একটি সময়ের প্রতিনিধি।
নৌপথের আধুনিকায়ন অবশ্যই কাম্য, তবে সামাদের মতো যেসব লঞ্চ এ অঞ্চলের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে, তাদের ইতিহাস সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। বরিশালের নৌ-সংস্কৃতিতে ‘সামাদ’ লঞ্চটি তাই কেবল একটি নাম নয়, বরং এক অবিনাশী ঐতিহ্য হিসেবে চিরকাল বেঁচে থাকবে।’
বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের ইতিহাস মানেই বিশাল সব জলযানের রাজত্ব। আজকের দিনে আমরা যখন এমভি মানামী, অ্যাডভেঞ্চার বা সুরভী-এর মতো দানবীয় ও আধুনিক লঞ্চ দেখি, তখন প্রবীণ যাত্রী ও নৌ-প্রেমীদের স্মৃতিতে আজও অম্লান হয়ে আছে একটি নাম— ‘সামাদ’। এক সময় এই রুটে ‘সামাদ’ ছিল আভিজাত্য, গতি এবং নির্ভরতার সমার্থক। আধুনিক লঞ্চের ভিড়ে সেই পুরনো দিনের ঐতিহ্যবাহী সামাদ লঞ্চের গল্প আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যায়, আশি এবং নব্বইয়ের দশকে যখন ঢাকা-বরিশাল রুটে আজকের মতো শত শত কেবিন সমৃদ্ধ লঞ্চ ছিল না, তখন সামাদ লঞ্চ ছিল যাত্রীদের প্রথম পছন্দ। বিশেষ করে এর গঠনশৈলী এবং নদীতে চলার সময় এর রাজকীয় ভঙ্গিমা মানুষকে মুগ্ধ করত। সেই সময় এই লঞ্চটি ছিল এ অঞ্চলের মানুষের কাছে এক প্রকার গর্বের বিষয়। তৎকালীন সময়ে বরিশাল থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য এই লঞ্চের কেবিন পাওয়া ছিল রীতিমতো ভাগ্যের ব্যাপার।
পুরনো লঞ্চগুলোর মধ্যে সামাদ-এর বিশেষত্ব ছিল এর মজবুত কাঠামো এবং কাঠের নিখুঁত কারুকাজ। আজকের লঞ্চগুলোতে স্টিল আর কাঁচের আধিক্য থাকলেও, সামাদ লঞ্চের অন্দরসজ্জায় ছিল আভিজাত্যের ছোঁয়া। বড় বড় কাঠের জানালা, প্রশস্ত ডেক এবং মাঝ বরাবর চলে যাওয়া গলিগুলো আজও প্রবীণদের নস্টালজিক করে তোলে। লঞ্চটির সার্চলাইট যখন রাতের আঁধারে মেঘনার বুকে আছড়ে পড়ত, তীরের মানুষ বুঝত— ‘সামাদ’ যাচ্ছে।
যাত্রীদের গভীর আবেগ
বরিশাল-ঢাকা রুটের নিয়মিত যাত্রীদের কাছে সামাদ কেবল একটি নৌযান ছিল না, বরং ছিল যাতায়াতের এক নিরাপদ আশ্রয়। লঞ্চের মাস্টার থেকে শুরু করে সারেং ও সুকানিদের সাথে যাত্রীদের গড়ে উঠত এক নিবিড় সম্পর্ক। এই লঞ্চের ডাইনিং বা ক্যান্টিনের রান্নার স্বাদও ছিল লোকমুখে প্রচলিত। নদীর টাটকা ইলিশ আর ঘন ডাল দিয়ে রাতের ডিনার সেরে ডেকের ওপর চাদর বিছিয়ে শুয়ে থাকার যে আনন্দ, তা আজকের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে অনেক যাত্রীই খুঁজে পান না।
কালের বিবর্তনে প্রস্থান
সময়ের সাথে সাথে নৌ-প্রকৌশল বিদ্যায় এসেছে বিশাল পরিবর্তন। নতুন নতুন স্টিল বডি ও ডাবল ডেকার-ট্রিপল ডেকার লঞ্চের ভিড়ে পুরনো কাঠের অবকাঠামোর লঞ্চগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে। নাব্য সংকট, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তার কড়াকড়ির কারণে এক সময় ঐতিহ্যের সামাদ লঞ্চটি এই রুট থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হয়। যদিও সামাদ নামধারী বিভিন্ন নৌযান পরবর্তী সময়ে এসেছে, কিন্তু সেই আদি ও অকৃত্রিম ‘সামাদ’ আজও মানুষের স্মৃতির পাতায় এক সোনালী অধ্যায় হয়ে আছে।
সূত্র বলছে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় বিমানের গোলার আঘাতে জাহাজটি কীর্তনখোলা নদীতে ডুবে গিয়েছিল। স্বাধীনতার পর বরিশালের এক ব্যবসায়ী নিজ খরচে জাহাজটি উদ্ধার করে কুমিল্লার দাউদকান্দির সাবেক এমপি মুন্সী আবদুল আলীর কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে মুন্সী আবদুল আলী এটিকে একটি আধুনিক যাত্রীবাহী লঞ্চে রূপান্তরিত করেন এবং নিজের বাবার নামানুসারে লঞ্চটির নামকরণ করেন 'এম ভি সামাদ'। অবশ্য ১৯৮৮ সালের জুলাই মাসে বরিশালের প্রখ্যাত ব্যবসায়ী মোহন মিয়া লঞ্চটি কিনে নেন।
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের সেই প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে কীর্তনখোলা নদীর কাউয়ার চরে লঞ্চটিকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের কারণে বেঁধে রাখা হয়েছিল। প্রবল বাতাস এবং জলোচ্ছ্বাসের তোড়ে লঞ্চটি মাঝ নদীতে উল্টে গিয়ে সলিল সমাধি ঘটে। পরবর্তীতে একটি স্যালভেজ কোম্পানি লঞ্চটি কেটে পানি থেকে উদ্ধার করে, যার মাধ্যমেই চিরতরে বিলীন হয়ে যায় ইতিহাসের এই কিংবদন্তি।
বর্তমানে বরিশাল-ঢাকা রুটে হয়তো এর চেয়েও দশগুণ বড় ও বিলাসবহুল লঞ্চ চলাচল করে। কিন্তু বরিশালের প্রবীণ মানুষরা যখন আজও স্টিমার ঘাটে দাঁড়ান, তখন তারা সেই পুরনো ভোঁ-র শব্দ আর কাঠের কাঠামোর সামাদ লঞ্চটিকে মিস করেন। এটি কেবল একটি পরিবহন ছিল না, এটি ছিল একটি সময়ের প্রতিনিধি।
নৌপথের আধুনিকায়ন অবশ্যই কাম্য, তবে সামাদের মতো যেসব লঞ্চ এ অঞ্চলের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে, তাদের ইতিহাস সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। বরিশালের নৌ-সংস্কৃতিতে ‘সামাদ’ লঞ্চটি তাই কেবল একটি নাম নয়, বরং এক অবিনাশী ঐতিহ্য হিসেবে চিরকাল বেঁচে থাকবে।’

১৯ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২৬
‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণেই ফেরানো গেল না তাকে’, ‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’র মতো জনপ্রিয় গানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী খালিদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী কেটে গেল নীরবেই।
চাইম ব্যান্ডের ভোকালিস্ট খালিদের মৃত্যুবার্ষিকী ছিল গতকাল বুধবার (১৮ মার্চ)। ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান এই গায়ক। মৃত্যুর দুই বছরের মাথায় তাকে ভুলতে বসেছে সবাই!
১৯৬৫ সালের ১ আগস্ট গোপালগঞ্জে খালিদের জন্ম। ১৯৮১ সালে ফ্রিজিং পয়েন্ট নামের একটি ব্যান্ডে যোগ দেন তিনি। ১৯৮৩ সালে সেই ব্যান্ডের নাম বদলে ‘চাইম’ রাখা হয়। সারগাম থেকে প্রকাশিত চাইমের প্রথম অ্যালবাম (সেলফ টাইটেলড) দিয়ে যাত্রা শুরু তার। এরপর এগিয়ে যাওয়ার গল্প। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বেশকিছু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি।
খালিদের গান শুনে অনেক অনেক তরুণ-তরুণীর বিকেল ঘনিয়ে সন্ধ্যা পেরিয়েছে। সেই খালিদ আজ নেই তবে তার গানগুলো এখনও ফিরে মানুষের মুখে মুখে।
উল্লেখ্য, আশির দশকের গোড়ার দিকে সংগীত জগতে খালিদের অভিষেক হয়। পুরো নাম খালিদ আনোয়ার সাইফুল্লাহ। নব্বই দশকে বেশ সাফল্যের সঙ্গে গান করে গেছেন তিনি। খালিদের ছেলে জুহাইফা আরিক ও স্ত্রী শামীমা জামান থাকেন নিউ ইয়র্কে।
বরিশাল টাইমস
‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণেই ফেরানো গেল না তাকে’, ‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’র মতো জনপ্রিয় গানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী খালিদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী কেটে গেল নীরবেই।
চাইম ব্যান্ডের ভোকালিস্ট খালিদের মৃত্যুবার্ষিকী ছিল গতকাল বুধবার (১৮ মার্চ)। ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান এই গায়ক। মৃত্যুর দুই বছরের মাথায় তাকে ভুলতে বসেছে সবাই!
১৯৬৫ সালের ১ আগস্ট গোপালগঞ্জে খালিদের জন্ম। ১৯৮১ সালে ফ্রিজিং পয়েন্ট নামের একটি ব্যান্ডে যোগ দেন তিনি। ১৯৮৩ সালে সেই ব্যান্ডের নাম বদলে ‘চাইম’ রাখা হয়। সারগাম থেকে প্রকাশিত চাইমের প্রথম অ্যালবাম (সেলফ টাইটেলড) দিয়ে যাত্রা শুরু তার। এরপর এগিয়ে যাওয়ার গল্প। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বেশকিছু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি।
খালিদের গান শুনে অনেক অনেক তরুণ-তরুণীর বিকেল ঘনিয়ে সন্ধ্যা পেরিয়েছে। সেই খালিদ আজ নেই তবে তার গানগুলো এখনও ফিরে মানুষের মুখে মুখে।
উল্লেখ্য, আশির দশকের গোড়ার দিকে সংগীত জগতে খালিদের অভিষেক হয়। পুরো নাম খালিদ আনোয়ার সাইফুল্লাহ। নব্বই দশকে বেশ সাফল্যের সঙ্গে গান করে গেছেন তিনি। খালিদের ছেলে জুহাইফা আরিক ও স্ত্রী শামীমা জামান থাকেন নিউ ইয়র্কে।
বরিশাল টাইমস

০৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫
‘সার্জেন্ট’ পদে জনবল নিয়োগে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে আবেদন শুরু হবে। যা চলবে ২ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ পুলিশ;
পদের নাম: সার্জেন্ট;
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়;
চাকরির ধরন: পূর্ণকালীন (স্থায়ী);
বেতন: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০);
অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা: সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রাপ্য হবেন;
প্রার্থীর বয়স: সাধারণ প্রার্থীদের ১৯ থেকে ২৭ বছর (২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে)। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য;
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন;
শিক্ষাগত যোগ্যতা—
অন্যূন স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে;
মোটরসাইকেল চালনায় দক্ষ হতে হবে;
*কম্পিউটারে কাজের দক্ষতা থাকতে হবে;
বৈবাহিক অবস্থা: প্রার্থীকে অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে (তালাকপ্রাপ্ত গ্রহণযোগ্য নয়) এবং শিক্ষানবিশকাল শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিবাহিত থাকতে হবে;
শারীরিক যোগ্যতা—
উচ্চতা (পুরুষ): ন্যূনতম ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি (১.৭২৭২ মিটার) হতে হবে;
বুকের মাপ: স্বাভাবিক অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৪ ইঞ্চি হতে হবে;
উচ্চতা (নারী): ন্যূনতম ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি (১.৬২৫৬ মিটার) হতে হবে;
আবেদন যেভাবে—
আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে সংশ্লিষ্ট পদে আবেদন করতে পারবেন;
আবেদনের শেষ তারিখ: আগামী ২ এপ্রিল ২০২৬, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট;

‘সার্জেন্ট’ পদে জনবল নিয়োগে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে আবেদন শুরু হবে। যা চলবে ২ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ পুলিশ;
পদের নাম: সার্জেন্ট;
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়;
চাকরির ধরন: পূর্ণকালীন (স্থায়ী);
বেতন: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০);
অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা: সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রাপ্য হবেন;
প্রার্থীর বয়স: সাধারণ প্রার্থীদের ১৯ থেকে ২৭ বছর (২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে)। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য;
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন;
শিক্ষাগত যোগ্যতা—
অন্যূন স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে;
মোটরসাইকেল চালনায় দক্ষ হতে হবে;
*কম্পিউটারে কাজের দক্ষতা থাকতে হবে;
বৈবাহিক অবস্থা: প্রার্থীকে অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে (তালাকপ্রাপ্ত গ্রহণযোগ্য নয়) এবং শিক্ষানবিশকাল শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিবাহিত থাকতে হবে;
শারীরিক যোগ্যতা—
উচ্চতা (পুরুষ): ন্যূনতম ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি (১.৭২৭২ মিটার) হতে হবে;
বুকের মাপ: স্বাভাবিক অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৪ ইঞ্চি হতে হবে;
উচ্চতা (নারী): ন্যূনতম ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি (১.৬২৫৬ মিটার) হতে হবে;
আবেদন যেভাবে—
আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে সংশ্লিষ্ট পদে আবেদন করতে পারবেন;
আবেদনের শেষ তারিখ: আগামী ২ এপ্রিল ২০২৬, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট;

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.