
২৩ জুলাই, ২০২৫ ২৩:৪৯
১৫ বছর আগে দুদকের করা মামলায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) সাবেক মেয়র প্রয়াত আহসান হাবিব কামালকে নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা ও অর্থদণ্ড বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। এ মামলার অপর চার আসামির ক্ষেত্রেও একই আদেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারদীর নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ রায় দেন।
জানা গেছে, ২৭ লাখ ৫০ টাকা আত্মসাতের মামলায় ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব কামালসহ তৎকালীন পৌরসভার ৫ কর্মকর্তাকে ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছিলেন বরিশালের বিশেষ জজ আদালত। ৭ মাস ৮ দিন কারাভোগের পর ৫০ লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে ২০২১ সালের ১৬ জুলাই জামিনে মুক্তি পান তিনি। ২০২২ সালের ৩১ জুলাই ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
বুধবার হাইকোর্টে কামালের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী সমকালকে জানান, রায় ঘোষণার পরই সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হয়েছিল। এ মামলার সব আসামিকে নির্দোষ ঘোষণা দিয়ে বুধবার হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন।
রায়ে বিচারক উল্লেখ করেছেন, রাষ্ট্রপক্ষ মামলার অভিযোগ সন্দেহতীতভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ব্যারিস্টার সানজিদ জানান, তাঁরা আদালতে উপস্থাপন করেছেন যে, আহসান হাবিব কামাল বিএনপির রাজনীতি করতেন। মামলা দায়েরের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ‘১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে বরিশাল শহরে টিঅ্যাণ্ডটির ভূ-গর্ভস্থ ক্যাবল স্থাপন করা হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর তখনকার পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। সড়ক মেরামত দেখিয়ে হাই ইয়ং নামক কথিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে চারটি চেকের মাধ্যমে ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাত করেন আসামিরা। এতে কোন দরপত্র আহ্বান হয়নি। বাস্তবে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই।’
এ ঘটনায় ২০১০ সালের ১১ অক্টোবর বরিশালের দুদক কর্মকর্তা আব্দুল বাসেত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০১১ সালের ১৯ জুলাই আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিচার কাজ সম্পন্ন হয়।
আহসান হাবিব কামাল বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পৌর চেয়ারম্যান ও সিটি করপোরেশনে উন্নীত হলে ভারপ্রাপ্ত মেয়র ছিলেন। ২০১৩ সালে তিনি বিএনপির সমর্থনে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন।
১৫ বছর আগে দুদকের করা মামলায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) সাবেক মেয়র প্রয়াত আহসান হাবিব কামালকে নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা ও অর্থদণ্ড বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। এ মামলার অপর চার আসামির ক্ষেত্রেও একই আদেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারদীর নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ রায় দেন।
জানা গেছে, ২৭ লাখ ৫০ টাকা আত্মসাতের মামলায় ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব কামালসহ তৎকালীন পৌরসভার ৫ কর্মকর্তাকে ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছিলেন বরিশালের বিশেষ জজ আদালত। ৭ মাস ৮ দিন কারাভোগের পর ৫০ লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে ২০২১ সালের ১৬ জুলাই জামিনে মুক্তি পান তিনি। ২০২২ সালের ৩১ জুলাই ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
বুধবার হাইকোর্টে কামালের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী সমকালকে জানান, রায় ঘোষণার পরই সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হয়েছিল। এ মামলার সব আসামিকে নির্দোষ ঘোষণা দিয়ে বুধবার হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন।
রায়ে বিচারক উল্লেখ করেছেন, রাষ্ট্রপক্ষ মামলার অভিযোগ সন্দেহতীতভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ব্যারিস্টার সানজিদ জানান, তাঁরা আদালতে উপস্থাপন করেছেন যে, আহসান হাবিব কামাল বিএনপির রাজনীতি করতেন। মামলা দায়েরের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ‘১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে বরিশাল শহরে টিঅ্যাণ্ডটির ভূ-গর্ভস্থ ক্যাবল স্থাপন করা হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর তখনকার পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। সড়ক মেরামত দেখিয়ে হাই ইয়ং নামক কথিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে চারটি চেকের মাধ্যমে ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাত করেন আসামিরা। এতে কোন দরপত্র আহ্বান হয়নি। বাস্তবে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই।’
এ ঘটনায় ২০১০ সালের ১১ অক্টোবর বরিশালের দুদক কর্মকর্তা আব্দুল বাসেত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০১১ সালের ১৯ জুলাই আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিচার কাজ সম্পন্ন হয়।
আহসান হাবিব কামাল বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পৌর চেয়ারম্যান ও সিটি করপোরেশনে উন্নীত হলে ভারপ্রাপ্ত মেয়র ছিলেন। ২০১৩ সালে তিনি বিএনপির সমর্থনে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০৪
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৬
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৩
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪২

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০৪
ময়মনসিংহের ভালুকায় দলীয় কার্যালয় খোলা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় বাবা-ছেলেকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের মধ্যে সন্ত্রাস, হানাহানি ও রক্তপাতের ঘটনায় জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জামিরদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. খোকা মিয়া এবং সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি কর্মী, জামিরদিয়া ইউনিয়নের ভালুকা নিবাসী তোফায়েল আহমেদ রানাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জামিরদিয়া নারিশের গেইট এলাকায় বাবা ও ছেলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাবা খোকা মিয়াসহ দুইজন আহত হন।
সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবা খোকা মিয়া ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর সমর্থক ছিলেন। ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোর্শেদ আলমের সমর্থক। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
ঘটনার দিন রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে নির্বাচনের পর থেকে বন্ধ থাকা নারিশের মোড়ের রাজনৈতিক কার্যালয় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা খোলেন। বিষয়টি বাবা দেখে কার্যালয় বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন এবং তার সঙ্গীরা বাবা খোকা মিয়ার সঙ্গে থাকা লোকজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। গুলিবিদ্ধ খোকা মিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
ময়মনসিংহের ভালুকায় দলীয় কার্যালয় খোলা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় বাবা-ছেলেকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের মধ্যে সন্ত্রাস, হানাহানি ও রক্তপাতের ঘটনায় জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জামিরদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. খোকা মিয়া এবং সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি কর্মী, জামিরদিয়া ইউনিয়নের ভালুকা নিবাসী তোফায়েল আহমেদ রানাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জামিরদিয়া নারিশের গেইট এলাকায় বাবা ও ছেলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাবা খোকা মিয়াসহ দুইজন আহত হন।
সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবা খোকা মিয়া ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর সমর্থক ছিলেন। ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোর্শেদ আলমের সমর্থক। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
ঘটনার দিন রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে নির্বাচনের পর থেকে বন্ধ থাকা নারিশের মোড়ের রাজনৈতিক কার্যালয় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা খোলেন। বিষয়টি বাবা দেখে কার্যালয় বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন এবং তার সঙ্গীরা বাবা খোকা মিয়ার সঙ্গে থাকা লোকজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। গুলিবিদ্ধ খোকা মিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৬
বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের তেরদ্রোন গ্রামে দেখা গেল এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী চিত্র। বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খালিদুর রহমান খাঁনের উদ্যোগে তাঁর নিজ বাড়িতে আয়োজিত হয় এক ব্যতিক্রমধর্মী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান, যেখানে সমাজের সকল ভেদাভেদ ভুলে এর বন্ধনে ধনী, গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে অংশ নেন এক মিলনমেলায়।
গ্রামীণ ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির অনন্য বন্ধনে গড়ে ওঠা এ আয়োজনে বৈশাখের সকাল থেকেই ছিল আগত অতিথিদের আপ্যায়নে পরিবেশন করা হয় বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী পান্তা ভাত, আলুভর্তা, ডালের বড়া ও ডিম। এর সঙ্গে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হয় গুঠিয়া বন্দরের সুপরিচিত মিষ্টির কারিগর শ্যামল ভদ্রের হাতে তৈরি গরম গরম জিলাপি, যা উপস্থিত সবার মাঝে বাড়তি আনন্দ ও স্বাদ যোগ করে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজন দুপুর পর্যন্ত জমে ওঠে এক আনন্দঘন পরিবেশে।
আয়োজকদের ভাষ্য, কেবল উৎসব উদযাপন নয়, বরং সমাজে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করাই ছিল এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে এক ছাদের নিচে এনে একসাথে আনন্দ ভাগাভাগি করার এই উদ্যোগ এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
বিকেল গড়াতেই শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যের মাধ্যমে বৈশাখের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন। গ্রামীণ পরিবেশে এমন প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আয়োজন উপস্থিত সকলের মন জয় করে নেয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ডি.বি. পাল, নাক-কান বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. চিরঞ্জীব সিনহা পলাশ, ডা. সংযুক্ত দেবনাথ মৃদুলা, অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম, এডভোকেট শিবু লাল বনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি এ এম জি ভুলু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন খান ও শিপন মিয়া।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আঃ রহিম সরদার, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বিপ্লব কুমার হাজারী, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সোহাগসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অনেকেই জানান, বর্তমান সময়ে যখন সমাজে বিভাজন ও দূরত্ব বাড়ছে, তখন এমন একটি উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি শুধু একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মাঝে ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও একাত্মতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সব মিলিয়ে, গুঠিয়ার তেরদ্রোন গ্রামে এ ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ আয়োজন হয়ে উঠেছে এক স্মরণীয় মিলনমেলা, যা দীর্ঘদিন মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।
অনুষ্ঠানের আয়োজক খালিদুর রহমান খাঁন বলেন বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিগ্রহের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও শান্তি বিনষ্ট হচ্ছে। পহেলা বৈশাখ এই নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। রাজনীতিকায়নের কারণে সমাজে দিনদিন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সমাজের শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় বন্ধন একান্ত প্রয়োজন। সকল ভেদাভেদ ভুলে সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ আয়োজন অবদান রাখবে বলে বিশ্বাস করছেন তিনি।
বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের তেরদ্রোন গ্রামে দেখা গেল এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী চিত্র। বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খালিদুর রহমান খাঁনের উদ্যোগে তাঁর নিজ বাড়িতে আয়োজিত হয় এক ব্যতিক্রমধর্মী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান, যেখানে সমাজের সকল ভেদাভেদ ভুলে এর বন্ধনে ধনী, গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে অংশ নেন এক মিলনমেলায়।
গ্রামীণ ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির অনন্য বন্ধনে গড়ে ওঠা এ আয়োজনে বৈশাখের সকাল থেকেই ছিল আগত অতিথিদের আপ্যায়নে পরিবেশন করা হয় বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী পান্তা ভাত, আলুভর্তা, ডালের বড়া ও ডিম। এর সঙ্গে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হয় গুঠিয়া বন্দরের সুপরিচিত মিষ্টির কারিগর শ্যামল ভদ্রের হাতে তৈরি গরম গরম জিলাপি, যা উপস্থিত সবার মাঝে বাড়তি আনন্দ ও স্বাদ যোগ করে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজন দুপুর পর্যন্ত জমে ওঠে এক আনন্দঘন পরিবেশে।
আয়োজকদের ভাষ্য, কেবল উৎসব উদযাপন নয়, বরং সমাজে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করাই ছিল এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে এক ছাদের নিচে এনে একসাথে আনন্দ ভাগাভাগি করার এই উদ্যোগ এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
বিকেল গড়াতেই শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যের মাধ্যমে বৈশাখের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন। গ্রামীণ পরিবেশে এমন প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আয়োজন উপস্থিত সকলের মন জয় করে নেয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ডি.বি. পাল, নাক-কান বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. চিরঞ্জীব সিনহা পলাশ, ডা. সংযুক্ত দেবনাথ মৃদুলা, অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম, এডভোকেট শিবু লাল বনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি এ এম জি ভুলু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন খান ও শিপন মিয়া।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আঃ রহিম সরদার, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বিপ্লব কুমার হাজারী, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সোহাগসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অনেকেই জানান, বর্তমান সময়ে যখন সমাজে বিভাজন ও দূরত্ব বাড়ছে, তখন এমন একটি উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি শুধু একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মাঝে ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও একাত্মতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সব মিলিয়ে, গুঠিয়ার তেরদ্রোন গ্রামে এ ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ আয়োজন হয়ে উঠেছে এক স্মরণীয় মিলনমেলা, যা দীর্ঘদিন মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।
অনুষ্ঠানের আয়োজক খালিদুর রহমান খাঁন বলেন বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিগ্রহের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও শান্তি বিনষ্ট হচ্ছে। পহেলা বৈশাখ এই নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। রাজনীতিকায়নের কারণে সমাজে দিনদিন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সমাজের শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় বন্ধন একান্ত প্রয়োজন। সকল ভেদাভেদ ভুলে সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ আয়োজন অবদান রাখবে বলে বিশ্বাস করছেন তিনি।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৩
পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন চর চাপলী এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৈকত খান (২৫) নামের এক যুবকের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো নিজ মহিষ চরাতে সাগরপাড়ে যান সৈকত।
এ সময় সেখানে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে লিপ্ত ছিল স্থানীয় মাদক কারবারি নয়ন, সৈকত তাকে মাদক সেবন থেকে বিরত থাকতে বললে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে নয়ন।
অভিযোগ রয়েছে, এর জেরে নয়ন তার পিতা কবির (৪৫) ও সহযোগীদের নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সৈকতের ওপর হামলা চালায়। হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় সৈকতকে উদ্ধার করে প্রথমে মহিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কলাপাড়া সরকারি হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানেও অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।
বর্তমানে তার অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রকাশ্যে মাদক সেবন এবং এর প্রতিবাদ করায় এমন নির্মম হামলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহব্বত খান জানান, এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার থানায় ফোনে যোগাযোগ করেছে। তাদের থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন চর চাপলী এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৈকত খান (২৫) নামের এক যুবকের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো নিজ মহিষ চরাতে সাগরপাড়ে যান সৈকত।
এ সময় সেখানে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে লিপ্ত ছিল স্থানীয় মাদক কারবারি নয়ন, সৈকত তাকে মাদক সেবন থেকে বিরত থাকতে বললে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে নয়ন।
অভিযোগ রয়েছে, এর জেরে নয়ন তার পিতা কবির (৪৫) ও সহযোগীদের নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সৈকতের ওপর হামলা চালায়। হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় সৈকতকে উদ্ধার করে প্রথমে মহিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কলাপাড়া সরকারি হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানেও অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।
বর্তমানে তার অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রকাশ্যে মাদক সেবন এবং এর প্রতিবাদ করায় এমন নির্মম হামলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহব্বত খান জানান, এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার থানায় ফোনে যোগাযোগ করেছে। তাদের থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.