
২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:২৯
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁরা প্রাণ দিয়েছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সুদানের তপ্ত মরুভূমি রঞ্জিত হয়েছে তাদের রক্তে। নাটোরের মো. মাসুদ রানা, কুড়িগ্রামের মমিনুল ইসলাম, শান্ত মন্ডল, রাজবাড়ীর শামীম রেজা, কিশোরগঞ্জের জাহাঙ্গীর আলম এবং গাইবান্ধার সবুজ মিয়া-এরা সবাই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ড্রোন হামলায় প্রাণবিসর্জন দেওয়া দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গর্বিত সদস্য। দেশের অকুতোভয় বীর সন্তান। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী।
বিশ্বশান্তির মঞ্চে অনন্য জাগরণের এই আত্মত্যাগ মুক্তির সোনালী সূর্যের প্রতীক দেশের জাতীয় পতাকাকে করেছে আরও রক্ত লাল। বিশ্বপরিমণ্ডলে পুনরায় সাহস, পেশাদারিত্ব ও আত্মনিবেদনের মাধ্যমে রক্তের অক্ষরে নিজেদের নামাঙ্কিত করার পাশাপাশি বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণার অবিরাম উৎস হিসেবে চিত্রিত করে গেছেন বাংলাদেশকে। তাদের চির প্রস্থান বেদনার আবার একই সঙ্গে গৌরবময় অনুভূতির দ্যোতক।
কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা ও গৌরব বুকে নিয়েই নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ফিরেছেন নিজ মাতৃভূমিতে কফিনে নিথর দেহে। যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিকতায় সম্পন্ন হচ্ছে বিশ্বশান্তিতে জীবন দেয়া এই সূর্যসন্তানদের জানাজা ও দাফন। অতুল্য আত্মত্যাগে চিরকাল তাঁরা দীপ্ত থাকবেন প্রতিটি মানুষের স্মৃতি-আবেগের সরলতায়, ও গর্বের অনুভবে আত্মমর্যাদায়। তাদের রক্ত, ত্যাগ আর অদম্য সাহস গভীর কৃতজ্ঞতা ও পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে সতের কোটির বাংলাদেশ।
এর আগে গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ সদস্য মারা যান। আহত হয়েছেন ৯ জন। আহত শান্তিরক্ষীরা হলেন-কুষ্টিয়ার বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কর্নেল খোন্দকার খালেকুজ্জামান, দিনাজপুরের সার্জেন্ট মো. মোস্তাকিম হোসেন, ঢাকার করপোরাল আফরোজা পারভিন ইতি, বরগুনার ল্যান্স করপোরাল মহিবুল ইসলাম, কুড়িগ্রামের সৈনিক মো. মেজবাউল কবির, রংপুরের সৈনিক মোসা. উম্মে হানি আক্তার, মানিকগঞ্জের সৈনিক চুমকি আক্তার এবং নোয়াখালীর সৈনিক মো. মানাজির আহসান।
আহত সকলের চিকিৎসা চলছে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে। তাদের কয়েকজন এরইমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বাকিরা সবাই শঙ্কামুক্ত। বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী ড্রোন হামলাটি চালিয়েছিল সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সদস্যদের পদচিহ্ন সারা বিশ্বে। শুরু ১৯৮৮ সালের ১৪ আগস্ট। কুয়েত এয়ারওয়েজের একটি যাত্রীবাহী বিমানে একে একে উঠলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তা। ইউনাইটেড নেশনস ইরান-ইরাক মিলিটারি অবজারভার গ্রুপ (ইউনিমগ) নামে জাতিসংঘের একটি শান্তিরক্ষা মিশনে সেই কর্মকর্তাদের নিয়ে বহনকারী বিমানটি ডানা মিললো ঢাকার আকাশে। বিশ্ব পরিমণ্ডলে শান্তি অন্বেষণে নতুন দিকের সূচনা করলো লাল-সবুজের বাংলাদেশ। এরপর দেখতে দেখতে প্রায় চার দশক। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন নামে এক নতুন অধ্যায়ের শুরুর পরের ইতিহাসটি গর্বের, মাথা উঁচু করে পথচলার।
জাতিসংঘের ৫৬টি শান্তিরক্ষা মিশনের মধ্যে বাংলাদেশ ৫৪টি মিশনেই অংশ নিয়েছে। বর্তমানে ১০টি দেশে শান্তির পতাকা হাতে নিয়োজিত তারা। সময়ের বহমানতায় অপরিহার্য করে তুলেছে নিজেদের। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ১৯৯৩ সাল থেকে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিয়ে আসছে। ব্লু হেলমেটধারীরা মিশনে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে সবার সেরা এই শান্তির প্রহরীরা। জাতিসংঘের পতাকাকে সমুন্নত ও উড্ডীন রাখার পাশাপাশি তাঁরা উজ্জ্বল করেছেন দেশের ভাবমূর্তি।
বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিদেশের মাটিতে শত্রুদের সামনে মাথা নত করেনি কখনও। কঠিন বিপদ-সংকটময় মুহূর্তে জীবনঝুঁকির মধ্যেও জটিল ও বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে কাজ করে যাচ্ছেন অহর্নিশ। বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সিয়েরালিওন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় তাদের দেশের প্রধান ভাষা বাংলা করতে না পারলেও দেশটির দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার প্রচলন বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিভাত। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর ‘মজ্জা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গত ৩৭ বছর যাবত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে ওঠেছে দেশটি।
বিশ্বের বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ দেশে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে নিজেদের। অসামান্য অবদানের জন্য সুনাম কুড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। ৬দিন আগে সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালনের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬জন বীর শান্তিরক্ষী শাহাদতবরণ গভীরভাবে মর্মাহত করেছে গোটা দেশবাসীকে। জাতিসংঘের পতাকা তলে বিশ্বশান্তি রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গের শপথ করেই তাঁরা সেখানে গিয়েছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের বিপুল অবদান আন্তর্জাতিকভাবে তাই স্বীকৃত এবং প্রশংসিত।
জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে সর্বোচ্চসংখ্যক শান্তিরক্ষী পাঠানো ১১৯টি দেশের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে প্রথম বারের মতো ডিআর কঙ্গোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তিনটি হেলিকপটার মোতায়েন করা হয়েছে। শুরু থেকে সুদানে সর্বশেষ ৬ জন নিহত হওয়া ছাড়াও এই পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ১৬৮ জন শান্তিরক্ষী জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সেনাবাহিনীর ১৩১ জন, নৌবাহিনীর চার জন, বিমানবাহিনীর ছয় জন এবং পুলিশের ২৪ জন। আহত হয়েছেন ২৭২ জন। সার্বিকভাবে সুপ্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ সেনাসদস্য, উন্নত সরঞ্জাম, বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ এবং উঁচু মূল্যবোধের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মিশন এলাকার জনসাধারণ ও জাতিসংঘের আস্থা অর্জনে ঈর্ষণীয় সাফল্য লাভ করেছে।
ব্লু হেলমেটধারীরা শান্তির অনন্য দূত। অতীতের ধারাবাহিকতায় এই সময়েও সর্বোচ্চমানের পেশাদারি মনোভাব, সাহসিকতা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে বিশ্বের দেশে দেশে সন্ত্রাস, সংঘাত ও দাঙ্গা দমনের মাধ্যমে শান্তি স্থাপন থেকে শুরু করে দেশ পুনর্গঠনে নির্ভীক ভূমিকা পালন করছেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা। এক সময় যেসব দেশের সাধারণ মানুষ ‘বাংলাদেশ’ নামের সঙ্গেই পরিচিত ছিল না সেসব দেশের মানুষের মনেও শ্রদ্ধার আসন নিয়েছে বাংলাদেশ। দেশগুলোতে ব্লু হেলমেটধারীরা বিশ্বমানবতার সেবায় উৎসর্গ করেছেন নিজেদের। পেশাগত দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, সততা ও মানবিকতায় তাঁরা আজ বিশ্বমঞ্চে আত্মত্যাগের অনুকরণীয় এক দৃষ্টান্ত।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁরা প্রাণ দিয়েছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সুদানের তপ্ত মরুভূমি রঞ্জিত হয়েছে তাদের রক্তে। নাটোরের মো. মাসুদ রানা, কুড়িগ্রামের মমিনুল ইসলাম, শান্ত মন্ডল, রাজবাড়ীর শামীম রেজা, কিশোরগঞ্জের জাহাঙ্গীর আলম এবং গাইবান্ধার সবুজ মিয়া-এরা সবাই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ড্রোন হামলায় প্রাণবিসর্জন দেওয়া দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গর্বিত সদস্য। দেশের অকুতোভয় বীর সন্তান। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী।
বিশ্বশান্তির মঞ্চে অনন্য জাগরণের এই আত্মত্যাগ মুক্তির সোনালী সূর্যের প্রতীক দেশের জাতীয় পতাকাকে করেছে আরও রক্ত লাল। বিশ্বপরিমণ্ডলে পুনরায় সাহস, পেশাদারিত্ব ও আত্মনিবেদনের মাধ্যমে রক্তের অক্ষরে নিজেদের নামাঙ্কিত করার পাশাপাশি বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণার অবিরাম উৎস হিসেবে চিত্রিত করে গেছেন বাংলাদেশকে। তাদের চির প্রস্থান বেদনার আবার একই সঙ্গে গৌরবময় অনুভূতির দ্যোতক।
কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা ও গৌরব বুকে নিয়েই নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ফিরেছেন নিজ মাতৃভূমিতে কফিনে নিথর দেহে। যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিকতায় সম্পন্ন হচ্ছে বিশ্বশান্তিতে জীবন দেয়া এই সূর্যসন্তানদের জানাজা ও দাফন। অতুল্য আত্মত্যাগে চিরকাল তাঁরা দীপ্ত থাকবেন প্রতিটি মানুষের স্মৃতি-আবেগের সরলতায়, ও গর্বের অনুভবে আত্মমর্যাদায়। তাদের রক্ত, ত্যাগ আর অদম্য সাহস গভীর কৃতজ্ঞতা ও পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে সতের কোটির বাংলাদেশ।
এর আগে গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ সদস্য মারা যান। আহত হয়েছেন ৯ জন। আহত শান্তিরক্ষীরা হলেন-কুষ্টিয়ার বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কর্নেল খোন্দকার খালেকুজ্জামান, দিনাজপুরের সার্জেন্ট মো. মোস্তাকিম হোসেন, ঢাকার করপোরাল আফরোজা পারভিন ইতি, বরগুনার ল্যান্স করপোরাল মহিবুল ইসলাম, কুড়িগ্রামের সৈনিক মো. মেজবাউল কবির, রংপুরের সৈনিক মোসা. উম্মে হানি আক্তার, মানিকগঞ্জের সৈনিক চুমকি আক্তার এবং নোয়াখালীর সৈনিক মো. মানাজির আহসান।
আহত সকলের চিকিৎসা চলছে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে। তাদের কয়েকজন এরইমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বাকিরা সবাই শঙ্কামুক্ত। বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী ড্রোন হামলাটি চালিয়েছিল সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সদস্যদের পদচিহ্ন সারা বিশ্বে। শুরু ১৯৮৮ সালের ১৪ আগস্ট। কুয়েত এয়ারওয়েজের একটি যাত্রীবাহী বিমানে একে একে উঠলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তা। ইউনাইটেড নেশনস ইরান-ইরাক মিলিটারি অবজারভার গ্রুপ (ইউনিমগ) নামে জাতিসংঘের একটি শান্তিরক্ষা মিশনে সেই কর্মকর্তাদের নিয়ে বহনকারী বিমানটি ডানা মিললো ঢাকার আকাশে। বিশ্ব পরিমণ্ডলে শান্তি অন্বেষণে নতুন দিকের সূচনা করলো লাল-সবুজের বাংলাদেশ। এরপর দেখতে দেখতে প্রায় চার দশক। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন নামে এক নতুন অধ্যায়ের শুরুর পরের ইতিহাসটি গর্বের, মাথা উঁচু করে পথচলার।
জাতিসংঘের ৫৬টি শান্তিরক্ষা মিশনের মধ্যে বাংলাদেশ ৫৪টি মিশনেই অংশ নিয়েছে। বর্তমানে ১০টি দেশে শান্তির পতাকা হাতে নিয়োজিত তারা। সময়ের বহমানতায় অপরিহার্য করে তুলেছে নিজেদের। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ১৯৯৩ সাল থেকে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিয়ে আসছে। ব্লু হেলমেটধারীরা মিশনে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে সবার সেরা এই শান্তির প্রহরীরা। জাতিসংঘের পতাকাকে সমুন্নত ও উড্ডীন রাখার পাশাপাশি তাঁরা উজ্জ্বল করেছেন দেশের ভাবমূর্তি।
বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিদেশের মাটিতে শত্রুদের সামনে মাথা নত করেনি কখনও। কঠিন বিপদ-সংকটময় মুহূর্তে জীবনঝুঁকির মধ্যেও জটিল ও বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে কাজ করে যাচ্ছেন অহর্নিশ। বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীদের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সিয়েরালিওন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় তাদের দেশের প্রধান ভাষা বাংলা করতে না পারলেও দেশটির দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার প্রচলন বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিভাত। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর ‘মজ্জা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গত ৩৭ বছর যাবত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে ওঠেছে দেশটি।
বিশ্বের বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ দেশে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে নিজেদের। অসামান্য অবদানের জন্য সুনাম কুড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। ৬দিন আগে সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালনের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬জন বীর শান্তিরক্ষী শাহাদতবরণ গভীরভাবে মর্মাহত করেছে গোটা দেশবাসীকে। জাতিসংঘের পতাকা তলে বিশ্বশান্তি রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গের শপথ করেই তাঁরা সেখানে গিয়েছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের বিপুল অবদান আন্তর্জাতিকভাবে তাই স্বীকৃত এবং প্রশংসিত।
জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে সর্বোচ্চসংখ্যক শান্তিরক্ষী পাঠানো ১১৯টি দেশের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে প্রথম বারের মতো ডিআর কঙ্গোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তিনটি হেলিকপটার মোতায়েন করা হয়েছে। শুরু থেকে সুদানে সর্বশেষ ৬ জন নিহত হওয়া ছাড়াও এই পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ১৬৮ জন শান্তিরক্ষী জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সেনাবাহিনীর ১৩১ জন, নৌবাহিনীর চার জন, বিমানবাহিনীর ছয় জন এবং পুলিশের ২৪ জন। আহত হয়েছেন ২৭২ জন। সার্বিকভাবে সুপ্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ সেনাসদস্য, উন্নত সরঞ্জাম, বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ এবং উঁচু মূল্যবোধের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মিশন এলাকার জনসাধারণ ও জাতিসংঘের আস্থা অর্জনে ঈর্ষণীয় সাফল্য লাভ করেছে।
ব্লু হেলমেটধারীরা শান্তির অনন্য দূত। অতীতের ধারাবাহিকতায় এই সময়েও সর্বোচ্চমানের পেশাদারি মনোভাব, সাহসিকতা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে বিশ্বের দেশে দেশে সন্ত্রাস, সংঘাত ও দাঙ্গা দমনের মাধ্যমে শান্তি স্থাপন থেকে শুরু করে দেশ পুনর্গঠনে নির্ভীক ভূমিকা পালন করছেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা। এক সময় যেসব দেশের সাধারণ মানুষ ‘বাংলাদেশ’ নামের সঙ্গেই পরিচিত ছিল না সেসব দেশের মানুষের মনেও শ্রদ্ধার আসন নিয়েছে বাংলাদেশ। দেশগুলোতে ব্লু হেলমেটধারীরা বিশ্বমানবতার সেবায় উৎসর্গ করেছেন নিজেদের। পেশাগত দক্ষতা, নিরপেক্ষতা, সততা ও মানবিকতায় তাঁরা আজ বিশ্বমঞ্চে আত্মত্যাগের অনুকরণীয় এক দৃষ্টান্ত।
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:২২
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১২
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.