
০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৩
রাজধানীর পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির পৃথক দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ৫ বছর করে মোট ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি দুটি মামলার প্রত্যেকটিতে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দুই মামলায় শেখ রেহানার আরেক মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে মোট ৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রায়ে এক মামলায় রেহানার মেয়ে আজমিনা সিদ্দিককে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিককেও এক মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, পৃথক দুই মামলায় অভিযোগপত্রে আসামির সংখ্যা ৩৬ জন হলেও ব্যক্তি হিসেবে তারা মোট ২২ জন।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম বলেন, আমরা সকল সাক্ষ্য প্রমাণ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আশা করি, পৃথক এই দুই মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে প্রথম মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। ওই মামলায় টিউলিপ ও শেখ হাসিনাসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। একই দিনে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের নামে পূর্বাচলে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। এই মামলায়ও শেখ হাসিনা ও টিউলিপসহ ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়।
শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য ছাড়াও এই মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সাবেক সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন। রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা এবং রাজউকের সাবেক পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলামসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও আসামির তালিকায় রয়েছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা শহরের বাড়ি বা ফ্ল্যাট থাকার তথ্য গোপন করে পরস্পর যোগসাজশে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রাস্তায় ১০ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। শেখ হাসিনা তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করেছেন এবং প্রচলিত আইন ও নীতিমালার তোয়াক্কা না করে এই প্লট বরাদ্দ দিয়েছেন। এতে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
গত ১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের এবং ১৮ জানুয়ারি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। এরপর আদালত রায় ঘোষণার জন্য ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।
রাজধানীর পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির পৃথক দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ৫ বছর করে মোট ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি দুটি মামলার প্রত্যেকটিতে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দুই মামলায় শেখ রেহানার আরেক মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে মোট ৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রায়ে এক মামলায় রেহানার মেয়ে আজমিনা সিদ্দিককে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিককেও এক মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, পৃথক দুই মামলায় অভিযোগপত্রে আসামির সংখ্যা ৩৬ জন হলেও ব্যক্তি হিসেবে তারা মোট ২২ জন।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম বলেন, আমরা সকল সাক্ষ্য প্রমাণ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আশা করি, পৃথক এই দুই মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে প্রথম মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। ওই মামলায় টিউলিপ ও শেখ হাসিনাসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। একই দিনে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের নামে পূর্বাচলে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। এই মামলায়ও শেখ হাসিনা ও টিউলিপসহ ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়।
শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য ছাড়াও এই মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সাবেক সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন। রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা এবং রাজউকের সাবেক পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলামসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও আসামির তালিকায় রয়েছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা শহরের বাড়ি বা ফ্ল্যাট থাকার তথ্য গোপন করে পরস্পর যোগসাজশে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রাস্তায় ১০ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। শেখ হাসিনা তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করেছেন এবং প্রচলিত আইন ও নীতিমালার তোয়াক্কা না করে এই প্লট বরাদ্দ দিয়েছেন। এতে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
গত ১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের এবং ১৮ জানুয়ারি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। এরপর আদালত রায় ঘোষণার জন্য ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৬
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী। নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী— সবাই এ বিষয়ে ঐকান্তিক। সুতরাং, নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশের মতো মাধ্যমে কিছু অর্থের লেনদেন বা ‘মানি ট্রানজেকশন’ হতে পারে। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি।
সেনাপ্রধান বলেন, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় (কনস্টিটিউয়েন্সি) কিছু অপরাধী থাকতে পারে যারা ইলেকশন ডে-তে ব্যালট ছিনতাই বা ‘রিগিং’ করা এবং ভোটারদের পোলিং স্টেশনে যেতে বাধা দেওয়ার মতো অপকর্ম করতে পারে। আশা করি, আমাদের বাহিনী এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ অনুযায়ী আপনাদের হয় ডিটেনশন (আটক), না হয় মামলা— যেটি প্রয়োজন সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এর আগে গতকাল রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ সফর করেন সেনাবাহিনী প্রধান। এ সময় নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পেশাদারি, শৃঙ্খলা ও নাগরিকবান্ধব আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার কথাও বলেন।
সফরকালে তিনি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সম্মেলনকক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিকল্পনা, দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান পেশাদারি, ধৈর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েন সেনাসদস্যদের কার্যক্রম তিনি সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী। নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী— সবাই এ বিষয়ে ঐকান্তিক। সুতরাং, নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশের মতো মাধ্যমে কিছু অর্থের লেনদেন বা ‘মানি ট্রানজেকশন’ হতে পারে। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি।
সেনাপ্রধান বলেন, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় (কনস্টিটিউয়েন্সি) কিছু অপরাধী থাকতে পারে যারা ইলেকশন ডে-তে ব্যালট ছিনতাই বা ‘রিগিং’ করা এবং ভোটারদের পোলিং স্টেশনে যেতে বাধা দেওয়ার মতো অপকর্ম করতে পারে। আশা করি, আমাদের বাহিনী এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ অনুযায়ী আপনাদের হয় ডিটেনশন (আটক), না হয় মামলা— যেটি প্রয়োজন সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এর আগে গতকাল রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ সফর করেন সেনাবাহিনী প্রধান। এ সময় নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পেশাদারি, শৃঙ্খলা ও নাগরিকবান্ধব আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার কথাও বলেন।
সফরকালে তিনি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সম্মেলনকক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিকল্পনা, দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান পেশাদারি, ধৈর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েন সেনাসদস্যদের কার্যক্রম তিনি সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫২
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে এই ভূ-কম্পন আঘাত হানে।
ভোর ৫টায় এক বিজ্ঞপ্তিতে ভূমিকম্পের বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.১, যা ‘মৃদু’ শ্রেণির ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত। এর কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায়। ভূমিকম্পটির ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২২.৮৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.০১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র (ইএমএসসি) এবং ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের গভীরতা ছিল ১৫০ কিলোমিটার। গভীরতা বেশি হওয়ায় কম্পনটি তীব্র ছিল না। তবে ভোররাতে সাতক্ষীরা, খুলনা ও যশোরসহ পাশের জেলাগুলোতে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়।
ভোররাতের এই ভূমিকম্পে সাতক্ষীরা ও খুলনার বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক ছড়ালেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে এই ভূ-কম্পন আঘাত হানে।
ভোর ৫টায় এক বিজ্ঞপ্তিতে ভূমিকম্পের বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.১, যা ‘মৃদু’ শ্রেণির ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত। এর কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায়। ভূমিকম্পটির ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২২.৮৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.০১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র (ইএমএসসি) এবং ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের গভীরতা ছিল ১৫০ কিলোমিটার। গভীরতা বেশি হওয়ায় কম্পনটি তীব্র ছিল না। তবে ভোররাতে সাতক্ষীরা, খুলনা ও যশোরসহ পাশের জেলাগুলোতে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়।
ভোররাতের এই ভূমিকম্পে সাতক্ষীরা ও খুলনার বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক ছড়ালেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৬
দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে। আজ সকাল-বিকেল দুই দফায় মোট ১২ হাজার ১৪ টাকা কমানো হয়েছে। ভরি প্রতি সকালে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়।
পরে বিকেলে আবারও ৫ হাজার ৪২৪ টাকা কমানো হয়। এর মানে, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমে হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটার পর দ্বিতীয় দফা নতুন দামের ঘোষণা দেয়। নতুন দাম ৩টা ৪৫ মিনিটে কার্যকর করা হয়েছে। এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ভরিতে দাম ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমানো হয়েছিল।
২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমানোর পাশাপাশি ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ভরিপ্রতি কমেছে। এদিকে সোনার দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিস্তারিত আসছে...
দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে। আজ সকাল-বিকেল দুই দফায় মোট ১২ হাজার ১৪ টাকা কমানো হয়েছে। ভরি প্রতি সকালে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়।
পরে বিকেলে আবারও ৫ হাজার ৪২৪ টাকা কমানো হয়। এর মানে, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমে হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটার পর দ্বিতীয় দফা নতুন দামের ঘোষণা দেয়। নতুন দাম ৩টা ৪৫ মিনিটে কার্যকর করা হয়েছে। এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ভরিতে দাম ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমানো হয়েছিল।
২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমানোর পাশাপাশি ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ভরিপ্রতি কমেছে। এদিকে সোনার দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিস্তারিত আসছে...

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:৪৮
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৬
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৩