
০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৩
রাজধানীর পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির পৃথক দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ৫ বছর করে মোট ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি দুটি মামলার প্রত্যেকটিতে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দুই মামলায় শেখ রেহানার আরেক মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে মোট ৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রায়ে এক মামলায় রেহানার মেয়ে আজমিনা সিদ্দিককে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিককেও এক মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, পৃথক দুই মামলায় অভিযোগপত্রে আসামির সংখ্যা ৩৬ জন হলেও ব্যক্তি হিসেবে তারা মোট ২২ জন।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম বলেন, আমরা সকল সাক্ষ্য প্রমাণ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আশা করি, পৃথক এই দুই মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে প্রথম মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। ওই মামলায় টিউলিপ ও শেখ হাসিনাসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। একই দিনে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের নামে পূর্বাচলে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। এই মামলায়ও শেখ হাসিনা ও টিউলিপসহ ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়।
শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য ছাড়াও এই মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সাবেক সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন। রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা এবং রাজউকের সাবেক পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলামসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও আসামির তালিকায় রয়েছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা শহরের বাড়ি বা ফ্ল্যাট থাকার তথ্য গোপন করে পরস্পর যোগসাজশে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রাস্তায় ১০ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। শেখ হাসিনা তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করেছেন এবং প্রচলিত আইন ও নীতিমালার তোয়াক্কা না করে এই প্লট বরাদ্দ দিয়েছেন। এতে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
গত ১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের এবং ১৮ জানুয়ারি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। এরপর আদালত রায় ঘোষণার জন্য ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।
রাজধানীর পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির পৃথক দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ৫ বছর করে মোট ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি দুটি মামলার প্রত্যেকটিতে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দুই মামলায় শেখ রেহানার আরেক মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিককে মোট ৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রায়ে এক মামলায় রেহানার মেয়ে আজমিনা সিদ্দিককে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিককেও এক মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, পৃথক দুই মামলায় অভিযোগপত্রে আসামির সংখ্যা ৩৬ জন হলেও ব্যক্তি হিসেবে তারা মোট ২২ জন।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম বলেন, আমরা সকল সাক্ষ্য প্রমাণ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আশা করি, পৃথক এই দুই মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে প্রথম মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। ওই মামলায় টিউলিপ ও শেখ হাসিনাসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। একই দিনে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের নামে পূর্বাচলে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। এই মামলায়ও শেখ হাসিনা ও টিউলিপসহ ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়।
শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য ছাড়াও এই মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সাবেক সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন। রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা এবং রাজউকের সাবেক পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলামসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও আসামির তালিকায় রয়েছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা শহরের বাড়ি বা ফ্ল্যাট থাকার তথ্য গোপন করে পরস্পর যোগসাজশে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রাস্তায় ১০ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। শেখ হাসিনা তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করেছেন এবং প্রচলিত আইন ও নীতিমালার তোয়াক্কা না করে এই প্লট বরাদ্দ দিয়েছেন। এতে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
গত ১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের এবং ১৮ জানুয়ারি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। এরপর আদালত রায় ঘোষণার জন্য ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫৮
সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের একটি ফ্ল্যাট জব্দ ও সেখানে থাকা মালামালের তালিকা তৈরির কার্যক্রম চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৯ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল এ অভিযান শুরু করে। অভিযানে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্তিচিত করেন।
তিনি জানান, মিরপুর ডিওএইচএসের ৩১ নম্বর সড়কের ৫৪১ নম্বর প্লটের এল-৩ নম্বর ফ্ল্যাটে অভিযান চলছে। ফ্ল্যাটটি জব্দ করার পাশাপাশি সেখানে থাকা আসবাবপত্র, মূল্যবান সামগ্রী ও অন্যান্য মালামালের তালিকা তৈরি করছেন দুদকের কর্মকর্তারা।
তবে অভিযান চলমান থাকায় ফ্ল্যাটটিতে কী পরিমাণ সম্পদ বা কী ধরনের মালামাল পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।’
সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের একটি ফ্ল্যাট জব্দ ও সেখানে থাকা মালামালের তালিকা তৈরির কার্যক্রম চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৯ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল এ অভিযান শুরু করে। অভিযানে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্তিচিত করেন।
তিনি জানান, মিরপুর ডিওএইচএসের ৩১ নম্বর সড়কের ৫৪১ নম্বর প্লটের এল-৩ নম্বর ফ্ল্যাটে অভিযান চলছে। ফ্ল্যাটটি জব্দ করার পাশাপাশি সেখানে থাকা আসবাবপত্র, মূল্যবান সামগ্রী ও অন্যান্য মালামালের তালিকা তৈরি করছেন দুদকের কর্মকর্তারা।
তবে অভিযান চলমান থাকায় ফ্ল্যাটটিতে কী পরিমাণ সম্পদ বা কী ধরনের মালামাল পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:৫৭
রাজধানী ঢাকার মিরপুর ১৩ নম্বরে যুবদল নেতাসহ দুইজন গুলিবিদ্ধি হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাফরুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন, কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমান এবং বিএনপি কর্মী মো. ইউসুফ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গোলাগুলির ঘটনায় অস্ত্রধারী একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
মিরপুর ১৩ নম্বরের বাসিন্দা ও বিএনপির কর্মী মো. সুজন সাংবাদিকদের জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে যুবদল নেতা হাফিজুরসহ ৭ থেকে ৮ জন ওই এলাকায় আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় হঠাৎ ৩ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমানের শরীরে ২টি গুলি লাগে।
কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোলাগুলির ঘটনায় দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
রাজধানী ঢাকার মিরপুর ১৩ নম্বরে যুবদল নেতাসহ দুইজন গুলিবিদ্ধি হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাফরুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন, কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমান এবং বিএনপি কর্মী মো. ইউসুফ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গোলাগুলির ঘটনায় অস্ত্রধারী একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
মিরপুর ১৩ নম্বরের বাসিন্দা ও বিএনপির কর্মী মো. সুজন সাংবাদিকদের জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে যুবদল নেতা হাফিজুরসহ ৭ থেকে ৮ জন ওই এলাকায় আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় হঠাৎ ৩ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমানের শরীরে ২টি গুলি লাগে।
কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোলাগুলির ঘটনায় দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:০৫
শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে তিনি পদত্যাগ করেন। পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী, দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ উদ্দিন নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছি। যদি প্রয়োজন হয়।’
একইভাবে ডেপুটি স্পিকারও শপথের সময় স্পিকারের শপথ নিয়ে রাখেন বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস তালুকদারসহ সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে তিনি পদত্যাগ করেন। পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী, দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ উদ্দিন নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছি। যদি প্রয়োজন হয়।’
একইভাবে ডেপুটি স্পিকারও শপথের সময় স্পিকারের শপথ নিয়ে রাখেন বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস তালুকদারসহ সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৩৮
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৬
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৪
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪৬