
০২ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৩২
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারণে কুয়াকাটায় বিরাজ করছে বৈরী আবহাওয়া। সমুদ্রে জারি রয়েছে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, ফুঁসে উঠছে সমুদ্র, উত্তাল ঢেউয়ের মিতালীতে হাজারো পর্যটক মেতে উঠেছেন বাঁধভাঙা উল্লাসে।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার লম্বা ছুটি উপভোগে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পর্যটকে এখন মুখর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। ইতোমধ্যেই ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ হোটেল বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। প্রাণ ফিরে পেয়েছে সৈকত এলাকা ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়া অনেক পর্যটকের ভ্রমণ আনন্দকে ম্লান করেছে।
গতকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি চললেও বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পর্যটকসহ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দ্বীন ইসলাম বলেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটক আসায় বিক্রি মোটামুটি ভালোই ছিল। কিন্তু আজকের বৃষ্টির কারণে বিক্রি একেবারেই নেই।
অটোচালক কামাল হোসেন বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে গাড়ি নিয়ে বের হতে পারছি না। পর্যটকরা কোথাও যাচ্ছে না। আশা করেছিলাম এই ছুটিতে কিছু আয় হবে, কিন্তু তা সম্ভব হচ্ছে না।
সৈকত এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, অনেকে অবস্থান করছেন হোটেল কক্ষে, আবার অনেকেই ঝুঁকি নিয়েই ঢেউয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছেন।
পর্যটক মো. শাকিল বলেন, সৈকতে এসে ঢেউ না দেখে ফিরে যাওয়া যায় না। আবহাওয়া খারাপ হলেও ঢেউয়ের সঙ্গে মজা করছি। তবে অন্য দর্শনীয় স্পটে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আরেক পর্যটক ফারজানা আক্তার বলেন, প্রথমবার কুয়াকাটায় এসেছি। সমুদ্রের সৌন্দর্য দারুণ লাগছে, কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় যাওয়া হয়নি।
হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল ফরাজী বলেন, দূর্গাপূজার টানা ছুটিতে কুয়াকাটা রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের আগমন হয়েছে। সৈকত লাগোয়া হোটেলগুলো শতভাগ বুকিং রয়েছে।
এছাড়াও আশেপাশের হোটেল গুলো ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ বুকিং রয়েছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিছু হোটেলের বুকিং ক্যানসেল হচ্ছে। কুয়াকাটা অবস্থানরত পর্যটকরা দূরের কোন স্পটে যেতে পারছেন না।
কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোতালেব শরীফ জানান, পর্যটন মৌসুমে হঠাৎ নিম্নচাপের কারণে বুকিং বাতিল হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক ভ্রমণপিপাসুরা আসতে চাইলেও আসতে পারছেন না। এতে হোটেল-মোটেলের বড় ধরণের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
এদিকে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় সমুদ্র সৈকত ও আশপাশে টুরিস্ট পুলিশ, থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছেন টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান।
বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার ভোগান্তি থাকলেও কুয়াকাটা সৈকতে ঢেউয়ের সঙ্গে মেতে ওঠা পর্যটকদের উচ্ছ্বাস বাড়তি রঙ ছড়াচ্ছে সমুদ্রপাড়ে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারণে কুয়াকাটায় বিরাজ করছে বৈরী আবহাওয়া। সমুদ্রে জারি রয়েছে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, ফুঁসে উঠছে সমুদ্র, উত্তাল ঢেউয়ের মিতালীতে হাজারো পর্যটক মেতে উঠেছেন বাঁধভাঙা উল্লাসে।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার লম্বা ছুটি উপভোগে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পর্যটকে এখন মুখর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। ইতোমধ্যেই ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ হোটেল বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। প্রাণ ফিরে পেয়েছে সৈকত এলাকা ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়া অনেক পর্যটকের ভ্রমণ আনন্দকে ম্লান করেছে।
গতকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি চললেও বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পর্যটকসহ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দ্বীন ইসলাম বলেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটক আসায় বিক্রি মোটামুটি ভালোই ছিল। কিন্তু আজকের বৃষ্টির কারণে বিক্রি একেবারেই নেই।
অটোচালক কামাল হোসেন বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে গাড়ি নিয়ে বের হতে পারছি না। পর্যটকরা কোথাও যাচ্ছে না। আশা করেছিলাম এই ছুটিতে কিছু আয় হবে, কিন্তু তা সম্ভব হচ্ছে না।
সৈকত এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, অনেকে অবস্থান করছেন হোটেল কক্ষে, আবার অনেকেই ঝুঁকি নিয়েই ঢেউয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছেন।
পর্যটক মো. শাকিল বলেন, সৈকতে এসে ঢেউ না দেখে ফিরে যাওয়া যায় না। আবহাওয়া খারাপ হলেও ঢেউয়ের সঙ্গে মজা করছি। তবে অন্য দর্শনীয় স্পটে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আরেক পর্যটক ফারজানা আক্তার বলেন, প্রথমবার কুয়াকাটায় এসেছি। সমুদ্রের সৌন্দর্য দারুণ লাগছে, কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় যাওয়া হয়নি।
হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল ফরাজী বলেন, দূর্গাপূজার টানা ছুটিতে কুয়াকাটা রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের আগমন হয়েছে। সৈকত লাগোয়া হোটেলগুলো শতভাগ বুকিং রয়েছে।
এছাড়াও আশেপাশের হোটেল গুলো ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ বুকিং রয়েছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিছু হোটেলের বুকিং ক্যানসেল হচ্ছে। কুয়াকাটা অবস্থানরত পর্যটকরা দূরের কোন স্পটে যেতে পারছেন না।
কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোতালেব শরীফ জানান, পর্যটন মৌসুমে হঠাৎ নিম্নচাপের কারণে বুকিং বাতিল হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক ভ্রমণপিপাসুরা আসতে চাইলেও আসতে পারছেন না। এতে হোটেল-মোটেলের বড় ধরণের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
এদিকে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় সমুদ্র সৈকত ও আশপাশে টুরিস্ট পুলিশ, থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছেন টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান।
বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার ভোগান্তি থাকলেও কুয়াকাটা সৈকতে ঢেউয়ের সঙ্গে মেতে ওঠা পর্যটকদের উচ্ছ্বাস বাড়তি রঙ ছড়াচ্ছে সমুদ্রপাড়ে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০৩
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে একটি সেতু নির্মাণের কাজ ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে তিন বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছে মাত্র দুটি পিলার।
বাকি কাজ ফেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উধাও হয়ে যাওয়ায় বছরের পর বছর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের দিয়ারা কচুয়া জনতা বাজার খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ টাকা।
সর্বচ্চ দরদাতা হিসাবে কাজটি পায় পটুয়াখালীর মেসার্স সাফিন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফা সময় বাড়ানো হলেও কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। তিন বছরে কাজ হয়েছে কেবল দুটি পিলার নির্মাণ।
প্রায় এক বছর ধরে নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার লাপাত্তা থাকায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে সেতুর পাশে কাঠের একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছেন। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
দক্ষিণ ও উত্তর কচুয়া গ্রামের হাজার হাজার মানুষের একমাত্র চলাচলের পথের এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮) বলেন, “২০২৩ সালে ব্রিজের কাজ শুরু হয়। কিছুদিন কাজ করার পর ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেন। পরে অল্প কিছুদিন কাজ করে প্রায় এক বছর ধরে লাপাত্তা।”
আরেক বাসিন্দা মজিবর রহমান মাঝি (৫৩) বলেন, “ঠিকাদারের কাঠের সাঁকো তৈরি করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না করায় আমরা নিজেরাই চাঁদা তুলে সাঁকো বানিয়ে চলাচল করছি।
এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।” একই এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম (৩৯) বলেন, “নড়বড়ে সাঁকোর কারণে অনেক সময় ছেলে-মেয়েরা স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারে না।
অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। এ বিষয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোর্শেদ মুরাদ বলেন, “যখন কাজ শুরু হয় তখন আমি এখানে কর্মরত ছিলাম না।
ঠিকাদারকে ৩৩ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। যোগদানের পর বিষয়টি জানতে পেরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ শুরু করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু না হলে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে একটি সেতু নির্মাণের কাজ ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে তিন বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছে মাত্র দুটি পিলার।
বাকি কাজ ফেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উধাও হয়ে যাওয়ায় বছরের পর বছর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের দিয়ারা কচুয়া জনতা বাজার খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ টাকা।
সর্বচ্চ দরদাতা হিসাবে কাজটি পায় পটুয়াখালীর মেসার্স সাফিন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফা সময় বাড়ানো হলেও কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। তিন বছরে কাজ হয়েছে কেবল দুটি পিলার নির্মাণ।
প্রায় এক বছর ধরে নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার লাপাত্তা থাকায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে সেতুর পাশে কাঠের একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছেন। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
দক্ষিণ ও উত্তর কচুয়া গ্রামের হাজার হাজার মানুষের একমাত্র চলাচলের পথের এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮) বলেন, “২০২৩ সালে ব্রিজের কাজ শুরু হয়। কিছুদিন কাজ করার পর ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেন। পরে অল্প কিছুদিন কাজ করে প্রায় এক বছর ধরে লাপাত্তা।”
আরেক বাসিন্দা মজিবর রহমান মাঝি (৫৩) বলেন, “ঠিকাদারের কাঠের সাঁকো তৈরি করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না করায় আমরা নিজেরাই চাঁদা তুলে সাঁকো বানিয়ে চলাচল করছি।
এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।” একই এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম (৩৯) বলেন, “নড়বড়ে সাঁকোর কারণে অনেক সময় ছেলে-মেয়েরা স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারে না।
অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। এ বিষয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোর্শেদ মুরাদ বলেন, “যখন কাজ শুরু হয় তখন আমি এখানে কর্মরত ছিলাম না।
ঠিকাদারকে ৩৩ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। যোগদানের পর বিষয়টি জানতে পেরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ শুরু করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু না হলে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০০
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদবাজার। রোজার প্রথম সপ্তাহ থেকেই উপজেলার বিভিন্ন বিপণিবিতান ও মার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের কেনাকাটায় নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।
সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন বস্ত্রবিতান ও পোশাকের দোকানগুলোতে। এ বছর মেয়েদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানি স্টাইলের ‘ফারসি’ সেলোয়ার-কামিজ। অন্যদিকে ছেলেদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ইন্ডিয়ান ওয়াশ স্টাইলের শার্ট-প্যান্ট। এছাড়া শাড়িপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিয়ান তসর, কাতান ও ধুপিয়ান শাড়ি।
সরেজমিনে বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে, বাউফল পৌরশহর, কালাইয়া বন্দর, কালিশুরী, বগা বন্দর, কনকদিয়া, কাছিপাড়া ও নওমালা বাজার এলাকার বিপণি বিতান গুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। দোকানিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পোশাক দেখাতে ও বিক্রি করতে।
দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোজার শুরুতে ব্যবসায়ী ও গৃহস্থালি পরিবারের ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি থাকলেও চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে চাকরিজীবী পরিবারের ক্রেতাদের আনাগোনা বেড়েছে। তাদের ধারণা, বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পাওয়ার পর চাকরিজীবীরা ঈদের কেনাকাটায় বাজারে নেমেছেন।
উপজেলার বাজারে মোকলেচ মার্কেটের নগর পল্লি গার্মেন্টস গিয়ে দেখা যায়, দোকানিদের দম ফেলার সময় নেই। ক্রেতারা নিজ নিজ পছন্দ অনুযায়ী পোশাক বেছে নিচ্ছেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েরা পাকিস্তানি স্টাইলের ফারসি সেলোয়ার-কামিজের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অন্যদিকে তরুণদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিয়ান ওয়াশ স্টাইলের শার্ট-প্যান্ট।
কালাইয়া বন্দরের ‘বি কে বস্ত্রালয়’-এর স্বত্বাধিকারী শ্যামল কর্মকার বলেন, “এবার ইন্ডিয়ান তসর, কাতান ও ধুপিয়ান শাড়ির নতুন ডিজাইনগুলো ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।”
কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা দেশীয় নি¤œমানের পোশাককে পাকিস্তানি বা চায়না পণ্য বলে বেশি দামে বিক্রি করছেন। পাশাপাশি পোশাকের মানের তুলনায় অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে কয়েকটি দোকানের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ জানান, বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও পোশাকের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদবাজার। রোজার প্রথম সপ্তাহ থেকেই উপজেলার বিভিন্ন বিপণিবিতান ও মার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের কেনাকাটায় নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।
সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন বস্ত্রবিতান ও পোশাকের দোকানগুলোতে। এ বছর মেয়েদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানি স্টাইলের ‘ফারসি’ সেলোয়ার-কামিজ। অন্যদিকে ছেলেদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ইন্ডিয়ান ওয়াশ স্টাইলের শার্ট-প্যান্ট। এছাড়া শাড়িপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিয়ান তসর, কাতান ও ধুপিয়ান শাড়ি।
সরেজমিনে বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে, বাউফল পৌরশহর, কালাইয়া বন্দর, কালিশুরী, বগা বন্দর, কনকদিয়া, কাছিপাড়া ও নওমালা বাজার এলাকার বিপণি বিতান গুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। দোকানিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পোশাক দেখাতে ও বিক্রি করতে।
দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোজার শুরুতে ব্যবসায়ী ও গৃহস্থালি পরিবারের ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি থাকলেও চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে চাকরিজীবী পরিবারের ক্রেতাদের আনাগোনা বেড়েছে। তাদের ধারণা, বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পাওয়ার পর চাকরিজীবীরা ঈদের কেনাকাটায় বাজারে নেমেছেন।
উপজেলার বাজারে মোকলেচ মার্কেটের নগর পল্লি গার্মেন্টস গিয়ে দেখা যায়, দোকানিদের দম ফেলার সময় নেই। ক্রেতারা নিজ নিজ পছন্দ অনুযায়ী পোশাক বেছে নিচ্ছেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েরা পাকিস্তানি স্টাইলের ফারসি সেলোয়ার-কামিজের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অন্যদিকে তরুণদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিয়ান ওয়াশ স্টাইলের শার্ট-প্যান্ট।
কালাইয়া বন্দরের ‘বি কে বস্ত্রালয়’-এর স্বত্বাধিকারী শ্যামল কর্মকার বলেন, “এবার ইন্ডিয়ান তসর, কাতান ও ধুপিয়ান শাড়ির নতুন ডিজাইনগুলো ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।”
কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা দেশীয় নি¤œমানের পোশাককে পাকিস্তানি বা চায়না পণ্য বলে বেশি দামে বিক্রি করছেন। পাশাপাশি পোশাকের মানের তুলনায় অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে কয়েকটি দোকানের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ জানান, বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও পোশাকের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৬:০৯
প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, জাল যার, জল তার। মাছ ধরতে আর ইজারা দিতে হবে না।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গলাচিপা খাল ও এর শাখা খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী। এসময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, ‘অনেক সময় জেলেদের মাছ ধরতে গেলে ইজারা দিতে হয়। এখন থেকে এসব ক্ষেত্রে ইজারা যেন না দিতে হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। জাল যার, জল তার। যাদের জাল আছে তারাই মাছ ধরবেন, এখানে কোনো ইজারা হবে না।’
তিনি আরও বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা বণ্টনের ক্ষেত্রে কোনো দলীয় বিবেচনা করা যাবে না। ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ, বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, চর এলাকার জমি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। যাদের বৈধ দলিল আছে, তারা যেন তাদের জমি ভোগ করতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হবে। আর যেসব জমি এক বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয়, সেগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বণ্টন করতে হবে।’
প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, জাল যার, জল তার। মাছ ধরতে আর ইজারা দিতে হবে না।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গলাচিপা খাল ও এর শাখা খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী। এসময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, ‘অনেক সময় জেলেদের মাছ ধরতে গেলে ইজারা দিতে হয়। এখন থেকে এসব ক্ষেত্রে ইজারা যেন না দিতে হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। জাল যার, জল তার। যাদের জাল আছে তারাই মাছ ধরবেন, এখানে কোনো ইজারা হবে না।’
তিনি আরও বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা বণ্টনের ক্ষেত্রে কোনো দলীয় বিবেচনা করা যাবে না। ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ, বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, চর এলাকার জমি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। যাদের বৈধ দলিল আছে, তারা যেন তাদের জমি ভোগ করতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হবে। আর যেসব জমি এক বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয়, সেগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বণ্টন করতে হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.