
০২ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৩২
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারণে কুয়াকাটায় বিরাজ করছে বৈরী আবহাওয়া। সমুদ্রে জারি রয়েছে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, ফুঁসে উঠছে সমুদ্র, উত্তাল ঢেউয়ের মিতালীতে হাজারো পর্যটক মেতে উঠেছেন বাঁধভাঙা উল্লাসে।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার লম্বা ছুটি উপভোগে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পর্যটকে এখন মুখর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। ইতোমধ্যেই ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ হোটেল বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। প্রাণ ফিরে পেয়েছে সৈকত এলাকা ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়া অনেক পর্যটকের ভ্রমণ আনন্দকে ম্লান করেছে।
গতকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি চললেও বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পর্যটকসহ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দ্বীন ইসলাম বলেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটক আসায় বিক্রি মোটামুটি ভালোই ছিল। কিন্তু আজকের বৃষ্টির কারণে বিক্রি একেবারেই নেই।
অটোচালক কামাল হোসেন বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে গাড়ি নিয়ে বের হতে পারছি না। পর্যটকরা কোথাও যাচ্ছে না। আশা করেছিলাম এই ছুটিতে কিছু আয় হবে, কিন্তু তা সম্ভব হচ্ছে না।
সৈকত এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, অনেকে অবস্থান করছেন হোটেল কক্ষে, আবার অনেকেই ঝুঁকি নিয়েই ঢেউয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছেন।
পর্যটক মো. শাকিল বলেন, সৈকতে এসে ঢেউ না দেখে ফিরে যাওয়া যায় না। আবহাওয়া খারাপ হলেও ঢেউয়ের সঙ্গে মজা করছি। তবে অন্য দর্শনীয় স্পটে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আরেক পর্যটক ফারজানা আক্তার বলেন, প্রথমবার কুয়াকাটায় এসেছি। সমুদ্রের সৌন্দর্য দারুণ লাগছে, কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় যাওয়া হয়নি।
হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল ফরাজী বলেন, দূর্গাপূজার টানা ছুটিতে কুয়াকাটা রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের আগমন হয়েছে। সৈকত লাগোয়া হোটেলগুলো শতভাগ বুকিং রয়েছে।
এছাড়াও আশেপাশের হোটেল গুলো ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ বুকিং রয়েছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিছু হোটেলের বুকিং ক্যানসেল হচ্ছে। কুয়াকাটা অবস্থানরত পর্যটকরা দূরের কোন স্পটে যেতে পারছেন না।
কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোতালেব শরীফ জানান, পর্যটন মৌসুমে হঠাৎ নিম্নচাপের কারণে বুকিং বাতিল হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক ভ্রমণপিপাসুরা আসতে চাইলেও আসতে পারছেন না। এতে হোটেল-মোটেলের বড় ধরণের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
এদিকে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় সমুদ্র সৈকত ও আশপাশে টুরিস্ট পুলিশ, থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছেন টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান।
বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার ভোগান্তি থাকলেও কুয়াকাটা সৈকতে ঢেউয়ের সঙ্গে মেতে ওঠা পর্যটকদের উচ্ছ্বাস বাড়তি রঙ ছড়াচ্ছে সমুদ্রপাড়ে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারণে কুয়াকাটায় বিরাজ করছে বৈরী আবহাওয়া। সমুদ্রে জারি রয়েছে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, ফুঁসে উঠছে সমুদ্র, উত্তাল ঢেউয়ের মিতালীতে হাজারো পর্যটক মেতে উঠেছেন বাঁধভাঙা উল্লাসে।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার লম্বা ছুটি উপভোগে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পর্যটকে এখন মুখর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। ইতোমধ্যেই ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ হোটেল বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। প্রাণ ফিরে পেয়েছে সৈকত এলাকা ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়া অনেক পর্যটকের ভ্রমণ আনন্দকে ম্লান করেছে।
গতকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি চললেও বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পর্যটকসহ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দ্বীন ইসলাম বলেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটক আসায় বিক্রি মোটামুটি ভালোই ছিল। কিন্তু আজকের বৃষ্টির কারণে বিক্রি একেবারেই নেই।
অটোচালক কামাল হোসেন বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে গাড়ি নিয়ে বের হতে পারছি না। পর্যটকরা কোথাও যাচ্ছে না। আশা করেছিলাম এই ছুটিতে কিছু আয় হবে, কিন্তু তা সম্ভব হচ্ছে না।
সৈকত এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, অনেকে অবস্থান করছেন হোটেল কক্ষে, আবার অনেকেই ঝুঁকি নিয়েই ঢেউয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছেন।
পর্যটক মো. শাকিল বলেন, সৈকতে এসে ঢেউ না দেখে ফিরে যাওয়া যায় না। আবহাওয়া খারাপ হলেও ঢেউয়ের সঙ্গে মজা করছি। তবে অন্য দর্শনীয় স্পটে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আরেক পর্যটক ফারজানা আক্তার বলেন, প্রথমবার কুয়াকাটায় এসেছি। সমুদ্রের সৌন্দর্য দারুণ লাগছে, কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় যাওয়া হয়নি।
হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল ফরাজী বলেন, দূর্গাপূজার টানা ছুটিতে কুয়াকাটা রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের আগমন হয়েছে। সৈকত লাগোয়া হোটেলগুলো শতভাগ বুকিং রয়েছে।
এছাড়াও আশেপাশের হোটেল গুলো ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ বুকিং রয়েছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিছু হোটেলের বুকিং ক্যানসেল হচ্ছে। কুয়াকাটা অবস্থানরত পর্যটকরা দূরের কোন স্পটে যেতে পারছেন না।
কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোতালেব শরীফ জানান, পর্যটন মৌসুমে হঠাৎ নিম্নচাপের কারণে বুকিং বাতিল হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক ভ্রমণপিপাসুরা আসতে চাইলেও আসতে পারছেন না। এতে হোটেল-মোটেলের বড় ধরণের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
এদিকে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় সমুদ্র সৈকত ও আশপাশে টুরিস্ট পুলিশ, থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছেন টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান।
বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার ভোগান্তি থাকলেও কুয়াকাটা সৈকতে ঢেউয়ের সঙ্গে মেতে ওঠা পর্যটকদের উচ্ছ্বাস বাড়তি রঙ ছড়াচ্ছে সমুদ্রপাড়ে।

৩০ জুন, ২০২৬ ১৮:১৮
পটুয়াখালীর বাউফলে কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের,উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ মনির মোল্লা'র বাসভবন ও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ হাওলাদার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) উপজেলার কালাইয়া বাণিজ্যিক বন্দর এলাকায় পৃথক এ ঘটনা ঘটে।
কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদার অভিযোগ করেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লার বাসভবন এবং তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় তাকে মারধর করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ফিরোজ হাওলাদার আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সোমবার তারা মিছিল নিয়ে এসে তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতারা বলেন, গত শনিবার রাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল চলাকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন।
তাদের দাবি, মিছিলটি গরুর হাট এলাকায় পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদারের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় তাকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হলে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে সিনিয়র নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন বলেও দাবি করেন তারা।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাবেক চেয়ারম্যানের বাসভবন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের,উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ মনির মোল্লা'র বাসভবন ও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ হাওলাদার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) উপজেলার কালাইয়া বাণিজ্যিক বন্দর এলাকায় পৃথক এ ঘটনা ঘটে।
কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদার অভিযোগ করেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম ফয়সাল আহমেদ ওরফে মনির মোল্লার বাসভবন এবং তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় তাকে মারধর করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ফিরোজ হাওলাদার আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সোমবার তারা মিছিল নিয়ে এসে তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতারা বলেন, গত শনিবার রাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল চলাকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন।
তাদের দাবি, মিছিলটি গরুর হাট এলাকায় পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদারের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় তাকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হলে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে সিনিয়র নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন বলেও দাবি করেন তারা।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাবেক চেয়ারম্যানের বাসভবন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৩০ জুন, ২০২৬ ১৮:১৩
পটুয়াখালীর দুমকিতে একটি সন্দেহভাজন পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কুকুরটির আক্রমণে আহতরা চিকিৎসার জন্য দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া আরও অন্তত পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন— দুমকি উপজেলার আরাবী (৫), জিদান (৬) ও মুবিন (৮), বগা এলাকার মুরসালিন (৯), জলিশা এলাকার তাইবা (৫) ও নিঝুমসহ (১১) মোট ১০ জন। হাসপাতালে আসা আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালো-সাদা রঙের একটি কুকুর সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে পথচারী ও শিশুদের ওপর হামলা চালিয়ে কামড়ে আহত করছে। কুকুরটির আতঙ্কে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।
দুমকি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আশিক হাজরা বলেন, “বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। আমরা সমন্বয়ের মাধ্যমে খুব দ্রুত কুকুরটিকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, “মঙ্গলবার (৩০ জুন) এ পর্যন্ত ১০ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ বিভাগকে দ্রুত কুকুরটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অবহিত করা হয়েছে।”
এদিকে কুকুরটি এখনও ধরা না পড়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত কুকুরটিকে আটক বা নিস্তেজ করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
পটুয়াখালীর দুমকিতে একটি সন্দেহভাজন পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কুকুরটির আক্রমণে আহতরা চিকিৎসার জন্য দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া আরও অন্তত পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন— দুমকি উপজেলার আরাবী (৫), জিদান (৬) ও মুবিন (৮), বগা এলাকার মুরসালিন (৯), জলিশা এলাকার তাইবা (৫) ও নিঝুমসহ (১১) মোট ১০ জন। হাসপাতালে আসা আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কালো-সাদা রঙের একটি কুকুর সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে পথচারী ও শিশুদের ওপর হামলা চালিয়ে কামড়ে আহত করছে। কুকুরটির আতঙ্কে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।
দুমকি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আশিক হাজরা বলেন, “বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। আমরা সমন্বয়ের মাধ্যমে খুব দ্রুত কুকুরটিকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল ইসলাম শাহীন বলেন, “মঙ্গলবার (৩০ জুন) এ পর্যন্ত ১০ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ বিভাগকে দ্রুত কুকুরটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অবহিত করা হয়েছে।”
এদিকে কুকুরটি এখনও ধরা না পড়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত কুকুরটিকে আটক বা নিস্তেজ করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

৩০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৩
পটুয়াখালীর বাউফলে অপসাংবাদিকতা রোধে করণীয় শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাউফল প্রেসক্লাব ও বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সিদ্দিকু রহমান। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সাংবাদিক অতুল পাল, বাউফল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো.জসীমউদ্দীন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিলন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, তোফাজ্জল হোসেন, এম এ বাসার, এবিএম মিজানুর রহমান, শিবলী সাদেক, রইসুল ইসলাম ইমনসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, অপসাংবাদিকতা পেশাদার সাংবাদিকতার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ, ব্যক্তিস্বার্থে সাংবাদিকতার অপব্যবহার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তারা সাংবাদিকদের নৈতিকতা, পেশাগত দায়িত্ববোধ, বস্তুনিষ্ঠতা ও তথ্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশনের ওপর গুরুত্বরোপ করেন।
বক্তারা বলেন, প্রকৃত সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থেকে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত মানোন্নয়নে উদ্যোগ নিতে হবে।
সভায় উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
পটুয়াখালীর বাউফলে অপসাংবাদিকতা রোধে করণীয় শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাউফল প্রেসক্লাব ও বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সিদ্দিকু রহমান। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সাংবাদিক অতুল পাল, বাউফল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো.জসীমউদ্দীন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিলন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, তোফাজ্জল হোসেন, এম এ বাসার, এবিএম মিজানুর রহমান, শিবলী সাদেক, রইসুল ইসলাম ইমনসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, অপসাংবাদিকতা পেশাদার সাংবাদিকতার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ, ব্যক্তিস্বার্থে সাংবাদিকতার অপব্যবহার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তারা সাংবাদিকদের নৈতিকতা, পেশাগত দায়িত্ববোধ, বস্তুনিষ্ঠতা ও তথ্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশনের ওপর গুরুত্বরোপ করেন।
বক্তারা বলেন, প্রকৃত সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থেকে অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত মানোন্নয়নে উদ্যোগ নিতে হবে।
সভায় উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.