
২৯ মে, ২০২৫ ১৬:৩৬
তরুণ সাংবাদিক খন্দকার রাকিবকে হত্যাচেষ্টার যে নাটক সাজানো হয়েছিল তা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় এখন মূল ঘটনা ভিন্নদিকে প্রভাবিত করতে ঘটনার নায়ক নামধারী সাংবাদিক নেতা এসএম জাকির হোসেন নতুন ছকে এগিয়েছে। উল্টো মূলধারার সাংবাদিক রাকিবসহ তারই সংগঠনের অপর নেতা হাসিবুল ইসলামকে আইনের মাধ্যমে দৌড়ের ওপরে রাখতে সাজিয়ে নতুন এক নাটক। সেক্ষেত্রে আত্মরক্ষায় পাল্টা মামলা দায়ের করার অভিপ্রায়ে হামলার মূলহোতা আল আমিন সাগরের পরিবারের পক্ষ থেকে কাউনিয়া থানায় একটি এজাহার দাখিল করে। এর আগে আল আমিন সাগরকে গুরুতর আহত দেখিয়ে নাটকীয় কায়দায় ঢাকায় পাঠানো হয়।
বিভিন্ন সূত্রের ধারণা, ০১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাকিবের ওপর হামলার প্রেক্ষাপটে মামলা অবধারিত এবং হুকুমদাতা এসএম জাকিরের সম্পৃক্ততা স্পষ্ট হয়ে যাওয়ায় এই কৌশলী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পুলিশের কাছে বিষয়টি খোলসা হলেও বিভিন্ন কায়দায় তাদের প্রভাবিত এবং চাপের মুখে রেখেছে, অন্তত জাকিরকে যেন আসামী না করা হয়। নয়া এই মিশন সফল করতে বরিশাল মিডিয়ার ভগবানরূপী আরেক নেতাকে মাঠে নামানো হয়েছে, যে কিনা প্রথম পদক্ষেপেই তালগোল পাকিয়ে ফেলে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে, হচ্ছেন ঢের সমালোচিত।
উল্লেখ্য, এসএম জাকির সাংবাদিক না হলেও ঘটনাচক্রে সাংবাদিকদের একাংশের নেতৃত্ব নেওয়ার পর এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-ভূমিদস্যুতা ও প্রতারণার অভিযোগে অন্তত ৫টি মামলাসহ সাতটি সাধারণ ডায়েরির অস্থিত্ব পাওয়া গেছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা যখন কথিত এই সাংবাদিক নেতার অতীত ইতিহাস-ইতিবৃত্ত খুঁজছে, ঠিক তখনই খন্দকার রাকিবকে হত্যাচেষ্টার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ, সম্প্রতি জাকিরসহ তার ৬ অনুসারীর বিরুদ্ধে এই তরুণ সাংবাদিক ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করে ফিরে আসার সপ্তাহখানের মাথায় এই হামলার ঘটনা ঘটলো।
একাধিক সূত্র নিশ্চিত করে যে, রাকিবকে বাগে আনতে একটি উদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরিতে এক নারীকে ব্যবহার করা হয়। স্বরোডের বাসিন্দা এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত তানিয়া আক্তার নামক ওই নারী একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ তুলে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। সেক্ষেত্রেও রয়েছে নাটকীয়তা। ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তানিয়াকে ব্যবহার করে কথিত সাংবাদিক নেতা জাকিরের অনুসারীরা বিভিন্ন কায়দায় সংবাদ প্রকাশ করলে এই বিষয়ে কাউনিয়া থানায় একটি মামলা দায়েরর উদ্দেশে অভিযোগ দেওয়া হয়। মামলাটি গ্রহণ প্রক্রিয়া, তখন তানিয়াকে জাকিরের এক অনুসারী যে কী না, কোতয়ালি থানা পুলিশের দালাল হিসেবে চিহ্নিত, এক তরুণ কোতয়ালি থানায় ওই মামলাটি দায়ের করতে সহায়তা করে বলে জানা যায়।
তানিয়া জানান, তার এই সিদ্ধান্ত নিজের নয়, অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, বিষয়টি ভুল অনুধাবন করে একই এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের দ্বারস্থ হন সামাজিক কায়দায় ওই তরুণের সাথে আইনগত লড়াই থেকে বিরত থাকতে একটি আপসরফায় যেতে। সেই অনুযায়ী অনুরোধের প্রেক্ষাপটে ১ সেপ্টম্বর সন্ধ্যায় স্বরোডে তানিয়ার বাসার সামনে যান হাসিব।
একটি নির্ভরযোগ সূত্র জানায়, তানিয়ার সাথে হাসিবের সমঝোতা বৈঠকের খবর কোন এক মাধ্যম অবগত হয় এসএম জাকির। তখনই একঢিলে দুই পাখি মারার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। জাকিরের সাথে হাসিবের নীতিগত দ্বন্দ্ব থাকায় পরিকল্পনা ছিল, ওই নারীর ঘরে হাসিব প্রবেশ করা মাত্র চাঁদা চাওয়ার অভিযোগে অবরুদ্ধ করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া। সেখানে আরেকটি বিষয় হচ্ছে, হাসিবকে অবরুদ্ধ করে রাখলে সঙ্গত কারণে তারই সংগঠনের নেতা খন্দকার রাকিব ঘটনাস্থলে অবধারিত আসবেন, এমনটি ভেবেই এসএম জাকির তার একদল ক্যাডার বাহিনীকে তানিয়ার বাসার চারপাশে আগেভাগেই অবস্থান ঘটান। পরিকল্পনা মাফিক ঘটেছেও তাই।
হাসিব ষড়যন্ত্রে অবরুদ্ধ, এমন খবরে খন্দকার রাকিব সেখানে একাকী পৌছা মাত্র ওই ক্যাডার বাহিনী তার ওপরে আচমকা হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত ক্যাডার বাহিনীর হামলায় রাকিব রক্তাক্ত জখম হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এই হামলার ঘটনার সাথে এক মাত্র আল আমিন পলাশপুরের বাসিন্দা এবং জাকিরের মালিকানাধীন পত্রিকায় কর্মরত। বাকি হামলাকারীদের কারও বাড়ি সাহেবেরহাট, আবার কেউ রুপাতলী এবং কাজিরচরের বাসিন্দা। এরা সকলেই জাকিরের চিহ্নিত অনুসারী হিসেবে বরিশালের মিডিয়াসহ সামাজিক ও প্রশাসনিক মহলে কমবেশি পরিচিত। স্থানীয়দের ভাষ্য, হামলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই মিশনে অংশ নেওয়া যুবকরা ঘটনাস্থলে উচ্চস্বরে জাকিরের সাথে একাধিক দফা সেলফোনে যোগাযোগ রেখে নির্দেশনা নিচ্ছিল এবং প্রতি মুহূর্তের পৌছে দিচ্ছিল।
উদ্ভুত এই পরিস্থিতিতে কাউনিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে তানিয়া স্বীকার করেন যে, তার বাসায় হাসিবুলের আগমনের হেতু হচ্ছে তার মামলা নিয়ে আলাপচারিতার মাধ্যমে একটি সামাজিক ফয়সালায় যাওয়ার ক্ষেত্রফল তৈরি করা। কিন্তু কিভাবে জাকিরের অনুসরাীরা সেখানে অতি উৎসাহী হয়ে অবস্থান নেওয়ার বিষয়ে তিনিও বিস্মিত। এই ঘটনায় প্রমাণ করে হাসিবকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক রাকিবকে ঘটনাস্থলে আসতে বাধ্য করা হয়। এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মাঝে তাকে হত্যা করে দায়ভার অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়ার সম্ভবত পরিকল্পনা ছিল। সেক্ষেত্রে তানিয়া হতে পারতো জাকিরের পরিকল্পনার ‘বলিরপাঠা’।
এই হত্যার মিশনটি ব্যর্থসহ ঘটনায় কারা জড়িত এবং কার নির্দেশে হামলাকারী স্বরোডে তানিয়ার বাসার সামনে এসেছিল, তা খোলসা হয়ে গেলে বিভিন্ন মহলে জাকিরকে নিয়ে ধিক্কার শুরু হয়। প্রশাসনও বিষয়টি আঁচ করতে পেরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিল, বিভিন্ন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে। অন্যদিকে আহত রাকিবের পরিবার হত্যাচেষ্টার পরিকল্পনাকারী হিসেবে জাকিরকে অভিযুক্ত করে হামলার প্রেক্ষাপটে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিয়েছে, এই খবর পেয়ে জাকির তার অনুসারী আল আমিন সাগরের ওপর হামলা এবং গুরুতর আহত হয়েছে, এমন নাটক সাজিয়ে তার পরিবারকে ঘটনার পরদিন বুধবার সকালেই কাউনিয়া থানায় পাঠিয়ে একটি এজাহার দায়ের করে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, আল আমিন সাগরের ওপরেই হামলার উদ্দেশে রাকিবের ঘটনাস্থলে আগমন ঘটে।
দোষারোপ করা হয় হাসিবুল ইসলামকেও। বিষয়টি হাস্যকরে পরিণত হয়।
যে কী না হামলা করল তিনিই উল্টো আহত দেখিয়ে দুই সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে উদ্যোগী হলেন (!) অথচ ঘটনার প্রাক্কালে হাসিব প্রথমে তানিয়া, পরবর্তীতে পুলিশের সাথে সার্বিক ঘটনা নিয়ে আলাপ করছিলেন। অন্যদিকে হামলায় গুরুতর জখম হওয়ায় রাকিব শেবাচিমে তাৎক্ষণিক ভর্তি হতে বাধ্য হন।
তরুণ সাংবাদিক রাকিবের স্বাস্থ্যগত বিষয় নিয়ে মত প্রকাশ করতে গিয়ে শেবাচিমের চিকিৎসকেরা জানান, মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত গভীরে পৌঁছে যাওয়ায় তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। তবে সুস্থ হয়ে উঠলেও মানসিক ভারসাম্যহীণ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। সুতরাং রাকিবের পক্ষ থেকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যখন রাকিবের পরিবার কাউনিয়া থানায় পৌঁছায় এবং এই বিষয়ে একটি এজাহার দাখিল করেন তখন শুরু হয় আর একটি নাটকীয় পর্ব।
একাধিক সূত্র জানায়, আল আমিন সাগরের পরিবারের পক্ষ থেকে দায়েরকৃত এজাহার গ্রহণে কাউনিয়া থানা পুলিশ অনীহা প্রকাশ করলেও তা ছিল অনানুষ্ঠানিক। পরবর্তীতে রাকিবের পক্ষ থেকে জাকিরসহ ৬ অনুসারীকে আসামি করে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে ঘটনার বাস্তবতা তুলে ধরলে কাউনিয়া থানাসহ পুলিশের শীর্ষমহল বিষয়টি আমলে নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নিতে আগ্রসর হয়। এসময় বরিশাল মিডিয়ার ‘ভগবান’ হিসেবে খ্যাত বিতর্কিত আর এক নেতা হঠাৎ জাকিরের পক্ষালম্বন করে প্রশাসনের শীর্ষস্তরে নিজের আর্জি তুলে ধরে ইজ্জত রক্ষায় অন্তত এই মুহূর্তে তার সহযোগী আলোচ্চ্য জাকিরকে মামলায় আসামি করা থেকে বিরত রাখতে অনুরোধ রাখে। এতে পুলিশ পড়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে। কিন্তু রাকিবের মামলা গ্রহণ আইনসিক্ত বিষয়টি ওই নেতার কাছে উপস্থাপন করলে বুধবার অর্থাৎ গতকাল সন্ধ্যারাতে তিনি হাসিবুল ইসলামের সাথে টেলিফোনে সমঝোতার প্রস্তাব রাখেন।
পক্ষান্তরে হাসিব সেই প্রস্তাব প্রত্যাখান করে বিষয়টি রাকিবের সাথে পরামর্শের অনুরোধ রাখলে তিনি তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন এবং একপর্যায়ে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। এর কিছুক্ষণ পরেই এসএম জাকিকের মতবাদ পত্রিকা অফিস থেকে তৈরি একটি পুরানো সংবাদ নতুন আদলে তৈরি করে, যার শিরোনামে হাসিব-রাকিবকে জড়িয়ে গল্প-কাহিনীর আদলে তীরবিদ্ধ করে বিভিন্ন মিডিয়া হাউজে ইমেলে পাঠানো হয়। এতে প্রকাশ পেয়ে যায়, বরিশাল মিডিয়ার সেই ‘ভগবান’ নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে। হাস্যকর ও নিন্দনীয় বিষয় হলো যেখানে, সময়ের আলো পত্রিকার ব্যুরো চিফ হাসিব ও অনলাইন নিউজপোর্টাল ‘বরিশালক্রাইম নিউজ’র প্রকাশক রাকিব সন্তান সমতুল্য, সেখানে পিতারুপী সেই ‘ভগবান’ কিভাবে দুই উদীয়মাণ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এই ধরনের সংবাদ প্রকাশ করে কি বুঝাতে চেয়েছেন, এবং তার নতুন মিশন কি? তানিয়ে শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা। বরিশাল মিডিয়ার অপরাপর সাংবাদিকরা সহজেই বিষয়টি অনুমান করতে পেরেছেন। তবে সংবাদ প্রকাশ করে হাসিব-রাকিবকে বিতর্কিত করার ‘ভগবান’র সেই মিশনও সফল হয়নি। তার অনুগত অনেক পত্রিকায় প্রেরিত সেই সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে দেখা গেছে।
বাস্তবতা বলছে- সমঝোতার বদলে পরিস্থিতি আরও উষ্কে দিয়ে বরিশাল মিডিয়ায় বিভাজন আরও বিস্তৃত ঘটানোর অভিপ্রায় ওই ‘ভগবান’র উদ্দেশই ছিল, হাসিব-রাকিব বিরোধী ওই সংবাদ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানোর ক্ষেত্রে তার অতিউৎসাহী ভুমিকা।
সূত্র জানায়, দুই সাংবাদিককে নিয়ে চলমান ষড়যন্ত্রের নতুন পর্ব সম্পর্কে পুলিশ-প্রশাসনও অবগত হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন বলে নাম প্রকাশে অপরাগতা জানিয়ে একজন শীর্ষ কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে জানান, পাল্টাপাল্টি মামলা গ্রহণে তারা ইচ্ছুক নন। এখন ঘটনার বাস্তবতা পুঙ্খানুপুঙ্খানুভাবে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে তারা কতিপয় মিডিয়ার হুমকি-ধামকির মুখে রয়েছেন বলে আভাস দেন।
সর্বশেষ আজ দুপুরের প্রাপ্ত তথ্য হচ্ছে, থানা পুলিশ দ্বারা বিমুখ হওয়ায় সেই ‘ভগবান’র পরামর্শে জাকির ও তার অনুসারীরা ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু তানিয়াকে বিভিন্ন প্রলোভন এবং আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজেদের অনুকুলে নিয়ে বরিশাল আদালতে মামলা দিতে সেখানকার বারান্দায় সকাল থেকে ঘুরে ফিরছে। লজ্জাস্কর বিষয় হচ্ছে, তানিয়া নিজেই স্বীকার করেছেন তিনি মাদক ব্যবসায়ী। অথচ সেই মাদক ব্যবসায়ী নারীকে নিয়েই মূলধারার বা বিরোধীমতের সাংবাদিকদের আইনী ভাবে শায়েস্তা করতে ‘ভগবান’র এই উদ্যোগ কমবেশি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় কথা উঠেছে স্থানীয় সাংবাদিকতা এখন কোন পর্যায়ে নামিয়ে দিয়েছে, তা সহজেই অনুমেয়।
এদিকে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে হাসিব-রাকিবের পক্ষে বরিশাল মিডিয়ার বড় একটি অংশ এতদিন মৌন সমর্থন দিয়ে আসলেও এখন তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদে আন্দোলন গড়ে তোলার চিন্তা ভাবনায় অগ্রসর হয়েছে। সম্ভবত ২/১ দিনের মধ্যেই এই আন্দোলনের ডাক আসতে পারে।’
(‘‘বরিশাল মিডিয়ার ভগবানরুপী এই অনুঘটকের প্রায় তিনযুগ ধরে সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি এবং নেতৃত্ব কুক্ষিগত করাসহ তার অতীত কালো অধ্যায় নিয়ে আসছে বিস্তারিত প্রতিবেদন’’)
তরুণ সাংবাদিক খন্দকার রাকিবকে হত্যাচেষ্টার যে নাটক সাজানো হয়েছিল তা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় এখন মূল ঘটনা ভিন্নদিকে প্রভাবিত করতে ঘটনার নায়ক নামধারী সাংবাদিক নেতা এসএম জাকির হোসেন নতুন ছকে এগিয়েছে। উল্টো মূলধারার সাংবাদিক রাকিবসহ তারই সংগঠনের অপর নেতা হাসিবুল ইসলামকে আইনের মাধ্যমে দৌড়ের ওপরে রাখতে সাজিয়ে নতুন এক নাটক। সেক্ষেত্রে আত্মরক্ষায় পাল্টা মামলা দায়ের করার অভিপ্রায়ে হামলার মূলহোতা আল আমিন সাগরের পরিবারের পক্ষ থেকে কাউনিয়া থানায় একটি এজাহার দাখিল করে। এর আগে আল আমিন সাগরকে গুরুতর আহত দেখিয়ে নাটকীয় কায়দায় ঢাকায় পাঠানো হয়।
বিভিন্ন সূত্রের ধারণা, ০১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাকিবের ওপর হামলার প্রেক্ষাপটে মামলা অবধারিত এবং হুকুমদাতা এসএম জাকিরের সম্পৃক্ততা স্পষ্ট হয়ে যাওয়ায় এই কৌশলী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পুলিশের কাছে বিষয়টি খোলসা হলেও বিভিন্ন কায়দায় তাদের প্রভাবিত এবং চাপের মুখে রেখেছে, অন্তত জাকিরকে যেন আসামী না করা হয়। নয়া এই মিশন সফল করতে বরিশাল মিডিয়ার ভগবানরূপী আরেক নেতাকে মাঠে নামানো হয়েছে, যে কিনা প্রথম পদক্ষেপেই তালগোল পাকিয়ে ফেলে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে, হচ্ছেন ঢের সমালোচিত।
উল্লেখ্য, এসএম জাকির সাংবাদিক না হলেও ঘটনাচক্রে সাংবাদিকদের একাংশের নেতৃত্ব নেওয়ার পর এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-ভূমিদস্যুতা ও প্রতারণার অভিযোগে অন্তত ৫টি মামলাসহ সাতটি সাধারণ ডায়েরির অস্থিত্ব পাওয়া গেছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা যখন কথিত এই সাংবাদিক নেতার অতীত ইতিহাস-ইতিবৃত্ত খুঁজছে, ঠিক তখনই খন্দকার রাকিবকে হত্যাচেষ্টার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ, সম্প্রতি জাকিরসহ তার ৬ অনুসারীর বিরুদ্ধে এই তরুণ সাংবাদিক ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করে ফিরে আসার সপ্তাহখানের মাথায় এই হামলার ঘটনা ঘটলো।
একাধিক সূত্র নিশ্চিত করে যে, রাকিবকে বাগে আনতে একটি উদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরিতে এক নারীকে ব্যবহার করা হয়। স্বরোডের বাসিন্দা এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত তানিয়া আক্তার নামক ওই নারী একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ তুলে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। সেক্ষেত্রেও রয়েছে নাটকীয়তা। ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তানিয়াকে ব্যবহার করে কথিত সাংবাদিক নেতা জাকিরের অনুসারীরা বিভিন্ন কায়দায় সংবাদ প্রকাশ করলে এই বিষয়ে কাউনিয়া থানায় একটি মামলা দায়েরর উদ্দেশে অভিযোগ দেওয়া হয়। মামলাটি গ্রহণ প্রক্রিয়া, তখন তানিয়াকে জাকিরের এক অনুসারী যে কী না, কোতয়ালি থানা পুলিশের দালাল হিসেবে চিহ্নিত, এক তরুণ কোতয়ালি থানায় ওই মামলাটি দায়ের করতে সহায়তা করে বলে জানা যায়।
তানিয়া জানান, তার এই সিদ্ধান্ত নিজের নয়, অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, বিষয়টি ভুল অনুধাবন করে একই এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের দ্বারস্থ হন সামাজিক কায়দায় ওই তরুণের সাথে আইনগত লড়াই থেকে বিরত থাকতে একটি আপসরফায় যেতে। সেই অনুযায়ী অনুরোধের প্রেক্ষাপটে ১ সেপ্টম্বর সন্ধ্যায় স্বরোডে তানিয়ার বাসার সামনে যান হাসিব।
একটি নির্ভরযোগ সূত্র জানায়, তানিয়ার সাথে হাসিবের সমঝোতা বৈঠকের খবর কোন এক মাধ্যম অবগত হয় এসএম জাকির। তখনই একঢিলে দুই পাখি মারার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। জাকিরের সাথে হাসিবের নীতিগত দ্বন্দ্ব থাকায় পরিকল্পনা ছিল, ওই নারীর ঘরে হাসিব প্রবেশ করা মাত্র চাঁদা চাওয়ার অভিযোগে অবরুদ্ধ করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া। সেখানে আরেকটি বিষয় হচ্ছে, হাসিবকে অবরুদ্ধ করে রাখলে সঙ্গত কারণে তারই সংগঠনের নেতা খন্দকার রাকিব ঘটনাস্থলে অবধারিত আসবেন, এমনটি ভেবেই এসএম জাকির তার একদল ক্যাডার বাহিনীকে তানিয়ার বাসার চারপাশে আগেভাগেই অবস্থান ঘটান। পরিকল্পনা মাফিক ঘটেছেও তাই।
হাসিব ষড়যন্ত্রে অবরুদ্ধ, এমন খবরে খন্দকার রাকিব সেখানে একাকী পৌছা মাত্র ওই ক্যাডার বাহিনী তার ওপরে আচমকা হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত ক্যাডার বাহিনীর হামলায় রাকিব রক্তাক্ত জখম হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এই হামলার ঘটনার সাথে এক মাত্র আল আমিন পলাশপুরের বাসিন্দা এবং জাকিরের মালিকানাধীন পত্রিকায় কর্মরত। বাকি হামলাকারীদের কারও বাড়ি সাহেবেরহাট, আবার কেউ রুপাতলী এবং কাজিরচরের বাসিন্দা। এরা সকলেই জাকিরের চিহ্নিত অনুসারী হিসেবে বরিশালের মিডিয়াসহ সামাজিক ও প্রশাসনিক মহলে কমবেশি পরিচিত। স্থানীয়দের ভাষ্য, হামলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই মিশনে অংশ নেওয়া যুবকরা ঘটনাস্থলে উচ্চস্বরে জাকিরের সাথে একাধিক দফা সেলফোনে যোগাযোগ রেখে নির্দেশনা নিচ্ছিল এবং প্রতি মুহূর্তের পৌছে দিচ্ছিল।
উদ্ভুত এই পরিস্থিতিতে কাউনিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে তানিয়া স্বীকার করেন যে, তার বাসায় হাসিবুলের আগমনের হেতু হচ্ছে তার মামলা নিয়ে আলাপচারিতার মাধ্যমে একটি সামাজিক ফয়সালায় যাওয়ার ক্ষেত্রফল তৈরি করা। কিন্তু কিভাবে জাকিরের অনুসরাীরা সেখানে অতি উৎসাহী হয়ে অবস্থান নেওয়ার বিষয়ে তিনিও বিস্মিত। এই ঘটনায় প্রমাণ করে হাসিবকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক রাকিবকে ঘটনাস্থলে আসতে বাধ্য করা হয়। এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মাঝে তাকে হত্যা করে দায়ভার অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়ার সম্ভবত পরিকল্পনা ছিল। সেক্ষেত্রে তানিয়া হতে পারতো জাকিরের পরিকল্পনার ‘বলিরপাঠা’।
এই হত্যার মিশনটি ব্যর্থসহ ঘটনায় কারা জড়িত এবং কার নির্দেশে হামলাকারী স্বরোডে তানিয়ার বাসার সামনে এসেছিল, তা খোলসা হয়ে গেলে বিভিন্ন মহলে জাকিরকে নিয়ে ধিক্কার শুরু হয়। প্রশাসনও বিষয়টি আঁচ করতে পেরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিল, বিভিন্ন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে। অন্যদিকে আহত রাকিবের পরিবার হত্যাচেষ্টার পরিকল্পনাকারী হিসেবে জাকিরকে অভিযুক্ত করে হামলার প্রেক্ষাপটে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিয়েছে, এই খবর পেয়ে জাকির তার অনুসারী আল আমিন সাগরের ওপর হামলা এবং গুরুতর আহত হয়েছে, এমন নাটক সাজিয়ে তার পরিবারকে ঘটনার পরদিন বুধবার সকালেই কাউনিয়া থানায় পাঠিয়ে একটি এজাহার দায়ের করে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, আল আমিন সাগরের ওপরেই হামলার উদ্দেশে রাকিবের ঘটনাস্থলে আগমন ঘটে।
দোষারোপ করা হয় হাসিবুল ইসলামকেও। বিষয়টি হাস্যকরে পরিণত হয়।
যে কী না হামলা করল তিনিই উল্টো আহত দেখিয়ে দুই সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে উদ্যোগী হলেন (!) অথচ ঘটনার প্রাক্কালে হাসিব প্রথমে তানিয়া, পরবর্তীতে পুলিশের সাথে সার্বিক ঘটনা নিয়ে আলাপ করছিলেন। অন্যদিকে হামলায় গুরুতর জখম হওয়ায় রাকিব শেবাচিমে তাৎক্ষণিক ভর্তি হতে বাধ্য হন।
তরুণ সাংবাদিক রাকিবের স্বাস্থ্যগত বিষয় নিয়ে মত প্রকাশ করতে গিয়ে শেবাচিমের চিকিৎসকেরা জানান, মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত গভীরে পৌঁছে যাওয়ায় তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। তবে সুস্থ হয়ে উঠলেও মানসিক ভারসাম্যহীণ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। সুতরাং রাকিবের পক্ষ থেকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যখন রাকিবের পরিবার কাউনিয়া থানায় পৌঁছায় এবং এই বিষয়ে একটি এজাহার দাখিল করেন তখন শুরু হয় আর একটি নাটকীয় পর্ব।
একাধিক সূত্র জানায়, আল আমিন সাগরের পরিবারের পক্ষ থেকে দায়েরকৃত এজাহার গ্রহণে কাউনিয়া থানা পুলিশ অনীহা প্রকাশ করলেও তা ছিল অনানুষ্ঠানিক। পরবর্তীতে রাকিবের পক্ষ থেকে জাকিরসহ ৬ অনুসারীকে আসামি করে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে ঘটনার বাস্তবতা তুলে ধরলে কাউনিয়া থানাসহ পুলিশের শীর্ষমহল বিষয়টি আমলে নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নিতে আগ্রসর হয়। এসময় বরিশাল মিডিয়ার ‘ভগবান’ হিসেবে খ্যাত বিতর্কিত আর এক নেতা হঠাৎ জাকিরের পক্ষালম্বন করে প্রশাসনের শীর্ষস্তরে নিজের আর্জি তুলে ধরে ইজ্জত রক্ষায় অন্তত এই মুহূর্তে তার সহযোগী আলোচ্চ্য জাকিরকে মামলায় আসামি করা থেকে বিরত রাখতে অনুরোধ রাখে। এতে পুলিশ পড়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে। কিন্তু রাকিবের মামলা গ্রহণ আইনসিক্ত বিষয়টি ওই নেতার কাছে উপস্থাপন করলে বুধবার অর্থাৎ গতকাল সন্ধ্যারাতে তিনি হাসিবুল ইসলামের সাথে টেলিফোনে সমঝোতার প্রস্তাব রাখেন।
পক্ষান্তরে হাসিব সেই প্রস্তাব প্রত্যাখান করে বিষয়টি রাকিবের সাথে পরামর্শের অনুরোধ রাখলে তিনি তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন এবং একপর্যায়ে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। এর কিছুক্ষণ পরেই এসএম জাকিকের মতবাদ পত্রিকা অফিস থেকে তৈরি একটি পুরানো সংবাদ নতুন আদলে তৈরি করে, যার শিরোনামে হাসিব-রাকিবকে জড়িয়ে গল্প-কাহিনীর আদলে তীরবিদ্ধ করে বিভিন্ন মিডিয়া হাউজে ইমেলে পাঠানো হয়। এতে প্রকাশ পেয়ে যায়, বরিশাল মিডিয়ার সেই ‘ভগবান’ নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে। হাস্যকর ও নিন্দনীয় বিষয় হলো যেখানে, সময়ের আলো পত্রিকার ব্যুরো চিফ হাসিব ও অনলাইন নিউজপোর্টাল ‘বরিশালক্রাইম নিউজ’র প্রকাশক রাকিব সন্তান সমতুল্য, সেখানে পিতারুপী সেই ‘ভগবান’ কিভাবে দুই উদীয়মাণ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এই ধরনের সংবাদ প্রকাশ করে কি বুঝাতে চেয়েছেন, এবং তার নতুন মিশন কি? তানিয়ে শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা। বরিশাল মিডিয়ার অপরাপর সাংবাদিকরা সহজেই বিষয়টি অনুমান করতে পেরেছেন। তবে সংবাদ প্রকাশ করে হাসিব-রাকিবকে বিতর্কিত করার ‘ভগবান’র সেই মিশনও সফল হয়নি। তার অনুগত অনেক পত্রিকায় প্রেরিত সেই সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে দেখা গেছে।
বাস্তবতা বলছে- সমঝোতার বদলে পরিস্থিতি আরও উষ্কে দিয়ে বরিশাল মিডিয়ায় বিভাজন আরও বিস্তৃত ঘটানোর অভিপ্রায় ওই ‘ভগবান’র উদ্দেশই ছিল, হাসিব-রাকিব বিরোধী ওই সংবাদ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানোর ক্ষেত্রে তার অতিউৎসাহী ভুমিকা।
সূত্র জানায়, দুই সাংবাদিককে নিয়ে চলমান ষড়যন্ত্রের নতুন পর্ব সম্পর্কে পুলিশ-প্রশাসনও অবগত হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন বলে নাম প্রকাশে অপরাগতা জানিয়ে একজন শীর্ষ কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে জানান, পাল্টাপাল্টি মামলা গ্রহণে তারা ইচ্ছুক নন। এখন ঘটনার বাস্তবতা পুঙ্খানুপুঙ্খানুভাবে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে তারা কতিপয় মিডিয়ার হুমকি-ধামকির মুখে রয়েছেন বলে আভাস দেন।
সর্বশেষ আজ দুপুরের প্রাপ্ত তথ্য হচ্ছে, থানা পুলিশ দ্বারা বিমুখ হওয়ায় সেই ‘ভগবান’র পরামর্শে জাকির ও তার অনুসারীরা ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু তানিয়াকে বিভিন্ন প্রলোভন এবং আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজেদের অনুকুলে নিয়ে বরিশাল আদালতে মামলা দিতে সেখানকার বারান্দায় সকাল থেকে ঘুরে ফিরছে। লজ্জাস্কর বিষয় হচ্ছে, তানিয়া নিজেই স্বীকার করেছেন তিনি মাদক ব্যবসায়ী। অথচ সেই মাদক ব্যবসায়ী নারীকে নিয়েই মূলধারার বা বিরোধীমতের সাংবাদিকদের আইনী ভাবে শায়েস্তা করতে ‘ভগবান’র এই উদ্যোগ কমবেশি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় কথা উঠেছে স্থানীয় সাংবাদিকতা এখন কোন পর্যায়ে নামিয়ে দিয়েছে, তা সহজেই অনুমেয়।
এদিকে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে হাসিব-রাকিবের পক্ষে বরিশাল মিডিয়ার বড় একটি অংশ এতদিন মৌন সমর্থন দিয়ে আসলেও এখন তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদে আন্দোলন গড়ে তোলার চিন্তা ভাবনায় অগ্রসর হয়েছে। সম্ভবত ২/১ দিনের মধ্যেই এই আন্দোলনের ডাক আসতে পারে।’
(‘‘বরিশাল মিডিয়ার ভগবানরুপী এই অনুঘটকের প্রায় তিনযুগ ধরে সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি এবং নেতৃত্ব কুক্ষিগত করাসহ তার অতীত কালো অধ্যায় নিয়ে আসছে বিস্তারিত প্রতিবেদন’’)

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এতে সৈয়দ মোশারফ রাশিদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা সভাপতি এবং বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
গতকাল বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন কমিটির সভায় সকল সদস্যদের কণ্ঠভোটের মাধ্যমে ওই কমিটি গঠন করা হয়। উপজেলার রহমতপুরে কামিনী রেস্তোরাঁয় আয়োজিত ওই সুজন সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ ও সুজন-এর বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী মেহের আফরোজ মিতা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সুজন বরিশাল মহানগর কমিটির সভাপতি সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল মোতালেব হাওলাদার এবং সুজন বরিশাল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার দত্ত।
সুজন বাবুগঞ্জ উপজেলা কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন সহ-সভাপতি-১ প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান তালেব, সহ-সভাপতি-২ প্রধান শিক্ষক এইচ.এম ইউসুফ আলী, যুগ্ম-সম্পাদক হারুন অর রশীদ, কোষাধ্যক্ষ প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকন, প্রচার সম্পাদক প্রভাষক শাহিন মাহমুদ, কার্যনির্বাহী সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আ.জ.ম সামসুল আলম, প্রভাষক মহিদুল ইসলাম জামাল, শিক্ষক আল-আমিন শেখ, ব্র্যাক কর্মকর্তা আবু হানিফ ফকির, জজকোর্টের এজিপি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম জহির, অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন মোল্লা, সাংবাদিক রোকন মিয়া, মহিউদ্দিন খান রানা, আরিফ হোসেন মাস্টার, সাব্বির হাসান ও ইয়ুথ লিডার শাম্মী আক্তার সাথী।
উল্লেখ্য, এর আগে বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন কমিটির সভাপতি ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খালেদা ওহাব এবং সম্পাদক ছিলেন বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না। গত ২৭ নভেম্বর খালেদা ওহাবের মৃত্যু হলে সভাপতির পদ শূন্য হয়। নবনির্বাচিত সভাপতি প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা সুজন-এর আজীবন সদস্য এবং সাবেক কমিটির ১নং সহ-সভাপতি ছিলেন। সম্পাদক সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না বিগত ২০১৮ সাল থেকেই সুজন সম্পাদক এবং বরিশাল-৩ আসনের পিস অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। #
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এতে সৈয়দ মোশারফ রাশিদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা সভাপতি এবং বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
গতকাল বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন কমিটির সভায় সকল সদস্যদের কণ্ঠভোটের মাধ্যমে ওই কমিটি গঠন করা হয়। উপজেলার রহমতপুরে কামিনী রেস্তোরাঁয় আয়োজিত ওই সুজন সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ ও সুজন-এর বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী মেহের আফরোজ মিতা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সুজন বরিশাল মহানগর কমিটির সভাপতি সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল মোতালেব হাওলাদার এবং সুজন বরিশাল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার দত্ত।
সুজন বাবুগঞ্জ উপজেলা কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন সহ-সভাপতি-১ প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান তালেব, সহ-সভাপতি-২ প্রধান শিক্ষক এইচ.এম ইউসুফ আলী, যুগ্ম-সম্পাদক হারুন অর রশীদ, কোষাধ্যক্ষ প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকন, প্রচার সম্পাদক প্রভাষক শাহিন মাহমুদ, কার্যনির্বাহী সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আ.জ.ম সামসুল আলম, প্রভাষক মহিদুল ইসলাম জামাল, শিক্ষক আল-আমিন শেখ, ব্র্যাক কর্মকর্তা আবু হানিফ ফকির, জজকোর্টের এজিপি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম জহির, অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন মোল্লা, সাংবাদিক রোকন মিয়া, মহিউদ্দিন খান রানা, আরিফ হোসেন মাস্টার, সাব্বির হাসান ও ইয়ুথ লিডার শাম্মী আক্তার সাথী।
উল্লেখ্য, এর আগে বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন কমিটির সভাপতি ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খালেদা ওহাব এবং সম্পাদক ছিলেন বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না। গত ২৭ নভেম্বর খালেদা ওহাবের মৃত্যু হলে সভাপতির পদ শূন্য হয়। নবনির্বাচিত সভাপতি প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা সুজন-এর আজীবন সদস্য এবং সাবেক কমিটির ১নং সহ-সভাপতি ছিলেন। সম্পাদক সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না বিগত ২০১৮ সাল থেকেই সুজন সম্পাদক এবং বরিশাল-৩ আসনের পিস অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। #

১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৮
ভারতের দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর জিগানিসংলগ্ন পোডু গ্রামে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন সময়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে শারবানু খাতুন নামে এক বাংলাদেশি নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই নারী ‘অবৈধভাবে’ বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে বেঙ্গালুরুতে বসবাস করছিলেন বলে দাবি করেছে স্থানীয় পুলিশ।
গ্রেপ্তার নারীর নাম শারবানু খাতুন, তিনি গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযানের সময় ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে থাকেন। তখন শারবানু খাতুন তার পরিবর্তে ‘জয় বাংলা’ বলেন। যদিও কয়েক সেকেন্ড পরেই তিনি ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। কিন্তু ওই নারী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পরই এলাকার মানুষদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে ওই ভাইরাল ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে হেব্বাগোডি থানার হেড কনস্টেবল ভূষা বেন্দ্র গত ১১ জানুয়ারী একটি অভিযোগ করেন।
পুলিশের মতে, একটি অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ওই নারী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছিলেন। তা ছাড়া ভারতে থেকে অন্য একটি দেশের স্লোগান তোলাটা দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে দাবি করে তারা।
শারবানু খাতুনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ১৫২ ধারা (ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও অখণ্ডতাকে বিপন্নকারী কাজ), ১৯৬ ধারা (ধর্ম, জাতি, জন্মস্থান, বাসস্থান, ভাষা ইত্যাদির ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি এবং সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য ক্ষতিকর কাজ করা), ১৯৭ ধারা (জাতীয় সংহতির জন্য ক্ষতিকর অভিযোগ, দাবি) এবং ৩৫৩ ধারা (জনসাধারণের ক্ষতির কারণ হতে পারে এমন বিবৃতি)-এর অধীনে একটি মামলা করা হয়েছে।’
ভারতের দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর জিগানিসংলগ্ন পোডু গ্রামে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন সময়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে শারবানু খাতুন নামে এক বাংলাদেশি নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই নারী ‘অবৈধভাবে’ বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে বেঙ্গালুরুতে বসবাস করছিলেন বলে দাবি করেছে স্থানীয় পুলিশ।
গ্রেপ্তার নারীর নাম শারবানু খাতুন, তিনি গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযানের সময় ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে থাকেন। তখন শারবানু খাতুন তার পরিবর্তে ‘জয় বাংলা’ বলেন। যদিও কয়েক সেকেন্ড পরেই তিনি ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। কিন্তু ওই নারী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পরই এলাকার মানুষদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে ওই ভাইরাল ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে হেব্বাগোডি থানার হেড কনস্টেবল ভূষা বেন্দ্র গত ১১ জানুয়ারী একটি অভিযোগ করেন।
পুলিশের মতে, একটি অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ওই নারী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছিলেন। তা ছাড়া ভারতে থেকে অন্য একটি দেশের স্লোগান তোলাটা দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে দাবি করে তারা।
শারবানু খাতুনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ১৫২ ধারা (ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও অখণ্ডতাকে বিপন্নকারী কাজ), ১৯৬ ধারা (ধর্ম, জাতি, জন্মস্থান, বাসস্থান, ভাষা ইত্যাদির ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি এবং সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য ক্ষতিকর কাজ করা), ১৯৭ ধারা (জাতীয় সংহতির জন্য ক্ষতিকর অভিযোগ, দাবি) এবং ৩৫৩ ধারা (জনসাধারণের ক্ষতির কারণ হতে পারে এমন বিবৃতি)-এর অধীনে একটি মামলা করা হয়েছে।’

০৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০০:৪৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে অনেকের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। তবে প্রার্থিতা বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করা যাবে। এ ক্ষেত্রে ৭ নির্দেশনা মানতে হবে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) নির্দেশনাগুলো প্রার্থীদের মাঝে প্রচারের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্দেশনা
১। আপিল আবেদন কমিশনকে সম্বোধন করে স্মারকলিপি আকারে (নির্ধারিত ফরমেটে) দায়ের করতে হবে।
২। আপিল দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সংবলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।
৩। আপিল আবেদনের ১টি মূল কপিসহ মোট ৭ কপি দাখিল করতে হবে।
৪। আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনের আপিল আবেদন গ্রহণসংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে।
৫। আপিল আবেদন ৫-৯ জানুয়ারির মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৬। আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করতে হবে। ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
৭। আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। আপিল দায়েরের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে থাকবে ১০টি বুথ।
বুথ নং-১ (খুলনা অঞ্চল)
মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা।
বুথ-২ (রাজশাহী অঞ্চল)
জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা।
বুথ-৩ (রংপুর অঞ্চল)
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা।
বুথ-৪ (চট্টগ্রাম অঞ্চল)
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি এবং বান্দরবান।
বুথ-৫ (কুমিল্লা অঞ্চল)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর।
বুথ-৬ (সিলেট অঞ্চল)
সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ।
বুথ-৭ (ঢাকা অঞ্চল)
টাংগাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ।
বুথ-৮ (ময়মনসিংহ অঞ্চল)
জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা।
বুথ-৯ (বরিশাল অঞ্চল)
বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর।
বুথ-১০ (ফরিদপুর অঞ্চল)
রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে অনেকের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। তবে প্রার্থিতা বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করা যাবে। এ ক্ষেত্রে ৭ নির্দেশনা মানতে হবে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) নির্দেশনাগুলো প্রার্থীদের মাঝে প্রচারের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্দেশনা
১। আপিল আবেদন কমিশনকে সম্বোধন করে স্মারকলিপি আকারে (নির্ধারিত ফরমেটে) দায়ের করতে হবে।
২। আপিল দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সংবলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।
৩। আপিল আবেদনের ১টি মূল কপিসহ মোট ৭ কপি দাখিল করতে হবে।
৪। আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনের আপিল আবেদন গ্রহণসংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে।
৫। আপিল আবেদন ৫-৯ জানুয়ারির মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৬। আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করতে হবে। ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
৭। আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। আপিল দায়েরের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে থাকবে ১০টি বুথ।
বুথ নং-১ (খুলনা অঞ্চল)
মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা।
বুথ-২ (রাজশাহী অঞ্চল)
জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা।
বুথ-৩ (রংপুর অঞ্চল)
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা।
বুথ-৪ (চট্টগ্রাম অঞ্চল)
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি এবং বান্দরবান।
বুথ-৫ (কুমিল্লা অঞ্চল)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর।
বুথ-৬ (সিলেট অঞ্চল)
সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ।
বুথ-৭ (ঢাকা অঞ্চল)
টাংগাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ।
বুথ-৮ (ময়মনসিংহ অঞ্চল)
জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা।
বুথ-৯ (বরিশাল অঞ্চল)
বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর।
বুথ-১০ (ফরিদপুর অঞ্চল)
রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫১