
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৩২
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পূজার সময় বৈধ ও অবৈধ মদের দোকান বন্ধ রাখতে পুলিশ কমিশনার দায়িত্বে আছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
গুজব ও অপপ্রচারের বিষয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘গুজবে কান দেবেন না। সত্য সংবাদ প্রকাশ করুন। মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করবেন না। পার্শ্ববর্তী দেশ মিথ্যা সংবাদ ছড়ায়, আপনারা সত্যি বললে তাদের মুখে চুলকানি পড়বে।’
এর আগে চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অর্পন কান্তি ব্যানার্জি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে পূজার সময় চট্টগ্রামের সব মদের দোকান বন্ধ রাখার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনতে চাই না যে চট্টগ্রামে পূজার সময় মদ বা গাজা বিক্রি হচ্ছে।
দোকান খোলা থাকলে অনেকে কিনতে চাইবে, বন্ধ থাকলে কেউ খেতে পারবে না। পূজামণ্ডপের আশপাশেও মদের কোনো দোকান থাকা উচিত নয়। আপনার কাছে অনুরোধ, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’
তিনি আরও জানান, চতুর্থ নগরে ২৯২টি পূজামণ্ডপে কোনো মেলা বসবে না। মেলা না বসলে মদ বিক্রিরও সুযোগ থাকবে না। একইদিন বিকেলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপও পরিদর্শন করেছেন। তিনি প্যান্ডেলের নিরাপত্তা ও পবিত্রতা রক্ষা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীলদের সতর্ক করেছেন।
পরিদর্শনের সময় উপদেষ্টা বলেন, ‘জেএম সেন এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ভালোভাবে বজায় রাখা হয়। প্রয়োজনে টাইলস করা হয়। প্রতিদিনই পয়পরিষ্কার করার জন্য অনুরোধ করেছি। এ ছাড়া স্বেচ্ছাসেবক, সিসি ক্যামেরা, আনসার ও নিরাপত্তা বাহিনী থাকবে। শিশু ও মহিলাবিষয়ক সম্পাদক থাকবে। পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।’
এর আগে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগের জেলা প্রশাসক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘ছোটখাটো ঘটনার সুযোগ নিয়ে কেউ যেন অপপ্রচার ছড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। লোকাল পর্যায়ে কিছু ঘটনা ঘটে, আবার কিছু ঘটে না, অথচ মিডিয়া বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে অযথা প্রচারের মাত্রা বাড়ে।’
তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাহিনীর প্রধানদের আমরা স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছি—যারা উসকানি বা অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এবার দুর্গাপূজা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। দেশের কোথাও বড় কোনো সমস্যা নেই। ধর্মীয় পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।’
সব ধর্মের মানুষের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘সব ধর্মের লোকজন যেন সহযোগিতা করে পূজাটি সুন্দরভাবে ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।’ অনলাইনে অপপ্রচারের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ইউটিউবে যেসব বিষয় ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব না হলেও অনুরোধে অনেক ক্ষেত্রে তা সরিয়ে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে আমরা আইসিটি মন্ত্রণালয়কেও অনুরোধ জানাই।’
চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিখিল কুমার নাথ বলেন, ‘বর্তমান সরকার দুর্গাপূজার সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তায় যথেষ্ট আন্তরিক ও সহযোগিতা প্রদর্শন করছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার ও র্যাব যথাযথভাবে মোতায়েন রয়েছে।
আজ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জেএম সেন হলের মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন এবং সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিদেশে বসে কেউ যেন সাইবার ক্রাইম বা গুজব ছড়াতে না পারে এবং গুজবে কান না দেয়, সে বিষয়েও বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সরকারের এ সহযোগিতা ও তৎপরতার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পূজার সময় বৈধ ও অবৈধ মদের দোকান বন্ধ রাখতে পুলিশ কমিশনার দায়িত্বে আছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
গুজব ও অপপ্রচারের বিষয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘গুজবে কান দেবেন না। সত্য সংবাদ প্রকাশ করুন। মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করবেন না। পার্শ্ববর্তী দেশ মিথ্যা সংবাদ ছড়ায়, আপনারা সত্যি বললে তাদের মুখে চুলকানি পড়বে।’
এর আগে চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অর্পন কান্তি ব্যানার্জি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে পূজার সময় চট্টগ্রামের সব মদের দোকান বন্ধ রাখার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনতে চাই না যে চট্টগ্রামে পূজার সময় মদ বা গাজা বিক্রি হচ্ছে।
দোকান খোলা থাকলে অনেকে কিনতে চাইবে, বন্ধ থাকলে কেউ খেতে পারবে না। পূজামণ্ডপের আশপাশেও মদের কোনো দোকান থাকা উচিত নয়। আপনার কাছে অনুরোধ, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’
তিনি আরও জানান, চতুর্থ নগরে ২৯২টি পূজামণ্ডপে কোনো মেলা বসবে না। মেলা না বসলে মদ বিক্রিরও সুযোগ থাকবে না। একইদিন বিকেলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপও পরিদর্শন করেছেন। তিনি প্যান্ডেলের নিরাপত্তা ও পবিত্রতা রক্ষা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীলদের সতর্ক করেছেন।
পরিদর্শনের সময় উপদেষ্টা বলেন, ‘জেএম সেন এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ভালোভাবে বজায় রাখা হয়। প্রয়োজনে টাইলস করা হয়। প্রতিদিনই পয়পরিষ্কার করার জন্য অনুরোধ করেছি। এ ছাড়া স্বেচ্ছাসেবক, সিসি ক্যামেরা, আনসার ও নিরাপত্তা বাহিনী থাকবে। শিশু ও মহিলাবিষয়ক সম্পাদক থাকবে। পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।’
এর আগে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগের জেলা প্রশাসক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘ছোটখাটো ঘটনার সুযোগ নিয়ে কেউ যেন অপপ্রচার ছড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। লোকাল পর্যায়ে কিছু ঘটনা ঘটে, আবার কিছু ঘটে না, অথচ মিডিয়া বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে অযথা প্রচারের মাত্রা বাড়ে।’
তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাহিনীর প্রধানদের আমরা স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছি—যারা উসকানি বা অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এবার দুর্গাপূজা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। দেশের কোথাও বড় কোনো সমস্যা নেই। ধর্মীয় পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।’
সব ধর্মের মানুষের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘সব ধর্মের লোকজন যেন সহযোগিতা করে পূজাটি সুন্দরভাবে ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।’ অনলাইনে অপপ্রচারের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ইউটিউবে যেসব বিষয় ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব না হলেও অনুরোধে অনেক ক্ষেত্রে তা সরিয়ে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে আমরা আইসিটি মন্ত্রণালয়কেও অনুরোধ জানাই।’
চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিখিল কুমার নাথ বলেন, ‘বর্তমান সরকার দুর্গাপূজার সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তায় যথেষ্ট আন্তরিক ও সহযোগিতা প্রদর্শন করছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার ও র্যাব যথাযথভাবে মোতায়েন রয়েছে।
আজ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জেএম সেন হলের মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন এবং সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিদেশে বসে কেউ যেন সাইবার ক্রাইম বা গুজব ছড়াতে না পারে এবং গুজবে কান না দেয়, সে বিষয়েও বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সরকারের এ সহযোগিতা ও তৎপরতার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।’

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:৪৫
প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের অন্যতম আহ্বায়ক মোহাম্মদ সামছুদ্দীনকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। তিনি সহকারী শিক্ষক হিসেবে নোয়াখালীর কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক অফিস আদেশে তাকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরলক্ষ্মী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়।
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মাহফুজা খাতুনের সই করা ওই অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, বিদ্যমান শূন্য পদে প্রশাসনিক কারণে নিজ বেতনস্কেলে নোয়াখালী সদরের কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ সামছুদ্দীনকে তার বর্তমান কর্মস্থল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। তার বদলিকৃত বিদ্যালয়ের নাম রায়পুর লক্ষ্মীপুরের দক্ষিণ চরলক্ষ্মী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়, বদলির বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, হিসাবরক্ষণ অফিস, আইএমডি এবং মহাপরিচালকের পিএসহ মোট নয়টি দপ্তরে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ৩ দফা দাবিতে গত ২৭ নভেম্বর থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন দেশের ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা৷ এরমধ্যে গত ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে অনির্দিষ্টকালের কমপ্লিট শাটডাউন ও বিদ্যালয় তালাবদ্ধ কর্মসূচি। শিক্ষক সামছুদ্দীন এই আন্দোলনের মাঠপর্যায়ের অন্যতম নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের অন্যতম আহ্বায়ক মোহাম্মদ সামছুদ্দীনকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। তিনি সহকারী শিক্ষক হিসেবে নোয়াখালীর কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক অফিস আদেশে তাকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরলক্ষ্মী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়।
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মাহফুজা খাতুনের সই করা ওই অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, বিদ্যমান শূন্য পদে প্রশাসনিক কারণে নিজ বেতনস্কেলে নোয়াখালী সদরের কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ সামছুদ্দীনকে তার বর্তমান কর্মস্থল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। তার বদলিকৃত বিদ্যালয়ের নাম রায়পুর লক্ষ্মীপুরের দক্ষিণ চরলক্ষ্মী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়, বদলির বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, হিসাবরক্ষণ অফিস, আইএমডি এবং মহাপরিচালকের পিএসহ মোট নয়টি দপ্তরে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ৩ দফা দাবিতে গত ২৭ নভেম্বর থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন দেশের ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা৷ এরমধ্যে গত ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে অনির্দিষ্টকালের কমপ্লিট শাটডাউন ও বিদ্যালয় তালাবদ্ধ কর্মসূচি। শিক্ষক সামছুদ্দীন এই আন্দোলনের মাঠপর্যায়ের অন্যতম নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:২৯
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে সুকিরাম (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া সীমান্তের দশটেকি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুকিরাম ওই এলাকার মুরইছড়া বস্তির দাসনু উরাংয়ের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুরইছড়া সীমান্ত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৪৬ ব্যাটালিয়নের আওতাভুক্ত। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও সুকিরামসহ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ১ হাজার ৮৪৪ ও ১ হাজার ৮৪৫ নম্বর সীমান্ত খুঁটির কাছে গরু চরাচ্ছিলেন।
এ সময় সুকিরামের একটি গরু ভারতের ১৯৯ নম্বর হিরাছড়া বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ঢুকে পড়ে। গরুটি আনতে সীমান্তের দিকে এগোতেই বিএসএফ সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে সুকিরাম পিঠে গুলিবিদ্ধ হন।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. শারমিন ফারহানা জেরিন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক শারমিন ফারহানা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই সুকিরামের মৃত্যু হয়েছিল। তার পিঠে গুলির চিহ্ন ছিল।
কুলাউড়া থানার ওসি মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘সুকিরাম গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।’
বিজিবির ৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এস এম জাকারিয়া জানান, সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রমের সময় বিএসএফের গুলিতে সুকিরাম নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে সুকিরাম (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া সীমান্তের দশটেকি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুকিরাম ওই এলাকার মুরইছড়া বস্তির দাসনু উরাংয়ের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুরইছড়া সীমান্ত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৪৬ ব্যাটালিয়নের আওতাভুক্ত। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও সুকিরামসহ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ১ হাজার ৮৪৪ ও ১ হাজার ৮৪৫ নম্বর সীমান্ত খুঁটির কাছে গরু চরাচ্ছিলেন।
এ সময় সুকিরামের একটি গরু ভারতের ১৯৯ নম্বর হিরাছড়া বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ঢুকে পড়ে। গরুটি আনতে সীমান্তের দিকে এগোতেই বিএসএফ সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে সুকিরাম পিঠে গুলিবিদ্ধ হন।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. শারমিন ফারহানা জেরিন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক শারমিন ফারহানা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই সুকিরামের মৃত্যু হয়েছিল। তার পিঠে গুলির চিহ্ন ছিল।
কুলাউড়া থানার ওসি মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘সুকিরাম গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।’
বিজিবির ৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এস এম জাকারিয়া জানান, সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রমের সময় বিএসএফের গুলিতে সুকিরাম নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:২৩
অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, দেশের সম্পদ চুরি করে যারা বিদেশে পাচার করে তারা দেশপ্রেমিক নয়। আমরা দেশপ্রেমিক তৈরি করতে চাই। বাংলাদেশ আমাদের সবার।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন–২০২৫ এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিভেদ থাকতে পারে কিন্তু ইসলামের বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিভেদ মানুষকে ধ্বংস করে। তবে ঐক্যবদ্ধ থাকলে ইসলাম বহুদূর এগিয়ে যাবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে প্রভাব ফেলতে পারবে ইসলাম। বিচ্ছিন্ন থাকলে তা সম্ভব হবে না। সব সূচকে বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
উপদেষ্টা বলেন, দেশে দুর্নীতি লুটপাট অর্থপাচার বন্ধ করতে পারলে বাংলাদেশ পৃথিবীর বহু দেশকে ছাড়িয়ে যাবে। বাংলাদেশে আমি দুটি বড় জেলখানা ভিজিট করেছি। কারাগারের ভেতরে কুরআন পড়ার ব্যবস্থা ছিল আমরা তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছি। আরও বাড়াব। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা কুরআনের তালিম চালু করেছি। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ওই কুরআনের তালিমে ৩৫ জন শিক্ষার্থী আছেন। তারা যদি সাহাবায়ে কেরামদের জীবনী পড়েন তাহলে তাদের মাঝে পরিবর্তন আসবে।
তিনি বলেন, আমরা গীবত করব না। মানুষ বলে ফেসবুক বলে কিন্তু আমরা নিজেরা তা বলব না। নিজেকে প্রশ্ন করুন। পরে আরেকজনকে বলুন। ঘৃণা থেকে সন্ত্রাস ছড়ায়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কারি শাইখ আহমাদ বিন ইউসুফ আযহারী, মিসরের শাইখ আহমাদ আল জাওহারী, পাকিস্তানের কারি আনওয়ারুল হাসান শাহ বুখারী, ইরানের কারি মাহদী গোলাম নেযাদ, ফিলিপাইনের কারি মুহাম্মাদ নাযীর আসগার তাদের তিলওয়াত পরিবেশন করেন।
কুমিল্লা ঈদগাহ ময়দানে এই প্রথম আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন আল-কুরআন একাডেমি, কুমিল্লার উদ্যোগে সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন-কুমিল্লা আল কুরআন একাডেমি সভাপতি মু. নূরুদ্দিন আহমাদের সভাপতিত্বে সেক্রেটারি ড. মুজাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, ইনসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একেএম এমদাদুল হক মামুন, মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, এবি পার্টির কুমিল্লা জেলা সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক, আল কুরআন একাডেমির অর্থ সম্পাদক ফয়েজ আহম্মেদ, গোমতী হসপিটালের চেয়ারম্যান ডা. মজিবুর রহমান, ভিক্টোরিয়া কলেজের জিএস সানাউল্লাহ মজুমদার, সম্মেলন পরিচালনা কমিটির সদস্য আবু সায়েম, গোলাম সামদানি, মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সবুজসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অনুষ্ঠানের শেষদিকে ক্বিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণের পর দোয়া করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, দেশের সম্পদ চুরি করে যারা বিদেশে পাচার করে তারা দেশপ্রেমিক নয়। আমরা দেশপ্রেমিক তৈরি করতে চাই। বাংলাদেশ আমাদের সবার।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন–২০২৫ এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিভেদ থাকতে পারে কিন্তু ইসলামের বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিভেদ মানুষকে ধ্বংস করে। তবে ঐক্যবদ্ধ থাকলে ইসলাম বহুদূর এগিয়ে যাবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে প্রভাব ফেলতে পারবে ইসলাম। বিচ্ছিন্ন থাকলে তা সম্ভব হবে না। সব সূচকে বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
উপদেষ্টা বলেন, দেশে দুর্নীতি লুটপাট অর্থপাচার বন্ধ করতে পারলে বাংলাদেশ পৃথিবীর বহু দেশকে ছাড়িয়ে যাবে। বাংলাদেশে আমি দুটি বড় জেলখানা ভিজিট করেছি। কারাগারের ভেতরে কুরআন পড়ার ব্যবস্থা ছিল আমরা তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছি। আরও বাড়াব। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা কুরআনের তালিম চালু করেছি। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ওই কুরআনের তালিমে ৩৫ জন শিক্ষার্থী আছেন। তারা যদি সাহাবায়ে কেরামদের জীবনী পড়েন তাহলে তাদের মাঝে পরিবর্তন আসবে।
তিনি বলেন, আমরা গীবত করব না। মানুষ বলে ফেসবুক বলে কিন্তু আমরা নিজেরা তা বলব না। নিজেকে প্রশ্ন করুন। পরে আরেকজনকে বলুন। ঘৃণা থেকে সন্ত্রাস ছড়ায়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কারি শাইখ আহমাদ বিন ইউসুফ আযহারী, মিসরের শাইখ আহমাদ আল জাওহারী, পাকিস্তানের কারি আনওয়ারুল হাসান শাহ বুখারী, ইরানের কারি মাহদী গোলাম নেযাদ, ফিলিপাইনের কারি মুহাম্মাদ নাযীর আসগার তাদের তিলওয়াত পরিবেশন করেন।
কুমিল্লা ঈদগাহ ময়দানে এই প্রথম আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন আল-কুরআন একাডেমি, কুমিল্লার উদ্যোগে সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন-কুমিল্লা আল কুরআন একাডেমি সভাপতি মু. নূরুদ্দিন আহমাদের সভাপতিত্বে সেক্রেটারি ড. মুজাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, ইনসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একেএম এমদাদুল হক মামুন, মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, এবি পার্টির কুমিল্লা জেলা সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক, আল কুরআন একাডেমির অর্থ সম্পাদক ফয়েজ আহম্মেদ, গোমতী হসপিটালের চেয়ারম্যান ডা. মজিবুর রহমান, ভিক্টোরিয়া কলেজের জিএস সানাউল্লাহ মজুমদার, সম্মেলন পরিচালনা কমিটির সদস্য আবু সায়েম, গোলাম সামদানি, মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সবুজসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অনুষ্ঠানের শেষদিকে ক্বিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণের পর দোয়া করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.