
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৩২
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পূজার সময় বৈধ ও অবৈধ মদের দোকান বন্ধ রাখতে পুলিশ কমিশনার দায়িত্বে আছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
গুজব ও অপপ্রচারের বিষয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘গুজবে কান দেবেন না। সত্য সংবাদ প্রকাশ করুন। মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করবেন না। পার্শ্ববর্তী দেশ মিথ্যা সংবাদ ছড়ায়, আপনারা সত্যি বললে তাদের মুখে চুলকানি পড়বে।’
এর আগে চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অর্পন কান্তি ব্যানার্জি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে পূজার সময় চট্টগ্রামের সব মদের দোকান বন্ধ রাখার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনতে চাই না যে চট্টগ্রামে পূজার সময় মদ বা গাজা বিক্রি হচ্ছে।
দোকান খোলা থাকলে অনেকে কিনতে চাইবে, বন্ধ থাকলে কেউ খেতে পারবে না। পূজামণ্ডপের আশপাশেও মদের কোনো দোকান থাকা উচিত নয়। আপনার কাছে অনুরোধ, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’
তিনি আরও জানান, চতুর্থ নগরে ২৯২টি পূজামণ্ডপে কোনো মেলা বসবে না। মেলা না বসলে মদ বিক্রিরও সুযোগ থাকবে না। একইদিন বিকেলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপও পরিদর্শন করেছেন। তিনি প্যান্ডেলের নিরাপত্তা ও পবিত্রতা রক্ষা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীলদের সতর্ক করেছেন।
পরিদর্শনের সময় উপদেষ্টা বলেন, ‘জেএম সেন এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ভালোভাবে বজায় রাখা হয়। প্রয়োজনে টাইলস করা হয়। প্রতিদিনই পয়পরিষ্কার করার জন্য অনুরোধ করেছি। এ ছাড়া স্বেচ্ছাসেবক, সিসি ক্যামেরা, আনসার ও নিরাপত্তা বাহিনী থাকবে। শিশু ও মহিলাবিষয়ক সম্পাদক থাকবে। পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।’
এর আগে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগের জেলা প্রশাসক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘ছোটখাটো ঘটনার সুযোগ নিয়ে কেউ যেন অপপ্রচার ছড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। লোকাল পর্যায়ে কিছু ঘটনা ঘটে, আবার কিছু ঘটে না, অথচ মিডিয়া বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে অযথা প্রচারের মাত্রা বাড়ে।’
তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাহিনীর প্রধানদের আমরা স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছি—যারা উসকানি বা অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এবার দুর্গাপূজা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। দেশের কোথাও বড় কোনো সমস্যা নেই। ধর্মীয় পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।’
সব ধর্মের মানুষের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘সব ধর্মের লোকজন যেন সহযোগিতা করে পূজাটি সুন্দরভাবে ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।’ অনলাইনে অপপ্রচারের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ইউটিউবে যেসব বিষয় ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব না হলেও অনুরোধে অনেক ক্ষেত্রে তা সরিয়ে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে আমরা আইসিটি মন্ত্রণালয়কেও অনুরোধ জানাই।’
চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিখিল কুমার নাথ বলেন, ‘বর্তমান সরকার দুর্গাপূজার সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তায় যথেষ্ট আন্তরিক ও সহযোগিতা প্রদর্শন করছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার ও র্যাব যথাযথভাবে মোতায়েন রয়েছে।
আজ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জেএম সেন হলের মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন এবং সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিদেশে বসে কেউ যেন সাইবার ক্রাইম বা গুজব ছড়াতে না পারে এবং গুজবে কান না দেয়, সে বিষয়েও বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সরকারের এ সহযোগিতা ও তৎপরতার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পূজার সময় বৈধ ও অবৈধ মদের দোকান বন্ধ রাখতে পুলিশ কমিশনার দায়িত্বে আছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
গুজব ও অপপ্রচারের বিষয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘গুজবে কান দেবেন না। সত্য সংবাদ প্রকাশ করুন। মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করবেন না। পার্শ্ববর্তী দেশ মিথ্যা সংবাদ ছড়ায়, আপনারা সত্যি বললে তাদের মুখে চুলকানি পড়বে।’
এর আগে চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অর্পন কান্তি ব্যানার্জি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে পূজার সময় চট্টগ্রামের সব মদের দোকান বন্ধ রাখার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনতে চাই না যে চট্টগ্রামে পূজার সময় মদ বা গাজা বিক্রি হচ্ছে।
দোকান খোলা থাকলে অনেকে কিনতে চাইবে, বন্ধ থাকলে কেউ খেতে পারবে না। পূজামণ্ডপের আশপাশেও মদের কোনো দোকান থাকা উচিত নয়। আপনার কাছে অনুরোধ, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’
তিনি আরও জানান, চতুর্থ নগরে ২৯২টি পূজামণ্ডপে কোনো মেলা বসবে না। মেলা না বসলে মদ বিক্রিরও সুযোগ থাকবে না। একইদিন বিকেলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপও পরিদর্শন করেছেন। তিনি প্যান্ডেলের নিরাপত্তা ও পবিত্রতা রক্ষা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীলদের সতর্ক করেছেন।
পরিদর্শনের সময় উপদেষ্টা বলেন, ‘জেএম সেন এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ভালোভাবে বজায় রাখা হয়। প্রয়োজনে টাইলস করা হয়। প্রতিদিনই পয়পরিষ্কার করার জন্য অনুরোধ করেছি। এ ছাড়া স্বেচ্ছাসেবক, সিসি ক্যামেরা, আনসার ও নিরাপত্তা বাহিনী থাকবে। শিশু ও মহিলাবিষয়ক সম্পাদক থাকবে। পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।’
এর আগে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগের জেলা প্রশাসক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘ছোটখাটো ঘটনার সুযোগ নিয়ে কেউ যেন অপপ্রচার ছড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। লোকাল পর্যায়ে কিছু ঘটনা ঘটে, আবার কিছু ঘটে না, অথচ মিডিয়া বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে অযথা প্রচারের মাত্রা বাড়ে।’
তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাহিনীর প্রধানদের আমরা স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছি—যারা উসকানি বা অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এবার দুর্গাপূজা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। দেশের কোথাও বড় কোনো সমস্যা নেই। ধর্মীয় পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে।’
সব ধর্মের মানুষের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘সব ধর্মের লোকজন যেন সহযোগিতা করে পূজাটি সুন্দরভাবে ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।’ অনলাইনে অপপ্রচারের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ইউটিউবে যেসব বিষয় ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব না হলেও অনুরোধে অনেক ক্ষেত্রে তা সরিয়ে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে আমরা আইসিটি মন্ত্রণালয়কেও অনুরোধ জানাই।’
চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিখিল কুমার নাথ বলেন, ‘বর্তমান সরকার দুর্গাপূজার সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তায় যথেষ্ট আন্তরিক ও সহযোগিতা প্রদর্শন করছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার ও র্যাব যথাযথভাবে মোতায়েন রয়েছে।
আজ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জেএম সেন হলের মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন এবং সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিদেশে বসে কেউ যেন সাইবার ক্রাইম বা গুজব ছড়াতে না পারে এবং গুজবে কান না দেয়, সে বিষয়েও বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সরকারের এ সহযোগিতা ও তৎপরতার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।’
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫০
পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। এর মাধমে পারমানবিক শক্তি ব্যবহারকারীর আন্তর্জাতিক দেশের তালিকায় ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ৩ টার দিকে পদ্মার তীর ঘেষা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর থেকে আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রীডে। পরবর্তীতে নানা ধাপ পেরিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে রূপপুরের প্রথম ইউনিট।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। কারণ নিরাপত্তাই বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকার। এই পারমাণবিক কেন্দ্র ঢাকা ও মস্কোর মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।
রুশ পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে যেভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও সেভাবে পাশে থাকবে। বাংলাদেশের মানুষকে আশ্বস্থ করতে চাই নিরাপত্তা নিয়ে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সর্বোচ্চ মানদন্ড বজায় রাখা হয়েছে। নিরাপদ পারমানবিক কেন্দ্র থেকেই সরবরাহ করা হবে বিদ্যুৎ। এমনকি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ ভবিষ্যতের প্রয়োজনে সহযোগিতা থাকবে রোসাটমের।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রযুক্তিগত রূপান্তরের সুযোগ এনে দিয়েছে রূপপুর। এই কেন্দ্র বাংলাদেশের বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিবে।
অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি। এই জ্বালানি লোডিংয়ের মধ্য দিয়েই মূলত এই কেন্দ্র থেকে ধাপে ধাপে শুরু হবে বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই বিদ্যুৎ উৎপাদন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আকাশপথে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছায় পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান। এরপর আসে আরও কয়েকটি চালান। বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে অক্টোবরে রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয় জ্বালানি। এরপর এটি মজুত করে রাখা হয়েছে রূপপুরে। অতিরিক্ত একটিসহ মোট ১৬৪টি বান্ডিল দেশে আনা হয়। রূপপুরে ব্যবহৃত প্রতিটি বান্ডিলে ৩১২টি জ্বালানি রড আছে ।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি মূলত ইউরেনিয়াম থেকে তৈরি হয়। প্রথমে ইউরেনিয়াম অক্সাইড দিয়ে ছোট ট্যাবলেটের মতো জ্বালানি দানা (প্যালেট) বানানো হয়। এগুলোর ব্যাস সাধারণত ৮ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং দৈর্ঘ্য ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার। এমন অনেক জ্বালানি দানা প্রায় চার মিটার দীর্ঘ ধাতব নলের ভেতরে সাজিয়ে তৈরি হয় জ্বালানি রড। আবার নির্দিষ্ট কাঠামোতে অনেকগুলো রড একসঙ্গে যুক্ত করলে তৈরি হয় জ্বালানি বান্ডিল বা ফুয়েল অ্যাসেম্বলি।
বরিশাল টাইমস
পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। এর মাধমে পারমানবিক শক্তি ব্যবহারকারীর আন্তর্জাতিক দেশের তালিকায় ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ৩ টার দিকে পদ্মার তীর ঘেষা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর থেকে আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রীডে। পরবর্তীতে নানা ধাপ পেরিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে রূপপুরের প্রথম ইউনিট।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। কারণ নিরাপত্তাই বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকার। এই পারমাণবিক কেন্দ্র ঢাকা ও মস্কোর মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।
রুশ পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে যেভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও সেভাবে পাশে থাকবে। বাংলাদেশের মানুষকে আশ্বস্থ করতে চাই নিরাপত্তা নিয়ে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সর্বোচ্চ মানদন্ড বজায় রাখা হয়েছে। নিরাপদ পারমানবিক কেন্দ্র থেকেই সরবরাহ করা হবে বিদ্যুৎ। এমনকি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ ভবিষ্যতের প্রয়োজনে সহযোগিতা থাকবে রোসাটমের।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রযুক্তিগত রূপান্তরের সুযোগ এনে দিয়েছে রূপপুর। এই কেন্দ্র বাংলাদেশের বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিবে।
অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি। এই জ্বালানি লোডিংয়ের মধ্য দিয়েই মূলত এই কেন্দ্র থেকে ধাপে ধাপে শুরু হবে বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই বিদ্যুৎ উৎপাদন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আকাশপথে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছায় পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান। এরপর আসে আরও কয়েকটি চালান। বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে অক্টোবরে রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয় জ্বালানি। এরপর এটি মজুত করে রাখা হয়েছে রূপপুরে। অতিরিক্ত একটিসহ মোট ১৬৪টি বান্ডিল দেশে আনা হয়। রূপপুরে ব্যবহৃত প্রতিটি বান্ডিলে ৩১২টি জ্বালানি রড আছে ।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি মূলত ইউরেনিয়াম থেকে তৈরি হয়। প্রথমে ইউরেনিয়াম অক্সাইড দিয়ে ছোট ট্যাবলেটের মতো জ্বালানি দানা (প্যালেট) বানানো হয়। এগুলোর ব্যাস সাধারণত ৮ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং দৈর্ঘ্য ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার। এমন অনেক জ্বালানি দানা প্রায় চার মিটার দীর্ঘ ধাতব নলের ভেতরে সাজিয়ে তৈরি হয় জ্বালানি রড। আবার নির্দিষ্ট কাঠামোতে অনেকগুলো রড একসঙ্গে যুক্ত করলে তৈরি হয় জ্বালানি বান্ডিল বা ফুয়েল অ্যাসেম্বলি।
বরিশাল টাইমস

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৮
চলমান এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনেই দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ২৭১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৩ হাজার ১৫৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৬৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। গত বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে দুই হাজার ৮৯২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৪০৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২০ দশমিক ২০ শতাংশ
চলমান এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনেই দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ২৭১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৩ হাজার ১৫৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৬৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। গত বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে দুই হাজার ৮৯২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৪০৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২০ দশমিক ২০ শতাংশ

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫২
হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক ও ইউনাইটেড গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (অ্যাডমিন) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চারদিনের রিমান্ড শেষে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আরও সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামির দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ একই মামলায় তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন আজমপুর এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় মাহমুদুল হাসান (২৬) নামের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক ও ইউনাইটেড গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (অ্যাডমিন) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চারদিনের রিমান্ড শেষে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আরও সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামির দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ একই মামলায় তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন আজমপুর এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় মাহমুদুল হাসান (২৬) নামের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.