
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৬
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় বিএনপির অস্থায়ী নির্বাচনী কার্যালয়ের পাশ থেকে বোমা সদৃশ দুটি বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমতৈল গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় মফেজেলের ছেলে জগত আলীর চায়ের দোকানে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা অস্থায়ীভাবে নির্বাচনী কার্যালয় স্থাপন করেন। ওই দোকানেই নিয়মিতভাবে নেতাকর্মীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন।
শনিবার সকালে কার্যালয়ের পাশে লাল টেপে মোড়ানো সন্দেহজনক দুটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে গাংনী থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমা সদৃশ বস্তু দুটি উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা এসব বোমা সদৃশ বস্তু কার্যালয়ের পাশে রেখে গেছে।
গাংনী থানার ওসি উত্তম কুমার দাস বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমা সদৃশ বস্তু দুটি উদ্ধার করেছে। সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় বিএনপির অস্থায়ী নির্বাচনী কার্যালয়ের পাশ থেকে বোমা সদৃশ দুটি বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমতৈল গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় মফেজেলের ছেলে জগত আলীর চায়ের দোকানে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা অস্থায়ীভাবে নির্বাচনী কার্যালয় স্থাপন করেন। ওই দোকানেই নিয়মিতভাবে নেতাকর্মীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন।
শনিবার সকালে কার্যালয়ের পাশে লাল টেপে মোড়ানো সন্দেহজনক দুটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে গাংনী থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমা সদৃশ বস্তু দুটি উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা এসব বোমা সদৃশ বস্তু কার্যালয়ের পাশে রেখে গেছে।
গাংনী থানার ওসি উত্তম কুমার দাস বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমা সদৃশ বস্তু দুটি উদ্ধার করেছে। সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৩
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র দখলের যে কোনো চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। যারা ভোটকেন্দ্রে অনৈতিক উদ্দেশ্যে আসতে চায়, তাদের বলছি; আসার আগে বাবা-মা ও সন্তানদের কাছে ক্ষমা চেয়ে আসুন। সময় কিন্তু পাবেন না।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বগুড়ার কাহালু উপজেলার বটতলা এলাকায় আয়োজিত ‘মার্চ ফর দাঁড়িপাল্লা’ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, নৌকা, ধানের শীষ ও লাঙ্গল সবই জনগণ দেখেছে। এবার ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করবে জনগণ। দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে দখলদার ও জুলুমকারীরা এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হবে।
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, একটি দল প্রকাশ্যে এক কথা বলে, ভেতরে আরেক কথা বলে; এটি স্পষ্ট মুনাফেকি। তারা অতীতেও কৃষক ঋণ মওকুফ, স্বাস্থ্যবিমা ও বেকার ভাতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা বাস্তবায়ন করেনি। তাদের শাসনামলে দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশ বিশ্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা প্রতিহত করা হবে : শিবির সভাপতি
৫৪ বছরে কেউ ফেরেশতা ছিলেন না : ডা. শফিকুর রহমান
শিবির সভাপতি বলেন, গত ১৭ বছর ধরে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের মাধ্যমে জনগণের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। জনগণ আর কোনো ফ্যাসিবাদী কাঠামো দেখতে চাই না। যারা বাংলাদেশকে অনিরাপদ করতে চায়, তাদের আমরা লাল কার্ড দেখিয়ে রুখে দেব। নিরাপদ ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয় অর্জন করব ইনশাআল্লাহ।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় মানে জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা। সংবিধান কেউ নিজের ইচ্ছামতো সংশোধন করতে পারবে না। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সন্ত্রাসী আসামিদের রাষ্ট্রপতি খেয়ালখুশিমতো ক্ষমা করতে পারবেন না। ভবিষ্যতে সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে গণভোট বাধ্যতামূলক হবে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।
হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় মানে স্বাধীনতার পক্ষে রায় এবং আধিপত্যবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করার পক্ষে রায় বলে মন্তব্য করেন নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি সবাইকে হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দিতে ও আশপাশের মানুষদের উৎসাহিত করতে আহ্বান জানান।
ইসলামী ছাত্রশিবির কাহালু উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বগুড়া-৪ আসনের প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি ও ছাত্রশিবিরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সিনিয়র নেতারা।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র দখলের যে কোনো চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। যারা ভোটকেন্দ্রে অনৈতিক উদ্দেশ্যে আসতে চায়, তাদের বলছি; আসার আগে বাবা-মা ও সন্তানদের কাছে ক্ষমা চেয়ে আসুন। সময় কিন্তু পাবেন না।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বগুড়ার কাহালু উপজেলার বটতলা এলাকায় আয়োজিত ‘মার্চ ফর দাঁড়িপাল্লা’ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, নৌকা, ধানের শীষ ও লাঙ্গল সবই জনগণ দেখেছে। এবার ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করবে জনগণ। দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে দখলদার ও জুলুমকারীরা এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হবে।
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, একটি দল প্রকাশ্যে এক কথা বলে, ভেতরে আরেক কথা বলে; এটি স্পষ্ট মুনাফেকি। তারা অতীতেও কৃষক ঋণ মওকুফ, স্বাস্থ্যবিমা ও বেকার ভাতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা বাস্তবায়ন করেনি। তাদের শাসনামলে দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশ বিশ্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা প্রতিহত করা হবে : শিবির সভাপতি
৫৪ বছরে কেউ ফেরেশতা ছিলেন না : ডা. শফিকুর রহমান
শিবির সভাপতি বলেন, গত ১৭ বছর ধরে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের মাধ্যমে জনগণের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। জনগণ আর কোনো ফ্যাসিবাদী কাঠামো দেখতে চাই না। যারা বাংলাদেশকে অনিরাপদ করতে চায়, তাদের আমরা লাল কার্ড দেখিয়ে রুখে দেব। নিরাপদ ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয় অর্জন করব ইনশাআল্লাহ।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় মানে জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা। সংবিধান কেউ নিজের ইচ্ছামতো সংশোধন করতে পারবে না। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সন্ত্রাসী আসামিদের রাষ্ট্রপতি খেয়ালখুশিমতো ক্ষমা করতে পারবেন না। ভবিষ্যতে সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে গণভোট বাধ্যতামূলক হবে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।
হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় মানে স্বাধীনতার পক্ষে রায় এবং আধিপত্যবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করার পক্ষে রায় বলে মন্তব্য করেন নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি সবাইকে হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দিতে ও আশপাশের মানুষদের উৎসাহিত করতে আহ্বান জানান।
ইসলামী ছাত্রশিবির কাহালু উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বগুড়া-৪ আসনের প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি ও ছাত্রশিবিরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সিনিয়র নেতারা।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৩
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে রফিকুল ইসলাম নামে এক ইজিবাইক চালককে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে তার ইজিবাইক ও সর্বস্ব ছিনতাই করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার দুপুরে জেলা শহরের চায়না বাঁধ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট কাচারিপাড়া গ্রামের মৃত নূর হোসেন আলীর ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে ইজিবাইক নিয়ে কাজে বের হওয়ার পর থেকে রফিকুল নিখোঁজ ছিলেন। সারারাত বাড়ি না ফেরায় শনিবার সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে কামারখন্দ থানায় অভিযোগ জানায় তার পরিবার। স্বামীকে খুঁজে পেতে স্ত্রী পাপিয়া খাতুন ব্যাকুল হয়ে দেবরকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় মাইকিংও করেন।
উদ্ধারের বিষয়ে ভিকটিমের চাচাতো ভাই বেলাল হোসেন জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর আমরা সব জায়গায় খোঁজ করতে থাকি। এর আগে চায়না বাঁধ এলাকায় এ ধরনের অচেতন চালককে উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছিল, তাই সন্দেহের ভিত্তিতে সেখানে খুঁজতে যাই। বাঁধের গেটে ঢুকতেই রফিকুলকে উদভ্রান্তের মতো হাঁটতে দেখা যায়। তার সঙ্গে থাকা ইজিবাইক, টাকা ও পরনের শার্ট কিছুই ছিল না। দুর্বৃত্তরা তাকে অজ্ঞান করে সবকিছু নিয়ে গেছে।
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন আকন্দ জানান, নিখোঁজ চালককে অচেতন অবস্থায় চায়না বাঁধ এলাকা থেকে উদ্ধারের খবর আমরা পেয়েছি। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তার জ্ঞান ফিরেছে। এই চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত, বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে রফিকুল ইসলাম নামে এক ইজিবাইক চালককে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে তার ইজিবাইক ও সর্বস্ব ছিনতাই করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার দুপুরে জেলা শহরের চায়না বাঁধ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট কাচারিপাড়া গ্রামের মৃত নূর হোসেন আলীর ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে ইজিবাইক নিয়ে কাজে বের হওয়ার পর থেকে রফিকুল নিখোঁজ ছিলেন। সারারাত বাড়ি না ফেরায় শনিবার সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে কামারখন্দ থানায় অভিযোগ জানায় তার পরিবার। স্বামীকে খুঁজে পেতে স্ত্রী পাপিয়া খাতুন ব্যাকুল হয়ে দেবরকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় মাইকিংও করেন।
উদ্ধারের বিষয়ে ভিকটিমের চাচাতো ভাই বেলাল হোসেন জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর আমরা সব জায়গায় খোঁজ করতে থাকি। এর আগে চায়না বাঁধ এলাকায় এ ধরনের অচেতন চালককে উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছিল, তাই সন্দেহের ভিত্তিতে সেখানে খুঁজতে যাই। বাঁধের গেটে ঢুকতেই রফিকুলকে উদভ্রান্তের মতো হাঁটতে দেখা যায়। তার সঙ্গে থাকা ইজিবাইক, টাকা ও পরনের শার্ট কিছুই ছিল না। দুর্বৃত্তরা তাকে অজ্ঞান করে সবকিছু নিয়ে গেছে।
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন আকন্দ জানান, নিখোঁজ চালককে অচেতন অবস্থায় চায়না বাঁধ এলাকা থেকে উদ্ধারের খবর আমরা পেয়েছি। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তার জ্ঞান ফিরেছে। এই চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত, বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৩
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে স্কুল শিক্ষার্থীদের দিয়ে ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান দেওয়ানোর ঘটনায় দুই প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) রাতে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান ও সিভিল জজ খাদিজা আক্তার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) পাকুন্দিয়া উপজেলার ছোট আজলদী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের দিয়ে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনের বিএনপি প্রার্থী জালাল উদ্দীনের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়া হয়।
স্লোগানগুলোর মধ্যে ছিল, ‘জালাল ভাইয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট, ধানের শীষের পক্ষে হোক’, ‘আমরা যদি ভোটার হতাম, ধানের শীষে ভোট দিতাম’ ও ‘ভোট দেবো কিসে, ধানের শীষে’।
এ ঘটনায় পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রূপন দাস সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা-২০২৫ এর ১৫(খ) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নোটিশে বলা হয়েছে, কেন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না, এবং কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বাজিতপুর চৌকি আদালতে নিকলী সিভিল জজের কার্যালয়ে সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে স্কুল শিক্ষার্থীদের দিয়ে ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান দেওয়ানোর ঘটনায় দুই প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) রাতে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান ও সিভিল জজ খাদিজা আক্তার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) পাকুন্দিয়া উপজেলার ছোট আজলদী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের দিয়ে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনের বিএনপি প্রার্থী জালাল উদ্দীনের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়া হয়।
স্লোগানগুলোর মধ্যে ছিল, ‘জালাল ভাইয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট, ধানের শীষের পক্ষে হোক’, ‘আমরা যদি ভোটার হতাম, ধানের শীষে ভোট দিতাম’ ও ‘ভোট দেবো কিসে, ধানের শীষে’।
এ ঘটনায় পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রূপন দাস সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা-২০২৫ এর ১৫(খ) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নোটিশে বলা হয়েছে, কেন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না, এবং কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বাজিতপুর চৌকি আদালতে নিকলী সিভিল জজের কার্যালয়ে সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:১৬
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৩
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৬
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৩